আমার প্রিয় পোস্ট
- “ঢাকার মজার কিছু খাবার দোকান এবং ঠিকানা” - নাফিজ মুনতাসির
- শুভ জন্মদিন ইরতেজা - লিটল হামা
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- একুশে বই মেলা ২০০৯: যেসব ব্লগার লেখকদের বই বেরুচ্ছে, তাদের তালিকা.. - মেঘবাজি
- প্রিয় নাজমুল এবং সাঁঝবাতির রুপকথা, কিছু অনুচ্চারিত প্রশ্নের উত্তর! - ক-খ-গ
- Yahoo! Messenger এ বাংলায় Chat করুন... - মৃত হাসানের প্রেতাত্মা
- নবীনদের জন্য - নাদান
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- যারা স্কেচ শিখতে চান আসুন তবে স্কেচ শিখি। (তিন) - জেমিনি
- রেসিপি পোস্টঃ সবজি খিচুড়ি + গরুর গোশত ভূনা (সাথে সালাদ ফাউ)
- প্রলয় হাসান
- প্রকাশিত হল মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ই-সংকলন ফিরে দেখা একাত্তর - ব্রিগেড সিক্সটিন
- চলচ্চিত্রঃ ব্রিক লেন - মোস্তাফিজ রিপন
- একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতনঃ কিছু সাক্ষীর বয়ান - রাশেদ
- উপন্যাস থেকে চলচ্চিত্র: সারাহ গ্যাভ্রনের সঙ্গে আলাপ-সালাপ (উত্সর্গ: ইরতেজা) - শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- যারা কথা বলার সময় বাংলার সাথে ইংরেজী মিশায় - তাদের কেন যেন বাটপার ধরনের মানুষ মনে হয়! - এস্কিমো
- স্বাধীনতার ৩৬ বছর পর আজও বাংলার ঘরে ঘরে হাজার হাজার আজাদের মা, রুমির মা, জুয়েলের মায়েরা নিভৃতে চোখের পানি ফেলে। - সুমি
- অবশেষে বিরিয়ানি রেসিপি - হাসিব
- শহীদ জননী জাহানারা ইমাম - মাহবুব সুমন
বৃষ্টিস্নাত এই সব দিবারাত্রি
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯
১
ছুটির দিন, অলস দুপুর। বৃষ্টি দেখতে দেখতে গরম চা খাচ্ছি। খোলা জানালা দিয়ে বৃষ্টির পানি ছিটা এসে লাগে। ছিটাছিটি ফোঁটাগুলো আমার টেবিল, ল্যাপটপ, এলোমেলো বইপত্র ভিজিয়ে দিচ্ছে। মেঘাচ্ছন্ন আকাশের দেখলেই কেমন জানি আনমনা হয়ে যাই।
বৃষ্টি-বাদল দিনে আমাদের বাসা থেকে থেকে ইয়ারা নদী দেখতে খুব সুন্দর লাগে। ইয়ারা নদী সর্পিল ভাবে মেলবোর্ন শহরের উপর দিয়ে পশ্চিম থেকে পূর্বে বয়ে গিয়ে পোর্ট ফিলিপ সাগরে পরেছে।
এখন আইপডে একটা হালের হিন্দি গান শুনছি। “ রাব নে বানা দি জরি ” ছবির এই গানটা বেশ পছন্দ হয়েছে। হাম হে রাহি পেয়ার কে ,ফির মিলেঙ্গে চালতে চালতে
গত কয়েক দিন ধরে ভিক্টোরিয়া স্টেটে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। এখানে হঠাৎ ব্যাপক বৃষ্টি শুরু হয় কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই আবার থেমে যায়। কিছুক্ষণ বিরতি দিয়ে আবার নামে। দূর! বৃষ্টি-বাদলেও আজকাল কেমন যেন ভেজাল, দুই নম্বরী। পৃথিবীর সব থেকে সুন্দর বৃষ্টি হয় বাংলাদেশে। আহা! কি সুন্দর ঝুমঝুম বৃষ্টি।
এখানে লোকজন বৃষ্টি একদম পছন্দ করে না। লন্ড্রী রুমে আমাকে দেখে পাশের বাসার বুড়ি নাক সিট্কে বলল, “দেখছ? কি বাজে আবহাওয়া।” আমিও তার সাথে গলা মেলালাম। আহত গলায় বলি, “আসলেই খুব জঘন্য আবহাওয়া।” সীড়িতে স্বর্ণাকেশী স্টেসি বলল, “ উফ! বাহিরে কি বৃষ্টি, আজ ভেবেছিলাম ওকে নিয়ে একটু বাহিরে হাঁটব, তুমি কি দেখেছ বাড়িতে থাকতে থাকতে থাকতে বেচারী্র চর্বি জমে গেছে।” আমিও ওর পিচ্চি তুলতুলে সাদা কুকুরের দিকে তাকিয়ে বলি, “আহারে! আসলেই ত।”
কিন্তু আমার মনে আজ অনেক ফুর্তি। আহারে কি আনন্দ! কি সৌন্দর্য, বৃষ্টি হচ্ছে। আজ সব কিছু ভেসে যাক। বান ডাকুক ইয়ারা নদীতে...
২
গত রাতে মেলবোর্ণ সেন্ট্রালে প্রিয় অভিনেতা শাহরুখ খানের নতুন ছবি এর প্রিমিয়ার শো দেখে বাসায় ফির ছিলাম। মাল্টিপ্লেক্স থেকে বের হয়েই দেখি প্রচণ্ড বৃষ্টি। স্টেট লাইব্রেরীর সামনে ট্রামে উঠবার পর মনে হল বৃষ্টি বোধ হয় একটু কমতি দিকে । বোটানিকাল গার্ডেন আসতে আসতেই দেখি আবার আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি পড়ছে। রাত দেড়টা বাজে। আসে পাশে কোন কফি শপও খোলা নেই যে বসে বসে গরম গরম সয় মিল্ক ক্যাপাচিনো বা কফি ল্যাটে পান করতে করতে বৃষ্টি থামার অপেক্ষা করব। আশে পাশে কোন ছাঊনিও খুঁজে পেলাম না। কি আর করা । জিন্স হাঁটু অবধি গুটিয়ে নিলাম। শার্ট খুলে কোমরে শক্ত করে বাধলাম। ধুমিয়ে একটা দৌড় দিলাম ।
ঝড়-বৃষ্টির রাতে রাস্তার মাঝখানে একজন জগিং করতে করতে যাচ্ছে এই ফাজলামী অনেক বেরসিক গাড়ি চালকের পছন্দ হল না। আবাসিক এলাকা তারপরও কয়েক জন হালকার উপর পাতলা হর্ন দিয়ে আমার পাগলামীর তীব্র প্রতিবাদ জানাল। একজন ট্যাক্সি চালক গতি কমিয়ে গ্লাস নামিয়ে বলল “ ইউ অলরাইট মাইট”। আমি বললাম, “ আই এম ওকে মাইট, তুই তোর রাস্তা মাপ”। ভাড়া পাবার আশা নেই দেখে সেও একটু হতাশ হয়ে তুরাগ রোডের দিকে টার্ন নিয়ে চলে গেল। ভিজে ভিজে জবজব হয়ে বাসায় আসলাম।
৩
বৃষ্টিতে ভিজলে এখন আমার ঠাণ্ডা লাগে না। সর্দি কাশিও হয় না। শৈশবের একটা কথা বলি। আমি আর আমার দিদি তখন নন্দন কানন ফুলকি স্কুলে পড়তাম। হয়ত চতুর্থ শ্রেণি পড়ি। দুপুরে মায়ের ক্লাস থাকলে বাসায় নেবার জন্য বাবা স্কুলে আসত। কিন্তু প্রচণ্ড বৃষ্টির কারণেই হোক বা অন্য কারণেই হোক সেই দিন কোন রিকশা পাওয়া যাচ্ছিল না। আমরা আবদার করলাম আজ বৃষ্টিতে ভিজব। বাবা প্রথমে রাজি না হলেও পারে আমার বোনের কান্না থামাতে রাজি হয়ে গেল। আনন্দের লাফাতে লাফাতে ছোট বোন বলল, “কি মজা, কি মজা, আজ বিষতিতে দোছল কলবো।”
ফুলকি স্কুল থেকে লাভ লেইন বেশি দূরে না। কাকভেজা হয়ে বাসায় এসেই আমি আর আমার বোন ঠান্ডায় কাঁপুনি দিচ্ছি। ঘন ঘন হাঁচি দিতে লাগলাম। বাবা বুঝল সে একটা ভালো রকম ঝামেলা পাকিয়ে ফেলেছে।
টাওয়েল দিয়ে আমাদের মাথা মুছতে মুছতে বাবা বলল, “ মা, বেশি শীত করতাছে?”
ছোট বোন আস্তে আস্তে মাথা নেড়ে বলল, “ না”
“মা, বর্ষার প্রথম বৃষ্টিতে ভিজতে ঠাণ্ডা লাগে না। বরং বৃষ্টিতে ভিজলে আল্লার কাছে কিছু চাইলে সেটা পাওয়া যায়।”
বোকা বোন প্রশ্ন করে,“কবে পাওয়া যায়?’
বাবা একটু চিন্তা করে বললেন, “ ঈদের আগের রাতে পাওয়া যায়।”
“ যা চাব তাই পাব।“
“ অবশ্যই”
ছোট বোন হাত তালি দিয়ে বলল, “পেঙ্গুইন খেলনা চাইলে সেটা পাব।”
বাবা বলল, “ অবশ্যই, পেঙ্গুইন খেলনাও পাওয়া যাবে।”
আমি আর আমার বোন কিছু দিন আগে বাবা মার সাথে একজন কাস্টম অফিসারের বাসায় গিয়ে ছিলাম। সেখানে আমাদের সম বয়সী তার মেয়ের একটা খেলনা আমার বোনের খুব পছন্দ হয়েছিল। আমার যতদূর মনে পড়ে খেলনাটি ছিল কিছু ছোট ছোট পেঙ্গুইন। ব্যাটারি চালিত সিঁড়ী দিয়ে একবার পেঙ্গুইন উপরে উঠত আবার নিচে নামত। সাথে এক ধরনের মিউজিক বাজত। নিউ মার্কেটে পরে খেলনাটা খুঁজে পাওয়া গিয়ে ছিল। সেই আমলে ৩০০ টাকা অনেক টাকা। একজন মধ্যবিত্ত সাংবাদিক পরিবারের এত দামী খেলনা কেনার সামর্থ্য ছিল না।
বৃষ্টি স্নান আমরা মায়ের কাছ থেকে সিক্রেট রাখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু শত চেষ্টার পরো কীভাবে মা সিটি কলেজ থেকে আসতেই পাঁচ মিনিটে আমাদের সিক্রেট জেনে গেল। আসলে ভাগ্য আমাদের সাথে ছিল না। বর্ষার প্রথম বৃষ্টিতে ভিজতে ঠাণ্ডা লাগে না বাবার সেই থিসিস ভুল প্রমাণ করেই আমার বোনের জ্বর এল। । মা বাবাকে আচ্ছা মত বকা দিল। পরের কয়েক দিন বাবা বসার ঘরের সোফায় ঘুমিয়েছিল। ইস্! মা খালি বাবাকে বকত।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়রি, আমার দিনকাল, প্রবাস জীবন বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কৃষক বলেছেন:
আহারে প্রথম লইনেই কাত করে দিলেন। বৃষ্টির সময় হাতে গরম চা। এবং সবশেষে কোমড় বেঁধে দৌড়........ভাবতেই ভাল লাগছে।..কিষাণী
লেখক বলেছেন: কৃষক ভাই আমার ব্লগে এটি আপনার প্রথম পদচারণ। শুভেচ্ছা নিন !
মাহবুব সুমন বলেছেন:
এখানে অনেক গরম বৃস্টির দিনে খিচুরী, সাথে ঈলিশ ভাজা , আমের আচার ! হয়েছিলো নাকি ?
লেখক বলেছেন: না সুমন ভাই কিছুই হয় নি। আপনি বাসায় আসেন তখন না হয় খিচুরী আর ঈলিশ ভাজা হবে। ![]()
মার্ক জুবাবের বলেছেন:
বৃষ্টি বৃষ্টি বৃষ্টি-- তুমি কেন এতো মিষ্টি??খুব ঝরঝরে গদ্য আপনার ইরতেজা, আর রাত দেড়টায় কোমরে শার্ট বেধে রাস্তার মাঝখান দিয়ে দৌড়ানো দারুন ব্যাপার। আসলে এরকম হয়, সিনেপ্লেক্স থেকে বেরুলে মাথার মধ্যে মুভিটা অনেকক্ষন রয়ে যায়। তখন সিনেম্যাটিক কিছু করতে ইচ্ছা হয়।
লেখক বলেছেন: মার্ক জুবাবের দারুণ কথা বলেছেন দেখি। একশত ভাগ সত্যি। বিশেষ করে রোমান্টিক কোন সিনেমা দেখলে হয়ত এই রকম হয়।
আমার পরিচিত দুই জন বাঙ্গালী ছেলে মেয়ে আছে। এদেশে থাকলেও তারা একটু লাজুক টাইপের। আমাদের সামনে কখনো তারা এমন কিছু করে না যাতে বোঝা যায় তাদের ভেতর গভীর প্রেম চলছে। কিন্তু এক দিন তাদের সাথে মুভি দেখতে গিয়ে দেখি তারা হল থেকে বেরিয়ে দিব্যি হাত ধারাধরি করে হাঁটছে।
লেখক বলেছেন: মেলবোর্ণ এর আবহাওয়া কিন্তু সব সময় সিডনী থেকে ভালো ![]()
সহেলী বলেছেন:
ইয়ারা নদীর নাম টা কেমন মিষ্টি । লেখাটাও সাবলীল সুন্দর !
লেখক বলেছেন: 
এইটা ইয়ারা নদী । ছবির কোনায় নিচের দিকে লাল বাডিটা আমাদের বাড়ির ছাঁদ। ইয়ারা নদী দেখতে সুন্দর কিন্তু পানি ময়লা।
সহেলী বলেছেন:
বৃস্টির দিনে খিচুরী, সাথে ঈলিশ ভাজা , আমের আচার ! হয়েছিলো নাকি ?......মাহবুব সুমনকে মাইনাস করেন এসব বলায় !
লেখক বলেছেন: সবই ভাবীর কাজ। ব্যচেলর ছেলেদের লোভ দেখানোর জন্য সুমন ভাইকে মাইনাস। ধিক্কার জানাই!
লেখক বলেছেন: জি না। আমার পরিবার ( পিতামাতা) থাকে চট্রগ্রাম আর আমি থাকি মেলবোর্ণ। হাজার হাজার মাইল দূরে ![]()
লেখক বলেছেন: আরাশি ধন্যবাদ।
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো আপনার লেখা।বৃষ্টিতে ভিজলে জ্বর হয় না। বৃষ্টি ভেজা কাপড় ছেড়ে ফেললেই হল। আমি এবং আমার পিচ্চি কন্যা ঝুম বৃষ্টি হলেই ভিজবো, এটাই নিয়ম।
লেখক বলেছেন: জটিল নিয়ম। তবে পিচ্চি কন্যা খুব পিচ্চি হলে ঠিক হবে কিনা বুঝতে পারছি না। ![]()
ইয়র্কার বলেছেন:
সেই দিন আর নাই। এখন একবার বৃষ্টিতে ভিজলে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসবে।আবেগময় লেখা। ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: আরে ইয়র্কার ... আপনি ব্লগে মন্তব্য করেছেন ![]()
আরে না... আসবে না... মায়ের বিশেষ দোয়া আছে..![]()
...অসমাপ্ত বলেছেন:
...ভাল লাগল। ...বৃষ্টি দিনের কথা মনে পড়িয়ে দিলেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ইয়র্কার বলেছেন:
আমি মন্তব্যই বেশি করি। তা ও অনিয়মিত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। মাঝে মাঝে এসে ঊকি দিয়ে যাবেন আশা করি।
মার্ক জুবাবের বলেছেন:
বৃষ্টিতে ভেজার আর একটা টিপস আছে, আপনি যদি সাথে সাথে শাওয়ার নিয়ে নেন, তাহলে দেখবেন আর শরীরে ঠান্ডা বসবে না। তখন বডি টেম্পারেচারটা এ্যাডজাষ্ট হয়ে যায় @ শ্রাবনসন্ধ্যা @ ইয়র্কার।
লেখক বলেছেন: ভালো বুদ্ধি। বৃষ্টিপ্রেমীদের কাজে লাগবে।
লেখক বলেছেন: ব্লগ পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
আহমাদ অব্দুল্লাহ বলেছেন:
ভাল লাগল.. অনেক শুেভচ্ছা। অষ্ঠ্রেলিয়া গেলে দেখা হবে ....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। অবশ্যই দেখা হবে।
জান্নাতী বলেছেন:
ভালো লিখেছেন। মনে পড়ে দেশের বৃষ্টির কথা...।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
বৃষ্টি নিয়ে স্মৃতিকাতরতা দেখি সব বাঙ্গালির আছে!
ওয়ারেনডাইটের দিকে ইয়ারা আরো সুন্দর। আর দেশের বৃষ্টি আসলেই অনেক মিস করি। এইখানের গুলারে বৃষ্টি বলা আর দেশের বৃষ্টিরে অপমান করা এক কথা
লেখক বলেছেন: হা হা হা... হান্টিংডেল যাই নাই ত। ক্লেটন গিয়ে ছিলাম। এক ভারতীয় রেস্তরাঁ বিরানী খেয়ে পেট খারাপ করছে। আর যাব না। তুমি ত আর আসলে না। তোমার কাজিনরে নিয়ে আইস এক দিন।
ওয়ারেনডাইটের দিকে যাই নাই। তাই জানি না। তবে শুনছি নাকি সুন্দর। যদিও ইয়ারারে আমার কোন দিন নদী মনে হয় নাই। সব সময়ে মনে হইছে খাল।
আমি যেদিন প্রথম মেলবোর্ন এসে ছিলাম তখন আমি ইয়ারা নদীও চিনতাম না ফ্লিন্ডার্সও চিনতাম না। একজন পরিচিত সেই দিন ফোন করে জিজ্ঞাসা করছিল কোন স্টেশনের নেমেছি। আমি বলে ছিলাম স্টেশনের নাম জানি না তবে খালের পাশে বড় বড় বিল্ডিংযের সামনে যেই পুরান স্টেশন সেই খানে আছি।
ভালো কথা তোমার ব্লগ কোথায়। সব মুছে দিয়েছ কেন?
আকাশচুরি বলেছেন:
হায়, বৃস্টি!!
খুশবু বলেছেন:
সুন্দর লিখা
লেখক বলেছেন: খুশবু আপনি হয়ত হাতে গোনা কয়েকজন ব্লগার যারা এখানে একদম শুরু থেকে আছে। আপনাকেও ধন্যবাদ।
জানজাবিদ বলেছেন:
ঝরঝরে গদ্য। আরো সুন্দর লেখা চাই আপনার কাছ থেকে।
লেখক বলেছেন: আপনার কাছ থেকেও চাই কিন্তু।
লেখক বলেছেন: হে হে হে... লিখব ![]()
রাশেদ বলেছেন:
হে হে না! লিকো আগে।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই লিখব। আর কারো জন্য না হোক তোর জন্য লিখব।
রাশেদ বলেছেন:
ঠা ঠা!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
আমার চোখে জল এসেছে, কেন জানি না। হয়ত নিজের কিছু প্রতিবিম্ব দেখলাম। বৃষ্টি আমারও ঢের প্রিয়। অথচ এখন ভিজেতেই পারিনা। কানাডার বৃষ্টি নিদারুণ ঠান্ডা।
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
ধন্যবাদ মার্ক জুবাবের । আমরা সেটাই করি। আর আমার পিচ্চি প্রথম বৃষ্টিতে ভিজেছে তিন বছর বয়সে, অবশ্যই আমার প্ররোচনায়। এখন চার পার হল, এমন হয়েছে রাতে বৃষ্টি হলেও বলে চল ভিজি। আর ভিজলেও কিছু হয় না।
(অ)গাণিতিক বলেছেন:
এই লেখায় আপনার নিজস্ব স্বাদটা পেলাম। ব্রৃষ্টি ভাল লাগে। রাশেদ ভাই কি লিখতে বলছে? সেইটা লেখেন তাড়াতাড়ি।
টুশকি বলেছেন:
এটা আপনার সাইটে পড়ছিলাম। আপনার সেরা লেখার একটা মনে হইসে। খুবই ভালো হইসে।
টুশকি বলেছেন:
ছবিগুলা দারুন +++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ছবিটা আমার করা নয়। ইণ্টারনেট থেকে পাওয়া। অনেক আগে ডাউনলোড করে ছিলাম তাই ছবি সুত্র দিতে পাইছি না।
ফাঁকি বাজ বলেছেন:
Click This Linkএই পোস্টটি ১ম পাতা থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে বিনা নোটিশে ।তাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে পোস্ট দিয়ে আসছি ।আপনার কমেন্ট কামনা করছি।
স্পৃহা বলেছেন:
ভিষন ভালো লাগল দাদা।
লেখক বলেছেন: মুকুল ভাই অনেক দিন পড়ে লেখা পড়েছেন। ধন্যবাদ। প্রিয়জন কাছে না থাকলে কোন কিছুতেই মজা নাই রে!
রেজওয়ান মাহবুব তানিম বলেছেন:
বৃষ্টি আমারো খুব প্রিয় । বৃষ্টি নিয়ে আমার পোস্ট বরষা ভেজা স্মৃতির দুয়ার - পর্ব ১
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















