আমার প্রিয় পোস্ট

পথ বাঁধতে চেয়েছিল বন্ধনহীন গ্রন্থি...

পথিক কি আসলেই পথ হারাইয়াছিল? নাকি ইহাও তাহার একটি চালবাজী...:-?

১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:২৫

শেয়ারঃ
0 0 0

পথিক কি আসলেই পথ হারাইয়াছিল? নাকি ইহাও তাহার একটি চালবাজী...:-?

অবশ্য হইলেও হইতে পারে...আজকাল্কার পথিকেরা বড়ই বেশরম, উহারা আজকাল 'তু চীজ বড়ি হ্যায় মাস্ত মাস্ত'ও গায়না, 'u're beautyful' কইয়া চেচাইতে চেচাইতে কাপড়জামা খুলিয়া নগ্নগাত্রে পানিতে ঝুব্বুস করিয়া ফাল পাড়ে। প্যান্ট যেইখানে পড়ে আর সেইখান থেকে যা উঁকি দেয় উহা যে সকলেরই আছে আর নতুন করিয়া কারও দেখিবার প্রয়োজন নাই উহা তারা যেন বুঝিয়াও বুঝিতে চায়না... ভয় হয় উহাদের এই নিয়ে ধমকাইলে ঐ ধমকের চোটেই আর নিজের ভারেই জিন্সখানা মাটিতে লুটাইবে। এইসব পথিক পথ হারাইবেনাই বা কেন?...ইহাদের না আছে শুনিবার কান [উহাতে ঢুকানো আইপডের তার কি চোখে পড়ে?] না আছে দেখিবার চোখ [নিকষ কালো, লাল, নীল, গুলাবী বহুবিধ রঙের রোদচশমায় যে চোখ আবৃত।]
দেশ ও জাতির এই ক্রান্তিকালে [ডিজিটাল বাংলাদেশ এই হইল বলে!] উহারা তাই পথ হারায়[ সক্কলের কাছে কি আর জিপিএস থাকে, সকলেইতো আর বাংলালিঙ্ক ব্যাবহারকারী নয়, বা সকলের ফোনেইতো আর নেভিগেটর থাকেনা]।

থাক, উহারা বরং উহাদের পথ খুজিয়া পাওয়া নিয়ে ব্যাতিব্যস্ত থাকুক, আর এইক্ষণে বালিকা তাহার পথ হারাইবার হাজারো সম্ভাবনার কথা বলিতে থাকুক।

যেহেতু বড় হইবার আগেই বালিকার জন্মানোর কথাটা বলিয়া নেওয়া প্রয়োজন, সেহেতু জন্ম হইতেই 'আল্লাহু আকবার' বলিয়া ইশটার্ট মারিলাম...

জন্ম ও জন্ম পরবর্তী ঈশ্বরের রসিকতা...:

৮৫-র নভেম্বরে বালিকা যখন জন্মাইয়াছিল তখন বালিকার গুল্টু গাল্টু চেহারা দেখিয়া যতদূর মনে হয় কেউই তাহার জন্ম পরবর্তী কোনও জটিলতার আশঙ্কা করেনাই। কিন্তু মানুষ যা চায় তা কি কখনও কাহারও পছন্দ হয়? তাই সেই কাহারও অপছন্দের কারনেই আড়াই মাস বয়েসেই বালিকার দেখা দিল শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ জনিত সমস্যার কারনে মারাত্মক শ্বাসকষ্ট। ভয়াবহ শ্বাসকষ্টে পৃথিবী ভরা বাতাসের মাঝেও যখন বালিকা নীল হয়ে যেতে লাগল তখন বাবা-মা হাজার হাজার টাকা দিয়ে শুধুমাত্র একটু বাতাস কিনত বালিকার জন্য, এক পলিথিন ব্যাগ ভরা বাতাস, দুই পলিথিন ব্যাগ ভরা বাতাস...
এরপরে বালিকার মা তার দুর্দান্ত চাকরীটাও ছাড়িয়া দিল। চিকিৎসক আশা দেখাইল একটাই, বছর ১৫ হলে এ রোগ আপনা আপনি সারিয়া যাইবে। বালিকা এখানে পথ হারাইতে পারত, কিন্তু খুব সতর্ক আত্মীয়স্বজনের কারনে সে সঠিক পথে থাকিয়াছে বা থাকিতে বাধ্য হইয়াছে... [আজকাল ডিপ্রেসিভ বালিকার মাঝে মাঝে মনে হয় সেইসময় পথিক পথ হারাইলে ভালই হইত... বেহেশ্তে বসিয়া হুর ও হুরাদের সহিত ফলফ্রুট খাওয়া যাইত!]

যখন বয়েস কিছুমিছু বাড়িতেছে...:

সকলে দেখিল বালিকা হাটিবার আগেই নাচিবার চায়। গান বাজিলে উৎকর্ণ হইয়া থাকে এবং ছোট্ট মাথাটি এদিক ওদিক নাড়াইয়া সুরের সহিত তাল দিবার চেষ্টায় সে সদা ব্যস্ত... বালিকা মায়ের দিকে চৌদ্দগুষ্টি ইহাতে বড়ই আমোদিত হইয়া বালিকাকে নিকটস্থ নাচের ইশকুলে ভর্তি করাইয়া আসিল। দেখা গেল নাচুনে বালিকা পায়ে ঘুঙ্গুর বাধিয়া আবোল তাবোল গানের সহিত ভালই নাচিতেছে। নাচের ইশকুলে তাহার এক জাপানীজ/চাইনীজ বান্ধবীও হইল। মাইয়ার নাম ইউয়ি [উহাকে এই প্রায় ১৮/১৯ বছর পরেও বালিকার মনে পড়ে] । মাশাল্লাহ বড়ই কিউট। বালিকার চার বছর বয়েসের বান্ধবী সে। দুজনের নাচের জুটি হইল মচৎকার। নাচুনে বুড়ি বালিকা যখনই বিবিধ পুরুস্কার এবং আমোদিত দর্শকের মন্তব্যে উৎসাহিত হইয়া ভবিষ্যতের বিখ্যাত নাচুনে বুড়ি হইবার স্বপ্নটার মাত্র বউনি করিল অম্নি উহা 'কাহারও' মনোঃপুত হইলোনা! ব্যস এক চাচাতো নব্য শিবির ভাইয়ের মুখোমুখি পড়িয়া গেল বালিকা একদিন জাতীয় জাদুঘড়ে নাচতে যাইবার সময়ে। তেলেবেগুনে জ্বলিয়া উঠিয়া সেই আল্লাহর বান্দা খিস্তি করিয়া উঠিলেন এই কহিয়া, যে 'দাদা যাহার হাফিজ, তাহার নাতিন যায় দুইন্যার মাইনষের ভরা মজলিসে খেমটা নৃত্য করিতে?'

বালিকার নাচুনে বুড়ি হইবার সাধ আর পূরন হইলোনা। সকল সনদপত্র ছিড়িয়া কুঁচি করিয়া ১০ বছরের অভিমানী বালিকা তাহার ঘুঙ্গুর জোড়া খুলিয়া রাখিল। সেই শেষবার। পরদিন হইতে উহা আর খুঁজিয়া পাওয়া গেলোনা। বালিকা পথ হারাইতে পারতো, কিন্তু হারায়নি... দাঁতে দাঁত চাপিয়া পথেই রইয়াছে...

এরপরে নিরানন্দ বালিকাকে দেয়া হইল ছবি আঁকার ইশকুলে। দেখা গেল ইহাতেও বালিকার সেই রকম উৎসাহ... রঙের সাথে রঙ মিশাইয়া কাগজে লেপ্টাইতে তাহার আগ্রহের সীমা নাই... তাহার শুধু আফসোস একটাই... উহা দেখিবার কেহ নাই... তাহার মা ব্যস্ত সাংসারিক নানা কাজে, বাসাভরা গ্রামের আত্মীয়স্বজন, খিটখিটে নানা, সক্কলকে সামলিয়ে বালিকার গুলাবী রঙের বৃক্ষ আর ম্যাজেন্টা রঙের আকাশ দেখিবার সময় কাহারও নাই... বালিকা কাহাকেও আর বিরক্ত করিলোনা, নিজেই আঁকিতো আর আকডম বাগডম কহিয়া নিজেকেই উহা বুঝাইতো।

বালিকাদের নানাবাসাটা সবসময় গম গম করিত আত্মীয়স্বজনে। এই দেশ হইতে বালিকার মায়ের চাচাতো-মামাতো-খালাতো-ফুপাতো ভাই বোনেরা আসিতেছে, আর হই হই কান্ড-রই রই ব্যাপার ঘটাইতেছে...

এদের একজনের হাতেই একদিন বালিকা আক্রান্ত হইল, হতভম্ব হতচকিত বালিকা কোনওক্রমে নিজেকে ছাড়াইয়া এক দৌড়ে সদরের বাইরে... হায়! কে তাহাকে বুঝাইবে যে ইহা তাহার নিজেরই দোষ নহে? মানসিক বিকৃতি সম্পর্কে অজ্ঞ বারো বছরের বালিকা কাহাকেও কিছু বলিতে পারিলোনা, কিকরে বলিবে? অসফল সেই পশুযে তাহাকে ভয় দেখাইয়াছিল! ...ভীত বালিকা আশ্রয় খুজলো নিজের মাঝেই... ফেলুদা, ব্যোমকেশ, ইকথিয়ান্ডার আর অপুকে সে নিযুক্ত করিল নিজের পাহারাদারের পদে। চারদিকে এই চারজনকে রাখিয়া একেকদিন দুপুরে একেক জায়গায় লুকাইয়া বালিকা নিজেকে রক্ষা করিতে শিখিল... বালিকা হারেনাই... পথও হারায়নাই... নিজেই নিজের পথের সৃষ্টি করিয়াছে... বালিকা মানসিক বিকারগ্রস্থও হইতে পারিত, কিন্তু হয়নাই। নিজেকে বুঝাইয়াছে, এই জগৎটা মিথ্যা, এই মানুষগুলোও আসলে সত্য নহে, এই ঘটনা গুলোও আদতে ঘটেনাই। বালিকার চারপাশের এই গল্পমানবের কল্পজগৎটা উহাকে রক্ষা করিয়াছে বহু বছর... এমনকি এখনও এদের সাহায্যে বালিকা নিজের নতুন পথ তৈরী করিতে পারে...

পথ ও পথিক লইয়া আবার আসিব... উহাদের প্রেম কাহিনি বলিতেতো হইবেই... আপাতত যাইগা!

[দুঃখিত ভাষার তীব্রতাটা কমানোর জন্য আসলে এটা আধা সাধু ভাষার একটা জগাখিচুড়ি, পুরো সাধু ভাষায় লেখার ক্ষমতা নাই... মনের মাঝে নানান চাপান-উতোর ... ভাষার ব্যাবহারে যদি তা একটু মিনিমাইজ হয়... এই আরকি... আবারও দুঃখিত!]

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৩২
_তানজীর_ বলেছেন: বালিকা ব্যাপক দু:খের মধ্যে আছে দেখিয়া বালকগণ ব্যাকুল হ্ইল। তাহারা জিগাইল ঘটনা কি? :-/
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন: তাহাদের জানাইয়া দ্যান, বালিকা তাহার স্বভাবসুলভ চপলতা ছাড়িয়া এখন গাম্ভীর্যপূর্ণ প্রশান্তি লাভের পথে আছে... উহাকে পোক করিলেও এখন বোধহয় কোনও সদুত্তর পাওয়া যাইবে না!

২. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:৪০
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: আমিতো অবাক হইয়া গেলাম....পুরাই, সম্পূর্ন ঠাকুর স্টাইলে লেখা...খুব মজা পাইতে ছিলেম, কিন্তু শেষের দিকে আইসা স্যরি হইয়া গেলাম....লেখাটা অসাধারন হইছে....
আর এইসব ঘটনা যাদের ক্ষেত্রেই ঘটুক, সমবেদনা জানানো ছাড়া কিছু করার নাই....
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...

১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ !

৫. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৩৬
দ্বিজু বলেছেন: কি কইতে চাইলেন কিলিয়ার না- মাইনাচ।
৭. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:২৭
জনৈক আরাফাত বলেছেন: বালিকা বিভ্রান্তিমূলক আচরণ করিতেছে না তো?
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: কী করিয়া বলি? দুনিয়া যখন শুধুই একটি ভ্রান্ত ধারমা বিশেষ!

৮. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৩৩
কিংশুক০০৭ বলেছেন:
বালিকা হঠাৎ কাব্য কেন?
৯. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৪১
বৃত্তবন্দী বলেছেন: মনের কথাগুলো সুন্দর করিয়া লিখিতে পারিয়াছো হে বালিকা...
১০. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৪৩
ইচ্ছে বলেছেন: তাহার লেখনীর টানে আজি হইতে ১৯/২০ বছর পূর্বের কিছু বেদনার্ত ক্ষণের সহিত পরিচিত হইলাম। পরবর্তি খন্ডের অপেক্ষ্যায় রইলাম......

++++++
১১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:০৪
সবুজ বলেছেন:
বালিকা এই মহৎ কর্ম খানা রাত ভয় সম্পাদনা করিয়া কাক ডাকা ভোরে ছড়িল। নাকি মধ্যারাতে ঘুম ভাঙ্গিয়া যাওয়ার পর?

যাহাই হোক দিনের প্রথম পাঠ হিসাবে একখানা উৎকৃষ্ট লেখনি পাইয়া উত্তম বোধ হইতেছে। মনে হ্ইতেছে আদ্য অতি উত্তম দিন যাপন হইবেক।

চমৎকার লেখনীতে বিস্তর সাধুবাদ।
+
১২. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:২৫
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: পথের আবার হারানো কি? সব পথই পথ...এখনো হারান নাই।
১৩. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:২৮
নকীবুল বারী বলেছেন: লুকিং ফর পারফেক্ট পথিক...............................
১৫. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩৪
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: বালিকাদের বালিকাপনা দেখার ও বুঝার আগে বুড়ো হইয়া গেলাম , আপসুস
১৬. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০৫
পুরাতন বলেছেন: হুমম..........বালিকা থালে পথ হারায়নি
১৭. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৪
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: Forget what you are
road is too long
fogs delights
in a thunder strong

beleive what u see
never approach a war
test the beauty of love
but not the tears so sour!

লাগে রাহো!
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: ধনে পাতা আপনাকে...ভালো থাকবেন!

১৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪৬
বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন: মিসেস ঠাকুরকে দেখা যায়না নাকি দেখি না:)
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: মানে কী?

১৯. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩
রিফাত হোসেন বলেছেন: connect GM

onakdin pora ashlam bangla lakte parchi na ,, jai likachen cut copy paste hoe ni abar. hehehehhe
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৩

লেখক বলেছেন: কি বলতে চাইলেন বুঝলাম না!

২০. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯
সোনালীডানা বলেছেন: বালিকা পথ হারাইতে পারতো, কিন্তু হারায়নি... :)

অভিনন্দন পথ না হারানোর জন্য:):)
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সোনালীডানা...

২১. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:০১
সোনালীডানা বলেছেন: বালিকা দেখা যাচ্ছে আমার সমবয়সী :P
২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: তাই নাকিগো! সেতো বেশ আনন্দের কথা!

২২. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩০
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
দুষ্টুমী না করে লেখাটা চালিয়ে যাওয়া উচিত....
অনেক গভীর সত্য আছে লেখাটায়......যা অনেক বালিকাদের সাথে মিলে যায়।

শুভকামনা তোমার জন্য।
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: সাজিপু ধন্যবাদ...

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: :( ...

২৪. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৯
'লেনিন' বলেছেন: বালিকা চরম এবং পরম ভাবে একখানা পথিক খুঁজিতেছে যাহার পথ মাত্র একবারই হারাইয়া ফেলিবার অধিকার থাকিবে। তাহা বালিকার পথেই।....
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৪

লেখক বলেছেন: এইরে... এ কী বললেন? পথিকতো আমার আছেই... ;) শুধু তার পথ হারানোটাই যা দেরী... ;)

২৫. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৫
তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন: অবোধ বালিকা! ইহাই হইল জীবন।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪২

লেখক বলেছেন: তাহাইতো দেখিতেছি!

২৬. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৮
ইষ্টিকুটুম বলেছেন: সাধু ভাষায় আমিও পন্ডিত নই। তবু বলছি, আপনার এই লেখা "সাধু ভাষার জগাখিচুড়ি" হইলেও খুব ভালো হয়েছে লেখাটা। তাই 'প্রিয়'তে নিলাম আর, প্লাস!!

ভালো থাকবেন। ঈদ আনন্দে কাটাবেন।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৮০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমার সম্পর্কে একটা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো আমি ঠিক সময়ে ঠিক কথা বলতে পারিনা। এই কারণে কী লেখা যায় এই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই