আমার শৈশবের কোন আনন্দময় সৃতি নেই। শবে বরাতে পটকা ফোটানোর কোন আনন্দ নেই। ইদের দিনে নতুন কাপড় পড়ে উল্লাসে ফেটে পড়ার কোন ঘটনা নেই। আমার কটকটি খেতে খেতে সাত তারা খেলবার কোন সৃতি নেই। পুকুরে সাতার কেটে ক্লান্ত হয়ে বাড়ী আসবার কোন দিন নেই। আমার লজেন্চুসের জন্য বেহায়ার মত পাড়ার মুদি দোকানের সামনে বাবার কাছে কান্নার কোন ঘটনা নেই।
আমার কৈশোরের কান্নার ঘটনা আছে। পাশের বাড়ীর ফুলির যেদিন বিয়ের কথা পাকা হয়ে গেলো সেদিন রাতে পেটের যন্ত্রনায় কেদেছিলাম অনেক। বুকের মধ্যে ক্ষত নিয়ে ঘুরেছি অনেক সময়। ভালোবাসতে পারিনি আর কোন কিশোরীকে। আমার কৈশোরে স্কুল পালিয়ে বায়স্কোপ দেখতে যাবার কোন সাথী ছিলনা। আমি কাল বৈশাখী ঝড়ে আম কুড়াতে যাওয়া হয়নি কখনো।
আমার তারুন্য রাস্তার মোড়ে দাড়িয়ে সিগারেট সুখ টান দেয়া হয়নি। আমি দুঃসাহসী হয়ে কালেজের কোন মেয়ের সাথে কথা বলতে পারিনি। আমি তারুন্যের দায়িত্বহীনতার কোন দিন পায়নি। সজলদের সাথে আমার সমুদ্র দেখতে যাওয়া হয়নি। বলভোজনের আমন্ত্রন ফিরিয়ে দিয়েছি।
আমি একলা একাকী কাটিয়ে দিয়েছি শৈশব, কৈশোর আর তারুন্য। আজ বড় কষ্ট হয়, আমি একা বসে থাকি, কান পেতে রই, আমার শৈশবের ফিরে আসার জন্য। দশটা লজেন্চুস মুখে পড়ে জিহবা লাল করতে ইচ্ছা রে। ভালোবাসতে ইচ্ছা করে সেই দুই বেনীর কিশোরীকে,তারুন্যের সমুদ্র দেখতে যেতে ইচ্ছা করে। আমি কান পেতে রই।
কেউ আসেনা, একা দখিনা বাতাস আমাকে নিয়ে খেলা করে। আমি খেলে যাই একা একা,
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



