আমার প্রিয় ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বিশিষ্ট কলামিষ্ট জননেতা কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামান।

সংবিধানের মায়রে বাপ
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৯
সংবিধানের ২৮(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ ভেদে বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করে না। সংবিধানের প্রস্তাবনার শুরুতেই বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বলে শুরু হয়েছে। সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বলে স্বীকার করা হয়েছে।
বুঝলাম না রাষ্ট্র কইসে ধর্ম নিয়া বৈষম্য নাই আবার রাষ্ট্র কইসে ইসলাম রাষ্ট্র ধর্ম তাইলে কি রাষ্ট্র বৈষম্য করলোনা, অন্য ধর্ম গুলানের কি হইবো?
কোন গাজা খোর এগুলান লাগাইসে?
আবু তাশফীন বলেছেন:
শিক্ষা, চাকরী, ... সব ক্ষেত্রে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ সমান অধিকার ভোগ করে। এটাই "কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করে না। "
লেখক বলেছেন: আবাল চোদাদ্দিন রাষ্ট্রের দরকার কি তাইলে ধর্মের, যদি রাষ্ট্র হিন্দু মুসলমান কিরিস্চান বেকতের হয় তাইলে এক ধর্ম রাষ্ট্র ধর্ম হইবো কেন? আরেক ধর্ম হইবোনা কেন?
কঁাকন বলেছেন:
এইটা রুবেল শাহ, চাঙ্কু আর আমার কাজআমরা সেই যে একবার কল্কিতে টান দিছিলাম এখনো ধোঁয়া থেকে বেরহতে পারিনি
হাক মওলা
হুক্কা হুয়া
রামন বলেছেন:
সংবিধানের ২৮(১) অনুচ্ছেদ টা ঠিক আছে। যদিও জিয়া রাজনীতিতে পোক্ত হইবার জন্য জামাতীদের খুশী করতে সংবিধান সংশোধন করে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম যুক্ত করেছিল কিনতু ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে চুরান্ত সংশোধনী না আনার কারণে জিয়া কর্তৃক সংশোধনীটি আদালতে বাতিল বলিয়া গন্য হইবার সম্ভাবনা আছে।
বেয়াকুফ বলেছেন:
আফসুস, রাস্ট্রটারে ইসলামিক রাস্ট্র বানাইলো মাগার খতনা দিলোনা। দ্যাশটার এহন মোসলমানি করানোটাই খালি বাকি আচে। অয়েট করতেসি সেই দিনের।
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
শত পাপ করেও কেউ যদি দাড়ি টুপি লাগিয়ে টুকটাক আল্লাখোদার কথা বলা শুরু করে তাহলে এই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান খুশি হইয়া যায়। দেশের মানুষের এই বিশেষ গুণটি্কেই বারবার কাজে লাগায় দেশে রাজারাণীগন। জিয়া সংবিধানের মাথায় বিসমিল্লাহ বসাইলো। আর এরশাদ তো এর থেকে আরেককাঠি সরেস, তিনি একেবারে রাষ্ট্রের ধর্ম ইসলাম করে দিলেন।
আবার দেখেন - মাদ্রাসার জন্য প্রতি বছর বরাদ্দের ক্ষেত্রে রীতিমতো প্রতিযোগীতা চলে তাদের মধ্যে। এক্ষেত্রে এরশাদ, খালেদা ও হাসিনা - কারোর চেয়ে কেউ কম যায়নি।
যে দেশে লাখ লাখ মানুষ নিরাশ্রিত, খোলা আকাশের নিচে ঘুমায় সে দেশে মসজিদের সংখ্যা কিভাবে বাড়িয়া চলিয়াছে, খেয়াল ককিবেন।
এস্কিমো বলেছেন:
নারে ইরফান - জলপাইরা লাগাইছে।
রাফা বলেছেন:
নিজেদের প্রয়োজনে সংবিধ ,সংবিধান বলে চিৎকার করতে , করতে গলা ফাটিয়ে ফেলে বিনপি ,জামাত কিন্তু মূল সংবিধানে ফিরে যেতেই শুরু হয় তাদের যত আপত্তি।বাংলাদেশের সংবিধান কাটা ছেড় করা হয়েছে শুধূ ব্যাক্তি স্বার্থে। জলপাই রংয়ের পোষাক ধারীরা সংবিধানকে ধর্ষণ করে করে এর দফা রফা করে ফেলেছে।এখন আর এটাকে সংবিধান বলার জো নাই।
হলদে ডানা বলেছেন:
সংবিধানকে গালি দেয়ায় এখানে অবশ্য কোন দেশদ্রোহীতা হয়নি, দেশপ্রেমও কোনাভাবে লংঘিত হয়নি।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
হাসিনা যেমন হিজাব ধর্ছিল ঠিক তেমনি এরশাদও রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ঘোষণা কর্ছিল। মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি নামক কাঠে, ধর্মের পেরেক ঠুকবার একটা পদ্ধতি। টুল হিসেবে কখনও থাকে হিজাব কখনও সংবিধান।
















