রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনসহ চার সিটির নির্বাচন হয়ে গেল চলতি মাসের ৪ আগস্ট। ১২ দিন পর রাজশাহীর মেয়র নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থী ও যুবদল নেতা মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন। একই সাথে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং, কারচুপি এবং পূর্ব পরিকল্পিতভাবে' তাকে হারানো হয়েছে দাবি করে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করেছেন তিনি।
নির্বাচনের দিনে গণমাধ্যামকে দেয়া স্বাক্ষাতকারে তিনি বলেছেন- ফলাফল যাই হোক মেনে নিবেন, নির্বাচনের পরের দিন নবনির্বাচিত মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বুলবুলের বাসায় গেলে বুলবুল লিটনকে মিস্টিমুখ করান।
এর দু/তিন দিনের মাথায় অপর পরাজিত প্রার্থী ও পিডিপির নেতা এ্যাডভোকেট রায়হানুর রহমান রায়হানের বাসায় মেয়র লিটনসহ পরাজিত অপর ৬ প্রার্থী চা-চক্রে মিলিত হয়ে নবনির্বাচিত মেয়রকে রাজশাহীর উন্নয়নে সায্যের আশ্বাস দেন।
প্রশ্ন উঠেছে- ১২ দিন পর তার এমন বোধদয় হলো কেন? নাকি তিনি চার দলীয় জোটের স্থানীয় নির্বাচন বয়কটের েঘাষণাকে বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছেন?
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



