আমার প্রিয় পোস্ট
- ইশতিয়াক ভাই ও আমার ব্লগ লেখা - শামস্ বিশ্বাস
- একটি অতিশয় মানবিক ফেইসবুকিয় গল্প - আবুল হাসনাত সুজন
- "ওবামা" - রোমি খান
- ইশতিয়াকের জন্মদিনে শুভেচ্ছা। - বিলাল
- শুভ জন্মদিন - সুমন আহমাদ স্বাধীন
- শুভ জন্মদিন ইশতিয়াক ভাই- আহমেদ শিপন - আ. শিপন
- আজ ২২ নভেম্বর তরুণ মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ইশতিয়াক আহমেদ-এর জন্মবার্ষিকী... - অন্যমাত্রা
- দুঃখীস্টাচু - রাকিবুল হক ইবন
- ~স্বপ্নজয়~, ভাই...... নাফিস ইফতেখার ভাই, সু-শান্ত ভাই, ইশতিয়াক ভাইসহ যারা পারবেন তাহারা... একটু দেখেন..... ! - আবদুর রহমান (রোমাস)
- ওয়ান টাইম পৃথিবীর লাইফ টাইম ভালোবাসা... (উৎসর্গ: ইশতিয়াক ভাই)Ñ রণক ইকরাম - রণক ইকরাম
- প্রিয় ইশতিয়াকের বড়ো চুল , একজন মঈন উ আহমদ এবং একটি আজানা অধ্যায় - আশীফ এন্তাজ রবি
- জাতি হিসেবে আমার অনেক অকৃতজ্ঞ। দুখু মিয়া, আমাদের ক্ষমা করবেন! - তায়েফ আহমাদ
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- দেবদূতদের জন্য আহ্বান ও ছোটদের সামহয়্যার ইন... - সন্দীপন বসু মুন্না
- সা.ইন-তে দেবদূত এবং একজন ইশতিয়াক আহমেদ... - পান্থ বিহোস
- দেবদূতগণের জন্য একটু... ... - নাজনীন১
- ইশতিয়াক আহমেদ এর সাম্প্রতিক একটি পোস্টের সূত্র ধরে... - মোজাম্মেল প্রধান
- প্রিয় ইশতিয়াক ভাই এবং ব্লগারদের কাছে খোলাচিঠি অথবা আমাদের ‘দেবদূত’ কিংবা ‘পথকলি’দের জন্য একটু ভালোবাসা প্রার্থনা - শাকিল ফারুক.
বইমেলায় আমার ভাই-ব্রাদারদের কিছু বই।
- সন্দীপন বসু মুন্না
- মেলায় কেনা দ্বিতীয় বইটির কথা... - পান্থ বিহোস
- একুশে বই মেলা ২০০৯: যেসব ব্লগার লেখকদের বই বেরুচ্ছে, তাদের তালিকা.. - মেঘবাজি
- ইশতিয়াক আহমেদ এর সাম্প্রতিক ছড়া বনাম প্রতিছড়া - মোজাম্মেল প্রধান
- ছড়ার দেশ - নুরুজ্জামান মানিক
- একটি বিনীত অনুরোধ ... - আশীফ এন্তাজ রবি
আরিফের বিষয়টা ভালো চোখে দেখা দরকার...ইসলামের বিপরীতে আরিফকে দাঁড় করানো ঠিক হচ্ছেনা
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৫
ব্যক্তিগতভাবে আমার ধর্মের প্রতি আমার ভালোবাসা প্রচন্ড।
ধর্মীয় কট্টরতা পরিবারে না থাকা এবং ছোটবেলা থেকে ধর্মের পাপ পূন্যের চেয়ে ধর্মের ঐতিহ্যকেই সামনে রাখার কারনে ইসলামের প্রতি এই ভালোবাসাটা হয়তো বেশি।
সে হিসেবে যে কোনো কিছুতেই আমার হই হই করে ওঠার প্রবণতা কম। একটু সময় নিয়ে দেখি, বোঝার চেষ্টা করি, তারপর একটা সিদ্ধান্তে পৌছাই। আর আমি ধর্ম নিয়ে কাঁদা ছোড়াছুড়িতেও নেই। কারণ আমি জানি এ কাঁদা একটা সময় আর আমাকে লক্ষ্য করে আসবে না। লক্ষ্যবস্তু একটা সময় ধর্মের দিকে পরিবর্তিত হবে।
যে কারণে ব্লগের কোনো ধর্মীয় পোষ্টে এমন কি আস্তিক নাস্তিক পোস্টে আমার আনাগোনা কম। গেলেও যে কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকি।
তবে যারা সরাসরি শুধু ইসলামকে অপবাদ দেবার জন্য পোষ্ট দেয়, আল্লাহ এবং তার প্রেরিত নবীদের বিরুদ্ধে অশালীন কথা প্রচার করে তাদের ব্যাপারে চরম ঘৃণাও পোষণ করি।
২.
এখন ব্লগে আরিফকে নিয়ে চলছে এক ধরণের পোষ্ট, পাল্টা পোষ্ট।
আরিফের অপরাধ?
সে একটা কার্টুন একেঁছে।
কার্টুনটা কি?
একটা প্রচলিত কৌতুককে সে এঁকে দিয়েছে।
এটা যে ছেপেছে তাদের কিছু হয়নি।
এটা যদি পাপ হয় তবে সেজন্য যাদের প্রাশ্চিত্ত করার কথা তারা গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরেছে।
অদ্ভুত দেশ। ক্ষমতা থাকলে এদেশে নিজের পাপের প্রাশ্চিত্ত্য আরেকজনকে দিয়ে করানো যায়।
তবে তার আগে দেখা দরকার, এটা আসলে কী? এটা যদি পাপ ধরে মোল্লাগণ, তবে এরও বছর দশেক আগে এটা তাদের সমমনাদের কিশোর কণ্ঠে ছাপা হয়েছিল।
তখন তারা কোথায় ছিলেন? তখন কী তাহলে পৃথিবীতে পাপ পূণ্যের হিসাব সৃস্টি হয়নি?
৩.
আরিফ।
২০০৫ এর কোনো এক সকালে এক ছেলে ফোন করেছিল, ভাই একটা কার্টুন পাঠালাম, দেখবেন।
একটা পত্রিকার সাথে যুক্ত থাকার কারণে তার এই ফোন।
তার ভালো কার্টুন সেদিন ভালো ট্রিটমেণ্ট-এ ছাপাও হয়েছিল। তখন আরিফ, আরিফ ছিলনা। সিরাজগঞ্জের এক তরুণ, চোখে যার বড় শিল্পী হবার স্বপ্ন।
তারপর থেকে তার সাথে কথা হতো। তার সম্পর্কে যতটুকু জানতাম, সব দিকেই ভালো।
ধর্মের প্রতিও তার অনুরাগ কম না।
এরপর কয়েকটি পুরস্কার পাওয়া এবং স্বপ্নের বাস্তবায়নে আরিফের ঢাকা চলে আসা।
হঠাৎ সেই কার্টুন আঁকা।
কোনো ভুল নেই, আরিফ আসলে একই সঙ্গে প্রতিক্রিয়াশীল এবং তথাকথিত প্রগতিশীলদের স্বার্থে বলি হয়েছিল।
৪.
কাল আরিফের বিরুদ্ধে একটা রায় হয়েছে।
দুদিন আগেও তার সাথে ফেসবুকে কথা হয়েছে। আরিফ হয়তো নিজেও জানেনা এই ঘটনা।
যাই হোক, এখন আবার আরিফ ইস্যুতে ব্লগ গরম।
আরিফকে সালমান রুশদী আর তসলিমার লেভেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে এই ধারণা যাদের তারা হয়তো কেউ-ই ব্যাক্তিগতভাবে আরিফকে চেনেন না। যে দোষ আরিফকে দেয়া হচ্ছে, আসলে বিশ্বাস আরিফ নিজেও করে না। তাকে অযথা ইসলামের বিপরীতে দাঁড় করানোর কিছু নেই। সে নিজে ধর্মপরায়ন ছেলে।
যদিও আরিফের এই ধর্ম পরায়ণতার মূল্য এখন এদেশে নাই। ধর্মও এখন শো ডাউনের বিষয়। মোল্লাদের সাথে জুম্মার পর দুয়েকটা বিষয় নিয়ে রাস্তায় পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি ছাড়া ধর্ম পালন পুর্নাঙ্গ হয় না। ঈমানি সার্টিফিকেটও এখন তাদের হাতে।
কিন্তু ব্লগে আমরা সুস্থ মানুষগুলো কেন এই অযথা তর্কে জড়াচ্ছি?
আমাদের যদি সময় থাকে, বিতর্কের বিষয় না থাকে চলেন সবাই ঠিক করে একটা বিষয় নিয়ে বিতর্ক করি। তাও আরিফকে মুক্তি দেই।
কত্ত বিষয় আছে। কত্ত অমীমাংসিত বিষয় আছে। এই ধরেন 'ডিম আগে না মুরগী আগে' মতো বিষয়টার এখনো নিষ্পত্তি হলো না।
চলেন সেসব নিয়ে বিতর্ক করি আর আরিফকে মুক্তি দেই। আর যদি আরিফকে গালি দিতে ইচ্ছে করে একটু কষ্ট করে আগে তার খোঁজখবর নিয়ে নিই।
আরিফও মুক্তি পাবে। আমার ঐতিহ্যের ধর্মও মুক্তি পাবে এইসব কাঁদা থেকে।
আল্লাহ আমাদের জ্ঞান দান করুক।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
এস বাসার বলেছেন:
সব সম্ভবের এক দেশ। ঘৃনা হয় সবকিছুকে।
লেখক বলেছেন: এইটা ভালো কইছেন...
ফালতু মিয়া বলেছেন:
আপনার পোষ্টের সাথে দ্বিমত পোষণ করছি না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
কঁাকন বলেছেন:
আরিফ ধার্মক না ধার্মিক না এই ব্যাপারটা এই ক্ষেত্রে আসলে কি খুব গুরুত্ব পূর্ন? আরিফ যদি বাস্তব জীবনে একজন নাস্তিক অথবা অমুসলিম হইত তাহলে কী ঐ কার্টুন আকার জন্য তারে ভারচুয়াল গালি গালাজ ও রিয়েল লাইফ দৌড়ের ওপর রাখা ঠিক হইতো? হইতো নাএই বহুল প্রচলিত কৌতুকের কার্টুন কোনভাবেই কারো ধর্মীয় অনুভুতিকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে ছাপা হয়নাই এবং এইজন্য তার সাথে যা হইছে হইতেছে তা অন্যায় এই কারনেই এইটা বন্ধ হওয়া উচিৎ এবং এই দৃষ্টিভঙ্গী থেকেই আরিফের পাসে দাঁড়ানো উচিৎ আর যদি সেদিক দিয়ে না ভেবে ভাবেন মুসলিম ধর্মপ্রান আরিফ না বুঝে একটা ভুল করে ফেলসে তারে ক্ষমা করা উচিৎ তাহলে এভাবে আজকে এক আরিফ কে হয়তো বাঁচাতে পারবেন কিন্তু ভবিষ্যতে এর চেয়েও আরো নগন্য কোন কারনে বলির পাঠা হবে অন্য এক আরিফ। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: আরিফ ধার্মক না অধার্মিক ... যারা আরিফকে যারা অপবাধ দিচ্ছে সেটা তাদের জানা দরকারী...
আর আরিফ আসলে একই সঙ্গে প্রতিক্রিয়াশীল এবং তথাকথিত প্রগতিশীলদের স্বার্থে বলি ...
জেনারেশন৭৫ বলেছেন:
আরিফ যদি না বুঝে করে থাকে তাহলে এটা অবশ্যই ক্ষমার যোগ্য। যদিও সে বলেছিল সে না বুঝেই এটা করেছিল...... আমরা না বুঝেও এর চেয়ে ও অনেক বড় বড় পাপ করি।
আরিফ জেলে যাবে আর মতি মিয়া ভাল তবিয়াতে থাকবে। জেল দিলে মতি মিয়ারই দেয়া উচিত আরিফকে না।
লেখক বলেছেন: সেটা নিতান্তই এক সদ্য কার্টুনিষ্ট হওয়া এক কিশোরের ভুল ছিল...
তরু বলেছেন:
লেখাটা আমুতেও দিয়ে দেবেন
লেখক বলেছেন: দেখি...
ধন্যবাদ...
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
মোদ্দা কথা আরিফ হচ্ছে বলির পাঠা।
লেখক বলেছেন: কোনো সন্দেহ নাই...
মানবী বলেছেন:
"আরিফকে সালমান রুশদী আর তসলিমার লেভেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। "- যে নির্বোধরা একজন ঈমানদার মুসলিমকে নাস্তিক হিসেবে অভিহিত করে বা নাস্তিকদের সারিতে নামিয়ে দেয় তারা নিজেরাই ইসলামের শত্রু।
"ধর্ষক মুহম্মদ রইসুদ্দিনকে যাবজ্জীবনা কারাদন্ড দেয়া হলো", "ঘৃন্য খুনি মুহম্মদ মুনিরের ফাঁসির আদেশ হয়েছে"
এই ঘোষনায় কি কোন নির্বোধের ঈমান আকিদায় সমস্যা হয় কিনা জানতে ইচ্ছা করে!!!
কার্টুনিস্ট আরিফের বিরুদ্ধে যারা ইসলাম অবামাননার অভিযোগ এনেছে তারা যে কতো জঘন্য প্রকৃতির এবং ইসলাম ধর্মের প্রতি যে তাদের বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধাবোধ নেই তা একটি ছোট্ট ঘটনা স্পষ্ট ভাবে প্রমান করে.. রমজান মাসে কারাগারের ভিতর একজন মুমিন রোজাদারের মুখে এই কুলাঙ্গারের দল মানুষের বিষ্ঠা মেখে দিয়েছিলো। আমার মনে হয়না ইরাকের ঘৃন্য আবু গারীব কারাগার ছাড়া একজন মুসলিমের সাথে কেউ এমন জঘন্য আচরন করেছে!!!
ইসলাম ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা নেই, মুহম্মদ(সঃ) এর আদেশ নিষেধের প্রতি শ্রদ্ধা নেই.. এই নির্বোধরা নাম এর পুজোয় নেমেছে!!!!
অন্তরের অন্তস্থল থেকে ঘৃনা জানাই যারা ইসলামের লেবাস পরে আমার পবিত্র ধর্মের অবমাননা করে চলেছে!
আরেকটি বিষয়.. কি বিচিত্র আমাদের দেশ!! এখন তথাকথিত মৌলবাদী দলটি কোণঠাসা, ক্ষমতায় আছে তথাকথিত (????)মুক্তমনার দল!!!!
কি দুর্ভাগ্য আমাদের! কি দুর্ভাগ্য আরিফের মতো হতভাগাদের!!
লেখক বলেছেন: কি দুর্ভাগ্য আমাদের! কি দুর্ভাগ্য আরিফের মতো হতভাগাদের!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
নিরীহ মানুষ বলেছেন:
আরিফ হইতে মুঞ্ছায়.................পরপর দুইটা স্টিকি পোস্ট!!!!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: আমিন...
বাঙ্গাল বলেছেন:
অবশেষে শত মাইনাস বর্ষিত হবার পর সঠিক পোষ্টকে স্টিকী করা হল। পরিপূর্ণ কাহিনী পরম্পরা দেয়ার জন্য লেখককে শুক্রিয়া।
লেখক বলেছেন: শুকরিয়া...
রিয়াজুল ইস্লাম বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
লেখক বলেছেন: ?
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
"....চলেন সেসব নিয়ে বিতর্ক করি আর আরিফকে মুক্তি দেই। আর যদি আরিফকে গালি দিতে ইচ্ছে করে একটু কষ্ট করে আগে তার খোঁজখবর নিয়ে নিই।আরিফও মুক্তি পাবে। আমার ঐতিহ্যের ধর্মও মুক্তি পাবে এইসব কাঁদা থেকে......" ---এর মানে কী?
মানে চলুন মুখ ঘুরিয়ে থাকি একটা ইস্যু থেকে যার আলোচনা প্রয়োজন এই নিরিখে যে মত প্রকাশের স্বাধীনতা কেন চেপে ধরা হবে ?
বাইবেলে সূর্য ঘোরে, ফলে আগুনে পোড়াও দ্বিমত ধারীকে ..আমার সুখী মানুসরা তখন সেসব কথা বাদ দি আসেন, কফিতে আরেকটু বেশি ঢালি ঘহন দুধ, সূর্য ঘোরা না না ঘোরা দিয়ে তো তার কফির স্বাদ তেতো মিস্টি হয় না , এই কি যুক্তি ?
আরিফ ধর্মপ্রাণ ( আপনার কথা মত) ----------না হলেই কী ? তাতে কী যা হচ্ছে তা ঠিক হয়ে যেত ?
লেখক বলেছেন: না বস আপনি বোঝেন নি আমি বিতর্ক বন্ধ করেত না...অপ্রাসঙ্গিকতা থেকে বিতর্ককে বের করে আনার কথা বলছি...
অতন্দ্র তওসিফ বলেছেন:
@রিয়াজুল ইস্লাম: এ সংক্রান্ত ব্লগার স্পেলবাইন্ডার এর োস্টটি বেশ ভাল হয়েছে।
লেখক বলেছেন: হুমমম...
এস.আর.এফ খাঁন বলেছেন:
কত খেলা যে দেখুম রে ভাই!!
লেখক বলেছেন: সামনে আবার পরপর দুই বছর বিশ্বকাপ...
রিয়াজুল ইস্লাম বলেছেন:
আমার কমেন্টটি কি আসলেই ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলী লংঘন করেছিল??কেউ যদি আমার কমেন্ট পড়ে থাকুন তাহলে বলুন প্লিজ।
লেখক বলেছেন: দৃষ্টি আকর্ষণ...
হাসান মাহবুব বলেছেন:
আরিফ ধর্মপ্রাণ নাকি নাস্তিক তাতে কিচ্ছু যায় আসেনা। মূল ব্যাপারটা হল কার্টুন এবং কার্টুন প্রকাশ পরবর্তী জঘাংসামূলক আচরণ। আরিফকে গালি দেয়া বা না দেয়া এখানে ফ্যাক্ট না। আরিফকে কেন গালি দিতে যাব? আর যারা গালি দিতে যাবে তাদের কারণেই তো আরিফকে এখন জেলে যাইতে হৈতাসে।
লেখক বলেছেন: হুমমম....
শফিকুল বলেছেন:
ধর্ম আসলে ঐচ্ছিক বিষয় না। তবে আরিফের ব্যাপারটি ভিন্ন । সে আসলে পরিস্থিতির শিকার । এর চেয়ে বড় পাপ করে অনেকের কিছু হয়নি।
লেখক বলেছেন: আরিফ আসলে একই সঙ্গে প্রতিক্রিয়াশীল এবং তথাকথিত প্রগতিশীলদের স্বার্থে বলি ...
মজার ব্যাপার হলো আরিফ কে এখন ধর্মপ্রান বলায়
আগের পোষ্টে যারা প্লাস দিসে তারাই মাইনাস দিতাসে --
ভন্ড ধরার ফাদ হিসাবে বেশ ভালো পোষ্ট হৈসে ।
তারমানে হৈলো -- আরিফের যাই হোক তাতে কারো কিছু আসে যায় না --
সব হাদুম পাদুমের উৎস অন্য কিছু ।
ডাল মে কুছ কালা লাগতা হে ---
~~~~~~
পোষ্টে + -- এই জঘন্য বিচারের প্রতিবাদ করছি ।
এই জঘন্য ধর্মানুভুতি আর কর্পোরেট চালবাজির প্রতিবাদ করছি ।
আর শেষে প্যারা দুটোর জন্য জাঝা তোমাকে ইশতিয়াক
লেখক বলেছেন: হা হা হা ...
ভাই, আপনে কই?
রনি রাজশাহী বলেছেন:
পোস্টের সাথে সহমত। মনের কথাটাই বলেছেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
লেখক বলেছেন: না বস আপনি বোঝেন নি আমি বিতর্ক বন্ধ করেত না...অপ্রাসঙ্গিকতা থেকে বিতর্ককে বের করে আনার কথা বলছি...-----------ঠিক আছে । তাইলে ব্যাপার না ।
কিন্তু বস আপনের লেখাটা তো আমারে বিভ্রান্ত কইরা দিল।
লেখক বলেছেন: কোন বিবেচনায়?
কাঙাল মামা বলেছেন:
ধর্ম নিয়া এই খেলা আর ভালো লাগে না। শান্তিতে থাকতে চাই। আল্লাহ আমাদের জ্ঞান দান করুক। +
লেখক বলেছেন: আল্লাহ আমাদের জ্ঞান দান করুক।
লেখক বলেছেন: বিজ্ঞাপনের ট্যাকা দেন?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
লাল দরজা বলেছেন:
জেনারেশন৭৫ বলেছেন:
আরিফ যদি না বুঝে করে থাকে তাহলে এটা অবশ্যই ক্ষমার যোগ্য। যদিও সে বলেছিল সে না বুঝেই এটা করেছিল......
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯
লেখক বলেছেন: সেটা নিতান্তই এক সদ্য কার্টুনিষ্ট হওয়া এক কিশোরের ভুল ছিল...
তার মানে স্বজ্ঞ্যানে বাংলাদেশে এই জাতিয় কিছু লেখা, বলা ইত্যাদি যাবে না? কেউ চিন্তা করলে সেটা হবে ভুল।
তা হইলে আমাদের বুদ্ধি বিবেচনা'র মাত্রা সর্বোচ্চ গিয়া ঠেকল এই পর্য্যন্ত।
তাই কি?
ভাল।
লেখক বলেছেন: ভাই, প্রসঙ্গটা ধরে কেন আরেকদিকে টানছেন?
আরিফের বিষয়টা এখানে আলচ্য...তার ভুলটাকে ধরেই কথা হচ্ছিল...
এরপর কোনটা কী সেটা অন্য প্রসঙ্গ...
আর আমার বুদ্ধির দৌড় এতটুকুই...আশা করি আপনার বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ক্ষমা করবেন...
জেনারেশন৭৫ বলেছেন:
এই পোষ্টি স্টিকি হতে পারে। তবে, আগের পোষ্টি তে কি স্টিকি হওয়ার মত কোন উপাদান ছিল ??
লেখক বলেছেন: ...........
রোবোটিক্স বলেছেন:
পোস্টের সাথে কঠিনভাবে সহমত....। শূন্য আরন্যক ভাইরে ঝাঝা!
(সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: মডুরামকে বেশ তৎপর দেখা যাচ্ছে পোস্টে, সবাই সামালকে )
টাকা পয়সা নাইগা...... আপাতত: পিলাচ লন একটা
লেখক বলেছেন: পরে দিয়েন মনে কইরা...
লেখক বলেছেন: পড়লাম ভাই...
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:
আমরা যে ঠুনকো একটা ব্যাপারে কত বড় প্রতিক্রিয়াশীল তা গত ২ দিনে ভালোই টের পাইলাম। হায়রে বাঙ্গালীরা..... এইবার মানুষ হ .........পোষ্টে +
লেখক বলেছেন: হুমমম...
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
১।আরিফকে সালমান রুশদী আর তসলিমার লেভেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে এই ধারণা যাদের তারা হয়তো কেউ-ই ব্যাক্তিগতভাবে আরিফকে চেনেন না। যে দোষ আরিফকে দেয়া হচ্ছে, আসলে বিশ্বাস আরিফ নিজেও করে না। তাকে অযথা ইসলামের বিপরীতে দাঁড় করানোর কিছু নেই। সে নিজে ধর্মপরায়ন ছেলে। যদিও আরিফের এই ধর্ম পরায়ণতার মূল্য এখন এদেশে নাই।
২।কিন্তু ব্লগে আমরা সুস্থ মানুষগুলো কেন এই অযথা তর্কে জড়াচ্ছি?
আমাদের যদি সময় থাকে, বিতর্কের বিষয় না থাকে চলেন সবাই ঠিক করে একটা বিষয় নিয়ে বিতর্ক করি। তাও আরিফকে মুক্তি দেই।
কত্ত বিষয় আছে। কত্ত অমীমাংসিত বিষয় আছে। এই ধরেন 'ডিম আগে না মুরগী আগে' মতো বিষয়টার এখনো নিষ্পত্তি হলো না।
চলেন সেসব নিয়ে বিতর্ক করি আর আরিফকে মুক্তি দেই।
----------------বিভ্রান্তি যা আমি মনে করছি চোখ ফিরিয়ে নেবার কৌশল
৩। ধর্মীয় কট্টরতা পরিবারে না থাকা এবং ছোটবেলা থেকে ধর্মের পাপ পূন্যের চেয়ে ধর্মের ঐতিহ্যকেই সামনে রাখার কারনে ইসলামের প্রতি এই ভালোবাসাটা হয়তো বেশি।
ধর্মের ঐতিহ্য বলতে কী একটু পরিস্কার করুন
এবং
ইসলামের প্রতি এই ভালোবাসাটা হয়তো বেশি।
-----------এই হয়তো বেশিটা কী অসহয়তা
নাকি সাবকনসাস থেকে হাল্কা গোড়ামিটা বেরিয়ে আসছে ?
আসলে কী একটু বলবেন প্লিজ
লেখক বলেছেন: বিভ্রান্তি যা আমি মনে করছি চোখ ফিরিয়ে নেবার কৌশল ...
সেটা কোনোভাবেই না...
তাহলে আমার লেখা হয়তো আপনার কাছে পৌছুতে পারেনি...
আর ইসলমের ঐতিহ্য কী এখানে দুয়েক লাইনে বোঝানো যাবে?
আর গোড়ামী কোনোভাবেই নেই...
আমি ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল...ধর্মান্ধ নই...
অলস ছেলে বলেছেন:
ধর্মও এখন শো ডাউনের বিষয়। মোল্লাদের সাথে জুম্মার পর দুয়েকটা বিষয় নিয়ে রাস্তায় পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি ছাড়া ধর্ম পালন পুর্নাঙ্গ হয় না। ঈমানি সার্টিফিকেটও এখন তাদের হাতে।+++
লেখক বলেছেন: ভুল কইলাম নাকি?
রিয়াজুল ইস্লাম বলেছেন:
আগের ষ্টিকি পোষ্টটি নেগেটিভ সেন্চুরি করার কারণটি কিন্ত ইউনিক নয়। আমার মতে কারণগুলো সংক্ষেপে:১) কারো মতে:
যদিও পোষ্ট ষ্টিকি করার জন্যে লিখিত কোন মানদন্ড নেই তবুও কিছু অলিখিত ফ্যাক্টর বিবেচনা করা হয়। পোষ্টটি একেবারেই অপরিপক্ক ছিল।
২) কারো মতে:
রায়ের বিরুধ্যে আপিল করার সুযোগ থাকা সত্তেও কঠোর সমালোচনা করে আদালতকে অশ্রধ্যা করা হয়েছে এবং পোষ্টটি ষ্টিকি করে সেই অশ্রধ্যাকে তরান্বিত করা হয়েছে।
৩) কারো মতে:
পোষ্টটি ষ্টিকি হওয়ার সাথে সাথে কিছু ব্লগার ধর্মবিশ্বাসীদের উপর বিনা কারণে বিষেদাগার করতে থাকে এবং ছাগু নিরীহ ব্লগারদের মধ্যেও ছাগু খুজতে থাকে।
৪) কারো মতে:
কার্টুনিষ্ট আরিফ নয় বরং প্রথম আলোকে হেয়ভাবে উপস্থাপন করতে অনেকেই মাইনাস দিয়েছেন (কারো মতে এটি হলো বসুন্ধরা গ্রুপ)।
৫) কারো মতে:
কিছু উগ্র মন্তব্য কোন কোন ব্লগারকে নেগেটিভ রেটিং দিতে প্রোভোকেশন যুগিয়েছে।
সুতরাং বুঝা যায় যে, আরিফের উপর কোন হিংসা/প্রতিহিংসার বশভুর্তি হয়ে মাইনাস দেওয়া হয়েছে সেটি একটি মাইনুর ফ্যাক্টর।
শুন্য আরণ্যকের সাথে একমত আরিফ শুধু ওসিলা সেটা ধর্ম ব্যবসায়ীর কাছে হোক বা অন্য কোন কর্পোরেট পলিসির কাছেই হোক।
পোষ্টে প্লাস আগেই দিয়েছি।
লেখক বলেছেন: হুমমম...
পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন:
কোনো ভুল নেই, আরিফ আসলে একই সঙ্গে প্রতিক্রিয়াশীল এবং তথাকথিত প্রগতিশীলদের স্বার্থে বলি হয়েছিল। সহমত এবং যোগচিহ্ন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
বোরখা সরাইলে তো আর ধর্ম থাকে না, তাই বোরখাই সইই
লেখক বলেছেন: ?
ইমতিয়াজ ১৩ বলেছেন:
আপনার কথা ঠিক কিন্তু আরিফ ও এতে দূষি। তবে এর সাথে যারা জরিত তাদের সকলের বিচার হওয়া দরকার।কিশোর কন্ঠের লিংক টা দিলে ভাল হয়।
লেখক বলেছেন: আগের ষ্টিকি পোষ্টটায় অংশটা ছিল...
আমার কাছে লিংক নাই...
ইমতিয়াজ ১৩ বলেছেন:
+ দিলাম আর প্রিয়তেও রাখলাম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
মানুষ বলেছেন:
প্রচন্ড রাগ হয় মানুষের নির্বুদ্ধিতা দেখে। মধ্যযুগে ইউরোপে ডাইনী মনে করে জীবন্ত মানুষ পুড়ানো হত, আমরা এখন সেই মধ্য যুগের দিকেই ধাবিত হচ্ছি। ধর্মের জন্য মানুষ নয়, মানুষের জন্যই ধর্ম এই কথাটা কবে উপলব্ধি করবে বাংলাদেশের সো কলড মুসলিমগুলা? সৃষ্টিকর্তা আমাদের জ্ঞান দান করুন।
লেখক বলেছেন: জ্ঞান দান করুন ...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
ইন২বাংলা বলেছেন:
ব্লগকর্তৃপক্ষ দেখা যায় আরিফময় হইয়া গেল।
লেখক বলেছেন: ব্লগকর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ...
তবে আরিফময় নয়, ইস্যুময়...
ব্লগের বিষয়টা তো এটা-ই...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
মাহমূদ হাসান বলেছেন:
আপনি নিরপেক্ষ বিচার করেছেন, কিন্তু আমরা সবাই তা করছি না, নাস্তিক-আস্তিকরা তা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। সহমত পোষণ করছি। থ্যাংকস!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: জ্ঞান দান করুন...
লেখক বলেছেন: হুমমম...
অপটিমাস প্রাইম বলেছেন:
আমার মনে লয় আরিফ নিছক ফান হিসাবে এইডা করছে। কোন সু-নিদিষ্ট ব্যাপার ছাড়া। তয় আমার মনে আছে আমার বিড়ালডার নাম যখন "মিশু" রাকছি বাপজানে সেই নামে ডাকতে নিষেধ করছিল। কারন প্রতিবেশী এক বাচ্চার নাম ছিল "মিশু"।
লেখক বলেছেন: হুমমম...
লেখক বলেছেন: খাতা পেন্সিল নিয়ে আসেন...
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
আজব দেশের আজব সব ঘটনা!আরিফের জন্য সমবেদনাও প্রতিবাদ জানানো ছাড়া আমার মতো নিরীহ মধ্যবিত্তের কিছু করার নাই!
আমরা কত অসহায়!
লেখক বলেছেন: অসহায় ...
মনির হাসান বলেছেন:
ইশতিয়াক ... চরম ক্ষেদের সাথে বলতে বাধ্য হচ্ছি ধর্মম্মাদ'দের কাছে দেশ জিম্মি ... সেটা ব্লগ, পল্টনের রাস্তা ... সবজায়গা ... বড়ই কৌতুক লাগে গত এক বছর কিছু ব্লগার সকাল বিকাল সরকার / বিচার ব্যাবস্থা'কে উঠতে বসতে গালিগালাজ করত তারা হঠাৎ গতকাল থেকে আদালতের মান সম্মানের প্রতি এত শ্রদ্ধাশীল হয়ে উঠলো কেন ?
বড়ই আজিব ...
লেখক বলেছেন: মনির ভাই কী করবেন?
আমরা তো অসহায়...
Click This Link
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
ইকবালখন্দকার বলেছেন:
যুক্তিসঙ্গত এই ফাটাফাটি লেখাটার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনারেও ধন্যবাদ...
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
বিড়াল অনেক উন্নত প্রজাতির জীব। বিড়ালের তুলনায় মানুষ অনেক নিকৃষ্ট প্রজাতির এবং কোন কোন ক্ষেত্রে মনুষ্যপ্রজাতির কর্মকান্ড শুয়োরের থেকেও নিকৃষ্টতর। বিড়ালের সাথে মুহম্মদের নাম যুক্ত করে মুহম্মদকে বরং সম্মানিত করা হয়েছে।
লেখক বলেছেন: শেষ লাইনটার প্রতি চরম আপত্তি জানালাম...
লেখক বলেছেন: .......................
হোদল রাজা বলেছেন:
আপনার এই পোস্টে যারা মাইনাস দিলেন তারা কারনটা বুঝাইয়ে বলবেন?
লেখক বলেছেন: ওইটাতো তাগো পক্ষে সম্ভব না বস...
মাইনাস দিতে ক্লিক করলেই হয়...
ব্যাখ্যা করতে অনেক কিছু লাগে...
শয়তান বলেছেন:
খোমাটা কাহার ?
লেখক বলেছেন: আপনার টা ... অমরেশ পুরি
আর পোষ্টেরটা আরিফের...
অলস ছেলে বলেছেন:
ভুল বলছেন মনে করলে প্লাস দিতাম না। ধর্ম নিয়া বাহাস আরো চলুক, নাস্তিকদের উল্লম্ফন শেষ পর্যন্ত ধর্মের জন্য লাভের বিষয় হবে, আশা করি। আর সংস্কার ছাড়া যেহেতু কোন উপায় নাই, সুতরাং কঠিন রাস্তাতে হাটতে হবেই। ঐ কয়টা লাইন বেশি ভালো লাগছিলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
হিটলারের সাগরেদ বলেছেন:
আরিফ আসলে কারও লক্ষ ছিল বলে আমার মনে হয়নি। কার্টুন বিরোধী যেই চেতনা তখনকার সবার মধ্যে জমে উঠেছিল সেটা হল তীব্র ইসলামবিরোধী হলুদ পত্রিকা প্রথম আলোর বিরুদ্ধে। কিন্তু রাজনৈতিক চালে সেটার কুরবানী হল আরিফ। সেই জন্য আমরা সকল সচেতন মহল আরিফের প্রতি সহানুভুতিশীল।কিন্তু কিছু নাস্তিক ও ইসলামের নির্লজ্জকটুক্তিকারী ব্লগাররা তাদের লেখনির মাঝে আরিফকে এমনভাবে জড়িয়ে ফেলেছে যে মনে হয় সে বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মপ্রিয় সরল সহজ মানুষের প্রতিপক্ষ।
আমার মনে হয় এই ব্লগে স্বয়ং আরিফ উপস্থিত থাকলে এই সব নোংরা ব্লগারদের মুখে থুতু মারত। যারা তাকে ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যভহার করার নোংরা তৎপরতা চালাচ্ছে।
পজিটিভ লেখার জন্য পোষ্টে ++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
আরিফ বেচারা একটা সিস্টেমের শিকার। কিছু হুজুরের টার্গেট ছিল মতিমিয়ার প্রথমকালো। উছিলা খুজতে খুজতে আরিফের কার্টুন পাইল। তাছাড়া ডেনমার্কের কার্টুন তখন হটটপিক। প্রথমকালো টার্গেট হইলেও মতি লতিফরে ধরে সেই সাহস কার। তারা ধরায়া দিল কার্টুনিস্ট আরিফকে। আরিফের এই কার্টুন গোনায় ধরার মত কিছুই না। কত জঘন্য জঘন্য উদাহরণ আমাদের দেশের হুজুররা মিলাদ, ওয়াজে বয়ান করে। খুবই নিরিহ গোছের কার্টুন এইটা। আর এটা মৌলিক কোন কার্টুনও না। আরো কয়েক বছর আগে নোয়াখালিতে শিবিরের এক পত্রিকায় এই জাতীয় কার্টুন ছাপা হইছিল।
ব্যাপারটা পলিটিকাল। এইখানে আস্তিক নাস্তিক, ধর্ম অধর্মের কোন স্থান নাই। আমি আপনি বা যে কেউ যখন তখন এর শিকার হইতে পারি। তাই যত দ্রুত সম্ভব মতি লতিফের মত রাঘব বোয়াল হবার জন্য চেষ্টা করাই ভাল।
লেখক বলেছেন: আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুক...
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
সহমত। তবে হেডিং পড়ে যা বুঝলাম, এখানে পোস্টদাতা ধরেই নিচ্ছেন যে, সব ব্লগারেরই এক চোখ ভালো নয়, অর্থাৎ কানা। এটা অনেকের জন্য একটু বোধহয় অপমানজনক হবে। আমার অবশ্য সমস্যা নাই। ভালো চোখটা দিয়েই ব্যাপারটাকে দেখছি। +
লেখক বলেছেন: ধরেন, কেউ আমার একটা জিনিস ভেঙ্গে ফেলল...
আমি যখন দেখলাম তখন সে সহ অনেকের সাথে আপনিও সামনে ছিলেন...আমি বললাম, শালা আমার জিনিসিটা ভেঙ্গে ফেলল...
আমার এই গালি বা দোষারোপ কী আপনার লাগবে?
এখানে বিষয়টা যারা ভালো চোখে দেখেছেন না...তাদের-ই বলা হয়েছে...
তবে, তারপরও ভালো চোখটা দিয়েই ব্যাপারটাকে দেখছেন বলে ধন্যবাদ...কৃতজ্ঞতা...
ভালো থাকবেন...
অরূপ ! বলেছেন:
বিষয়টা অনেক জটিল। আর যখন বিষয়টি ধর্ম নিয়ে, সেটা তখন আরও জটিলতার কারন হয়ে দাড়ায়। আর ভাই আমি আরিফ ভাইয়ের কার্টুনটি দেখি নাই। আপনি কি আমাকে কার্টুটি দেখার ব্যবস্থা করে দিবেন। আর আপনাকে ধন্যবাদ, এরকম একটা বিষয় নিয়ে লেখার জন্য।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ...
আরিফুর রহমান বলেছেন:
হ! পজিটিভ লেখার জন্য থাম্বস আপ.. যদিও 'আল্লা' নামের বিষয়টার ওপর ডিপেন্ডেন্সি নিয়া আপত্তি আছে। কারন এই পোস্ট হইলো গুড কপ / ব্যাড কপ থিওরির গুড কপ নাটিকা..
এইটা দিয়া আপনে হয়তো ধর্মটারে বাঁচানের চেষ্টা করলেন.. কিন্তু আদতে এইটাই ওই ধর্ম-ব্যাবসায়ী লোভী হারমাদগুলার একমাত্র মূলধন। আর ওই মূল-ধন আপনি যতো বেশি যত্ন কৈরা গুছায়া রাখবেন.. ওই হারমাদগুলা ততো বেশি লাভবান হইবো।
বেশি ভালো হইতো যদি এই ধরনের 'পজিটিভ' পোস্ট আপনেরা দিতেন তাগো বিরূদ্ধে যারা আপনার বিশ্বাসরে পূঁজি কৈরা ব্যাবসা ফাঁন্দে.. কট্টরতা আরোপ করতে চায় আমাদের সেকুলার ভিত্তির সমাজে।
বাংলাদেশকে যারা পাকিস্তান/ আফগানিস্তান বা সৌদি বানাতে চায়, তাদের বিরূদ্ধে আপনাদেরই বেশি প্রতিবাদ করা উচিত ছিলো.. কারন আপনারে ঘাড় ভাইঙ্গাই তারা তাদের জীবিকা নির্বাহ করে, আপনার ভোট নিয়াই তারা ক্ষমতায় যাইতে চায়.. আপনারই বিশ্বাসের উছিলা দেখাইয়া...
আপনার বিশ্বাসের কিয়দংশরে টুইস্ট কৈরা তারা আপনারে 'পুর্নাঙ্গ' বালছাল খাওয়াইতে চায়,... তবে শুধু আপনারে না.. বাকি সকলরেই.. তাগো ধারনা পুরা দুনিয়া মোছলেম না হইলে শান্তি হৈবো না...
কিন্তু বিষয়টা গভীর মনযোগ দিয়া খৈয়াল করেন... তাগো এক্টিভিটির মধ্যে একধরনের কনসুমারিজম আছে কি না... তাগো ব্র্যান্ডের সবকিছু আপনারে খাওয়াইতে হইলে আগে আপনারে তাগো আন্ডারে আন্তে হইবে... আর সেইটা একমাত্র সম্ভব কিতাবে আপনার 'পুর্নাঙ্গ' বিশ্বাসের ফায়দা উঠাইতে পারলে। আর এই 'আন্ডারে আনা'র প্রক্রিয়ায় তারা বিবিধ ট্যাক্টিক্স প্রয়োগ করে.. তার মাঝে ভিন্নমতাবলম্বীগোরে কোপানো থাইকা শুরু কৈরা জেল-প্রদান অথবা দেশত্যাগে বাধ্য করা ইত্যাকার কু-কর্মও আছে।
লম্বা কমেন্টের জন্য দুঃখিত.. অপ্রাসঙ্গিক মনে হইতে পারে। তবে প্রয়োজন আছে বৈলাই কইলাম।
থেংকু.
লেখক বলেছেন: লম্বা হলেও ভালো কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ...
স্বপ্নরাজ বলেছেন:
আরিফের ব্যপারটা নিয়ে প্রথম থেকেই অনেক বেশী বাড়াবাড়ি করা হয়েছে বলে আমার বিশ্বাস। তার সামান্য ভূলকে নিয়ে তাকে নানাভাবে ঘুটি হিসাবে ব্যবহার করার চেস্টা করা হয়েছে... সবচেয়ে বড় কথা তাকে কোন রকম ভূল স্বীকারের সুযোগ পর্যন্ত দেয়া হয়নি। অত্যান্ত দু:খজনক।অথচ এই ব্লগের অনেকেই খামাখা ইসলাম আর নবী রসূলকে ঢালাও ভাবে গালাগালি করে যাচ্ছে... অনেক বিধর্মীও নাস্তিকতার আড়ালে ইসলামকে গালি দিয়ে নিজেদের বিকৃত মিটিয়ে নিচ্ছে..সেটা দেখার কেউ নেই। ৫৯ নং।
গঠন মূলক সমালাচনা ইসলাম নিয়ে হৈতেই পারে... কিন্তু এই ধরনের ব্লগাররা খামাখা ইসলামকে গালাগালি করে।
আরিফের জন্য শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: হুমমম...
পাপী বলেছেন:
খুব ভালো লিখেছেন। আল্লাহ আমাদের সকলকে সঠিক জ্ঞান দান করুন।
লেখক বলেছেন: আল্লাহ আমাদের সকলকে জ্ঞান দান করুন...
আরিফুর রহমান বলেছেন:
স্বপ্ন রাজ মিঞা.. ৫৯ নং মন্তব্য আমার। আর আমারেই কি বিধর্মী কইলেন? আপনার সংজ্ঞায় বিধর্মী মানে কি যার কোন ধর্ম নাই? তাইলে ঠিক আছে.. আমি গর্বিত নাস্তিক।
তবে যদি কোন সুক্ষ ইংগিতও কৈরা থাকেন অন্যদিকে.. ব্যখ্যা দাবি করতেছি...
যুক্তি সঙ্গত ব্যাখ্যা দিতে না পারলে.. আত্মসন্মানবোধ থাকলে মাপ চায়া যাইবেন।
সবাক বলেছেন:
গতকালের স্টিকি পোস্ট আর এখনকারটার পোস্ট এবং কমেন্ট পর্যবেক্ষণ শেষে মনে হচ্ছে বাংলাদেশে এরকম ঘটনা আরো ঘটবে। এরচাইতে ছোটখাটো ঘটনায় আরো বড় শাস্তির প্রাপ্যতা আমাদেরকে মেনে নিতে হবে।
সুজন ভাই'র পোস্টের মাইনাসের সংখ্যাটা মোটেও ইতিবাচক নয়। যে আদালতের বিচারক বিচারটি করেছে এবং যারা এতে জেনারেট করেছে- সামুতে ব্লগিং করা অনেকেই রাষ্ট্রের এরকম পদে আসীন হতে পারেন। যে মনমানসিকতার প্রদর্শন দেখলাম, তাতে মনে হয়না রাষ্ট্র এসব ব্যক্তির হাতে নিরাপদ থাকতে পারে।
আশাবাদী হওয়া পাপ। আশাবাদী হওয়ার গুষ্ঠি কিলাই। সিস্টেমে পাইলে ঘাড় মটকানো ছাড়া আর কোন ভালো পন্থা দেখতাছি না।
মৌলবাদিতে দেশটা ভরে গেলো। সামুতো এদের খোয়াড়ে পরিণত হয়েছে।
===========
ইশতিয়াক ভাইয়ের পোস্ট কিছু বিতর্কে ভারসাম্য এনেছে, আবার কিছু গুপ্ত বিতর্ক উঠে এসেছে। বিশেষ করে পুরো পোস্টেই লেখকের নিজস্ব দর্শনের উল্লেখ আছে। যদিও ওয়াটার মার্কের মতো একটা অসচ্ছ প্রতিনিধিত্ব লক্ষ্য করা যায়। যাদের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তাদের জন্য ইশতিয়াক ভাই'র ভারসাম্যের বক্তব্য মোটেও সার্বজনীন নয়।
তবে ইশতিয়াক ভাই'র প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়, যদিও উল্লেখযোগ্য মৌলবাদী ইতোমধ্যেই পোস্টে চিহ্ন রেখে গেছেন। এটা আশংকার বিষয়।
লেখক বলেছেন: কারো প্রতিনিধিত্ব !!!
আমি কেবলই আমার বিশ্বাসের প্রতিনিধিত্ব করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছি...
আশঙ্কার কিছু নাই...
আল্লাহ আমাদের জ্ঞান দান করুক...
কার্ল মার্কস বলেছেন:
ব্যক্তি আরিফ সম্পর্কে আমি একটি ধারণা করছিলাম রায় জানার পর। আরিফ বাঙালী মুসলমান ( ছফা ভাইয়ের টার্মটা লইলাম), সে বলির পাঠা হইছে। তার স্রষ্টা তারে ধৈর্য ধরার তৌফিক দেক। আহা রে বেচারা... মতি ভাই ফাঁক গইলা বাইচা গিয়া পোলাটারে বিপদে ফালাইলো। আরিফের 'শাস্তি' নামক সব ছাগলামি হইতে নিষ্কাষন চাই। তার বাইড়া উঠার সুযোগ কইরা দেন, আমার মনেলয় সে নিজেও তার 'রবের' লগে অভিমান করতাছে, হায় রব তুমিতো জান আমার মনে কি আছিল। তার সুন্দর জীবন কামনা করি।
লেখক বলেছেন: তার সুন্দর জীবন কামনা করি ...
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
মনির হাসানের মন্তব্যে বিপ্লব। পোস্টে প্লাস। রবি-সোমবারের মধ্যে একটা ফায়সালা হয়ে যাবে আশা করছি
লেখক বলেছেন: বস, সালাম...
হিটলারের সাগরেদ বলেছেন:
কিছু লেখক অযথাই এই ঘটনাকে শিবির জামায়াত কিংবা ইসলামপন্থিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের একটি সুযোগ হিসাবে ব্যবহার করছেন। এটা কাম্য হতে পারেনা। ব্লগে ভিন্ন মত থাকতে পারে কিন্তু সেটা নোংরামু বা মানবিকতার বাহিরে যেতে পারেনা।আমরা আরিফের প্রতি সহানুভুতিশীল সে না বুঝে করে থাকলে । কিন্তু প্রথম আলোর সম্পাদক অবুঝ নন। সেরকম না বুঝে করে থাকলে কিশোরকন্ঠের সই ছাত্রটিকেও এভাবে দোষারোপ করা ঠিক না।
প্রথম আলো আর কিশোরকন্ঠ এক রকম পত্রিকা নয়। তাদের চিন্তা ভাবনা আর উদ্দেশ্যও ভিন্ন। সুতরাং প্রথম আলোর মত সেকুলার পত্রিকা এই ধরনের কাজ করলে তাদের বিরুদ্ধে ইসলামী জনমত জাগতেই পারে। কিন্তু কিশোর কন্ঠ পুরোপুরি ইসলামিক পত্রিকা। এবং এই পত্রিকার মুল লক্ষ শিশুদের মধ্যে নৈতিকতা জাগ্রত করা। তার জেনেশুনে ইষরামের বিরুদ্ধে কাজ করবে এই কথাটা আমাদের বামপন্থি ব্লগাররাও বিশ্বাস করেন।
তাই আমি অযথা কিশোরকন্ঠের বিরুদ্ধে না লাগার জন্য সচেতন ব্লগারদের অনুরোধ করছি।
লেখক বলেছেন: আপনি বোধ হয় বলতে চেয়েছেন,
তার জেনেশুনে ইসলামের বিরুদ্ধে কাজ করবে এই কথাটা আমাদের বামপন্থি ব্লগাররাও বিশ্বাস করেন না।
আপনি যদি এটা জেনে থাকেন একই কৌতুক কিশোর কণ্ঠে ছাপা হয়েছিল এবং এটা মনে করেন ওটা ছাপানো তে কিশোর কণ্ঠের জাষ্ট ভুল ছিল...
তাহলে তো এটাই দাঁড়ায়, কার্টুনটা ফ্যাক্ট না।
ফ্যাক্ট হচ্ছে ইস্যু।
ভুল কোনটা?
ভুল হচ্ছে, প্রথম আলোরটা।
কেন কিশোর কণ্ঠেরটা ভুল না?
কারণ যারা সারাজীবন আল্লাহ আল্লাহ করে তাদের এইরকম নবী অবমামানা জায়েজ!!!
যে ইসলামী জনমত প্রতম আলোর ভুল দেখে, কিশোর কণ্ঠেরটা দেখে না...সেই জনমত থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিলাম।
আমি জানিনা আপনি কোন আদর্শের?
তবে এতটুকু বলতে পারি, কিশোর কণ্ঠ পড়ে নৈতকিতা জাগার স্বপ্ন বাদ দিয়ে, নৈতিকতা জাগানোর প্রথম পন্থা হিসেবে কিশোর কণ্ঠ পড়া ছাড়তে হবে।
আপনি ভালো থাকুন...
জেমস্ বন্ড বলেছেন:
apnara arif er jonno ekta kichu koren, please help him,
লেখক বলেছেন: hmmmmm...
আরিফুর রহমান বলেছেন:
আসেন সকলে মিলে 'হিটলারের সাগরেদ' নামক এই জামাত/শিবিরের ছাগুটাকে পোন্দানির উপর রাখি.. হারাম জাদা টা আবার শিবিরে পত্রিকার গুনগানও গায়.. বলেকিনা.. নৈতিকতা জাগ্রত করে...
আরে ব্যাটা শিবিরের নৈতিকতা হলো রগ কাটা আরো নানান আকাম কুকাম.. এই নৈতিকতা আমাগো পোলাপানের দরকার নাই।
যা ভাগ.. হিটলারের সত্যিকারের সাগরেদ..
আরাফাত৫২৯ বলেছেন:
ই কৌতুকটা অনেক পুরানো, আমি অনেক আগেই এটা শুনছি।এবং আমরা সবাই প্রতিনিয়ত এই কৌতুকেও মত ভুল করে চলেছি, কিন্তু তাতে কারো সাজা হয়না।
কেউ না বুঝে যদি এমন একটা কৌতুক বলে ফেলে, এবং তাকে ধরে সাজা দিলেই ইসলামের বিজয় অর্জিত হয়না। বরং ইসলামের বিজয় তখনি হবে, যদি তাদের সাজা দেওয়া হয়, যারা ইসলামের লেবাস পড়ে ফাতোয়া জারি করে, এবং ইসলামকে স্বার্থে ব্যবহার করে।
এত ছোট একটা ব্যাপার নিয়ে এত কান্ড ঘটিয়ে যারা ভাবছেন, ইসলেমের বিজয় করে ফেললাম রে, তারা আসলে প্রকারন্তরে ইসলামকে মানুষের সামনে সংকীর্ণ করেই তুলে ধরলেন।
ইসলাম মানুষকে ক্ষমা করতে শেখায়।
লেখক বলেছেন: হুমমম...
স্বপ্নরাজ বলেছেন:
আরিফুর রহমান... । আপনি যদি সত্যিকারের নাস্তিক হয়ে থাকেন আমার কোন কথা নেই। তবে আমার আশেপাশে যত বাস্তব নাস্তিক আমি দেখেছি.. সবাই বিনম্র স্বভাবের এবং কোন ধর্ম বিদ্বেষহীন যুক্তিপূর্ন বক্তব্য প্রদানকারী। এই ব্লগেও সেরকম কিছু আছেন। আর কিছু আছে যাদের কমেন্ট পড়লে সন্দেহ হতে বাধ্য সে আসলে নির্দিষ্ট কোন ধর্ম টার্গেট করে বসে আছেন কিনা।আমরা আত্মসম্মানবোধ আছে কি নাই জানতে হলেতো আমার সামনে আসতে হবে ভাই। ভার্চুয়ালি গালাগালি করে অনেকে বীরত্ব দেখায় আমার হাস্যকর লাগে।
আপনার সাথে এখানেই কথা শেষ, আর না।
ভাল থাকবেন।
সবাক বলেছেন:
আরিফ ভাই....
স্বপ্নরাজরে ছাইড়া দেন।
হিটলারের বাচ্ছার উপ্রে মিজাজ চওড়া, স্টিকি পোস্ট দেইখ্যা কিছু কইতাছি না।
জেমস্ বন্ড বলেছেন:
সক্রেটিসকে হেমলক পান করিয়ে মারা হয় কিন্তু আরিফুর রহমানকে মানুষের চোঁখে অপরাধী বানিয়ে তিলে তিলে মারার স্বরযন্ত্র চলছে।
লেখক বলেছেন: খেলা চলছে ...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
নাহিদ মাহমুদ বলেছেন:
২৪ ঘন্টা জল ঘোলা করার পর অবশেষে মডুদের বোধোদয় হল।
লেখক বলেছেন: ?
জেমস্ বন্ড বলেছেন:
যে বিষয়টি শেষ হয়ে গেছে, সেই বিষয়ের ওপর আসামির অনুপস্থিতিতে এ ধরনের একটি রায় আইনের প্রতি অশ্রদ্ধা জানানো।
জেমস্ বন্ড বলেছেন:
যশোরের আদালতের রায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবী সারা হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, একই বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করা হয়। আরিফুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে বিশেষ ক্ষমতা আইনে আটক রাখাও হয়। কিন্তু হাইকোর্ট আরিফের আটকাদেশ অবৈধ ঘোষণা করেন।ওই মামলায় আরিফের আইনজীবী ছিলেন সারা হোসেন। তিনি বলেন, ‘ওই মামলায় আরিফ ছয় মাসের বেশি কারাগারে ছিলেন। ওই সময় আমরা জানতে পারিনি যে আরিফের বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা হয়েছে। এখন যে মামলায় তাঁকে সাজা দেওয়া হয়েছে, তা দায়েরের সময় আরিফ কারাগারে ছিলেন। কিন্তু এই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তারও দেখানো হয়নি। তার মানে হলো, বাদী এ টি এম শোয়েব হুসাইন এবং তাঁর আইনজীবী আলমগীর সিদ্দিকী আদালতে আরিফুর রহমানের বিষয়ে তথ্য গোপন করেছেন। তাঁর আটক থাকার বিষয় সংশ্লিষ্ট আদালতকে অবহিত করেননি। তা করলে আরিফের অনুপস্থিতিতে বিচার হতো না।
তেজগাঁও থানার মামলায় ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম মামলা থেকে তাঁকে অব্যাহতি দিয়েছেন। আইনজীবী সারা হোসেন বলেন, যে বিষয়টি শেষ হয়ে গেছে, সেই বিষয়ের ওপর আসামির অনুপস্থিতিতে এ ধরনের একটি রায় আইনের প্রতি অশ্রদ্ধা জানানো।
লেখক বলেছেন: হুমমম...
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন:
ভালো পোস্ট। ধন্যবাদ। আমার পোস্টে মাইনাস দেয়া ও কটু মন্তব্য করা 'ভদ্রজন'রা এই পোস্টে বদলে গেলেন দেখে ভালো লাগলো। আল্লাহ ওদের হেদায়েত দিক। আমিন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও...
তুর্য ০৯ বলেছেন:
"ধর্মও এখন শো ডাউনের বিষয় । মোল্লাদের সাথে জুম্মার পর দুয়েকটা বিষয় নিয়ে রাস্তায় পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি ছাড়া ধর্ম পালন পুর্নাঙ্গ হয় না। ঈমানি সার্টিফিকেটও এখন তাদের হাতে। "সহমত,এইটা যদি সবাই বুঝতো তাইলে আজকে ধর্ম নিয়ে এতো ওধর্ম হতো না।
লেখক বলেছেন: আসলেই...
আরিফুর রহমান বলেছেন:
কথা শেষ না কৈরা কৈ পলান? @স্বপ্নরাজ মিঞা?আগে একটু বলেন.. ৫৯ নং কমেন্ট কি বিদ্বেষপূর্ণ..? লেখকের মিষ্টি মিষ্টি কথার জবাবে আমি তো মিষ্টি মিষ্টি কথাই বললাম.. এবং লেখক সেইটা নিয়া কোন আপত্তি তো জানাইলোই না.. বরং ধন্যবাদই দিলো।
অন্যদিকে দেখেন উপরে হিটলারের চামচারে সকলে মিল্যা লাত্থিই দিতেছি আমরা..
যার জন্য যেই দাওয়াই সেইটাই প্রয়োগ হইতেছে।
আর ধর্ম যখন গ্যাঞ্জামের উৎস এবং কিছু আবাল যখন যেই ধর্মরে ইউজ কৈরা ক্যাচাল বাধাইতে চায়... ডিকটেট করতে চায় অন্যের লাইফ কেমনে চলবে.. তখন সেই পুর্নাঙ্গ বালছাল যে হালকা লাথিগুতা খাবে না, তার তো কোন নিশ্চয়তা নাই, তাই না?
ধর্ম নামের ব্যক্তিগত জিনিষ ব্লগের মতো জায়গায় আইনা তার গায়ে কাদা লাগানের জন্য সেইসব মহিষরেই দোষী করা উচিত যারা 'আন-এপ্রোপ্রিয়েট' স্থানে 'ছেঞ্ছেটিব' বিষয়ের মকশো করতে যায়।
পরিষ্কার হইলো?
নুভান বলেছেন:
আমাদের উপমহাদেশের লোকজন মাত্র-ই চরম হুজুগে ও তাদের নিত্যনুতন ফ্যান্টাসি দরকার হয় প্রতিনিয়ত। ধর্ম, রাজনীতি হেন বিষয় নেই যাতে এই জাতি মাতবে না। আরিফ সেরকম একটা হুজুগের স্বীকার। এখানে আমি মৌলবাদী-যৌগবাদী ধারনা আনতে চাইনা, কারন এই হুজুগে ভূত আমাদের সবার মধ্যেই আছে। কোন গরম খবর না থাকলে এই হুজুগে জাতি কাউকে বলির পাঁঠা বানাতে ওস্তাদ আর আরিফ হলো ঠিক তেমন-ই এক বলির পাঁঠা। খেয়াল করে দেখুন, যে দেশে দ্যা দা ভিঞ্চি কোড লেখা হয়েছিলো, সে দেশে ব্রাউন সাহেব দিব্বি ঘুরে বেড়াচ্ছেন অথচ কোথাকার কোন ভারতে এই নিয়ে মারা-মারি হয়। কার্টুন নিয়ে কারও কোন মাথা ব্যাথা নেই, কিন্তু ডেনমার্কের উপমহাদেশীয় মুসলমানদের ধর্ম্ম গেল ধর্ম্ম গেল নিয়ে জিগির শেষ হয়না।
লেখক বলেছেন: হুমমম...
আরিফুর রহমান বলেছেন:
আরেকটা কথা.. @স্বপ্নরাজ মিঞা.. আপনের কমেন্টের শেষ অংশটা..
আগে ইগনোর কইরা যাইতাম , বাট এখন মনে হয় একটু এড্রেস করা দরকার হয়া পড়সে..
এইযে সামনে আইলে জানে মাইরা ফেলবেন বা কিছু একটা করবেন কৈয়া আপনাগো হুমকি ধামকি.. এইসব পুরাই বোগাস..
কারন দেখা হইলে কষায়া আপনেগো শিবিরীয় দাড়ি অলা গালে চড় যে মারুম না, তার কিন্তু কোন রকম নিশ্চয়তা দেই নাই।
সেই দিন বহুত আগেই গেছে গা যখন নাস্তিকেরা তাগো নাস্তিকতা নিয়া এক ধরনের লোকলজ্জায় ভুগতো... শক্ত মোল্লাতন্ত্র আর অশিক্ষার কারনে নাস্তিকেরা তাগো পুতু পুতু আর নির্বিবাদী ইমেজ নিয়া বিরাজ করতো...
আর আস্তিকেরা তাগো পিঠ চাপড়াইয়া কইতো..
''আরে তুমি তো দেখি খুব ভালো নাস্তিক.. আমাগো বিজনেসে প্রব্লেম করো না!!
এই নাও.. তুমারে আমরা.. একটি প্রকৃত নাস্তিকের ছাটপিকেট দিলাম..এইটা গলায় ঝুলায়া ঘুরবা কৈলাম..''
এখন দিন আসছে... দুনিয়া জুইড়া অর্গানাইজড-ধর্ম নামের বালছালরে মানুষ লাত্থি দিয়া ইতিহাসের ভাগাড়ে পাডায়া দিতেছে। ধার্মিকদের সেন্টুতে সুড়সুড়ি দিয়া তাগোরে মিছিলে নাময়া দিয়া ভিন্নমতাবলম্বীদের দমন করার দিন আর নাই। মিছিল নামাইলে দেখবা মুখোমুখি খাড়ায়া আছে ক্রুদ্ধ আরেকদল জনতা, যারা গায়েবী বালছালের নামে দুনিয়া বিষাক্ত করার ঘোর বিরোধী... তারা তোমাগোরে পিডায়া সেই হেরা পব্বতের গুহায় পাডায়া দিবো...
বুজলা? সুত্রাং হুমকি দিতে আরেকটু খৈয়াল করবা এখন থাইকা.. বলা যায়না উল্টা হুঙ্কারের তোড়ে উইড়া যাইতে পারো..
সংগ্রামী অলস বলেছেন:
স্টিকি করার জন্য সামুরে আবারো মাইনাস।
সংগ্রামী অলস বলেছেন:
"আরিফের বিষয়টা ভালো চোখে দেখা দরকার...ইসলামের বিপরীতে আরিফকে দাঁড় করানো ঠিক হচ্ছেনা"কমেন্ট যা দেখলাম তাতে তার উল্টোটাই হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...উৎসাহ...
এতো উৎসাহ কেউ দিবো?
সত্যকথন বলেছেন:
বেশ মজা লাগতেসে।একখানা নিরীহ জোক্স এর জন্য আমাদের লাফালাফি।আমার মনে হয়, পরথম আলোতে ছাপা হওয়াতেই এই বিষয়টি নিয়া মাতামাতি করে সুযোগ নিয়েছে ধর্ম ব্যবসায়ীরা। আর সুশীল পত্রিকা আলো এই ব্যপারে আশ্চর্য রকম নিরব।মাঝখান দিয়ে আরিফের অবস্থা দেখে মনে হয় যে আসলেই সব সম্ভবের দেশ বঙ্গদেশ।সুশীলিয় ইস্টাইলে কি বোর্ড নিয়া মাতামাতি না কইরা আমি তার জন্য কেবল প্রার্থনাই করতে পারি।
লেখক বলেছেন: প্রার্থনা করুন...
রাফাত সাদাত বলেছেন:
ক্যাচালের কি আর কোনো টপিক্স নাই?
লেখক বলেছেন: ক্যাঁচালের টপিক্স চাহিয়া আপনার কাছে আবেদন করলাম...
আর এখানে ক্যাচাল কোনটা বুঝলাম না।
আমার পোষ্ট না আপনার কমেন্ট, বস?
জেমস্ বন্ড বলেছেন:
সম্মানিত সদস্য, অতি দুঃখের সাথে জানাতে হচ্ছে যে, দেশে কাঠ-মোল্লাদের অন্যায় আচজরণ বেড়েই চলেছে। ২০০৭-এ দৈনিক প্রথম আলো'র আলপিনে কার্টুনিস্ট আরিফের একটি কার্টুন প্রকাশিত হয়, যা ছিল একটি গ্রাম্য প্রচলিত কৌতূকের কার্টুন প্রকাশ মাত্র। কিন্তু, সে সময় কাঠ-মোল্লা ও জামাত-শিবির ব্যাপক আন্দোলন ডাকে এবং একটি মামলায় কার্টুনিস্ট আরিফের ছয় মাসের জেল হয়। এমনকি জেলেও আরিফের উপর দুবার হামলা হয়।
কিন্তু, একই কৌতুক শিবির পরিচালিত মাসিক পত্রিকা "কিশোর কণ্ঠ"-এ প্রচারিত হলেও, তার বিরুদ্ধে কোন প্রকার ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। সেটাকে গ্রাম্য কৌতুক বলে অভিহিত করে পাশ কাটানো হয়েছে।
ধর্মানুভূতির খুড়ো যুক্তি দিয়ে একজন নিরিহ আরিফকে এমন ভাবে হ্যনস্ত করার অধিকার কারো নেই। ধর্মের নামে ৭১-এ যারা গণহত্যা চালিয়েছে তারা এখনো সজাগ। আবারো ঐ একই কারণে কার্টুনিস্ট আরিফের বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং গতকাল মামলার রায়ে আবার কার্টুনিস্ট আরিফের জেল্ও জরিমানা হয়। কিন্তু কেন????
আরো বিস্তারিত জানুন:
কার্টুনিস্ট আরিফের কথা:http://www.somewhereinblog.net/blog/omipialblog/28803654
আপডেট খবর: http://sushanta.amarblog.com/posts/90851
কার্টুনিস্ট আরিফ-কে নিয়ে ফেইসবুক গ্রুপ: Click This Link
হযরত মুহাম্মদ (স
প্রথম বাংলা বলেছেন:
"আইন সবার জন্য সমান নয়" এটিই আবার প্রমাণিত হল। আর যে আরিফের উপর মামলা করেছে তিনি ভুল করেছেন। কারন মামলা করার কথা মেগাজিনের উপর, আর জবাব দেবেন তার সম্পাদক, অথবা মালিক।
কিন্তু তিনি করলেন উল্টু।
যাক, এখন কথা হচ্ছে- আরিফের উপর মামলা করেছে একজন ব্যাক্তি, সে হয়ত কোন মসজিদের ইমাম, থাকতে পারে তার সাথে আরো কয়েক জন এবং যারা ছিল তারা মুষ্টিমেয়। আর আরিফ কে সাজা দিয়েছে আদালত, ভুল যদি করে থাকে তবে তারা করেছে। এখানে এর সাথে পুরা ইসলামকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক হচ্ছেনা।
আর কেও ভুল করলে ইসলামের বিধি অনুসারে সে ইচ্ছাপুষণ করলে তাকে সংশোধনের সুযোগ দিতে হয়।
আর যে ভুল একজন করে পার পেয়েগেল সে ভুল আরএকজন করলে তার টাও ভুলই থাকে । আর শিবির পার পেয়েছে বলে তারা দুষ থেকে দায়মুক্ত একথা আমরা বা আমি কিছুই মানতে পারিনা বলতে পারিনা।
আরিফ কে উদাহণ হিসেবে দাঁড় করিয়ে নয় ,
এমনি সুজাসুজি দাবি করছি ---
সেই শিবির কর্মি এবং সেই পত্রিকাটির (যেটি বেশ কয়েক বছর আগে এটি ছেপে ছিল ) সাজা হওয়া উচিত।
আর মতি মিয়ার হলনা - আরিফের হল সেটা নিয়ে দুঃখ করে লাভনেই, কারণ বাংলাদেশে আইন সবার জন্য সমান নয়।
সেটা আমরা হরহামেশাই প্রত্যক্ষ করছি।
মুল্যবান পুষ্টের জন্য ধন্যবাদ।।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
ঘটনা এমন ভাবে প্রতিষ্টিত হচ্ছে যে আরিফ ভুল করেছে। ব্যাপারটা একদমই উলটা। আরিফের ভুল কোথায় জানি না। সে পরিস্থিতির শিকার। এটা কোন ভাবেই ভুল করা এবং ক্ষমা চাওয়া টাইপের বিষয় না। এইটা রাজনীতির খেলা।
লেখক বলেছেন: রাজনীতির খেলা ...
ফুয়াদ০দিনহীন বলেছেন:
আমি এ বিষয়ের আগের পোষ্টে - সাথে কঠিন বিপরিত মন্তব্য দিয়েছিলাম . । আপনার পোষ্টের উপস্থাপনা ঠিক আছে , তাই ++++++++++++++++ নিচের বিষয়ের জন্যসে নিজে ধর্মপরায়ন ছেলে। যদিও আরিফের এই ধর্ম পরায়ণতার
ধন্যবাদ ।
আগের, পোষ্ট স্টিকি করা সহ আর একটু আক্রমন্তক থাকায় পুরা সামুকে ইসলাম বিরুধী ভেবে ছিলাম ।
লেখক বলেছেন: হুমম...ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: দরকার, জরুরী...
জেমস্ বন্ড বলেছেন:
আরিফ কোনো অন্যায় বা ভুল করেনি। যার জন্য ওকে ক্ষমা করতে হবে। বরং তাদের প্রতি ধিক্কার জানাই যারা এটাকে ইস্যু করেছে। প্রথম আলো'র মত পত্রিকা প্রটেষ্ট করতে পারলো না। তারা ক্ষমা চাইলো। আরিফকে বরখাস্ত করলো।
আপনি আরিফের সেই রিমান্ডকালীন সময়গুলোর কথা জানেন? কি অন্যায় না করা হয়েছে এই ছেলেটির উপর।
আমি ধিক্কার জানাই এই বিচারের।
লেখক বলেছেন: ধিক্কার জানাই যারা এটাকে ইস্যু করেছে ...
অগ্নির বলেছেন:
এটা পোস্ট হিসেবে দিয়েছি তবু মন্তব্য হিসেবে এখানে দিলাম ।
ঘটনায় মূল দুই প্রতিপক্ষের একপক্ষ হইলো প্রথম আলো, আর অন্য পক্ষ হইলো যারা প্রথম আলোর কারণে কোনো না কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্থ । অনেকেই এই বাক্যটায় শুধু এবং কেবল শুধু বসুন্ধরার নামই ভাবতেসেন । কিন্ত রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের কথা ভাবতেসেননা কেন ? অন্য পত্রিকাগুলিরও যে এতে লাভ হইসে ? বাসায় প্র.আ. রাখা ছেড়ে দিয়ে কোন পত্রিকা রাখা শুরু করসেন আপনে ? প্রথমআলো কি পরিমান টাকার বিজ্ঞাপন পায় এইটা কেউ জানেন ? এই পত্রিকাটা বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে অন্যদের কি পরিমান ফায়দা হবে কারো কোনো আন্দাজ আছে ?
প্রথম থেকেই ধর্মীয় মৌলবাদীদের চক্ষুশূল এই পত্রিকার কোনো একটা খুঁত বের করতে হবে এইটাই বড় কথা। পুরাটাই যার যার স্বার্থের খেল এইখানে, যারা ভাবতেসেন পবিত্র ধর্মরক্ষার জন্য এরা জেহাদে নামসে, তারা সামান্য মগজ ব্যবহার করেন । নবী (সঃ)-এর নাম কেন, স্বয়ং ওনার অবমাননা করলেও এদের কিস্যু যায় আসেনা। যায় আসে শুধু যখন এদের স্বার্থের অবমাননা ঘটে । এই হাউকাউটা যারা তুলসে তাদের বেশীরভাগেরই ছিলো রাজনৈতিক অথবা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য । যেই কার্টুন নিয়ে এত চিল্লা-ফাল্লা হচ্ছে একজন ধার্মিক মুসলিমকে ( যে এসব কিছুর ব্যপারে অজ্ঞ ছিল ) আমি আঙ্গুল দিয়ে দেখায় দেয়ার পরও সে বুঝতে পারেনাই যে ঠিক কোন কথাটায় অবমাননাটা হইসে। আর হুজুগে জাতও কান চিলে নিয়ে গেসে শুনেই দিসে দৌড় । কার্টুনটা হয়তো পড়েও দেখেনাই । তারপরও বলতেসে , "সত্যি যদি সে অবমাননার উদ্দেশ্যে এটা করে থাকে তাহলে ..... " ....আরে , এই কার্টুন কি আরিফ নিজে বানাইসে ? ওই ছোট্ট ছেলেটার এত বুদ্ধি আছে ? ধর্ম অবমাননার পেছনে কোনো মোটিভ আছে তার ? প্রচলিত একটা কৌতুক, ছোটবেলা থেকে শুনতেসি, সেবা প্রকাশনীর একটা জনপ্রিয় কৌতুকের বইতেও এইটা পড়সি । সব ফান ম্যাগাজিনেই এমন অনেক কার্টুন ছাপা হয় যেটা আসলে একটা প্রচলিত কৌতুক। পড়েননাই কোনদিন এমন কার্টুন ?
আবার কেউ কেউ বলতেসে "অপরাধ যেই করুক তাকেই......শিবির করলে তাকেও....." । এইটা কোনো অপরাধই না । শিবির একদা করসিলো কারণ তারা নিজেরাও খুব ভালো করে বোঝে যে এটা আসলে কোন অপরাধই না। শুধু একটা রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের পাঁয়তারা। এই কৌতুকের সাথে নবীজীর কোনো সম্পর্কই নাই। এইটা ধর্ম সম্পর্কে অশিক্ষিত মানুষকে নিয়ে একটা রসিকতা মাত্র। " আমার বিড়ালের নাম মোঃ বিড়াল " এই কথায় নবীজীকে বিড়ালের সাথে তুলনা করা হইসে এটা যারা ভাবতে পারে, তাদের ভাষা বা ধর্ম কোন বিষয়ে কোন জ্ঞান নাই । এবং যারা এইটা জেনেও বারবার একই কথা বলতেসে, সত্যিকার অবমাননাটা আসলে তারাই করতেসে। তাহলে আমি বলতে পারি, কেউ যদি নিজের নামের আগে মোঃ লাগায় সেও নবীজীকে অপমান করলো, সাধারণ মানুষ হয়ে সে নিজের সাথে নবীজীর তুলনা করতেসে ?
"ছোট মানুষ একটা ভূল করতেই পারে....একটা ভূল করে ফেলসে...মাফ চাইসে ক্ষমা করা উচিৎ....." ইত্যাদি যারা বলতেসেন, তারা আগে এইটা বোঝেন । যে কোনো ভূলই করেনাই সে কেন ক্ষমা চাইবে ? পাবলিক সেন্টিমেন্টে আঘাত লাগসে বলে যাদের ধারণা ... যেই জোক্সে এমন হয় সেটা এড়ায় গেলেই তো হয়.....তাদের বলতেসি, পাবলিক সেন্টিমেন্টে আঘাত লাগেনাই বরং জোর করে লাগানো হইসে । এই জোক যার সাথে নবীজীর কোনো সম্পর্ক নাই, তাতেই যদি পাবলিক সেন্টিমেন্টে আঘাত লাগতো , তাহলে এই জোক এতকাল ধরে প্রচলিত থাকতে পারতোনা। অনেক ধর্মপ্রাণ ব্লগারও এখানেই জানাইসেন যে এই জোককে তারা আঘাত লাগার মত কিছু বিবেচনা করেননা । তাহলে হঠাৎ কেউ কেউ এত আঘাত পাচ্ছে কেন ? গোয়েবলসের নীতিটা আবার মনে করায় দেই.....একটা মিথ্যা বারবার অসংখ্যবার বলতে থাকলে মানুষ সেটা বিশ্বাস করতে শুরু করে। নির্বাচনের আগে আগে প্রথম আলোর উপর থেকে যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের বিশ্বাস উঠে যায় তাহলে লাভটা কাদের কাদের হইতো, এবং কারা কারা তখন এজন্য আন্দোলনে নামসিলো এইটা এবার হিসাব করেন। দুয়ে দুয়ে চার কি তবুও মিলাইতে পারতেসেননা ?
"সম্পাদক কেন খেয়াল করলোনা আসল দোষ তো তাদের ".... আমি নিজে যদি সম্পাদক হইতাম আমিও এইটা ছাপার আগে ভাবতে পারতামনা এই কৌতুকে এত প্যাঁচ ধরা যাইতে পারে । প্রথম আলোর যদি এইটা বুঝার ক্ষমতা থাকতো তো তাদেরকে 'ক্যাটা ফালাইলেও' এই জিনিষ ছাপতোনা । প্রথম আলো সম্পাদকের কি মাথা খারাপ হইসে যে জেনেবুঝেও সে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারবে ? সে কেন সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগনের কাছে নিজের ইমেজ নষ্ট করবে ? সে কি ভাবসে যে এই কৌতুকে মৌলবাদীগুলির ধর্মানুভূতি চাগায় উঠবে !! মানুষ যদি অপমানিত বোধ করতে চায় তাইলে তারে ঠেকায় কে ? আমি একটা হাসি দিলেও বলবে, তুই আমারে দেইখা ভেংচি দিলি ক্যা?
অপমানের কি কোন মানদন্ড আসে ? একটা জোক মনে পড়লো, এক সেলসম্যানের বক্তব্য, আমাকে কতজন দরজা থেকে বের করে দিসে, মুখের ওপর ঠাস করে দরজা লাগায় দিসে, কুকুর লেলায় দিসে, কিনতু কেউ আপনার মত অপমান করেনাই !!
ধর্মের সাথে আমার কোনো ব্যক্তিগত যুদ্ধ নাই। কারো ধর্ম কারো পবিত্রবিশ্বাসকে হার্ট করার বিপক্ষে আমি। আর না আমি প্রথম আলোর পক্ষপাতিত্ব করতেসি । তারা ভালো না খারাপ, তাদের সাথে কি হওয়া উচিত....আমার কিস্যুই যায় আসেনা তাতে । এনিহাউ তারা এই সমস্যা থেকে বের হয়ে আসবে জানা কথা। তারাও তো আর নিরস্ত্র না । কিন্তু আরিফ নামের ওই নির্দোষ ছেলেটা এইসব রুই-কাতলাদের লড়াই সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ থেকে নিরস্ত্র অসহায়ের মত সবার পাপের ভার একাই বহন করলো। কারণ সে যে আমার আর আপনার মতই এই দেশের সাধারণ মানুষের একজন । যাদের কোনো টাকা নেই , কোনো ক্ষমতা নেই , আর তাই সত্যকে তুলে ধরার কোনো উপায় নেই । নির্বাচনের আগেমাত্র ব্যবহার করে পরে ব্যবহৃত টয়লেট পেপারের মত ছুড়ে ফেলে দেয়া সাধারণ জনগন। আমাদেরই একজনের জীবন নষ্ট হয়ে যায় ওই ক্ষমতাবানদের খেলায় , দেশের আইন আর সংবিধানকে যারা যথেচ্ছা ব্যবহার করে আমাদের চোখে ধূলা দিতে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য । আমাদের তর্ক আর কনফিউশন তবুও শেষ হয়না। আমরা তবুও সন্দেহ প্রকাশ করতেই থাকি । চোখের সামনে সব প্রমাণ দেখেও বলি, কে জানে কোনটা সত্যি ! কোনদিন কি আমরা এক হতে পারবোনা ? না যদি পারেন , তো , কাল আপনিই হবেন দ্বিতীয় আরিফ !
লেখক বলেছেন: হমমম...
রাফাত সাদাত বলেছেন:
সরি বস। আপনার পোষ্টটা আসলেই ভাল হইছে। আগে না বুইঝা কমেন্ট করছি। দুঃখিত। আপনের বক্তব্যের সাথে পুরোপুরি সহমত। আগে মাইনাস দেই নাই। এইবার প্লাস দিলাম। ধন্যবাদ। লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...
পিটার প্যান বলেছেন:
ধরি মাছ না ছুই পানি টাইপ হইছে ... রেটিং দিলাম না।
লেখক বলেছেন: এবং চরম সুবিধাবাদী এবং হিট বাড়ানীয়া পোষ্ট...
নিজেরে মাইনাস...
রেটিং না দেয়ার জন্য ধন্যবাদ...ভাই...
অরণ্যদেব বলেছেন:
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন: ১।আরিফকে সালমান রুশদী আর তসলিমার লেভেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে এই ধারণা যাদের তারা হয়তো কেউ-ই ব্যাক্তিগতভাবে আরিফকে চেনেন না। যে দোষ আরিফকে দেয়া হচ্ছে, আসলে বিশ্বাস আরিফ নিজেও করে না। তাকে অযথা ইসলামের বিপরীতে দাঁড় করানোর কিছু নেই। সে নিজে ধর্মপরায়ন ছেলে। যদিও আরিফের এই ধর্ম পরায়ণতার মূল্য এখন এদেশে নাই।
২।কিন্তু ব্লগে আমরা সুস্থ মানুষগুলো কেন এই অযথা তর্কে জড়াচ্ছি?
আমাদের যদি সময় থাকে, বিতর্কের বিষয় না থাকে চলেন সবাই ঠিক করে একটা বিষয় নিয়ে বিতর্ক করি। তাও আরিফকে মুক্তি দেই।
কত্ত বিষয় আছে। কত্ত অমীমাংসিত বিষয় আছে। এই ধরেন 'ডিম আগে না মুরগী আগে' মতো বিষয়টার এখনো নিষ্পত্তি হলো না।
চলেন সেসব নিয়ে বিতর্ক করি আর আরিফকে মুক্তি দেই।
----------------বিভ্রান্তি যা আমি মনে করছি চোখ ফিরিয়ে নেবার কৌশল
হ এখন আম্রা ডিম আর আন্ডা লৈয়া মাততোফারি! আর কুন বিষয় যখন নাই !
শালিকরে ঝাজা!!
লেখক বলেছেন: ওয়ান্স এগেইন শালিক উইথ আপনে...ঝাজা...
কাঠের খাঁচা বলেছেন:
ধর্মও এখন শো ডাউনের বিষয়। মোল্লাদের সাথে জুম্মার পর দুয়েকটা বিষয় নিয়ে রাস্তায় পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি ছাড়া ধর্ম পালন পুর্নাঙ্গ হয় না। ঈমানি সার্টিফিকেটও এখন তাদের হাতে।১০০ ভাগ সহমত
বড়ই আজব লাগে নিম মোল্লাদের ব্যাপার স্যাপার ( ওদের ফুল মোল্লা কওয়া ঠিক হইবনা, স্মার্ট ডিজুস টাইপ। কারাতে শিখে, কনভার্সেশন ইংলিশে। বড়লুকদের জন্য অনলি।)
লেখক বলেছেন: ওদের ফুল মোল্লা কওয়া ঠিক হইবনা, স্মার্ট ডিজুস টাইপ। কারাতে শিখে, কনভার্সেশন ইংলিশে। বড়লুকদের জন্য অনলি
- হাহাহাহা...
মদন বলেছেন:
++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
আরিফুর রহমান বলেছেন:
@কাঠের খাঁচা.. এদেরকে এক বাক্যে.. 'হিজবুত তাহ্রীর' বা হিজু ছাগু বলে ডাকা হয়.. অন্যান্য সচেতন দেশের মতো এদেরকে গত ক'দিন আগে বাংলাদেশেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে
রবিনহুড বলেছেন:
আরিফকে নিয়া এত কাহিনীর শুরুটা করছে, সামু কর্তপক্ষ। তারা সবার আগে বাশে গুড় লাগাইছে।সামান্য একটা সংবাদ মূলক পোষ্টকে তারা আঠা দিয়া বাশের আগায় লটকাইছৈ...ব্যাস.. পাবলিক গুড় খাওনের লাইগ্যা হুমড়ি খাইয়া পড়ছে।
ইসলাম বিদ্বেশী কাম কাজ কতৃপক্ষ ভালই করতে পারে। না হইলে এই রকম একটা সংবাদ মূলক পোষ্ট কে আঠা মারার কারন কি?
আর আপনের পোষ্টটাও আঠালো করার কোনো মানে নাই... এর থেকে অনেক গঠন মূলক বিষয গত কয়দিনে পোষ্ট হয়েছে।
গোফ দেখে শিকারী বেড়াল চেনা যায়।
লেখক বলেছেন: পোষ্টটাও আঠালো করার কোনো মানে নাই...
সামু কর্তৃপক্ষকে মাইনাস...
তিন দিন পরে এসে কিছু কি মিস করলাম?
আস্তিক-নাস্তিক কাহিনীর শেষ কোথায়?
লেখক বলেছেন: আপনে ছিলেন না বলেই তো এতো কিছু...
আপনারেই খোঁজে সামু...
লাল দরজা বলেছেন:
২৪ নম্বর মন্তব্যের উত্তরে লেখক আপ্নে কইলেন, "আরিফের বিষয়টা এখানে আলচ্য...তার ভুলটাকে ধরেই কথা হচ্ছিল...
এরপর কোনটা কী সেটা অন্য প্রসঙ্গ..."
তার মানে আপনের মত হইল, আরিফ যা করছে তা সে ভুল করছে। তাই কি?
আমি কেবল বুঝতে চাইতেছিলাম ব্যাপারটা। আবার বইলেন না আমি প্রসঙ্গরে অন্য দিকে টানতেছি।
শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: এতোক্ষণ পোষ্ট পইরা যদি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হোন আমি বলতে চাই, আরিফ ভুল করছে...তাইলে আর কী কমু?
আমার লেখার এক জায়গায় বোধহয় স্পষ্টাক্ষরে ছিল...
কোনো ভুল নেই, আরিফ আসলে একই সঙ্গে প্রতিক্রিয়াশীল এবং তথাকথিত প্রগতিশীলদের স্বার্থে বলি হয়েছিল।
শুভকামনা ...
কোন একজন বলেছেন:
বেড়ে যাচ্ছে মাইনাস,
আমার লাগে হাস-ফাঁস।
একটিভ ছাগুরা,
চেয়ে থাকি আমরা।
সবখানেতে ধর্ম খুঁজে,
মাইনাস দেয় চোখ বুঁজে।
দোষ দেয় সামুরে,
মগ বাজার যামুরে।
সাহস থাকে যদি,
মুখ দেখা জলদি।
আস্তিক নাস্তিক,
সবাইকে দেই ধিক।
আসল হলো আরিফ,
কর তার তারিফ।
ঝগড়া, বন্ধ কর,
আরিফকে মুক্ত কর।
আমি হলাম জেনারেল,
মডুদের দেই তেল।
ব্লগারদের কাছে আহবান,
হিতাদের সামলান।
লেখক বলেছেন: ভালো কইছেন...
সোনার বাংলা বলেছেন:
দেশে এবং ব্লগে কি আরিফ ছাড়া আর কোন বিষয় নাই!! হালার সামুটা যে কিসের খোয়াড়ে পরিনত হইতেছে!! আরিফ কে নিয়ে লেখা সব পোষ্টই স্টিকি হইতেছে।
আরিফ কি বালের অত বড় কার্টুনিষ্ট হইয়া গেলু যে তসলিমার মতো সম্মান অর্জন করিলো?
সামুতে হাসিনা আপার তিন দিন ব্যাপি ভারত সফরের ট্রানজিট বা করিডোর, টিফাইমূখ, সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা নিয়ে তেমন কোন লেখা নাই!!
মুভি পাগল বলেছেন:
আসলে আমাদের জ্ঞান আছে কিন্তু তা সঠিকভাবে প্রয়োগের অভাবই আমাদের মূল সমস্যা।
লেখক বলেছেন: ঠিক...
শুন্য মানব বলেছেন:
জেনারেশন৭৫ বলেছেন:আরিফ যদি না বুঝে করে থাকে তাহলে এটা অবশ্যই ক্ষমার যোগ্য। যদিও সে বলেছিল সে না বুঝেই এটা করেছিল...... আমরা না বুঝেও এর চেয়ে ও অনেক বড় বড় পাপ করি।
আরিফ জেলে যাবে আর মতি মিয়া ভাল তবিয়াতে থাকবে। জেল দিলে মতি মিয়ারই দেয়া উচিত আরিফকে না।
লেখক বলেছেন: হুমমম ...
কালোজাম বলেছেন:
আরিফ নাটকের প্রথম পর্বে তথা মূল পর্বে একটা মন্তব্য করেছিলাম।
মূল কথা ছিল যে, প্রথম আলো আসলেই ধর্মবিরোধী অনেক কাজ করে এবং এথেইস্ট দের ন্যক্কার জনক সাপোর্ট দেয়।যে কার্টুন নিয়ে কথা হচ্ছে, সেটা নিয়ে বড়জোর অনুৎসাহিত করা যেতে পারে। কিন্তু এর মধ্যে ধর্ম বিরোধীতার কিছুই আমি দেখিনা।
ব্যক্তিগত জীবনে আমি নাস্তিকদের করাল গ্রাস থেকে আমাদের সংস্কৃতি ও সমাজ কে বাঁচানোর স্বপ্ন দেখি। ইসলামী দলগুলো সম্পর্কে আমার আশাবাদের শেষ নেই।
কিন্তু প্রথম আলোর মত প্রো-বাম পত্রিকার বিরুদ্ধে এরকম বেসলেস বিষয় নিয়ে লড়া হলো, নিজ হাতে নিজ আন্দোলন (অবশ্য্ই আদর্শিক) গলা টিপে হত্যা করা।
প্রথম আলোর এমন অনেক লেখা আমি পড়েছি এবং পড়ছি, যে গুলোতে সরাসরি নাস্তিকতার গীত গাওয়া হচ্ছে।
এগুলোর বিরুদ্ধে আন্দোলন না করে, একটা রম্য লেখার ব্যপারে শহীদ হওয়া.... সেইম!
আর প্রথম আলো কি সুন্দর গা বাঁচালো। হাসি পায় । আবার দুঃখ্ও পায়।
সবশেষে.........
আরিফের মুক্তি চাই। নাস্তিকতার ধ্বংস চাই।
কালোজাম বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
একজন সৈকত বলেছেন:
পুরা লেখার সারাংশ শেষ লাইনেই নিহিত: "আল্লাহ আমাদের জ্ঞান দান করুক।"
একই প্রার্থনা আমারও।
আপনার লেখাটি পড়ে পুরো ব্যাপারটি সম্বন্ধে একটি ধারনা পাওয়া যায়।
পজিটিভ এই পোস্ট টির জন্য +।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: আমার কী করার আছে?
ষ্টিকি পোষ্ট সরিয়ে ফেলতে বলেন...
আশীফ এন্তাজ রবি বলেছেন:
প্রিয় ইশতিয়াক, তোমার এই দুই নৌকায় পা দেয়া লেখাটি পড়ে মেজাজটা খারাপ হয়ে গেল। আরিফ যে কোন ভুল করেনি, সে কথাটা জোর দিয়ে বললা না, যা বললা তার মানে দাঁড়ালো ও যদি ভুল করেও থাকে, সবাই যেন তাকে ক্ষমা করে দেয়, কেননা আরিফ ইসলাম বিরোধী না, বিশেষ করে যারা তাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনে, তারা জানে। কথাটা তুমি প্রায় গ্রামের সালিশের মতো বলছো, আরিফকে মুসলমান প্রমাণ করার তোমার এই প্রচেষ্টা এই মধ্যরাতে যথেষ্ট বিনোদিত করলো। ফতোয়াবাজী তোমার দ্বারাই হবে।
আরিফ মুসলমান কি মুসলমান না- এটাই কী মূল সমস্যা। নাকি মূল সমস্যা হলো , যেকোন ব্যাপার নিয়ে বাড়াবাড়ি করাটা। বিশেষ করে বাড়াবাড়ি করার পেছনে যদি কোনও যুক্তি না থাকে।
মন্তব্য কলামে এক জায়গায় দেখলাম, তুমি লিখছো, আরিফ ভুল করেছে।
ব্যস, মোল্লারা ঠান্ডা!
তুমি ইসলাম ফ্যানাটিকদের চ্যাতাইলা না, আবার প্রগতিশীলতার তকমাটাও ছাড়লা না।
ইশতিয়াক, এই দেশটা এমনিতেই ডুবে গেছে। তোমার মতো তথাকথিত মানুষেরা এই দেশটাকে সাবমেরিন বানিয়ে ফেলবা - এতে আমার কোনও সন্দেহ নাই।
তুমি ভালো থাকো, ভালো তুমি থাকবেই, তোমাদের মতো লোকেরা এই দেশে সবসময়ই ভালো থাকে। শুধু দেশটা ভালো থাকেনা। এজন্য মোল্লারা দায়ী না , প্রগতিবাদীরা দায়ী নয়, আস্তিরা নয়, নাস্তিকরাও নয়, শুধু তোমার মতো কয়েক পিস লোকজন এজন্য দায়ী।
বছরের সেরা বিভ্রান্তিকর পোস্ট যা পড়ে প্রগতিশীল এবং মৌলবাদী উভয়পক্ষই খুশি। সাবাশ!!!!
লেখক বলেছেন: ব্লগে আমার কোনো লেখা পড়ে আপনার মেজাজ ভালো হয়েছিল..সেটা হয়তো হাতে গোনা...
তাই এটাকেও আমার লেখার প্রতি আপনার ধারাবাহিক মনোভাবের অংশ হিসেবে ধরে নিলাম...
আমি আমার পোস্টের কোথাও প্রতিক্রীয়াশীলদের খুশি করার চেষ্টা করিনি...
আমি আমার ধর্মের প্রতি, আমার বিশ্বাসের কথাটা বলেছি...
ইসলাম তো এখনও সেইসব মৌলবাদীদের একছত্র দখলদ্বারিত্বে চলে যায়নি যে আমি আমার ধর্ম বিশ্বাসের কথা বলতে পারবো না...
অথবা ইসলাম মানেই মৌলবাদীতা...
সেটা বলা যদি প্রতিক্রীয়াশীলতা হিসেবে গন্য হয় তাহলে আমার কিছু বলার নেই ...
'সেটা নিতান্তই এক সদ্য কার্টুনিষ্ট হওয়া এক কিশোরের ভুল ছিল...' কে যদি আপনি বলে থাকেন আমি আরিফের ভুলের কথা বলেছি তাহলে অবাক হওয়া ছাড়া কিছু করার থাকবে না।
কারন, ভুলটা বলতে আমি বুঝিয়েছি তার বিষয় নির্বাচনে।
নতুন হবার কারনে সে যেটা ধরতে পারেনি। আপনি জানেন, এতোদিন ফান ম্যাগাজিনে কাজ করে এখনও আমাদের মনে সংশয় কাটেনা কোনটাতে ঝামেলা হতে পারে?
এখন সেটাকে কোড করে দুই নৌকায় পাড়া দেয়ার অপবাদ আপনি দিলে আমার শুধু মেনে নেয়া ছাড়া আর কিছুই করার থাকবে না।
বছরের সেরা বিভ্রান্তিকর পোস্ট- অভিধা যুক্ত হওয়ায় নিজেকে গর্বিত মনে করছি।
আপনি ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: হুমম...
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
আশীফ এন্তাজ রবি এর কমেন্টে সম্পূর্ন একমত।"তুমি ইসলাম ফ্যানাটিকদের চ্যাতাইলা না, আবার প্রগতিশীলতার তকমাটাও ছাড়লা না।" এইটারেই কয় সুশীলতা, চলতি বাজারের ডিমান্ডিং মাল।
লেখক বলেছেন: এই পোস্ট পড়ে যদি তাই মনে হয় তবে আশীফ এন্তাজ রবি এর কমেন্টে আমিও সম্পূর্ন একমত।
উন্মোচক বলেছেন:
যে সামহোয়্যার ইন ব্লগে ইসলামকে কেবল গালি দিতে দেখি, সেখানে ইসলামকে পুঁজি করে আরিফের পক্ষের এই লেখাটা দেখে সত্যিই অবাক হলাম।আরিফকে ইসলামের পক্ষের মানুষ হিসেবে প্রমাণ করতে চাইছেন লেখক, আর সেই লেখাটা স্টিকি করা হয়েছে এই ব্লগে! কী তাজ্জব ব্যাপার!
এতদিন জানতাম ধর্মকে নিজ স্বার্থসিদ্ধিতে ব্যবহার করে মোল্লারা, এখন দেখি সামহোয়্যার ইন ব্লগের নীতিমালাও এটাই!
তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন:
আশীফ এন্তাজ রবি কি কমেন্ট করলেন! ব্লগে শতাধিক লোক যা বলেও বলতে পারলো না, আপনি অকপটে তা বলে ফেললেন... আপনি প্রমাণ করলেন আপনি আসলেই আশীফ এন্তাজ রবি। ঝা..
"মন্তব্য কলামে এক জায়গায় দেখলাম, তুমি লিখছো, আরিফ ভুল করেছে। ব্যস, মোল্লারা ঠান্ডা!"
আচ্ছা আপনিই বলেন, মোল্লাদের আর কিভাবে ঠান্ডা করা যেত?
মনে হয় "দুই নৌকায় পা দেয়া লেখাটি" লেখা ছাড়া ইশতিয়াকের আর কোন বিকল্প পথ ছিল না। উভয়পক্ষকে খুশি করাটা হয়ত প্রয়োজন ছিল। হয়ত ইশতিয়াক এরকম না। অবশ্য ইশতিয়াককে আপনিই ভালো চিনেন।
তবু আপনার ভাবনাকে স্যালুট।
লেখক বলেছেন: 'ব্লগে শতাধিক লোক যা বলেও বলতে পারলো না'- শতশত লোক এটা বলতে চাইছে এটা আপনি শিওর হলেন কীভাবে?
কীভাবে দুই নৌকায় পাড়া দেয়া লেখা এটি আমাকে একটু বুঝিয়ে বলবেন?
আর ব্যাক্তিগতভাবে চনোর কথা বললেন না? আমার সম্পর্কে সেটা জানেন আশিফ এন্তাজ রবি আমি কেমন?
আর আরিফের ভুল সংক্রান্ত বিষয়টার জবাব তার কমেন্টের জবাবে দিয়েছি...দেখে নিবেন আশা করি...
ভালো থাকেন...
কাবজাব বলেছেন:
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: আশীফ এন্তাজ রবি এর কমেন্টে সম্পূর্ন একমত।"তুমি ইসলাম ফ্যানাটিকদের চ্যাতাইলা না, আবার প্রগতিশীলতার তকমাটাও ছাড়লা না।" এইটারেই কয় সুশীলতা, চলতি বাজারের ডিমান্ডিং মাল।
লেখক বলেছেন: কথা সত্য ...
রোহান বলেছেন:
শিক্ষিত মানুষের উন্মাদনা দেইখা মনটা খারাপ হইয়া আছে, সামান্য একটা কার্টুনের বক্তব্য যারা না বুইঝা কাঠমুল্লাদের মতো লাফাইতাছে হেগো লিগা সমবেদনা।আচ্ছা প্রতিদিন দেশে কত মেয়ে ধর্মান্ধতার বলি হচ্ছে, দোররা মেরে রক্তাক্ত কত শরীরের গল্প শুনি, এসিডে পুড়ে যাওয়া মুখ দেখি, হিল্লা বিয়ে, তালাক, যৌতুকের দাবীতে নির্যাতন -- কত শত টপিক। একটারও বিচারের কথাও শুনি না, দেশের মানুষের কন্ঠ তো দুরে থাক, ব্লগে কারো কীবোর্ডের একটা অক্ষরও দেখার সৌভাগ্য হয় না... আরিফকে নিয়ে বায়তুম মোকাররম, পল্টন থেকে সামহোয়ারইন সবখানে আগুন লেগে যায়... কি হতভাগ্য জাতি আমরা....
আরিয়ানা বলেছেন:
চমৎকার লেখার জন্য ধন্যবাদ !!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন:
১১০ নং কমেন্টে লেখকের মন্তব্য ??????
লেখক বলেছেন: ওনার অনেক আগের কমেন্টটাই শেয়ার করেছেন...
আবু সালেহ বলেছেন:
আরিফ যদি না বুঝে করে থাকে তাহলে এটা অবশ্যই ক্ষমার যোগ্য।
ইসলাম শান্তির ধর্ম......আর ইসলামে ক্ষমা বড় মহৎ গুন....
বিডি আইডল বলেছেন:
অনেকরেই দেখি স্টিকি পোষ্টে ভারী ভারী কমেন্ট করতে....সবার নজরে আসার চেষ্টা?? এইসব কমেন্টকারীদের বড় অংশকেই ২ লাইনের কমেন্ট করে ব্লগ পার করতে দেখি...একই বিষয় নিয়ে একাধিক পোষ্ট স্টিকিটা বিরক্তিকর...
মহিউদ্দিন আহামেদ সৈকত বলেছেন:
আপনার সাথে একমত..
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
মুখ ও মুখোশ বলেছেন:
কিছু বলতে ইচ্ছে হচ্ছে না। সব ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। কারো অনুভুতিতে আঘাত লাগে এরকম কিছু করারই বা কি দরকার? আর এর জণ্যে যদি কেউ শাস্তি পায় তবে তা নিয়ে এত কথা বলারই বা কি দরকার? দেশে কি সমস্যার অভাব পড়ছে? আরিফ ধর্মানুভুতিতে আঘাত দিয়ে অন্যায় করেছে, কিন্তু সবচেয়ে বড় অন্যায় করেছে যারা এটাকে পাবলিশড করেছে, এটা না করা হলে তো এত বৃহৎ পরিসরে কেউ জানতনা, সমস্যাটা হতও না। বুঝি না, কিছুই মাথায় ঢোকে না...........
তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন:
>'ব্লগে শতাধিক লোক যা বলেও বলতে পারলো না'- শতশত লোক এটা বলতে চাইছে এটা আপনি শিওর হলেন কীভাবে?- বাক্যটা একটু কারেকশন হবে,
'ব্লগে শতাধিক লোক যা বলতে পারলো না' (এখানে আসলে রবিকে কৃতিত্ব দেয়া হচ্ছে)
>কীভাবে দুই নৌকায় পাড়া দেয়া লেখা এটি আমাকে একটু বুঝিয়ে বলবেন?
- এটা তো আমি বলি নাই, বলেছেন রবি-
"তুমি ইসলাম ফ্যানাটিকদের চ্যাতাইলা না, আবার প্রগতিশীলতার তকমাটাও ছাড়লা না।"
তবে যারা আপনার লেখা নিয়মিত পড়েন, তারা সবাই বুঝবেন এই লেখা কিছুটা উভধর্মী। তবু এজন্য আমি তো আপনার সমালোচনা করি নাই।
যাই হোক আপনার প্রতি আমার পূর্ণ সমর্থন আছে। জবাবের দরকার নাই।
খারাপ লাগলে আগের কমেন্ট ডিলিট করে দিয়েন। আপনিও সর্বদা ভালো থাকুন...ধন্যবাদ।
শূদ্র বলেছেন:
রাস্টের একটি নীতি (দর্শন) থাকে। সে অর্থৈ বাংলাদেশেরও আছে। তা হলো মোল্লাগো লগে মিলে বিদেশীদের হাগুমুতু চাটু করা। প্রখম আলো বলা যেতে পারে এ বিষয় ফাস্টোক্লাস। প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান নিজামী ( তার নাম আমি ভুল করে লিখিনি। তাকেও আমি নিজামীর মতই ভাবি) কিন্তু খতিবের হাত পা ধরে তওবা করে মাপ চেয়ে আসলো, তার ক্ষমাও হয়ে গেলো। কিন্ত আরিফ?আমি এখানেই রাষ্ট্রযন্ত্রের ক্ষমতা এবং শ্রেণী দৃষ্টিভঙ্গির অবস্থা নিয়ে কথা বলাটা জরুরী। কারণ আরিফকে ফাশিয়ে দিয়ে জেল জরিমানা দেয়া যায়, অথচ প্রকাশক সম্পাদককে দায় থেকে মুক্তি দেয়া যায়। অথচ বাংলাদেশের শাসকশ্রেনীর আইন যা তারা বৃটিশ দসু্যদের কাছ থেকে নিয়েছিলো, সেখানেও প্রকাশক সম্পাদককে বাদ দিয়ে এইরকম সাচা দেয়া সম্ভব নয়। আরিফের বেলায় এটা হয়েছ, কারন আরিফ মতিউর রহমান বা মাহফুজ আনাম ( তখনও মাহফুজ আনাম প্রকাশক ছিলো) গোছের কেউ নয়।
মতিউর রহমান বা মাহফুজ আনাম আর মোল্লা কিম্বা পুরুত অথবা রাষ্ট্র সবাই যেহেতু সমগোত্রিয় বা সম শ্রেণীর তাই তাদেরকে কাঠ গড়ায় আনা হবে না এটাই সাভাবিক।
কার্টুন-এ মোহাম্মদ সম্পর্কিত উক্তির জটিলতা মূলথ আমাদের বিকার সমাজের পশ্চাতপদতার জটিলতা। যিনি কোনো ধর্মের আচার বিশ্বাসের সাথে যুক্ত নন, ধর্ম বিশ্বাসীরা যখন তার উপর আক্রমন চালায় তখন কি মানবতা বিবেক অন্ধ হয়ে যায়?
তাহলে সংখ্যালঘুর জায়গা কোনভাবেই এইসব রাষ্টের মধ্যে নিরপাদ নয়? এখন সময় এসেছে সেই জটিলতার সমাধাণ করা
সাই্মুন বলেছেন:
আরিফ যদি ইচ্ছা ভুল করে থাকে তাহলে ক্ষমা করা যায়। কিন্ত মতি মিয়া তো বড় সচেতন ছিল। সে এটা কিভাবে ছাপল? তার তো টার্গেট ছিল এই ইস্যুতে ধর্মপ্রাণ মানুষদের রাস্তায় নামিয়ে ইসলামের দুর্নাম করা । এই ইস্যুতে মতি মিয়ার বিচার হওয়া উচিত।
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
উপসংহারে বজ্রদীপ্ত কন্ঠে বলা যায়- আরিফ কোন ভুল করেনি। সুতরাং তাকে ক্ষমাসুন্দর বা অসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার কোন প্রশ্ল আসেনা। ফ্যনাটিসিজমকে প্রশ্রয় দিয়ে ভুলটা করেছে রাস্ট্র এবং আমরা। আমাদের সবার এবং রাস্ট্রের উচিৎ আরিফের কাছে মাফ চাওয়া। তারও আগে উচিৎ ব্লগের সবকয়টা জামাতি খাঞকির পুত আর কাঠমোল্লাকে চিহ্নিত করে ফাকিস্তান বা সৌদি মরুভুমিতে ঠাপিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করা। পিরিয়ড।
প্রিন্সেস ঢাকা বলেছেন:
মুহাম্মদ অর্থ প্রশংসিত, হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) আমাদের প্রিয় নবী। কুরান আমাদের সর্বোচ্চ বিশ্বাস।আরিফ কোনই ভুল করেনি। আল্লার সৃষ্ট এই বিশ্ব জগত এবং এর সকল কিছুই প্রসংশিত।
Princess Dhaka: what do you undrstnd Trinity ?
22 hours ago via Mobile Web · Comment · Like / Unlike
Abhi Mullick likes this.
Md Hasan: Not
21 hours ago
Sheikh Masum: That u undrstnd
21 hours ago
محمود حسن كوثر : Keeping faith in 3 Gods & worship to them (God him self, Marry & Jesus!! That is Trinity. (Trittobad...) I don't agree with this belief.
18 hours ago
Monir Khan : na
17 hours ago
Daak Pioon: na....
16 hours ago
Princess Dhaka: Trinity: im arguing picking this example to teach all Muslim Christan and any other the limit of us and what we should refrain from.
The belief Trinity is Jesus himself, the Father and the God is a One thus Jesus is Trinity.
But question is where did you find Trinity ? In the enire bible there in no word and conception Trinity (if any body claim plz re-search editions).... Read More
Then how do you find Trinity ? Answer is conclusion of many event hint and example in bible.
This is never a true Muslim's Christan's or any other's duty to Sum up few lines or words or verses of Holy scripts like Koran or Bible to beget any thing else. This a great SIN, this is fobiden. This is a job of Snake or Eiblish.
A true religious has to only believe every word and metaphores as those are in the holy books. Never assume from the verses coz God Allaha know the limitation he created in His creation so He told complete in the Holy scripts and left no choice to explain or assume.
Those who are doing such they doing unMuslim or unChristan job for their personal or group interest like the Snake or Eiblish did in the garden of Eden or Bahest.
We believe every words in our holy books and we hate who sum up or conclude, they are SATAN.
16 hours ago ·
محمود حسن كوثر
يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لاَ تَغْلُواْ فِي دِينِكُمْ وَلاَ تَقُولُواْ عَلَى اللّهِ إِلاَّ الْحَقِّ إِنَّمَا الْمَسِيحُ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ رَسُولُ اللّهِ وَكَلِمَتُهُ أَلْقَاهَا إِلَى مَرْيَمَ وَرُوحٌ مِّنْهُ فَآمِنُواْ بِاللّهِ وَرُسُلِهِ وَلاَ تَقُولُواْ ثَلاَثَةٌ انتَهُواْ خَيْرًا لَّكُمْ إِنَّمَا اللّهُ إِلَـهٌ وَاحِدٌ سُبْحَانَهُ أَن يَكُونَ لَ...هُ وَلَدٌ لَّهُ مَا فِي السَّمَاوَات وَمَا فِي الأَرْضِ وَكَفَى بِاللّهِ وَكِيلاً {171}
[Shakir 4:171] O followers of the Book! do not exceed the limits in your religion, and do not speak (lies) against Allah, but (speak) the truth; the Messiah, Isa son of Marium is only a messenger of Allah and His Word which He communicated to Marium and a spirit from Him; believe therefore in Allah and His messengers, and say not, Three. Desist, it is better for you; Allah is only one Allah; far be It from His glory that He should have a son, whatever is in the heavens and whatever is in the earth is His, and Allah is sufficient for a Protector.
[Yusufali 4:171] O People of the Book! Commit no excesses in your religion: Nor say of Allah aught but the truth. Christ Jesus the son of Mary was (no more than) a messenger of Allah, and His Word, which He bestowed on Mary, and a spirit proceeding from Him: so believe in Allah and His messengers. Say not "Trinity" : desist: it will be better for you: for Allah is one Allah: Glory be to Him: (far exalted is He) above having a son. To Him belong all things in the heavens and on earth. And enough is Allah as a Disposer of affairs.
14 hours ago
Princess Dhaka: im arguing picking this example to teach all Muslim Christan and any other the limit of us and what we should refrain from.
i ll prove it as i believe in my relg////
14 hours ago
محمود حسن كوثر
محمود حسن كوثر
I will follow you if you are polite & your mind is cool.. then i will agree with you.
4 hours ago
Alim Uddin : first be pure muslim u r self,
12 hours ago
Princess Dhaka: to drag you to the religious here i re-tell the above till the latest.
1. What'd you understand trinity ?
2. the explanation till makes Muslim happy, thus muslim teachers -we took Eblish our teachers in ignorance- are happy, like christan would be happy on another explanation. thus would be christan teachers - snakes are taken to be teachers there in ignorance...... Read More
now follow me...
11 hours ago
محمود حسن كوثر
محمود حسن كوثر
I will follow you if you are polite & your mind is cool.. then i will agree with you.
4 hours ago
Princess Dhaka
im a muslim, koran is my highest belief, i believe Allah and Muhammad (SM). And i declare those all are Eiblish who took Islam for their personal or group greed on this world.
3 minutes ago
লেখক বলেছেন: those all are Eiblish who took Islam for their personal or group greed on this world.
- well said
মাহমূদ হাসান বলেছেন:
@PrincessDhaka. আলহামদুলিল্লাহ!!!!@শয়তান. ভাই, কাজটা আপনি ঠিক করেননি।
@ ইশতিয়াক ভাই, Thanks.
লেখক বলেছেন: Thanks
"বৃষ্টির কান্না" বলেছেন:
আরিফের বিষয়টা ভালো চোখে কিভাবে দেখবেন? এটা কি কোন ভাল বিষয়? শিল্পচর্চার জন্যে বিষয়ের কি অভাব আছে? ছোট মানূষ ভুল করে ফেলেছে? ভুল করেছে, ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করে ফিরে আসবে, এতে সবার এত উদ্বিগ্ন হওয়ার মত তো কিছু নেই, আর এই পোষ্টকে ষ্টিকি করার কি আদো প্রয়োজন আছে? বুঝিনা কেন করা হচ্ছে কার স্বার্থে করা হচ্ছে।
একজন আরিফের কার্টুনের কারনে ইসলামের কোনই ক্ষতি হবে না বা হওয়ার কথাও না, ক্ষতি তখনই হয় যখন বিষয়টাকে কচলিয়ে তেতু বানানো হয়। একানে সেটাই করা হচ্ছে।
যা হোক আরিফ কাজটা ঠিক করেনি, এর জন্য যদি ক্ষমা চায় তবে ক্ষমা করে দেওয়া উচিত, আর স্বদম্ভে করে থাকলে শাস্তি পাওয়া উচিত, হয়ত তাই পাচ্ছে, বাস এতটুকুই। আর আরিফকে বৃহত্তরও পজিশনে যারা নামিয়ে দিয়েছে সবার আগে তাদের বিচার করা উচিত।
এটাকে ষ্টিকি থেকে নামিয়ে দেওয়া হউক।
লেখক বলেছেন: নামিয়ে ফেলার পর এই দাবী???!!!
স্যালুট...
আমি মদন বলেছেন:
মুহাম্মদ অর্থ প্রশংসিত, হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) আমাদের প্রিয় নবী। কুরান আমাদের সর্বোচ্চ বিশ্বাস।আরিফ কোনই ভুল করেনি। আল্লার সৃষ্ট এই বিশ্ব জগত এবং এর সকল কিছুই প্রসংশিত।
বিরাট অওয়াজ মহাফিলের মঞ্চে বাংলার বাউল রজনী।
শীতের আগমন হচ্ছে। এখনই সারা দেশের গ্রামে গঞ্জে শহরে মহল্লায় মৌলানাগন, গালি অর্থে যাদের মৌলানা বলি সেই সব মৌলানাদের এখন বাকবাকুম অবস্থা। কোথায় কোন শাহীপুরি আর গোলামপুরি আর খেতাপুরি আছে তাদের খোজ খবর আলোচনা। এবার অওয়াজ কেমন হবে কার উপর কত চাঁন্দা গ্রামের কত ঘরে কত ধার্য হিন্দু দোকানদার পুলাগ কয়গুন বেশী ইত্যাদী ।
রহিমের গ্রামে প্রতিবারই আওয়াজের আয়োজন হয়। বিশাল প্রশস্ত মঞ্চ ঝালোর আর লাইটের আলোয় ঝাঝানো বিরাট পেন্ডেল চার গ্রাম পর্যন্ত মাইক। মঞ্চে এক সারি সোফা হুজুরে রাজাকার মহানে শয়তান তার উপর বসবেন। এই সোফা দরিদ্র রহিমের জীবনে একবারও দেখার সুযোগ হতো না, যদি না তার মত চাষাদের টাকায় এগুলো ভাড়া করে এনে হুজুরে রাজাকার মহানে শয়তানকে বসিয়ে এই আওয়াজের আয়োজন করা হোত ফি-বছর।
আর রহিমে বউ ? তার এই জৌলুস আর দেখা হইছে। তারে কালা, অমঙ্গলের, শয়তানের প্রতীক একটা বস্তায় তরকারী কলার মত ভরে এবং বস্তার মুখ বেঁধে পেন্ডেলের বাইরে বা রান্না ঘরে বা বাড়ির উঠানে ফেলে রাখা হয়েছে। এদিকে একটু পর পর হুজুরে রাজাকার মহানে শয়তানের " হে শয়তান হে নারী " এই সব বলে যখন বার বার চিৎকার বা ধমক দেয় তখন আত্মাটা কেঁপে উঠে।
অন্য কোন দিন, দূরে কোন গ্রামে বাউল গানের আসর। রহিম আর তার বউ গান শুনতে গেল। দুইটা হেজাক বাতি বা পাশের দোকান থেকে চেয়ে আনা দুইটা লাইট আর কোনমতে দুই তিনটা চকি দিয়া দাড় করানো একটা মঞ্চে দর্শকে টাইট করে ঘিরে রাখা বাউল দল। মঞ্চে একটু দাড়ানোরও জায়গা নাই যে ঢোলক ঢোলে একটু আরাম করে বাড়ি দেবে। খোলা চাঁদের আলোর নীচে হাজার হাজার চাষাভূষা। এরই মাঝে সারা রাত গান। মানুষের কথা, জীবনের কথা, ধর্মের কথা, মানবতার কথা, কত পরিচিত সব দৈনন্দিন কথা কত গান কত আপন।
এবারও শীত আসি আসি করছে। রহিম ভাবে কে কি কয় ? কে তার নিজের মানুষ ? সিদ্ধান্ত হলো যে এবছর থেকে হুজুরে রাজাকার মহানে শয়তানের আওয়াজ হবে না। সব বন্ধ।
আওয়াজের ধার্য টাকায় একই মঞ্চ হচ্ছে। বিশাল চার গ্রাম পর্যন্ত মাইক। ছাদ খোলা রঙিন কাপড়ের পেন্ডেল আর আলোর ছরাছরি। তবে এবারের অওয়াজে সোফা থাকবে না আর মঞ্চে নেই হুজুরে রাজাকার মহানে শয়তানগন। অওয়াজের মঞ্চে থাকছে বাউল দল, ঢোল হারমনিয়াম সারিন্দা আর এক তারা হাতে বাউল ফকির। সারা রাত বাউল মারাফত ভান্ডারী। "আগে কি সুন্দর দিন কাটাই তাম।" অনেক অনেক জীবন পর গ্রামের হিন্দু মুসলিম ছেলে বুড়া নর নারী সকলে একটা প্রশান্তির রাত কাটালো।
Replace the Centuries' Devils on the Stage হুজুরে রাজাকার মহানে শয়তানে by বাউল দল forever from this land.
একটি স্বপ্ন একটি মতবাদ একটি শ্লোগানঃ A Dedication.
সুমন আহমাদ স্বাধীন বলেছেন:
ইয়েস বস্
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















.jpg)






