![]() | আর এস এস ফিড |
পোস্ট আর্কাইভ
- জানুয়ারী,২০১৩(১)
- সেপ্টেম্বর,২০১২(৩)
- এপ্রিল,২০১২(১)
- নভেম্বর,২০১১(১)
- সেপ্টেম্বর,২০১১(৪)
- আগস্ট,২০১১(১২)
- জুলাই,২০১১(৬)
- এপ্রিল,২০১১(৯)
- মার্চ,২০১১(১৯)
- ফেব্রুয়ারী,২০১১(১০)
- জানুয়ারী,২০১১(২১)
- ডিসেম্বর,২০১০(১৭)
- আগস্ট,২০১০(১)
- জুলাই,২০১০(১)
আমার লিঙ্কস
আমার প্রিয় পোস্ট
- Baccano! - জাপানিজ এনিমে এর পাল্প ফিকশন - স্বাধীনতার বার্তা
- কয়েকটি বিখ্যাত বই (বিজ্ঞান বিষয়ক) - অযান্ত্রিক হৃদয়
- যৌনতা এবং এর পারিপার্শিক বিষয় নিয়ে নির্মিত ১৬৫০ টা মুভি। ১৮ + - দিপ
- বাংলা সাই ফাই চলচিত্র:::ক খ নো কি তৈরী হবে? - আজম
- 'Film Noir' কি ? ১৫০ এর বেশি 'Film Noir' মুভি

কোনটা দেখেছেন মিলিয়ে নিন।
কোনটা দেখেননি ডাউনলোড
দিন!!!! - দিপ
- জাতিসংঘে কিভাবে চাকরি পাবেন বা করবেন? মাসে ৫,০০০-১৫,০০০ ডলার বেতন! - ডিসকো বান্দর
- সপ্নের উপর নির্মিত সেরা চলচ্চিত্র। যেমন ইনশেপশন - দিপ
- অনুপ্রেরনা সৃষ্টিকারি অদ্ভুত সুন্দর কিছু সেরা মুভি - দিপ
- বিজ্ঞানের থিওরী এবং টাইম মেশিনের সম্ভাবনা এবং অন্যান্য (নাস্তিকদের অনেক প্রশ্নের উত্তর) - আকাশ_পাগলা
- Relaxing & Nature sounds - মে ঘ দূ ত
- কর্পোরেট বেনিয়ারা ভালো কিছুও করছে...এক্সক্লুসিভ রিমেক‘সমর্পন’ভালো লাগবে সবার আশা করি(উইথ ডাউনলোডলিংক) - অসামাজিক ০০৭০০৭
- যে পোস্ট গুলো পড়লে সামুর ফ্যান হয়ে যাবেন/আমার ব্লগ শেলফ/এপিক পোস্ট - িনদাল
- আমার ফোনবুকে থাকা গুরুত্বপূর্ণ নম্বরসমূহ: পর্ব-২ - পয়গম্বর
- আমার প্রিয় মুভি ডিরেক্টরস, তাদের অস্কারস ও নমিনেসন্স এবং উল্লেখযোগ্য মুভিগুলো (একটি আর্টart মুভি পাগলাদের পোস্ট)
- শাডনু েসন
- বিশ্বসেরা গিটারিস্টদের কথা, এবং তাদের দুর্দান্ত সব পারফরম্যান্সের ভিডিও!!

(মিউজিকপ্রেমীদের জন্যে অবশ্যপাঠ্য! 
) - অনিমেষ হৃদয়
- পরিবেশ বান্ধব চলচ্চিত্র - মুম রহমান
- বিশ্বাস ও অন্ধবিশ্বাস বিপজ্জনক, তা মস্তিষ্ককে অকেজো করে দেয়: ভগৎ সিং - শেখ রফিক
- ইউএসবি/পেন ড্রাইভ থেকে ইনস্টল করুন উইন্ডোজ সেভেন/ ভিস্তা - আকিল-
- GnR – নভেম্বর রেইন - আরাফাত৫২৯
- kim ki duk এর ১০টি চলচ্চিত্রের শুধুমাত্র ডাউনলোড_রাতভর ডাউনলোড চলুক - ""ফয়সল অভি ""
কিভাবে কিনবেন: একটি ভালো গ্রাফিক্স কার্ড।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৫৯ |
আপনি একজন গেমার। একেবারে হার্ডকোর সিরিয়াস গেমার, নিত্য-নতুন রিলিজ হওয়া গেমগুলো খেলতে না পারলে আপনার দিন চলে না। আপনার দরকার কমপক্ষে একটি কোর-টু-ডুয়ো পিসি। দুই গিগা র্যাম তো মাস্ট। বিশাল আকারের হার্ড-ড্রাইভ। বেশ ভালো একটা মনিটর। একটা খুব ভালো গ্রাফিক্সকার্ডও লাগবে আপনার। যাকে অনেক সময় G P U বা গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট বলা হয়।
আপনার পিসি ডিভাইস গুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ হতে পারে যদি আপনি হন একজন হার্ডকোর গেমার। প্রসেসর, র্যাম কিংবা হার্ড-ড্রাইভ একটু এদিক-ওদিক হলেও চলে, কিন্তু গেমিং হলে গ্রাফিক্স কার্ডই সব। আপনার গেমের থ্রিডি ডিসপ্লের প্রতিটি ফ্রেম রেন্ডার করা হয় গ্রাফিক্স কার্ডের নিজস্ব প্রসেসর দ্বারা। একটা ভালো গ্রাফিক্স কার্ড কেনাটা সহজ নয়। আসুন, কিছু সহজ তথ্য জেনে নেই যেগুলো আশা করা যায় আপনাকে ভালো কাড ©বাছাই করতে সাহায্য করবে।
মেমোরিই সব নয়... আপনার এমন একটি কার্ড অবশ্যই বাছাই করা উচিত যাতে মেমোরি তথা র্যাম আছে অনেক। আপনি বর্তমান বাজার অনুযায়ী ৫১২ মেগাবাইট অথবা ১ গিগাবাইট মেমোরি যুক্ত কার্ড কিনতে পারেন। তবে সবসমই মনে রাখবেন, মেমোরিই সব নয়। গ্রাফিক্স কার্ডের বাজারে এমন অনেক কার্ড পাবেন যাদের মেমোরি অনেক বেশি কিন্তু কাজের বেলায় ঠনঠনে। তবে বেশি মেমোরি সবসময়ই বাড়তি সুবিধা দিয়ে থাকে।
গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট... মেমোরি অবশ্যই অনেক গুরুত্বপুর্ণ বিষয়। তবে একটি গ্রাফিক্স কার্ডের হার্ট বলুন আর মস্তিস্ক বলুন, সবই হলো তার চিপ বা প্রসেসর। এটিই সবধরনের থ্রিডি গ্রাফিক্স রেন্ডার করে থাকে। বাজারে দুটি কোম্পানী আছে যারা এই চিপ গুলো বানাবার ক্ষেত্রে সবার চেয়ে এগিয়ে। ATI Radeon ও nVidia চিপ ম্যানুফ্যাকচারদের মধ্যে দানব স্বরুপ। কিন্তু আপনার প্রয়োজন মেটাবার জন্যে কেবল এটুকুই জানা যথেষ্ট নয় যে কার্ড ATI Radeon অথবা nVidia চিপ দিয়ে তৈরি। আপনাকে আরও কিছু জিনিস খেয়াল করতে হবে যেমন, GT, GS, GTX, XT, XTX ইত্যাদি। এই ইনিশিয়াল গুলো শুধুমাত্র অক্ষর নয় বরং তারা কার্ডের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এর ব্যপারে তথ্য প্রকাশ করে।
পাইপলাইন ও ক্লক-স্পীড... একটি গ্রাফিক্স কার্ড এর দক্ষতা কতটুকু হতে পারে তার একটা ধারণা আপনি পেতে পারেন এর ক্লক-স্পীড ও পাইপলাইন এর মাত্রা হিসেব করে। ব্যপারটা অনেকটা এভাবেও দেখা যায়, পারফন্মমেন্স যদি হয় একটা হাইওয়ে দিয়ে ঘন্টায় কতগুলো গাড়ি ক্রস করতে পারে তবে পাইপলাইন হবে সেই হাইওয়ের লেন। যতবেশি লেন বিশিষ্ট হাইওয়ে হবে, ততবেশি গাড়ি ঘন্টায় ওই রাস্তা দিয়ে যেতে পারবে। আর ক্লক-স্পীডের তুলনা করা যায় ওই রোডের জন্যে গাড়ির স্পীড-লিমিট দিয়ে। যতবেশি স্পীডে গাড়ি যেতে পারবে, ততবেশি পরিমান গাড়ি একক সময়ে রাস্তা ক্রস করতে পারবে। এখন, এই রাস্তা দিয়ে কতগুলো গাড়ি যেতে পারবে তা নির্ভর করবে লেন সংখ্যা ও স্পীড-লিমিট এর স্বমন্বয়ের উপরে। সেভাবেই, গ্রাফিক্স কার্ডের ক্ষেত্রেও এর পারফন্মমেন্স অনেকাংশেই নির্ভর করবে এর পাইপলাইন এর পরিমান ও কার্ডের চিপের ক্লক-স্পীডের উপর। তবে পাইপলাইন ও ক্লক-স্পীডের মাঝে তুলনা করতে গেলে দেখা যায় বেশি পাইপলাইন বিশিষ্ট কার্ডই বেশি ভালো ফলাফল দেয়। সাধারণত, প্রাথমিক লেভেলের কার্ডগুলো চারটি, মিড লেভেলের কার্ডগুলো আট থেকে বারো এবং হাই লেভেলের কার্ডগুলো ষোল বা তার থেকেও বেশি পাইপলাইন বিশিষ্ট হয়ে থাকে।
অপারেটিং সিস্টেম ও ডাইরেক্ট এক্স... গ্রাফিক্স কার্ডের পারফন্মমেন্স বেশ খানিকটা নির্ভর করে সেটা কোন প্লাটফর্মে চলছে তার উপর। আজকালকার হাই-ফাই কার্ডগুলো উইন্ডোজ সিস্টেমের মধ্যে সবচেয়ে ভালো কাজ করে ভিস্তা ও ডাইরেক্ট-এক্স ১০ সমৃদ্ধ মেশিনগুলোতে। ডাইরেক্ট-এক্স ১০ এর বিশেষ বৈশিষ্ট হলো এটি গ্রাফিক্স কার্ড ও সিস্টেম এর মধ্যে ডাটা ট্রান্সফার করে অত্যন্ত্য সাবলীল গতিতে। এছাড়াও আরও অনেক বিশেষ বিশেষ ফিচার আছে ডাইরেক্ট এক্স ১০ এর। সুতরাং কার্ড কিনবার সময় এটি ডাইরেক্ট এক্স ১০ সাপোর্টেড কিনা তা বুঝে নিন।
গ্রাফিক্স কার্ড কিনবার সবচেয়ে ভালো সময় বলে কিছু আছে? হ্যা। আপনি যদি একটু প্লান করে চলেন, তবে কম দামে তুলনামূলক ভালো কার্ড বাজার থেকে কিনতে পারবেন। কি সে প্ল্যান? এটা হলো সময়। ATI Radeon ও nVidia নিজেদের মাঝে প্রতিদ্বন্দিতা ও তাদের বাজার ধরে রাখার চেষ্টায় প্রতি ১২ থেকে ১৮ মাসের মাথায় একটি করে নতুন চিপ বাজারে নামায়। প্রতি চিপে আগেরটার তুলনায় বেশি ফিচার সাপোর্টেড। ফলাফল, নতুন চিপসহ কার্ডগুলো বাজারে আসা মাত্র পুরনোগুলোর দাম হুহু করে নেমে যায় অনেকখানি। ঠিক এই সময়টাতেই, নতুন রিলিজ হওয়া কার্ডগুলোর দিকে নজর না দিয়ে আপনি যদি তার আগের জেনারেশনের কার্ডগুলো ট্রাই করেন তবে লাভবান হবেন। বেশি দাম দিয়ে নতুন জেনারেশনের লো-এন্ড কার্ড না কিনে প্রায় সেই পরিমান টাকা খরচ করে আগের জেনারেশনের হাই-এন্ড কার্ড কেনাটা অনেক বেশি বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
পাওয়ার সাপ্লাই: আপনি কি প্রস্তুত?... বর্তমানের গ্রাফিক্স কার্ডগুলো অত্যন্ত বেশি পরিমানে পাওয়ার হাঙ্গরী হয়ে পড়েছে। এখনকার একটি হাই-এন্ড কার্ড সমপূর্ণ ক্ষমতায় চলবার সময় প্রায় ৬০ থেকে ৮০ ওয়াট পরিমান বিদ্যুৎ টানতে থাকে। উপযুক্ত পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট না থাকলে আপনার পিসি সম্ভবত র্স্টাটই হবে না। বাজারে বর্তমানে অত্যন্ত্য দামী কিছু পাওয়ার সাপ্লাই পাওয়া যাচ্ছে। এগুলো আপনার গ্রাফিক্স কার্ডেও ক্ষুধা মেটাতে পারবে। গ্রাফিক্স কার্ড কিনবার আগে বক্সের গায়ে এর পাওয়ার ফ্যাক্টরগুলো দেখে নিন। কার্ডগুলো সাধারণত ৪০০ ওয়াট এর পাওয়ার সাপ্লাই এ ভালো রান করে থাকে।
এসব ছাড়াও, আপনি আপনার নতুন কেনা গ্রাফিক্স কার্ডকে ভালো পরিবেশে রান করাতে পারবেন কিনা তা কিনবার আগেই চিন্তা করুন। ভালো কেসিং, ভালো কুলিং সিস্টেম ও ভালো পাওয়ার সাপ্লাই ভালো গ্রাফিক্স কার্ডের জন্যে খুবই দরকারী।
অনেক কিছু জানলেন। আরও অনেক কিছু জানবার আছে। বিভিন্ন স্থান থেকে আরও নতুন তথ্য জানবার চেষ্টা করুন। কাজে দেবে। আমারও ইচ্ছে থাকলো আপনাদের সামনে নতুন কোন তথ্য হাজির করার। কিনবার সময় অভিজ্ঞ কাউকে সাথে রাখাটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। শুভেচ্ছা থাকলো।
প্রকাশ করা হয়েছে: টেকি... বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৪৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বেঙ্গলেনসিস বলেছেন:
আমিও একজন হার্ডকোর গেমার ছিলাম, তারপর আমার মেশিন ধীরে ধীরে obsolete হয়ে গেলো, নতুন কেনার সামর্থ এখনো হয় নি। NFS carbon পর্যন্ত খেলতে পেরেছি।আমি যতদূর জানি গেমের জন্য ATI চিপ ভালো কাজ করে আর 3d modelling বা animation এর জন্য nvidia ই ভালো।
অনিমেষ হৃদয় বলেছেন:
4 সিরিজের গ্রাফিক্স কিনলাম, এই নিয়ে একটা পোস্টও দিলাম। Click This Link একটু ঘুরে আসুন তো ভাই, কেমন হয়েছে জানান কষ্ট করে। অনেকদিনের টাকা জমানোর ফসল!
ধূসরধ্রুব বলেছেন:
আমার এখনকার সবচেয়ে প্রয়োজনীয় জিনিসটাই পোস্ট করেছেন । ধন্যবাদ
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














আপনার মন্তব্য লিখতে লগইন করুন ।