আমার প্রিয় পোস্ট
- পুলিশ তুমি কার - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- যাদের কারনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়নি - বাঙাল যুবক
- "এক ক্লিকে দুই সার্চ ইঞ্জিন" Google and Yahoo! Search Result Side by Side - প্রচেত্য
- বাংলাদেশী ‘ডিয়াসপোরা’ ও জাতিসংঘে আমাদের পরিচয় উপস্থাপনা - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- ব্লগানাস্তিক ও ব্লগাসেক্যুলারদের চিনে নিন - আওরঙ্গজেব
- শিরোনামহীন - শাওন
- বাংলা টাইপ করুন সফটওয়্যার ছাড়াই - মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা)
- ঋনগ্রস্তের অর্থহীন প্রলাপ - সন্ধ্যাবাতি
- টু বি অর নট টু বি - এই আমি মীরা
- রাজাকার-বিরোধী নীতিবান রাজনৈতিক নেতৃত্বের তালিকা - মদন
- [রং=#ই22222]জেনে নিন [সাইজ=4]নতুন[/সাইজ] ফিচার: অপেক্ষা করুন টেস্ট শেষ হবার[/রং] - এস এম মাহবুব মুর্শেদ
- ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড যেভাবে করবেন - শাওন
- ফ্রান্সে মুসলিম সমপ্রদায় - ওয়ালী
- প্রসংগ: ইসলামিক রাষ্ট্র - ২ - আস্তমেয়ে
- কিভাবে পোস্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করবেন? - হাসিন
- বাবা নেই , নেই আজ , আজ যেন বড় নিঃস্ব - পথিক!!!!!!!
- let the sun shine again - blow away the dark corners - we can all contribute - আরিল
আমরা কি ই-কমার্স এর জন্য তৈরী?
২০ শে জুন, ২০০৭ দুপুর ১২:৫১
[এসাইনমেন্ট করতে হবে , তাই হেল্প চাই]
ই-কমার্স তথা ইলেক্ট্রনিক্স কমার্স এর জোয়ার চলছে দেশে দেশে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ কি প্রস্তুত ই-কমার্স এর জন্য?
ই-কমার্স থ্রী টায়ারে কাজ করে । প্রথমে ক্লাইন্ট অংশে থাকে এইচটিএমএল অথবা জাভা স্ক্রীপ্ট । আর সার্ভার সাইডের সার্ভিস সিস্টেমএ থাকে পিএইচপি আর ব্যাক ইন্ড সিস্টেমে থাকে মাইস্কুয়েল।
বাংলাদেশে সাইবার ল্ এর কার্যকারিতা নাই। ই-কমার্স বাংলাদেশে নিরাপদ নয়। বাংলাদেশের ইনফ্রাস্ট্রাকচারও তেমন শক্তিশালী নয়।
বর্তমানে এটিএম কার্ড আর অনলাইন ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ই-কমার্স চলছে। এগুলো কি নিরাপদ?
ইত্যাদি,ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় আসতে পারে এখানে। পারলে একটু সহায়তা করুন। প্লীজ।
২. ২০ শে জুন, ২০০৭ বিকাল ৪:১০
মেন্টাল বলেছেন:
ওনলাইন ট্রান্সএ্যাকশন চালু করা না গেলে ই-কমার্স সাইট সফল হবার কোন কারণ নাই। বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো অন্যান্য দেশের ব্যাংক হতে অনেক পিছিয়ে। পেপালের দরকার নাই, দেশের ব্যাংকগুলো নিজেরাই একটা কনসোর্টিয়াম করে ওনলাইন ট্রান্সএ্যাকশনের কাজটা করতে পারে। তাছাড়া একটা দেশের ইন্টারনেট ইনফ্রাস্ট্রাকচার এতো পিছিয়ে থাকলে সে দেশে কিভাবে ওনলাইন বিজনেস সফল হতে পারে?
মেন্টাল বলেছেন:
ওনলাইন ট্রান্সএ্যাকশন চালু করা না গেলে ই-কমার্স সাইট সফল হবার কোন কারণ নাই। বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো অন্যান্য দেশের ব্যাংক হতে অনেক পিছিয়ে। পেপালের দরকার নাই, দেশের ব্যাংকগুলো নিজেরাই একটা কনসোর্টিয়াম করে ওনলাইন ট্রান্সএ্যাকশনের কাজটা করতে পারে। তাছাড়া একটা দেশের ইন্টারনেট ইনফ্রাস্ট্রাকচার এতো পিছিয়ে থাকলে সে দেশে কিভাবে ওনলাইন বিজনেস সফল হতে পারে?
৩. ২০ শে জুন, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৮
পাশা বলেছেন:
মদন ও মেন্টাল ভাই,
আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।
কি কি করলে আমরা ই-কমার্স এর সুফল দ্রুত পেতে পারি?
Key Drivers of E-commerce are-
The DIGITAL phenomenon:
1.Data Networks;
2.Intense Competition;
3.Globalisation;
4.Information Age;
5.Technologies;
6.Automation;
7.Low cost high quality products/services
এগুলোর আলোকে বললে উপকৃত হতাম।
পাশা বলেছেন:
মদন ও মেন্টাল ভাই,আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।
কি কি করলে আমরা ই-কমার্স এর সুফল দ্রুত পেতে পারি?
Key Drivers of E-commerce are-
The DIGITAL phenomenon:
1.Data Networks;
2.Intense Competition;
3.Globalisation;
4.Information Age;
5.Technologies;
6.Automation;
7.Low cost high quality products/services
এগুলোর আলোকে বললে উপকৃত হতাম।
৪. ২০ শে জুন, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৫
পাশা বলেছেন:
আরো কয়েকটি প্রশ্ন -
১)বাংলাদেশে অনলাইনে টিকেট বুকিং এর ব্যবস্থা আছে কিনা?
২) বাংলাদেশে ই-কমার্স এর মাধ্যমে ব্যবসায়িক আদান প্রদান করতে সমস্যা কোথায়?
পাশা বলেছেন:
আরো কয়েকটি প্রশ্ন - ১)বাংলাদেশে অনলাইনে টিকেট বুকিং এর ব্যবস্থা আছে কিনা?
২) বাংলাদেশে ই-কমার্স এর মাধ্যমে ব্যবসায়িক আদান প্রদান করতে সমস্যা কোথায়?
৫. ২০ শে জুন, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৮
ফরিদ বলেছেন:
ধন্যবাদ মদনকে বিস্তারিত লেখার জন্য। অনলাইনে বানিজ্যের জন্য আমাদের মূল বিপত্তি মূল্য পরিশোধ। সাধারণত বিজনেস টু বিজনেস না হলে, অনলাইন কমার্সের সাইটগুলো হয়, সাধারণ রাস্তার দোকানের রিপ্লেসমেন্ট। যেখানে আপনি পছন্দমত জিনিষ দেখে অর্ডার করবেন।
এখানে দোকান তৈরি আর সাজানোর মত টেকনিকাল জ্ঞান আর দক্ষতা আমাদের দেশের আইটিবিদদের অনেক আগে থেকেই আছে। তাই কিছু ই-কমার্স সাইট অলরেডী আমাদের আছে।
কিন্তু মূল সমস্যা যেটা সবসময়েই আমাদের আটাকে ফেলে, সেটা হল মূল্য পরিশোধ। আমাদের দেশে এখনো কোন সিস্টেম নাই যাতে করে আপনি অনলাইনে আড়ং থেকে একটা ফতুয়া কিনলে সরাসরি আপনার জনতা ব্যাঙ্কের একাউন্ট থেকে আড়ং এর একাউন্টে ২০০ টাকা ট্রান্সফার করে দেবে।
ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার এখনো অনুমতি পায়নি ফলে আমার বই-মেলা ডট কমের মত অনেক ওয়েবসাইটকেই বিদেশের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
ফরিদ বলেছেন:
ধন্যবাদ মদনকে বিস্তারিত লেখার জন্য। অনলাইনে বানিজ্যের জন্য আমাদের মূল বিপত্তি মূল্য পরিশোধ। সাধারণত বিজনেস টু বিজনেস না হলে, অনলাইন কমার্সের সাইটগুলো হয়, সাধারণ রাস্তার দোকানের রিপ্লেসমেন্ট। যেখানে আপনি পছন্দমত জিনিষ দেখে অর্ডার করবেন। এখানে দোকান তৈরি আর সাজানোর মত টেকনিকাল জ্ঞান আর দক্ষতা আমাদের দেশের আইটিবিদদের অনেক আগে থেকেই আছে। তাই কিছু ই-কমার্স সাইট অলরেডী আমাদের আছে।
কিন্তু মূল সমস্যা যেটা সবসময়েই আমাদের আটাকে ফেলে, সেটা হল মূল্য পরিশোধ। আমাদের দেশে এখনো কোন সিস্টেম নাই যাতে করে আপনি অনলাইনে আড়ং থেকে একটা ফতুয়া কিনলে সরাসরি আপনার জনতা ব্যাঙ্কের একাউন্ট থেকে আড়ং এর একাউন্টে ২০০ টাকা ট্রান্সফার করে দেবে।
ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার এখনো অনুমতি পায়নি ফলে আমার বই-মেলা ডট কমের মত অনেক ওয়েবসাইটকেই বিদেশের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
৬. ২০ শে জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:০৭
পাশা বলেছেন:
ধন্যবাদ ফরিদ ভাই।
পাশা বলেছেন:
ধন্যবাদ ফরিদ ভাই।
৭. ২০ শে জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:১৮
মদন বলেছেন:
বাংলাদেশে আইনী বাধ্যবাধকতা কম। তাই ক্রেডিটকার্ড জালিয়াতি খুব সহজেই করা যায়। পৃথিবীর কত দেশ থেকে পে-প্যাল একাউন্ট করা যায় আর বাংলাদেশ থেকে করা যায়না। এটা দু:খজনক।
http://www.2co.com এ আপনি ইকমার্সের জন্য রেজি: করতে ৫০ ডলারের মতো খরচ হয় এবং বাংলাদেশ থেকেই রেজি: করা যায়। তারা ইকমার্সের জন্য ফ্রি ওয়েব সাইট দিয়ে দেয়।
http://www.2co.com এর একাউন্ট থেকে ডলার সহজে দেশে আনা যায় কিনা আমার জানা নাই। তবে মোটামুটি সবাই পে-প্যালেই বেশি কমফোর্ট ফীল করে। আর এখান থেকে সহজে টাকা দেশে আনা যায়।
পন্যের গুনগম মান, দাম এবং সার্ভিস ঠিক রাখলে বাংলাদেশেও ই-কমার্স সম্ভব। তবে ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকতে হবে।
মদন বলেছেন:
বাংলাদেশে আইনী বাধ্যবাধকতা কম। তাই ক্রেডিটকার্ড জালিয়াতি খুব সহজেই করা যায়। পৃথিবীর কত দেশ থেকে পে-প্যাল একাউন্ট করা যায় আর বাংলাদেশ থেকে করা যায়না। এটা দু:খজনক। http://www.2co.com এ আপনি ইকমার্সের জন্য রেজি: করতে ৫০ ডলারের মতো খরচ হয় এবং বাংলাদেশ থেকেই রেজি: করা যায়। তারা ইকমার্সের জন্য ফ্রি ওয়েব সাইট দিয়ে দেয়।
http://www.2co.com এর একাউন্ট থেকে ডলার সহজে দেশে আনা যায় কিনা আমার জানা নাই। তবে মোটামুটি সবাই পে-প্যালেই বেশি কমফোর্ট ফীল করে। আর এখান থেকে সহজে টাকা দেশে আনা যায়।
পন্যের গুনগম মান, দাম এবং সার্ভিস ঠিক রাখলে বাংলাদেশেও ই-কমার্স সম্ভব। তবে ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকতে হবে।
৮. ২০ শে জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:২৪
মদন বলেছেন:
ই-কমার্সের পুরো প্রসেসটাই অটোমেটেড। তবে আমাদের দেশে এখনও ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজে অটোমেটেড করা হয়নি। যেমন ধরুন- ফরিদ ভাই এর বই-মেলা তে কেউ একটি সেবাপ্রকাশনী এর একটি বই অর্ডার দিল। এটার একটি অর্ডার কপি ফরিদ ভাই পাবেন আরেকটি পাবে সেবা প্রকাশনী। তখন সেবা প্রকাশনী সেই পন্য ফরিদভাইকে পৌছে দিবে বা চুক্তিতে যা থাকবে তা করবে। ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়লে আমা করা যায় এ সমস্যার সমাধান হবে।
মদন বলেছেন:
ই-কমার্সের পুরো প্রসেসটাই অটোমেটেড। তবে আমাদের দেশে এখনও ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজে অটোমেটেড করা হয়নি। যেমন ধরুন- ফরিদ ভাই এর বই-মেলা তে কেউ একটি সেবাপ্রকাশনী এর একটি বই অর্ডার দিল। এটার একটি অর্ডার কপি ফরিদ ভাই পাবেন আরেকটি পাবে সেবা প্রকাশনী। তখন সেবা প্রকাশনী সেই পন্য ফরিদভাইকে পৌছে দিবে বা চুক্তিতে যা থাকবে তা করবে। ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়লে আমা করা যায় এ সমস্যার সমাধান হবে।
৯. ২০ শে জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:২৮
মদন বলেছেন:
বাংলাদেশী ইকমার্সের ক্ষেত্রে লো-কষ্ট প্রযোজ্য হবে না। প্রতিটি ই-কমার্স অনেক দামে পন্য বিক্রি করে। তবে সার্ভিস এবং পন্যের গুনগত মান মনে হয় ভাল।
মদন বলেছেন:
বাংলাদেশী ইকমার্সের ক্ষেত্রে লো-কষ্ট প্রযোজ্য হবে না। প্রতিটি ই-কমার্স অনেক দামে পন্য বিক্রি করে। তবে সার্ভিস এবং পন্যের গুনগত মান মনে হয় ভাল।
১০. ২০ শে জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:৩১
মদন বলেছেন:
এখন যুগটাই গ্লোবালাইজেশনের। আর ই-কমার্সের মুল কনসেপ্টতো এখানেই।
কিন্তু আমাদের বাংলাদেশী ই-কমার্সের খুব কমই গ্লোবালাইজড। তাদের মুল বিজনেস বাংলাদেশের মধেই সীমাবদ্ধ এমনকি অনেকে আছে যারা শুধু ঢাকাতেই সার্ভিস দেয়।
মদন বলেছেন:
এখন যুগটাই গ্লোবালাইজেশনের। আর ই-কমার্সের মুল কনসেপ্টতো এখানেই। কিন্তু আমাদের বাংলাদেশী ই-কমার্সের খুব কমই গ্লোবালাইজড। তাদের মুল বিজনেস বাংলাদেশের মধেই সীমাবদ্ধ এমনকি অনেকে আছে যারা শুধু ঢাকাতেই সার্ভিস দেয়।
১১. ২০ শে জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৭
মদন বলেছেন:
টেকনোলজীর ক্ষেত্রে বলতে গেলে আমাদের সীমাবদ্ধতার কথা বলতেই হয়। অধিকাংশ ইকমার্স সাইট বিদেশী ডেভেলপারদের করা। প্যাকেজ কেনা। দেশে তেমন মান সম্পন্ন কোন ই-কমার্স নেই যেটাকে আন্তর্জাতিক মানের বলা যেতে পারে এবং যেটা দেশীয় প্রোগ্রামারদের করা।
আবার আমাদের নেট এর যে স্পীড... এমনিতেই ভোগান্তির শেষ নেই। আমরা টেকনলোজীতে অভ্যস্ত না হবার কারনে ইকমার্সে কিছু কেনার থেকে বাজারে গিয়ে কিনে আনতে বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করি। বাজারও করা হলো আবার ঘুরাঘুরিও করা হলো।
মদন বলেছেন:
টেকনোলজীর ক্ষেত্রে বলতে গেলে আমাদের সীমাবদ্ধতার কথা বলতেই হয়। অধিকাংশ ইকমার্স সাইট বিদেশী ডেভেলপারদের করা। প্যাকেজ কেনা। দেশে তেমন মান সম্পন্ন কোন ই-কমার্স নেই যেটাকে আন্তর্জাতিক মানের বলা যেতে পারে এবং যেটা দেশীয় প্রোগ্রামারদের করা।আবার আমাদের নেট এর যে স্পীড... এমনিতেই ভোগান্তির শেষ নেই। আমরা টেকনলোজীতে অভ্যস্ত না হবার কারনে ইকমার্সে কিছু কেনার থেকে বাজারে গিয়ে কিনে আনতে বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করি। বাজারও করা হলো আবার ঘুরাঘুরিও করা হলো।
১২. ২০ শে জুন, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৫
মদন বলেছেন:
একটু বেশি বকতাছি বোধ হয়।
ফরিদ ভাই এই লাইনে বস। পাশা ভাই আপনি ফরিদ ভাইরে ধরেন। উনি নাড়ি নক্ষত্র বলে দিবে।
মদন বলেছেন:
একটু বেশি বকতাছি বোধ হয়। ফরিদ ভাই এই লাইনে বস। পাশা ভাই আপনি ফরিদ ভাইরে ধরেন। উনি নাড়ি নক্ষত্র বলে দিবে।
১৩. ২০ শে জুন, ২০০৭ রাত ৮:৪১
১৪. ২০ শে জুন, ২০০৭ রাত ৮:৪৪
১৫. ২০ শে জুন, ২০০৭ রাত ৯:০৮
ফরিদ বলেছেন:
১। নেটওয়ার্কের অবস্থা যে সুবিধার না, সেইটা বলার দরকার নাই। এখনো আমরা এক দুই কিলো নিয়া মারামারি করিঃ(
২। এই লাইনে সিরিয়াস বলতে গেলে তেমন কোন প্রতিষ্ঠানই নাই। আমাদের জনসংখ্যার তুলনায়। তাই কম্পিটিশনের তেমন প্রশ্ন নাই।
৩। পেমেন্টের ঝামেলার জন্য আমরা নিজেরাই নিজেদের সার্ভিস তেমন কিছু দিতে পারি না, আর বিদেশীরা আর কি দিবে (কমার্সের ক্ষেত্রে)। তাই এখন পর্যন্ত আমার সাইট আমাজন ডট কমরে ডরায় না।
৪। বুঝি নাই
৫। টেকনলজী তেমন বড় সমস্যা না। আর অনেক কাজ করার জন্যই এখন ওয়েব থেকে ফ্রী বা ওপেন সোর্স টুল পাওয়া যায়।
৬। টেকনলজীর ভিতরেই পড়ে মনে হয়।
৭। আমাদের পুরো কমার্স থেকেই টাকা পয়সার অংশটা নাই। তাই এটারে কেমনে বিশ্লেষণ করব শিওর না। তবে এখনো বিজনেসের স্পেকট্রাম মূলত দেশ টু বিদেশ অথবা বিদেশ টু দেশ চলছে। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই দাম ট্রাডিশনাল মার্কেটের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না।
পয়েন্টগুলোতে আমার ভিউ সম্পর্কে হিন্ট দিলাম। বাকিটা নিজেই ভাব সম্প্রসারণ করেন।
ফরিদ বলেছেন:
১। নেটওয়ার্কের অবস্থা যে সুবিধার না, সেইটা বলার দরকার নাই। এখনো আমরা এক দুই কিলো নিয়া মারামারি করিঃ(২। এই লাইনে সিরিয়াস বলতে গেলে তেমন কোন প্রতিষ্ঠানই নাই। আমাদের জনসংখ্যার তুলনায়। তাই কম্পিটিশনের তেমন প্রশ্ন নাই।
৩। পেমেন্টের ঝামেলার জন্য আমরা নিজেরাই নিজেদের সার্ভিস তেমন কিছু দিতে পারি না, আর বিদেশীরা আর কি দিবে (কমার্সের ক্ষেত্রে)। তাই এখন পর্যন্ত আমার সাইট আমাজন ডট কমরে ডরায় না।
৪। বুঝি নাই
৫। টেকনলজী তেমন বড় সমস্যা না। আর অনেক কাজ করার জন্যই এখন ওয়েব থেকে ফ্রী বা ওপেন সোর্স টুল পাওয়া যায়।
৬। টেকনলজীর ভিতরেই পড়ে মনে হয়।
৭। আমাদের পুরো কমার্স থেকেই টাকা পয়সার অংশটা নাই। তাই এটারে কেমনে বিশ্লেষণ করব শিওর না। তবে এখনো বিজনেসের স্পেকট্রাম মূলত দেশ টু বিদেশ অথবা বিদেশ টু দেশ চলছে। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই দাম ট্রাডিশনাল মার্কেটের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না।
পয়েন্টগুলোতে আমার ভিউ সম্পর্কে হিন্ট দিলাম। বাকিটা নিজেই ভাব সম্প্রসারণ করেন।
১৬. ২১ শে জুন, ২০০৭ রাত ১২:০৭
পাশা বলেছেন:
ধন্যবাদ, ফরিদ ভাই এতেই চলবে।
পাশা বলেছেন:
ধন্যবাদ, ফরিদ ভাই এতেই চলবে।
১৭. ২১ শে জুন, ২০০৭ সকাল ১১:৫৫
ফজলে এলাহি বলেছেন:
ভালো পোষ্ট সাফল্য কামনা করছি।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
ভালো পোষ্ট সাফল্য কামনা করছি।
১৮. ২১ শে জুন, ২০০৭ দুপুর ১২:২০
মদন বলেছেন:
৭ নং পয়ন্ট নিয়ে আমি আরেকটু বলার লোভ সামলাইতে পারলাম না 
ই-কমার্সের বড় সুবিধা হলো তার কোন শোরুম লাগছে না। স্টোর রুম লাগছেনা। পন্য নষ্ট হবার ভয় নাই। সহ ইত্যাদি অনেক সুবিধা। ফলে সাধারন বাজারের থেকে পন্যের মুল্য অনেক কম হবার কথা..
কিন্তু.
যদি বাংলাদেশী ইকমার্সগুলো ভিজিট করার সুযোগ হয় তাহলে দেখবেন সেখানে পন্যের মুল্য ৭০%-৫০০% পর্যন্ত বেশি। ফলে দেশের মধ্যে তাদের কোন ক্রেতা পাবার সম্ভবনা শুন্যের কাছাকাছি। বাইরের থেকে ক্রেতা পাচ্ছে এর বড় কারন হলো সেসব ক্রেতাদের অন্য কোন উপায় নাই। বাইরে থেকে কাউকে উপহার পাঠাতে হলে কোন লোকের সাহায্য নিতে হবে যিনি বিদেশ থেকে দেশে আসছেন। অথবা টাকা পাঠাতে হবে। উপহারের পরিবর্তে টাকা পাঠানো দৃষ্টিকটু। আবার নির্দিষ্ট দিন যেমন জনম্দিন,বিবাহ-বার্ষিকী ইত্যাদিতে উপহার পাঠাতে হলে বিদেশ ফেরত লোক পাবেন কোথায়? কাজেই বাধ্য হয়েই কিনতে হয়।
পন্যের মুল্য বেশি রাখতে দেশী ই-কমার্সগুলোও অনেকটা বাধ্য থাকে। অর্ডারের পরিমান কম বিধায় তারা কোন পন্য ষ্টক করে না। ফলে একটি অর্ডার আসলে সে পন্য বাজার থেকে কিনে প্রাপকের বাসাতে পৌছে দিতে বেশ সময় এবং খরচের সম্মুখিন হতে হয়। এছাড়াও পে-প্যাল বা অন্য মাধ্যম থেকে দেশে ডলার আনার সময় ব্যাংক টাকা কেটে রাখে। প্রতি অর্ডারে পে-প্যাল তার চার্জ বাবদ টাকা কেটে রাখে। ফলে বাজারে যে পন্যের মুল্য ১০০ টাকা তা বাজার থেকে ১০০ টাকা দিয়ে কিনে প্রাপকের বাসায় পৌছে দিতে অন্তত আরো ৩০ টাকা খরচ হয়। ফলে পন্যর মুল্য ১৩০ হয়ে গেল এর সাথে লাভের অংশ যোগ করুন।
মদন বলেছেন:
৭ নং পয়ন্ট নিয়ে আমি আরেকটু বলার লোভ সামলাইতে পারলাম না ই-কমার্সের বড় সুবিধা হলো তার কোন শোরুম লাগছে না। স্টোর রুম লাগছেনা। পন্য নষ্ট হবার ভয় নাই। সহ ইত্যাদি অনেক সুবিধা। ফলে সাধারন বাজারের থেকে পন্যের মুল্য অনেক কম হবার কথা..
কিন্তু.
যদি বাংলাদেশী ইকমার্সগুলো ভিজিট করার সুযোগ হয় তাহলে দেখবেন সেখানে পন্যের মুল্য ৭০%-৫০০% পর্যন্ত বেশি। ফলে দেশের মধ্যে তাদের কোন ক্রেতা পাবার সম্ভবনা শুন্যের কাছাকাছি। বাইরের থেকে ক্রেতা পাচ্ছে এর বড় কারন হলো সেসব ক্রেতাদের অন্য কোন উপায় নাই। বাইরে থেকে কাউকে উপহার পাঠাতে হলে কোন লোকের সাহায্য নিতে হবে যিনি বিদেশ থেকে দেশে আসছেন। অথবা টাকা পাঠাতে হবে। উপহারের পরিবর্তে টাকা পাঠানো দৃষ্টিকটু। আবার নির্দিষ্ট দিন যেমন জনম্দিন,বিবাহ-বার্ষিকী ইত্যাদিতে উপহার পাঠাতে হলে বিদেশ ফেরত লোক পাবেন কোথায়? কাজেই বাধ্য হয়েই কিনতে হয়।
পন্যের মুল্য বেশি রাখতে দেশী ই-কমার্সগুলোও অনেকটা বাধ্য থাকে। অর্ডারের পরিমান কম বিধায় তারা কোন পন্য ষ্টক করে না। ফলে একটি অর্ডার আসলে সে পন্য বাজার থেকে কিনে প্রাপকের বাসাতে পৌছে দিতে বেশ সময় এবং খরচের সম্মুখিন হতে হয়। এছাড়াও পে-প্যাল বা অন্য মাধ্যম থেকে দেশে ডলার আনার সময় ব্যাংক টাকা কেটে রাখে। প্রতি অর্ডারে পে-প্যাল তার চার্জ বাবদ টাকা কেটে রাখে। ফলে বাজারে যে পন্যের মুল্য ১০০ টাকা তা বাজার থেকে ১০০ টাকা দিয়ে কিনে প্রাপকের বাসায় পৌছে দিতে অন্তত আরো ৩০ টাকা খরচ হয়। ফলে পন্যর মুল্য ১৩০ হয়ে গেল এর সাথে লাভের অংশ যোগ করুন।
১৯. ২১ শে জুন, ২০০৭ দুপুর ১২:২৪
দেশী ক্যাঙ্গারু বলেছেন:
জটিল হইছে @ মদন ভাই। ডিস্টিংশন হইবে পাশা ভাইয়ের সন্দেহ নাই। পাশা ভাই, রেজাল্ট জানাইতে ভুলবেন না!
দেশী ক্যাঙ্গারু বলেছেন:
জটিল হইছে @ মদন ভাই। ডিস্টিংশন হইবে পাশা ভাইয়ের সন্দেহ নাই। পাশা ভাই, রেজাল্ট জানাইতে ভুলবেন না!
২০. ২১ শে জুন, ২০০৭ দুপুর ১২:৫২
মদন বলেছেন:
সাধারন মানের ই-কমার্স সাইট চালু করতে এবং এর ম্যানেজম্যান্টের খরচ খুবই কম।
যেমন একটি ভাল সাইট বানাতে আপনি সোর্সকোড সহ কিনতে পারেন ৩০০-৪০০ ডলারে। আর তা যদি না চান তাহলে http://www.2co.com এ একাউন্ট খুলতে লাগবে ৫০ ডলারের মতো আর সাথে পাবেন অনেক গুলো ফ্রি স্ক্রীপ্ট। একটি কম্পিউটার সাথে ইন্টারনেট, প্রিন্টার, ডিজিটাল ক্যামেরা, স্ক্যানার, পন্য কেনা এবং পৌছানোর জন্য ১/২ জন লোক। বাংলাদেশের ইকমার্স মার্কেটে ঢোকা এবং বের হওয়া দুটোই সহজ। ফলে দেখা যায় প্রতি মাসে অন্তত একটি ই-কমার্স চালু হয়।
টিকে থাকতে হলে পন্যের মান, সাভিস ইত্যাদি ধরে রাখাই হলো বড় চ্যালেঞ্জ।
মদন বলেছেন:
সাধারন মানের ই-কমার্স সাইট চালু করতে এবং এর ম্যানেজম্যান্টের খরচ খুবই কম। যেমন একটি ভাল সাইট বানাতে আপনি সোর্সকোড সহ কিনতে পারেন ৩০০-৪০০ ডলারে। আর তা যদি না চান তাহলে http://www.2co.com এ একাউন্ট খুলতে লাগবে ৫০ ডলারের মতো আর সাথে পাবেন অনেক গুলো ফ্রি স্ক্রীপ্ট। একটি কম্পিউটার সাথে ইন্টারনেট, প্রিন্টার, ডিজিটাল ক্যামেরা, স্ক্যানার, পন্য কেনা এবং পৌছানোর জন্য ১/২ জন লোক। বাংলাদেশের ইকমার্স মার্কেটে ঢোকা এবং বের হওয়া দুটোই সহজ। ফলে দেখা যায় প্রতি মাসে অন্তত একটি ই-কমার্স চালু হয়।
টিকে থাকতে হলে পন্যের মান, সাভিস ইত্যাদি ধরে রাখাই হলো বড় চ্যালেঞ্জ।
২১. ২১ শে জুন, ২০০৭ রাত ৯:২৬
পাশা বলেছেন:
মদন ভাই, অনেক অনেক ধন্যবাদ।
পাশা বলেছেন:
মদন ভাই, অনেক অনেক ধন্যবাদ।
২২. ২১ শে জুন, ২০০৭ রাত ১০:৩৪
২৩. ২২ শে জুন, ২০০৭ সকাল ৮:০২
পাশা বলেছেন:
মদন ভাই, বেশি লেখেন নাই, আপনি ঠিক লেখছেন।
আপনার সম্বন্ধে আমার বোনের একটা মন্তব্য বলি।
- মদন লোকটা আসলে মদন না। অনেক জানে দেখছি।
আর অনেক হেল্পফুল।
পাশা বলেছেন:
মদন ভাই, বেশি লেখেন নাই, আপনি ঠিক লেখছেন।আপনার সম্বন্ধে আমার বোনের একটা মন্তব্য বলি।
- মদন লোকটা আসলে মদন না। অনেক জানে দেখছি।
আর অনেক হেল্পফুল।

২৪. ২২ শে জুন, ২০০৭ সকাল ৯:০১
মদন বলেছেন:
প্রশংসায় খুশি কে না হয়
তাই আরেকটু লেখলাম। বাংলাদেশের ই-কমার্সগুলোর তালিকা দিলাম। সব নাম নাও থাকতে পারে আবার সবগুলো এখন চালু নাও থাকতে পারে। সময় পেলে এগুলো দেখে নিবেন। এসাইনমেন্টের পাতা বাড়াতে কাজে দিবে 
http://www.joybangladesh.com
http://www.banglaclick.com
http://www.poshora.com
http://www.chhobibd.com
http://www.bivob.com
http://www.arfionlineshop.com
http://www.arfitel.com
http://www.inteleshop.com
http://www.bdgiftzone.com
http://www.deshimemory.com
http://www.gronthamela.com
http://www.duurbin.com
http://www.amadervideo.com
http://www.forever-florist-bangladesh.com
http://www.arfigift.com
http://www.flowersgiftsbangladesh.com
http://www.bangladeshgiftcentre.com
http://www.bazarhut.com
http://www.giftbd.com
http://soundtekltd.com
http://www.shoppingdhaka.com
http://www.banglarsharee.com
http://www.prio-upohar.com
http://www.giftzhaat.com
http://www.utshob.com
http://www.beekree.biz
http://www.upoharbd.com
http://www.banglarhat.com
http://www.clickbd.com
http://www.banglabazaar.com
http://www.sheradam.com
http://www.munshigi.com
http://www.shop4desi.com
http://www.hutbazar.com
http://www.ancbooks.com
http://www.boibazaar.com
http://www.baticrom.com
http://www.progga.uni.cc
http://www.number1shop.com
http://www.ruposhibangla.com
http://www.flowersgiftsdhaka.com
http://www.bengalcommerce.com
http://www.it-bazaar.com
http://www.meenabazar-bd.com
http://www.globaleshopping.com
http://www.bangladeshigift.com
http://www.gift4bd.com
http://www.tazabazar.com
http://www.dinrat.com
http://www.giftmela.com
http://www.dokandar.com
http://www.cybergift.us
http://www.dhakasharee.com
http://www.deshigreetings.com
http://www.hvbebazaar.com
মদন বলেছেন:
প্রশংসায় খুশি কে না হয়
তাই আরেকটু লেখলাম। বাংলাদেশের ই-কমার্সগুলোর তালিকা দিলাম। সব নাম নাও থাকতে পারে আবার সবগুলো এখন চালু নাও থাকতে পারে। সময় পেলে এগুলো দেখে নিবেন। এসাইনমেন্টের পাতা বাড়াতে কাজে দিবে 
http://www.joybangladesh.com
http://www.banglaclick.com
http://www.poshora.com
http://www.chhobibd.com
http://www.bivob.com
http://www.arfionlineshop.com
http://www.arfitel.com
http://www.inteleshop.com
http://www.bdgiftzone.com
http://www.deshimemory.com
http://www.gronthamela.com
http://www.duurbin.com
http://www.amadervideo.com
http://www.forever-florist-bangladesh.com
http://www.arfigift.com
http://www.flowersgiftsbangladesh.com
http://www.bangladeshgiftcentre.com
http://www.bazarhut.com
http://www.giftbd.com
http://soundtekltd.com
http://www.shoppingdhaka.com
http://www.banglarsharee.com
http://www.prio-upohar.com
http://www.giftzhaat.com
http://www.utshob.com
http://www.beekree.biz
http://www.upoharbd.com
http://www.banglarhat.com
http://www.clickbd.com
http://www.banglabazaar.com
http://www.sheradam.com
http://www.munshigi.com
http://www.shop4desi.com
http://www.hutbazar.com
http://www.ancbooks.com
http://www.boibazaar.com
http://www.baticrom.com
http://www.progga.uni.cc
http://www.number1shop.com
http://www.ruposhibangla.com
http://www.flowersgiftsdhaka.com
http://www.bengalcommerce.com
http://www.it-bazaar.com
http://www.meenabazar-bd.com
http://www.globaleshopping.com
http://www.bangladeshigift.com
http://www.gift4bd.com
http://www.tazabazar.com
http://www.dinrat.com
http://www.giftmela.com
http://www.dokandar.com
http://www.cybergift.us
http://www.dhakasharee.com
http://www.deshigreetings.com
http://www.hvbebazaar.com
২৫. ২২ শে জুন, ২০০৭ সকাল ১১:২৯
পাশা বলেছেন:
এসাইনমেন্টটার একটা কপি [ইংলিশ]!@@!993236 [/ইংলিশ]রাখলাম।এখনও জমা দেই নি কালকে দিব। কোন ভুল আছে কিনা জানালে খুশি হব।
পাশা বলেছেন:
এসাইনমেন্টটার একটা কপি [ইংলিশ]!@@!993236 [/ইংলিশ]রাখলাম।এখনও জমা দেই নি কালকে দিব। কোন ভুল আছে কিনা জানালে খুশি হব।
২৬. ২২ শে জুন, ২০০৭ রাত ১১:৫২
মদন বলেছেন:
পড়লাম...
আমার ইংরেজীতে দখল কম, তাও মনে হয়েছে আমাদের লেখা থেকেই মোটামুটি অনুবাদ হয়েছে। আমার লেখাতে তো আসলে আমি একটি ধারনা দেবার চেষ্টা করেছি। ফরিদভাই এবং আমার লেখা পড়ে আপনি আপনার মুল টপিকস এর আলোকে লিখুন এবং নেট এ সার্চ দিয়ে আরো কিছু জোগাড় করুন। ব্যকরনগত বিষয়গুলো দেখুন আর সম্ভব হলে ভাষায় শব্দগত মাধুর্য্য আনুন।
আর এতটুকু লেখায় কি মার্কস পাবেন? আমার মনে হয় সম্ভব হলে আরেকটু নেট ঘেটেঘুটে লিখুন। কিছু গ্রাফ, ছবি ইত্যাদি দিতে পারলে অবশ্যই সুন্দর জিনিস দাড়াবে।
আপনার সফলতা কামনা করছি।
মদন বলেছেন:
পড়লাম...আমার ইংরেজীতে দখল কম, তাও মনে হয়েছে আমাদের লেখা থেকেই মোটামুটি অনুবাদ হয়েছে। আমার লেখাতে তো আসলে আমি একটি ধারনা দেবার চেষ্টা করেছি। ফরিদভাই এবং আমার লেখা পড়ে আপনি আপনার মুল টপিকস এর আলোকে লিখুন এবং নেট এ সার্চ দিয়ে আরো কিছু জোগাড় করুন। ব্যকরনগত বিষয়গুলো দেখুন আর সম্ভব হলে ভাষায় শব্দগত মাধুর্য্য আনুন।
আর এতটুকু লেখায় কি মার্কস পাবেন? আমার মনে হয় সম্ভব হলে আরেকটু নেট ঘেটেঘুটে লিখুন। কিছু গ্রাফ, ছবি ইত্যাদি দিতে পারলে অবশ্যই সুন্দর জিনিস দাড়াবে।
আপনার সফলতা কামনা করছি।
২৭. ২৩ শে জুন, ২০০৭ সকাল ৭:০৬
পাশা বলেছেন:
ধন্যবাদ, মদন ভাই। আজকে এসাইনমেন্ট দিতে হবে এখনই লিখছি।
পরামর্শ গুলোর আলোকে লিখার চেষ্টা করব। তবে আমার ইংরেজী জ্ঞান খুব কম।
পাশা বলেছেন:
ধন্যবাদ, মদন ভাই। আজকে এসাইনমেন্ট দিতে হবে এখনই লিখছি।পরামর্শ গুলোর আলোকে লিখার চেষ্টা করব। তবে আমার ইংরেজী জ্ঞান খুব কম।
২৮. ২৬ শে জুন, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৪
২৯. ২৬ শে জুন, ২০০৭ বিকাল ৪:০২
৩০. ২৬ শে জুন, ২০০৭ বিকাল ৪:১১
৩১. ২৬ শে জুন, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০০



















ই-কমার্স: বিজনেসে ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করে সংঘটিত লেনদেনকে ই-কমার্স বলা যেতে পারে।
বাংলাদেশে সর্ব প্রথম ই-কমার্স চালু করে http://www.munshigi.com সম্ভবত ১৯৯৮ এর দিকে। এর বেশ পরে ২০০০ সালে চালু হয় বেশ কয়েকটি ই-কমার্স, তাদের মধ্যে
http://www.deshigreetings.com
http://www.homeviewbangladesh.com অন্যতম।
বাংলাদেশে বর্তমানে ৩০টিরও বেশি ই-কমার্স সাইট চালু আছে। এর মধ্যে কিছু ই-কমার্স আছে যারা বিশেষ প্রডাক্ট বিক্রি করে। যেমন http://www.dhakasharee.com শুধু শাড়ি এবং কিছু মেয়েলী জিনিস বিক্রি করে। আমাদের ব্লগার ফরিদ ভাইএর আছে http://www.boi-mela.com ইত্যাদি।
এদের মধ্যে কিছু সাইট আছে যারা বিদেশ থেকে অর্ডার গ্রহন করে দেশের মধ্যে ডেলিভারী দেয়। কিছু আছে পৃথিবীর অনেক দেশে ডেলিভারী দেয়। কিছু আছে যারা নিজেদের প্রি-পেইড কার্ডের মাধ্যমে দেশে বসেও ই-কমার্স ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে।
বাংলাদেশে ই-কমার্সের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের আগে কয়েকটি জিনিস পরিস্কার হওয়া দরকার।
ই-কমার্স সাইটের জন্য প্রয়োজন একটি ভাল ওয়েবসাইট এবং লেনদেনের অনলাইন ব্যবস্থা। অনলাইন পেমেন্টে কয়েকটি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ক্রেডিট কার্ড, ই-চেক ইত্যাদি।
একজন ব্যক্তি ইন্টারনেটে ইকমার্স ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কিছু পন্য কিনে সাধারনত ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে মুল্য পরিশোধ করে। ক্রেডিট কার্ডে পর্যাপ্ত টাকা আছে কিনা তা পরীক্ষা করে টাকাটা কেটে রাখার জন্য তৃতীয় আরেক পক্ষের সাহায্য নিতে হবে। এমনই কিছু প্রতিষ্ঠান হলো
http://www.paypal.com
http://www.2co.com
এদের মধ্যে পে-প্যাল খুবই জনপ্রিয় মাধ্যম। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো পে-প্যালে বাংলাদেশ থেকে বাংলাদেশী ঠিকানা দিয়ে একাউন্ট করা যায়না। ফলে লেনদেনের জন্য হয় বাইরের কোন ব্যক্তির সাহায্য নিতে হয় যিনি পে-প্যালে একাউন্ট করতে পারেন অথবা পে-প্যাল বাদে অন্য পক্ষের সাহায্য নিতে হয়। এবং বাংলাদেশের কোন ক্রেডিটকার্ড দিয়ে ই-কমার্সে বাজার করা যায় না।
এরপরেও যে বাংলাদেশী ইকমার্স সাইটগুলো রয়েছে তারা এসব সীমাবদ্ধতার মধ্যেও কাজ করে যাচ্ছে। বিদেশে বসে বাংলাদেশীরা প্রিয়জনকে উপহার দেয়া থেকে শুরু করে প্রতিদিনের বাজার পর্যন্ত করে দিতে পারছে যদিও পন্যের মুল্য আকাশ ছোয়া।
আর যারা ই-কমার্সে বাজার করে বিদেশে কিছু পাঠাচ্ছেন সেখানেও অনেক খরচ। পন্য পাঠাতে DHL, FEDEX ব্যবহার করতে হয় যার খরচ অনেক। দেখা গেল ১০০০ টাকা দিয়ে একটা শাড়ি কিনলো যা কানাডাতে পাঠাতে লাগছে আরো ১৫০০ টাকা।
শুধু বাংলাদেশে ই-কমার্সের বাজার খুবই ছোট তবে তা পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে দিতে পারলে ভাল হবে। বাংলাদেশী যে সব ই-কমার্স রয়েছে তা মুলত বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশীদের জন্য যারা অনলাইনে কেনাকাটা করে দেশের মধ্যের প্রিয়জনদের উপহার পাঠান।
সীমাবদ্ধতা অনেক। সম্ভবনাও একেবারে কম নয়।