সমান আচরণ করে না সরকার
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৪
২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি পরবর্তী বর্তমান সেনা শাসিত সরকার সবার সাথে সমান আচরণ করছে না বলে মনে হচ্ছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের কর্মকান্ডের কারণে দেশের মানুষের মনে যে ঘৃণা ও ক্ষোভ সঞ্চারিত হয়েছিল বিএনপি-জামায়াত জোটের বিরুদ্ধে তা থেকে ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারই যেন সরকারের কাজে পরিণত হয়েছে। এই সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে অধিকাংশই বিএনপির সমর্থক, কেউ কেউ সরাসরি স্বাধীনতাবিরোধী বলেও অভিযোগ আছে।
দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতারকৃত সব রাঘব-বোয়ালদের যদি ছেড়েই দেয়া হবে তাহলে কেনই বা তাদের গ্রেফতার করা হো, কেনই দেশজুড়ে প্রায় দুই বছর জুড়ে নানান নাটকের মঞ্চায়ন করা হলো? দেশের মানুষের মনে এসব প্রশ্ন ঘুরপাক করছে।
দেশের মানুষ চায়, শান্তি, পেটপুরে দু'বেলা দুমুঠো ভাত খেয়ে শান্তিতে ঘুমাতে চায়। দেশের মানুষ আশা করেছিল এই সরকার তাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে তারা সম্পূর্ণরুপেই ব্যর্থ।
রাজনৈতিক সরকারের আমলেও দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে পদে পদে। এই সরকারের আমলেও একই অবস্থা। সমানতালে চলছে ক্রসফায়ারের নামে মানুষ হত্যা। অবশ্য হত্যাকারিদের কাছে নিহতরা মানুষ নয়, ওরা সন্ত্রাসী। সন্ত্রাসী হলেও হতে পারে, তাদের বিচারের আওতায় আনা জরুরি।
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
আমি ভাবতেই অবাক লাগছে যে তারেক জিয়া নির্বাহী আদেশে নয়, জামিনে মুক্তি পেয়েছেন!! অর্থাৎ অদূর ভবিষ্যতে আমরা শুনব যে তারেক কোন প্রকার দুর্নীতির সাথেই জড়িত নয়। কারন, বর্তমান নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারও তা প্রমানে ব্যর্থ হয়েছে। এর চেয়ে বড় কোন উপহাস আছে কি? এটা তো জনগণকে স্রেফ প্রতারণা।
হাসান বিপুল বলেছেন:
@ ওমর হাসান আল জাহিদ ও লেখক : এইটা আগে বুঝেন নাই বইলাই আপনাদের নেত্রী বলেছেন, সব কাজের বৈধতা দিয়া দিব। এইবার বুঝেন ঠ্যালা।
মিলটন বলেছেন:
বেশ কয়েকবার এখানে ঢুকেও আবার বের হয়ে যাচ্ছিলাম কি লিখবো এই ভেবে।যাই হোক আপনারা সমাজের দর্পন হয়েও যদি এই সরকারের কাছে মৌলিক অধিকার গুলো দাবী করেন তবে সেটা হাসিই পায়। বরং সংবিধানটা পুড়িয়ে ফেলুন তবেই যদি কিছু কাজ হয়! এটা কি গণতান্ত্রিক দেশ?
জাহাঙ্গীর আলম আকাশ বলেছেন:
ঠিক বলেছেন, অসভ্য, জংলি একটা দেশের মত আচরণ করে এখানকার সমাজচালকরা, সংবিধান, আইন-কানুনের কোন বালাই নেই।


















