somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শত্রুমুক্ত দিনটি স্মরণে নেই কারও...

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রাজশাহী শত্রুমুক্ত হবার দিনটি নিরবেই চলে গেল। কেউ দিবসটিকে স্মরণ করলো না। বিজয়ের সাতত্রিশ বছর পূর্তিতে রাজশাহী মুক্ত দিবসটিকে কেউই স্মরণে রাখেননি। রাজশাহীর কোথাও কোন কর্মসূচী নেই এই দিনকে ঘিরে।
বিজয়ের দু’দিন পর অর্থাৎ ১৮ ই ডিসেম্বর শত্র“মুক্ত হয়েছিল রাজশাহী। স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় একাত্তরের ১৬ ই ডিসেম্বর পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে গোটা দেশবাসি যখন বিজয়ের আনন্দে আত্মহারা, পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্ত শহর রাজশাহীর মানুষ তখনও অবরুদ্ধ ছিল। শহরের রাস্তায় গলিতে টহলরত শত্র“র কনভয় সেদিনও প্রতিরোধের মুখোমুখি হয়নি।
বিশিষ্ট নাট্যকার ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কলামিষ্ট ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক মলয় ভৌমিকের লেখা থেকে জানা যায়, মুক্তিবাহিনীর বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধের মাধ্যমে বৃহত্তর রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১৬ ই ডিসেম্বর শত্র“মুক্ত হলেও সামগ্রিকভাবে রাজশাহী মুক্ত হয় ১৮ ই ডিসেম্বর নাটোরে পাক-বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত করার পর এবং গোদাগাড়ির যুদ্ধশেষে ১৭ ই ডিসেম্বর সকাল ১০ টার দিকে মুক্তিবাহিনী রাজশাহী শহরে প্রবেশ করে। রাস্তায় নেমে আসে হাজার হাজার উল্লসিত মানুষ। কিন্তু দখলদার পাকিস্থানী বাহিনী তখনও রাজশাহী শহর ত্যাগ করেনি। সকাল থেকেই তারা শহরের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানগুলো ছেড়ে দিয়ে যুদ্ধকালীন তাদের কৌশলগত ঘাঁটি (মূলত: কনসনট্রেশন ক্যাম্প) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলে গিয়ে সমবেত হতে থাকে। ফলে সেদিন শহরব্যাপি (আজকের নগরী) আকাশ কাঁপানো ‘জয় বাংলা’ ধ্বনির মধ্য দিয়েও কোথায় যেন একটু ফাঁক থেকে যাচ্ছিল। এই ফাঁকটা কেটে যায় ১৮ ই ডিসেম্বর। ১৭ ই ডিসেম্বর রাতেই পাক বাহিনী জোহা হলের অবস্থান ছেড়ে দিয়ে গোপনে নাটোরে গিয়ে সেখানেই যৌথ বাহিনী (মিত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনী) র কাছে আত্মসমর্পণ করে। রাজশাহীর মানুষ ফেলে দীর্ঘ প্রত্যাশিত মুক্তির নি:শ্বাস। ১৮ ই ডিসেম্বর বিজয়ের আনন্দে মাতোয়ারা হাজারও জনতা সমবেত হয় রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে। সেখানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বরণ করে নেয় উৎফুল্ল জনতা। তবে ১৮ ই ডিসেম্বরের চুড়ান্ত মুক্তির আগেও বৃহত্তর রাজশাহী মাত্র ১০ দিনের জন্যে আরেকবার শত্র“মুক্ত হয়েছিল। সেই মুক্তি সম্ভব হয়েছিল ছাত্র-জনতা, পুলিশ আর ইপিআর বাহিনীর সংগ্রামী ভূমিকার কারণে।
২৫ শে মার্চের ক্র্যাক ডাউনের আগেই রাজশাহী শহরে নেমে পড়েছিল পাক সেনারা। ২৫ শে মার্চের পর তারা আরও বেশি সক্রিয় হয়। শহরের অনেক নেতা-কর্মী আর সাধারণ মানুষকে হত্যা করে তারা। কিন্তু এর আগেই ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়নের কর্মীসহ জনতা ডামি রাইফেল ও বাঁশের লাঠি নিয়ে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকে। হাতে অস্ত্র না থাকায় পাক সরকারের নির্দেশে যারা লাইসেন্স করা অস্ত্র থানায় জমা দিতে আসছিল তাদের কাছ থেকে অস্ত্র কেড়ে নেয় তারা। বোমা তৈরীর রসদ সংগ্রহের জন্যে রাজশাহী কলেজ, সায়েন্স ল্যাবরেটরী ও বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরী লুট করা হয়। ইতোমধ্যে পুলিশ লাইনের জওয়ানরা পাক বাহিনীর কাছে তাদের অস্ত্র জমাদানের নির্দেশ প্রত্যাখান করে। ফলে ২৭ শে মার্চ রাতে পাক সেনারা আক্রমণ করে পুলিশ লাইন। ভারি অস্ত্র ছিলনা পুলিশের হাতে। তবুও শরীরে শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে বাঙালি পুলিশ জওয়ানরা সেদিন প্রায় ২৪ ঘন্টা লড়াই করেছিল পাক বাহিনীর সাথে। এই লড়াইয়ে নের্তৃত্ব দেন হাবিলদার আতিয়ার রহমান। বাঙালি পুলিশ জওয়ানদের বীরত্বপূর্ণ লড়াই সত্তে¡ও শেষ পর্যন্ত ২৮ শে মার্চ পুলিশ লাইনের পতন ঘটে। কিছু সংখ্যক পুলিশ পালিয়ে যেতে সম হলেও ঐ যুদ্ধে শহীদ হন ৬৯ জন পুলিশ।
পুলিশ লাইনের পতনের পর পাক বাহিনী রাজশাহী দখলে রাখতে পেরেছিল মাত্র পাঁচ দিন। তারপর সেনানিবাসে বন্দি হতে হয়েছিল বীর বাঙালির প্রতিরোধের মুখে। পুলিশ লাইন থেকে শহরে আশপাশের এলাকায়পালিয়ে আসা পুলিশ পুনরায় সংগঠিত হবার চেষ্টা করে। নওগাঁ থেকে ক্যাপ্টেন গিয়াসের নেতৃত্বে শতাধিক ইপিআর এসে পৌঁছে রাজশাহীতে। স্থানীয় ইপিআর, মিলিশিয়া, প্যারা মিলিশিয়া, পুলিশ, আনসার মিলে গড়ে ওঠে এক শক্তিশালী বাহিনী। পাশাপাশি এগিয়ে আসে ছাত্র-যুবক ও রাজনৈতিক দলগুলোর সশস্ত্র বাহিনী। ক্যাপ্টেন রশিদ ও সিরাজউদ্দিন লস্করও ছিলেন এই বাহিনীতে। ৩১ শে মার্চ হতে ৩ রা এপ্রিল পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন স্থানে এই যৌথ বাহিনীর সাথে পাক সেনাদের যুদ্ধ হয়। শেষ পর্যন্ত পাক বাহিনী পিছু হটে আশ্রয় নেয় ক্যান্টনমেন্টে। যৌথ বাহিনী ক্যান্টনমেন্ট ঘিরে ফেলে চারদিক থেকে। এভাবে ৩ রা এপ্রিল রাজশাহী প্রথমবারের তো মুক্ত হয়। ১২ ই এরপ্রিল পর্যন্ত রাজশাহী মুক্ত ছিল। ১৩ ই এপ্রিলের পর আর বিজয় ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। নগরবাড়ি ঘাট হয়ে বিপুল সংখ্যক পাক সেনা ঢাকা-রাজশাহী সড়ক ধরে এগুতে থাকে। সড়ক পথে সুবেদার সিরাজউদ্দিন লস্কর ও মোবাশ্বের, হাবিলদার আকবর হোসেনের নেতৃত্বে পাবনা, মুলাডুলি, বিড়ালদহ ও বেলপুকুরিয়া এলাকায় বেশ কয়েকটি যুদ্ধ হয়। কিন্তু পাক বাহিনীর বিপুল শক্তির কাছে তারা টিকতে পারেনি। বেলপুকুরিয়ার যুদ্ধে হাবিলদার আকবরসহ ৭ জন শহীদ হন। অন্যান্য যুদ্ধে শহীদ হন আরও প্রায় ২৫ জন। শেষ পর্যন্ত ১৩ ই এপ্রিল পুনরায় রাজশাহীর দখল নেয় পাক সেনারা।
১৩ ই এপ্রিল রাজশাহীর পতনের পর মুক্তিযোদ্ধা, যুবক, ছাত্র, ইপিআর, সেনাবাহিনী জওয়ান, আনসার ও পুলিশসহ কয়েক লাখ মানুষ পদ্মা পার হয়ে ভারতে আশ্রয় নেয়। রাজশাহীর মুক্তিকামী মানুষ পদ্মাপারের বহরমপুর থেকে পশ্চিম দিনাজপুরের বালুরঘাট পর্যন্ত প্রায় দু’শো মাইল সীমানা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় মুক্তিযুদ্ধের সমন্বয়ের জন্য প্রবাসি আওয়ামীলীগ সরকারের সিদ্ধান্তে রাজশাহী জেলাকে ৭ নম্বর সেক্টরের অধীনে একটি ইউনিফায়েড কমান্ডে আনা হয়। এই সেক্টরটি মোট আটটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত ছিল। সেক্টর কমান্ডার মেজর (পরে কর্ণেল এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রথম চেয়ারম্যান) নূরুজ্জামানের নেতৃত্বে ভারতের বহরমপুর, মালদহ, পশ্চিম দিনাজপুর, বালুরঘাট, হিলি প্রভৃতি স্থানে আশ্রয় নেয়া বাংলাদেশের ছাত্র-যুবক, সামরিক-আধা সামরিক বাহিনী ও মহিলাসহমুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে আগ্রহীদের প্রশিণ দিয়ে গড়ে তোলা হয় একটি বৃহৎ সুশৃঙ্খল বাহিনী। এই বাহিনী গঠনে এবং পরিচালনায় আওয়ামীলীগ নেতাসহ তৎকালীন অন্যান্য রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যাপক ভূমিকা ছিল। এর পাশাপাশি রাজনৈতিক জ্ঞানসম্পন্ন বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স (বিএলএফ) ও গঠিত হয় একই সময়ে। উভয় বাহিনী মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও বালুরঘাট এই তিন দিক থেকে রাজশাহীতে প্রবেশ করতে শুরু করে জুলাই মাসের শেষের দিকে। অবশ্য এর আগেই মুক্তিবাহিনী ২৩ শে জুন কোর্ট এলাকা এবং ২৪ শে জুন পাওয়ার হাউসে শফিকুর রহমান রাজা ও আবদুল গফুরের নেতৃত্বে গ্রেনেড হামলা চালায়। ১৩ ই এপ্রিলের পর এটাই ছিল রাজশাহী শহরে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রথম অপারেশন। এরপর মুক্তিযোদ্ধারা রাজশাহী এলাকায় একের পর এক অপারেশন চালিয়ে পাক বাহিনীকে পর্যুদস্ত করতে থাকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অপারেশন ছিল ১ লা রমজান মেজর রশিদের তত্ত¡বধানে হাবিলদার শফি ও এ.কে.এম.জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে রাজশাহী-ঈশ্বরদী রেলপথে আড়ানি ব্রিজ অপারেশন, নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ডাঃ খগেন্দ্র নাথ ও মকবুলের নেতৃত্বে বাগমারার ভবানিগঞ্জের যুদ্ধে, রাজশাহী কোর্ট এলাকা থেকে ৫ মাইল দূরে আমিনগঞ্জে পাক বাহিনীর জিপ উড়িয়ে দেয়ার ঘটনা, আবদুল মালেকের নেতৃত্বে গোদাগাড়ির ফরাদপুর ব্রিজ অপারেশন, ১০ ই অক্টোবর ডাঃ শাহাদাত, আবদুর রশিদ, মতিন, হারুন প্রমূখের নেতৃত্বে শীতলাই রেল স্টেশন সংলগ্ন ভানপুরে ইঞ্জিনসহ ট্রেন উড়িয়ে দেয়ার ঘটনা। এসব অপারেশন ছাড়াও বিএলএফ নেতা মাহফুজুর রহমানের নেতৃত্বে নাটোরের ৬ টি থানা এলাকা, গেরিলা কমান্ডার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের রাজশাহীর দণি অঞ্চল, এফ.এফ. আবদুল খালেক প্রামাণিক, আমিনুল ইসলাম, শামসুদ্দোহা, সাইদুর রহমান, মোহাম্মদ শাহজাহান, হারুনুর রশিদ প্রমূখের নেতৃত্বে গোদাগাড়ি এলাকা, শফিকুর রহমান রাজার নেতৃত্বে মোহনপুর এবং মোখলেসুর রহমান রাজা ও ওহিদুর রহমানের নেতৃত্বে নওগাঁ এলাকায় ঘটেছে আরও উল্লেখযোগ্য যুদ্ধের ঘটনা। শেষ পর্যন্ত ডিসেম্বর দ্বিতীয় সপ্তাহে ভারতীয় মিত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর (যৌথ বাহিনীর) চুড়ান্ত যুদ্ধের পর মুক্ত হয় রাজশাহী।
তৎকালীন রাজশাহী জেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহকুমা মুক্ত হয়েছিল ১৬ ই ডিসেম্বর। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই এই এলাকায় পাক সেনাদের সাথে মুক্তিবাহিনীর প্রচন্ড যুদ্ধ শুরু হয়। সিভিল স্টাফ অফিসার বদিউজ্জামান টুনুর নেতৃত্বে আক্রমণ করা হয় পাক বাহিনীর শক্ত ডিফেন্স ইসলামপুর ঘাঁটি। সারারাত যুদ্ধের পর শত্র“রা ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়ে যায়। এই যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন ৯ জন মুক্তিযোদ্ধা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিএন্ডবি ঘাটের কাছে মাত্র কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে অসীম সাহসে যুদ্ধ করেন বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর। সেদিন ছিল ১৪ ই ডিসেম্বর। যুদ্ধের এক পর্যায়ে বাংলার এই সাহসী সন্তান শত্র“র বাঙ্কার নিজের দখলে নিয়েছিলেন এবং নিজের দখলে নেয়া বাঙ্কারেই তিনি শহীদ হন। বীর এই যোদ্ধার নামে রাজশাহী মহানগরীর তালাইমারী মোড়ে রয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর স্মরণী। স¤প্রতি (২০০১ এর নির্বাচনের পর) জিয়া পরিষদের নামে মতাসীনরা এই স্মরণীটি দখল করে নিয়েছে সাইনবোর্ড লাগিয়ে। ১৫ ই ডিসেম্বর আক্রমণ করা হয় পাক সেনাদের রেহাইচর ঘাঁটি। মুক্তিবাহিনীর প্রচন্ড আক্রমণের মুখে শত্র“রা দ্রুত এই ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়ে যায়। এছাড়া আরও বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ হয়েছিল যেগুলোতে মেজর গিয়াসের ভূমিকা ছিল খুবই উজ্জ্বল।
দীর্ঘ নয় মাসের স্বাধীনতা যুদ্ধে রাজশাহীর অগণিত মুক্তিযোদ্ধা বীরত্বের নিদর্শন রেখেছেন। এদের মধ্যে কয়েকজনের নাম হল-বদিউজ্জামান টুনু (বীর প্রতীক), সাইদুর রহমান, শরিফউদ্দিন, মাহতাবউদ্দিন, এনামুল হক, নজরুল ইসলাম, এ.কে.এম.জাহাঙ্গীর, মোজাম্মেল হক, হাসনাত বেগ, জাহাঙ্গীর হোসেন, নির্মল সরকার, জাকাউল হক, আবদুস সামাদ, ডাঃ শাহাদাত হোসেন, খন্দকার শামসুল আলম বাবু, আলাউদ্দিন শেখ ভুলু, বাবর আলী, মাসুদ হোসেন, দুরুল হুদা, আবদুল গফুর, আনোয়ারুল ইসলাম, মিজানুর রহমান চৌধুরী, আবুল হোসেন, মীর ইকবাল, রুহুল আমিন প্রামানিক প্রমূখ।
রাজশাহী এলাকায় অন্যান্যের মধ্যে যেসব মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন তারা হলেন-ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (বীরশ্রেষ্ঠ), সাইফুল ইসলাম ঠান্ডু, ফেরদৌস দৌলা খান বাবলু, গোলাম নবী সাটু, খুরশিদ আলম শিবলী প্রমূখ। এখানকার শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে রয়েছেন-অধ্যাপক হবিবুর রহমান, অধ্যাপক সুখরঞ্জন সমাদ্দার, অধ্যাপক মীর আবদুল কাইয়ুম, অ্যাডভোকেট বীরেন্দ্রনাথ সরকার প্রশূখ। এছাড়া আওয়ামী-লীগ নেতা নজমুল হক সরকারসহ খন্দকার আলী, দেওয়ান সিদ্দিক হোসেন, সাইদুর রহমান, হাসানুজ্জামান, ওয়াসিউজ্জামান, চাঁদ মোহাম্মদ, হাফিজ আবদুস সাত্তার প্রমূখ অসংখ্য উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি এদেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×