ফাজলামৗ ও বিটলামি, খোঁচা এবং গুতা,

কপি-পেস্ট আবার দিলাম!!! (অনেক বড়)

০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

আওয়ামী লীগের জোট গঠন সম্পর্কে আমি খানিকটা ভিন্ন মত পোষণ করি। আগামী নির্বাচনের ফলাফল যা-ই হোক, আমি মনে করি আওয়ামী লীগের জন্য জোটের কনসেপ্টটাই সঠিক ছিল না। খুব সম্ভবত বিএনপির জোটবদ্ধ নির্বাচনের আশাতীত সাফল্যই লীগকে জোট করতে উদ্বুদ্ধ করে তোলে। কিন্তু এক্ষেত্রে তারা দুটো ভুল করেছে; সরকার বিরোধী আন্দোলন আর নির্বাচন এক জিনিস নয়। সরকার বিরোধী আন্দোলনে জোটের যে উপযোগিতা আর নির্বাচনে জোটের উপযোগিতা এক নিক্তিতে মাপা সম্ভব নয়। দ্বিতীয়ত বাংলাদেশে ভোটের ডায়নামিক্স বা গতি-প্রকৃতি নির্ধারণে তারা বিপজ্জনক রকমের কম সাধারণ জ্ঞানের পরিচয় দিয়েছে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে পৃথিবীর অদ্ভুততম এক উদাহরণ দেখা যায়। এ দেশের রাজনীতির বৃহত্তম দল আওয়ামী লীগ সন্দেহ নেই, অন্তত সাংগঠনিকভাবে। কিন্তু দ্বিতীয় বৃহত্তম দলটিকে মানুষ পছন্দ করে যতোটা না দলটির কারণে তার চেয়ে অনেক বেশি আওয়ামী লীগকে অপছন্দ করার জন্য। এর কয়েকটি মোক্ষম কারণও আছে। অতীতে তারা এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে যেটা আপাত দৃষ্টি কিংবা বুদ্ধিজীবীদের দৃষ্টিতে ভালো লাগলেও সাধারণ মানুষ খুবই আপত্তিকর দৃষ্টিতে দেখেছে ও এ অপছন্দটি এতোটাই প্রগাঢ় যে, মিডিয়ার কোনো প্রকার সহায়তা ছাড়াই তা ডালপালা মেলে মহীরুহ হয়ে গেছে। তাদের সেকুলার হওয়ার বজ্র শপথ (যদিও চরিত্রে আওয়ামী লীগ মোটেও সেকুলার নয়) বুদ্ধিজীবীদের আহ্লাদিত করলেও জনগণ কখনোই সেকুলারিজমকে ঘরের ত্রিসীমানায় ঢুকতে দেয়নি। তারা 12 থেকে 15 ভাগ মাইনরিটির রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রশ্রয় দিতে গিয়ে ভুলেই গিয়েছিল যে, বাকি 85 ভাগ মেজরিটির বিশাল অংশ তাদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এ রকমই আরো দুটি ভুল হলো বাকশাল ও ইনডিয়া প্রীতি। মনে রাখতে হবে, এ ভুলগুলো এমনই সাংঘাতিক যে, প্রজন্মের পর প্রজন্ম সাধারণ মানুষকে এগুলো দিয়ে প্রভাবিত করা সম্ভব। আওয়ামী লীগ বিরোধী এ মনোভাবটিকে প্রতিপক্ষ বিএনপি দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে জায়গা করে নিয়েছে যথা সময়ে। এ কথা অনস্বীকার্য যে, বিএনপির উত্থান যতোটা না জাতীয়তাবাদী রাজনীতির জন্য তার চেয়ে অনেক বেশি আওয়ামী লীগের অ-মুসলিম (আক্ষরিক অর্থে নয়) ইমেজের জন্য। জামায়াত যদি মুক্তিযুদ্ধে রাজাকারের ভূমিকায় অবতীর্ণ না হতো তাহলে এ আওয়ামী লীগ বিরোধী মনোভাবকে কাজে লাগিয়ে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় থাকতো জামায়াত ও বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় কিংবা দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হতো তার। আমাদের দেশে পলিটিকালি কারেক্ট হতে হলে দুটো বিষয় নিয়ে ঘাটাঘাটি করা যাবে না- মুক্তিযুদ্ধ ও ইসলাম। আওয়ামী লীগের ইনডিয়া প্রীতি তথা অ-মুসলিম লেবেল ও জামায়াতের রাজাকারের লেবেল তাদের নিজ নিজ অবস্থানে সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। পক্ষান্তরে বিএনপিকে আপনি যতো গালিই দিন, প্রজন্মের পর প্রজন্ম গালি দেবেন- এমন ভুল তারা অতীতে করেনি। এটি যেমন তাদের মহান রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রমাণ করে না তেমনি এটিও ঠিক, বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এটি স্মার্টনেসের লক্ষণ। বিএনপির জন্ম ব্যারাকে, এটি আবদুল গাফফার চৌধুরীকে যতোটা ব্যাকুল করে তোলে সাধারণ মানুষকে ততোটা করে না। কেননা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের সেনাবাহিনীর ওপর অগাধ আস্থা। তবুও সিভিল সোসাইটি, লিবারাল ডেমক্রেসি প্রভৃতি তাত্তি্বক কথা সাধারণ মানুষের বোধগম্যতার বাইরে।
[গাঢ়]মোট কথা, বাংলাদেশে একটি অ্যান্টি আওয়ামী লীগ সেন্টিমেন্ট প্রবলভাবে কার্যকর যার বেনিফিশিয়ারি হলো বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পাটি ।[/গাঢ়] এক্ষেত্রে লক্ষণীয় হলো এই যে, বাংলাদেশ এখনো সেভাবে কোনো অ্যান্টি বিএনপি অবস্থান তৈরি হয়নি। যেহেতু বিএনপি সাংগঠনিকভাবে দুর্বল ও তাদের শক্তি মূলত প্রতিপক্ষের দুর্বলতা প্রসূত সেহেতু নিকট ভবিষ্যতে অ্যান্টি বিএনপি মনোভাব গড়ে উঠবে তা-ও মনে হয় না!

যদি অ্যান্টি বিএনপি মনোভাব না থেকে থাকে তাহলে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন লাভের চেয়ে ক্ষতিই ডেকে আনবে। কেননা যে লোকটি জামায়াতকে ভোট দেয় তার দ্বিতীয় পছন্দ অবশ্যই বিএনপি, কোনোভাবেই আওয়ামী লীগ না। কিন্তু যে লোকটি জাতীয় পার্টিকে ভোট দেয় তার দ্বিতীয় পছন্দ আওয়ামী লীগ না হয়ে বিএনপি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আওয়ামী লীগ নিজের শক্তি সম্পর্কে ধারণা করতে ভুল করেছে। আওয়ামী লীগ একাই চারদলীয় জোটকে মোকাবেলা করতে সক্ষম। জোট করলে তাদের শক্তি কমে যায়। আনিসুল ইসলাম মাহমুদের কথাই ধরা যাক। এরশাদের জাতীয় পার্টির একজন বড় নেতা তিনি এ মুহূর্তে। কিন্তু বিগত পনেরো ষোল বছর তিনি রাজনীতি থেকে নির্বাসিত। হুট করে রাজনীতিতে এসে জাতীয় পার্টির ব্যানারে ইলেকশন করে চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত হওয়ায় তার যে সম্ভাবনা তার চেয়ে অনেক গুণ বেশি সম্ভাবনা ছিল আওয়ামী লীগ এককভাবে নির্বাচন করলে। এমনিভাবে আওয়ামী লীগের নিজের শক্তির ওপর ভাগ বসাতে দাওয়াত দিয়ে ডেকে এনেছে 80-90 জনকে। এরা আওয়ামী লীগের লাভের চেয়ে ক্ষতিই করবে বেশি।

চারদলীয় জোটের একটা মূল সূত্র আছে। এরা মধ্য ডানপন্থী ও ডানপন্থী রাজনৈতিক জোট। এরা আওয়ামী লীগ বিরোধী মনোভাবের বেনিফিশিয়ারি ও কর্মে যা-ই হোক, ইনডিয়া বিরোধী গলাবাজিতে অভ্যস্ত। কিন্তু মহাজোট রয়েছে রাজনৈতিক খেলায় দুধভাত বাম জোট, তথাকথিত মধ্যপন্থী আওয়ামী লীগ এবং ডানপন্থী এলডিপি ও জাতীয় পার্টি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে শায়খুল হাদিস আজিজুল হক। এদের মূল সূত্র বিএনপি ঠেকাও কি সাধারণ ভোটারের সেন্টিমেন্ট? আওয়ামী লীগকে ভোট দেবো আর বিএনপিকে কোনো মতেই ভোট দেয়া যাবে না দুটো কিন্তু সমার্থক নয়। বরং শায়খুল হাদীসকে কাছে টেনে আওয়ামী লীগ তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি প্রথম আলো-যুগান্তর-সমকাল-জনকণ্ঠ-গাফফার চৌধুরী-জাফর ইকবালদের বড় বেকায়দায় ফেলে দিয়েছে। এ কথা সবাই জানেন যে, নির্বাচনে জিতলে শায়খুল হাদিস বড়জোর পেতেন গুলশানে একটি প্লট কিন্তু চক্ষুলজ্জার কারণে হলেও নির্বাচনের এ গরম সময়ে আওয়ামী সমর্থকরা ব্যাকফুটে । 14 যোগ দুইদলীয় জোট শুনতে যতোটাই ভারি শোনাক ও পত্রিকায় যতোই রঙিন হোক, বাস্তব চিত্র কিন্তু ভিন্ন। যারা মার্কা দেখে ভোট দিতে অভ্যস্ত তারা ব্যালটে নৌকা না দেখলে কি রকম অস্থির হয়ে উঠবে এটা কি আওয়ামী নেতারা ভেবেছিলেন?

আমার ধারণা, জাতীয় পার্টি ও এলডিপি মিলে সাকুল্যে 10 থেকে 20টি সিট এনে দিতে সক্ষম। আওয়ামী লীগের উচিত ছিল পর্দার অন্তরালে এমন একটি চুক্তি করা যে, এ আসনগুলোতে আন্দোলনের সহযাত্রী হওয়ায় সম্মানার্থে তারা এ আসনগুলোতে ক্যান্ডিডেট দেবে না। এতে 20টি আসনের জন্য 70টি আসন আওয়ামী লীগের মতো বড় দলের নিজের সম্ভাবনাময় ক্যান্ডিডেটদের ছাড় দিতে হতো না। অতি বাম থেকে অতি ডান সবাইকে কোলে টেনে নিতে গিয়ে আওয়ামী লীগ নিজে যেমন ন্যাংটা হয়ে গেছে সেই দুঃসহ অভিজ্ঞতাটিও হতো না। এতে এলডিপিরও একটি ছোট দল হিসেবে বেড়ে ওঠার সম্ভাবনা ছিল। তাদের শুরুটা খুব খারাপ ছিল না। কিন্তু অলি আহমেদ পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে নিজের দুই ছেলেকে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি বাংলাদেশের রেগুলার পলিটিশিয়ানদের বাইরে কেউ নন। তার ছোট ছেলে আমার একেবারে ছোটবেলার স্কুলের টিফিন পিরিয়ডে 'রেসকিউ' খেলা থেকে নিয়ে বড় বেলায় 'পুল' খেলার সঙ্গী। তার প্রতি পুরোপুরি আস্থা ও সম্মান জাানিয়েই বলছি, মি. ওমর শরীফ এখনো এমন কোনো যোগ্যতা অর্জন করেননি যার কারণে তিনি সরাসরি একটি রাজনৈতিক দলের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হয়ে যাবেন।
আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করে এলডিপি ও জাতীয় পার্টির দুর্দান্ত সাময়িক লাভ হলেও এলডিপি নিজে যে দুর্নীতিগ্রস্ত বিএনপির একটি অংশ মাত্র তা নিজ উদ্যোগে প্রমান করেছে। এ হযবরল জোটটি নিঃসন্দেহে একটি ব্যর্থ কাউন্টার ট্যাকটিসের উদাহরণ হয়ে থাকবে।

আওয়ামী লীগের ইলেকশন ক্যাম্পেইনিং দেখলে মনে হয় 18 থেকে 70 বছর বয়স্ক সবাই একটি সিঙ্গল এইজ গ্রুপ। তাদের উচিত ছিল টার্গেট ভোটারদের ক্লাসিফাই করা ও একেকটি গ্রুপের জন্য একেক ধরনের ক্যাম্পেইনিং স্ট্র্যাটেজি নির্ধারণ করা। তাদের প্রতিপক্ষ বিএনপিও এ ব্যাপারে সমান ব্যর্থ কিন্তু বিএনপি অন্তত ভুল মেসেজ পৌছায় না। আওয়ামী লীগের লিডারশিপের আরো পাচ বছর আগে বোঝা উচিত ছিল যে, বাংলাদেশের 71 পরবর্তী প্রজন্ম আশঙ্কাজনকভাবে আওয়ামী বিরোধী মতধারায় গড়ে উঠছে। এখন থেকে 30-40 বছর আগে শিক্ষিত যুবকদের ইন্টেলেকচুয়াল ফ্যাশন ছিল প্রো-ইনডিয়া/পশ্চিমবঙ্গ, সমাজতন্ত্রী, রাবীন্দ্রিক ও কলকাতামুখী হওয়া। যে কারণেই তারা অসংখ্য কলামিস্ট ও বুদ্ধিজীবীর সমর্থনের অধিকারী। কিন্তু আজকের যুবক হতে চায় প্রো ওয়েস্টার্ন, ভালো প্রফেশনাল ও একইসঙ্গে 9/11 পরবর্তী পোলারাইজড পৃথিবীতে আশ্চর্যজনকভাবে আদর্শগত দিক থেকে ইসলামের প্রতি সহানুভূতিসম্পন্ন। এ যুবককে আকর্ষন করতে হলে 71-এর ইমেজ টেনে আনলে কেবল সময়ই নষ্ট হবে। তারা বাংলাদেশের এ তরুণ সমাজকে বরাবরই ভুল মেসেজ পাঠাচ্ছে। মনে রাখতে হবে, এখানে একটা Nuance বা খুবই সূক্ষ্তারতম্য কাজ করছে। আজকের যুবক ইসলামের বিজয় দেখতে চায় কিন্তু নিজে সেই সংগ্রামে অংশগ্রহণ করতে চায় না। সে নামাজ পড়ে ও অন্যকেও নামাজ পড়তে দেখলে খুশি হয় (নিজে না পড়লেও) কিন্তু দাড়ি রেখে টুপি পরলে তাকে মনে করে ব্যাকডেটেড। সে তার প্রো ক্যাপিটালিস্টিক জীবনে ইসলামকে নিজের সুবিধামতো একটি জায়গা দিতেই কেবল প্রস্তুত।

এ রকম একটি অদ্ভুত টানাপড়েনের যুবক গোষ্ঠীকে আকর্ষণ করতে ব্যর্থ হয়েছে আওয়ামী প্রবীণ লিডারশিপ। তাদের উচিত ছিল পেঙ্গুইন ইউনিফরমটিকে শুধু বিজয় ও স্বাধীনতা দিবসের জন্য তুলে রাখা। মিডিয়ার সামনে আনস্মার্ট জলিলের বদলে স্মার্ট ও বুদ্ধিমান সাবের হোসেনকে উপস্থিত করা। ভান করে হলেও বোঝানো উচিত ছিল তারা একটি প্রো-টেক, টলারেন্ট ও মডারেট রাজনৈতিক দল। যারা চরিত্রে যুবক ও ইসলামী আদর্শ সম্পন্ন। শায়খুল হাদিসের সঙ্গে চুক্তি করে তারা তিন লাখ অতি উত্সাহী মুসলমানকে আকর্ষন করতে গিয়ে (যারা আওয়ামী লীগকে স্বভাবজাত অপছন্দের কারণে ভোট না-ও দিতে পারে) এক কোটি যুবকের কাছে ব্যাকডেটেড হয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের ইয়াং জেনারেশন কিন্তু প্রবীণদের তুলনায় পলিটিকালি কম মোটিভেটেড। ফ্লোটিং ভোটারদের (যারা এবার রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণ করবে) বেশির ভাগই বয়সে তরুণ। এরা ভোটের সিদ্ধান্ত নেয় কে ভালো তার চেয়ে অনেক বেশি কে কম খারাপ এ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে। আপনি যখন কথায় কথায় আন্দোলন করেন, হরতাল অবরোধ ডাকেন তখন আপনার টার্গেটগুলোর কাছে কেবল ভুল মেসেজটিই পৌছায়। বাংলাদেশের মানুষ বড়ই অদ্ভুত। হরতাল ডাকলে ঘরে বসে রেস্ট করাটাকে অনেকেই এনজয় করেন কিন্তু সেই মানুষটিই আবার দেশ রসাতলে চলে যাচ্ছে বলে হরতালের বিরুদ্ধে সবচেয়ে সোচ্চার। আওয়ামী লীগের বোঝা উচিত, যে মানুষটি বিএনপিকে ভোট দেয় তাকে আওয়ামী শিবিরে টেনে আনাটা কিছুটা সহজ কিন্তু যে আওয়ামী লীগ করে, বিএনপির পক্ষে তাকে তাদের শিবিরে টেনে আনাটা এক প্রকার অসম্ভব। বলতে বাধ্য হচ্ছি, আওয়ামী লীগ এ কম্পিটিটিড এডভান্টেজটি কাজে লাগাতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।

এতো কিছুর পরও এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় এক প্রকার নিশ্চিত ছিল যদি তারা নিয়মততান্ত্রিক রাজনীতিতে আস্থা রেখে 28 অক্টোবর ও পরবর্তী সময়ে সুস্থ আচরণ করতো। তারা এখনো 50-60-এর দশকের সভিয়েট রাজনীতিতে আটকে আছে। সে সময়ে সভিয়েট লিডারশিপ মনে করতো GZ&and I SpectaculaZ& showdown হলেই মানুষকে খাওয়ানো যাবে। সে নিরিখেই আওয়ামী লীগ মনে করেছিল বিএনপিকে টেনে হিচড়ে নামানো গেলে ব্যাপারটা খুব Spectaculaz হবে। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিল, বিএনপি দুর্নীতি করলেও নিয়মতান্ত্রিকভাবেই পাচ বছর ক্ষমতায় ছিল। টানা-হ্যাচড়া করতে গেলে হিতে বিপরীত হয়ে যাবে। তাদের উচিত ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শুরুটাকে বিপুল আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করা। তারা বাংলাদেশের ইতিহাসের বৃহত্তম কনসার্টটি আয়োজন করতে পারতো বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে। লাইভ টেলিকাস্ট হতো প্রত্যেকটি চ্যানেলে। হয়তো সাবের হোসেন কিংবা জলিল নিজে সুট পরে আইয়ুব বাচ্চুকে গান গাওয়ার সময়ে Fun

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে ।

 

  • ৫৯ টি মন্তব্য
  • ২৭৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৯:৫৭
comment by: অতিথি বলেছেন: দুঃসহ যন্ত্রণা আর এই অমাবস্যার টান ।।
২. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৯:৫৯
comment by: অতিথি বলেছেন: মাইনে?
৩. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:০০
comment by: অতিথি বলেছেন: মাসের শেষে পাবেন।
৪. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: [ইংলিশ]ড়ড়ড়[/ইংলিশ ভালো। মালডা কি ভার্চুয়াল?
৫. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ধ্যাত্english কাজ কোরে না নাকি?
৬. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:০৭
comment by: অতিথি বলেছেন: না সেক্সচুয়াল ....
৭. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:০৯
comment by: অতিথি বলেছেন: বেশ বেশ.....শুনেই জিহবা দিয়া লালা গড়াচ্চে!
৮. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:০৯
comment by: সুর বাংলা বলেছেন: ঝাককাস!
৯. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:০৯
comment by: অতিথি বলেছেন: ঠিকমত দিলে, সবই করবে।।
১০. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:১১
comment by: অতিথি বলেছেন: কুত্তার মত, তাই না??
১১. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:১৩
comment by: অতিথি বলেছেন: স্টাইল পছন্দ হইছে, কোথায়, কিভাবে? বাংলা, আইচো মনু!
১২. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:১৫
comment by: অতিথি বলেছেন: কুয়াশা যন্ত্রণা
আর সোনালী সকাল!!

লঞ্চের পুটকি ধইরা আইছি..
ক্যা মনে নাই??
১৩. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:২২
comment by: অতিথি বলেছেন: নাহ, হসপিটাল থেইকা আহনের পর সব ভুইলা যাইতাছি।
১৪. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:২৩
comment by: অতিথি বলেছেন: এট্টু খুইলা কন
১৫. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:২৪
comment by: অতিথি বলেছেন: হসপিটালে কি কাস্টমার বেশি পাইছিলেন যে সব ভুইল্লা গেছেন?এই কামডা কে করছে...উহ
১৬. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৩০
comment by: অতিথি বলেছেন: কোনডা? আমার নিপজেরে ক্যান জানি সর্জু মহারাজ বানারসওয়ালে মনে হইতাছে। এট্টু বিস্তারিত কন
১৭. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৩১
comment by: অতিথি বলেছেন: মনে হইতাছে?
তাইলে ঘোড়া পালা শুরু কইরা দেন..
কামে দিবো.......
১৮. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৩৪
comment by: অতিথি বলেছেন: ধুরো মিয়া, খালি ঘুরান্তিস!
১৯. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৩৬
comment by: অতিথি বলেছেন: তাইলে আসেন উড়ান্তিস খেলি?
২০. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৪০
comment by: অতিথি বলেছেন: সিস্টেম টা কি খেলার?
২১. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৪২
comment by: অতিথি বলেছেন: ডেভিড কপার্টফিলেডর নাম শুনছেন?
২২. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৪৪
comment by: অতিথি বলেছেন: কপার মাইনে তামা....কপার...কপার; নাহ্ কে?
২৩. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৪৫
comment by: অতিথি বলেছেন: আপনি কি তামা ছাড়া আর কিছু চিনেন?
২৪. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৪৯
comment by: অতিথি বলেছেন: হ্যা, প্লাষ্টিক, ঐ যে নান্টু ঘটকের কথা শুইনা, ঘরে ফিরলো বাবা আর.এফ.এল নিয়া!
২৫. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৫২
comment by: অতিথি বলেছেন: আপনি চ্যাটের ভাল চিনেন!!
ভালো কইরা মনে করেন।
নাইলে আবার হসপিটালে পাঠায় দিমু.....
২৬. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৫৭
comment by: অতিথি বলেছেন: ভাই, মাত্র হাতে সিলাই মাইরা আইচি, কি বাজে কতা কন.....মনে না আইলে কি করুম? এট্টু মনে করায় দ্যান বাহে!
২৭. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১০:৫৯
comment by: অতিথি বলেছেন: সেলাই কয়টা পড়ছে?
ভাল কইরা গুইন্না কইয়েন..
আপনারতো আবার হুশ থাকেনা!!!
২৮. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: 4 -টা মাত্র, তবে ব্লাড নাকি এট্টু ভালাই গেছিলো, তাই মনে আইতাছে না!
২৯. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: কোন হাতে ডান না বাম?
হাত চিনেন তো?
৩০. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:০৮
comment by: অতিথি বলেছেন: যেই হাতে লেখতাছে, হের বিপরীতটাই মনে হয়! ডান-বাম-ডান নাহ বাম....বাম হাতের বাল দেখানো আংগুল বরাবর
৩১. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:১০
comment by: অতিথি বলেছেন: অভিষেক অমিতাভ কিন্তু বাম হাতে লেখে..
ভাল কইরা কন।
৩২. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:১৪
comment by: অতিথি বলেছেন: তাই নাকি? হোয়াট এ জরুরি খবর! নাহ্ বাম হাত ই বটে!
৩৩. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:১৬
comment by: অতিথি বলেছেন: দেখেনতো আপনার কোন হাতে রেখা ঝাপসা হয়ে গেছে?
৩৪. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:১৯
comment by: অতিথি বলেছেন: বাম হাতে ব্যান্ডিজ তো মিয়া, তাই দেখা যায় না ।
৩৫. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:২০
comment by: অতিথি বলেছেন: so what? ইয়াদ কইরা কন।
৩৬. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:২৫
comment by: অতিথি বলেছেন: মনে নাই তো, কেমনে কই? ডান হাতের টা বলি?
৩৭. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:২৫
comment by: হযবরল বলেছেন: কঠিন এনালাইসিস, দ্বিমতের জায়গাগুলো তুলে ধরতে হলে পুরো লিখা আবার পড়তে হবে যেটা সম্ভব নয় । কিপ ইট আপ।
৩৮. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:২৬
comment by: অতিথি বলেছেন: থ্যানকু @ হযবরল
৩৯. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:২৯
comment by: অতিথি বলেছেন: কই বাল ফালাইতে গেছিলেন,আমারে ব্লগে ডাক দিয়া?এ দিকে শীতে আমার যায় যায় অবস্থা।আর আবেগী না বিবেগী আপনেরে জিগাইছে?
৪০. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:৩৩
comment by: অতিথি বলেছেন: বলেন ভাই, কি ব্যাপার! কি হয়েছে?
৪১. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:৩৪
comment by: অতিথি বলেছেন: তা ঠান্ডা রাতে ঠান্ডা তো লাগবেই...আইসক্রিম খাইতে পারেন, গরম লাগবে, নাইলে ঠান্ডা
৪২. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:৩৬
comment by: অতিথি বলেছেন: আর কি কি খাইলে গরম লাগতে পারে বলে আনার মনে হয়?
৪৩. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:৩৯
comment by: অতিথি বলেছেন: আদা'র সস, টমেটো জ্যুস ও অন্যান্য
৪৪. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:৪১
comment by: অতিথি বলেছেন: না না অন্য কিছু বলেন..
৪৫. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:৪৪
comment by: অতিথি বলেছেন: ডিম ভাজা, ডিম সেদ্ধ, ডিম পোচ (হাস, মুরগি ও কোয়েল ওনলি)। ব্রেড, বাটার, আপেল................খিদা লাগে!
৪৬. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:৪৭
comment by: অতিথি বলেছেন: এই বালতো প্রতিদিনই খাই!!
যাই ঘুমাই গা..
কামে দিবো।
শাহ ভাই কাইল আইসেন...
৪৭. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:৪৯
comment by: অতিথি বলেছেন: হাতের ব্যথায় ঘুমাইতে না পাইরা আছি রে বাহে, যান ঘুমায় লন
৪৮. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:৫০
comment by: অতিথি বলেছেন: নিদ্্রা সুখের হউক!!!
৪৯. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:৫০
comment by: সুর বাংলা বলেছেন: হেডামরা রাত্তির বেলায় কি বেহুদা কতাবাত্তা হুরু কইরলো!
গুম আইতেও দিবান না!
৫০. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:৫২
comment by: অতিথি বলেছেন: তুমারে কুন পুঙ্গির পুত মানা করছে।
যাও সোনা ধইরা ঘুমাই থাহো।।
৫১. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:৫২
comment by: অতিথি বলেছেন: আফনের কিতা ঝামেলা বাহে! চেচাও ক্যান মনু?
৫২. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:৫৮
comment by: অতিথি বলেছেন: জাি আমিও ঘুমাই। ভোর 5টা বাজে!!!
৫৩. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১২:৫০
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: বর্তমান প্রজ
৫৪. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১:২১
comment by: অতিথি বলেছেন: এত বড় লেখা পড়ে হাপ উঠে গেছে... যাই একটু হাটাহাটি করে আসি। ফাহাম কই লিখে? ভালো বিশেষন, অনেক গোছানো এবং বাস্তবসম্মত পর্যবেক্ষণ, যদিও অতিরিক্ত রাজনৈতিক।
৫৫. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: একমত ।
ভারতপ্রীতি ও ধর্মনিরপেক্ষতা ছাড়তে হবে ।
বৃদ্ধ রাজনীতিবিদদের অবসরে পাঠাতে হবে এবং নতুনদের জায়গা করে দিতে হবে ।
৫৬. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:৪১
comment by: অতিথি বলেছেন: উনি অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী, বিভিন্ন জায়গায় লেখে@ আস্তমেয়ে

ব্যকডেটেড কাকে কেন বলা হয়, সেটা আপনি-আমি ভালোই জানি, তাই অনুরোধ রাইট-আপ টা আবার পড়ুন, গুলাবেন না @ ফারহান দাউদ
৫৭. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:৫০
comment by: অতিথি বলেছেন: কি মিয়া ঘুম ভাঙ্গলো?গোসল করেছেন?
৫৮. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:৫৯
comment by: অতিথি বলেছেন: আহ! good morning!!!, নাহ্ একটু পরে যামু। আপনে দেহি চইলাই আইছেন?
৫৯. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৩:৫০
comment by: বন্ধনহীন বলেছেন: মূল লেখাটি কার?

 

 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৮৮৯৫