আমার প্রিয় পোস্ট
- ১৯৭১ : বীরাঙ্গনা অধ্যায় - আইরিন সুলতানা
- জেবীনের জন্মদিনে শিউলি ফুলের শুভেচ্ছা....... - জয়িতা
- েজবীন ফ্যান ক্লাবের শুভ উদ্বোধন এবং মহামতির জন্মদিন - আউলা
- মুর্তি লইয়া আমার প্রামান্য কথন ১: অপরাজেয় বাংলা - লাল দরজা
- ছাদের কার্ণিশে কাক - (শেষ পর্ব) - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- চাচামিঞার জাবর কাটা!! - চাচামিঞা
- নিপীড়ক শিক্ষক এবং নীতিমালার যৌক্তিকতা: মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া - নুশেরা
- প্রথম লজ্জা - মানুষ
- আমার বামহাতটা কব্জির নীচ থেকে উড়ে গিয়েছিলো ............... - হনলুলু
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ২৩ ( বাতাসে লাশের গন্ধ --রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ৯ ( তোমার চোখ এতো লাল কেন--নির্মলেন্দু গুণ ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- আমার সময়গুলো----- - বিষাক্ত মানুষ
- নবীনদের জন্য - নাদান
- নুপূর ....... (যাত্রী) - বিষাক্ত মানুষ
- ঘটকের পুথি ( ষড়যন্ত্রকারীদের জন্য জবাব) - নাদান
- নান্দু এন্ড ফুলি ----- (ষড়যন্ত্রমূলক পোস্ট) - বিষাক্ত মানুষ
- এসো ৭১ এর গল্প শোনাই সবাই মিলে - জ্বিনের বাদশা
- একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতনঃ কিছু সাক্ষীর বয়ান - রাশেদ
- বেগমগঞ্জ কালো পুলের বধ্যভূমি - মুকুল
- আমারেই পাবে তুমি ইহাদের ভীড়ে
(উৎসর্গ: প্রিয় ব্লগার মানুষকে) - মুকুল
- আমার কিছু প্রিয় পোস্ট (জ্বিনের বাদশা'র সেরা লেখা সংগ্রহের প্রচেষ্টায় মুকুলে'র দুই পয়সা)
- মুকুল
- ভালোবাসার এপাশ ওপাশ - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- শেষ বিকেলের রূপকথা - নাদান
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীকে নিয়ে কিছু কথা - অমি রহমান পিয়াল
- ডক্টর জাফর ইকবালের লেখা, মিরাজভাই, এ-টীম এবং নরাধমের কিছু কথা। - নরাধম
- আল বিদা ..................... - বিষাক্ত মানুষ
- আশা, নিরাশা এবং একজন আমি.... (প্রত্যাশার বছরটিতে দাঁড়িয়ে কিছু ব্যক্তিগত, অপ্রত্যাশিত, গুমোট পংক্তিমালা) - দেবদারু
- সামহোয়ার ইন এর নতুন রাইট প্যানেল - স্বপ্নদ্রষ্টা
- ভুল সময়ের রূপকথা - নাদান
- হে রাজাকার, তোমরা কুকুর হও - সামী মিয়াদাদ
- অভিনয় - দেবদারু
- মিথিলার চিঠি - বইপাগল
- হু ইজ ইন চায়না।? (জোকস্) - নাজিম উদদীন
- ব্যতিক্রম ভালোবাসা! - দেবদারু
- আমি সর্বদা একদিকে কাত হয়ে হেলে থাকি
- সামী মিয়াদাদ
- কিভাবে পোস্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করবেন? - হাসিন
- বিজ্ঞাপনোষ্টালজিয়া ... - অলৌকিক হাসান
- মা----- মাশীদের জন্য ( একটি বিদেশী গল্প থেকে নেয়া ) - সারিয়া তাসনিম
- দ্বন্দ্বে-দূরত্বে ভালোবাসা! - দেবদারু
- একটি অ-স্বীকারোক্তি! - দেবদারু
- সব কিছু তোমার জন্য নয় - মানুষ
- প্রাপ্তি সোনার জন্মদিনে বিহংগের আদর - বিহংগ
- একটি বোনের জন্য বাবার কাছে সে কি আকুতি ! - প্রচেত্য
- অলস ভোরের ভাবনা! - রাগ ইমন
- ডেথ অব আ জিনিয়াস : জহির রায়হান - অমি রহমান পিয়াল
- পেটে বিপুল গ্যাস, লিক হইলে শেষ! আমার রোজ নামচা:১৯/০৮/২০০৭! - উদাসী স্বপ্ন
মনসিন্দুকের এককণা
২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৬
দিনের পর দিন বাসের জানালা দিয়ে ভোরের লালচে কুসুম রঙা সূর্যটাকে ঘুম ঘুম চোখে দেখতে দেখতে কবে যে ওর প্রতি মোহাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছি নিজেই বুঝিনি। সুর্যের নানান রুপ এখনও টানে আমাকে। কষ্ট করে ঝিমিয়ে ঝিমিয়ে বাস স্ট্যান্ডে দাড়ালেও সিটে বসেই একেকদিন একেক লালগোত্রীয় রঙের, ঢঙের (থালাটা ধীরে ধীরে বৃত্তের গন্ডি ছেড়ে বেরিয়ে পড়তো) সূর্যিমামাকে দেখার জন্য আহলাদের ঘুম কোথায় যে পালাতো। ছোটবেলা সকালবেলার সাধের ঘুমের দরুন কতদিন যে একটুর জন্যে স্কুলবাস মিস করে মন খারাপ করেছি তার ইয়ত্তা নাই। নাহ্ , পড়াশুনোর জন্য না, স্কুল শুরুর আগের সময় আর ছুটির পরের জম্পেশ আড্ডার সময়গুলো মিস করলাম এই ভাবনায়। অন্যদের আগে স্কুলে যাওয়া আর দেরি করে বাসা পৌছানো স্কুলবাসের বদৌলতেই শুধু সে সুযোগটুকু এসেছিলো, অনেকসময় বিরক্তি আনলেও তার সাথে সুখস্মৃতি জড়িয়ে আছে অগনিত।
যাওয়ার পথের অসাধারন সকালটা উপভোগ করার পাশাপাশি স্কুল কেন্টিনে বিক্রীর জন্য রাখা গল্পের বইগুলো ফ্রি'তে পড়তে পাওয়া ছিলো বোনাস, এস্যাম্বলির আগে ফেরত দেবার শর্তে কতো কতো বই যে কেন্টিনের মামু'র কল্যানে পড়েছি!! আবার সবার আগে খেলার কোর্টগুলোর দখলও নিতাম আমরা বাসওলীরা। বাস্কেটবলের কোর্টটা থাকত খাঁ খাঁ, পিটিম্যাম জোর করে না আনলে তার ধারে কাছে ঘেষতো না কেউ, যদিও হাডুডু, চি-বুড়ি, কুতকুত- এর কোর্টগুলো দখল নেয়ার জন্য কত্তো কাড়াকাড়ি পড়ত।
বাসায় ফেরার সময়টা ছিলো দুনিয়ার মজার, গোমড়া মুখে সিট আকড়ে বসে থাকা নয়, সারাটা পথ সিট ধরাধরি মারামারি লেগেই থাকত, প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল সিট আর মাত্রাতিরিক্ত যাত্রী থাকত সবসময়। ছোটকালে খারাপ লাগত, দাড়িয়ে ঘুমাতে দারুন অপছন্দ আমার, কিন্তু ওই কাজটাই করতে হতো অগত্যা। সেই ভোর ছয়টায় উঠে সারাটা সময় হুটোপুটি (লেখাপড়া বললাম না) সেরে সাড়ে তিনটায় বাড়ি ফিরলে বাসে তো ঘুম আসাই স্বাভাবিক। অথচ এই সহজ ব্যাপারটা বুঝতো না সিনিয়র আপুগুলো, খোচাঁখুচিঁ চলত তুমুল। তাদের কাছ থেকে পাওয়া সবচেয়ে সুন্দর মন্তব্য হলো - "এই আসছে টাট্টুঘোড়া ম্যারাথনে নামতে"। অনেক বিরক্ত হতাম, তখন কি ছাই জানতাম ঘোড়া দাড়িয়ে ঘুমাতে পারে!!! ঘুমের ঘোরে কতদিন যে আমাকে নির্দিষ্টের চেয়ে পরের স্টপেজে নামতে হয়েছে। আমাদের বাস ড্রাইভার ছিলেন বিহারী একজন, যার মুখটাকে এখন আমি মেলাই হিন্দীছবির অভিনেতা ওমপুরি'র প্রথমকালের সাথে, যখন তার মুখে দেড়'দু কেজি মাংশ অনায়াসে লাগানো যেতো দাগ পূরন করতে। অনেক কড়া ছিলেন ভালোই ধমক দিতেন আমাদের। আমার উল্টোপাল্টা কান্ডে হুমকি দিতেন অহরহই - "আব্বে! এ কল্লামপুরিয়া, থোমার নামে হামি ম্যাডোমের কাছে রাপোট করিবো", যদিও সে রিপোর্টের কার্যকারিতা দেখিনি কখনও। আমাদের রুটটাতে বাসে কোন টিচার আসতেন না, তাই উনিই আমাদের শাসনে আদরে আগলে রাখতেন, "মেয়েরা এমন করে না! এই চেচাঁমেচি বেশি হচ্ছে! ওমুক সিটের ওমুক, জানালা দিয়ে আর ঝুকবে!!!"
আস্তে আস্তে বড় হলাম, বাসায় ফিরে আসার সময়টা তখন মজাই মজা। কতো কতো দুষ্টুমি, শেষের সিটগুলো দখল করে বেসুরো গানের হুল্লোড়। আমাদের খুব ইচ্ছে করতো বাসের দরজায় দাড়িয়ে হেলপারি করার, হেলপাররুপি বুয়াটাকে একটু সাহায্য করার। কিন্তু যতবারই বলতে যেতাম ধমক অনিবার্য ছিলো। তাও তাও জিজ্ঞাসা করতাম, আশা ছিলো একবার না একবারতো হ্যা বলতেই পারেন, আর আমরাও আদমজী'র ছেলেগুলোর মতো নিজেদের বাসের দরজায় ঝুলবো, ধমাধম বাসে চাপড় দিবো। আদমজী'র বাসের সাথে কিযে অদ্ভুত দ্বন্দ ছিলো! আমাদের বাস দেখলেই তাদের স্পিড হয়ে যেত তুমুল, আর আমাদের বেরসিক ড্রাইভার দিতো আমাদের বাসের স্পিড কমিয়ে। তবে একবার জাহাঙ্গীর গেটটার কাছে জ্যামে পড়ে আমাদেরটা ছিলো সামনে আর ওরা পেছনে আর জ্যাম ছাড়তেই দেখা গেল আমাদের বাস স্টার্ট হচ্ছে না, আমাদের প্রেস্টিজের চৌদ্দটা বেজে গেল, কিছুপরেই আমাদের খুশি দেখে কে যখন বুঝলাম ছেলেরা বাস না ধাক্কা দিলে সামনে যেতে পারবে না। অনেক গাইগুই করে রাগিমুখ নিয়ে ওদের বাসধাক্কা আর পেছনের জানালা দিয়ে আমাদের মুখ ভেংচি - অনেকদিনের মজার টপিকস ছিল আমাদের।
অনেকপরে জেনেছিলাম, আমার জীবনের সবচেয়ে অন্যতম বৃষ্টি ভেজার আর বাসের হেলপারি করার (ক্লাশ টেনের শেষদিন ওই সুযোগ পেয়েছিলাম আমরা) স্মৃতিময় ওই বাসের ড্রাইভার ছিলেন আমাদেরই এক ক্লাশমেটের নানা। আমাদের প্রতি তার আদরের কারনও কি তাই ছিল কিনা কে জানে, তবে এখনও মনে পড়ে ওনার আদুরে ধমক - "আব্বে! এ কল্লামপুরিয়া, থোমার নামে হামি ম্যাডোমের কাছে রাপোট করিবো"।
রাতমজুর বলেছেন:
টাট্টুঘোড়া!!! ঠিকাসে, মনে থাকবে নামটা লেখক বলেছেন: ওইটা বেশিদিন থাকেনি.....![]()
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন:
দারুণ লাগলো
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মেহরাব....![]()
লেখক বলেছেন: আমাদের উল্টা, যতদিন গেছে ভাব বেড়ে চক্রাহারে.....![]()
রাতমজুর বলেছেন:
আমি দিনের বেশিটা থাকতাম সাইকেলের উপরে, স্কুল, লাইব্রেরী
অখন সাইকেল ধরলে হাত কাঁপে
লেখক বলেছেন: হুমম...
সুরভিছায়া বলেছেন:
জার্নি বাই বাস,এখন পরীক্ষায় এলে দেখবেন কত ভাল লিখি। এখান থেকে কপি করা আর কি।ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: এতোবড় লেখা পড়ার জন্য থ্যাংস.....![]()
জার্নি বাই বাসের আসল বান্দরামি কিন্তু উল্লেখই করিনি ![]()
লেখক বলেছেন: আদমজী বয়েজ.....আর আমাদেরটা তাদের প্রতিবেশী গার্লস স্কুল...![]()
রাতমজুর বলেছেন:
কলেজে অবশ্য বাসে ছিল মেয়েদের রাজত্ব, ছেলেরা এড়িয়ে চলতো কলেজবাসে যাতায়াত, মেয়েগুলো ছিল সাক্ষাৎ যম, বাসে, ছেলেগুলারে পঁচিয়ে ছাড়তো বাগে পেলে লেখক বলেছেন: হ!!
লেখক বলেছেন: বুদ্ধির ঢেকি আফা.....অন্যখানে বিজি ছিলাম....মার্জনা করিবেন....![]()
লেখক বলেছেন: বুদ্ধির ঢেকি আফা.....অন্যখানে বিজি ছিলাম....মার্জনা করিবেন....
---------------------------------------------------------------------------------
অন্যখানে বিজি!! ঘটনা কি!! ও ও বুঝেছি ঠিকাছে আর বিরক্ত করবো না
লেখক বলেছেন: ![]()
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
ভালোই মজা কর্ছো !!আমার ছোটটা অবশ্য বাসে যাইতো না । তবে মাঝে ওকে দিয়ে বা নিয়ে আসতে হতো .. তখন বাসটা দেখতাম ।
(ছোট বোনের সামনে দেইখ্যা কিছু কইতাম না ... নইলে .. )
লেখক বলেছেন: ভেতরে আসতে না?...আমাদের মাঠটা খুব খুবই দারুন ছিলো.....ছিল বলছি কারন এখন অনেক ছোট করে ফেলা হইছে....
বোকামাষ্টার বলেছেন:
"অন্যখানে বিজি!! ঘটনা কি!! ও ও বুঝেছি ঠিকাছে আর বিরক্ত করবো না - আফাগো আমি তো বোকা মানুষ, বুজি নাই। এট্টু বুজায়া দিবেন? আফনে কি আদমজীর ছেলেগুলার সাথে ...?
খুব সুন্দর, প্রাঞ্জল ও খোলামেলা অনুভূতির প্রকাশ। ভালো লাগলো খুব। ধন্যবাদ আপনাকে।
আমার ভাই কপালটাই খারাপ। পড়েছি ওয়েষ্ট এন্ড হাই স্কুলে, কোন বাস ছিলোনা (এখনো বোধহয় নাই)। এরপর বিজ্ঞান কলেজে, ওখানেও বাস নেই। তাই এমন মিষ্টি কোন স্মৃতিও নেই। ঈর্ষা হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: বোকা মাষ্টার উল্টা বুঝে কেন?...![]()
সবারই ছোট্ট ছোট্ট মজার স্মৃতি থাকে, বাস না হোক কি হয়েছে...
পড়ার জন্য ধন্যবাদ......
লেখক বলেছেন: ফারহানের ভাব ভাঙানো কি ঠিক কাজ হচ্ছে?....![]()
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
"আব্বে! এ কল্লামপুরিয়া, থোমার নামে হামি ম্যাডোমের কাছে রাপোট করিবো"হা হা হা হা
লেখক বলেছেন: আমার অলটাইম ফেবরেট ডায়লগ এটা......![]()
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
ভিতরে গেছি অনেকবার । মাঠটা ভালোই ছিলো .. তবে ফাঁকা মাঠের চাইতে ভরা মাঠ বেশি জোস । লেখক বলেছেন: হা, যে সময় তুমি যেতে মাঠ ভরাই থাকত....![]()
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
@বোকামাস্টার - বিজ্ঞান কলেজ কোন ইয়ার ?
রাজর্ষী বলেছেন:
ভালো লাগসে পড়তে। ছবিটা ঝাক্কাস হইসে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ......![]()
নুশেরা বলেছেন:
খুব সুন্দর লেখা।
লেখক বলেছেন: আমার না পোষ্টের নাম আর ছবি খুজে পেতে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়, বন্ধুদের সাহায্য ছাড়া আমি পারি না। কিন্তু আপনার কলেজের পোষ্টটায় কমেন্ট করার পর এই নামটা মনে ঢুকল আর খুব সহজেই নিজে নিজেই ছবিও খুজে পেলাম...........![]()
ধন্যবাদ আপনাকে ওই দারুন লেখাটার জন্যে নইলে এটা লিখতামই না হয়ত......
মানবী বলেছেন:
ভাবছিলাম "মন সিন্দুক" নিয়ে কিছু লিখবো, এমন সময় ব্লগে এসে এই শিরোনামটি দেখে চমকে উঠেছি!!!সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ আপুমনি।
লেখক বলেছেন: প্লীজ লেখেন.....
আমাদের মনসিন্দুকের আনাচে কানাচে দু:খে স্মৃতিগুলোকে আস্টেপৃষ্টে জড়িয়ে রাখে অনেক অনেক হয়ত তুচ্ছ সু:খ স্মৃতি, যে গুলো দু:খের বাধা ডিঙিয়ে চলার পথ করে দেয়.......
সবারই আছে ওমন নানান রঙের স্মৃতি......![]()
লেখক বলেছেন: আছি ভালো..........![]()
লেখক বলেছেন: এত্তো দেরিতে পোষ্টে চিকন মিয়ার হাজিরি কিন্তু অবাক করে....লাগে যে কি নাই নাই....![]()
লেখক বলেছেন:
...আমার কোন নাম ঠিক করার অক্ষমতা আছে মারাত্নক রকমের...![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ........![]()
আবু বরকত বলেছেন:
সাবলীল। চালিয়ে যাও। ...
লেখক বলেছেন: মনে আছে, তোমার সাথে কথার শুরু বিকেলের কনেদেখা আলো নিয়ে? ..... .........
ধন্যবাদ......পড়ার জন্য ![]()
লেখক বলেছেন: ভালই লাগিছে জানিয়া ভালই লাগিছে .... ![]()
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু থ্যাংকু........
![]()
বিহংগ বলেছেন:
তবে একবার জাহাঙ্গীর গেটটার কাছে জ্যামে পড়ে আমাদেরটা ছিলো সামনে আর ওরা পেছনে আর জ্যাম ছাড়তেই দেখা গেল আমাদের বাস স্টার্ট হচ্ছে না, আমাদের প্রেস্টিজের চৌদ্দটা বেজে গেল, কিছুপরেই আমাদের খুশি দেখে কে যখন বুঝলাম ছেলেরা বাস না ধাক্কা দিলে সামনে যেতে পারবে না। অনেক গাইগুই করে রাগিমুখ নিয়ে ওদের বাসধাক্কা আর পেছনের জানালা দিয়ে আমাদের মুখ ভেংচি - অনেকদিনের মজার টপিকস ছিল আমাদের।হাঃহাঃহাঃ
কী খবর।
লেখক বলেছেন: অনেক দিন পর দেখে ভাল লাগছে অনেক...........![]()
মানুষ বলেছেন:
আহারে! পুরান দিনের কথা মনে পড়ে গেল।
লেখক বলেছেন: কোন কোন বান্দরামির কথা মনে পড়ল??? ![]()
লেখক বলেছেন: তাতো বুঝিই...তবে হালকার উপর ঝাপসা কিছু জানাইও....![]()
লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ.....![]()
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
খুবই প্রাঞ্জল স্মৃতিচারন। অনেক স্মৃতিকথা পড়তে পড়তে যে কখন ঘুমিয়ে পড়েছি.....ঈমানে বলতেছি আপু, দারুন লাগছে।
এইবার জবাবে একটা কোবতে দিয়া দেন..আগেরটার মতো...
সাইফুর বলেছেন:
ম্যাডাম কেমন আছেন?


















