ভি ও আই পির ক্ষেত্রে বিল এর হিসাব রাখা হচ্ছে প্রথম কাজ।
বিল হিসাব ঠিক মত না রাখতে পারলে ব্যবসা করা সম্ভব না। যেমন কত মিনট কল আসল বা গেল এমন কি প্রতি সেকেন্ডর হিসাব ও ঠিক ঠাক মত রাখতে হয়। মার্কেটে ১০০ টাকার কার্ডে যদি ৯০ টাকার কথা বলতে দেন তাহলে কাস্টমারা লাঠি নিয়ে তেড়ে আসবে অথবা ১১০ টাকার কথা বলতে দিলে আপনার নিজের পকেট থেকে টাকা গুনতে হবে। আবার একটেলের মত ৫ মিনিটে যদি ২৫ মিনিটের টাকা কেটে নিয়ে যান তাহলে ও আপনার কর্ড কেউ কিনবে না।
তাই আপনাকে অবশ্যই বিল হিসাব ঠিক মত রাখতে হবে।
ভি ও আই পি বিলিং - এর মূল কাজ হচ্ছে কল লগ বা কল এর বিল হিসাব রাখা। এ ছাড়া ও কলিং কার্ডর জন্য পিন তৈরী, ইউজার/গেটওয়ে/আইপি ফোন আথেনটিকেশন/অথরাইজেশন ইত্যাদি।
বর্তমান বিলিং গুলো আরও অনেক কাজ করে থাকে।
প্রত্যেক বিলিং সর্ভারে মূলত ৩ টি অংশ থাকে
১। ডাটাবেজ
২। রেডিয়াস
৩। ওয়েব ইন্টারফেস
১। ডাটাবেজ - ডাটাবেজ মূলত বিলিং সংস্লিস্ট সকল ডাটা জমা রাখে। বিশ্বের বেশির ভাগ বিলিং সার্ভার ই ফ্রি হওয়ায় MySQL Database ব্যবহার করে।
২। রেডিয়াস - RADIUS (Remote Authentication Dial In User Service) মূলত Authorization and Accounting (AAA) এর কাজ করে থাকে। এই কাজ গুলো ডাটাবেজে সংরক্ষিত ডাটার উপর নির্ভর করে করে থাকে। যেমন - কোন গেটওয়ে/সোর্স থেকে কল আসতে পারবে এবং কোনটি থেকে আসতে পারবে না, মিনিমাম কত ব্যলেন্স থাকলে কল আসতে পারবে। নিদৃষ্ট কোন সোর্সকে ব্যারেড করা ইত্যাদি। তবে অনেক এডভান্ড বিলিং আরও অনেক বেশি সুবিধা দিয়ে থাকে।
৩। ওয়েব ইন্টারফেস - Web Interface Administration ও ইউজারের বিল, রিপোর্ট দেখা এবং ইনভয়েস ইত্যাদির জন্য ব্যবহৃত হয়। ফিজিক্যালি যে কাজ গুলো সার্ভারের সামনে বসে করা যায় সেই কাজ গুলোই ওয়েব থেকে করা যায়। তবে বেশিরভাগ বিলিং এর ই এপিআই নাই, ওয়েব থেকে সব করতে হয়।
পরবর্তী পর্বে কিছু বিলিং সলিউসন নিয়ে আলোচনা করব।
চলবে...........

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



