আমাদের আশে পাশে যেসব এইডস রোগী আছে তাদের প্রতি সহানুবুতিশিল হোন।
এইচআইভি/এইডস বিষয়ে সচেতনতামূলক তথ্য
এইচ আইভি হলো এমন একটি জীবাণু যা এইডস রোগের সৃষ্টি করে এবং মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
এইডস হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে রোগী কাজ কর্ম করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। স্বাভাবিক চলাফেরাও করতে পারে না। অন্য রোগ সহজেই তাকে কাবু করে, এক পর্যায়ে রোগীর মৃত্যু হয়।
এইডস হলে মুত্যু হবেই, তবে রোগে আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মৃত্যু নাও হতে পারে।
এইডস রোগীর সঙ্গে কাজ, চলাফেরা কিংবা স্বাভাবিক মেলামেশা করলে অন্যের এইডস হয় না, কারণ এইডস কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়।
এইডস রোগীর থালা-বাসনে খেলে, বিছানা, বালিস, পায়খানা, ল্যাট্রিন ব্যবহার করলে এইডস হয় না।
এইডস রোগী হাঁচী কাশি, থুথুর মাধ্যমে বা মশা-মাছির মাধ্যমে অন্য কারো শরীরে এই রোগ ছড়াবে না, তাই এইডস রোগীকে ঘৃণা না করে সেবা করা উচিত।
এইডস রোগীকে পরিবার, সমাজ বা স্বজনরা দূরে ঠেলে না দিয়ে তার উপযুক্ত চিকিৎসা, সেবা ও যত্ন দিয়ে তাকে মানসিক ভাবে ভাল রাখার চেষ্টা করা।
এইডস রোগীর সঙ্গে কোনো রকম জন্ম নিরোধক (কনডম) ছাড়া যৌন মিলনের মাধ্যমে এইডস ছড়ায়, আবার এইডস রোগী রক্ত বা রক্তজাত পদার্থ কেউ যদি তার শরীরে নেয় তাহলেও এইডস হতে পারে।
এইডস রোগীর ব্যবহার করা সূচ, সিরিঞ্জ বা ঘা (ক্ষত) সৃষ্টিকারী যন্ত্রপাতি যেমন ছুরি, ব্লেড, ডাক্তারি কাঁচি জীবাণুমুক্ত না করে ব্যবহার করলে এই রোগ অন্যের শরীরে সহজেই ছড়ায়।
এইডস রোগের মেয়ে, মহিলা বা নারী গর্ভবতী হলে তার পেটের সন্তানের এইডস হতে পারে, সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় বা বুকের দুধ খাওয়ালেও শিশুটির এইডস হতে পারে।
পরিবারে আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধব, পাড়া-প্রতিবেশি বা গ্রাম-মহল্লায় এইডস রোগী থাকলে তাকে অবহেলা এবং দূর্ব্যবহার না করে তাকে মানসিকভাবে সুস্হ রাখা প্রত্যেকেরই মানবিক দায়িত্ব।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

