রাজাকারদের ঘৃনা করুন, এইডস রুগীদের প্রতি সহানুভুতিশীল হোন
০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:২০
আমাদের আশে পাশে যেসব এইডস রোগী আছে তাদের প্রতি সহানুবুতিশিল হোন।
এইচআইভি/এইডস বিষয়ে সচেতনতামূলক তথ্য
এইচ আইভি হলো এমন একটি জীবাণু যা এইডস রোগের সৃষ্টি করে এবং মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
এইডস হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে রোগী কাজ কর্ম করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। স্বাভাবিক চলাফেরাও করতে পারে না। অন্য রোগ সহজেই তাকে কাবু করে, এক পর্যায়ে রোগীর মৃত্যু হয়।
এইডস হলে মুত্যু হবেই, তবে রোগে আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মৃত্যু নাও হতে পারে।
এইডস রোগীর সঙ্গে কাজ, চলাফেরা কিংবা স্বাভাবিক মেলামেশা করলে অন্যের এইডস হয় না, কারণ এইডস কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়।
এইডস রোগীর থালা-বাসনে খেলে, বিছানা, বালিস, পায়খানা, ল্যাট্রিন ব্যবহার করলে এইডস হয় না।
এইডস রোগী হাঁচী কাশি, থুথুর মাধ্যমে বা মশা-মাছির মাধ্যমে অন্য কারো শরীরে এই রোগ ছড়াবে না, তাই এইডস রোগীকে ঘৃণা না করে সেবা করা উচিত।
এইডস রোগীকে পরিবার, সমাজ বা স্বজনরা দূরে ঠেলে না দিয়ে তার উপযুক্ত চিকিৎসা, সেবা ও যত্ন দিয়ে তাকে মানসিক ভাবে ভাল রাখার চেষ্টা করা।
এইডস রোগীর সঙ্গে কোনো রকম জন্ম নিরোধক (কনডম) ছাড়া যৌন মিলনের মাধ্যমে এইডস ছড়ায়, আবার এইডস রোগী রক্ত বা রক্তজাত পদার্থ কেউ যদি তার শরীরে নেয় তাহলেও এইডস হতে পারে।
এইডস রোগীর ব্যবহার করা সূচ, সিরিঞ্জ বা ঘা (ক্ষত) সৃষ্টিকারী যন্ত্রপাতি যেমন ছুরি, ব্লেড, ডাক্তারি কাঁচি জীবাণুমুক্ত না করে ব্যবহার করলে এই রোগ অন্যের শরীরে সহজেই ছড়ায়।
এইডস রোগের মেয়ে, মহিলা বা নারী গর্ভবতী হলে তার পেটের সন্তানের এইডস হতে পারে, সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় বা বুকের দুধ খাওয়ালেও শিশুটির এইডস হতে পারে।
পরিবারে আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধব, পাড়া-প্রতিবেশি বা গ্রাম-মহল্লায় এইডস রোগী থাকলে তাকে অবহেলা এবং দূর্ব্যবহার না করে তাকে মানসিকভাবে সুস্হ রাখা প্রত্যেকেরই মানবিক দায়িত্ব।
লেখক বলেছেন: এইডস এবং রাজাকার প্রতিহত করুন
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
গেল্মান খেল্লেও কি এইডষ হৈতারে?
অরণ্য আনাম বলেছেন:
ভাই কেন যে আপনি হুদা কামে এই সব বিশ্ব এইডস প্রচারক দের এইখানে আনছেন...হেরা তো আমাগো মাঝে এইডস ছড়াইবো..জানেন না, এই খানে অনেক আফা-খালাম্মারা আছে
লেখক বলেছেন: বিশ্ব এইডস প্রচারক
![]()
কৌশিক বলেছেন:
একটা জায়গায় আপনি ভুল করছেন। এইডস রোগীদের প্রতি ঘৃনা উৎপন্ন হতে পারে এমন পোস্টে। রাজাকারদের যেভাবে মানুষ ঘৃনা প্রদর্শন করে এইডস রোগীদের ক্ষেত্রে তেমন হোক সেটা কাম্য নয়। দুটো বিষয়কে একত্র করার এইডস প্রিভেনশনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলবে বলে আমি মনে করি।
বৃষ্টি ভেজা সকাল বলেছেন:
কিতা বাত মাত?????
টিউলিপফুল বলেছেন:
আপনে এইডস রোগিদের ঘৃনা করতে বলছেন? এবসার্ড।
লেখক বলেছেন: ছাগল নাকি?
উন্মোচক বলেছেন:
এরকম মিথ্যাচার তো শয়তানেও বিশ্বাস করবে না!মিথ্যাচার করে কাউকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হলে তা বুমেরাং হয়।
লেখক বলেছেন: কেমন আছত, ওয়ালি বিন কামারু?
পথিক মানিক বলেছেন:
সমাজে এইডসের বিস্তারে এই সকল রাজাকারদের জন্য ফায়ারিং স্কোয়াডের কোন বিকল্প হতে পারে না।
পথিক মানিক বলেছেন:
সমাজে এইডসের বিস্তার রোধে এই সকল রাজাকারদের জন্য ফায়ারিং স্কোয়াডের কোন বিকল্প হতে পারে না।
জহির আহমেদ বলেছেন:
ড়াজাকারদের ঘৃণা করুন।
আলিফ দেওয়ান বলেছেন:
রাজাকার আর এইডস পতিরুদ কর বাথিজারা। নিজা শুয়াড় আর মুজা শুয়াড় দুইদিন আগে জেল কাঠি আসিয়াছে। হুষিয়াড়। উহাদের গেল্মান গিজগিজ করিতেছে সামুবলগে। তাহাদের সহিত কুন যোন সম্পক্ক ইস্থাপন করিউ না। পুন্দাইথে ইচ্চা করিলে তাহাদিগকে কঞ্চি ডুখাই পুন্দাউ।বলগে দুইটি বহিশ্কৃথ রাজাকারের ছাও উন্নত ভিশ্বে তাকি বেপখ পুন্দাপুন্দি করিতেছে। উহাদের এইডস হইয়া থাকিবেক।



















এইডস একটা জটিল ইস্যু মানব জাতির জন্য ।
এরসাথে রাজাকারদের জড়ানো ঠিক না ।