somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... অপেক্ষায় টুঙ্গিপাড়া
সংযোজন :
ব্লগার "গল্পসল্প" এর একটা তথ্যবহুল পোষ্ট :

টাইটেল : সেদিন যা ঘটেছিল

Click This Link

নিচের লেখাটা প্রথম আলো থেকে কপি পেষ্ট করা :
স্বীকারোক্তি : লেখাটা আজকে প্রথম আলোতে প্রকাশিত হয়েছে ।

‘বঙ্গবন্ধু পড়তেন ক্লাস এইটে, আমি পড়তাম ক্লাস সেভেনে’—বাঁশুরিয়া গ্রামের অশীতিপর আবদুল মান্নান গর্ব করে বলেন। গ্রামপুলিশের পোশাক পরে তিনি বসে আছেন একটা বেঞ্চে, পেছনে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পুলিশ ভবন, সামনে বাইগার নদীর কাটা গাঙ, তাতে নৌকাও ভাসছে, গ্রামের নাম টুঙ্গিপাড়া।
শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান আর সমাধিস্থল হিসেবে এখন সবার পরিচিত গোপালগঞ্জের এই টুঙ্গিপাড়া।
‘বঙ্গবন্ধুর দাফন-কাফনের কথা মনে আছে?’ স্মৃতি তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করে, নাকি ইতিহাস তাঁর মনে জট পাকিয়ে ফেলেছে; আবদুল মান্নান বলেন, ‘পাকিস্তানি মিলিটারিরা তাঁকে মারছে, তারপর হেলিকপ্টার নিয়ে আসছে, ভয়ে পালায়ে গেছি, কাছে আসি নাই, বাড়ি পুড়ায়া দিছল না?’ ১৯৭১ সালে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে আগুন দিয়েছিল পাকিস্তানি সেনারা, কিন্তু পঁচাত্তরে পাকিস্তানি মিলিটারি আসেনি, যারা এসেছিল, তারা বাংলাদেশের—এ কথা তাঁকে বোঝানোই যায় না।
গত ১৭ নভেম্বর গোপালগঞ্জ শহর আর টুঙ্গিপাড়া এলাকার একাধিক প্রবীণ ব্যক্তির মুখ থেকে প্রায় একই কথা শোনা গেল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে রেডিওতে শেখ মুজিবের হত্যার ঘোষণা মেজর ডালিমের কণ্ঠে শোনার পর গ্রামবাসীর অনেকেরই নাকি প্রথমে মনে হয়েছিল, পাকিস্তানি সেনারাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। সঙ্গী আলোকচিত্রী নাসির আলী মামুন আর সাংবাদিক সুব্রত সাহা মিলে আমরা আলোচনা করি, বঙ্গবন্ধু যেমন বিশ্বাস করতে পারতেন না, কোনো বাঙালি তাঁকে হত্যা করতে পারে। দেশ-বিদেশের গোয়েন্দাদের সাবধান বাণী উপেক্ষা করে তিনি বলতেন, ‘সবাই আমার সন্তান, ওরা কীভাবে আমাকে মারবে।’ এই গ্রামবাসীও তেমনিই ভেবেছিল। বঙ্গবন্ধুকে মারতে পারে কেবল পাকিস্তানি সেনারা, কাজেই তাঁকে হত্যা করার পর তাঁর লাশ নিয়ে যারা এসেছে, তারাও পাকিস্তানি।
বঙ্গবন্ধুর সমাধি চত্বরে দাঁড়িয়ে কাঠমিস্ত্রি আইয়ুব (৫১) বলেন, ‘রেডিও তো তখন বেশি ছিল না। আমার বয়স তখন ১৭। আমি শুনছি আমার মনে আছে।’ তারপর তত্কালীন রাষ্ট্রপতির গ্রামের বাড়িতে স্থাপিত ওয়্যারলেস যন্ত্রে নির্দেশ আসে ছয়-সাতটা কবর খোঁড়ার। আবার নির্দেশ আসে, একটা কবর খুঁড়তে হবে। কাঠমিস্ত্রি আইয়ুবকে ধরে আনা হয়েছিল হেলিকপ্টারে মৃতদেহটা আসার পর, পেরেকবিদ্ধ কফিনটা খুলতে। পেরেক খুলে তিনি দেখলেন ভেতরে বরফ দেওয়া লাশ, বুকে ক্ষত, হাতের আঙুল উড়ে গেছে। ওই গ্রামের নারীরা এখনো সেই সময়ের কথা মনে করে শিউরে ওঠেন। যাঁদের কবর খুঁড়তে আর জানাজা পড়তে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তাঁদের স্ত্রী আর মায়েরাও ভেবেছিলেন, পাকিস্তানি সেনারা আবার এসেছে একাত্তরের মতো, তাঁদের স্বামী-সন্তানেরা বোধহয় আর ফিরবেন না!
৮৬ বছরের আবদুর রাজ্জাক, সত্তরোর্ধ্ব সোহরাব আলী শেখসহ আরও গ্রামবাসী জমায়েত হন চত্বরটিতে। তাঁরা স্মৃতিতর্পণ করেন ৩৪ বছর আগের ১৬ আগস্টের সেই দিনটির:
“আকাশে একটা হেলিকপ্টার চক্কর দিচ্ছে। ‘মেজর’ বারবার বলছেন, টাইম কত লাগবে। তাড়াতাড়ি করো। ইমাম সাহেব বললেন, যদি বলেন শহীদের মৃত্যু, তাহলে গোসল লাগবে না, তা না হলে তো গোসল করাতে হবে। ৫৭০ সাবান এল। রিলিফের শাড়ি আনা হলো দুটো, একটা লালপেড়ে, আরেকটা কালো, পাড় ছিঁড়ে তৈরি হলো কাফনের কাপড়। ‘মাইঝা চাচি আইলেন, উনি ভয় পান নাই, গালি পাড়তে লাগলেন, হারামিরা, তোমরা আমার বাবারে মাইরা তারপরে আনছ’?”
সমবেত গ্রামবাসী বঙ্গবন্ধুর কথা বলেন আর স্মৃতিকাতর হন। ব্রিটিশ আমলে দুর্ভিক্ষের সময় ছাত্র মুজিব এলেন কলকাতা থেকে, পিতা শেখ লুত্ফর রহমানকে বললেন, ‘আব্বা, তোমার গোলায় দেখি ধান, গ্রামের মানুষ তো না খেয়ে।’ ‘ওই জায়গাটায় ছিল গোলাটা’—প্রবীণ কথক আঙুল উঁচিয়ে দেখান, ‘শেখ সাহেব উঠে গোলার বেড়া কেটে দিলেন, ধান পড়তে লাগল, পাটগাতি ইউনিয়নের লোকেরা সেই ধান কোছা ভরে ভরে নিয়ে গেল।’ আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমি নিজে মেপে দিয়েছি, কথা ছিল পরে যখন সংগতি হবে, এই ধান গ্রামবাসী ফেরত দেবে। কেউ কি আর ফেরত দেয়!’
তাঁর ঋণ কেই বা ফেরত দিতে পারবে? গোপালগঞ্জ শহরে নজরুল ইসলাম লাইব্রেরিতে বসে গ্রন্থাগারিক মইনউদ্দিন (৭৬) আর মধুপুরের তোতামিয়া (৬০) সেই কথাই বলাবলি করেন।
বঙ্গবন্ধু আর তাঁর পিতা-মাতার সমাধিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে সুপরিকল্পিত সমাধিসৌধ। হরদম দর্শনার্থীরা আসা-যাওয়া করছে। একদা যে পল্লীটি ছিল নিভৃততম, তা আজ সরগরম। বঙ্গবন্ধুর সমাধির পাশে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে বারবার মনে পড়ে কবি নির্মলেন্দু গুণের কবিতার লাইন, ‘আজ আমি কারও রক্ত চাইতে আসিনি, আমি আমার ভালোবাসার কথা বলতে এসেছিলাম।’]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29045938 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29045938 2009-11-19 09:15:03
জন্মদিন ও কিছু খন্ড স্মৃতি ...!
"তোমার শুভো জন্মদিন" এই ছোট্ট বাক্যটার সাথে এখন পরিচিত হতে শিখেছি! অথচ জীবনের
শুরু থেকে অনেক গুলো বছর চলে গেছে কিন্তু জন্ম দিনটা কখনো টের পাইনি! অন্য সব স্বাভাবিক দিনের মত এই দিনটাও প্রতি বছর কেটে গেছে।
আমি নিজেও ভুলে যেতাম কবে আমার জন্মদিন!
আসলে আমি যে পরিবারে বড় হয়েছি সেখানে এগুলোর কোন চর্চা নেই তবে তার জন্য আমার মোটেও ক্ষোভ নাই,এটা খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যপার । <img src=" style="border:0;" />
আমার জন্মদিনের তারিখ স্বরনে আসা শুরু করেছে কয়েক বছর আগে থেকে। দেশের বাইরে গ্রাজুয়েশন করে আসার পর আমার ঢাকায় থাকার প্রয়োজন পরে,
কিন্তু তখন ঢাকায় থাকার মত তেমন কোণ জায়গা আমার ছিল না।
ঠিক সেই সময় ঢাকায় পোষ্টিং হয় আমার দাদার বড় নাতি, বড় চাচার বড় ছেলে। উচ্চ পদস্ত আমলা, মিরপুর ন্যাম গার্ডেনে সরকারি কোয়ার্টার।
যাইহোক সাময়িকভাবে ভাবীর বাসায় উঠে পড়লাম, কিন্তু সেই যে উঠলাম আর বের হয়নি। হিহি
ভাবীর ২ টা ছেলে। বড় ছেলে নর্থ সাউথ ইউনিতে আর্কিটেকে পড়ছে, ছোট ছেলে এই বছর থেকে পাবনা টেকনিকাল ইউনিতে বিবিএতে ।
ভাবীর বাসায় জন্মদিনের চর্চা তার সন্তানের জন্মের পর থেকেই আর আমার জন্মদিনের চর্চা ভাবীর বাসায় যাবার পর থেকে।
আমার নিজের মনে থাকত না, কিন্তু ভাবী ঠিকই মনে রাখত, ঠিক রাত ১২ টার সময় আমার কাছে এসে ঠিকই উইশ করত। আমি ঘুমিয়ে গেলে ডেকে তুলে উইশ করত!
আর পরের দিন তার নিজ হাতে বিশেষ কিছু রান্না। প্রথম বার আমি অফিস থেকে বাসায় এসে দেখি অনেক রকম রান্না বান্না করে রেখেছে । ভাবীকে জিজ্ঞেস করলাম ভাবী এগুলা কিসের আয়োজন ? ভাবী মিষ্টি হেসে বলল, এমনিতেই করলাম সবাই খাব বলে।
কিন্তু, একটূ পরেই বুঝেছিলাম আমার জন্মদিন উপলক্ষে তার এই আয়োজন।
সেদিন আমি খুবই পুলকিত হয়েছিলাম। এভাবেই শুরু । আমার ছোট ছেলেটা (ভাবীর ছোট ছেলে, নাম আবু কোহাফা) কখনো ভুলত না! তার স্বরনশক্তি সাংঘাতিক, সে ঠিকই সবার আগে মনে করিয়ে দিত,"চাচা আজ তোমার জন্মদিন"।
কিন্তু আমি সাংঘাতিক ভুলো মন। <img src=" style="border:0;" />
এবারো আমার ছোট ছেলে(কোহাফা)র জন্মদিন ভুলে গেছি!অক্টবারে ছিল! কিন্তু কিছুতেই ডেট-টা শিওর হতে পারলাম না,তাকে জিজ্ঞেসও করতে পারলাম না! <img src=" style="border:0;" />
সেও ইচ্ছা করেই তার ফেস বুকে জন্মদিন উল্লেখ রাখে নাই। যদিও সে জানে, আমার খুব ভুলো মন তার পরও আমি জানি, সে কষ্ট পেয়েছে এবং সেটাই স্বাভাবিক। <img src=" style="border:0;" />
বাবা কোহাফা, আমি অনেক লজ্জিত ও দুঃক্ষিত। আমি সরি বলছি। তোমার শুভো জন্মদিনের উইশ আমি সবসময় মনথেকে করি। <img src=" style="border:0;" />
সে শুধু সন্তান নয়, সে আমার সব থেকে ভাল বন্ধুও বটে! ঢাকাতে ৪-৫ বছর এক রুমে এক বেডে কাটিয়েছি। আমি আমার যে কোণ বন্ধুর চেয়ে তার সাথে বেশী হাসি ঠাট্টা ফাজলামি শাসন সব কিছু করি।
তার পারসোনালিটিও সাধারনের মত না, আলাদা।
বড় ছেলে মাসুম বিল্লাহ খুবই ভবঘুরে তারপরও সেও উইশ করতে ভুল করত না। সেও আমার খুব ক্লোজ বন্ধু। মাঝে মাঝে বাপ বেটা এক সাথে ২-১ টা স্মোকও করেছি! হিহি
এভাবেই মানুষের জীবনের প্রতিটা মুহুর্তই একেকটা স্মৃতি! এগুলো কি বলে শেষ করা যায়!!

এভাবেই ৪-৫ বছর ভাবীর বাসায় সবাই আনন্দ ফুর্তির মধ্যে এক সাথে কাটিয়েছি। বাসা ছেড়ে অন্য কোথাও থাকার কথা ভাবতে পারতাম না কেউ ভাবতেও দিত না!
মাঝে ২-১ বার ভাবীকে বাইরে থাকার কথা বললে, মলিন মুখে তার জিজ্ঞেস "তোকে কি আমি কষ্ট দিই!"
আমি কি কষ্ট পাব! উলটা আমি তাকে সব সময় জ্বালিয়েছি। টিভি দেখতে গিয়ে তার রিমোট নিয়ে টানাটানি করা,তার প্রিয় সিরিয়াল ঠিকমত তাকে দেখতে না দেওয়া।
২-১ দিনের জন্য সে কোথাও বেড়াতে গেলে ,রান্নার ঝামেলা হবে দেখে তার উপর রাগারাগি। এছারাও আমার বাইরে খেলে সমস্যা ও কষ্ট হয় দেখে
প্রতিদিন সকালে ভাবী সবার নাস্তার পাশাপাশি আমার অফিসের জন্য আলাদা করে লান্স তৈরি করে দিত।
আরো কত রকম জ্বালাতাম আর প্রায়ই ইচ্ছাকরেই ক্ষ্যপাতাম!
ভাবী কোথাও বেড়াতে যাবে! সে সময় আমি বাসায় থাকলে প্রায়ই আমাকে তার বেড়ানোর সাথী করে নিত!
আরো অনেক অনেক মজার কথা ও স্মৃতি লিখে শেষ হবে না, কাজেই থাকনা মনের ভিতর লুকানো!

ভাবী ছিল মায়ের মত! মায়ের স্নেহ ভালবাসা আমি আরো একজনের কাছে পেয়েছি!আমার হাইস্কুল জীবন কেটেছে ছোট চাচার বাসায় থেকে পূরো ৫ বছর।
তখন ছোটমা'র(ছোট চাচি) কাছে পেয়েছি মায়ের স্নেহ ভালবাসা আর ছোটআব্বা'র(ছোট চাচা) কাছে বাবার স্নেহ ভালবাসা।
ছোট চাচার তিন ছেলে মেয়ে সেই সাথে আমি ও আমার বড় বোণ মিলে প্রায় কাছাকাছি বয়সি ৫ ভাইবোণ এক জাইগায় কৈশর কাটিয়েছি।
সেই সময়ের কিছু স্মৃতি না হয় অন্য সময় লিখে রাখার চেষ্টা করব। এখানে জন্মদিন প্রসংগ চলছে...!

এখন ডিজিটাল যুগ, ফেসবুকে আমরা সবাই বন্ধু বান্ধবের জন্মদিন আগাম জানতে পারি,উইশ করতে পারি!
এখন ভুলে যাবার বা ভুল হবার চান্স খুবই কম। আমরা ভুলতে চাইলেও ফেসবুক ভুলতে দিবে না!হিহি

তবে এখানে ম্যনিলাতেও জন্মদিন কালচার খুবই পোক্ত। গত ১০ দিন আগেই আমার কলিগরা হোয়াইট বোর্ডে,আমার জন্মদিনের তারিখটা লিখে রেখেছে!
গত বারও এরা আমাকে ভুলতে দেয়নি, এছারাও যে যেখানে আছে সবাই মনে করিয়ে দিয়েছে ও দিচ্ছে!
এইত হলো জন্ম দিন...!! <img src=" style="border:0;" />
আজকের মত প্রতিটা জন্ম দিনে অন্তর থেকে আমার মা,ছোটমা ও বড় ভাবী'র পা ছুয়ে ছালাম রইল।

এই পোষ্টে মন্তব্য নিঃপ্রয়োজন !! বিষয় বস্তু নিয়ে মন্তব্য না করলেই ভাল ! <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29042097 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29042097 2009-11-12 08:27:45
সন্মানিত ছাগল মডারেটরের দৃষ্টি আকর্ষন করছি !!
জরুরী ভিত্তিতে কিছু বাংলাদেশী আইটি প্রফেসোনাল খুজছি ! রেফারেন্স নং - বিডি১০২
লিঙ্কটি হলো :
Click This Link

আমি দেশের বাইরে থাকি সেই সুত্রে কখনো কখনো
কিছু জব রেফারেন্স আমার কাছে আসে, তখন অন্য কোন ভাবে সবাইকে জানানো সম্ভব হয় না!
তাছারা এখানে বসে বাংলাদেশ জব সাইটে পাবলিশ করে সেটা ম্যনেজ করা আমার জন্যে খুব সমস্যা তাছারা তার জন্যে বাড়তি খরচ দরকার!
এছারাও আমার নিজের জব আছে সময় বের করা খুব কঠিন,
বাংলাদেশী ভাইদের যদি সামান্য সাহায্য করতে পারি সেই সামান্য ইচ্ছা থেকে আমি এটা করছি !
তাছারা বর্তমানে গ্রুপ, ণেটওয়ার্কের মাধ্যমে এগুলা সবাইকে জানালে সবাই আস্থা পায়, নইলে সবাই নিছক ধান্দাবাজি ব্যবসা মনে করে!
আমি ইতিমধ্যে আমার অন্যান্ন গ্রুপের মাধ্যমে যতদুর সম্ভব সবাইকে জানিয়েছি।
আমি বিশ্বাস করি এক্ষেত্রে আমার লিংকডইন নেটওয়ার্ক সবথেকে ভাল কাজ করবে ! <img src=" style="border:0;" />
তারপরও এখানে জানাণো আমার বাড়তি দায়িত্ত্ব মনে করেছিলাম!

যায়হোক,
মডারেটর সাহেব, আপনি ওটাকে সরিয়ে মোটেও বিবেচকের পরিচয় দেননি।
আমি আগেও নিজে লক্ষ্য করেছি, এখানে অনেক বিজ্ঞাপন টাইপের ব্লগ বিভিন্ন ভাবে পোস্ট হয়ে থাকে।
সবাই একজন আরেকজন কে শুধুই জানানোর জন্যে সেগুলো পস্ট করে থাকে।
তাও আবার সেগুলো বিভিন্ন বানিজ্যক টাইপের। কিছু কিছু ব্যাপারে নীতি দেখাতে একটু বিবেচনা করার দরকার পড়ে!!
আমাদের অবস্থা, পরনে কাপড় নাই ন্যংটা কিন্তু পায়ে দামি জুতা !!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29034076 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29034076 2009-10-29 16:34:24
জরুরী ভিত্তিতে কিছু বাংলাদেশী আইটি প্রফেসোনাল খুজছি ! রেফারেন্স নং - বিডি১০২
Good daY!

we need the following IT professional as soon as possible.
If you find the interested person matching with following requirements with confident skill and experience, please let him to send me CV within 3 days. You may also broadcast it to your network and groups on helping Bangladeshi guys to get better opportunity. Your cooperation will be highly appreciated.

mail at :



Thank you,

- Jakir Hossain

Ref : 1

【Job Contents】: Life Insurance System.
【Work Contents】 Design for outside contarctors ~ST.
【Skill】 ・persons who can understand the LINC System.
     ・Upperstream SE(necessary fpr PG capacity).
     ・Rich experience for the development of IBM,COBOL,CICS(ON LINE tool)
【Work Place】 , Tokyo, Japan).
【Work entry】 From Dec.~Long term.
【No. of persons needed】 three.
【Foreigners】acceptable.
【Others 】Proposal under the direct control of the project manager of our reliable
customer (Certainty:High).

Ref : 2

【Trunk Job(System Build of Application for Information media & Telecom(Upper class of System Engineers.
【Job Contents】 Customerized Developments Work  for USA ERP package.
【Work Cotents】 Detailed design~Manufacturing & Test
【Skill】 ・Restudy of RFP
     ・Fundamental design for infra structure & architecture.
     ・Necessasary conditions~Making documents for the fundamental design.
     ・to the extent of collection of the detailed design.
     ・Package Selection(already Finished).
     ・English Ability needed(Negotiation ability essential).
【Work place】 Tokyo , Japan.
【WorK Entry】 Immeditely~approx. three(3) years(thereafter, extension possible).
【No. of the persons needed】 Few
【Desirable salary per month】 Please kindly specify, if any.
【No. of the interview】 twice.
【Foreigners】 Acceptable.
【Others】 Negotiations ability with the package vendors(English is necessary)


salary : starting 3K - 4K (USD)
contract duration : minimum 2 yrs also extensible

Disclaimer : sorry to say, I have no more details information about these job reference means, skill details, work responsibilities something like that.

Please note : we are looking for only Bangladeshi IT Guys ! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29034040 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29034040 2009-10-29 15:44:31
বিনা ভাড়ায় সারা জীবন বিমানে ভ্রমণ খবরটা আজকে প্রথম আলোতে ছাপা হয়েছে ! জানি এটা অনেকেই পড়েছেন! ঘটনাটা পড়ে আমার কেমন যেন আবেগ হলো তাই আমি কপি পেস্ট করে এখানে আবার দিয়ে দিলাম !


মালয়েশিয়ার বেসরকারি বিমান সংস্থা এয়ার এশিয়ার একে-৬৫০৬ বিমানটি গত বুধবার যাচ্ছিল দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় পেনাং দ্বীপ থেকে বোর্নিও দ্বীপের কুচিং এলাকায়। বিমানের একজন যাত্রী লিইউ সিয়াও এইচসিয়া (৩১) ছিলেন অন্তঃসত্ত্বা। বিমান ছুটছে। তিনি টের পেলেন, তাঁর সন্তান প্রসবের সময় হয়েছে। বিমানকর্মীদের কাছে সহযোগিতা চাইলেন। ভাগ্য ভালো, বিমানের এক আরোহী ছিলেন চিকিত্সক। তিনি বাড়িয়ে দিলেন সহযোগিতার হাত। বিমানের অন্য কর্মীরাও এগিয়ে এলেন। বিমানটির মুখ ঘুরিয়ে দেওয়া হলো মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের দিকে। জরুরি অবতরণ দরকার। ব্যবস্থা পাকা করা হলো। কুয়ালালামপুরের আকাশে গতি কমানো হলো। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে রানওয়েতে চাকা ছুঁয়ে যাবে। তখনই নবজাতক কেঁদে উঠল। সে জানান দিল তার পৃথিবীতে আগমনের কথা। নিরাপদেই সে দেখল পৃথিবীর প্রথম আলো। মায়ের মুখে হাসি ফুটে উঠল। বিমানটিও অবতরণ করল নির্বিঘ্নে। কর্তৃপক্ষ হাফ ছেড়ে বাঁচল।
অবতরণের কিছুক্ষণ পর কুয়ালালামপুরের একটি হাসপাতালে মা ও ছেলেকে ভর্তি করা হলো। তাদের স্বাগত জানাতে এয়ার এশিয়ার পরিচালক মোজেস ডেভানায়াগাম গতকাল শুক্রবার যান ওই হাসপাতালে। তিনি ঘোষণা দেন, ‘মা ও ছেলে আমাদের বিমানে বিনা ভাড়ায় ভ্রমণের সুযোগ পাবেন এবং এই সুযোগ তাঁরা সারা জীবনই ভোগ করবেন। নবাগতকে স্বাগত জানাতে আমাদের তরফ থেকে এটা সামান্য উপহার ।’ এএফপি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29031084 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29031084 2009-10-24 13:23:48
ফিলিপিন ছাড়ছি..!

আজ প্রায় ১ বছর ৬ মাস হলো ফিলিপিনে এসেছি,এখন যাবার সময় হয়েছে।
ঢাকা থেকে চিকুরিটা পেয়েছিলাম,তখন ভেবেছিলাম পুরো বিনা খরচে যখন যেতে
পারছি তখন নেপাল,ভুটান হলেই বা ক্ষতি কি! একটা ভিন্ন অভিজ্ঞতা নিশ্চয় হবে!

সত্যি বলতে আজ বেশ কিছু অভিজ্ঞতা হয়েছে, ভিন্ন দেশ, ভিন্ন কালচার কাছ থেকে
দেখার অভিজ্ঞতা আর তাদের সাথে মেশার ও কাজ করার অভিজ্ঞতা। বড় কথা হলো নিজেকে টিকিয়ে রাখার
সংগ্রামী অভিজ্ঞতা। বাইরে থাকার অভিজ্ঞতা আমার আগেই ছিল,যদিও আমি ইন্ডিয়াতে কয়েক বছর থেকে
পড়াশুনা করেছি, সেখানেও এখানকার মতই অনেক সুন্দর সৃতি রয়েছে । অনেক কষ্ট,আনন্দ ও মজ়ার সৃতি রয়েছে আরও রয়েছে
অনেক স্নেহ ভালবাসা পাবার গল্প। কিন্তু ওগুলা এখন বেশ পুরানো হয়ে গেছে আর হয়ত লেখা সম্ভব নই।

যাইহোক, এই পোষ্টে ফিলিপিনের অনুভুতি ও ব্যক্তিগত কিছু কথা বলতে চাই:

ইন্ডিয়াতে থাকা আর এইখানে ফিলিপিনে থাকা অনেকটাই ভিন্ন, কেননা ইন্ডিয়ার কালচার
পুরটাই আমাদের মত, খাবারও একই , তাছারা ওখানে দেশীয় অনেক বন্ধু ছিল। এখানে এসে কাউকে
পাইনি, খাবারও পুরা ভিন্ন। যদিও এরা ৪ বেলা ভাত খাই, কিন্তু তরকারির প্রধান আইটেম হলো পোর্ক(শুকর)।
ফুড সপ গুলাতে ১০ টা তরকারি সাজানো থাকলে তার মধ্যে ৭ টা হয়ত পর্ক দিয়ে তৈরি, এছারাও এরা চিকেন, বীফ, সব্জীও
খাই তবে পর্ক ই এদের বেশি প্রিয়। তবে কে-এফ-সি, ম্যাকডো'র মত ফুড শপ গুলোতে চিকেন এর প্রাধান্য বেশি।
আর বেশির ভাগ তরকারি ঝাল ছারা অথবা খুব কম ঝাল দিয়ে রান্না।
অনেক তরকারি আছে শুধু পানি,লবন ও টক দিয়ে রান্না।
তবে এখন অনেক গুলো তরকারির সাথে পরিচয় হয়ে গেছে, তাই পানি তরকারি এখন খুব খারাপ লাগে না!
সকাল বেলা কেক খেয়ে থাকি, দুপুর বেলা ফুডশপ গুলোতে খায়, আমার এসিটেন্ট ম্যানেজার প্রায় প্রতিদিনের খাওয়ার সঙ্গী। দুইজন একসাথে যায়।
আমার এপার্টমেন্ট এ আমি একা থাকি, কাজেই রাতের বেলা রুমে এটা সেটা সব্জী রান্না করে খায়।

এই পোষ্টে মন্তব্য নিঃপ্রয়োজন, মন্তব্য না করলেই ভাল!ড়ছি]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29028368 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29028368 2009-10-19 11:30:51
জরুরী ভিত্তিতে জাপানে প্রোগ্রামার চাই : ভাষা জানার দরকার নাই শুরুতে বেতন ৩০০০ ডলার।
যদি এমন কেহ থেকে থাকেন অথবা কারো পরিচিত জানাশোনা বন্ধু বান্ধব বা কেউ থেকে থাকে জানাতে পারেন!
চাইলে আপনিও আপনার সোর্সে জানাতে পারেন, খোজ করে দেখতে পারেন...যদি কারো উপকারে আসে!
তবে, এমন কাউকে রেফারেন্স করবেন না, যার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার উপর আপনার আস্থা নাই!
এমন কেহ থাকলে ২ দিনের মধ্যে আমার মেইল এ সিভি পাঠাতে পারেন।
দয়াকরে, অপ্রয়োজনীয় কোন মেইল পাঠাবেন না!

সিভি পাঠানোর মেইল :



আসুন একে অপরকে সহযোগিতা করি, ভাত্রিত্বের বন্ধন সুদৃড় করি, উন্নত দেশ গড়ি। <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29026149 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29026149 2009-10-15 13:15:25
রাস্ট্রপতি হতে চাইলে কেউ আমাকে থামাতে পারতো না!!!! দীর্ঘ এক সাক্ষাতকার দিয়েছেন উত্তর আমেরিকা থেকে প্রকাশিত ঠিকানা পত্রিকাকে।

মুল লিংক :
Click This Link

প্রশ্ন : সে সময় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকারী একজন সেনা অফিসারকে উদ্ধৃত করে মিডিয়ায় বলা হয়েছে, আপনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য তিনবার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
উত্তর : এটাও ডাহা মিথ্যা ও বানোয়াট কথা। আমি যদি প্রেসিডেন্ট হতেই চাইতাম তাহলে তো হয়েই যেতাম। কেউ আমাকে স্টপ করতে পারতো না। আমি যা বলেছি তা জাতি প্রত্যক্ষ করেছে এবং সবাই তা শুনেছেন ও দেখেছেন। সময়ের ব্যবধানে আমার বক্তব্যের প্রমাণও পেয়েছে সমগ্র জাতি, সমগ্র বিশ্ব। সত্য একদিন উদ্ভাসিত হবেই, জণগণ সত্যকেই সবসময় মেনে নিয়েছেন।


"কেউ আমাকে স্টপ করতে পারতো না।"

কথাটা খুব মিথ্যা না।

পাব্লিকের ভোট নিয়ে যারা বারবার ক্ষমতায় এসে গনতন্ত্রের প্রেমিকা সাজে তাদের ভন্ডামিও ত দেখছি আমারা!

তারা জ়োর করে হোক আর সংবিধান লংঘন করে হোক, যেভাবেই যা করেছেন। এত অল্প সময়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে এত সাহস কেহ দেখাতে পারে নি। বাংলাদেশের মত জাইগায় এমনটাই দরকার ছিল বরং আরো বেশি দরকার।

সেই লজ্জায় এখন সবার গায়ে জ্বালা ধরে গেছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29022450 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29022450 2009-10-08 15:27:11
কিছু ফানি ব্যপার : চলেন সবাই এগুলো শেয়ার করি Click This Link

চলেন সবাই এগুলো শেয়ার করি


আপনার কাছে জীবনের অর্থ কি ?
নিজেকে কোন অবস্থানে দেখতে চান ?
সবার জীবনে একটা সপ্ন থাকে আপনার স্বপ্ন কি ?
ভালবাসা সম্পর্ক আপনার অভিমত কি ?
চলেন সবাই এগুলো শেয়ার করি

আমি শেয়ার করলাম :

আপনার কাছে জীবনের অর্থ কি ?

জীবন কে সহজ করে দেখা, খোদাকে অন্তর দিয়ে দেখা, অন্তর দিয়ে কাছে পাওয়া।

নিজেকে কোন অবস্থানে দেখতে চান ?

সবার জন্য ভালবাসা দেয়া, সবার ভালবাসা পাওয়া।

সবার জীবনে একটা সপ্ন থাকে আপনার স্বপ্ন কি ?

দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া। আহাহাহাহ

ভালবাসা সম্পর্ক আপনার অভিমত কি ?

ভালবাসা খুবই কনফিউসড একটা জিনিস।

চলেন সবাই এগুলো শেয়ার করি ।

আহাহাহাহাহহ.........

চাইলে আপনিও ওখানে গিয়ে শেয়ার করতে পারেন !

<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29018470 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29018470 2009-10-01 11:05:24
পানি ছাড়া সুখকর কিছু সময় এখন দুঃখে রুপ নিয়েছে ...! সবাই বালতি, কন্টেনার নিয়ে বেসমেন্ট থেকে পানি সংগ্রহ করছে। খুবই করুন পরিস্থিতি!
কাল একজন কোরিয়ান কে লিফটে দেখলাম ঘাড়ে করে পানি টানছে। কথা বলে বুঝলাম, সে একটু বিরক্ত। সে আরও বলল,
এই রকম অভিজ্ঞতা তার প্রথম, কোরিয়াতে সে নাকি কখনো এমনটা ফেস করেনি! আমি মনে মনে ভাবলাম আর হাসলাম, এটা আমাদের
দেশে নিত্তনৈমত্তিক ব্যাপার। যাইহোক এখানে এমন ঘটনা সাময়িক এবং দুর্ঘটনা। তাছারা গত পরশুর বর্ষন বন্যায় এখানে ৭৫ জন প্রান হারিয়েছে।
সেই দুর্যোগের কাছে আমাদের সামান্য কষ্ট তেমন কিছুই না! মেনে নিয়েছি, এই রকম ১ মাস চললেও খুব বেশী বিরক্ত হবো না। তবে আশা করছি,
২-১ দিনের মধ্যেই সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ । <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29016874 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29016874 2009-09-28 09:05:57
পানি ছাড়া কঠিন কিন্তু সুখকর কিছু সময়...! আমাদের বিল্ডিং এর পাইপ লাইন ভেঙ্গে গেছে! সঙ্গে সঙ্গে ওরা নোটিস দিয়ে সবাই কে জানিয়ে দিয়েছে এবং সবসময় আপডেট দিচ্ছে।
গত রাতে তবুও সামান্য ট্যাঙ্কের পানি পেয়েছিলাম। তাছারাও গতকাল ফায়ার সার্ভিস দিয়ে
কিছু পানির ব্যাবস্তা করেছিল। কিন্তু ৩৬ তলা এপার্টমেন্ট বিল্ডিং এর সবার জন্য এভাবে পানির ব্যবস্তা করা কতক্ষন সম্ভব! তাই আজ রাতে কিছুই
পেলাম না। গত সন্ধ্যা বেলায় জিজ্ঞেস করেছিলাম, কখন সব কিছু ঠিক হবে! বলেছিল আজ সকাল ৫:৩০ মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে,
তারা রাত দিন কাজ করছে! শুনে অন্তত খুশি হলাম এবং ভাবলাম ঠিক আছে, আমার হয়ত রাতে পানির দরকার পড়বে না,
সকালে পেলেই চলবে। কিন্তু সকালে উঠে দেখি, কোন পানি নাই! সর্বনাশ ! এখন কি হবে! গেলাম নিচে...রিসেপশনে, জিজ্ঞেস
করলাম, কি ঘটনা! বলল সকাল ৯ টার মধ্যে ঠিক হবে, এখনো ঠিক করতে পারে নাই। এদিকে আমার মাথা ধরে গেছে,
গোছল করতে হবে, ব্রাশ আরও অনেক কিছু! ৯ টা পর্যন্ত অপেক্ষা করা অসম্ভব। কি করা যায়...কি করা যায়...ভাবছি।
দেখলাম কয়েকজন ছাদের মাথা থেকে ২-১ বালতি করে পানি আনছে। এগিয়ে গিয়ে দেখলাম, ছাদের সুইমিং পুল থেকে পানি আনা হচ্ছে!
যাক বাবা, বাচা গেল! কিছু পানি হয়ত এবার পাওয়া যাবে! গেলাম বালতি নিয়ে, হাফ বালতি আনলাম, ব্রাশ ও আরও কিছু সারলাম।
আবার গেলাম, ১ বালতি আনলাম। গোসলও সেরে ফেললাম। বুঝলাম কম থাকলে মানুষ কিভাবে অল্পতে ম্যনেজ করে! আমার
মাত্র দেড় বালতি পানিতে সব কিছু সুন্দর ভাবে হয়ে গেল কিন্তু অন্যদিন ৫ বালতিতেও হয় না!যদিও এই রকম দুর্দশার অভিজ্ঞতা
আমার আগেও ছিল। ঢাকাতে ২-৩ বার এবং ইন্ডিয়াতে ১-২ বার।

বিদ্যুত আর পানির প্রোয়জনীয়তা ভিন্ন রকমের। বিদ্যুত ছাড়া তবুও একটু চলা যায় তবে পানি ছাড়া চলা একেবারেই অসম্ভব!
একানে অন্ধকারে মোমবাতিতে থাকার অভিজ্ঞতা ২-৩ বার আছে। বক্স থেকে সময়মত বিদ্যুত বিল কালেক্ট করতে ভুলে গিয়ে বিপত্তি।
অফিস থেকে রুমে ফিরে দেখি বিদ্যুত নাই! কারন, সময় মত বিল দেওয়া হয়নি। আমার বিল অফিস থেকেই দেয় কিন্তু আমাকে বিলের
কাগজ বক্স থেকে কালেক্ট করে অফিসে জমা দিতে হয়। এই রকম ২-৩ বার হবার পর থেকে অফিস থেকে বুঝে গেছে তাই আমাকে বার বার বিল কালেক্ট করার কথা মনে করিয়ে দেয়।
তাই এখন আর সমস্যা হয় না। <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29015841 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29015841 2009-09-26 09:27:15
কেমন কাটল আমার আপনার ঈদ ! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />
এখানে কোন বাংগালী কমুনিটি নাই, বলতে গেলে আমি অনেকটাই একা। একজন মুসলিম ইন্ডিয়ান বন্ধু আছে নাম মুহাম্মদ হুসেন, একই ভবনে থাকি।
সে আমাকে ঈদের দিন তার রুমে দাওয়াত করেছিল, যদিও বেশ কিছুদিন ধরে তার সাথে একটু শিতল সম্পর্ক।
আমি ৬:৩০ এ নিয়মিত ঘুম থেকে উঠি, এলার্ম দেওয়া থাকে। কালকেও তাই উঠলাম। ২-১ ম্যসেজ পাঠালাম দেশে। মুহাম্মদ হুসেন কে মর্নিং ও ঈদ মুবারক জানিয়ে ম্যসেজ দিলাম, সেও আমাকে
রিপ্লাই করল এবং তারাতারি তার রুমে যেতে বলল।
তার পর প্রতিদিনের মত ব্রাশ, গোছল। ৮:৩০ এ তার রুমে গেলাম। সে রান্না করছিল, সে অনেক কিছুই রান্না করতে পারে।
তবে কালকে, সে সেমাই, হাইদ্রাবাদী বিরানী, চিকেন কারি রান্না করল। তার কয়েক টা ছবি তুললাম। রান্না শেষ হলে আমরা দুই জনে ২ রাকাত করে
নফল নামাজ পরলাম। নামাজ পড়ে আমার খুবই ভাল লাগল এক অন্য রকম অনুভুতি। বলতে গেলে দীর্ঘ দের বছর পর ২ রাকাত নফল নামাজ পড়লাম।
এরপর খাবার পালা, হুসেন এর সাথে এক ফিলিপিনো কলিগ থাকে। তাকে ডেকে নিলাম এক সাথে খাব বলে।
রান্না খুবই সুস্বাদু হয়েছে, খেলাম মন ভরে। ২-১ টা ছবিও তুললাম। এভাবে কিছু সময় কাটালাম। তারপর বুঝলাম হুসেন এখন তার দেশে সারাদিন কথা বলবে বিশেষ করে
তার গার্লফ্রেন্ড এর সাথে। মেয়েটা ননমুসলিম হিন্দু, হুসেন বলেছে বিয়ের সম্ভাবনাও ১ %, কিন্তু কথা হয় ২৪ ঘন্টা। তার সাথে শিতল সম্পর্কের এটা প্রধান কারন, তার
যে কোন সময় তার রুমে গেলেই দেখতে পাই সে ভি,ও,আইপি তে কথা বলায় ব্যাস্ত।

যাই হোক, তার মনের আকুতি বুঝতে পেরে আমি তাকে ফ্রি করে দিয়ে, বেরিয়ে আসলাম। বললাম খুধা পেলেই আবার আসব।
আমি রুমে ইচ্ছা করেই নেট লাইন নেয় নাই। এমনিতেই ঘুমাই ১২ টাই ণেট লাইন থাকলে ঘুমই হবে না!
এর পর গেলাম সাইবার ক্যফে তে, ভবনের নিচ তলায়। ২ ঘন্টা এটা সেটা করলাম, ম্যাথা ধরে গেল। তাছারা গত দুই দিন
শরীর টা একটু খারাপ, ঠান্ডা লেগেছে জ্বর জ্বর ভাব।

ক্যফে থেকে গেলাম রুমে, গান শুনতে শুনতে ঘুম দিলাম। ঘুম ভাংলে দেখি প্রায় ৪ টা বাজে। খুধা পেয়েছে। গেলাম হুসেন এর রুমে ও বোধহয় কথা বলছিল!
আমি ফ্রিজ থেকে বের করে খেয়ে নিলাম। হুসেন বলল সে রাতে রুটি খাওয়াবে, আমি ok বলে বেড়িয়ে আসলাম। আবার ক্যাফেতে গেলাম ২ ঘন্টার জন্যে। তার পর দেশে কয়েক মিনিট কথা বললাম।
আবার রুমে ফিরে ঘুম। এবার সন্ধ্যা পেড়িয়ে গেল। আবার তার রুমে গেলাম, বসে কিছু সময় কাটালাম। সে রেডিমেড রুটি সেকলো। একত্রে মজা করে খেলাম। খাবার পর কিছু সময় আড্ডা দিলাম। ১০ টা বেজে গেল।
ঈদ মোবারক জানিয়ে রুমে আবার ফিরে এলাম...ঈদের দিনও শেষ হয়ে গেল। ভালই লাগল, ভালই কাটল। <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29014254 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29014254 2009-09-22 09:30:58
আব্বা, আজকের দিনে তোমাকে খুব বেশি মনে পড়ে। তুমি কেমন আছো ! ১৭ এপ্রিল বুধবারের এর কথা মনে পড়ে। সেদিন ১৭ ই এপ্রিল ছিল ঈদুল ফিতর। আমি তখন ক্লাস ফোরে পড়ি
এবং আমাদের চার ভাই বোনের মধ্যে সবার বড় ভাই পড়ে মাত্র কলেজে।
সেদিন তুমি (আব্বা) চলে গেছ পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে আমাদের এতিম করে। আর সেই দিনই আমরাও তোমাকে সাথে নিয়ে কুষ্টিয়া
ছেড়ে গ্রামে চলে গেছি।

তুমি সেই সময়ের একজন উচ্চ শিক্ষিত এম,এ পাস মানুষ হয়েও অধিক সরলতা আর উদাসীনতার
কারনে নিজের জীবনের সুবর্ন সময় নষ্ট করে, পরন্ত বিকালে ছেলে মেয়েদের মানুষ করার তাগিদে পরিবার নিয়ে
গ্রাম ছেড়ে কুষ্টিয়া শহরে ছুটে গেছ। কিন্তু ততক্ষনে বেলা শেষ, কে তোমাকে চাকুরি দিবে! শেষে উপায় না পেয়ে
সবার মুখের দিকে তাকিয়ে করেছ ছোট্ট একটা চাকুরি। তারপর শুরু হয়েছে তোমার জীবন সংগ্রাম।

নিজের শরীরে কঠিন অসুখ বয়ে বেরিয়েছ, কখনো ভাল ডাক্তার দেখাওনি। এরই মধ্যে অসুখ যখন
তোমাকে রিতিমত শেষ করে দিয়েছে তখন আর ডাক্তার দেখিয়ে কি হবে! যাদের জন্য এত কষ্ট করলে এবার তো
তাদেরকে আরো কষ্ট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে এতিম করে এই সুন্দর পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে তোমাকে চলে যেতে হবে!
কেননা নামকরা ডাক্তার এইচ,আর খান বলে দিয়েছে তোমার বুকের ২ টা ভাল্ব ই নষ্ট হয়ে গেছে, এখন জমি জমা বিক্রি করেও
কোন লাভ হবে না।

সেদিন ইদের খুশিতে ব্যস্ত ছিলাম, তার পর দেখলাম সবাই কাদছে। তেমন কিছু না বুঝেই সেদিন সবার দেখা দেখি কেদেছিলাম।
তারপর আস্তে আস্তে যখন বুদ্ধি হল, যখন দেখি সবার আব্বা তাদের সন্তানদের কত আদর করে, ভালবাসে। তখন বুক ফেটে যায়, কাদতে ইচ্ছা করে।



তুমি থাকতে , ইদ আসলেই আমরা ভাই বোন কান্না কাটি করতাম নতুন পোশাকের জন্য আর তুমি তোমার সামান্য রোযগারের মধ্যে সব কিছু
ম্যনেজ করার চেষ্টা করতে। তুমি যাবার পর আমাদের বুদ্ধি হয়ে গেল! তুমি নাই, কাদব কার কাছে! আগে কত বোকা ছিলাম, কেদে কেদে
তোমাকে কষ্ট দিতাম! আব্বা, তোমার কি মনে আছে! যখন তুমি নামাজ পড়তে তখন আমি আর তোমার ছোট মেয়ে তোমার জায়নামাজের সামনে
গিয়ে তোমাকে হাসাতাম, আর তুমি হেসে ফেলতে। হি হি...
বাবা, তুমি কখনও কাউকে আঘাত করতে না, এমনকি তোমার সন্তানেরা তোমাকে হাজার জ্বালালেও তুমি গায়ে হাত তুলতে না। আমি না বুঝে বলতাম,
আমার বোচা নাক তোমার নাকের মতন, শুনে সবাই হাসত, তুমিও হাসতে। হি হি...কারন তোমার নাক তো বোচা ছিল না। তুমি ছিলে রাজ পুত্রের মতন দেখতে।


তুমি চলে যাবার পর, তোমার পৈত্রিক সম্পত্তি ও তোমার ভাইদের স্নেহ,ভালবাসা ও সহযোগিতায় আজ আর তোমার ছেলেমেয়েরা সেই পিচ্চি নাই।
বিশেষ কারও অবদানের নাম তোমাকে এখানে বলব না, তুমি তোমার আল্লাহকে জিজ্ঞাস করো, উনিই তোমাকে বলে দেবে।
এছারাও তোমার বড় বংশের প্রত্যেকেই স্নেহ ভালবাসা দিয়েছে। আব্বা, ভালবাসাটাই সবকিছুর থেকে বড় শক্তি।

বাবা, তুমি কি জানো! তোমাকে সবাই কত ভালবাসে! হয়ত তুমি কিছুটা জানো...তবুও তোমাকে বলি, সবাই তোমাকে খুব ভালবাসে।
সবাই কে তোমার কথা মনে করিয়ে দিতে হয় না, আজও মানুষ সবাই তোমার কথা মনে করিয়ে দেয়। তোমাকে অনেক মানুষ চেনে। কেন বলোতো?
নাহ আমি তোমাকে বলব না, তুমি নিজেই এটা জানো। এবং তোমাকে যারাই চেনে তারাই তোমাকে খুব ভালবাসে। এমন কি তোমার বংশের যারা চির শ্ত্রু তারাও
তোমাকে ভালবাসে। আমি শুনেছি মানুষ যাকে ভালবাসে খোদাও তাকে ভালবাসে। আমি বিশ্বাস করি, তুমি ভাল আছো। তুমি যদি ভাল থাক তাহলে এতিম
হয়েছি জেনেও কখনো কাদব না। তুমি ভাল থাকো আব্বা, আল্লাহ তোমাকে ভাল রাখুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29013901 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29013901 2009-09-21 09:37:29
আমার ঈদ : ঈদ মুবারক ঈদের নামাজ তো কাল ই হয়ে গেছে! এই ছিল গতবারের ঈদ। এবার ও কোন প্লান ছিল না, অন্য সব দিনের মতই ইদের দিন কাটবে ভেবে রেখেছিলাম।
কিন্তু এক ইন্ডিয়ান মুসলিম বন্ধু গত পরশু এপার্টমেন্ট লিফটের মধ্যে দেখা! সে কয়েক মাস আগে অন্য একটা সফটওয়ার হাউসে হায়ারে এসেছে।
যেদিন সে আসে সেদিন ই আমি তার রুমে গিয়ে আলাপ করেছিলাম। সে আমার ভাল বন্ধু তবে বেশ ২ মাস হলো তার রুমে আর আমি যায় না, কেন
যায় না! সেইকথা আজ এখানে বললে অনেক লম্বা হবে। তাই না বলাটাই ভাল। সবাই এক রকম হয় না, তার পরও সে খুব ভাল একটা ছেলে।
সে রোযাও করছে আমি রোযা করি না। সে আমাকে ইদের দিন তার রুমে দাওয়াত করল।
সে তার দেশের খাবার রান্না করবে, কথা হলো রবিবার আমরা একসাথে অন্য এক সিটিতে গিয়ে কোন ইন্ডিয়ান ডিপার্ট মেন্ট ষ্টোর থেকে বাজার করে আনব।
আমার ঈদ ১৯৯১ সালে রোযার ঈদের দিনই শেষ হয়ে গেছে, তখন আমার বয়স ১১, সেই কথা অন্য একদিন লিখব। তার পর থেকে ঈদ আমাকে
আর বিশেষ ভাবে নাড়া দেয় না। এখানে সোমবার ইদ। সবাই কে ঈদের শুভো কামনা, ঈদ মুবারক।

<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29012877 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29012877 2009-09-19 08:45:09
ওইসব ফালতু নীতিমালা ও মডারেটরের ব্যান চাই......!
এখন শুধু অপেক্ষায় আছি ...কখন একাউন্ট টা ডিলিট করে...! <img src=" style="border:0;" />

কথা বলার সুযোগ দিয়েও কথা মুখ থেকে কেড়ে নেই। কিছু ফালতু নীতিমালার ধুয়া তুলে।

কিম্বা মডারেটর যদি নিজের বিবেচনায় এগুলা করে থাকে তাহলে সে হলো সবথেকে বড় মদন ও ফালতু মিয়া ! কিমবা ৭০ বছরের বুড়া। মাথায় উদার, আধুনিক, আলোকিত কোন চিন্তা নাই ... !!

ওইসব ফালতু নীতিমালা ও মডারেটরের ব্যান দরকার, চাই উদার নীতিমালা ... ব্লগিং হওয়া উচিত ব্লগারদের পারস্পারিক সন্মান রক্ষা করে, সন্মানিত ব্যাক্তিদের সন্মান রক্ষা করে তবে অবশ্যই কোন রকম অশ্লিলতা ছাড়াই ।

<img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29008481 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29008481 2009-09-11 08:48:20
সড়ক দুঘটনায় সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান নিহত : আসুন পরে কচলায় ......
পাবলিক ইতিমধ্যে এত বেশী কচলাইয়া ফেলেছে! তিতা হয়ে গেছে।
আর কমেণ্ট করার ভাষা নাই। নো কমেন্ট ...

বিভিন্ন রকম হিট হবার মত পস্ট দিয়ে কিমবা হিট হবার মত কমেন্ট দিয়ে, হিট হয়ে লাভ কি আছে...! সেটাই বোধগম্য হলো না।
ব্লগ কর্ত্রিপক্ষ কি হিট ব্লগের জন্য ডলার দেয়? আমার ব্যপার টা জানা নেই তাই জানা দরকার!

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: হুমম। পড়লাম। ভৈরব ব্রিজ উদ্বোধনের সময় উনি বলছিলেন কোথাকার কোন নজরুল তার নামে কেনো ব্রীজ হবে।
এই দেশপ্রেমিক নেতা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির নামে এই বিশেষণ ব্যবহার করছিলেন।
মৃত্যুর পর সেই অসম্মান তার দিকে ফেরত আসছে, এটাই ন্যায় বিচার

এই ধরনের সমালোচনা কিছুটা গ্রহন যোগ্য মনে হয়েছে। শেষের লাইন টা 'এটাই ন্যায় বিচার' খুব গ্রহন যোগ্য মনে হয়নি।
কেননা এখন আমি আপনি ন্যয় বিচার সিদ্ধ্যান্ত দেবার কেহ না। মারা যাবার পর এই দায়িত্ত এখন আমাদের নয়।
মৃত্যুর আগে আমাদের তার ন্যায় বিচার করা দরকার ছিল! তবে বিশেষ করে আজকের দিনে বাজে ধরনের কোন কথা বা সমালোচনা না করাই ভাল।
আমরা তার মাটি হবার পর থেকেও শুরু করতে পারি। আজকের দিনে সবাই অন্তত তার রুহের মাগফেরাত কামনা করতে পারি।

কিন্তু পাবলিক বাড়াবাড়ি করছে। উত্তেজিত হয়ে বাজে কথা বলে ফেলছে। দিনত পড়ে আছে, আজকে একটু সংযত হোন।
একটা মানুষ যত খারাপ ই হোক না কেন , মৃত্যুর পর তার রুহের মাগফেরাত কামনা করাটাই নৈতিক দায়িত্ত।
এখন বিচারের মালিক আলাদা, আমরা মানুষের মুল্যায়ন বা বিচার করার সময় করতে পারি না বড়ং বিভিন্ন ভাবে নিজেদের নংরা সার্থের কথা চিন্তা করে তাদের পুরস্কার দিয়।
সেই আমারাই আবার সু্যোগ পেলে গলা ফাটায় যখন আসলে গলা ফাটাণোতে কিছুই যায় আসে না!
সময় থাকতে ও নিজেদের হাতে কিছু থাকতে আসুন কিছু করি যাতে কিছু অন্তত পাবার আশা থাকে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29005570 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29005570 2009-09-06 11:05:13
পরিবর্তন চাই ... এক জায়গায় আর কতদিন ভাল লাগে... পরিবর্তন দরকার। জায়গার পরিবর্তন হলে আবার নতুন অদ্যমে কাজ করতে পারতাম!
এই ভাবে তো আর ভাল লাগে না...এই ভাবে তো আর চলে না...

<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29004613 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/29004613 2009-09-04 15:57:09
যোধা আকবর : পরিপুর্ন ব্যক্তিত্তের এক অপুর্ব সমন্নয় । সিনেমা টা মুঘোল বাদশা হুমাঊনের সুযগ্য পুত্র বীর যোদ্ধা জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর ও
তার স্ত্রী হিন্দু রাজপুত যোধা কে নিয়ে নির্মিত।
বাদশা হুমাঊন সপ্ন দেখেছিলেন ভারতবর্ষে মুঘোল সম্রাজ্জ্য প্রতিষ্ঠা
করতে আর সেই সপ্ন পুরন করেছিলেন সু্যগ্য পুত্র জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর।
হিন্দু সম্প্রদায়ই ভালবেসে তাকে আকবর নাম দিয়েছিল।
তারপর আকবর ও যোধা সৃষ্টি করেছিলেন হিন্দুস্তানের এক কিংবদন্তির ইতিহাস, আকবর
একজন মুসলিম সম্রাট হয়েও হিন্দু প্রধান রাষ্ট্রে মুঘোল সম্রাজ্জ্য কে করেছেন গৌরাবান্নিত।

উনার পুথিগত কোন শিক্ষায় ছিল না, এমনকি অক্ষর জ্ঞানও ছিল না! তবুও
সবসময় উনার যুগোপযোগী উদার ও সঠিক সিধান্ত,কখনো শিশুর মত কোমলতা, মহানুভবতা,সততা,
উদারতা,মানুষের প্রতি অপার ভালোবাসা,বদান্যতা, সরলতা, শুধু তাই নয় উনার
দৃড় চেতা, পর্বত সম অটলতা,কখনো বজ্জ্রের মত কঠিনতা তাকে এক পরিপুর্ন ব্যাক্তিত্ত দিয়েছিল।

সত্যি বলতে, আমি আমার দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিপুর্ন ব্যক্তিত্ত বলতে যেটা বিশ্বাস করি ও বুঝি,
আমার কাছে মনে হয়েছে তার সবকিছুই উণার মধ্যে সঠিক মাত্রায় ছিল।

তিনি শুধু একজন মহান সম্রাট ই ছিলেন না, উনি ছিলেন একজন অনুকরনীয় আদর্শ।

উনার সহধর্মিণী যোধাও কোন অংশে কম ছিলেন না! রুপে, গুনে , বিচার বিবেচনায় তিনিও ছিলেন
অনন্যা। তিনি ছিলেন একজন পুর্ন ব্যাক্তিত্তের পরিপুর্নতা।
তিনি আকবর কে আরও বেশি পরিপুর্নতা দিয়েছিলেন ঝর্নার মত ভালবাসা দিয়ে,একজন বিশস্ত বন্ধুর মত ভালবাসায় সিক্ত সুচিন্তিত পরামর্শ দিয়ে।
যাহা আকবরকে করেছিল আরও বেশি উদার, মহান ও পরিপুর্ন।

মহান আল্লাহ যোধা ও আকবর কে জান্নাত নছিব করুন। যেন যুগ যুগ ধরে তাদের মত লাখো লাখো ছায়া মানবের জন্ম হয়।

<img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28999330 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28999330 2009-08-25 07:57:18
হটাত করে মনটা ভাল নেই ...!
দেখি কতক্ষন খারাপ থাকে... মন খারাপের সাথে পাল্লা পাল্লি ...!!

<img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28998830 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28998830 2009-08-24 09:15:37
জ্ঞানী,গুনী ও বিজ্ঞ : বেশী দূর যেতে হবে না...! লোক্টা নাকি বৃটিশ আমল থেকে ভোটে জিতে আসছে, এই নিয়ে তার যথেষ্ট গর্বও আছে।
থাকাটাই সাভাবিক, সবাইত আর চাইলেই জনপ্রতিনিধি হতে পারে না!জনগনের ভোট পেতে হয়।
মি:সাকাও শুধু অশিক্ষিত বা অল্প শিক্ষিত মানুষের ভোটে নন, হয়ত তার এলাকার অনেক আত্ত্ব সীকৃত জ্ঞানী ও বিজ্ঞ মানুষের
ভোটে জিতেই প্রতিনিধি। তাই তিনি যে নিজেকে যথেষ্ট জ্ঞ্যানী ও মহান নেতা ভাববেন সেটাই সাভাবিক! <img src=" style="border:0;" />

রিতিমত আমারা পেপার পত্রিকার মারফত সাকার অপকর্মের কথা অনেক জানি, তার এলাকার অশিক্ষিত সরল কৃষক শ্রেনীর
মানুষ গুলোর দোষ দিব না, তারাতো এত খবর পাইও না, রাখেও না কিংবা তারাতো সাকার সাথে এক বাড়িতে থাকেও না!
কিন্তু বাকিদের কথা কি আর বলব! <img src=" style="border:0;" />

শুধু কি তাই!তাকে তো রিতিমত অনেক তথাকথিত গুনিজনের সভা ও সমাবেশেও দাওয়াত করা হয় তার মহামুল্যবান কথা শোনার জন্যে।
উনিও সু্যোগ পেয়ে বিজ্ঞের মত কিছু জ্ঞানের কথা শুনায়ে দেন। উনিত রিতিমত নিজেকে সাধারনের থেকে অসাধারন কিছুই ভাবেন!
সেটাই সাভাবিক, তার কারন বৃটিশ আমল থেকে তিনি যে দাপটের সাথে অপকর্ম করে চলেছেন, আজ অবধি কে তার কতটুকো
ক্ষতি করতে পেরেছে! বরং পাবলিক তাকে ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছে, অকুন্ঠ সমর্থন দিয়েছে।

কয়েকদিন আগে একজন মন্ত্রি এতটাই বিরক্ত হলেন যে, নিজেকে সামাল না দিতে পেরে বলেই ফেললেন, সাকা রাজনৈতিক শিষ্টাচার জানে না,
তাই তাকে রাজনিতি থেকে বিদায় দেওয়া উচিত। মন্ত্রি মহদয় হয়ত ভাবেন নাই, এবার সাকার পালা! <img src=" style="border:0;" />

সাকা হয়ত পরবর্তী কোন গুনিজনদের সমাবেশে বলে বসবেন ,
সেতো (মন্ত্রি মহদয়) বউয়ের কাছে রাজনীতি শিখেছে, আর আমিতো বৃটিশ থেকে শুরু করে, মিরজাফর, পাকিস্তানি দের কাছ থেকে
রাজণীতি শিখে আজ এত দূর আইছি, আমারে বাদ দেয় কোন ...?

আত্ত্ব সীকৃত জ্ঞানী,গুণী তো আমরা সবাই, কিন্তু প্রকৃত জ্ঞানী কে! তা আমরা অনেক সময় বুঝতে পারি না।

ইন্ডিয়াতে ভোটের আগে জনাব আদভানী জনাব মনমোহন কে সরাসরি তর্কযুদ্ধের আহবান জানালেন।
কিন্তু মনমোহন বিনয়ের সাথে আহবান প্রতাখ্যান করলেন। দুইজনই যথেষ্ট জ্ঞানী ও বিজ্ঞ ব্যক্তি বলেই জানি।
তাহলে কি মনমোহন বিতর্ক কে ভয় পেয়েছিল! তা বোধহয় না!
আমার ধারনা,
মনমোহন জানত দুইজন সম্পুর্ন ভিন্ন মেরুর মানুষ। তর্কের সময় আদভানী তাকে হায়েনার মত আক্রমন করবে, আদভানীর উদ্দেশ্যই
হয়ত ছিল সেটা! আর তর্কের খাতিরে তর্ক করতে গিয়ে হয়ত তখন এমন কিছু বিষয় উঠে আসবে যা তিক্ত। তখন পাব্লিক আরও বেশী বেশী সমালোচনার
সুযোগ পাবে, তার চেয়ে বরং বিতর্ক এড়িয়ে সামান্য সমালোচনা গায়ে মাখায় ভাল মনে হয়েছে!

হয়ত শেষে জনাব আদভানী আহবান জানিয়ে নিজেই সামান্য ঠকে গেছেন। কিন্তু আমি আবারও সীকার করব, তারা দুজনই
সেই দেশে যথেষ্ট জ্ঞানী,বিজ্ঞ ও সন্মানী ব্যক্তি। তবে, কে অধিক জ্ঞানী ও বিজ্ঞ তাহা ইন্ডিয়ার জনগন ই ভাল জানে!

<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28998407 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28998407 2009-08-23 12:02:04
কোথায় যেন পড়েছিলাম : ষ্টুপিডিটি !
১। ফান এবং ষ্টুপিডিটি দুইটা ভিন্ন জিনিস। ষ্টুপিডিটি একটা ডিজিস।

২। আইনষ্টাইনের কথায় : জিনিয়াস আর ষ্টুপিডিটির পার্থক্য হলো, জিনিয়াসের লিমিট আছে।

৩। ষ্টুপিড রা সবসময় তাদের নিজেস্ব অভিজ্ঞতা ও ভঙ্গিতে, যুক্তি ও ভাষা ব্যাবহার করে অন্যকে ঘায়েল করতে চাই।
অন্যকেও তাদের লেভেল এ নামায়। সেক্ষেত্রে তাদের সাথে বিতর্ক এড়িয়ে চলতে হয়।
কখনো কখনো না বুঝে উত্তেজিত হয়ে তাদের চেয়ে আরও একধাপ নিচে নেমে তর্ক বা বিতর্ক করা হয় আর ওটাই তারা চাই।
তবে ষ্টুপিডদের সাথে সবসময় তর্ক এড়িয়ে চলায় ভাল।
কেননা ষ্টুপিডের সাথে তর্ক বা বিতর্ক করার চেয়ে কোন অবলার সাথে কথা বলা ঢেড় ভালো।

<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28998039 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28998039 2009-08-22 18:34:04
শুধুই কি বুলি আওড়ানো ......! বিষয়টা আমার বেশ ভাল লেগেছিল। আমি দূরে থাকলেও সেদিন আমার পরিচিত বন্ধু ও সবার কাছে মেইল
দিয়ে আহবান করেছিলাম, আসুন আমরাও একে অপরের কাছে অন্তত মেইল দিয়ে কিছু ভাল কাজের
ওয়াদা করি, হয়ত আমরা অনেকে এম্নিতেই যথেষ্ট ভাল, তারপরও ওয়াদা নিজের মনের কাছে একটা বাড়তি
দায়বদ্ধতা তৈরি করে। খুব বড় কোন কাজ না হলেও ছোট কিছু কাজ,যেগুলা আমাদের সকলের নিজের সার্থে খুবই প্রয়োজন।
যেমন ধরুন (প্রথম-আলোর কথায়):

১। ইচ্ছাকৃত ভাবে এখানে সেখানে ময়লা না ফেলা।
২। যেখানে অভারব্রিজ আছে সেখানে অভারব্রিজ ব্যাবহার করা।
৩। অন্যায় কিছু দেখলে অন্তত এগিয়ে গিয়ে প্রতিরোধ করার ক্ষমতা না থাকলেও অন্তত প্রতিবাদ করা,
সেটাও কোন ক্ষেত্রে সম্ভব না হলে অন্তত অন্যায় কারিকে বোঝাবার চেষ্টাকরা, ভূল ধরিয়ে দেওয়া।
তাহলে নিশ্চয় অন্যায় কারী খুন করে ফেলবে না!
৪। আমরা অনেকে লম্বা কথা বললেও, আমাদের নিজেদের পরিবারের মধ্যেই অনেকে রয়েছে ভূল নীতিতে বিষ্বাসি এবং অন্যায়
কাজে উতসাহী। নিজের পরিবারের মধ্যে প্রতিবাদ বা প্রতিরোধ করা সহজ জেনেও আমরা দেখেও না দেখার ভান করি।
অথবা নিজের রক্তের প্রতি আলাদা রকমের ভালোবাসা থেকে নিরবে সবকিছু মেনে নিয়ে মৌনসন্মতি দিয়ে থাকি।
৫। এইরকম আরও অণেক কিছু ছোট খাটো ব্যপার রয়েছে যেগুলো করতে পকেটের পয়সা লাগে না, অনেক কষ্ট করতেও হয়না কিংবা
অধিক শক্তি বা সমর্থবান হতে হয়না, সামান্য সদিছা থাকলেই হয়।

কিন্তু অতি আফসোসের বিষয়, সেদিন আমার ১০০-১৫০ টা মেইলের একটাও জবাব পায়নি।
অথচ তাদেরই অনেক কে অনেক বড় বড় নিতিকথা বলতে দেখা যায়, অনেক সুন্দর সন্দর উপদেশও দিতে পারে।
হয়ত সেদিন তারা ভেবেছিল, ওহ! দেশের বাইরে থেকে অনেক বড় কথা বলা যায়, দেশে এসে করে দেখুক!
অথবা ভেবেছিল, ফাউল টকিংস...বেক্কল কোথাকার ! <img src=" style="border:0;" />

আসলে আমারা অনেক সময় নিজেদেরকে প্রচলিত ব্যবস্থা থেকে বেরকরে আত্ত্ব পরিবর্তন করতে লজ্জা পাই।
যেমন ধরুন,
আপনার হাতে একটা ময়লার প্যাকেট আছে...আপনি হাতে নিয়ে জায়গা খুজছেন, উপযুক্ত জায়গায় ফেলবার জন্য।
তার চেয়ে হাতে নিয়ে খুজাখুজি না করে, হুটকরে রাস্তার মাঝে ফেলেদিন...ঝামেলা শেষ। আপনার হাতে প্যাকেট নিয়ে
খুজাখুজি দেখলে লোকজন কৌতুহলী চোখে তাকাতে পারে, আবার হাসতেও পারে। এটাই আমাদের দেশে সাভাবিক। তারচেয়ে দরকার কি!
জায়গা খুজ়াখুজি করার অথবা হাতে করে বাড়ি পর্যন্ত বয়ে নিয়ে যাবার!

সবাই রাস্তার মাঝ দিয়ে পারাপার হছে, আপণি একাএকা অভারব্রিজ দিয়ে পার হলেন, লোকজন আপনাকে পাগল বা বেক্কল ভাবতে
পারে। কেউ কেউ মনে মনে হাসতেও পারে। আপনারও সামান্য বেশী ক্যলোরি খরচ হতে পারে, তার থেকে সেটাই ভাল,
লজ্জা আর ক্যলোরি বাচিয়ে চলা!

এই ভাবেই আমারা জেনেবুঝে অসংক্ষ কাজ করি অথচ নিজেকে সামান্য পরিবর্তনেরও চেষ্টা করিনা। বুঝতে চাইনা একজনের
দেখাদেখি আরেকজন এভাবেই এক এক করেই একদিন কোটিতে গিয়ে ঠেকবে।

একজনত আবার বলেই বসেছিল, প্রথম-আলোর কথা কানে নিবেন না,
প্রথম-আলোর উদ্দেশ্য এই সেই অনেক কথা! ভালো কে ভাল ভাবে না দেখে প্রথম-আলো নিয়ে টানাটানি। খুবই হাস্যকর।

ভোটের শুরুতে অনেক কে বলতে শুনেছি, কোনো দল ভাল না, কেউ ভালোনা, সবাই চোর কাজেই কাউকেই ভোট দিব না।
আসলে তারা নিজেদেরকেই বিচ্ছিন্ন রাখতে চাই। কোন পরিবর্তনে শামিল হতে চাই না। কোনকিছু সম্ভব না ভেবে ভয় পাই।
তারা অনেকটা শিশুর মতো, ভাল কিছু মুখে তুলে দিলে খাবে, তা না হলে খুধা পেলে কান্না করবে।

অথচ আমরাই আলোচনা, তর্কের সমায় কত যুক্তি, তথ্য দিয়ে কত সুন্দর সুন্দর কথা বলি! এই করব সেই করব, এটা ঠিক না
ওটা ঠিক না,এটা এমন না ওমন হলে ভাল হত ...নানা বিজ্ঞের মত কথা। কিন্তু যখন নিজেই নিজের কথা ভাবি নিজের দিকে তাকাই
তখন দেখি ফাকা ...শুন্যতা ছারা কিছুই নাই। বুলি আওড়ানো ছাড়া কোন মুরুদ ই যেন ণাই...!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28997823 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28997823 2009-08-22 10:52:59
গত দেড় বছরের চিন্তা ও আপডেট : আমার আইটি সি-টি-ও, সেও খুব সকাল সকাল অফিস এ আসে, তবে বেশীর ভাগ সময় আমার আসার ঠিক একটু পরেই আসে।
অফিসে এসে আমার নিত্তদিনের প্রথম কাজ হলো অফিস মেইল, নিজের জি-মেইল চেক করে ১-২ ঘন্টা প্রথম-আলো পেপার পড়া।
আমার অফিসে এসেই পেপার পড়া দেখে সে ভাবে আমি হয়ত কোন প্রার্থনা পড়ি,সে তো আমার ভাষা বুঝে না,মাঝে মাঝে জিজ্ঞেসও করে প্রার্থনা কিনা!



এরপর যখন লিংকডইন এ রেজিষ্টার করলাম,শুরুতে তখন সারা দিন কামের বারোটা বাজাইয়া চিন্তা করতাম
কিভাবে নেটওয়ার্ক বাড়ানো যায়, সারাদিনে চোদ্দবার সাইটে ঢুকতাম , এটা সেটা করতাম। কিছু দিনের
মধ্যে সেই ভুত গেলো...গা !যদিও প্রফেসনালদের জণ্য ওটাই সবথেকে ভাল ও উপকারী নেটওয়ার্ক সাইট।

তারপর লাগলাম টেকনিকাল আর্টিকেল লেখার পিছনে। সারাদিন অফিসে বসে কাজের ফাকে আর্টিকেল লেখা, পষ্টও
করলাম কোন এক পপুলার সাইটে। প্রথম আর্টিকেলটা রিতিমতো সেই মাসের বেস্ট আর্টিকেল হিসাবে সীকৃতও হইল। দুই মাসের
মধ্যে আর্টিকেল লেখার ভুত মাথার থেকে গেল গা! কারন এর জন্য চিন্তা ও সময়ের দরকার হয়।
যদিও ভাবছিলাম এটা কনটিনিউ করবো, কিন্তু আর হয়না। এচ্ছা আছে শুধু এটাকেই ঠিকমত কনটিনিউ করার।

তারপর লাগলাম ফেসবুকের পিছনে, হলাম রেজিষ্টার, শুরুতেই ২০০ নাম না জানা, না চেনা ছেলে মেয়েকে
ফেরেন্ড রিকুয়েষ্ট পাঠালাম, কেউ কেউ একসেপ্ট করলো আবার কেউ কেউ করলো না, তবে যারা একসেপ্ট
করল তারা সবাই, পাবলিকের জন্য নিবেদিত বন্ধু বলে মনে হলো, তার কারন তাদের ফ্রেন্ডলিস্টে সংখা ৫০০ - ২০০০
বা তারও বেশী দেখলাম। এরপর, কয়েকমাস পরে শুধু কয়েক জনকে ছারা তাদের সবাই কে আবার ডিলিট করলাম!

সেই ফেসবুকেও একই অবস্থা, সারাদিনে অফিসে বসে চৌদ্দবার লগইন করা, এটা সেটা দেখা, কমেন্ট করা ইত্যাদি।
যদিও এদানিং ভাবছি এটারও কনট্রল দরকার,এটাও সাভাবিক চিন্তা ও কাজকর্মে ব্যঘাত ঘটায়।

এরপর লাগলাম গুগোল ব্লগার এর পিছনে, আবার রেজিষ্টার, কিছু লেখার চেষ্টা, যদিও এখানে আমার ঘুরাঘুরি টা
খুবই কম। তবুও মাঝে মাঝে লেখার চেষ্টা করি।

তবে আরও অনেক সামাজিক সাইট ও ভিন্ন সাইটেও রেজিষ্টার করেছি ও করা আছে, সেগুলাতে খুবই রেয়ার ঢু মারি।

এরপর লাগলাম সামহোয়ারআউট(ইন) এর পিছনে। গত কয়েকদিন ধরে টানা এর পিছনে আছি। সারাদিন ধরে
অনেক সময় কাজের বারোটা বাজাইয়া, কাজের মাঝে ১০০ বার ব্লগ পড়া, লেখার চেষ্টা, কমেন্ট দেখা, জবাব দেয়া ইত্যাদি।
যদিও সবসময় নির্ধারিত কাজ আগেই শেষ করে কিংবা না থাকলেই এগুলা করি, কাজের প্রাধান্যটায় বেশী এবং আগে।
বস ও কলিগ রা কৌতুহলী হয়ে জিজ্ঞ্যেস করে, জাকির- এটা কি, ওটা কি, কোন ভাষা, ইত্যাদি !
আমিও তাদের কে বোঝাবার চেষ্টা করি সবসময় সবকিছু। তবে বুঝতে পারছি এটাও আমার আসল কন্সেনট্রেশানে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে।
তাই ভাবছি মাঝে মাঝে শুধু কিছু ভাবণা, চিন্তা, অনুভুতি ও অভিজ্ঞতা লিখে রাখব।
কারও কমেন্ট পাবার আশাই নয়, শুধু সংরক্ষনের জন্যে।
তবে সামুতে একটা ব্যাপার খুবই প্রসংসনীয়, কিছু ব্লগার এমন কিছু তথ্যভিত্তিক পষ্ট দেয় যাহা অন্নসবার জানা ও জ্ঞ্যান বিদ্ধিতে
যথেষ্ট সহায়ক।



তবে এটা আমার মনে হয়েছে যে, যারা কর্মের মধ্যে থাকে, এগুলা তাদের প্রডাক্টিভিটি বাধা গ্রস্থ্য করে।
আমার মতে, সবার ক্ষেত্রেই এটাই হওয়া সাভাবিক। যদিও চিন্তাশিল কর্মের মাঝে বিনোদনের খুবই দরকার রয়েছে।
তবে কাজের মাঝে রিলাক্স বা বিনোদন নিতে গিয়ে বাড়াবারি রকমের ভিন্ন কাজে সময় ব্যয় বা
ভিন্ন কাজে মস্তিষ্ক কে বিজি রাখা অনেকটা দায়িত্তের প্রতি অবহেলা বা নিজের প্রডাক্টিভিটির অবনতির শামিল।
তবে সামাজিক সাইট গুলো শুধুই বিনোদন না, আরও অনেক কল্যানকর কাজেও লাগে। তবে আমরা কেউ কেউ
এর পিছনে অনেক মুল্যবান সময়ও ব্যায় করি অকারনে, কেনণা এগুলার জন্য অনেক সময়ের দরকার হয়।
যার কারনে অনেক সময়, আমাদের ভিন্ন কোন ভাল কাজের চিন্তা করা বা কল্যানকর কাজ করারও সময় থাকে না!

ভাল কাজত দিনরাত ব্লগের পাতার ব্লগ লিখে সম্ভব না...! <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28997483 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28997483 2009-08-21 16:26:19
প্রশ্ন ছিল : আপনি যদি বাংলাদেশের প্রধান (রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী হন) - আপনি কি করবেন দেশের উন্নতির জন্য? ক্ষমতা পাবার আধা ঘন্টার মধ্যে ঘোষনা দিতাম,
আমার জীবনের আয়ু ও ক্ষমতার মেয়াদ ২৪ ঘন্টা ধরে নিয়েছি।
কাজেই শুরুতে আগাছা পরিষ্কার, ফল দায়ক ও উপকারী গাছ রেখে বাকী গুলো কর্তন।
জমির উতকর্ষ সাধন।ফল দায়ক ও চারা গাছ রোপন। তারপর উন্নয়ন সাধন।

এগুলা সব হবে হাসতে হাসতে জল্লাদের মত।। <img src=" style="border:0;" />

ণিশ্চয় আর বেশী কিছু বলার দরকার পরবে না... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28996259 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28996259 2009-08-19 08:26:38
ল্যাংটা বাবা ...! ৩৫ তলা আমার ঠিক নিচের তলায়। আমি সাধারন্ত আমার জানালায় দাঁড়ায় না, তবে
কখনও কখনও থুতু ফেলতে দাঁড়ায়, একদিন হটাত লক্ষ্য করলাম ৩৫ তলায় একটা ফ্লাটে
একাজন লোক ন্যাংটা হয়ে ঘুরাফেরা করছে। ভাবলাম একজন তার ঘরের মধ্যে যা খুশি তাই করতে পারে,
এটা তার নিজেশ্য ব্যপার, কিন্তু প্রাইভেসী রক্ষা করে করবে সেটাই সাভাবিক।আবার ভাবলাম লোকটা হয়ত
খেয়াল করেনি যে তার জানালার পরদা ঠিক নেই, যে কেউ তাকে এই অবস্থায়
খেয়াল করতে পারে। যাইহোক আমি নিজের জানালা থেকে সরে এলাম।
কিন্তু এ কি! আমি যখনি জানালাই দাড়ায় তখনি লোকটাকে ন্যংটাই দেখতে পাই
এবং তার রুমে একজন মহিলাকেও দেখতে পাই অথচ তার জানালার পরদা সবসময় সরানো থাকে।
মহিলাটি সম্ভাবত তার স্ত্রী হবে। মহিলাটি অবশ্য কখনও লোকটার মত অবস্থায় থাকে না।
এটা অবশ্য আরো ১০ টা ফ্লাট থেকে পরিষ্কার চোখে পড়ার কথা।
কিন্তু আমি এতদিনে জেনেছি ফিলিপিনোরা কখনোই এমন না। তারা
যথেষ্ট রুচিশীল এবং অন্নান্য ফ্লাট গুলোয় পরদার সঠিক ব্যবহার রয়েছে, তাছারা আমার চোখে কখনো কোথাও কোন আশালীন কিছু চোখে
পড়েনি। তাহলে লোকটা কি ফিলিপিণো না! নাকি মাথার সমস্যা! কিন্তু আমার তো তাকে সুস্থ ও ফিলিপিণো বলে মনে হয়েছে।

একদিন ভাবলাম ক্যমেরা দিয়ে তার ছবি তুলে ইউচুব এ দিয়ে দেয়, পাবলিক দেখুক, কিন্তু সেটাতো আবার বাড়াবাড়ি রকমের
প্রাইভেসী লঙ্ঘন। কিন্তু যে নিজেই নিজের প্রাইভেসীর লক খুলে রাখে তার প্রাইভেসী কে বাচাবে! সে ক্ষেত্রে নিজেরে চোখ সরিরে নেওয়া ছাড়া
আর উপায় কি আছে বলো!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28996250 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28996250 2009-08-19 07:56:22
সাইড দিলাম, আপনি আগে যান... মেয়েদের ব্লগ গুলোর কদর অনেক বেশী। কোতুহলী কিছু মেয়ের ব্লগে ঢুকে দেখলাম রিতিমত সেখানে মন্তব্যের
বন্যা। পরে চিন্তা করে দেখলাম, ঠিকই তো আছে!তারাতো এই ভিগ্যে নিয়েই জন্মায়। মন্দ হোক ভাল হোক
আমরা তাদের প্রসংসা করবো এতে তারা খুশি হবে...সেটাই কি সাভাবিক !]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28995235 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28995235 2009-08-17 11:40:23
১৫ ই আগস্ট আর কিছু কথা

কারও ভাল লাগতে পারে কারও বিরক্তি লাগতে পারে,বিশেষ করে যারা ভিন্ন মতাদরশের।
কিন্তু তাই বলে, অনেকে বলছেন হিন্দি গান বাজান হচছে, এটা সেটা অনেক কথা, যেগুলো
বিশ্বাস না হবার ই কথা, এই ভাবে একজন সন্মানিত বাক্তি কে নিয়ে হেয় করে কথা বলা কুরুচির পরিচয়।
সমালচনা করতে হলে যুক্তি পুরনো তথ্য ভিত্যিক কথা বলে সমালচনা করুন, যেন অন্যেরা আপনার কাছথেকে
নতুন কিছু জানতে পারে।

মুজিব কে নিয়ে কিছু বিতর্ক থাকলেও আমারা কিন্তু আসল তথ্য কেহ জানি না, তাছারা সেই সময়
যারা রাজনিতির মাঠে ভাল খেলয়ার না হয়েও অধিনায়ক হতে চেয়েছিল তারাই তাখন থেকে আজ পরজন্ত
তাকে হেই করার নংরা খেলা খেলছে। তাকে হত্যা করার পর নিজেদের অপকর্ম ছাই দেয়ে ঢাকার অপচেষ্টা মাত্র।

ইতিমধ্যে তারা সফল ও হয়েছে, হাতি ঘোড়া কে পিছনে ফেলে ভেড়া হয়ে জল নিয়ে অনেক খেলা খেলেছে।
আমরাও না বুঝে বোকা দর্শকের মত হাতাতালি দিয়ে তাদের কে উত্তসাহিত করেছি।

মুজিব শেষের দিকে তার মহা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে মহাভুল করে ফেলেছিলেন,জানা যাই তিনি
ছিলেন কট্টর গনতন্ত্রি কিন্তু সেই সময় রাশিয়া ও ইন্ডিয়ার চাপে পরে কিছুটা ভুল পথে পা বাড়িএছিলেন।
অবশ্য একথাও শিকার করতে হবে সেই চরম মুহুর্তে ইন্ডিয়া ও রাশিয়া ই ছিল পরম বন্ধু, এখন অনেক
বন্ধু হলেও তখন সাহায্যের জন্যে কেহ আসেনি।
তিনি অন্যের মতামতের খুব এক টা গুরত্তো দিতেন না, অবশেষে তিনি সমাজতন্ত্র বাস্তবায়ন করতেও পারেন নাই, আবার
গনতন্ত্র কামি মানুষের কাছে হয়ে গেছেন বিতর্কিত, সেই সুযোগে সুবিধাবাদিরা তাকে হত্যা করে ফাইদা লুটেছে।
আর তাকে আখ্যাইত করতে চেয়েছে গনতন্ত্রের হত্যাকারি, সৈরতন্ত্রি হিসাবে যেটা খুবই বেমানান।

সমাজতন্ত্র অথবা গনতন্ত্র কনটাই খারাপ নয় যদি তা না হয় সৈরতন্ত্র। পৃথিবীর অনেক দেশে সাফল্যের
সাথে সমাজতন্ত্র রয়েছে অথবা গনতন্ত্র রয়েছে। শুধু নামে সমাজতন্ত্র বা গনতন্ত্র না হয়ে সেটার সঠিক
বাস্তবায়ন হলে দুটর কোনোটাই খারাপ নয়, আবার সঠিক বাস্তবায়ন না হলে কোনোটাই কাজে আসে না।
মুজিব সেই ভুল্টাই করেছিলেন, তার পরিকল্পনা বার্থ হবার কারনে তিনি আজ কিছুতা বিতর্কিত,
এছারাও হয়ত আরও কিছু ছটখাট ভুল ছিল যেগুলা একজন শাসক হিসাবে মানুষ হিসাবে থাকিটাই সাভাবিক।
তাছারা সব দিক থেকে বিচার করলে তিনি একজন মহান নেতা ছিলেন। বাকিরা যারা খমতাই এসেছে, অনেকটা
লাইনের পিছন থেকে চতুরতা আর ঠেলাগুতা দিয়ে সামনে এসে টিকিট কাটার মত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28994221 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28994221 2009-08-15 15:46:21
ভাই আপণাদের বলগ পড়ে খুবই ভাল লাগে http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28993611 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28993611 2009-08-14 11:32:38 বাবা দিবস http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28716435 http://www.somewhereinblog.net/blog/jakirhossainbdblog/28716435 2007-06-18 11:46:51