এই অপরাজনীতির কারণে আর কত মায়ের বুক খালি হবে।
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪১
বয়স আর কত, ২৫ এর কাছাকাছি।
অথচ অজপাড়া গায়ে তার জানাজায় প্রায় হাজার খানেক মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করল তার সততা, মানুষের মমতা, তার জন্য মানুষের ভালবাসা।
গতকালকেই এই বিষয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম এবং বিস্তারিত লিখব বলেছিলাম তাই আজ লিখছি। Click This Link
পটিয়া থানায় নলান্দা নামক গ্রামে আওয়ামীলীগের গণসংযোগের জন্য দুটি গ্রুপ আসে। একটি মোসলেমউদ্দীন গ্রুপ আরেকটি আবু ছালেহ গ্রুপ। গণসংযোগের একটি পক্ষে ছিল স্থানীয় চেয়ারম্যান নুর আলীর ভাই মাহাবুব এবং মুফিজ এবং আরেক গ্রুপে ছিল দিদার এবং আমানউল্লাহ। এই গণসংযোগে যাওয়ার প্রাক্কালে প্রতিমধ্যে উভয় পক্ষের দেখা হয়ে যায়। এবং মারামারি শুরু হয়। মাহাবুব যখন আমানউল্লাহকে পিঠাচ্ছিল তখন দিদার তাকে টেনে নিয়ে আসে। এরই ফাকেঁ মাহাবুব দিদারকে ছুরিকাঘাত করে আহত করে। এই খবর পেয়ে দিদারের ছোটভাই খোরশেদুল আলম (কুসুম) ছুটে আসে। তখন কুসুম একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ছিল। এবং সে তার ইউনিয়নের ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিল।
বিয়ে থেকে ঘটনাস্থলে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে মাহাবুবের সাথে দেখা হয়ে যায় কুসুমের সাথে। এবং মাহাবুব কোন কথা না বলে সরাসরি কুসুমের বুকে ছুরি বসিয়ে দেয় এবং সাথে সাথেই সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।
ঘটনার সাথে জড়িত না থেকে ও তাকে মৃত্যুবরণ করতে হল।
(পত্রিকায় মোবাইল ছুরি সংক্রান্ত যে ঘটনা এসেছে তা হল, মোবাইল ছুরি হওয়ার পর যার হাতে মোবাইল পাওয়া গিয়েছিল তাদের পক্ষ নেয় মাহাবুব এবং যার মোবাইল তাদের পক্ষে ছিল দিদার এবং কুসুম। উপরোক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয় চেয়ারম্যান (মাহাবুবের বড় ভাই) বিচার করেন এবং বিচারে যার হাতে মোবাইল পাওয়া গিয়েছিল তার দোষী সাব্যস্ত হয়। তাই দিদার এবং কুসুমের প্রতি একটা ব্যক্তিগত ক্রোধ ও ছিল।)
এই অপরাজনীতির কারণে আর কত মায়ের বুক খালি হবে।
লেখক বলেছেন: সুস্থ রাজনীতি ফিরে আসুক আমাদের দেশে।
অনুপ্রাস আবীর বলেছেন:
আসুন সবাই িমেল রাজনীিতিিবদ েদর িদেক ঘৃণাভের থু থু মাির।যতিদন না তারা পরস্পের সহনসীলতার এবং পরমত সিহষনুতার রাজনীিত শুরু না কেরন
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, তাই হোক।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: না, আমি খবর পেয়েছি একটি গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে আছে সাতটি ইউনিয়ন।
এবং ঐ সাত ইউনিয়ন নিয়েই একজন সংসদ নির্বাচিত হয়ে আসে।
সৈয়দা তাহমিনা বেগম সীমা বলেছেন:
সিটিজি৪বিডিকে বলছি@রাজনীতিকে যদি ঘৃণা করেন তাহলে তো রাষ্ট্রকে ভেংগে ফেলতে হয়।
মানব সভ্যতার ইতিহাসে দেখা যায়, রাষ্ট্রের উৎপত্তির মধ্য দিয়েই রাজনীতির শুরু। অবশ্য ইতিহাস নিয়ে আলোচনা এখানে সম্ভব নয়।
আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে যে কথা বলা দরকার, আমাদের দেশে সাম্রাজ্যবাদ নির্ভর ও নিয়ন্ত্রিত আমলা মুৎসুদ্দী বুর্জোয়া শ্রেণীস্বার্থের বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম শেষ বিচারে কখনই জাতীয় স্বার্থকে সমুন্নত রেখে গণমুখী হতে পারে না। এর হাজারো প্রমাণ আছে। সিটিজি৪বিডিকে আবারও বলছি@ ঘৃণা যদি করতে ওইসব দলগুলোকে করুন।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, ঘৃণা রাজনীতিকে নয়, ব্যক্তিকে করতে হবে। কারণ দলীয় আইন কানুন সব গঠনতন্ত্রে থাকে কিন্তু তা তারা মানে না।
সাংবাদিক বলেছেন:
'সাংবাদিক' - মুক্ত মনের প্রতিচ্ছবিহাটি হাটি পা করে পথ চলতে শুরু করেছে নতুন গ্রুপ 'সাংবাদিক' এর। সুচিন্তিত মতামত প্রকাশকারী ব্লগারদের এই গ্রুপে স্বাগতম জানাই। আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে যরা ঐকবদ্ধ্য হয়েছে, তাদের জানাই অভিনন্দন ও ধন্যবাদ আমাদের সাথে থাকার জন্য। সত্যের পক্ষে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম চালাতে আমরা দ্বিধাবোধ করি না। আমরা যা দেখি তাই লেখি কারণ আমাদের চোখ সবসময় প্রস্তুত সত্য উদঘাটনে আর আমাদের হাত সব সময় প্রস্তুত সত্য প্রকাশে। তো আর দেরী কেন? যদি হোন সাহসী সাংবাদিক, লেখক কিংবা সমমনা ব্যক্তি, তবে এক্ষুণিই ঐক্যবদ্ধ হোন আমাদের সাথে। সদস্যপদ গ্রহণ করুন আমরা তো আছিই আপনার সাথে। আর হ্যাঁ, আরেকটি শুভ সংবাদ হচ্ছে শীঘ্রই আত্মপ্রকাশ পাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নিউজ পোভাইডার সার্ভিস ইউকে বিডি নিউজ। ইতিমধ্যে এই কার্যক্রমে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাংলাদেশী সাংবাদিকরা। এ ব্যাপারে আপনার মূল্যবান মন্তব্য ও পরামশ আমাদের কাম্য। আমাদের কাছে মেইল করুন :
শুভ হোক আপনাদের প্রতিটি ক্ষণ।
সাংবাদিক গ্রুপের জন্য ক্লিক করুন : http://www.somewhereinblog.net/group/Sangbadik
হলদে ডানা বলেছেন:
অফ টপিক, আপনার মেইল এ্যাড্রেস দেয়া যায় কি?
লেখক বলেছেন:
মেঘ দূত বলেছেন:
ঘৃণা করি আমাদের নোংরা রাজনীতিকে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।


















