somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ভিন্নতা চাই। দেখলাম মানুষ এক জায়গায় জড়ো হয়ে দাড়িঁয়ে আছে।
কাছে গিয়ে দেখলাম, সিঙ্গার এর শোরুম।

রাস্তার দিকে মুখ করা অনেক টেলিভিশন রাখা আছে।
প্রায় ১৫-২০ টির মত হবে।
প্রায় প্রতিটি টিভিতে বিভিন্ন চ্যানেলের বিভিন্ন অনুষ্ঠান চলছে।

মানুষ আগ্রহ ভরে যার যা চ্ছা তাই দেখছে।

এই শোরুমটিতে যদি প্রতিটি টিভিতে একই সাথে একই চ্যানেলের একই অনুষ্টান প্রচার করে তাহলে প্রতিটি টিভি অন করে রাখার যেমন প্রয়োজন নেই, তেমনি অন করে রাখলে ও কোন উপকারে আসবে না। কারণ একটা টিভি দেখলে ও অনুষ্ঠানটি দেখা যাবে। দশটিতে ও ঐ একই।

আবার একজন ব্যক্তি যদি একটি অনুষ্ঠান একবার দেখে তাহলে সে অনুষ্ঠানটি আবার দেখার ইচ্ছা পোষণ করবে না।

তাই একই সঙ্গে যদি অনেক টিভি দেখার সুযোগ হয় তাহলে মানুষ প্রতিটি টিভিতে ভিন্ন ভিন্ন অনুষ্ঠান দেখতে চাইবে।

বাংলা ব্লগ বেশিদিন থেকে নয়। তাই আমরা সীমিত ব্যক্তিই ব্লগে আছি। এবং যারা আছি তারা সবাই সচলায়তন, প্রথম আলো ব্লগ এবং সা. ই এ ব্লগ পড়ি এবং দেখি। তাহলে এই একই মানুষগুলোকে একই সাথে (সচলায়তনে ৭২ ঘন্টা পরে) একই লেখা বারবার পড়ানো হচ্ছে। কিন্তু যে ব্লগার একবার সা. ই এ লেখাটি পড়ে সে কি আবার প্রথম আলো ব্লগ বা সচলায়তনে গিয়ে আবার সেই লেখাটি পড়বে।

আমরা সব ব্লগ পড়ি, লেখি এটা আমাদের জন্য সৌভাগ্য। কিন্তু একই অনুষ্ঠান আমরা প্রতিটি টিভিতে দেখতে চাইব না।

একই সময়ে কারো যদি অনেকগুলো টিভি একসাথে দেখার সুযোগ হয় তাহলে প্রতিটি টিভিতে আমরা ভিন্ন ভিন্ন অনুষ্ঠান দেখতে চাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28860920 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28860920 2008-10-28 11:15:56
এই অপরাজনীতির কারণে আর কত মায়ের বুক খালি হবে। অথচ অজপাড়া গায়ে তার জানাজায় প্রায় হাজার খানেক মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করল তার সততা, মানুষের মমতা, তার জন্য মানুষের ভালবাসা।

গতকালকেই এই বিষয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম এবং বিস্তারিত লিখব বলেছিলাম তাই আজ লিখছি। Click This Link

পটিয়া থানায় নলান্দা নামক গ্রামে আওয়ামীলীগের গণসংযোগের জন্য দুটি গ্রুপ আসে। একটি মোসলেমউদ্দীন গ্রুপ আরেকটি আবু ছালেহ গ্রুপ। গণসংযোগের একটি পক্ষে ছিল স্থানীয় চেয়ারম্যান নুর আলীর ভাই মাহাবুব এবং মুফিজ এবং আরেক গ্রুপে ছিল দিদার এবং আমানউল্লাহ। এই গণসংযোগে যাওয়ার প্রাক্কালে প্রতিমধ্যে উভয় পক্ষের দেখা হয়ে যায়। এবং মারামারি শুরু হয়। মাহাবুব যখন আমানউল্লাহকে পিঠাচ্ছিল তখন দিদার তাকে টেনে নিয়ে আসে। এরই ফাকেঁ মাহাবুব দিদারকে ছুরিকাঘাত করে আহত করে। এই খবর পেয়ে দিদারের ছোটভাই খোরশেদুল আলম (কুসুম) ছুটে আসে। তখন কুসুম একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ছিল। এবং সে তার ইউনিয়নের ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিল।

বিয়ে থেকে ঘটনাস্থলে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে মাহাবুবের সাথে দেখা হয়ে যায় কুসুমের সাথে। এবং মাহাবুব কোন কথা না বলে সরাসরি কুসুমের বুকে ছুরি বসিয়ে দেয় এবং সাথে সাথেই সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

ঘটনার সাথে জড়িত না থেকে ও তাকে মৃত্যুবরণ করতে হল।


(পত্রিকায় মোবাইল ছুরি সংক্রান্ত যে ঘটনা এসেছে তা হল, মোবাইল ছুরি হওয়ার পর যার হাতে মোবাইল পাওয়া গিয়েছিল তাদের পক্ষ নেয় মাহাবুব এবং যার মোবাইল তাদের পক্ষে ছিল দিদার এবং কুসুম। উপরোক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয় চেয়ারম্যান (মাহাবুবের বড় ভাই) বিচার করেন এবং বিচারে যার হাতে মোবাইল পাওয়া গিয়েছিল তার দোষী সাব্যস্ত হয়। তাই দিদার এবং কুসুমের প্রতি একটা ব্যক্তিগত ক্রোধ ও ছিল।)

এই অপরাজনীতির কারণে আর কত মায়ের বুক খালি হবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28860071 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28860071 2008-10-26 16:41:18
অথচ এই বিজ্ঞাপন দেখেই আমরা প্রভাবিত হচ্ছি। হরলিকস আপনার সন্তানকে করবে আরও লম্বা, আরও শক্তিশালী, আরও তীক্ষ্মধী (টলার, স্ট্রংগার এন্ড শার্পার) এমন একটি বিজ্ঞাপন বাংলাদেশের টিভি দর্শকরা প্রতিদিনই দেখছেন। এই বিজ্ঞাপনের দাবির সত্যতা নিয়ে বাংলাদেশে কোনো প্রশ্ন না উঠলেও যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রক সংস্থা অ্যাডভারটাইজিং স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সি (এএসএ) সেদেশে এর প্রচার নিষিদ্ধ করেছে। স্বাস্থ্য ও পুষ্টির ব্যাপারে 'প্রমাণিত নয়' এমন দাবি করায় ম্যাগি নুডুলসের একটি বিজ্ঞাপনও নিষিদ্ধ করেছে সংস্থাটি।


অথচ এই বিজ্ঞাপন দেখেই আমরা প্রভাবিত হচ্ছি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28859443 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28859443 2008-10-25 11:57:56
কুসুম তবু তোমাকে চিরবিদায় দিতে হচ্ছে তোমাকে বড় অসময়ে বিদায় দিতে হচ্ছে।
বলির পাঠা হয়ে তোমাকে বিদায় নিতে হল।

দেশের অপরাজনীতির তুমি বলি হলে।
কি করে ভুলি তোমার এই বিদায়ের কথা।

কি করে সান্তনা পাবে তোমার মা, ভাই, বোন।
দোয়া করি তারা যেন ধৈর্য্য ধরতে পারে।
এই দুঃসময় কাটিয়ে উঠতে পারে।


(নিচে এই ঘটনা নিয়ে আজকে তিনটি পত্রিকায় ছাপানো খবরগুলো দিলাম। সেখানে ও আসল খবরটি আসেনি তাই আমি পাঠকদের জন্য সম্পূর্ণ তথ্যটি কিছুক্ষণ পরে লিখছি।)

Click This Link

Click This Link

Click This Link


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28859395 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28859395 2008-10-25 09:46:05
হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর আদর্শ ছাড়া এই পৃথিবীতে শান্তি ফিরে আসবে না বানার্ডশ বলেছিলেন,

পৃথিবীর মানুষকে, "তোমরা যদি অশান্ত এই পৃথিবীর শান্তি ফিরিয়ে আনতে চাও, তাহলে পৃথিবীর দায়িত্ব হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর হাতে উঠিয়ে দাও। মুহাম্মদ (সঃ) তো এখন আর নেই, তাঁর আদর্শের কাছে মাথা নত কর, পৃথিবীর কাংখিত শান্তি আবার ফিরে আসবে।"

ইংল্যান্ডবাসীকে, "অশান্ত এই ইংল্যান্ডের সমস্যা সমাধান করার জন্য, এক শতাব্দীর ভিতরে ইসলাম কবুল করা ছাড়া আর কোন বিকল্প পথ নাই।"


স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন,

"হযরত মুহাম্মদ (সঃ) হচ্ছে মানবতার মুক্তি দূত, এই মুহাম্মদ (সঃ) যে সব মেয়েকে মাটিতে পুতে ফেলা হয়েছে তাদেরকে জীবিত টেনে বের করে এনেছিল"
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28857776 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28857776 2008-10-21 15:55:44
সামান্য একটা সমস্যা আমার জন্য বড়
Click This Link

তখন আবার লগআউট করে লগইন করতে হয়।

এই সমস্য কি শুধু আমার ক্ষেত্রে হয়?

যদি তাই হয় তাহলে সমাধান কি?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28855035 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28855035 2008-10-15 15:55:26
পালিত হচ্ছে প্রথম 'বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস'
আসুন আমরা সব সময় হাত ধোয়ার অভ্যাস করি। প্রওতিবার কিছু খাওয়ার আগে হাত ধুয়ে নিই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28854958 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28854958 2008-10-15 12:51:42
একদিন আমার চিহ্ন মুছে যাবে এই পৃথিবী থেকে হঠাৎ করে বাড়ী থেকে ফোন।
বড় ভাই ফোনে বলল আমাদের বাড়ীর সবচেয়ে প্রবীন ব্যক্তিটির মৃত্যুর খবর।

বয়স ৯০ এর কাছাকাছি।
এই বয়সে ও নিজের জমিতে চাষ করতে পারত।
বীজ বপন থেকে শুরু করে ধান মাড়াই পর্যন্ত সব কাজ করতে পারত।
সকাল থেকেই নাকি অসুস্থ হয়ে পড়েছিল এবং ঘন্টা দুয়েকের মধ্যে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল।

একদিন আমাদেরকে ও চলে যেতে হবে এই ভুবন ছেড়ে।

কিছুদিন হয়ত মনে রাখবে ভাই, বোন, স্ত্রী, পুত্র, স্বজন এভাবে আস্তে আস্তে তাদের স্মৃতি থেকে ও মুছে যেতে থাকবে।

একটা সময় আসবে (তৃতীয়, চতুর্থ প্রজন্ম) যখন কেউ আর আমাদেরকে চিনবে না।

এভাবে আমাদের স্মৃতি পৃথিবী থেকে একদিন নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28854530 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28854530 2008-10-14 11:49:48
eid message from চাচামিঞা white as milk,
cute as mine,
cool as dew,
good as you,
sweet as honey,
full of money.

"EID MUBARAK"

- Chachamya.


আজ অফিসে ফিরে message টির শেষের লাইনে একটি নতুন শব্দ যোগ করতে হল : full empty of money.]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28853302 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28853302 2008-10-11 10:16:47
কবি "জীবনানন্দ দাশ" এর কাছে ক্ষমা চেয়ে











আবার আসিব ফিরে
তোমাদের ভিড়ে
এই বলগায়,

হয়তো কালকে নয়
১০ ই অক্টোবরের পরে।

ঈদ মোবারক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28848520 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28848520 2008-09-27 13:37:32
GPA and Division
Grading System

Letter Grade System of Individual Subject
Class Interval Letter Grade Grade Point
80-100 A+ 5
70-79 A 4
60-69 A- 3.5
50-59 B 3
40-49 C 2

33-39 D 1
0-32 F 0

Division System

Class Interval Division
60 and + 1st
45-59 2nd
33-44 3rd


কিন্তু উপরের বিভাগ সিস্টেম থেকে দেখা যায়,
৪৫-৫৯ নম্বর পেলে ২য় বিভাগ। কেউ ৪৫ নম্বর পেলে সেও ২য় বিভাগ এবং ৫৯ নম্বর পেলে সেও ২য় বিভাগ। দুজনেই চাকরিতে আবেদন করতে পারে।

জিপিএ সিস্টেম থেকে দেখা যায়,
৫০-৫৯ পেলে ৩ পয়েন্ট এবং ৪০-৪৯ পেলে ২ পয়েন্ট।

এখন বিভাগ সিস্টেমে ৪৫ নম্বর পেলে আবেদন করা যায় কিন্তু জিপিএ সিস্টেমে ৫০-৫৯ নম্বর পেলে আবেদন করতে পারবে। যার দরুন জিপিএ সিস্টেমে বেশি নম্বর (যদি সে ৪৯ নম্বর পায়) পেয়ে ও আবেদন করতে পারবে না।

এ বিষয়টা নিয়ে মনে হয় শিক্ষামন্ত্রণালয় থেকে কোন ঘোষণা আসা দরকার। কত পয়েন্ট পেলে কোন বিভাগের সমান হবে। না হয় এরকম চাকরির ক্ষেত্রে গিয়ে জিপিএ প্রাপ্তদের ভোগান্তিতে পরতে হবে এবং এখন ও পরতে হচ্ছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28847737 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28847737 2008-09-25 12:32:04
সতীন
এক সতীন অপর সতীনের সাথে প্রায়ই ঝগড়া করত।

কোন কারণ ছাড়াই, কোন কথা ছাড়াই সে ঝগড়া করত। সতীনটির কথা শুনলেই তার সাথে ঝগড়া করত। কোন যুক্তি ছাড়াই। কোন বিষয়ে কথা বলছে, প্রসঙ্গ পাল্টিয়ে অন্য বিষয়ে ও ঝগড়া করত। ঝগড়া করাটাই যেন তার অভ্যাস।

পাড়া-প্রতিবেশীকে বলত সতীনটি নাকি বড্ড খারাপ।

একদিন হঠাৎ করেই নির্যাতিত সতীনটি চলে গেল।

পাড়া-প্রতিবেশী এখন সতীনটিকে বলল, "যাক, এবার তুমি শান্তিতে থাকতে পারবে। তোমার কোন সমস্যা নেই তো?"

সতীনটি বলল, "এখন আমি ঝগড়া করব কার সাথে?"

(আমাদের জীবনের প্রতিটি স্তরে এরকম কিছু চরিত্র দেখা যায়।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28845702 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28845702 2008-09-20 15:21:59
সভ্য (!) আমেরিকা এবং ১৪০০ বছর পূর্বে ইসলামের ঘোষণা।
মদ খেয়ে আমেরিকানরা এতই মাতাল হয়ে পড়ত যে তারা ঠিক সময়ে অফিস করতে পারছে না।
অফিসে আসলেও কাজ করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে।

এমনি দুর্যোগপূর্ণ মুহুর্তে ১৯৩০ সালে আমেরিকার সংবিধান বিশেষজ্ঞদের পরামর্শক্রমে একটি বিল সংবিধানে উত্থাপিত হল। যা সর্বস্মতিক্রমে পাস হয়।
সংবিধানে যা সংযোজিত হল তার মূলকথা হল, "আজ থেকে মদ পান বন্ধ ঘোষণা করা হল। এবং মদ পান করার শাস্তি স্বরুপ বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি এবং জরিমানা করা হবে, আদালত তা নির্ধারণ করবে।"

ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে তিন বছর বিভিন্ন ধরপাকড়, জেল, জরিমানা করা হল। কিন্তু কিছুতেই কিছু লাভ হয়নি। অবশেষে ১৯৩৩ সালে আবার বিলটি সংসদে উত্থাপিত করে বিলটি বাতিল করতে হয়েছিল।

অথচ যখন কোরআনের আয়াত নাজিল হল, "মদ হারাম।" সাথে সাথে মুসলামনেরা মদ ছেড়ে দিল। মদীনার রাস্তায় মদের নহর বয়ে যেতে লাগল। যেসব মুসলমানরা মদ বিক্রি করত তারা তাদের দোকানের সব মদ রাস্তায় ঢেলে দিল। যারা মদ অর্ধেক পান করেছে বাকী অর্ধেক পান করেনি তারা মুখ থেকে তা ফেলে দিল।

আজ আমেরিকাকে সভ্য হিসেবে মানি কিন্তু তারা একটা আইন করে তা আবার ফিরিয়ে নিতে হয়েছিল।

আর ইসলাম? যা একবার ঘোষিত হয়েছে তাই চিরকাল ব্যাপী থাকবে। কারণ ইসলাম এমন একটা জীবন বিধান, মানব জীবনের উন্নতির সব পথ এখানে আছে। ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন বিধান। মানব জাতির প্রয়োজনীয় সব কিছুই কোরাআনে নিহিত আছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28844734 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28844734 2008-09-18 12:10:49
মা?! পিতা নির্ধারণে ছেলের বিরুদ্ধে করা একটি মামলা। ছেলে: আমি জানি না।

একজন পুরুষ দেখিয়ে বলল, "এই মানুষটি তোমার পিতা"।
ছেলে বলল, "আমি মানি না"।

এভাবে মা যতই বলতে লাগল, ছেলেটি ততই বলল, "আমি মানি না"।

কিন্তু কেন?

মা ছেলের বিরুদ্ধে ওয়েস্ট মিনিস্টার আদালতে একটা মামলা রুজু করল।
এই বিষয়ে সমাধান দেওয়ার জন্য।

অনেক বার শুনানি হল।
এবার আদালতের বিচারক বলল, "তোমার মা বলছে এই পুরুষটা তোমার পিতা, তুমি মেনে নিলেই তো সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়"।

ছেলে কান্নাজড়িত কন্ঠে আদালতকে বলছে, "মহামান্য আদালত, পশ্চিমা দুনিয়ার এই জগতে আমার মা তো কত পুকুরের পানিতে ডুব দিয়ে গোসল করেছে, কোন পুকুরের পানিতে আমার মায়ের সর্দি লেগেছে তা আমি কি করে বুঝি?"

হতবাক আদালত।
সাংঘাতিক কথা।
মানবতা এর চেয়ে বড় অপমান, অবমাননা আর কি হতে পারে?

আদালত সেদিনের মতো আদালত মুলতবি ঘোষণা করার সময় মহিলাটিকে বলছে, "ছেলের সন্দেহ ঠিক। এই পুরুষটা যে তোমার স্বামী এটার স্বপক্ষে কি কি প্রমাণ আছে তা আদালতে পেশ কর"।

মহিলাটি বলছে, " মহামান্য আদালত, এটা কি করে প্রমাণ করি, এটাতো সম্পূর্ণ ইনডোর গেম, আদালতে পেশ করার মতো কোন বিষয়তো এটা না।"

আদালত বলছে, "আদালত স্বাক্ষী ছাড়া মামলার রায় দিতে পারে না, আপনাকে লিখিত প্রমাণ পেশ করতে হবে"।

আদালত মহিলাটিকে বলল, "ছেলের দাবি ঠিক আছে, এই পুরুষ ছেলেটির পিতা না ও হতে পারে, তুমি প্রমাণ পেশ করতে পারছ না"।

আদালত বলল ঠিক আছে। এই পুরুষটির মেডিকেল টেস্ট করা হোক। মেডিকেল টেস্ট করার পরে দেখা গেল এই পুরুষটি ছেলেটির পিতা নয়।

এভাবে আরো কয়েকটি শুনানি অনুষ্ঠিত হল। এবং প্রতিবার একজন করে পুরুষ হাজির করা হল। এবং তাদের মেডিকেল টেস্ট করা হচ্ছে। কিন্তু এভাবে তিনজনের পরীক্ষা করা হলেও পিতা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

চতুর্থ যে পুরুষটি মা দেখিয়ে দিল, মেডিকেল টেস্ট করার পর প্রমাণিত হল এই চুতর্থ পুরুষটিই ছেলেটির পিতা।

আদালত এবার ছেলেটিকে বলল, "তুমি এবার এই চতুর্থ পুরুষটিকে পিতা বলতে অবশ্যই বাধ্য।"

ছেলেটি বলছে, "মাহমান্য আদালত, চারবার রক্ত পরীক্ষা করে যদি পিতা বের করতে হয়, এমন পিতার আমার দরকার নাই, বিনা পিতাতেই আমি ভাল আছি।"

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28843863 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28843863 2008-09-16 10:42:29
"খেলাফতকালে হযরত ওমর (রঃ) এর বেতন নির্ধারণ এবং ফার্স্ট লেডির পিঠা খাওয়া" ব্যবসায়ীরা একটু ভাল খাবার দাবার খায়। প্রতিদিন বাজার করে।

হযরত ওমর (রঃ) খেলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করলেন।

প্রায় দু'বছর হতে চলল ঘরের মধ্যে আকাল পড়েছে। যবের রুটি তাও চালনি দিয়ে চালা নিষেধ।

আমিরুল মুমিনিনের স্ত্রী বললেন, "আপনি ও বাদশাহ হলেন, আর ঘরের মধ্যে আকাল নামল, আজকে দেড় বছরের উপর বাচ্চারা পিঠা খেতে পারে না, আগে কত পিঠা, অন্যান্য নাস্তা, ভাল খাবার দাবার খেত, দেখেন বাচ্চার কি রকম শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে"।

আমিরুল মুমিনিন বললেন, "ঐ পিঠা, নাস্তা এগুলো হবে না, ঐ আফ্রিকা থেকে শুরু করে ফোরাত নদীর কুল পর্যন্ত, এই অর্ধেক পৃথিবীর প্রতিটি পরিবার পিঠা খেতে পেরেছে কিনা আমি এখনো এটার খবর নিতে পারিনি। সুতরাং দুই দিরহাম এটাই আমার বেতন, এটা দিয়ে যা চলে, এটাই তোমরা চালাও"।

স্ত্রী দেখলেন এমন আমিরুল মুমিনিন রাষ্ট্রপ্রধান যার সাথে কথা বলে কোন কুল কিনারা পাওয়া যাবে না। প্রতিদিন দুই দিরহাম এটা থেকে পিপড়াঁর মত সিকি পয়সা, আধা পয়সা এভাবে জমিয়ে জমিয়ে দুই মাস পর কিছু পয়সা যখন জোগাড় হল, খাদেম আসলামকে বাজারে পাঠিয়ে নাস্তা বানানোর কিছু উপকরণ কিনে আনল। এবং কিছু নাস্তা তৈরী করা হল। আমিরুল মুমিনিন হযরত ওমর (রঃ) যখন নাস্তা করতে বসলেন তখন উনার সামনে নাস্তার প্লেট দেওয়া হল। নাস্তার প্লেট দেখে আমিরুল মুমিনিনের চোখ ছানাভরা হয়ে গেল।

স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করল, "আরে এগুলো কোত্থেকে? নিশ্চয় আমার অজান্তে বায়তুল মাল থেকে এনেছ?"

স্ত্রী বললেন, "আপনার বায়তুল মালের যে গর্ভণর, যে ঈমানদার, যে জিম্মাদার, কি পোস্টে যাদের দিয়েছেন, আমার মত একজন হতভাগী সারা জীবন বায়তুল মালের দরজায় গিয়ে দাড়িয়ে থাকলে ও আমাকে একটি চিনির দানা দেওয়া হবে না, যদিও আমি ফার্স্টলেডি, সেখানে আমার কোন গুরুত্বই নাই। সুতরাং তারা ও দেবে না, আর আপনি নিষেধ করার পর আমি যে আনতে যাব তা কি করে ভাবতে পারলেন।"

আমিরুল মুমিনিন বললেন, তাহলে এই পয়সা তুমি কোথায় পেয়েছ?

আমিরুল মুমিনিনের স্ত্রী বললেন, "আমি গত দুই মাসের বেতন থেকে কিছু পয়সা বাচিয়েছি, তা থেকে এই নাস্তা করেছি, আপনার বেতনের টাকা, হালাল, আপনি খান।"

আমিরুল মুমিনিন নাস্তার প্লেট সামনে ঠেলে দিয়ে মসজিদে নববীতে গেলেন। মিম্বরে বসে মুয়াজ্জিনকে ডাকলেন। বললেন, "আজান দাও"।

মুয়াজ্জিন একবার আমিরুল মুমিনিনের দিকে তাকান আর একবার বেলার দিকে তাকান। বেলা বাজে সাড়ে আটটা। ফজরের আজানের তো সময় না, জোহর তো অনেক দেরি। এই অসময়ে আজান দিতে বলে কেন?

এটা ছিল হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর সময় জরুরী তলব। রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে যদি নামাজের ওয়াক্ত ছাড়া কোন জরুরী প্রয়োজন পড়ে, তাহলে অসময়ে আজান দিয়ে সবাইকে ডাকা, আজানের ওয়াক্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করা যাবে ন। পরামর্শ করার জন্য সবাইকে আসতে হবে। যে যেখানে আছে আমিরুল মুমিনিনের ভাষণ শোনার জন্য যেতে হবে। রাষ্ট্রীয় বিপদ।

সবাই আসল। আমিরুল মুমিনিন, হামদ ও সানা পড়লেন। তারপর বললেন, "দুই বছর আগে তোমরা যখন আমার বেতন নির্ধারণ করছিলে দৈনিক দুই দিরহাম। তখন বলেছিলাম আমার এত লাগে না, এত লাগে না, অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে, আরো কম। এই দেড় থেকে দুই বছর পর দেখলাম এই দুই দিরহাম থেকে ও উদ্বৃত থেকে যায়। এই বেতন এখনই কমাও তা না হলে এখনই আমি খেলাফতের দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিব"।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28843415 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28843415 2008-09-15 11:36:43
এইচ, এস, সি ফল প্রার্থীরা আওয়াজ দিয়েন। নিচের লিংকটি দেখুন।

http://www.educationboard.gov.bd/

ব্লগে কেউ ফল প্রার্থী থাকলে আওয়াজ দিয়ে যায়েন।

আপনার শুভ কামনায় অপেক্ষায় রইলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28841162 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28841162 2008-09-10 12:23:04
মেয়েটি আত্মহত্যাই করল
আমাদের গ্রামের মেয়ে।
৬ষ্ঠ কি ৭ম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করেছে।
দুবোন, একভাই।
বড় বোন বিবাহিতা, বড় ভাই সব্জি ব্যবসায়ী।
পিতা মৃত, মা জীবিত আছে।
সহায় সম্পত্তি বলতে থাকার ভিটেটাই শুধু আছে।
দরিদ্র পরিবার।
কোনভাবে চলে যাচ্ছিল।

একদিন মেয়েটির বিয়ে ঠিক হল।
পাড়ার সবাই টাকা দিয়ে সাহায্য করছে।
বিয়ের আয়োজন ও চলছে।

কিন্তু বিয়ের ঠিক দুদিন আগে।
বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্ঠা করল।
কিন্তু কেন?

আমরা সবাই অনেক চেষ্টা করে ডাক্তারের অনেক পরিশ্রমের ফসল।
সে আবার সুস্থ জীবনে ফিরে আসল।

এরই মধ্যে জানতে পারলাম মেয়েটির সাথে একটি ছেলের সম্পর্ক ছিল তাই সে বিষপানে আত্মহ্ত্যা করতে চেয়েছে।

তাহলে আমাদেরকে আগে জানাওনি কেন?
এখন কি সবাই মিলে যে বর ঠিক করেছে তার সাথে বিয়েতে বসবে, নাকি তোমার পছন্দ ছেলের সাথে বিয়েতে বসবে।

"না, আপনাদের পছন্দ করা ছেলের সাথে বিয়েতে বসব", মেয়েটি বলল।

আবার আয়োজন চলছে।
সবই প্রস্তুত।
বিয়ের দিন।
সবাই যখন বর নিয়ে ব্যস্ত।
মেয়েটি আবার বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালাল।

তবে এবার কারণ জানার সুযোগ হয়নি।
কারণ তার আগেই সে মৃত্যুর কোলে নিজেকে সপে দিল।



হঠাই ঘুম ভেঙ্গে গেল।
দেখি সকাল ৭টা ৪ মিনিট।
মনে মনে হাসলাম।
সেহেরী খেয়ে যখন ঘুমিয়েছি এরপরই স্বপ্নটা দেখলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28841104 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28841104 2008-09-10 09:46:16
International Islamic University Chittagong এর Ranking কত?
সেই লেখার উত্তর দিতে গিয়ে দেখি লেখাটা গায়েব।

তাই এই লেখাটি দিলাম।

২০০৪ সালে UGC যে জরিপ করেছিল তাতে কোন অবস্থানে ছিল তা জানার জন্য নিচের লিংকটি দেখুন।

Click This Link

আর International Islamic University Chittagong এর সম্পর্কে জানতে চাইলে নিচের লিংকটিতে ক্লিক করুন।

http://www.iiuc.ac.bd/

ধন্যবাদ, যিনি জানতে চেয়েছিলেন উনাকে এবং সবাইকে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28840672 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28840672 2008-09-09 11:47:07
'৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের দেশের জন্য কতজন শহীদ হয়েছেন?
আসলে কি তাই?

বরাবর ৩০ লাখ?

আমরা আমাদের দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের কথা বলি। কিন্তু তাদের নাম, ঠিকানা, কোথায় শহীদ হয়েছেন, কিভাবে শহীদ হয়েছেন, রাজাকারের হাতে না সম্মুখ যুদ্ধে এসব তথ্য কি আমরা সঙগ্রহ করতে পারি না? দেশের জন্য যারা নিজেদের প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন তাদের তালিকাটা কি আমরা যারা বেচেঁ আছি তারা সংগ্রহ করতে পারি না? আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের তালিকাটা সংগ্রহ করাটা কি এতই কষ্টসাধ্য?

কিন্তু কেউ কথা রাখেনি। আমাদের এই স্বাধীন দেশে মক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বিপক্ষ শক্তি সবাই ক্ষমতায় ছিল। কেউ শহীদদের তালিকাটা সংগ্রহ করেনি। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী মুজিব সরকার, জিয়া সরকার, এরশাদ সরকার, খালেদা সরকার, হাসিনা সরকার, জোট সরকার এরপর দূনীর্তিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে বর্তমান কেয়ারটেকার সরকার কেউ শহীদদের তালিকা সংগ্রহের কাজটা করেনি।

কিন্তু কেন?

হয়ত একটি সত্য বেরিয়ে আসবে বলে।
১) মুক্তিযুদ্ধে কতজন শহীদ হয়েছিল?

অথবা একটি মিথ্যাকে লালিত করার জন্যে।
১) ৩০ লাখ শহীদ হয়েছিল।

অথচ আমাদের যে কোন সরকার চাইলে এইকাজটা করতে পারে।

যেমন: এবার ভোটার তালিকা বা জাতীয় পরিচয় পত্রের কাজটা আমরা মনে করেছিলাম খুবই কঠিন হবে। কেননা তা সফটওয়ার এর মাধ্যমে করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা দেখেছি তা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

এবার আসি শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা সংগ্রহটা কিভাবে করা যায়।
প্রথমে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে এই সংক্রান্ত নির্দেশ জারি করা। চেয়ারম্যান নির্বাচিত মেম্বারদের দিয়ে এই কাজটা সম্পন্ন করতে পারবে।

এরপর আসে সত্যতার বিষয়। আমাদের বর্তমানে তালিকাভুক্ত যেসব মুক্তিযোদ্ধা এখনো জীবিত আছে তাদের দ্বারা মেম্বারদের সংগ্রীহিত তালিকাটি সত্যায়িত করা যায়। এখেনা প্রতিটি এলাকায় তালিকাভূক্ত জীবিত মুক্তিযোদ্ধা আছে। তাহলে এই কাজটা করতে তেমন সমস্যা হবে বলে মনে হয় না।


আমার উপরোক্ত লেখায় আপনি কমেন্ট করবেন?

তবে তার আগে আমার নিচের দুটি প্রশ্নের উত্তর ভেবে দেখবেন।

১) ৩০ লাখ থেকে একজন বেশি মুক্তিযোদ্ধা ও যদি শহীদ হয়ে থাকেন, তাহলে আমরা সেই মহান মুক্তিযোদ্ধার প্রতি চরম অসম্মান প্রদর্শন করছি না?

২) যদি ৩০ লাখ থেকে একজন ও কম হয়ে থাকেন, তাহলে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের সাথে অতিরিক্ত আরেকজন প্রবেশ করিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সেই সব শহীদদেরকে অবমাননা করছি না?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28840350 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28840350 2008-09-08 15:20:35
সেই রাতে মহিলাটির সাথে
রাত তখন ১২টা।

আমরা যখন গাড়ীতে উঠলাম তখন আমার সামনের সিটে এসে বসল এক মহিলা। গাড়ীর লাইট অফ ছিল। তাই মহিলাটির চেহারা দেখা যায়নি। বয়স কত তাই আন্দাজ করতে পারলাম না।

উঠেই সুপারভাইজারকে বলল, "আমার পাশে কোন মহিলা পেলে বসাবেন না হয় আমার পাশের সিট খালি যাবে, কোন পুরুষ বসানো যাবে না"।

যাক একজন মহিলা পাওয়া গেল। এবং যথারীতি উনার পাশে বসানো হল।

ভদ্রমহিলা দুজন বসল একদম সামনের সিটে। আমি এবং আমার ভাগনি (বয়সে আমার কাছাকাছি) বসলাম ২য় সিটে।

গাড়ী যখন যাত্রা শুরু করল তখন রাত ১২টা ৫ মিনিট।

গাড়ী ছাড়ার সাথে সাথে মহিলাটির মোবাইলে কথোপকথন শুরু হল।

কথোপকথনের কিছু অংশ তুলে ধরলাম। শুধু মহিলাটির কথাই যেহেতু শুনছিলাম, শুধু তার কিছু কথা লিখব।

১) রাত কয়টা বাজছে এত তাড়াতাড়ি ঘুমাও কেন?
২) তুমি আমার বাসায় আস, আমাদের বাসায় কেউ মাইন্ড করবে না।
৩) আমার ছেলের কথা বলছ, আরে না ওদরেকে নিয়ে কোন সমস্যা নেই।
৪) তোমার সাথে আমার পরিচয় হয়েছে পাচঁ বছর অথচ তুমি দেখা করেছ একবার।
৫) তুমি কত সাল এস, এস, সি পাশ করেছ? ১৯৯৮ সালে? অসুবিধা নাই।
৬) আমার আত্মীয় - স্বজন কেউ কিছু বলবেনা। আরে আমি কাউকে পরোয়া করি না কি?
৭) আচ্ছা তুমি আমার সাথে কখন দেখা করবে?
৮) আরে ঘুম ঘুম করছ কেন, এখন মাত্রতো একটা বাজে?
৯) আচ্ছা তুমি আমারে পছন্দ কর না?
১০) আমার স্বামীতো বিদেশে, কোন সমস্যা নাই?
১১) টাকা নিয়ে চিন্তা করতে হবে না?

এভাবে আরো অনেক কথা বলেছে। কথা যখন শেষ হল তখন রাত ২টা ১০ মিনিট। পাক্কা ২ ঘন্টা ৫ মিনিট।

সুপারভাইজার বলল, "আপনার মোবাইলের চার্জ কি শেষ হয়ে গেছে?" উনি বললেন, না।
সুপারভাইজার আবার বলল, "মোবাইলের ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেছে?
না।
তাহলে কথা বন্ধ করলেন যে, উনি বললেন ঘুমানোর সময় হয়েছে তো তাই।

মহিলাটির গলার স্বর এত উচ্চ ছিল যে পিছনের সিট থেকে ও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে।

অনেকে সুপারভাইজারকে অভিযোগ করেছিল।
কিন্তু মহিলাটিকে কথাটি বলার পরে ও উনি তার মতো করে চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

এতক্ষণে একটু বুঝলাম, কেন উনার পাশে একজন মহিলাকে বসাতে বলেছিল।

গাড়ী থেকে ফকিরাপুল নামলাম। নেমে দেখি উনার বয়স ৪০-৪৫বছর মধ্যে হবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28839852 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28839852 2008-09-07 10:44:17
"শিশুদের আঞ্চলিক ভাষা শেখানো" পক্ষ - বিপক্ষ অভিমত
ফারহানা আমাদের গ্রামেরই মেয়ে। বয়স ২৪/২৫ বছর। থাকেন চট্টগ্রামের একটা আবাসিক এলাকায়। জন্ম থেকেই।

ফারহানার পিতা আমাদের গ্রামেরই সন্তান এবং ছোটকালে গ্রামে বসবাস করত। শহরে এসে ব্যবসা করে এখন বড়লোক। এবং সেই সুবাদে শহরের আবাসিক এলাকায় বাড়ী করে সেখানেই তাদের বসবাস।

ফারহানার মায়ের বাড়ি ও আমাদের পাশ্ববর্তী গ্রামে। এবং বিয়ের পূর্ব পর্যন্ত তিনি ও গ্রামে ছিলেন।

কিন্তু এখন সমস্যা হলো ফারহানার মা ও বাবা দুজনেই ছোটকাল থেকেই গ্রামে বসবাস করলেও তাদের সন্তানদের আঞ্চলিক ভাষা শেখাইনি। যার দরুণ ফারহানা এখন আঞ্চলিক ভাষা বলতে তো পারেই না, বুঝে ও না। অথচ তাদের গ্রাম থেকে শহরের বাসার দূরত্ব মাত্র ৮/১০ কিলোমিটার। আমি তাকে জিঞ্জেস করেছিলাম আঞ্চলিক ভাষা বলতে পার না কেন?

সে আমাকে উত্তর দিয়েছিল ছোটকাল থেকে আমার মা, বাবা এবং আমাদের প্রতিবেশী, স্কুল, কলেজ কোথাও আমার সাথে কেউ আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেনি। তাই আমি বলতে ও পারি না, বুঝতে ও পারিনা।

আমরা শিশুদের সাথে ছোটকাল থেকেই বইয়ের ভাষায় কথা বলে (চলিত ভাষা) তাদেরকে সেটাতে অভ্যস্থ করার চেষ্টা করি। কিন্তু শিশুটি যখন লেখাপড়া করবে তখনতো সে এমনিতেই বইয়ের ভাষাটা শিখে ফেলবে। তাহলে তাকে ছোটকাল থেকে এটা শেখানোর দরকার কি।

আমি এ বিষয়টা এজন্য বলছি যে, আমরা এখন ইংরেজী ভাষা, ফ্রেন্স ভাষা, কোরিয়ান ভাষা, জাপানী ভাষা শেখার জন্য হাজার হাজার টাকা খরছ করছি। কিন্তু তা সত্ত্বে ও আমরা তা যথাযথাভাবে শিখাতে পারছি না। কিন্তু ছোটকাল থেকেই আমরা যদি শিশুদের সাথে আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলি তাহলে সে আপনাআপনিই একটা ভাষা শিখে ফেলল।

এরফলে শিশুটির কোন অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। কেননা সে যখন লেখাপড়া শুরু করবে তখন যে ভাষাটা (বইয়ের ভাষা) শেখানোর জন্য আমরা ছোটকাল থেকেই উঠেপড়ি লাগি সেই ভাষাটা ও সে আপনাআপনিই শিখে ফেলবে।

এ বিষয়ে আপনার মতামত কি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28838598 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28838598 2008-09-04 10:57:31
"হযরত মোহাম্মদ (সঃ) কি মৃগীরোগী ছিলেন" এর মূল লেখার জবাব
আমি এই লেখাটির জবাব দুই পর্বে দেব। একটি মূল লেখার আরেকটি লেখার উপর কমেন্টের।

আজকে প্রথম পর্ব।

ইসলাম একটি স্বতন্ত্র ধর্ম এ বিযয়ে কোন সন্দেহ নেই এবং কোন সময়ে ছিল না। ইসলাম কোন পুরনো নীতি দর্শনের ফুলঝুড়ি ছিলনা । এবং সে রকম কিছু হ্ওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই।

আল্লাহ পাক যুগে যুগে নবী পাঠিয়েছিলেন শুধু একটি ঘোষণা দেওয়ার জন্য আর তাহল "একজন শেষ নবী আসবেন, তার নাম মুহাম্মদ (সঃ) এবং তার প্রচারিত ধর্ম ইসলাম"। এবং সব নবীই তার উম্মতদের একথা প্রচার করেছিলেন।

Earnet Renan এর যে উদ্বৃতি উক্ত লেখাটিতে দেয়া হল সেখানে একটি কথা "ইতিহাসের আলোময় আবির্ভাব" এর কথা বলা হয়েছে। সত্যিই এটা ইতিহাসের আলোময় আবির্ভাব। হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে আল্লাহ পাক অনেক আগে সৃষ্টি করে রেখেছিলেন এবং তিনি এই পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছে মাত্র। শুধু উনি আসবেন বলে এই পৃথিবীকে সৃষ্টি করে রেখেছিলেন।

দাস প্রথার কথাটিতে ইসলামের ব্যাখ্যাটা আপনার জানা নাই। হযরত মুহাম্মদ (সঃ) প্রথম হযরত আনাস (রঃ) কে আজাদ করে দিয়েছিলেন। ইসলামেই দাসকে মুক্ত করে দেওয়ার ব্যাপারে প্রথম নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

৬৩২ খ্রিস্টাব্দে নবীর ওফাতের ১২০ বছর পর তার জীবনী লিখা হয় এই তথ্যটি কোথা থেকে পেলেন উল্লেখ নাই। এবং তাও আবার হারিয়ে গেল। আবার লিখা হল। এত তথ্য আপনার কোত্থেকে জানা, সত্যিই আজিব!

এবার কোরানের কথায় আসি। ডঃ মরিস বুকাইলির "বাইবেল, কোরআন এবং বিজ্ঞান" এ বিষয়ে আধুনিক এবং ইসলাম না জানাদের জন্য পড়া বাঞ্চনীয়। এখানে কোরআনের ১৫০০ বছর আগের তথ্যগুলো কিভাবে এখন বিজ্ঞান প্রমাণ করছে তা জানা যাবে। কোরান সংকলন করার সময় যে বিভ্রান্তির কথা বলা হচ্ছে তার উত্তরে বলি কোরান যখন নাজিল হতো সেখানে তা আর একজন, দুইজন থাকত তো না অনেক সাহাবী থাকতো। তখন নাজিল হ্ওয়ার পরে নবী (সঃ) সবাইকে তা পড়ে শুনাতেন। এবং মুখস্থ করার জন্য বলতেন। আবার একজন সাহাবী উপস্থিত থাকলে ও তাকে মুখস্থ করে অন্যকে বলার জন্য বলতেন। আবার কেউ উপস্থিত না থাকলে ও তিনি এসে সাহাবীদের বলতেন এবং তা মুখস্থ করতে বলতেন। এভাবে অনেক কোরানে হাফেজ তখন ছিল। কোরান যখন লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে তখন এসব কোরানে হাফেজকে একত্র করে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে যা দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন পড়ে। এবং সেটা সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হয়েছিল। এতে ভ্রান্ত হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই।

এক্ষেত্রে জার্মান এক ডাক্তারের কথা বলি, তিনি বলেন "আমি কোরানের সে আয়াত পড়ে সত্যিই অবাক হয়েছি কোরান কিভাবে ১৫০০ বছর আগে যে তত্ত্ব কথা বলেছিল আজ কিভাবে তা সত্যি হচেছ নিশ্চয়ই কোরান একটি সর্বশ্রেষ্ট এবং আসমানী গ্রন্থ।" সে আয়তটি হল "আমি তোমাদরে জন্মের অনেক আগেই তোমাদের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছি।" এবং আমি দেখলাম শিশু তার মায়ের গর্ভে আসার সময় তার পিতার শুক্রাণু এবং মাতার ডিম্বাণুর নিষিক্ত হয়। এবং পিতা মাতার যে শারীরিক গঠন, যে অসুখ বিসুখ সবই সন্তানের নিষিক্ত হওয়ার সময়ই তার পিতা মাতার উপর নির্ভর করে নির্ধারণ হয়ে যায়। কোরআন কোন এলোমেলো এবং জনরবের উপর প্রতিষ্ঠিত নয় এর জন্য এই একটি কথা আপতত লিখলাম।

নবী (সঃ) যে সব যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন তাতে কোন সময়ে ও তিনি শত্রু পক্ষকে আক্রমণ করেনি। এরকম কোন প্রমাণ নেই। তাই নবী যুদ্ধবাজ নেতা ছিলেন না।

নবী (সঃ) রাজনীতিবিদ ছিলেন এটা সত্যি কথা। ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন বিধান। মানুষের যেমন একটি অংগ না থাকলে তা পঙ্গু। তেমনি ইসলামে ও মানুষের জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছু্ই আছে। না হলে ইসলাম পঙ্গু হিসেবে থেকে যেত। মানুষের জীবনে রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতি যা প্রয়োজন সবই ইসলাম ধর্মে রয়েছে। তাই নবী (সঃ) একজন আদর্শ রাজনীতিবিদ ছিলেন।

এবার হাদিস সম্পর্কে বলি। হাদীস সংগ্রহ বিষয়ে বুখারি ত্রিশ লক্ষ সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এবং সেখান থেকে বিশ লক্ষ সাক্ষ্য ধ্বংস করেন। প্রথমে একটি ঘটনা দিয়ে শুরু করি। একদল হাদীস সংগ্রাহক হাদীস সংগ্রহ করতে গেলেন। যে ব্যক্তিটির কাছে হাদীস আছে বলে তারা শুনেছিলেন তার কাছে যখন পৌছল তখন ব্যক্তিটি তার মেষপাল নিয়ে মাঠে বসে আছেন। এবং দেখতে পেলেন একটা মেষের মুখের কাছে একটি গাছের ডাল একবার ধরছে এবং মুখের কাছাকাছি গেলে আবার টেনে নিয়ে নিচ্ছে। এরকম তিনি কয়েকবার করলেন। তখন হাদিস সংগ্রহকারী দল তার কাছ থেকে হাদীস সংগ্রহ না করে চলে এলেন। তাদের কথা ছিল "যে ব্যক্তিটি তার প্রাণীর সাথে এরকম তামাশা করছে সে হাদীস বলার সময় ও কিছু রং মিশ্রিত করে বলতে পারে, অথবা কিছু বাদ দিয়ে ও বলতে পারে সুতরাং তার কাছে থেকে হাদীস সংগ্রহ করা যাবে না। হাদীস এবং কোরান সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে শুধু নবী (সঃ) এর কথা বললেই সংগ্রহ করা হতো না বরংচ দেখা হতো তার ব্যক্তি জীবন, সামাজিক জীবন, পারিবারিক জীবন এসব ক্ষেত্রে উতরাতে পারলে তবে তারা কাছ থেকে হাদীস এবং কোরানের বাণী সংগ্রহ করা হতো। একটি হাদীস এবং একটি কোরানের বাণী শত শত এমনকি হাজার হাজার সাহাবীর জানা ছিল। তাই হাদীস এবং কোরাণের বাণী সংগ্রহ করার সময় একই হাদীস এবং কোরানের আয়াত বারবার পাওয়া যেত। তাই বুখারী যখন হাদীস সংগ্রহ করেন তখন ত্রিশ লক্ষ সাক্ষ্য গ্রহণ করলে ও ব্যক্তি জীবনের, সমাজ জীবনের এবং পারিবারিক জীবনে যাদোর সামান্যতম ও বিচু্যতি দেখা গেছে তাদের মুখে বলা বানী বাদ দেওয়া হয়েছে।

নবী (সঃ) মৃগীরোগী ছিলেন কিনা সে বিষয়ে বলি।

হযরত মূসা (আঃ) যখন আল্লাহর সাথে কথা বলার জন্য তুর পাহাড়ে গেলেন তখন আল্লাহ তার সাথে কথা বলতেন কিন্তু সাক্ষাত করতেন না।
মূসা (আঃ) যখন বললেন তাকে দেখা দেওয়ার জন্য তখন সামন্যতম আলো দেখে মূছা (আঃ) মূর্ছা গেলেন, তুর পাহাড় পুড়ে গেলো।

আর হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর উপর যখন কোরআন নাজিল হতো তখন তার সর্বাঙ্গ কাঁপতে থাকতো, ঠাণ্ডা দিনেও তার শরীর দিয়ে ঘাম ছুটত। কারন কোন সাধারণ মানুষের পক্ষে এই ঐশ্বরীক বাণী বহন করা সম্ভব নয়। একমাত্র হযরত মুহাম্মদ (সঃ) দ্বারাই এটা সম্ভব।

একদিন ওহী নাজিল হচ্ছিল তখন তিনি গাধা/ঘোড়ার উপর উপবিষ্ট ছিলেন। গাধা/ঘোড়াটি পেট মাটির সাথে লেগে যেতে লাগল। তখন সাহাবীরা বলল এ কি হচ্ছে। তখন এক সাহাবি বুঝতে পারলেন কোরান নাযিল হচ্ছে, তখন সাহাবিটি বললেন, "কোরান নাযিল হচ্ছে, তোমরা চুপ থাক"।

এই মহাগ্রন্থ যার উপর নাজিল হয়েছে তার এত কষ্ট হতো তবুও হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর উম্মতরা সত্যিই সৌভাগ্যবান যে নবীর (সঃ) এত কষ্টের পর মুসলমানার সত্য ধর্ম ইসলাম এবং শ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে পেয়েছেন।


Click This Link


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28838146 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28838146 2008-09-03 12:07:56
আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল, শুধাইল না কেহ! Click This Link

আহা কি মজা!

ডাক্তার যা বলবে বলুক (বাম কান নষ্ট হয়ে গেছে) আমি কিন্তু শুনতে পাই।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28832342 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28832342 2008-08-19 15:26:34
ভোটার তথ্য সংগ্রহ কেন্দ্র থেকে -৪

কলিং বেল টিপ দেওয়ার পরে যিনি দরজা খুললেন, উনার বয়স ৫০+, ক্লান্ত একজন মানুষ মনে হল। চেহারায় তা স্পষ্ট।

উনি ভিতরে যেতে বললেন। আমাকে বাসাটির প্রথম রুমে বসতে দিয়ে ভিতরে চলে গেলেন।

আমি ঘরে ঢুকেই টাসকি খেয়ে গেলাম। দেখি মেহেদীর ঢালা সাজানো আছে। কাচাঁফুলের মালা । আরো কাচাঁফুল। দ্বন্দে পরে গেলাম। ঘরে কোন জনমানবের চিহ্ন নেই। তাহলে কি এই বৃদ্ধ বয়সে উনি বিয়ে করতে যাচ্ছেন। অনেক চিন্তার মধ্যে যখন ঘুরপাক খাচ্ছিলাম তখন তিনি আসলেন। বসলেন। আমার পরিচয় দিলাম।

তিনি আমাকে ফরম পূরণের কাজ শুরু করতে বললেন। কাজ যথারীতি শুরু করলাম।

আমার মধ্যে এমনিতেই প্রথম থেকে উনার স্ত্রীর বিষয়ে কৌতুহল ছিল। এখন ফরম যখন উনার স্ত্রীর নামের ঘরে এলাম তখন তিনি আমাকে বললেন আপনি এটা এড়িয়ে যান। আমি নাছোড়বান্দা। আমি বললাম হয় আপনি অবিবাহিত/বিপত্মীক লিখেন না হয় বিবাহিত লিখলে স্ত্রীর নাম লিখতে হবে। তিনি বললেন আমি বিবাহিত এবং স্ত্রীর নাম লিখব না।

আমি বললাম আচ্ছা, ঠিক আছে। আপনি যদি স্ত্রীর নাম না লিখে বিবাহিত লিখেন তা হলে আমাকে জবাবদিহী (কতৃপক্ষের কাছে) করতে হবে। আপনি এর কারণ বললবন যেন আমি যথাযথ (কর্তৃপক্ষকে) জবাব দিতে পারি।

এরপর উনি শুরু করলেন।


আমি একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে রিটায়ার্ড করেছি। আমি হাই এডুকেটেড পারসন। তারপর ও আপনাকে বলি।

আমার স্ত্রীর একজন উচ্চাবিলাসী মহিলা। তাই আমার এই চাকরিতে সে
সন্তুষ্ট নয়। তাই সে আমার সাথে প্রায়ই ঝগড়া করত। প্রায় বিশ বছর আগে আমাকে ছেড়ে আমেরিকা চলে যায়। আমার শ্বশুড় তার মেয়ের পক্ষ হয়ে আমার পাসপোর্ট নিয়ে নেই যাতে আমি আমেরিকা যেতে না পারি। হলো ও তাই। আমার ও আর ভাল লাগল না । চাকরি সময় শেষ হবার আগে ছেড়ে দিয়েছি। আমার শ্বশুড় আমাকে মানুষ দিয়ে পিঠিয়েছে। আমার ছেলে মেয়ে সব তার মায়ের পক্ষে। শুধু আমার ছোট ছেলেটি আমার পক্ষে।
তাদের মা তাদরেকে আমেরিকা নিয়ে গেছে। আমি একা বাংলাদেশে। আমার গ্রামের বাড়ীতে যাইনা। কারণ ছোট কাল থেকে শহরে ছিলাম। গ্রামের মানুষ ভালভাবে নিবে না। তাদের সাথে মিলতে পারব না। আমার মন এতই বিধস্ত যে কারো সাথে তেমন মিশতে ও পারি না। আমার সব আছে। ছেলে, মেয়ে, স্ত্রী কিন্তু সবাই থেকে ও নেই । যে স্ত্রীর কারণে আমার আজ এই অবস্থা তার নাম কি আপনি আমার জাতীয় পরচিয় পত্রে লিখতে বলেন? পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিল আমার দিকে। আমি বললাম, না।

এরপর আবার শুরু করলেন। আমি আমার ছোট ছেলেটাকে নিয়ে চিন্তায় ছিলাম। তাকে দেশে এনে একটা দেশীয় মেয়ের সাথে বিয়ে দেয়ার চিন্তা ছিল। আজ তা থেকে ও মুক্তি পাচ্ছি। এই দেখছেন না? ফুল, মেহেদী। সব তার জন্য। আজ তার বিয়ে আমি ছাড়া আর কেউ নেই তার বিয়েতে। কারণ আমেরিকা থেকে তারা আসবেনা ভাইয়ের বিয়েতে।

কথা শুনছিলাম আর আমি কোথায় যনে হারিয়ে গেলাম যেখান থেকে নিজেকে আর বের করে আনতে পারিনি।

আসার সময় বললাম, স্যার আমায় ক্ষমা করবেন। আপনাকে কষ্ট দেয়ার জন্য। উনি বললেন, না সমস্যা নাই। আপনাকে বলে হলে ও তো আমার মনটা কিছু হালকা হল। অনেক দিন। কাউকে একথাগুলো বলতে পারছি না। অনেককে বলেছি। তবে তা অনেক দিন আগে।


হায়রে জীবন-----------
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28819784 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28819784 2008-07-13 12:59:40
সুখ পাখি--------- অন্য হাতে সুখ পাখি

কোন হাতে রাখবে হাত
বসে বসে ভাবছ কি?
























ভাবছনে?










































কোন হাতে হাত রাখলনে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28819423 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28819423 2008-07-12 12:07:52
ভোটার তথ্য সংগ্রহ কেন্দ্র থেকে - ৩
রাত আটটা বাজতে কিছুক্ষণ বাকি। আমি একটি বাসায় ঢোকার পরেই বিদ্যুৎ মহাশয় প্রস্হান করল। মোমবাতি জ্বালানো হল। এত ছোট রুম। অস্বস্থি লাগছিল। দুইটি রুম। প্রথম রুমের সাইজ ৫ফিট বাই ৫ফিট। একিট খাট এবং দুটি সোপা রাখা। খাটটি খুবই ছোট। ভিতরের রুমটি ৪ফিট বাই ৫ফিট। এটার ভিতরে রান্নার কাজ এবং থাকা দুইই চলে। ঘরে তিনজন। মা, মেয়ে এবং মেয়েটির এক ছেলে। মেয়েটির ফরম পূরণের কাজ চলেছ। এরই ভিতর কথা চলছে। এর পরের কথা শুনুন মেয়েটির জবানিতে।

আমি একটি পাবলিক ইউনিভার্সিটি থেকে ইংরেজী বিষয়ে অনার্স, মাস্টার্স শেষ করে এক বিদেশী কোম্পানির কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে জয়েন্ট করি। ঢাকায় হেড অফিসের কাছাকাছি একটি বাসায় থাকতাম। এসি বাসা। এসি অফিস। এসি গাড়ী। সবই কি সুন্দর চলে যাচ্ছিল।

আমি বিবাহিত। ইনি আমার মা। আমার ভাই বোন আর কেউ নেই।বাংলাদেশের একটি মোবাইল কোম্পানীর মালিকের চাচাতো বোন। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। মায়ের পিতার (নানার) সম্পত্তির প্রতি কোন লোভ ছিল না । নিজে নিজে মাকে নিয়ে ভালই চলছিলাম। তিনি এখন এমন অসুস্থ যে তাকে প্রতি মাসে দুবার ঢাকায় গিয়ে থেরাপি দিতে হয়। চট্টগ্রাম থেকে যেতে হয়।

হঠাৎ ই সব উলট পালট হয়ে গেল। চাকরি চলে গেল। স্বামীর কথা বলব না। (বুঝতে পারলাম উনি তাদের সাথে নেই)। আমি চট্টগ্রামে চলে আসলাম। হঠাৎ খালি হাতে দিশেহারা অবস্থায় পড়ে গেলাম। নতুন চাকরির খুজতে যাব এরই মধ্যে আমার মা অসুস্থ, তাকে দেখা শুণা করতে হচ্ছে। নার্স রাখব সে রকম অবস্থা ও নেই।

নতুন করে আরেক সমস্যা সামনে দাড়াল। আমার ছেলেটি (বয়স ৮/৯ বছর) এই পরিবেশের সাথে আডজাস্ট হতে না পেরে এ্যাবনরমাল হয়ে গেল। এখন দুজন রোগী আমার ঘরে। আমি একলা মানুষ। ওদেরকে ঘরে রেখে কোথাও যেতে পারি না।

উনার কথা শেষ হলো। আমি জিজ্ঞেস করলাম আপনি এখন চলছেন কিভাবে। উনি বললেন জমানো যা ছিল তা থেকে খরছ করছি। আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম এরপর কি করলাম। দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, "জানিনা"।

ছেলেটির সাথে কথা বললাম। কত নরম আদুরে কথা বলছে। অথচ কি অস্বাভাবিক এ জীবন তার জন্য।

লক্ষ্যহীন পথচলা---------------------।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28818870 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28818870 2008-07-10 16:32:48
ভোটার তথ্য সংগ্রহ কেন্দ্র থেকে -২
সকাল তখন ০৮:৩০ টা। আমার একটু তাড়া ছিল। এক বাসায় গেলাম। এক মহিলা এসে ভোটার হয়ে গেল। উনাকে জিজ্ঞেস করলাম বাসায় আর কেউ আছে কিনা। উনি বললেন আরেকজন আছেন। কিন্তু উনি তো আপনার সামনে আসবেন না। কিন্তু আমাদের উপর কড়া নির্দেশ ছিল যেন ভোটারের অনুপস্থিতিতে ফরম পূরণ করা না হ্য়। আমি এটা বলার পর উনি আসলেন। ফরম পূরণ করে তিনি টিপসই দিলেন। কারণ তিনি নিরক্ষর ছিলেন।

গোল বাধঁল অন্য জায়গায়। সনাক্তকারীর দস্তখত নিতে হবে, আমদেরকে এরকম বলা হয়েছিল। দ্বিতীয় মহিলার সনাক্তকারী প্রথম মহিলা দস্তখত করল। কিন্তু দ্বিতীয় মহিলার সনাক্তকারী কাউকে পাচ্ছিলাম না। আমি উনাদেরকে অনুরোধ করলাম পাশের বাসার কাউকে হলে ও আনার জন্য। কিন্তু পাশের বাসার মহিলা নাকি এতই পর্দানশীল যে উনি আসবেন না। তিনি দরজার ভিতরে দাড়ালেন আমি অনেক বুঝানোর পরে অবশেষে বোরকা পরে, হিজাব পরে তিনি আসলেন। এবং দস্তখত দিয়ে চলে গেলেন। সময় ছিলনা তাই সেদিনের মতো চলে এলাম।

পরদিন সেই মহিলার বাসায় গিয়ে দেখি ভিন্ন চিত্র। তিনি আমার সামনে আসলেন। মাথায় কাপড় নেই । এমন উচ্চস্বরে কথা বলছেন কানপাটার অবস্থা। আমি মেলাতে পারছিলাম না। পরে দেখি আরেকজন অবিবাহিত মহিলা আসল। উনার ও একই অবস্থা। মেয়েটি নাকি উনার বোন।

ইসলাম ধর্ম তো খুবই সহজ।

শালীনতার মধ্যে দিয়ে আপনার প্রয়োজনীয় সবই করতে পারেন।

এ রকম ভাবে চলার কি দরকার।

নাকি বলেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28818779 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28818779 2008-07-10 11:24:16
ভোটার তথ্য সংগ্রহ কেন্দ্র থেকে - ১
প্রথম দিন একটি বাসায় গেলাম। একজন মহিলা ভোটার হবেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা লিখলেন দশম শ্রেণী। ফরম পূরণ করার এক পযায়ে স্বাক্ষর নিতে হবে। আমি উনাকে কলমটা বাড়িয়ে দিলাম। তিনি উনার দু'মেয়ের দিকে চেয়ে থাকলেন (উল্লেখ্য একজন দশম শ্রেণীতে এরং অন্যজন নবম শ্রেণীতে পড়ে)। আমি বললাম আপনি আপনার নাম লিখেন। উনার মেয়ে দুটি বলল আম্মু ভিতরে গিয়ে লিখবেন। তখন আমি বুঝতে পারলাম ঘটনা আসলে কি? আমি বললাম স্বাক্ষর আমার সামনে করতে হবে। তখন তিনি অপারগতা প্রকাশ করলেন। আমি বললাম তাহলে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা দশম কেটে দিয়ে নিরক্ষর লিখি। তাতে তিনি রাজি নন। আমি উনার নাম একটা কাগজে লিখে দেখে লিখতে দিলাম। "হুছনেরা" এই শব্দটা লিখতে উনার পাচঁ মিনিট লেগেছিল। আর লেখাটি হয়েছিল দেখার মত। হাজার হোক দশম শ্রেণী পাশ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28818569 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28818569 2008-07-09 17:55:12
বন্ধু http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28818394 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamaliiuc/28818394 2008-07-09 10:21:56