
বর্তমান শতাব্দী হল বৈজ্ঞানিক যুগ, মানুষের জীবনযাত্রা বিজ্ঞান ভিত্তিক হয়ে পড়েছে । আজ বিজ্ঞানকে অস্বীকার করে কোন উপায় নেই । এ কথা জাতি-ধর্ম-বর্ণ সবার জন্যই প্রযোজ্য । খাদ্য-দ্রব্যের গুনাগুন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরিক্ষার মাধ্যমে নির্ধারণ করে এদের ভাল-মন্দের দিক গুলো তুলে ধরা হয়েছে ।সর্বশেষ বৈজ্ঞানিক গবেষণার দ্বারা এটাই প্রমাণিত যে, শূকরের মাংস খাওয়া স্বাস্হ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর । প্রকৃতপক্ষে বিগত বছরগুলোতে বৈজ্ঞানিকগণ এই ক্ষতিকর বস্তুটি খাওয়ার বিরূদ্ধে মানূষকে সতর্ক করে আসছেন ।
নিম্নে শূকরের মাংস খাওয়ার কিছু কুফল তুলে ধরা হলোঃ
# যে ঘরে শূকর বসবাস করে সে ঘরের বাসিন্দাদের অস্তিত্ব হুমকির সম্মূখিন হয় । কেননা, উহা চলা-ফেরার সময় বাহির থেকে বিভিন্ন রোগ-জীবাণু নিয়ে আসে । এ সব ব্যাধিই পরিবারের সদস্যদের ইন্তিকালের কারণ হতে পারে । তবে, গাভী, মহিষ, বকরি, কবুতর ইত্যাদি কম-বেশি যাই হোক না কেন এদের রোগ মানুষের মাঝে তত বেশি ক্ষতিকর প্রভাব ছড়ায় না ।
# শূকরের কলেরা রোগ হয, বসন্ত রোগ হয় । উহার অন্ত্রে পরজীব রোগ-ব্যাধি পালিত হয় ।
# উহার নাড়ী-ভূড়ি আর যকৃতে প্রতিপালিত হয় এমন একটি ভয়ংকর পোকা হল "
FASCIO LOPIS BASKI" । উহা শূকর আর কুকুরের শরীরে বেশী পাওয়া যায় । উহার বিষক্রিয়ায় পেট ব্যাথা, দাস্ত এবং এমনকি মৃত্যুও হতে পারে ।
(অধিকাংশ অমুসলিম দেশে তাই শূকরের গোশত খুব গবেষণা আর পরীক্ষা করার পর বাজারজাত করা হয় )
# ট্রাইকিনেলা স্পাইরালিস (পোর্ক ওয়ার্ম)
এটা অত্যন্ত সাধারণ এক জাতীয় প্যারসাইট বা পরজীবী যা শূকরের মাংস থেকে মানুষের মাংসে প্রবেশ করে । এই প্যারাসাইট দ্বারা আক্রান্ত হলে যে রোগের জন্ম হয় তাকে "ট্রাইকিনসিস " বলা হয় । এ রোগে আক্রান্ত হলে মানুষের "ভাইটাল অরগান গুলো" নষ্ট হয়ে যায়, যার কারণে হঠাৎ করে মানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে । পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে, একমাত্র যুক্তরাজ্যেই ২০ মিলিয়ন "ট্রাইকিনসিস" রোগী আছে । উল্লেখ্য যে, শূকরের গোশত শুধু খেলেই যে, এ রোগ ছড়ায় তা নয়। একটি বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে প্রকাশ করা হয়েছে যে, এক লোক হাত দিয়ে সংক্রমিত শূকরের মাংস নাড়াচাড়া করছিল । তার বেশ কিছুদিন পর সে হাতের নখ মুখে দেওয়ার ফলে "ট্রাইকিনসিস" রোগে আক্রান্ত হয় ।
# টিনিয়া সোলিয়াম (পোর্ক টেপ ওয়ার্ম)
আরো অনেক প্যারাসাইটের মধ্যে টিনিয়া সোলিয়াম (পার্ক টেপ ওয়ার্ম) হলো একটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য প্যারাসাইট । ইহা সাধারণত শরীরের মাংসপেশী, হৃদপিন্ড, মস্তিক, চোখ ইত্যাদি আক্রান্ত করে মারাত্নক উপসের্গের সৃষ্টি করে । বর্তমান বিশ্বে এই রোগীর সংখ্যা ৬০ মিলিয়নের বেশী । এদের অধিকাংশই শূকরের ওয়ার্ম দ্বারা আক্রান্ত ।
ওয়েব লিংক....
মেক্সিকোতে শূকরের মাংসের কারণে ওয়ার্ম কর্তৃক আক্রান্ত
ভিডিও...
জাকির নায়েক খুব সুন্দরভাবে বলেছেন এর কুফল সম্মন্ধে ।
(আমার এই পোষ্টি টি দেওয়ার অন্যতম উদ্দেশ্য নিক "দুরের পাখি" প্রতি জানান দেয়ার জন্য, যিনি আস্তিক থেকে নাস্তিক হয়েছেন এবং ইদানিং শুকরের মাংস খাচ্ছেন, যেটা উনি উল্লেখ করেছেন "ধর্ম নিয়ে চুলাকানি" একটি ব্লগে । ইসলাম এর বিধি নিষেধ শুনলেই ওনাদের (নাস্তিকদের) এলার্জি আসে আর তাই যা ইসলামে নিষিদ্ধ তাই করার উৎসুক বেশি । ইসলাম নাকি মহানবীর (সাঃ) আবিস্কার করেছেন ? সুতরাং উনারা তার কথা শুনতে অপারগ । উনি এখন নাস্তিক হয়ে মুক্ত স্বাধীন । তাই উনার মতো যারা নব্য নাস্তিক তাদের কে উদ্দেশ্য করে ই মূলতঃ এই লেখা , কারণ যারা বিশ্বাসী তারা কখনই এর ধারে কাছে যাবে না )
সুত্র- আল-কুরআন থেকে আধুনিক বিজ্ঞান । সোলেমানিয়া বুক হাউস ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

