আমার প্রিয় পোস্ট

"A little knowledge of science makes man an atheist, but an in-depth study of science makes him a believer in God." Francis Bacon.

কল্কি অবতার কে ? মহানবী (সাঃ) ? -২

১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০

শেয়ারঃ
0 0 0

দাক্ষিণাত্যের হিন্দুদের সর্ববরেণ্য গুরু রুদ্রমুনি স্বামী এবং শ্রোগানমূর্তিও তার গ্রন্হে সুষ্পষ্টভাবে লিখেছেন- 'দশম অবতার জগৎগুরু আর্বিভাব হয়ে গেছে ।' (শরণলীলা অমৃত, রুদ্রমণির বচন) ।

# ৩. শ্রীমদ্ভাগবতের ১২/২-১৯ এবং ২০ শ্লোকে উল্লেখ , কল্কি অবতার অষ্টগুণ সমর্থিত । । এ গুণগুলো হচ্ছে যথাক্রমে-

...(১). প্রজ্ঞা , (২.) কুলীনতা, (৩.) ইন্দ্রিয় দমন, (৪). শ্রুতি জ্ঞান, (৫). পরাক্রম,(৬). বাগ্মিতা, (৭.) দান, (৮.) কৃতজ্ঞতা । এ সমস্ত গুণ সম্পর্কে মহাভারতে উল্লেখ আছেঃ

"অষ্টেগুণাং পুরুষাং দীপযন্তি প্রজ্ঞা চ কৌলাং চ দমঃ শ্রুতং চ পরাক্রম চ বহুভাষিতা দানং যথাশক্তি কৃতজ্ঞাত চ" । [মহাভারত]

উপরোক্ত সকল গুণই যে হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর মধ্যে বিদ্যমান ছিল, তা সুষ্পষ্ট ।

----*১. প্রজ্ঞাঃ অষ্ট গুণের প্রথম গুণ হচ্ছে প্রজ্ঞা । প্রজ্ঞা হল সমস্ত জ্ঞানের নির্যাস বা সারাংশ । যা মহাগ্রন্হ আল-কোরআনের ভাষায় 'হিকমত' । মহানবী (সাঃ) হিকমাতের আধাররূপে পৃথিবীতে আগমণ করেছিলেন এবং তিনি ছিলেন হযরত ইব্রাহীম খলিলুল্লাহ এবং হযরত ঈসমাইল (আঃ) এর দোয়ার ফসল । (কোরআন; ২/১২৯) পবিত্র কুরআনের এ আয়াত নবীজীর পূর্বপুরুষদ্বয় আল্লাহর কাছে যে প্রার্থনা করেছিলেন তাতেও 'হিকমত' শব্দটি বিশেষভাবে সন্নিবেশিত আছে । স্বয়ং মহান আল্লাহ বলেনঃ

ক.
'যেমন আমি তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদেরই কাছে রাসূল প্রেরণ করেছি যে আমার আয়াতসমূহ তোমাদের কাছে তিলাওয়াত করে তোমাদেরকে পবিত্র করে এবং কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেয় আর তোমরা যা জানতে না তা শিক্ষা দেয় । [২/১৫১]

খ.
'তিনিই (আল্লাহ) নিরক্ষরদের মধ্যে একজন রাসূল প্রেরণ করেছেন, তাদের মধ্যে থেকে যে তাদের কাছে আবৃত্তি করে তার (আল্লাহর) আয়াতসমূহ, তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব এবং হিকমত । ইতিপূর্বে এরাইতো ঘোর বিভ্রান্তিতে ছিল । [৬২/২]

...সুতরাং ইসলামের নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) ছিলেন হিন্দু মিথলজীর অবতাররূপী জ্ঞান (ইলম) ও প্রজ্ঞার (হিকমত) মূর্ত প্রতীক ।

-----*২. কুলীনতাঃ কল্কির দ্বিতীয় গুণ 'কৌলাং অর্থাৎ 'কুলীনতা' বা বংশগত মর্যাদা । কল্কি পুরাণ বা ভবিষ্যপুরাণের মতে কল্কি জন্মগ্রহণ করেন শম্ভল দ্বীপে । আরব দেশের প্রধান পুরোহিতের ঘরে । ইসলামের নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) আরব দেশের বিখ্যাত কুরাইশ বংশে এবং পৃথিবীর একমাত্র প্রথম ঘর ও প্রাচীন (ধর্ম মন্দির ) খানায়ে কাবার সেবাকারী বা মুতায়াল্লী আব্দুল মুত্তালিবের পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন । ফলে হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) বংশের দিক থেকেও অতি উচ্চ মর্যাদাশীল বা কুলীন ছিলেন ।

-----*৩. ইন্দ্রিয় দমনঃ কল্কি অবতারের তৃতীয় গুণ হচ্ছে 'দম' অর্থাৎ ইন্দ্রীয় দমন । জীব দেহীদের ইন্দ্রীয় মো্ট একাদশ । এ একাদশ ইন্দ্রীয়ের প্রধান হল মন । মন-ই অপরাপর ইন্দ্রীয়গুলোকে পরিচালিত করে থাকে । যা হোক, আঁ হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) ইন্দ্রিয় আসক্ত ছিলেন না । তিনি ছিলেন ইন্দ্রিয় দমন কারী একজন মহামানব ।

তিনি এমন একজন বিশ্বস্ত ও আমানতদার যে, তার পরম শত্রু তার কাছে কোন কিছূ গচ্ছিত রেখে ঠিক মতো তা ফেরত পেয়েছে । ধৈর্য, সহিষ্ঞুতা ও আল্লাহর উপর অটল বিশ্বাস তার চরিত্রের অন্যতম ভূষণ । শত্রুদের প্রতি মহানবী (সাঃ) এর ব্যবহার ছিল অত্যন্ত উদার । তায়েফের ময়দানে যারা তার পবিত্র দেহকে ক্ষতবিক্ষত করে তখন তাদের জন্য মহান রাব্বুল আলামীনের কাছে যে প্রার্থনা করেছিলেন তার দৃষ্টান্ত বিশ্বের ইতিহাসে বিরল ।


-----*৪. শ্রুতি জ্ঞানঃ কল্কি অবতারের চতুর্থ গুণ হচ্ছে 'শ্রতং' । অর্থাৎ তিনি শ্রুতির মাধ্যমে বর্ণনা করেন । এ গুণের ব্যাখ্যা হল- তিনি আল্লাহর বাণী তার কাছে কোন মাধ্যমে পৌছলে তিনি তা শ্রবণ করেছেন এরপর অবিকল তা বর্ণনা করেছেন । আল্লাহর দূত হযরত জীবরাঈল (আঃ) আল্লাহর তরফ থেকে পবিত্র কুরআনের সমস্ত আয়াতগুলো ওহীরূপে হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) শ্রুত করিয়েছিলেন এবং নবী করীম (সাঃ) তার সাহাবাগণকে তা আবৃত্তি করে শোনাতেন । কোরআনে আল্লাহ পাক বলেছেনঃ

' এবং তিনি [মুহাম্মদ (সাঃ] মগড়া কথাও বলেন না, এতো ওহী যা তার প্রতি প্রত্যাদেশ হয়" । [৫৩/৩-৪]

-----*৫.পরাক্রমঃ কল্কি অবতারের পন্চম গুণ হচ্ছে 'পরাক্রম' । এ কথা ইতিহাস খ্যাত যে, নবী করীম (সাঃ) ছিলেন বীর কেশরী এবং অমিততেজী । আরবের এক বিখ্যাত কুস্তীগীরকে তিনি হারিয়ে দিয়েছিলেন । জীবনে অনেক যুদ্ধে তিনি নিজে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছেন । তিনি ছিলেন যেমন আল্লাহর নবী, তেমনিভাবে সমগ্র মানব জাতির ধর্মীয় গুরু, সমাজ এবং রাষ্ট্রের মহান নেতা এবং বিশৃংখল আরব বাসীদের জন্য এক বিশাল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ।

-----*৬.বাগ্মিতাঃ মহানবী (সাঃ) একজন বাগ্মী পুরুষ ছিলেন । নবুয়ত প্রাপ্তির পর তিনি অহরহই ইসলামের দাওয়াতী কার্যে নিয়োজিত ছিলেন । এ জন্য তিনি যথেষ্ঠ নির্যাতন - অত্যাচার সহ্য করেছেন । যেখানে লোকজন জমায়েত দেখতেন, সেখানে-ই তিনি বক্তৃতা আরম্ভ করতেন । তাছাড়া তিনি সাফা পাহাড়ের শিখরে উঠে মানুষদের আহ্বান করতেন । বিদায় হজ্বের ঐতিহাসিক ভাষণ আজও ইতিহাস এ রয়ে গেছে । ফলতঃ হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর বাগ্মিতায় এত বেশি মানুষ আকৃষ্ট হয়েছিল যে, পৃথিবীর অন্য কোন নবী বা ধর্ম প্রবর্তকের পক্ষে তা আদৌ সম্ভব হয় নি ।

-----*৭.দানঃ কল্কি অবতারের সপ্তম গুণ হল 'যথা শক্তি দানং' । হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ দানকারী । তার যাবতীয় ধন-সম্পদ আল্লাহর পথে ব্যয় করে গরীব-দুঃখীদের মধ্যে বিলিয়েছিলেন ।
রাসূলে করীম (সাঃ) এর দান খয়রাতের ঘটনা এত বেশি যে, এগুলো পূর্ণরূপে বর্ণনা করার সাধ্য কারও নেই । তার দানশীলতার জন্য কিছু মওজুদ থাকাও জরুরী ছিল না । অভাবগ্রস্তদের জন্য কর্জ করে ব্যয় করা তার সাধারণ নিয়ম ছিল । জনৈক ব্যক্তি হযরত বেলাল (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করল, নবী করিম (সাঃ) এর ব্যয় নির্বাহের কি উপায় ছিল ? বেলাল (রাঃ) বললেন, তার কাছে তো কিছুই থাকতো না । এ ব্যাপারে শেষ অবধি আমি-ই ব্যবস্হাপক ছিলাম । তার অভ্যাস ছিল তিনি যখন কেউ মুসলমান হয়ে খেদমতে হাজির হত এবং তিনি তাকে বস্ত্রহীন দেখতেন, তখন আমাকে এর ব্যবস্হা করতে আদেশ দিতেন । আমি কারও কাছ থেকে কর্জ করে তার বস্ত্র তৈরী করতাম এবং খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্হা করতাম ।


-----*৮.কৃতজ্ঞতাঃ কল্কি অবতারের অষ্টম গুন হচ্ছে কৃতজ্ঞতা ।

মহানবী (সাঃ) ছিলেন সকল গুণের আধার এবং কৃতজ্ঞতাজাপনকারী মহামানব । এ সম্মন্ধে একটা ঘটনা একবার তিনি মা আয়েশা (রাঃ) এর সাথে থাকাকালীন উনি দেখেন যে, মহানবী (সাঃ) রাত জেগে নামাজ পড়ছেন , দীর্ঘসময় দাড়িয়ে থাকার দরূণ উনার পা মোবারক ফুলে গেছে । আর দীর্ঘক্ষণ মোনাজাত করছেন , তখন চোখের পানিতে উনার দাড়ি মোবারক ভিজে যাচ্ছে । নামাজ শেষে তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল ! মহান আল্লাহপাক আপনার পূর্বের এবং পরের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দিয়েছেন , তারপরও আপনি কেন এত পরিশ্রম করছেন ? তিনি তখন উত্তর দেন- আমি আল্লাহর একজন শোকরগোজার (কৃতজ্ঞ) বান্দা হব না ?

ফলতঃ এ আলোচনায় প্রমাণিত হয় কলিযুগের শেষ অবতার , (খাতামুন নাবীঈন) হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায় ।


........চলবে ।


সূত্রঃ

১. জগৎগুর মুহাম্মদ (সাঃ) [১ম খন্ড] রেনেসাঁ পাবলিকেশন্স
২. বেদ - পুরাণে আল্লাহ ও হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) - ধর্মাচার্য অধ্যাপক ড. বেদপ্রকাশ উপাধ্যায়, ইসলামী সাহিত্য প্রকাশনালয়, ৪৫, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০.
৩. আল-কুরআন ।
৪. মাসিক মদীনা, মার্চ-২০০৯

 

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
ভন্ডপির বলেছেন: আবার গানজা টানচেন?
১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬

লেখক বলেছেন:
....আপ্নে নিয়মিত টানেন নাকি ?

৩. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০
ভন্ডপির বলেছেন: আপনের লেকা বুঝতে টানা লাগব। এরাম লেকার লগে কড়া গানজা মাস্ট। সাতে মাসিক মদীনা। আহা।
৪. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০
প্রচ্ছদ বলেছেন: ব্লগ বিনোদনের দর্কার আছে...

ছালাইয়া যান:):)

জয় গুরু:):):)
৫. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩
নজরুল ফরাজী বলেছেন: ব্যাপক গাজাময় পোষ্ট।
৬. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৫
ক-খ-গ বলেছেন: বিয়াপক বিনোদিত হৈলাম।

৭. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৫
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: এই অষ্টগুন সব মহামানবের ভিত্রেই আছে। আপ্নেদের প্রিয় ধর্ম গ্রন্থানুসারেই বল্তেছি।
১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন:
নারে ভাই সবার নাই,

...প্রতিটা গুণ আপনি ভাল করে অন্য যে কোন মহামানবের সাথে মিলান, সবার কমবেশি থাকতে পারে কিন্তু এই আট গুণ-ই কি কারো ছিল, মহানবী (সাঃ) ছাড়া ?

৮. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৮
প্রচ্ছদ বলেছেন: ওরে, কাউয়া যে@



অষ্টগুন মনে অয় আমার মইদ্যেও আছে;) কি কও কাউয়া?
৯. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:১১
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: @লেখক-


ইউসুফ/জোসেফ

১. প্রজ্ঞাঃ- তার প্রজ্ঞা ছিলো বলেই সাধারণ দাস থেকে প্রধানমন্ত্রী বা উপদেষ্টা হয়েছিলো

২. কুলীনতাঃ সে ছিলো নবীর পুত্র

৩. ইন্দ্রিয় দমনঃ জুলেখার আমন্ত্রণ প্রত্যাখান

৪. শ্রুতি জ্ঞানঃ সে শ্রুতিধর ছিলো

৫.পরাক্রমঃ তার দৈহিক গঠন ছিলো সুগঠিত

৬.বাগ্মিতাঃ তার বাগ্মিতার জন্য রাজাও তাকে বিশেষ মুল্য দিতো

৭.দানঃ সে রাজভান্ডার থেকে অনেক দান করেছিলো

৮.কৃতজ্ঞতাঃ সে তার উপাস্যের প্রতি কৃতজ্ঞ ছিলো
১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯

লেখক বলেছেন:

..........ব্রাদার আপনার প্রচেষ্টা কে সাধুবাদ জানাই । হযরত ইউসুফ (আঃ) একজন আল্লাহর নবী ছিলেন , সত্য কথা ।

.........শুনেন এখানে কল্কি অবতারের বিভিন্ন বৈশিষ্ট নিয়ে আলোচনা করছি । তো প্রথম পর্বে এসেছে..

উনার জন্ম সম্পর্কে বলা হয়েছে শম্ভল দ্বীপ বা আরব দেশ, তার মাতা ও পিতার নাম এবং প্রধান পুরোহিতের গৃহে জন্ম এবং জন্ম তারিখ । যা মহানবী (সাঃ) এর সাথে মিলে ।

......এই পর্বে এসেছে অষ্টম গুণ...এখানে আপনি ইউসুফ (আঃ) কথা বলছেন.......যা প্রথম পর্বের সাথে মিলেনা ।

.....আর কিছু গুন হয়তো মিলে কিন্তু শ্রুতি জ্ঞান ,পরাক্রম, দান, বাগ্মিতা কিন্তু মিলে নাই । শ্রুতি জ্ঞান হল শোনা জ্ঞান । যা প্রকারান্তে ওহী বা আসমানী কিতাব এর কথা বলা হচ্ছে । হযরত জীব্ররাঈল (আঃ) ওহী নিয়ে এসে মহানবী (সাঃ) শোনাতেন এবং মহানবী (সাঃ) হুবহু তা আবৃত্তি করতেন ।

আর দান হল যথাশক্তি দান অর্থ হল যতটুকু শক্তি বা সামর্থতে কুলায় । ইউসুফ (আঃ) ব্যাক্তিগতভাবে দানশীল ছিলেন কিন জানা যায় না, তিনি তো দুর্ভিক্ষের সময় রাজকোষ থেকে দান করতেন ।

বাগ্মিতা- ভাই এই গুন তো খালি রাজার কাছে মূল্য দিয়ে হবে না , এটা বিচার হবে আম- জনসাধারণের মাঝে বক্তৃতার মাধ্যমে ।


(আর মূল কথা হল -- একটা -দুইটা মিল না প্রায় সব মিল থাকতে হবে, সামনে আরো লিখার ইচ্ছা রাখি- ইনশাল্লাহ ।)

১০. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫৮
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: আচ্ছা গত পর্বে আমি কিছু প্রশ্নও তুলেছিলাম সেগুলোর কি হৈলো?
১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন:

হুমম......তাহলে বৃত্তবন্দী আপনার আরেক নিক, জানতাম না । যতটুকু জানতে পেরেছি তা আপনাকে জানানো হল .....

'ভগবত এবং কল্কি পুরাণের মধ্যে লিখিত আছে যে, জগৎগুরু কল্কি অবতারের জন্ম হবে আরব দেশের শম্ভল/ শলমল দ্বীপে । তার পিতার নাম হবে বিষ্ঞুভগত (আবদুল্লাহ - আল্লাহর দাস ) আর মায়ের নাম হবে সুমতি (আমিনা) । ১২ ই বৈশাখ রোজ সোমবার দ্বিপ্রহরে তার জন্ম হবে । জন্মের আগে তার পিতার মৃত্যু হবে এবং জন্মের পরে মারা যাবেন তার মা । জগৎগুরু শলমল দ্বীপের রাণীকে বিয়ে করবেন (হযরত খাদীজা (রাঃ) আরব সমাজের মধ্যে সর্বপ্রধান ধনবতী নারী ছিলেন) । এ বিয়েতে একজন চাচা (আবু তালিব ) এবং তিনজন চাচাতো ভাই (হযরত জাফর(রাঃ), আকীল (রাঃ) এবং আলী (রাঃ) ) শরীক থাকবেন । একটি গুহার মধ্যে তিনি সারাম (জিব্রাঈল (আ.)) থেকে শিক্ষা গ্রহণ করবেন । আর যখন-ই উক্ত শহরের ঘরে ঘরে তিনি দ্বীন প্রচার শুরু করবেন, তখনই মানুষেরা তাকে কষ্ট দিতে থাকবে । অবশেষে অসহ্য হয়ে তিনি উত্তরান্চলে অবস্হিত পাহাড়ঘেড়া এক এলাকায় (মদীনা) হিজরত করে চলে যাবেন । অতঃপর পুনরায় তিনি ঐ এলাকায় তরাবরি হাতে আগমণ করবেন এবং তার হাতে সে দেশটি বিজিত হয়ে যাবে । এই জগৎগুরুর একটি ঘোড়া থাকবে যার গতিবেগ বিদ্যুতের গতি থেকেও বেশি হবে (বুরাক ) এই ঘোড়ায় সওয়ার হয়ে তিনি সমগ্র পৃথিবী এবং সাতটি আসমান পরিভ্রমণ করবেন (মেরাজ এর উর্ধ্বাকাশ পরিভ্রমণ) ।

---জগৎগুর মুহাম্মদ (সাঃ) [১ম খন্ড] রেনেসাঁ পাবলিকেশন্স

১১. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১৬
জয়েনটু বলেছেন: ভাইজান গন্ডীর ভিতর থাকেন না, বাইরে আসুন, অক্সিজেনের দরকার আছে।

মনেরাখুন, "ঈশ্বর মানবসভ্যতাকে সৃষ্টি করেননি, কিন্তু মানবসভ্যতা ঈশ্বরকে সৃষ্টি করিয়েছে"।
১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২৭

লেখক বলেছেন:
..........বুখাস.......মানুষ কিছূই সৃষ্টি করতে সক্ষম নয় । সে তো নিজের মৃত্যুরে ই ঠেকিইতে পারেনা........, তার শরীরের একটা অঙ্গ-প্রতঙ্গও সে তৈরী করতে সক্ষম নয় ।

...........ঈশ্বরকে পাওয়া যায়.....সমগ্র সৃষ্টির মধ্যে সু-নিয়ন্ত্রিত শৃংখলা এবং অর্পূব সৃষ্টির নমুনা দেখে ।

...........খালি চোখ দিয়ে দেখলে হবে না...অন্তর দিয়ে বুঝতে হবে ।

১২. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:২৫
ভন্ডপির বলেছেন: "মানুষ কিছূই সৃষ্টি করতে সক্ষম নয়"

আপনে তো দেদারসে সাহিত্য সিষ্টি করতেছেন। মাশা'আল্লহহ।

"তার শরীরের একটা অঙ্গ-প্রতঙ্গও সে তৈরী করতে সক্ষম নয়"

আপনের ঈশ্বররে জিগায়েন তো সে আরেকটা ঈশ্বর তৈয়ারী করতে পারে কিনা। পাথরের পুতুলের ডরে তো চিল্লায়া গলা ফাটায়া ফেলসে পুস্তকে। এরপর তৈয়ারী করল একটা দোযখ।

বেশী পরিমান আবর্জনা উৎপাদন করলে ব্লগীয় দোযখে পাঠান হবে এই মর্মে মডুগন একটা থ্রেট দিলে যদি আপনে থামেন। ভাল কাম করলে মাইয়া আর খরাপ করলে মাইর এই সহজ বিধান আপনার লাইগাই বানান হইসে।
১৪. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৪৯
জয়েনটু বলেছেন: তাই বলি বাইরে বেরুতে। কি বলে "মানুষ কিছূই সৃষ্টি করতে সক্ষম নয়"?

আপনার খুব সম্ভঃবত science-এর ধারণা নাই, মানুষই মানুষ সৃষ্টি করতাছে, শুধু শরীরের একটা অঙ্গ-প্রতঙ্গ নয়। হ্যাঁ আপনি সঠিক কথা কইলেন, "ঈশ্বরের বিশ্বাস শুধু স্বার্থপর ব্যবসার জন্য"যার জন্য বলা হয় "অন্তর দিয়ে বুঝতে"। খারাপ সবকিছু করার পর ঈশ্বরের আশ্রয় খুঁজে, খুব অমানবিক। দীন দূ:খীদের সাহায্য করুন লাভ আছে।
১৫. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:১৯
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
দুই পর্বই পড়লাম; বুঝা গেল হিন্দুধর্মের কল্কিই আসলে মুহাম্মদ।

আমি যদ্দুর জানি, মুহাম্মদ হলো প্রেরিত পুরুষ;
আর কল্কি কিন্তু স্বয়ং ভগবান। অর্থাৎ অবতার।

তবেকি আপনি বলতে চাচ্ছেন মুহাম্মদ মানুষ নন, তিনি আসলে ভগবান?

গীতাতে সুস্পস্ট আছে, বিষ্ণুপুরাণেও আছে, অবতাররা মানুষ নয়- মানুষ রূপে থাকে মাত্র। ভগবান;
১৩ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:০৭

লেখক বলেছেন:

অবতারের শাব্দিক অর্থ জমিনে আসা । ঈশ্বরের অবতার অর্থ মানুষদেরকে আল্লাহতায়লার পয়গাম শোনানোর জন্য মহান ব্যক্তির জমিনে প্রেরিত হওয়া বুঝায় ।

আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত কোন প্রিয় বান্দা মানুষের কল্যাণের জন্য দুনিয়ার প্রেরিত হন ।

'ঈশ্বরের সাথে সম্পৃক্ত কে হতে পারে ? তার সাথে সম্পৃক্ত কেবল তার অনুগত বান্দাই হতে পারে । বেদের মধ্যে এমন ব্যাক্তিকে "কিরী" বলা হয়েছে । (ইউর ঘর ছাছাচু দাতাইহা কারা শাছয়া-ইউবর হোমনুনা- ঘুমানছিয়া কিরাহ - ঋকবেদ-২-১২-৬) ।

কিরী শব্দের অর্থ ঈশ্বরের প্রশংসাকারী ।

সংস্কৃতের মধ্যে "অবতার" ইংরেজীতে "প্রফেট" এবং আরবীতে "নবী" দুনিয়ার মুক্তির পথ প্রদর্শনকারী আল্লাহর প্রেরিত ব্যাক্তিদের বলা হয় । (হিন্দু-মুসলিম একতা-সুন্দর লালজী পৃ-২৯-৩০) ।



......মহানবী (সাঃ) মানুষ ছিলেন-সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ এবং সর্বশেষ নবী-রাসূল ।




অত্যন্ত ধন্যবাদ পড়ার জন্য ।


১৬. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:২৭
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: পৃথিবীতে যখনই ধর্মের গ্লানী হয় এবং পাপ বৃদ্ধি পায়, তখনই আমি শরীর ধারন করিয়া পৃথিবীতে অবতীর্ণ হই।। গীতা:৪/৭


এখানে লক্ষ্য করেন, কৃষ্ণ বলছেন, আমি অবতীর্ণ হই।
অর্থাৎ আপনি যেটি বলছেন, ঈশ্বরের অবতার অর্থ মানুষদেরকে আল্লাহতায়লার পয়গাম শোনানোর জন্য মহান ব্যক্তির জমিনে প্রেরিত হওয়া বুঝায় । এটি সঠিক নয়।

অবতার কোন প্রেরিত মহান ব্যাক্তি নয়। অবতার স্বয়ং ভগবান। গীতাতে আমরা তাই পাই। বিষ্ণুপুরাণেও বলা আছে, শ্রীবিষ্ণুর দশটি অবতারের কথা। অবতার স্বয়ং ভগবান। হিন্দু মিথ মতে।
১৩ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন:
......আমি আপনার এই আমি কথার প্রকৃত অর্থ কি হবে তা নিয়ে সন্দিহান । এর বিশুদ্ধতা নিয়েও ।

....প্রত্যেক নবী-রাসূল মানুষ ছিলেন । আল-কুরআনে তা সুষ্পষ্টভাবে বলা আছে । আল-কুরআনকে মাপকাঠি ধরে নিয়ে এর বাইরে কোন কিছু মেনে নেওয়ার হুকুম নেই ।


সৃষ্টিকর্তা যদি মানুষের রূপ ধারণ করেন তাহলে তিনি আর সৃষ্টিকর্তা থাকেন না । কেননা, স্রষ্টার গুণবালী আর মানুষের গুণাবলী ভিন্ন । ঈশ্বর যদি মানুষের রূপ ধারণ করেন, তাহলে তিনি আর ঈশ্বর থাকেন না এবং মানুষ হয়ে অন্য মানুষকে উপাসনা করা অর্থহীন । ঈশ্বর অবিনশ্বর । মানুষের পক্ষে ঈশ্বর হওয়া সম্ভব নয় । ঈশ্বর কখনো মানুষের রূপ ধারণ করেন না, এটা বলে ওনাকে অবমাননা বা ছোট করা হয় ।

..এমন কোন কিছু আছে যেটা স্রষ্টার পক্ষে মানুষ না হয়ে করা সম্ভব নয় ? স্রষ্টা কেন সৃষ্টির রূপ ধারণ করবেন ? বরং একজন মানুষকে পাঠাবেন তার মতবাদ, ইচ্ছা মানুষকে জানানোর জন্য এবং বুঝানোর জন্য । তারা-ই হল নবী-রাসূল-পয়গম্বর-অবতার ।

ইসলামে কোন মনগড়া কথা নেই । আল-কুরআন বিশুদ্ধ , হাদীস এর সিহাহ সিত্তাহ সাতটি বিশুদ্ধ ।

....এজন্যই আল্লাহ বলেছেন,

'আমি কুরআন নাযিল করেছি , আমি-ই এর রক্ষক, এর মধ্যে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ নাই , তারা এরপর আর কোন কথার প্রতি বিশ্বাস করবে ?'

বলূন ?



১৩ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪৭

লেখক বলেছেন:
...খ্রীষ্টানরাওতো হযরত ঈসা (আঃ) কে প্রভূ কয়..., অথচ উনি তা নয়, একজন রক্ত-মাংসে গড়া মানুষ ।

....এসব বিভ্রান্তিকর কথা মানুষকে স্রষ্টা থেকে দূরে সরিয়ে দেয় ।

১৭. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১
ম্দু বলেছেন: ভাই,আপ্নি ইছছা মত আপনার মতামত দিতে পারেন না।কল্কি অবতার সবয়ং ভাগাবান।আতে সন্দেহের কন অবকাশ নাই(হিন্ধু ধরম মতে)।আপনি আপনার মত করে অন্ন ধম বাখ্যা করলে ত হবেনা।আর বেদে স্পসষট লেখা আছে...কল্কি অবতার কলির শেষ সময়ে অবতিন হবেন এবং নিজ হস্তে সমস্ত দুরবিত্ত কে বিনাশ করবেন।তারপর -ই কলি যুগ শেষ হবে।এসব কথা পুরান-এ স্পস্ত করে লেখা আছে।আর শম্বল ,আরব এ কথা আপনাকে কে বলেছে...?আর আপনি রুপক অথে অনেক কিছু বাবহের করেছেন...সবাই যদি রুপক অরথে সবকিছু বাখাআ করতে সুরু করে তাহলে ত প্রচুর সমস্যা স্রৃিট হবে।আর দয়া করে ভগবান কে মানুষ এবং মানুষ কে ভগবান বানানোর চেস্তা করবেন না।
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:০১

লেখক বলেছেন:

....রূপক অর্থে কোনটা বলি নাই ।

.....স্রষ্টা কখন-ই মানুষ হবে না , এটা চরম ভূল । এর থেকে আপনাদের বের হয়ে আসতে হবে । স্রষ্টার গুণাবলীটা আগে চিন্তা করেন , উনি কি রকম । স্রষ্টা কেন মানুষ হয়ে আসতে যাবে, খাবে, ঘুমাবে ? কি যে বলেন ?

...শম্বল আরবদ্বীপ.....আমি বলছিনা......পন্ডিতরা-ই বলছে ..লেখাস সূত্র ও তো দিয়ে দিলাম ।

১৮. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭
যাযাবর পাখি বলেছেন: জয় গুরু কল্কিবাবা........।
১৯. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪০
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন: সকল প্রকার ধর্মীয় আলোচনা নিপাত যাক। অধর্মের জয় হোক।
২০. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭
প্রচ্ছদ বলেছেন: কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন: সকল প্রকার ধর্মীয় আলোচনা নিপাত যাক। অধর্মের জয় হোক।


প্রণব আচার্য্য হের সাথে আলোচনা অর্থহীন। এত গিয়ানী মানুষ আমারতো সন্দেঅ অয় হেই আসলে কল্কি।
২১. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২১
সাহারা তুষার বলেছেন: ব্লগ বর্তমানে বিনোদনের মাধ্যম। কথাটা সম্পূর্ণ ঠিক না। ব্লগের মাধ্যমে নানা ধরণনর সমস্যা, সমস্যার সমাধান, গঠনমূলক আলোচনা,ধর্ম, বিজ্ঞান নানা বিষয় উঠে আসছে। আমি সব ধরণের আলোচনাকেই স্বাগতম জানাই।
মানুষ জন্মের পর থেকেই শিখছে। শিখবে মরণের আগ পর্যন্ত। কি শিখবে এর কোন ধরাবাধা বিষয় নেই। চালিয়ে যায়। জ্ঞানগর্ভ লেখার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ
১৩ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য ।

২২. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৫৮
আমি রোদের ছেলে বলেছেন:
আমারে কি মহাপুরুষ হিসেবে এক্কেরেই বেমানান লাগে ?

আমি মহামানব হৈতাম চাই :(
২৩. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭
প্রচ্ছদ বলেছেন: খাইছে চাইরদিকে অবতারের ছড়াছড়ি।


আপনে বেমানান। অষ্টগুনে একমাত্র আমাগো বন্ড ছাহেবই মানানসই;)@ রোইদের পোলা

আর প্রণব মিয়ার প্রব্লেম কী? এই আবালের লগে কিয়ের কতা? নিজের ব্লগে যাইয়া ফেনফেইন্না কবিতা লেকেন@প্র.আ.
২৪. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬
আমি রোদের ছেলে বলেছেন:
ইন্দ্রিয় দমনের কথা শইনা ব্যাপক হাসি আসলো......

“নবীজী রাস্তায় একজন রূপসী নারীর সাক্ষাত পেলেন এবং সাথে সাথে স্ত্রী জয়নবের কাছে গেলেন। জয়নব তখন একটি চামড়া ট্যান করছিলেন। সঙ্গম শেষে নবীজী এলেন এবং বললেন- সাক্ষাত শয়তান নারী রূপে আমার সামনে এলো। সুতরাং তোমরা কেউ যদি এরূপ রমনীর সামনে পড়ো তবে সাথে সাথে স্ত্রীর কাছে যাবে এবং বীজ ক্ষেপন করবে। এভাবেই যৌণ মন্ত্রনা থেকে নিভৃতি পাওয়া সম্ভব। (সহীহ মুসলিম বই নং ৮, হাদিস নং ৩২৪০”)।

ইন্দ্রিয়টা দমিত হৈলো ক্যাম্বে??
১৩ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:২১

লেখক বলেছেন:
......নিজের বউ এর সঙ্গে-ই তো মিলিত হয়েছেন....পরনারীকে দেখে ইন্দ্রীয় দমন করেছেন...........

.....খালি না বুঝে প্রশ্ন না করে একটু নিজে বুঝে তারপর প্রশ্ন করবেন ।

২৫. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩০
আমি রোদের ছেলে বলেছেন:

কমেন্টটা করার পর নিজেরে একবাও মূর্খ মনে হয়নি। পরমহিলাকে দেখে ইন্দ্রিয় খাড়া হইছিলো বইলা নিজের বউয়ের কাছে গেছে। ইন্দ্রিয় দমন হইলো ক্যামতে। বউয়ের কাছেতো দাড়ানো ইন্দ্রিয়ের চাষ হইছে। এইটারে কি দমন বলে? দমন হইতো সেটা, যদি ওই ম্যাইয়াটারে দেইখাও যে কাজে যাচ্ছিলেন, সে কাজে চলে যেতেন। ইন্দ্রিয় দমন কর্তে পারেন নাই বইলাই বউয়ের কাছে কাপড় উঁচা করছে।

আপনাগো মতো মাইনষ্যের কারণেই আমার চুল খাড়া থাকে। খালি জ্ঞান দেয় ।

অফটপিক :
সরল কথা কইতে শিখিনাই।
নিজেরেই সবচেয়ে জ্ঞানী ভাবি।
কেউ জ্ঞান দিতে চাইলে মাথার চুল খাড়া হইয়া যায়।
ইদানিং মানুষগুলা কেমন জ্ঞানী জ্ঞানী ভাব লইতাসে।
তাই চুলগুলান আর নামে না।
১৩ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৪

লেখক বলেছেন:
--------
দমন হইতো সেটা, যদি ওই ম্যাইয়াটারে দেইখাও যে কাজে যাচ্ছিলেন, সে কাজে চলে যেতেন।
--------

না এটা বাস্তব সম্মত না , উনার কাজ হল তার উম্মতের জন্য আদর্শ । উনার মাধ্যমে আল্লাহপাক মানুষকে শিক্ষা দিয়েছেন কোন পরিস্হিতিতে কি করতে হবে । উনি দমন কইরা চইল্যা গেলো আর যারা উনার উম্মত যারা আমার মত দমন করতে পারে না , তারা কি করব ?

২৬. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫
আমি রোদের ছেলে বলেছেন:
তাইলেতো আর আমি আর তোমার রাসুলের মধ্যে কোন তফাৎ থাকলো না, তাই না?

আমিও দমন করতে পারি না, তোমার রাসূলও না। :(

আর তোমার রাসূলের কাছাকাছি যদি বউ না থাকতো, তাইলে?
তাইলে কি হইতো?

আমি ব্যাংককের পাতায়াতে গিয়ে রসিক মাইয়াগুলারে দেইখা ইন্দ্রিয় চাইপা রাখতে না পারলে কই যামু? :( টিকিট কইরা বাড়ি আমু?

ভাইজান বইলেন এট্টু?
১৩ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫২

লেখক বলেছেন:
.....অবশ্যই তফাৎ আছে । উনার মত এত গুণ আর কোন মানুষের ছিল ?

....ভাইরে, ওনার কাজগুলো হল জেনারেল গাইড লাইন ।

.......বউ নিয়া থাকেন, না হয় রোযা রাখেন ।

..

২৮. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪
প্রচ্ছদ বলেছেন:
এইহানে সর্বরোগের হালাল ওষুদ পাওয়া যায়


অপটিক:

Quantum of solace দেকতেছি@ রইদের পোলা
২৯. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৮
আমি রোদের ছেলে বলেছেন:
লেখক বলেছেন:
.....অবশ্যই তফাৎ আছে । উনার মত এত গুণ আর কোন মানুষের ছিল ?
....ভাইরে, ওনার কাজগুলো হল জেনারেল গাইড লাইন ।
.......বউ নিয়া থাকেন, না হয় রোযা রাখেন ।


==========>>

জ্ঞান মনে হয় একটু ছুইটা গ্যাছে।

প্রথম হইলো দমন কাকে বলে শিইখ্যা আসেন।
তারপর হইলো নিজেরে আরো বাকা ভাবুন।
হ্যারপর নিজের ধর্মরে আরো জানুন।

==========>>
আপনের রাসুল একজন মহামানব হইয়া যদি ইন্দ্রিয় দমন না করতে পেরে বউয়ের কাছে যাইতে হয়, তাইলে আফনেতো রাস্তায় ওই মাইয়াটারে ধইরা বসলেই হয়। কুন গুনাহ নাই।

রাসূল আর আফনের মাঝে একটা তফাৎ আছে না?
৩০. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:০০
আমি রোদের ছেলে বলেছেন:
বৌ'রে লইয়া ব্যাংকক যামু ক্যামতে? মোর কাছে শুধু নিজের টাকাই আছে।
রোজা আমি ঠিকই রাখি। আপনার রাসূল সামান্য এক মেয়ে দেহের লোভ সামলাইতে পারে নাই, এইটা ভাবতেইতো আমি শর্মায়িত হই।
৩১. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:০৫
সবাক বলেছেন:
কোরআন একটি উন্নত যুদ্ধবিদ্যা আর হাদিস একটি যুতসই কামসূত্র।
এইটা দিয়া কি এখন আর রাসূলরে মহামানব প্রমাণ করা যায় না? অন্য ধর্ম থেকে ধার করতে হয়?

আপনার রাসূলের জ্ঞান অত্যন্ত সিমীত এবং বরাবরই তিনি মূর্খ। কারণ তাকে যারা ক্রিয়েট করেছে তারা ভাবে নাই এতোটা বিবর্তন হবে।:(

আপনি কি জানেন? আপনার রাসূল মৃত্যুর আগ পর্যন্ত জানতেন মেয়েদের স্বপ্নদোষ হয় এবং তাদের বীর্যের রঙ হলুদ হয়। আপনি আসলে কি জানেন এ কথা?
১৩ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:১০

লেখক বলেছেন:

হা হা হা ! আপনি তো মনে হয় ছেলে নাকি ? বিবাহিত না অবিবাহিত ?

৩২. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:০৯
আমি রোদের ছেলে বলেছেন: জেমস বন্ডের ০০ এর এক জিরো হারাইয়া গ্যাছে... লেখক খু্জা আনতে গ্যাছে :(

আসুন আমরা সবাই মিলে খুইজা আনি....

লেটস মুভ
৩৩. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬
ম্দু বলেছেন: আমার প্রশ্নের উত্তর কই?????
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:০২

লেখক বলেছেন:

.ধন্যবাদ । দিয়েছি এবার ।

৩৪. ২১ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:৫২
ম্দু বলেছেন: @জেমসবন্ড-
স্রষ্টা কখন-ই মানুষ হবে না..।.।.।।
---আপনাকে কে বলেছে???জে সরবশাক্তিমান সে সবকিছু হতে পারে।আপ্নি বলতে পারেন যে আমি বিসাওস করি উনি মানুশ হইয়ে আশবেন না।আতা আপনার বাচতিগত বাপের।

.শম্বল আরবদ্বীপ.....আমি বলছিনা......পন্ডিতরা-ই বলছে ..

--------তাও ত উনারা রুপক অরথে বলছেন.।.।।

ধন্যবাদ।সুন্দর পস্ত।
৩৫. ২১ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:৫৬
ম্দু বলেছেন: (আতা আপনার বাচতিগত বাপের)----দুঃখিত----এখানে হবে" এটা আপনার বা্যক্তিগত ব্যাপার)।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭৮০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
।জ্ঞানের প্রতি বিপুল আগ্রহ । সংগ্রাম মুখর আমার জীবন ।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ