
পাশ্চাত্য বলেন আর দেশে বলেন, সব সমাজে-ই অশ্লীলতা, পর্ণগ্রাফী ও পতিতাবৃত্তির বিস্তারে নারী তার স্বাভাবিক মর্যাদা, অধিকার ও শ্রদ্ধা হারাচ্ছে । কিন্তু নারী সমাজ খুব কমই তা উপলব্ধি করতে পারছে । যার ফলে উর্ধ উলঙ্গ হতে নারীকে এখন আর উৎসাহ দিতে হয়না বরং নারী সমাজ মনে করছে এটাই তার স্বাধীনতা । এটাই প্রগতি ও আধুনিকতার চিহ্ন ।
আপনারা লক্ষ্য করেছেন কিনা জানিনা, ইদানিং প্রায় প্রতিটি হিন্দি ছবিতে নায়িকাকে পাশ্চাত্য কে নকল করে বুক খোলা ও শর্ট স্কার্ট পড়ে অভিনয় করনো হচ্ছে । যা অতি সাম্প্রতিক । এমন কি এখন হিন্দি ছবিতে নায়ক নায়িকার চুমো চুমিও স্বাভাবিকভাবে উপস্হাপন করানো হচ্ছে । প্রয়োজন না থাকলেও গে এর বিষয়টাও অনেক ছবিতে তুলে আনা হচ্ছে । যেন এটা সমাজের একটা স্বাভাবিক বিষয় ।সুতরাং সারা বিশ্বে বহুল প্রদর্শিত এই সব মুভির প্রভাব পাশ্চাত্যকে ছাড়িয়ে সব খানেই প্রসার লাভ করছে ।
এই অশ্লীলতার প্রচারের ফলে নারীর প্রতি পুরুষের যে স্বাভাবিক মোহ তা বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে । নারীকে ভোগের ও সহজলভ্য সামগ্রী ছাড়া অন্য কিছূ ভাবছেনা । পবিত্র প্রেম ভালোবাসা হারিয়ে গিয়ে শারীরিক আসক্তি ও আর্থিক লাভই মূখ্য হয়ে উঠছে । নারীকে প্রেমের ফাদে ফেলে তার দেহকে ভোগ করা হচ্ছে । সাম্প্রতিক কালে একজন টিভি মডেলের পরিণতি-ই তার প্রমাণ।
![]()
পর্ণগ্রাফি ও পতিতাবৃত্তি বিবাহের চাহিদা পূরণে অনেকটা সহায়ক হওয়ায় পুরুষ মানুষ এখন সহজে বিয়ের চিন্তা করেনা । অথচ এমন একটা সমাজের চিন্তা করুন যেখানে পর্ণগ্রাফি নেই, নারীর উচ্ছৃংখল চলাফেরা নেই ও পতিতাবৃত্তি নেই । সেখানে পুরুষের অন্যতম চিন্তা ও লক্ষ্য হবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে সংসার করা , না হয় তার প্রেয়সীর কথা চিন্তা করে কবিতা লেখা ও সুমধুর বাসর রাতের কথা মনে লালন করা । বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক সে চিন্তাও করতে পারত না ।
কিন্তু এখন তা কয়জনে তা করে ? কয়জনে কবিতা লেখে ? কয়জনে বাসর রাতের অপেক্ষা করে ?
সমাজের এই অধ:পতন কি আমরা চেয়ে চেয়ে দেখব ? না তা প্রতিরোধে এগিয়ে আসব ? নারীকে অবহেলিত , লান্ছিত করে পুরুষ কি তার দেহ নিয়ে তুষ্ট থাকবে নাকি তাকে সম্মান দিয়ে প্রেয়সীর আসনে বসাবে ?
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মার্চ, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



