somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... হাসিনা জবাব চাই ? কেন দেশের ভূ-খন্ড ভারতের হাতে তূলে দেয়া হচ্ছে ? কোন ঋন পরিশোধ করা হচ্ছে ?
সিলেট সীমান্তে যৌথ জরিপের নামে বাংলাদেশের ২৬১ একর ভূমি ভারতের কাছে তুলে দেয়ায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রশাসন এ ব্যাপারে লুকোচুরি করলেও যৌথ জরিপের পর গতকাল পর্যন্ত কয়েকটি পয়েন্টে মোট ২৬১ একর জমিতে বাঁশের খুঁটি পুঁতে চিহ্নিত করে দেয়া হয়েছে। এতদিন এসব জমিতে বাংলাদেশী কৃষকরা চাষাবাদ করলেও যৌথ জরিপের পর বাংলাদেশী কৃষকদের কৃষি কাজে বাধা দিচ্ছে বিএসএফ। সীমান্তে বাংলাদেশের জমি ভারতের হাতে তুলে দেয়ার প্রতিবাদে আন্দোলনমুখী সীমান্তবাসীকে বিজিবি, দাঙ্গা পুলিশ ও সাদা পোশাকধারী আইনশৃৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে মামলা-হামলার ভয়ভীতি দেখানোরও অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাংলাদেশীরা জরিপ কাজে বাধা দিলে তারা ভয়ভীতি দেখিয়ে সীমান্তবাসীকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। ভয়ভীতি ও হুমকি উপেক্ষা করে ‘আমরা সীমান্তবাসী’র ব্যানারে আন্দোলন করছে সিলেট সীমান্তের মানুষ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যৌথ জরিপ দলের বাংলাদেশী এক সদস্য আমার দেশকে জানান, গতকাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী এক সপ্তাহে কয়েক দফায় পদুয়া সীমান্তের ১২৭০-৭১ নম্বর সীমান্ত খুঁটি পর্যন্ত ২২০ একর, লিঙ্কহাট সীমান্তে ১২৬৩-৬৭ পর্যন্ত ৮ একর, নলজুরী সীমান্তে ১২৭৭-৭৯ পর্যন্ত ৩৩ একর ভূমি ভারতকে বুঝিয়ে দেয়া হয়। বাংলাদেশ সীমান্তের প্রায় ১৫০ গজ ভেতরে বাঁশের খুঁটি বসিয়ে এই জমি ভারতের বলে চিহ্নিত করে বুঝিয়ে দেয়া হয়। এরই মধ্যে ম্যাপও পরিবর্তন করে ফেলার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।


কেন ??????????????? এমনিতেই ছোট দেশ, তারপর এই সেটুকুই পরের হাতে তুলে দিলে দেশ কি থাকবে ?

হাসিনা জবাব চাই ? কেন দেশের ভূ-খন্ড ভারতের হাতে তূলে দেয়া হচ্ছে ? হাসিনার কেউ কি থাকে বাংলাদেশে ? ছেলে থাকে আম্রিকায় । মেয়ে থাকে কানাডায় । সুতরাং হাসিনার তো কোন চিন্তা নেই । কেন , কোন ঋণ পরিশোধ করা হচ্ছে দেশের ভূ-খন্ড ভারতের হাতে তূলে দিয়ে । তার জবাব চাই ? দিতে হবে ? এটা কি হাসিনার বাপের সম্পত্তি ? জবাব চাই , দিতে হবে ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29423321 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29423321 2011-07-31 17:49:46
পৃথিবী কি একটি পাখির খাচার মত নয় ? আর দুপেয়ে গাধার গাধা মার্কা পোষ্ট ।
কেন এখানে মানুষের বেচে থাকার , টিকে থাকার ও উন্নতি করার সকল পরিবেশ এত নিখুত করে বিদ্যমান ? কিভাবে পৃথিবীকে মহাকাশের অন্যসব ক্ষতিকর এমন কি সূর্যের অতিবেগুণী রশ্নি থেকেও বায়ুস্তরের মাধ্যমে রক্ষা করা হয়েছে ! কিভাবে পৃথিবীতে পানির পরিমান বিদ্যমান । এত সুন্দর - কেমন জানি সব কিছু নিখুত করে সাজানো গোছানো , কেন ? মহাকাশে এরকম আরো সচরাচর দেখাও যায়না । এত খোজাখুজি ... লাখ লাখ, কোটি কোটি এবং এমন কি আলোকবর্ষ মাইল দূরে ও আজো একটা এরকম পৃথিবীর দেখা মিলল না । অথচ সব কিছু যদি এমনি এমনি হতো আগাছার মত তাহলে তো হাজারে হাজারে থাকার কথা । তাই নয় কি ?



কিভাবে পৃথিবীতে রাত ও দিন হয় , এটাও কি ভেবে দেখার বিষয় নয় । আজ যদি সূর্য না উঠে বা সূর্য না অস্ত যায় মানুষ কি টিকে থাকতে পারবে ? কিছু দিন পূর্বে বিজ্ঞানীরা এমন এক গ্রহের সন্ধান পান যেখানে রাত দিন হয় না , এক দিক সব সময় অন্ধকার ও আরেক দিক সব সময় দিন । সেটাও বসবাসের উপযোগী নয় । অথচ পৃথিবী সেরকমও নয় । কেন ?

পৃথিবীতে যে মানুষের খাদ্য উপযোগী সব গাছপালা, পশু পাখি ও মানুষের প্রয়োজনীয় সব খনিজ সম্পদ বিদ্যমান সেটাও কি ভেবে দেখার মত নয় ?

এরকম খুটিনাটি আরো যত আছে সব কিছু ভেবে দেখলে এটা বুঝতে কি অসুবিধা হয় যে এটা একটা পরিকল্পণা মত সৃষ্টি করা মানুষের জন্য । তাই নয় কি ?

আর মানুষ ছাড়া পৃথিবীর আর কোন প্রানী পৃথিবীর সব সম্পদ এভাবে ভোগ করছে ? এটা কি খুব ভূল বলা হয় যে , পৃথিবীর সব কিছু মানুষের জন্যই ।

এটা বুঝতে কি এত বেশী বুদ্ধিমান হতে হয় ? না , তা নয় । তবে চিন্তা করতে হয় । ভেবে দেখতে হয় । আর সেটাই মানুষ করে না ।


আমি যদি খাচায় পাখি পোষতে চাই আমি কি করব ? খাচা কিনব বা বানাব । বিড়াল বা কুকুর যেন না মারতে পারে সেভাবে এটাকে রাখব । পাখির খাবারের ব্যবস্হা করব । পাখি বেচে থাকার ও টিকে থাকার জন্য সব কিছু যোগাড় করে তারপরেই পাখি আনব । একটু চিন্তা করে দেখলে পৃথিবীটাকে কি একটা খাচা মনে হয় না ?

আপনি কি জানেন ?

A smaller star than the Sun would cause the Earth to grow extremely cold, and a bigger star would scorch the Earth.

A reduction of just 10in the sun's radiant energy would result in the earth surface's being covered by layers of ice many meters thick.

Earth could not be a home for life if it were as near the sun as Venus is or as far from it as Jupiter.

The world has to rotate about its axis at a certain speed (1,670 km/h at the equator). If the earth’s speed of rotation were to exceed a certain limit, the atmosphere would grow extremely warm, increasing the gas molecules’ velocity of escape from the earth and causing the atmosphere to be dispersed in space and to vanish.

আল-কুরআনের পাতায় পাতায় স্রষ্টা এসব কথা উল্লেখ করে, উদাহরণ দিয়ে , বারে বারে মানুষকে বুঝানোর চেষ্টা করেছেন , বিভিন্ন উদাহরণ দিয়ে এমন কি এসব আয়াতের পরে স্রষ্টা বলেও দিচ্ছেন যে , এখানে জ্ঞানীদের / বুদ্ধিমানদের জন্য নিদর্শন আছে । তারপরও মানুষ অবুঝ ।

এখন মানুষের অবস্হা এমন হয়েছে যে, জন্মের পর সব কিছু স্বাভাবিক পাওয়ার ফলে চোখের সামনে যা আছে তা নিয়ে পড়ে থাকে । এর বাইরে কোন চিন্তা তাদের মাথায় আসেনা । স্বাভাবিকটাই যে অস্বাভাবিক সেটা মাথায় ধরেনা ।

(আজকে দু-পেয়ে গাধা এক পোষ্ট দিয়েছেন যার শিরোনাম সীমাহীন জ্ঞান ও অসীম বেকুবী । আমার ওনাদের মতাদর্শধারীদের নিকট প্রশ্ন -আপনাদের স্রষ্টার আরশ, বোরাক এর আকৃতি ও জিব্রাঈলের পাখা নিয়ে প্রশ্ন জাগে । এবং এসবে যাদের বিশ্বাস তাদের কে বেকুব মনে করেন। কারণ এসব সচরাচর চোখে দেখেন না বা বুঝে আসেনা তাই ওনাদের চোখে আমরা ধর্ম বিশ্বাসীরা হলো বেকুব । আর আপনারা যারা পৃথিবীতে বাস করেও পৃথিবীর সব কিছু নিজ চোখে দেখেও এবং বিজ্ঞানের এই যুগে সব কিছু জেনেও স্রষ্টার খোজ পান না , আপনাদের মত এরূপ .... কি ভাবা উচিত ? )

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29422254 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29422254 2011-07-29 19:11:18
দুনিয়ার মানতের সূতা খূলতে অমিতাভ আজমীর শরীফ ! মরণের পরের মানতের কি হবে, সে খবর নাই ?

খবরে প্রকাশ, ৪০ বছর আগে অভিনয় শুরুর প্রাক্কালে আজমীর শরীফ গিয়ে মানত করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন। মানত হিসেবে মাজারে সূতা বেধেছিলেন তিনি । জানা গেছে মানত পূরণ হওয়ায় ৫ জুলাই তিনি আজমীর শরীফ যাবেন ও সূতা খুলে ফেলবেন । এ প্রসঙ্গে বিগ বি ব্লগে লিখেছেন , 'দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তীর্থ আজমীর শরীফে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছি । একটা বিশ্বাস প্রচলিত আছে কোন ইচ্ছা পূরণের উদ্দেশ্যে মঈনুদ্দিন চিশতীর মাজারে সূতা বাধলে ইচ্ছা পূরণ হয় । ৪০ বছর আগে অভিনয় শুরুর প্রক্কালে এই বিশ্বাস থেকেই আমি সূতা বেধেছিলাম ।


সূত্রঃ বিডি নিউজ ।

এখানে আমার নিজস্ব কিছু বক্তব্য ছিলো । প্রথমত ইসলামে এসব মাজারে মানত করার কোন প্রথা নাই । তারপরও যারা করে এটা তারা নিজ দায়িত্বে করে । কবর পাকা করারই নিয়ম নাই আর মাজার করা তো বহু দূরের কথা । তো অমুসলিমগণ দুনিয়ার ইচ্ছা পূরণ করার জন্য মুসলিম পীরের মাজারে যান অথচ মৃত্যুর পরে কি হবে সে সময়ের মানত নিয়ে মুসলমান পীর কি বলেছিলেন তা নিয়ে ওনাদের কোন ভাবনা নাই । ওনার কবরের কাছে মানত না করে বরং উনি কি জন্য সেই মধ্যপ্রাচ্য থেকে ভারত এসেছিলেন আর কি করে গেছেন, কি বলে গেছেন সেটা জেনে তা পালন করলে আরও উপকার কি হত না ?

কোন মানুষেরই কোন ক্ষমতা নাই , ক্ষমতা একমাত্র স্রষ্টারই । এ সহজ সূত্রটা যে বুঝে, জানে ও মানে । তার কারো কাছে যাওয়া লাগে না বা কোন সূতা বাধতে হয় না । নিজেই সরাসরি তার কছে চাইতে পারে ।

দেখুন বেদ কি বলেঃ

'আদিতে তিনি-ই ছিলেন । সৃষ্টির সবকিছুর উৎসও তিনি-ই । সমগ্র অস্তিত্বের তিনি-ই প্রভূ । আকাশ ও ভূ-মন্ডলে বিরাজমান সবকিছূর তিনি-ই লালনকারী । অন্য কারো কাছে নয়, শুধুমাত্র সেই মহাপ্রভূর কাছেই আমাদের সবকিছূ সমর্পন করছি ।' [অথর্ববেদ- ৪.২.৭]

আল-কুরআনের বাণীঃ

'তুমি কি জানো না নিঃসন্দেহে মহাকাশ মন্ডলী ও পৃথিবীর রাজত্ব আল্লাহরই । আর তোমাদের জন্য আল্লাহ ছাড়া আর কোন সাহায্যকারী নেই ।' (সূরা আল-বাকারা ১০৭)

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29415981 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29415981 2011-07-19 18:40:09
ভারত আমাদের পাশের দেশ । অষ্ট্রেলিয়ায় আগমণে আমাদের থেকে অনেক এগিয়ে ।
তাদের ভীড়ে নিজেকে ছোট মনে হয় । ওদেরও কেমন উন্নাসিক ভাব । গর্বের সাথে একে অপরের সাথে হিন্দিতে কথা বলে । আর আমি অফিসে একটা লোক পাইনা বাংলায় কথা বলতে ।

বিশ্বে আইটিতে এখন ভারতীয়দেরই জয় জয়কার । আমরা কি করছি ? কবে আমরা মায়ের কোল থেকে বের হবো ? দুনিয়া জয় করতে শিখব ? ইংরেজীর দুর্বলতা আমরা কবে কাটাব ? আমাদের মেধা কি তাদের থেকে কম ? না, কিন্তু আমাদের কম হলো দিক নির্দেশনা ও একতা । আমাদের কম হলো দেশ্র প্রেম ও দূরদর্শিতা ।

'Along with China and the UK, India provides a large percentage of the skilled migrants to Australia.

According to David Holly, Australian Consul-General for South India, the Australian government hopes to attract more skilled Indian workers to deal with a shortfall of labour through changes in its skilled immigration scheme.

Shortages in the Australian labour market are experienced in a wide range of sectors, including the IT, engineering, and medical industries.'



Click This Link

Click This Link ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29413350 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29413350 2011-07-15 11:27:12
বেদে কাবা শরীফ এর বর্ণনা এবং সনাতন (হিন্দু ) ধর্মের সাথে এর পূর্ব সম্পর্ক

ধারণা করা হয় যে হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে ইসলাম ধর্মের আল্লাহ ঘর কা'বার সাথে পূর্বে সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল । তাদের ভ্ন্নি ভিন্ন পূজা-অর্চনা এবং চিহ্নসমূহ এরই প্রমান বহন করে । তাদের প্রাচীন মন্দিরসমূহকে কা'বা অভিমুখী করে রাখাও এর বড় প্রমাণ । বেদ এবং পূরাণ শাস্ত্রে কা'বা শরীফের একাধিক নাম উল্লেখ করা হয়েছে যা বিশেষ বিশেষ হিন্দুরা অবগত আছে । বেদে কা'বা সংক্রান্ত মন্ত্র ও শ্লোকগুলি অনুবাদ করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা প্রায় অসম্ভব । তবু নিচে এর কিছূ আলোচনা করা হলোঃ

ধারণা করা হয় বেদ ও পূরাণ শাস্ত্রে কা'বার জন্য নিম্নের শব্দসমূহ ব্যবহার করা হয়েছে।

১. ইলাষ্পদ
২. ইলায়াষ্পদ
৩. নাভা পৃথিবীয়া
৪. নাভী কমল
৫. আদি পুষ্কর তীর্থ
৬. দারুকাবন
৭. মুক্তিশ্বর



এ সমস্ত নাম বেদ এবং পূরাণ শাস্ত্রে যে মহান তীর্থ পবিত্রভূমির জন্য ব্যবহৃত হয়েছে তা আমাদের একেবারে অজ্ঞাত । ধর্মীয় গোড়ামী ও আবেগের বশবর্তী হয়ে হিন্দু ধর্মগ্রন্হে বর্ণিত পবিত্র তীর্থসমূহকে ধর্মীয় হিন্দুসমাজ ভারতের সাথে সম্পৃক্ত মনে করলেও তার ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই । আসুন আমরা ঐই নামগুলোর অর্থের দিকে নজর দেই ।

ইলাষ্পদ

বেদসমূহে সংষ্কৃত ভাষায় ইল, ইলিয়া, ইলা, ইলিয়া ইত্যাদি শব্দ মা'বুদ অর্থে এবং 'পদ' স্হান অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে । তাহলে ইলাষ্পদ অর্থ মা'বুদের স্হান (স্রষ্টার ঘর) ।

ইলায়াষ্পদ

এ শব্দটি ইলাষ্পদ শব্দের সমার্থবোধক । পন্ডিত শ্রীরাম শর্মা আচার্য বেদের হিন্দি অনুবাদে শব্দটির অর্থ লিখেছেন- 'পৃথিবীর পবিত্র স্হান ।'

নাভা পৃথিবীয়া

নাভা অর্থ নাভী আর পৃথিবীয়া অর্থ ভূ-পৃষ্ঠ । এভাবে এর অর্থ দাঁড়ায় ভূ-পৃষ্ঠের নাভী । সমস্ত মুসলমান ভাল করে জানে যে, কা'বা শরীফকে পৃথিবীর নাভীমূল বলা হয় । বেদের একটি মন্ত্রও সাক্ষ্য দেয়, " আমাদের ইলাষ্পদ পৃথিবীর নাভিমূলে ।" বেদের এই সংজ্ঞার পর কা'বা ঘরই যে ইলাষ্পদ তা অনুমান করতে কোন অসুবিধা আছে বলে মনে হয় না ।
ঋকবেদের তৃতীয় খন্ডের ২০ শ্লোকের চতুর্থ মন্ত্র ।

নাভী কমল

পদ্ম পূরাণে উল্লেখ করা হয়েছে, 'নাভী কমল' একটি তীর্থের নামঃ সেখান থেকে সৃষ্টির সূচনা হয়েছে । কুরআন শরীফেও বলা হয়েছে, ভূ-পৃষ্ঠে মানুষের জন্য সর্বপ্রথম যে ঘর নির্মাণ করা হয়েছে সেটা মক্কায় অবস্হিত ।

নাভী কমল এবং নাভা পৃথিবীয়া শব্দদ্বয়ের অর্থ অনুধাবন করা হলে বুঝা যাবে যে, সেটা কা'বা শরীফ ছাড়া অন্য কিছু নয় ।



আদি পুষ্কর তীর্থ

এর শাব্দিক অর্থ হল, পালনকর্তার প্রাচীনতম তীর্থ । এটাও পদ্মপূরাণে নাভী কমলের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে । বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি পুষ্কর তীর্থের
সেবা করার জন্য ইচ্ছা করে তার সমস্ত পাপ ধুয়ে যায় , যে পুষ্কর-তীর্থ যাত্রা করে সে অসীম পূণ্যের অধিকারী হয় ।

দারুকাবন

সংষ্কৃত ভাষায় 'দার' অর্থ হচ্ছে স্ত্রী এবং 'বন' অর্থ জঙ্গল । বাইবেল মুকাশিফাতে ইউহানা গ্রন্হের দ্বাদশ অধ্যায়ে কাবাকে বলা হয়েছে নারী, আর মক্কাকে আল-কুরআনে মধ্যে উম্মুল কুরা অর্থাৎ 'জনপদের মা' বলা হয়েছে । অভিধানে এই শব্দটির যে অর্থ লেখা হয়েছে তা হচ্ছে : একটি বন বা জঙ্গলের নাম যাকে তীর্থস্হান মনে করা হয় ।

এই শব্দটি যে বেদমন্ত্রের মধ্যে ব্যবহৃত হয়েছে তার তর্জমা হল- 'হে পূজারীগণ ! দূর দেশে সমুদ্রপোকূলোবর্তী এলাকায় যে দারুকাবন রয়েছে তা মানুষের তৈরী নয় । সেখানে ইবাদত করে, তার ওসীলায় জান্নাতে পৌছে যাও ।' (ঋকবেদ ১০-১৫৫-৩)

ইসলাম ধর্মমতে হযরত আদম (আঃ) পৃথিবীতে অবতরণের পূর্বেই ফেরেশ্তাদের দ্বারা কাবা গৃহের ভিত্তি স্হাপন করা হয়েছিলো । আদম এবং আদম সন্তানদের জন্য সর্বপ্রথম কেবলা কাবা গৃহকে সাব্যাস্ত করা হয়েছিলো । আল-কুরআনে আল্লাহপাক বলেন,
-মানুষের জন্য সর্বপ্রথম যে গৃহ নির্মিত হয়, তা মক্কায় অবস্হিত এবং এ গৃহ বিশ্ববাসীর জন্য হেদায়াত ও বরকতের উৎস ।

মুক্তিশ্বর
স্যার উইলিয়াম মূর-এর ইংরেজী -সংষ্কৃত অভিধানে এ শব্দটির অর্থ এভাবে করা হয়েছে - The city of mecca-yagya অর্থাৎ মক্কা নগরী কুরবানীর স্হান । ঈশ্বর অর্থ আল্লাহ , মুক্তি অর্থ মক্কা । অতএব মুক্তিশ্বর হল আল্লাহর মক্কা অথবা আল্লাহর জন্য কুরবানীর স্হান ।

নূহ (আঃ) পর্যন্ত সবার কেবলা ছিলো কাবাগৃহ । নূহের আমেলে সংঘটিত মহাপ্লাবনের সময় সমগ্র দুনিয়া নিমজ্জিত হয়ে যায় এবং কাবা গৃহের দেয়াল বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে । তারপর হযরত ইবাহীম ও ইসমাঈল (আঃ) এর আল্লাহর নির্দেশে কাবা গৃহ পনঃনির্মণ করেন । কাবা গৃহ ই ছিলো তার এবং তার উম্মতের কেবলা । (মারেফুল কুরআন)

শিখ ধর্মের প্রচারক গুরু নানক কাবা'কে শিবের মন্দির হিসেবে উল্লেখ করেছেন ।


কাবা সম্পর্কিত বেদের একটি শ্লোকঃ
মূর্ধানমস্য সংসী ব্যাথর্বা হৃদয়ং চ যৎ
মস্তিস্কাদধ্বঃ প্রৈরয়ৎ পবমানোহধি র্শীর্ষতঃ
তদ বা অথর্বণঃ শিরো দেবকোশঃ সমুজিতঃ ।
তৎ প্রাণো অভি রক্ষতি শিরো অন্নমথো মনঃ ।।
উর্ধ্বো নু সৃষ্টাস্তির্য্যঙ নু সৃষ্টাঃ সর্বা দিশঃ পুরুষ আ বভুবাঁ ।
পুরং যো ব্রক্ষণো বেদ যস্যাং পুরুষ উচ্যতে ।।
যো বৈ তাং ব্রক্ষণো বেদামৃতেনাব্রতং পুরম্ ।
তষ্মৈ ব্রক্ষ চ ব্রক্ষশ্চ চক্ষুঃ প্রাণং প্রজাং দদুঃ ।।
ন বৈ তং চক্ষুর্জহতি ন প্রাণো জরসঃ সুরা ।
পুরং যো ব্রক্ষণো বেদ যস্যাং পুরুষ উচ্যতে ।।
অষ্টাচক্রা নবদ্বারা দেবানাং পুরয়োধ্যা ।
তস্যাং হিরণ্যায়াঃ কোশঃ স্বর্গো জোতিষাবৃতঃ ।।
তস্মিন হিরণ্যয়ে কোশে ত্র্যরে ত্রিপ্যাপ্রষ্ঠিত ।
তস্মিন যদ সক্ষমাত্নন্বৎ তদ বৈ ব্রক্ষবিদো বিদুঃ
প্রভাজমানাং হরিণীং যশসা সংপরীবিতাম ।
পুরং হিরণ্যায়ীং ব্রক্ষা বিবেশা পরাজিতাম ।।
[অথর্ববেদ ১০ম কান্ড ১ম অনুবাক ২য় সুক্ত ২৬-৩৩ মন্ত্র]

অর্থ - ২৬ , অথর্ব তার মস্তক ও অন্তর একত্রেই (ঐশী আদেশের সঙ্গে) গ্রথিত করিলেন, তখন ধর্মপরায়নতা তাহার ললাটে আবর্তিত হইল । ২৭, অথর্বের মস্তক প্রভুর আবাসস্হল ; উহা আত্না, মস্তক ও অন্তর সর্বদিক দিয়া সংরক্ষিত ছিলো । ২৮, উহার নির্মাণ উচ্চ, উহার প্রাচীরসমূহ সমান হোক বা না হোক, কিন্তু প্রভুকে উহার সর্বত্র দৃষ্ট হয় । যে ব্যাক্তি প্রভুর গৃহকে অবহিত আছে, সে উহা জানে । কারণ সেখানে প্রভুকে স্বরণ করা হয় । ২৯, যে ব্যাক্তি আধ্যাত্ন-মৃতে পরিপূর্ণ প্রভুর এই পবিত্র ধর্মাধামকে অবহিত থাকে, ব্রক্ষ এবং ব্রক্ষা তাহকে অর্ন্তদৃষ্টি, প্রাণ ও সন্তানাদি দান করেন । ৩০, যে ব্যাক্তি এই পবিত্র গৃহকে অবহিত হয় এবং যাহার অর্ন্তদৃষ্টি ও আত্নশক্তি বিদ্যমান, সে কখনো উহা ত্যাগ করেনা । কারণ সেখানে প্রভুকে স্বরণ করা হয় । ৩১, দেবতাদের এই পবিত্র ধামের আটটি চক্র-পরিক্রম ও নয়টি দ্বার আছে । উহা অপরাজেয় এবং উহা হিরণ্যময় অনন্ত জীবন এবং স্বর্গীয় জ্যোতিতে সমাবৃত । ৩২, তথায় হিরণ্যময় পবিত্র আত্না প্রতিষ্ঠিত আছে । উহা তিনটি স্তম্ভ, তিনটি কড়িকাঠ দ্বারা নির্মিত ; কিন্তু উহা ব্রক্ষাত্নার কেন্দ্রবিন্দু । ৩৩, ব্রক্ষ সেখানে অবস্হান করেন, উহা স্বর্গীয় প্রভায় সমুজ্জল ও স্বর্গীয় আর্শীবাদে পরিপূর্ণ । এ ধাম মানুষকে হিরণ্যময় পনমাত্নার জীবন দান করে এবং উহা অপারজেয় ।

বেদের একত্ববাদঃ
১. সদা-সর্বত্র বিরাজমান তন্দ্রা-নিদ্রাহীন সদা সজাগ প্রতিনিয়ত করূণা বর্ষণকারী সর্বশক্তিমান হে প্রভূ ! আমরা শূধু তোমারই মহিমা স্বরণ করি, তোমারই জয়গান গাই । প্রভূ হে ! আমাদের সর্বোত্তম আত্নিক পথে, আলোকিত পথে পরিচালনা করো । আমরা যেন সব-সময় সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকে অনূধাবন করতে পারি । [ঋগবেদঃ ৩.৬২.১০]

২. সত্যজ্ঞানী তিনিই, যিনি জানেন প্রভূ এক এবং অদ্বিতীয় । তিনি সর্বশক্তিমান এবং সর্ব বিষয়ে একক ক্ষমতার অধিকারী । প্রাণ এবং নিষ্প্রাণের সব-কিছুই তার নখদর্পণে । সকল ক্ষমতার কেন্দ্র তিনি একক অনন্য । [অথর্ব বেদঃ ১৩.৫.১৪-২১]

৩.আদিতে তিনি-ই ছিলেন । সৃষ্টির সবকিছুর উৎসও তিনি-ই । সমগ্র অস্তিত্বের তিনি-ই প্রভূ । আকাশ ও ভূ-মন্ডলে বিরাজমান সবকিছূর তিনি-ই লালনকারী । অন্য কারো কাছে নয়, শুধুমাত্র সেই মহাপ্রভূর কাছেই আমাদের সবকিছূ সমর্পন করছি । [অথর্ববেদ- ৪.২.৭]


উৎসঃ পন্ডিত সত্যকাম বিদ্যলংকার -এর ইংরেজী অনুবাদ The Holy Vedas থেকে কিছু বাণীর সরল বাংলা মমার্থ । প্রকাশিত হয় -কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন দ্বারা ।


তথ্য সূত্র---জগদগুরু মুহাম্মদ (সাঃ) , শায়খুল উবুদিয়া ইমাম সাইয়েদ মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ ইবনে আবদুহু আল-হোসাইনী । রেনেসাঁ পাবলিকেশন্স ।

আরও জানতেঃ

একটা লিংক নিচে দেওয়া হল---
দেখতে পারেন এখানে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29412823 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29412823 2011-07-14 14:59:28
এক হাজার সাল কা বদলা লে লিয়া - ইন্দিরা গন্ধী ।
তিনি আরো বলেন, ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন তা সঠিক নয় । এক কোটি হিন্দু ছাড়া চৈাদ্দ কোটি জনগণই ভারত বিরোধী ।

সূত্রঃ আজকের দৈনিক ইনকিলাব ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29406398 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29406398 2011-07-03 11:43:12
কল্কি অবতার কে ? মহানবী (সাঃ) ? - ৪ (ভারতীয় মন্দিরে কল্কি অবতারের ছবি)

ভারতীয় মন্দিরে কল্কি অবতারের ছবি

১.

স্বামী জগদীশ্চরানন্দ মহাশয় তাঁহার কল্কী নামক গ্রন্হে উল্লেখ করিয়াছেন যে, ভারতের বিভিন্ন মন্দিরে দশ অবতারের মূর্তি চিত্রিত বা ক্ষুদিত আছে । তন্মধ্যে অন্ধপ্রদেশের কাকিনাড়ার নিকটবর্তী আন্নাভরম পাহাড় চূড়ায় বহু প্রাচীন এক বিষ্ঞু মন্দির অবস্হিত আছে । উহার দেওয়ালে দশ অবতারের মূর্তিসমূহ সুষ্পষ্ট ভাবে ক্ষুদিত আছে । সেখানে কল্কীকে বীর বেশে একটি সাদা ঘোড়ার উপর আরোহিত অবস্হায় দেখান হইয়াছে ।

এখানে একটি বিষয় সবিশেষ প্রনিধানযোগ্য যে, সাদা ঘোড়া পৃথিবীতে খুবই দুষ্প্রাপ্য । ভারতের কোথাও উহা পাওয়া যায় না । ইহা দ্বারা সুষ্পষ্ট নির্দেশিত হয় যে, কল্কী অবতার ভারতবাসী হইবেন না । একমাত্র আরব দেশের শ্বেত অশ্বই পৃথিবী বিখ্যাত ।

ইন্তিকালের সময় হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর সম্বলের মধ্যে ছিল একটি শ্বেত অশ্ব, কিছু যুদ্ধাশ্র এবং একখন্ড জমি । এই জামিটুকুও ইন্তিকালের পূর্বে দান করিয়া দেওয়া হইয়াছিল ।

২.

যর্জুবেদের রুদ্র এবং কল্কিপূরাণে কল্কি অবতার সম্পর্কেই ভবিষ্যদ্বাণী করা হইয়াছে যে তিনি অশ্বপতি হইবেন এবং যুদ্ধ দ্বারা ধর্ম শত্রু ও কলির বিনাশ সাধন করিয়া ধর্ম প্রতিষ্ঠা করিবেন । পৃথিবীর ইতিহাসে হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) ছাড়া অন্য কাউকে সেইরূপ দেখা যায় না ।


[মহানবী (সাঃ) এর ব্যবহৃত তলোয়ার- যা বর্তমানে তুরস্কে সংরক্ষিত আছে]

যাহার কারণে খৃষ্টানগণ বিদ্বেষবশতঃ তাহার সম্পর্কে বলিয়া থাকেঃ
The Koran with one hand and the Sword with the other (History of the Arabs, ch xi) " একহাতে কোরআন , অন্য হাতে তরবারী ।"

কিন্তু তিনি ব্রক্ষ কর্তৃক প্রেরিত হইয়া ব্রক্ষ-ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য পৃথিবীতে আর্বিভূত হইয়াছেন । সুতরাং তাহার শত্রুগণ, বিদ্বেষীগণ যাই বলুক না কেন, তিনি তারা দায়িত্ব অবশ্যই সমাধা করিবেন এবং তিনি তাহাই করিয়া গিয়াছেন ।


--চলবে-------

নিচে যর্জুবেদের রুদ্র নিয়ে লেখা আমার দুটি পোষ্ট এর লিংক দেয়া হল, আগ্রহীরা পড়ে দেখতে পারেন । ধন্যবাদ ।

যর্জুবেদে মোহাম্মদ (সাঃ)- মুন্ডিত কেশ রুদ্র নেড়ে -১
যর্জুবেদে মোহাম্মদ (সাঃ)- মুন্ডিত কেশ রুদ্র নেড়ে -২



সূত্রঃ

১. সংক্ষিপ্ত ইসলামী বিশ্বকোষ, ২য় খন্ড, ৩৩০ পৃঃ, মুহাম্মদ (সাঃ) অধ্যায় ।
২. বেদ - পুরাণে আল্লাহ ও হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) - ধর্মাচার্য অধ্যাপক ড. বেদপ্রকাশ উপাধ্যায়, ইসলামী সাহিত্য প্রকাশনালয়, ৪৫, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০.
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29402400 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29402400 2011-06-25 20:23:55
সাড়ে ৪ হাজার বছর আগের উদ্ধারকৃত শিলালিপিতে রয়েছে নবী-রাসূলদের নাম !! সত্যের একটি জ্বলন্ত নিদর্শন ! (রিপোষ্ট)

১. আবিস্কারঃ
প্রায় ২৫০০ খ্রীঃ পূর্বাব্দে লিখিত ইবলা শিলা-লিপি সমূহ ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাসকে তুলে ধরছে । এই শিলা-লিপি সমূহের - যা ১৯৭৫ সালে আবিস্কার করা হয়েছে, তার সব থেকে থেকে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট হলো এই যে, এর মধ্যে নবীদের নাম রয়েছে যা পবিত্র ধর্মগ্রন্হসমূহে রয়েছে ।

১৯৬৪ সালে রোম বিশ্বঃ ইটালীয়ান নৃত্ত্ববিদগণ পাওলো মাথাই এর নেতৃত্বে
সিরিয়ার উত্তরে তিল মারদিক নামক একটি স্হান খনন করেন । ১৯৬৮ সালে তারা প্রাচীন আক্কাডিয়ান রাজ্যের রাজা ইবিত লিম সময়কার পাথরের উপর লেখা কিছু লিপি উদ্ধার করেন । এ শিলালিপিতে রাজা নিজেকে ইবলার রাজা হিসেবে নিজেকে বর্ণনা করেন । ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত তারা খনন করে প্রায় ১৫০০ মাটির উপর লেখা ছোট ছোট লিপির সন্ধান পান ।

In 1964 Italian archaeologists directed by Paolo Matthiae of the University of Rome excavated a mound in northern Syria known as Tell Mardikh. In 1968, Matthiae and his team uncovered ancient Akkadian inscriptions of King Ibbit-Lim. In this text the king identified himself as the ruler of Ebla. During excavations in 1974 and 1975, public and royal archives containing over 15,000 clay tablets came to light.

হাজার বছর আগের এই শিলা-লিপি সমূহে কুরআন এবং বাইবেলে বর্ণিত অনেক ভৈাগলিক এলাকার নাম রয়েছে এবং বিশেষ করে ইরাম শহরের নাম উল্লেখ আছে , যা একমাত্র কুরআনে এ শহরের নাম দেয়া আছে, এমন কি বাইবেলে পর্যন্ত এ শহরের নাম নাই । কুরআনের ৮৯ নং সূরার ৭-৮ নং আয়াতে এর উল্লেখ আছে ।

" ইরামের প্রতি যাদের ছিল উচু গঠন, যাদের ক্ষেত্রে ওগুলোর সমতুল্য অন্য কোন শহর তৈরী হয়নি "


যারা বলে কুরআন বাইবেল থেকে কপি করা, তাদের নিকট এ নতুন নাম ছিলো একটা বিরাট প্রশ্নের মত । এই নাম আর কোন ঐতিহাসিক গ্রন্হে পাওয়া যায়নি ।

২. ইবলা সাম্রাজ্যঃ
প্রায় ২৫০০ খ্রীঃ পূর্ব অব্দে ইবলা ছিলো একটা রাজ্য যা সিরিয়ার দামেস্ক এবং তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্ব এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল। এ রাজ্য অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে শীর্ষে অবস্হান করছিলো কিন্তু পরে অন্যান্য বড় বড় প্রাচীন সভ্যতার মতো হঠাৎ ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে যায় ।

[ইতিহাসের এটা একটা বিস্ময় যে, অনেক চরম উন্নতি প্রাপ্ত সভ্যতাই হঠাৎ করে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে । প্রায়গুলোর বিলুপ্ত হওয়ার অন্যতম কারণ ছিলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ । আল-কুরআনে আল্লাহ বলেছেন যে, আমি অনেক সভ্যতাই ধ্বংস করেছি অবাধ্যতার জন্য, যা নিদর্শনরূপে এখনও বিদ্যমান । যেমনঃ সূরা ৩৫-৮]

শিলা লিপি সমূহ থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে ইহা তখনকার সময়ে ছিল অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্র । ইবলা সভ্যতার লোকেরা তথ্য সমূহ সংরক্ষণ করে রাখত , লাইব্রেরী তৈরী করেছিলো এবং বাণিজ্যিক চুক্তিসমূহ লিখিত আকারে রাখতো । তাদের নিজস্ব ভাষাও ছিলো--ইবলেইত ।

৩.প্রাচীন ভাষার মর্মোদ্ধারঃ

ইবলা শিলা-লিপি সমূহের গুরুত্ব হলো যা প্রত্নতত্ত্ববিদ্যার সত্যিকারের বিরাট সফলতা তা হলো ১৫,০০০ এর মতো লিখিত শিলা-লিপির পাঠোদ্ধার ।

যখন এই শিলা লিপিতে কি লেখা আছে তা উদ্ধার করা হলো ইটালিয়ান
ডিসিফার বা পাঠোদ্বারকারী জিওভানি পেটিনাটো (Giovanni Pettinato) , যিনি রোম বিশ্ববিদ্যালয়ের epigrapher , তখন এর এতিহাসিক মূল্য বের হল । ফলে এটা শুধুমাত্র প্রত্নতত্ত্ববিদদের আগ্রহের কারণই হলো না বরং ধর্মীয়বেত্তাদের আগ্রহেরও কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হলো । কারণ সেখানে বাইবেল ও কুরআনে বর্ণিত অনেক নবীর নাম পাওয়া গেলো, যা ইতিপূর্বে ধর্মগ্রন্হ ছাড়া কোথাও পাওয়া যায়নি । সেখানে যেসব নবীদের নাম সেখানে পাওয়া গেল তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- আব্রাহামো (ইব্রাহীম -আঃ), ডেউডাম (দাউদ-আঃ), তালুত যার সম্পর্কে আমার এই পোষ্টে উল্লেখ ছিলো এবং ঈস-মা-ঈল (ঈসমাঈল -আঃ) এর নাম সমূহ ।

এ ছাড়াও পাওযা যায় কুরআনে বর্ণিত আদ ও ছামুদ জাতি (৬৯ঃ৪-৭) সমূহের শহরের কথা যা বাইবেলে বলা হয়েছে Sodom এবং Gomorrah নামে। যা আল্লাহ ধ্বংস করে দেন ভয়াবহ নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে যা এখন বর্তমান লুত সাগর বা 'ডেড সী ' নামে খ্যাত ।

৪. গুরুত্বঃ
এসব ঐতিহাসিক তথ্য এই ইবলা টেবলেট বা মাটির টুকরোগুলোয় পাওয়ার ফলে এ দাবি মিথ্যা প্রমাণিত হলো যে, পূর্বের বহু দেবদেবী মূলক ধর্ম বা বহু স্রষ্টা ধর্ম থেকে এক স্রষ্টা ভিত্তিক ধর্ম বিবর্তন লাভ করেছে । বরং এটাই প্রমাণিত হলো যে, ধর্মগ্রন্হের ঐসব নবীগণ আসলেই ছিলেন আর এক স্রষ্টা ভিত্তিক ধর্মটাই হলো ধর্মের মূল উৎস ।

The tablets tell of an 'empire' and names many areas under the control of Ebla, such as Sinai, Assyria, Lebanon, Cyprus, Carchemish, Lachish, Gaza, Hazor and others. Bible students will readily recognise that many of these names appear in the Old Testament record and it is interesting to note that of the three languages of the tablets, an hitherto unknown tongue, closely resembling Hebrew is prevalent and many common names recorded by the people of Ebla are easily recognisable to Bible readers.

AB-RA-MU - (ABRAM)
E-SA-UM - (ESAU)
IS-MA-EL - (ISHMAEL)
IS-RA-EL - (ISRAEL)
MI-KA-EL - (MICHAEL)
MI-KA-YAH - (MICAIAH)
YE-RU-SA-LU-UM - (JERUSALEM)

Further, many common Ebla words are the same as Hebrew, such as 'and' (WA), 'perfect' (TAMMIN), 'fall' (NAPAL) and 'good' (TOB).

But perhaps most interesting of all are the quite extensive descriptions of the Creation and of the Flood.


সবশেষে কুরআনের ভাষায় বলতে হয়

" আর যখন তাদের বলা হয় "তোমদের প্রভু কি বিষয় বস্তু অবতীর্ণ করেছেন ?" তারা বলে "সেকেলে গাল গল্প" । ফলে কিয়ামতের দিনে তারা নিজেদের বোঝা পুরোমাত্রায় বহন করবে , আর তাদেরও বোঝার কতকটা , যাদের তারা পথভ্রষ্ট করেছে কোন জ্ঞান না থাকা সত্ত্বেও । তারা যা বহন করে তা কি নিকৃষ্ট নয় ? "

* এখানে ইবলা শিলা লিপি প্রাপ্তি স্হান এবং লিপি সমূহের একটি সুন্দর ফটো গ্যালারী , সবাইকে অবশ্যই দেখার জন্য অনুরোধ করছি , খুবই চমকপ্রদ


আরো জানতে নিচের লিংক গুলো দেখুন.....

১. উইকেপিডিয়া
২. ন্যাশনাল জিওগ্রাফির ম্যাগাজিন
৩. ইরাম শহরের পিলার
৪.আরেকটা লিংক

[যারা পোষ্টটি পড়বেন , অনুগ্রহ করে মন্তব্য করে যাবেন । তাহলে পোষ্টটি প্রথম পাতা থেকে সরে গেলেও সাম্প্রতিক মন্তব্যে দেখা যাবে, ফলে অন্য ভাইরাও এটা দেখে পোষ্টটি সম্পর্কে জেনে পড়তে পারবেন । আমাদের সবার উচিত একে অপরকে ভালো কাজে সহযোগিতা করা ।]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29401938 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29401938 2011-06-24 21:36:42
বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক আবিস্কার 'মানুষ ছোট হয়ে যাচ্ছে' আর আদম (আঃ) সর্ম্পকিত মহানবী (সাঃ) এর হাদিস

অনেক দিন আগে হযরত আদম (আঃ) এর শ্রীলংকায় অবতরণ, শ্রীলংকায় উনার পায়ের ছাপ ও আদম সেতু নিয়ে একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম ।
Click This Link
তখন প্রাসঙ্গিকভাবে মহানবী (সাঃ) এর নিম্নোক্ত হাসিদটি উল্লেখ করেছিলাম ,

"আল্লাহ আদমকে প্রচুর চুল দিয়ে একজন লম্বা মানুষ হিসেবে তৈরী করেছিলেন যেন একটা লম্বা তাল গাছ " (বুখারী-৩৩২৬, মুসলিম-২৮৪১)

যা নিয়ে তখন অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন । আজকে একজন ব্লগারের একটি পোষ্ট দেখলাম যে বিজ্ঞানীরা বলছেন যে মানুষ আস্তে আস্তে ছোট হয়ে যাচ্ছে এবং পূর্বের তুলনায় তারা বর্তমানে অনেক ছোট ।
Click This Link

এই প্রেক্ষাপটে এখন কি বুঝা যাচ্ছে না যে, বিজ্ঞান দিয়ে সব সময় ধর্মের সব কিছু যাচাই করা ঠিক নয় । বরং বিজ্ঞানের জ্ঞান অসম্পূর্ণ আর কুরআন ও হাদিস হলো ওহী, যা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই । যার অনেক কিছুই মানুষের স্বাভাবিক জ্ঞানে, বিজ্ঞানে প্রথমত অনাবিস্কৃত থাকলেও বা না বুঝলেও পরে বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে তা সঠিক প্রমাণিত হয় ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29399769 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29399769 2011-06-20 17:14:51
শেখ হাসিনা ও খালেদাকে আসুন মাইনাচ করি । আর এরশাদ চাচাকে একটা শেষ সুযোগ দেই ।


আওয়ামী লীগও দেখা হলো , বিএনপি ও দেখা হলো । খালেদা আসলে হাসিনার পিছনে লাগে আর হাসিনা আসলে খালেদার পিছনে । যেন দুইজন দুই সতীন । কারো পিছ কেউ ছাড়েনা । আমি বড় আশা করেছিলাম যে হাসিনা এইবারের টার্মে বুঝে শুনে দেশ চালাবে । পূর্বের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাবে । কিন্তু না, মনে হচ্ছে যেন এবারে সে আগেরবার থেকেও খারাপ করবে । হাসিনার ছেলে জয়ের কোন সম্ভাবনা আমি দেখিনা । তার থেকে কোন ভালো কথা আজ পর্যন্ত শুনি নাই । আমার মনে হয়না সে এদেশ মূখী হবে ।

বি এন পির যে বদনাম হয়েছে তা উদ্ধার করতে এক যুগ লাগবে । খালেদার আশেপাশে এখন তেমন যোগ্য লোক নাই আর তারেকের উপর আমার মনে হয়না মানুষের বিশ্বাস আছে । একজন দেশের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ছেলের যদি এত লোভ থাকে , যে হতে পারে পরবর্তী প্রধান মন্ত্রী , সে দেশের প্রধান না হয়েই যদি এরকম করে তো হলে কি করবে ?

আর কি কিছু দেখার বা বুঝার বাকী আছে এই দুইজন সম্পর্কে । এখন বাকী আছে আমাগো এরশাদ চাচা । এই বূড়া বয়সে আমার মতে তারে একটা চান্স দেওয়া দরকার । উনার মধ্যে উগ্রতা কম । আমার মনে হয়না বিচার বুদ্ধি এতটা খারাপ । নয় বছর একটানা দেশ চালিয়েছে । মাইয়া মানুষের পাল্লায় পড়ে মাথা নষ্ট না করলে ও ছাত্রগো একটু নরমভাবে ডিল করলে এরশাদের এত বদনাম হতো না ।

আসুন এই দুই সতীনের হাত থেকে বাংলাকে উদ্ধার করি । এছাড়া এই মূহুর্তে আর কি কোন সমাধান আছে ?

কি বলেন আপনারা ?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29394600 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29394600 2011-06-10 19:07:47
আসুন কাজী নজরুল ইসলামের কন্ঠে শুনি কবিতা 'রবি হারা' , রবীন্দ্রনাথ এর স্মরণে লিখা কবিতা ।


কাজী নজরুল ইসলাম একজন মহান এবং উদার কবি ছিলেন । আমাদের উচিত নজরুলের কবিতা ও গান বেশী বেশী করে চর্চ্চা করা ।


আসুন এখন শুনি কবি নজরুলের কন্ঠে তারই লেখা রবীনান্দ্র ঠাকুরকে হারিয়ে তিনি যে কবিতা লিখেছিলেন । এ কবিতা থেকেই প্রমাণিত হয় উনাদের মধ্যে অত্যন্ত সুন্দর সম্পর্ক বিদ্যমান ছিলো ।

http://www.youtube.com/watch?v=jk04gc5IsZY

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29387470 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29387470 2011-05-28 15:21:42
বন্ধ হচ্ছে না ভারতে মেয়ে ভ্রুণ হত্যা : বাড়ছে পাত্রীর সংকট । হায় ভারত - আল কুরআনের পথে আসো, যেখানে...

আজকের একটি দৈনিকের খবর, ভ্রুণ হত্যা নিষিদ্ধ এবং মানবাধিকার পরিপন্হি একটি কাজ হলেও ভারতে নিত্য নৈমিত্তিক বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে । আর এ কারণে ভারতে মেয়ের সংখ্যা আশংকাজনক হারে হ্রাস পাচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন । সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয় ভারত গত ৩০ বছরে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মেয়ে ভ্রুণ হত্যা করা হয়েছে । ধনী ও শিক্ষিত বাবা মায়ের মধ্যে এ প্রবণতা বেশী বলে রিসার্চে বলা হয় । আধুনিক প্রযু্ক্তি ও সাধ্যের মধ্যে থাকায় এটি একটি সাধারণ বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে । প্রথম সন্তান মেয়ে হলে দ্বিতীয় সন্তান মেয়ে হওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরণের ঘটনা বেশী ঘটছে । দেশটিতে মেয়ের বিয়েতে ব্যাপক পরিমাণে যৈাতুক দিতে হয় এবং মেয়ে সন্তান লালন-পালন করতে গিয়ে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয় । আর এসব কারণেই ভারতে মেয়ে সন্তানের তুলনায় ছেলেদের বেশী পছন্দ করা হয় । ভারতে এর মধ্যে ক্রমাগত মেয়ে হত্যার বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে শুরু করেছে । গত মার্চে প্রকাশিত আদম শুমারিতে দেখাগেছে এক হাজার ছয় বছর ছেলে শিশুর বিপরীতে মাত্র ৯১৪ টি মেয়ে শিশু রয়েছে । মেয়ে হত্যার কুফল এখন ভারতীয় সমাজে প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে । ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে এখন বিবাহযোগ্য পাত্রীর সংকট প্রবল হয়ে দেখা দিয়েছে ।

কোরআনে আল্লাহপাক জাহেলি যুগের মত শিশুদের হত্যা করতে পরিস্কার ভাবে নিষেধ করেছেন । যেমন আল্লাহ বলেন,

'আর যখন জীবন্ত প্রোথিত কন্যা সন্তানকে প্রশ্ন করা হবে , "কোন অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছিলো ? "। (৮১;৮-৯)

'আর তোমাদের সন্তান সন্ততিকে দারিদ্রের ভয়ে হত্যা করো না । আমরাই তাদের রিযিক দেই আর তোমাদেরও । নিঃসন্দেহে তাদের মেরে ফেলা এক মহাপাপ । (১৭ৎ৩১)

মহানবী বলেছেন যার একটি বা দুটি বা তিনটি মেয়ে আছে আর সে তাদের প্রতি কোন বৈষম্য করলোনা এবং তাদের যথাযথ খাওয়া পরা এবং বিয়ের ব্যবস্হা করে দিল সে জান্নাতে আমার সাথে দু-আঙুলের অনুরুপ নিকটবর্তী থাকবে ।

The Prophet of Allah (Peace be upon Him) said to one of his companions who had given a present to only one of his children:

"Did you give all your children like this?"

He said: "No."

He said: "Fear Allah and be just with all of your children."

[Muslim #1623]



এ ব্যাপারে একজন সাহাবীর জীবনের ঘটনা প্রণিধানযোগ্য যিনি ইসলাম গ্রহনের পূর্বে তার কন্যা সন্তানকে জ্যান্ত পুতে ফেলেছিলেন । ইসলাম গ্রহণ করার পর প্রায়ই তার ওই মেয়ের কথা মনে করে কাদঁতেন আর বলতেন হায় যদি তখন ইসলাম থাকতো আর আমি অনুসারী হতাম তাহলে তো এই নির্মম কাজটি আমার দ্বারা সংঘটিত হতো না । তখনতো সমাজে অসম্মানের কারণে না বুঝে এ কাজটি করেছি ।

.....হায় আর কতকাল মানুষ অবুঝ থাকবে ? ইসলামে যাবতীয় অশ্লীল, অবৈধ , ক্ষতিকর সকল বিষয় নিষিদ্ধ ।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29387022 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29387022 2011-05-27 17:49:25
কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন তো ? সব উত্তরগুলোর যোগফল কি দাড়াল ?
রক্ত মাংসে গড়া মানুষ আর রংক্তে মাংসে গড়া বনমানুষ কত মিল তারপরও কত অমিল , কেন ?

পৃথিবীতে মানুষ ছাড়া আর কোন প্রাণীর কি হৃদয় আছে ? তাদের ভালোবাসার আমরা যে নমুনা দেখি তা কি হৃদয় ঘটিত না মস্তিস্কপ্রসূত ?

মানুষের মধ্য থেকে যদি তার লোভ, ঘৃণা, শরীরের চাহিদা, ক্ষুধা, তৃষ্ণা ইত্যাদি দূর করে দেয়া হয় তাহলে সে কি হবে ?

মহানবী (সা.) এর জীবদ্দশায় যে সিনা চাক করা হয়েছিলো তার কারণ কি ?

মানুষ ভালোবাসে মগজ দিয়ে না হৃদয় দিয়ে ?

প্রিয় মানুষকে হারালে আমাদের কি মাথা ব্যাথা হয় না বুকে ব্যাথা হয় ?

যে পাগল হয়ে যায় তার কি মগজ নষ্ট হয় না হৃদয় ?

মানুষ যখন গভীর মনোযোগে কোন কিছূ চিন্তা করে তখন সে তখন চোখ খোলা থাকলেও কি সে চোখ দিয়ে দেখে না অন্য কিছূ দিয়ে দেখে ?



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29376980 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29376980 2011-05-07 19:21:39
মৃত্যু : মানব মনের স্বাভাবিক প্রশ্ন ! এর উত্তর কোথায় ?

এ দুনিয়ার জীবনটাই কি একমাত্র জীবন , না এরপরও কোন জীবন আছে ? মানব মনের এ এক স্বাভাবিক প্রশ্ন এবং সকল যুগেই এ প্রশ্নে দ্বিমত হয়েছে এবং এর ভিত্তিতে দুই বিপরীতমুখী সমাজ ব্যবস্হা গড়ে উঠেছে ।

মানুষ ভূমিষ্ঠ হবার পর কিছূকাল দুনিয়ায় অবস্হান করতঃ বিদায় গ্রহণ করে । এ অবস্হানকাল কারো কয়েক মুহূর্ত মাত্র । কারো বা কয়েক দিন , কয়েক মাস , কয়েক বছর । আবার কেউ শতাধিক বছরও বেঁচে থাকে । কেউ আবার অতি বার্ধক্যে শিশুর চেয়েও অসহায় অবস্হায় জীবনযাপন করে ।

বেচে থাকাকালীন মানুষের জীবনে কত আশা-আকাংখা , কত রঙিন স্বপ্ন । কারো জীবন ভরে উঠে অফুরন্ত সুখ স্বাচ্ছন্দে আর কারো জীবনে নেমে আসে একটানা দুঃখ-দৈন্য , অপরের অবহেলা-অত্যাচার ও নির্যাতন । অবশেষে একদিন সবাইকে চলে যেতে হয় এ দুনিয়া ছেড়ে । রাজা-প্রজা, ধনী-গরীব , সাদা-কালো সবাইকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হয় ।

মনে করুন, এক ব্যাক্তি শতাধিক মানব সন্তানকে অন্যায়ভাবে হত্যা করেছে । তার অত্যাচারে শত শত পরিবার ধ্বংস হয়েছে । টাকা দিয়ে ও ক্ষমতার জোরে আইনের হাত থেকে বেচে হেসে খেলে জীবন পার করে দিল ।



তার তো এ অন্যায়ের কোন বিচার হলো না ? সে তো জীবনে সুখ ভোগ করে গেল । আর যারা অসহায়ভাবে মৃত্যু বরণ করল তারা তো জীবনে কিছুই পেল না ।



উপরোক্ত ব্যাক্তিদের জীবনের জের যদি মৃত্যুর পরেও টানা হয় এবং কোন সর্বশক্তিমান সত্তা যদি তাদের উভয় শ্রেণীকে যথাযোগ্য দন্ডে দন্ডিত ও পুরস্কৃত করেন - যাদের যেমনটি প্রাপ্য - তাহলে কি সত্যিকার ন্যায় বিচার হয় না ? বিবেক কে প্রশ্ন করুন এছাড়া আর কি উপায় আছে ?

পরকালে অবিশ্বাসীদের বিশ্বাস বা ধারণা হলো মৃত্যুর পরে আর কিছুই নেই, তাই কৃতকর্মের জন্য তাদেরকে কারো কাছে জবাবদিহি করতে হবেনা । দুনিয়ার জীবনে তারা যদি চরম লাম্পট্য ও যৌন অনাচার করে , তার যদি দস্যু ও লুন্ঠনকারীও হয় তবু তাদের ভয়ের কোন কারণ নেই ।

স্রষ্টা ও পরকাল বিশ্বাস করলেই প্রবৃত্তির মুখে লাগাম দিতে হবে । কারণ পরকারে শাস্তির ভয় আছে । একমাত্র সত্যিকারের খোদাভীতি-ই ও সঠিক জ্ঞান প্রবৃত্তির লাগাম দিতে পারে ।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ পাক বলেন,

"তোমাদের সবাইকে তার দিকে ফিরে যেতে হবে । এ আল্লাহতায়ালার পাকাপোক্ত ওয়াদা । সৃষ্টির সূচনা অবশ্যই তিনি করেন এবং দ্বিতীয় বার সৃষ্টিও তিনি করবেন । দ্বিতীয়বার সৃষ্টির কারণ এই যে, যারা ঈমান আনার পর সৎকাজ করেছে তাদেরকে তিনি ন্যায় পরায়ণতার সাথে প্রতিদান দিবেন । আর যারা অবিশ্বাসী পথ অবলম্বন করেছে তারা উত্তপ্ত পানি পান করবে এবং যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি ভোগ করবে । সত্যকে অস্বীকার কের তারা যা কিছু করেছে তার জন্যই তাদের এ শাস্তি । " (সূরা ইউনুছঃ ৪)

"প্রতেককেই মৃত্যুর আস্বাদ গ্রহণ করতে হবে এবং কিয়ামতের দিনে তোমাদেরকে পরিপূর্ণ প্রতিদান দেয়া হবে । অতএব সেদিন যাদেরকে দোযখের আগুন থেকে রক্ষা করে বেহেশ্তে স্হান দেয়া হবে তারাই হবে সাফল্যমন্ডিত । - (সূরা আল -ইমরানঃ ১৮৫)

" প্রত্যেককে মৃত্যুবরণ করতে হবে এবং এই দুনিয়াতে তোমাদেরকে সুখ দুঃখ দিয়ে আমরা (আমি) পরীক্ষা করব এবং এ পরীক্ষার ফলাফল লাভের জন্য তোমাদেরকে আমাদের (আমার) নিকট ফিরে আসতে হবে । " (সূরা আল - আম্বিয়া)

"তোমরা কি কখনো চিন্তা করে দেখেছ যে স্ত্রী সঙ্গমে তোমরা স্ত্রী যোনীতে যে বীর্য প্রক্ষিপ্ত করছ, তা থেকে সন্তানের উৎপত্তি কি তোমরা করছ , না আমি ? আমি তোমাদের মৃত্যু বন্টন করে দিয়েছি । তোমাদের আকৃতি পরিবর্তন করে তোমাদের জ্ঞান বর্হিভূত অন্য আকৃতিতে পয়দা করতেও আমি অপারগ নই । তোমাদের প্রথম বারের সৃষ্টি সম্পর্কেও তোমরা পরিজ্ঞাত । তবে কেন শিক্ষা গ্রহণ করছ না ?" (সূরা ওয়াকিয়াঃ ৫৮-৬২)

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29363295 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29363295 2011-04-15 18:30:24
হাজার বছর পূর্বে মহানবী (সা.) যা বলে গেছেন, আজো তা সত্য প্রমাণিত ।

১৪০০ বছর আগে মহানবী (সা.) যা বলে গেছেন , আজো তা সত্য প্রমাণিত হচ্ছে । ইসলাম পূর্ব সময়ে আরবে ব্যাপক মদপান প্রচলিত ছিল । এমন কি ইসলামের প্রথম দিকে তা নিষিদ্ধ ছিলো না । পরে তা আল্লাহ মদ্য পান নিষিদ্ধ করে আয়াত নাযিল করেন ।

মহানবী (সা.) উনার সাহাবীদের মদ্য পান ত্যাগ করার উপদেশ দিতে গিয়ে বলেছিলেন, " তোমরা মদ পরিত্যাগ কর । কারণ ওটা সকল ঘৃণ্য কাজের জননী ।"

মহানবীর কথাটা খেয়াল করুন । তিনি শুধু তা নিষেধ করেই ক্ষান্ত হতে পারতেন, তা না করে এর খারাপ প্রভাবটা কি তাও বলে দিলেন । যা এই বিংশ শতাব্দীতেও অক্ষরে অক্ষরে সঠিক পরিগণিত হচ্ছে ।

গত ২৪/০৩/২০১১ অষ্ট্রেলিয়ার সর্বাধিক প্রচারিত সিডনী মর্নিং হেরাল্ড এর প্রকাশিত সংবাদ হলো - মদ্যপানের ফলে অষ্ট্রেলিয়ার নৈাবাহিনীতে মহিলা নাবিকদের প্রতি পুরুষ নাবিকদের খারাপ আচরণ বেড়ে গেছে , বিশেষ করে সেক্সুয়াল হেরেসম্যান ।

নাবিকরা সেক্সুয়াল লেজার রাখে , কে কত নারী নাবিকের সাথে বিছানায় যেতে পেরেছে তার রিপোর্ট । কত জঘন্য ও নোংরা বিষয় নিয়ে তারা প্রতিযোগিতায় নেমেছে । এদের এই কাজের মূল হল মদ্য পানের খারাপ প্রভাব । ডিফেন্স ফোর্সের তিন বাহিনীর প্রধান গণ একে 'ক্যানসার' এর সাথে তুলনা করে মদ্য পান কর্মক্ষেত্রে বন্ধ করার হুমকি দিয়েছেন এবং প্রমোশনের সময় এসব খারাপ আচরণের রিপোর্ট চেক করার নির্দেশ দিয়েছেন ।

নৈাবাহিনীর প্রধান সৈনিকদের মদ্য পান করতে নিষেধ করতে গিয়ে বলেছেন , এটা তোমাদের ক্যারিয়ার ধ্বংস করে, সম্পর্ক নষ্ট করে এবং এমন কি তোমাদের মৃত্যুর মুখে ঢেলে দেয় ।



হাজার বছর পূর্বে মহানবী (সা.) যা বলে গেছেন, আজো তা সত্য প্রমাণিত ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29352000 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29352000 2011-03-27 12:04:50
সমাজে অশ্লীলতা, পর্ণগ্রাফি আর পতিতাবৃত্তির বিস্তার আর বহু বিবাহ রোধ । কে বেশী সুবিধাপ্রাপ্ত নারী না পুরুষ ? -২


পাশ্চাত্য বলেন আর দেশে বলেন, সব সমাজে-ই অশ্লীলতা, পর্ণগ্রাফী ও পতিতাবৃত্তির বিস্তারে নারী তার স্বাভাবিক মর্যাদা, অধিকার ও শ্রদ্ধা হারাচ্ছে । কিন্তু নারী সমাজ খুব কমই তা উপলব্ধি করতে পারছে । যার ফলে উর্ধ উলঙ্গ হতে নারীকে এখন আর উৎসাহ দিতে হয়না বরং নারী সমাজ মনে করছে এটাই তার স্বাধীনতা । এটাই প্রগতি ও আধুনিকতার চিহ্ন ।

আপনারা লক্ষ্য করেছেন কিনা জানিনা, ইদানিং প্রায় প্রতিটি হিন্দি ছবিতে নায়িকাকে পাশ্চাত্য কে নকল করে বুক খোলা ও শর্ট স্কার্ট পড়ে অভিনয় করনো হচ্ছে । যা অতি সাম্প্রতিক । এমন কি এখন হিন্দি ছবিতে নায়ক নায়িকার চুমো চুমিও স্বাভাবিকভাবে উপস্হাপন করানো হচ্ছে । প্রয়োজন না থাকলেও গে এর বিষয়টাও অনেক ছবিতে তুলে আনা হচ্ছে । যেন এটা সমাজের একটা স্বাভাবিক বিষয় ।সুতরাং সারা বিশ্বে বহুল প্রদর্শিত এই সব মুভির প্রভাব পাশ্চাত্যকে ছাড়িয়ে সব খানেই প্রসার লাভ করছে ।

এই অশ্লীলতার প্রচারের ফলে নারীর প্রতি পুরুষের যে স্বাভাবিক মোহ তা বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে । নারীকে ভোগের ও সহজলভ্য সামগ্রী ছাড়া অন্য কিছূ ভাবছেনা । পবিত্র প্রেম ভালোবাসা হারিয়ে গিয়ে শারীরিক আসক্তি ও আর্থিক লাভই মূখ্য হয়ে উঠছে । নারীকে প্রেমের ফাদে ফেলে তার দেহকে ভোগ করা হচ্ছে । সাম্প্রতিক কালে একজন টিভি মডেলের পরিণতি-ই তার প্রমাণ।



পর্ণগ্রাফি ও পতিতাবৃত্তি বিবাহের চাহিদা পূরণে অনেকটা সহায়ক হওয়ায় পুরুষ মানুষ এখন সহজে বিয়ের চিন্তা করেনা । অথচ এমন একটা সমাজের চিন্তা করুন যেখানে পর্ণগ্রাফি নেই, নারীর উচ্ছৃংখল চলাফেরা নেই ও পতিতাবৃত্তি নেই । সেখানে পুরুষের অন্যতম চিন্তা ও লক্ষ্য হবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে সংসার করা , না হয় তার প্রেয়সীর কথা চিন্তা করে কবিতা লেখা ও সুমধুর বাসর রাতের কথা মনে লালন করা । বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক সে চিন্তাও করতে পারত না ।

কিন্তু এখন তা কয়জনে তা করে ? কয়জনে কবিতা লেখে ? কয়জনে বাসর রাতের অপেক্ষা করে ?

সমাজের এই অধ:পতন কি আমরা চেয়ে চেয়ে দেখব ? না তা প্রতিরোধে এগিয়ে আসব ? নারীকে অবহেলিত , লান্ছিত করে পুরুষ কি তার দেহ নিয়ে তুষ্ট থাকবে নাকি তাকে সম্মান দিয়ে প্রেয়সীর আসনে বসাবে ?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29344941 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29344941 2011-03-15 18:45:24
পাশ্চাত্যে অশ্লীলতা, পর্ণগ্রাফি আর পতিতাবৃত্তির বিস্তার আর বহু বিবাহ রোধ । কে বেশী সুবিধাপ্রাপ্ত নারী না পুরুষ ? -১
বিগত কয়েক যুগ যাবত আমরা দেখে আসছি পাশ্চাত্য সমাজে অশ্লীলতা, পর্ণগ্রাফি আর পতিতাবৃত্তির অবাধ বিস্তার ঘটেছে। অপরপক্ষে বহু বিবাহ কে আইন করে রোধ করা হয়েছে ।

পাশ্চাত্য সমাজে এখন নারীর অবাধ স্বাধীনতা । নারী ব্রা আর শর্ট স্কার্ট পড়ে বাইরে ঘুরলেও এটা খুব স্বাভাবিক । ১৮ বছর বয়স হলেই ছেলে বা মেয়ে যা খুশী তাই করতে পারে । তাকে রাষ্ট্র বা সমাজ কিছু বলবে না । পুরুষ ও নারী দুজনেরই সমান অধিকার। অথচ অফিস আদালতে নারী অর্ধ উলঙ্গ হয়ে অফিস করে , রাস্তায় চলাফেরা করে কিন্তু কোন পুরুষ হাফ প্যান্ট পড়ে অফিস করার কথা চিন্তাই করতে পারেনা । আবার হিজাব/বোরখা পড়ে নারীকে দেখে সমাজ নাক কুচকায় । এখানে তার স্বাধীনতা নেই ।

পতিতা বৃত্তি একেবারেই স্বাভাবিক । নারী তার দেহ দিয়ে রোজগার করতেই পারে । পুরুষ সেটা টাকা দিয়ে ভোগ করতেই পারে । রাষ্ট্রের নিকট এটা স্বাভাবিক । কিন্তু গভীরভাবে খাতিয়ে দেখেনা কয়টা মেয়ে এই পেশায় স্বাভাবিকভাবে আসে । এ পেশার শারীরিক , আর্থিক ও সামাজিক পরিণাম কি ?

পুরুষ শাসিত সমাজ ও রাষ্ট্র প্রধান গণ যারা নারীকে ভোগের সহজলভ্য করার জন্য আইন করে এসব কে প্রতিষ্ঠিত করেছে । মিডিয়া তাদের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে । সুন্দরী প্রতিযোগিতা, বিকিনি কনটেষ্ট, গীক কনটেষ্ট পর্নস্টার ইত্যাদি ইত্যাদি সমাজের সাধারণ এর চোখে অনেক বড় করে দেখানো হচ্ছে । এখনতো গে ও লেসবিয়ান তথা হোমো সেক্সায়ালিটি ও রাষ্ট্র্ কর্তৃক স্বীকৃত ।



কিন্তু অপরপক্ষে বহু বিবাহ আইন করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে । যারা বহু বিবাহ করে তাদেরকে সমাজের লোক অন্য চোখে দেখে । যুবক ও মধ্য বয়সীরা একা থাকলেও কেউ অবাক হয় না । এটা নিয়ে কানা ঘুষা করেনা যে সে তার সেক্স চাহিদা কিভাবে পূরণ করে । নারীর অবাধ মেলামেশায় কারো মাথাব্যাথা নেই কিন্তু কোন পুরুষের দ্বিতীয় বউ হওয়া সম্ভব নয় । নারী বা পুরুষ কেউ বহু বিবাহে অগ্রগামী চিন্তা বা ভূমিকা পালন করে না ।

সমাজের এরূপ অবস্হার জন্য কারা বেশী ক্ষতিগ্রস্হ ? নারী নাকি পুরুষ ?
নারী তার অহংবোধ ও স্বাধীনতার নামে যে কি হারাচ্ছে তা কি সে বুঝতে পারছে ?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29343735 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29343735 2011-03-13 17:05:07
তাবলীগ জামায়াত সম্পর্কে জামায়াত ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মওদুদীর মনোভাব !
আমি অধ্যাপক গোলাম আযমের লেখা একটা বই হাতে পেলাম যেখানে উনি মাওলানা মওদুদীর তাবলীগ জামায়াত সম্পর্কে কিরূপ ধারণা পোষণ করতেন তা তুলে ধরেন । আশা করি উনার মন্তব্য জানা উভয়ের জন্য ভালো হবে ।

আমি যদিও ব্যাক্তিগতভাবে তাবলীগ জামায়াতকে পছন্দ করি এবং জীবনে অনেক বার কিছু সময় লাগিয়েছি । জামায়াতের সাথে কখনই জড়িত হইনি ।

যাক নিচে হুবহু বইয়ের অংশ বিশেষ তুলে দিলাম ;

'১৯৫৬ সালের জানুয়ারী মাসে তিনি সর্ব প্রথম পূর্ব পাকিস্তানে সফরে আসেন । .....আমি তাবলীগ জামায়াতে ইতিপূর্বে চার বছর অত্যন্ত একাগ্রতার সাথে কাজ করায় ঐ জামায়াত সম্পর্কে মাওলানার মতামত জানার খুবই আগ্রহ ছিল । তাবলীগ জামায়াত ত্যাগ করা সত্বেও ঐ জামায়াতের বিরূপ সমালাচনা কখনও আমি পছন্দ করিনি । ....মাওলানাকে জিজ্ঞেস করলামঃ

তাবলীগ জামায়াত সম্পর্কে আপনার ধারণা কি ? তিনি জওয়াবে বললেন, আমি মাওলানা ইলিয়াস সাহেবের প্রাথমিক কর্মস্হল পূর্ব পান্জাবের মিওয়াদে যেয়ে এ জামায়াতকে জানার চেষ্টা করেছি এবং অশিক্ষিত , ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞ সাধারণ লোকদেরকে তিনি যে পদ্ধতিতে ইসলামের আলো দান করছিলেন তার প্রশংসা করে মাসিক তারজুমানুল কুরআনে আমি লিখেছি ।

একথ বলে তিনি উপদেশ দেন যে "দ্বীনের কাজ যে যেখানে যতটুকু করছে তাতে আমাদের কাজ হচ্ছে বলে মনে করতে হবে । দ্বীনের সবটুকু কাজই আমাদের পক্ষে করা সম্ভব নয় । দ্বীন কায়েম হলে সরকারী উদ্যোগে ও পৃষ্ঠপোষকতায় সব রকম কাজই জনগণকে দিয়ে করান যাবে । কিন্তু পূর্বে অন্যদের দ্বারাও অনেক কাজ হওয়া প্রয়োজন ।"

এক বৈঠকে ঈমানদার ও সৎলোক তৈরীর গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে মাদ্রাসা, খানকাহ ও তাবলীগের মাধ্যেমেও নেক লোক তৈরী হচ্ছে বলে মন্তব্য করলে তিনি বললেন, " এসব ঈমানদার লোক যারা তৈরী করছেন তারা যদি সমাজব্যবস্হা পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে তাদের মন-মগজ গড়ে তুলতেন তাহলে এরা সহজেই ইকামাতে দ্বীনের মুজাহিদে পরিণত হতেন । কিন্তু শুধু ব্যাক্তি জীবনে যারা সৎ হয়ে গড়ে উঠেন তারা বাতিল সমাজব্যবস্হারই দিয়ানতদার খাদেমে পরিণত হতে বাধ্য ।

এ জাতীয় লোক ঘুষ খাবেনা, অন্যায় করবেনা, যুলুম করবেনা -- এ কথা ঠিক । তারা যেখানেই কাজ করবে ইখলাসের সাথে আনুগত্য করবে । সুদী ব্যাংকে চাকুরী করতে নিষ্ঠার পরিচয় দেবে, কিন্তু সুদ-বিহীন ব্যাংক ব্যবস্হা চালু করার চিন্তা করবেনা । বাতিল সমাজ ব্যবস্হা তাদের নিঃস্বার্থ খেদমত পায় । তারা এর বিদ্রোহী হবার প্রয়োজন বোধ করেন না । সমাজ ব্যবস্হা পরিবর্তনের মন-মানসিকতা যদি সৃষ্টি করা হতো তাহলে এতগুলো সৎ ও মুখলিস লোক ইকামাতে দ্বীনের সংগ্রামে আত্ননিয়োগ করলে বাতিল সমাজব্যবস্হা কবেই উৎখাত হয়ে যেতো । আফসোসের বিষয় যে, এ দৃষ্টি ভঙ্গির অভাবে আল্লাহর নেক বান্দাহ , বাতিল নেযামের দিয়ানতদ্বার খাদেমের ভূমিকা পালন করতে বাধ্য হচ্ছেন ।

আমার অভিজ্ঞতা থেকে বললাম," তাবলীগ জামায়াতে এজতেমায়ী দোয়ায় যেভাবে আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করা হয় এর মধ্যে এমন এক রূহানী স্বাদ পাওয়া যায় যা আমাকে প্রথমেই আকৃষ্ট করেছিল । " একথার উপর মাওলানা মন্তব্য করলেন, "আল্লাহর সাথে বান্দাহর যে রূহানী সম্পর্ক তা কাতরভাবে দোয়া করার দ্বারা অবশ্যই ঘনিষ্ঠ হয় । এ আকর্ষণও স্বাভাবিক । কিন্তু আল্লাহর যমীনে আল্লাহর খিলাফত কায়েমের দায়িত্ব পালন হলো আল্লাহর বান্দার আসল কাজ । এ কাজ করতে গিয়ে বাতিলের নির্যাতনের শিকার হলে মাবুদের সাহায্য চেয়ে যে কাতর আবেদন জানানো হয় এর স্বাদ আরও বেশী ।

মানুষের মনগড়া আইন ও শাসন উৎখাত করে আল্লাহর আইন ও সৎলোকের শাসন কায়েমের চেষ্টাই হলো সত্যিকারের অর্থে জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ । এ মহান দায়িত্ব পালনের উদ্দেশেই নবী ও রাসূলগণ আপ্রাণ চেষ্টা করে গেছেন । এ কাজে পদে পদে যে বাধা রয়েছে এবং এতে তাগুতের সাথে যে সংঘর্ষ বাধে তখন আল্লাহর দরবারে ধরণা দিয়ে যে চোখের পানি ফেলা হয় তা কলিজার রক্ত পানি হয়ে বের হয় । ঐ কঠিন দায়িত্বের বোঝা মাথায় না নিয়ে শুধু গুনাহ মাফের জন্য ও জান্নাত লাভের ইচ্ছা নিয়ে কান্নাকটি করা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যথেষ্ট নয় । যেমন গায়ে পাচড়া হলে চুলকাতে বড়ই মজা লাগে । কিন্তু এ দ্বারা পাচড়া ভাল হয়না । পাঁচড়া দূর করতে হলে সুচিকিৎসার প্রয়োজন ।"

তাবলীগ জামায়ত প্রসঙ্গে একবার কথা উঠল যে, তাদেরকে চীন-রাশিয়ার মতো দেশেও যেতে বাধা দেয়া হয়না । কারণ এটুকু ইসলামে তাদেরও আপত্তি নেই । একথা শুনে মাওলানা বললেন,"কলেমার যেটুকু বীজ তারা ছড়াচ্ছেন এক সময় সে বীজ থেকেও ইসলামী আন্দোলনের গাছ জন্ম নিতে পারে । যেসব দেশে প্রকাশ্যে ইসলামী আন্দোলন করতে দেয়া হয় না সেখানে তাবলীগ জামায়াত যদি দ্বীনের বীজ ছিটিয়ে দেন তা অবশ্যই বড় খেদমত । দ্বীনের জন্য যার পক্ষে যতটুকু করা সম্ভব ততটুকুর স্বীকৃতি দেয়া উচিত । দ্বীনের দাওয়াত যারাই দেন তাদের মধ্যে কুরআনের খবর অবশ্যই পোছে । তাই কুরআনে এক সময় পূর্ণ দ্বীনের খবরও তারা পাবে ।"

উৎসঃ মাওলানা মওদুদীকে (রঃ) যেমন দেখেছি । অধ্যাপক গেলাম আযম ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29340508 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29340508 2011-03-08 14:52:55
মানব জীবন এক অনিশ্চিত পথ যাত্রা । ধর্ম ছাড়া মানুষের কোন মুক্তি নাই ।
বয়সের উপর নির্ভর করে মানুষের মন কেমন হবে । শিশুকালে আমার যে মন ছিল , তা কৈশোরে পরিবর্তন হয়ে যায়, বর্তমানে যৈাবনে আবার অন্যরকম । শরীরটা যেমন অনেকটা বংশ গতির উপর নির্ভর করে হয়, মনটা ও কি তাই হয় ? না । মন হয় পারিপার্শ্বিক পরিবেশের প্রভাবে । আবার একই পরিবেশে বড় হয়েও দুই ভাইয়ের মন এক হয়না , এর কি কারণ ? সুতরাং এখানেও একটা থিওরী কাজ করে ।


যৈাবন পেরিয়ে বৃদ্ধ , এক নিংসঙ্গ সময় , বড় অসহায় ও দু সহ সময় ....মৃত্যুর অপেক্ষা !!! মৃত্যু কি ? এ কি জীবনের শেষ ?

পৃথিবীর কোন মানুষ মৃত্যুকে ঠেকিয়ে রাখতে পারেনি পারবেনা , মৃত্যু অবধারিত । বুকের এই ঢিপ ঢিপ এক সময় বন্ধ হবেই ...যতই মহাকাশ সার্চ করো, কোথাও কেউ নাই... পৃথিবী ছাড়া মানুষের কোথাও যাওয়ার স্হান আছে কি ?

সুতরাং মানব জীবনের অবসান হবেই.......শেষ হবেই...সুতরাং আমাদের কি উচিত হবেনা মৃত্যুকে মেনে নিয়ে এ নশ্বর পৃথিবীতে হানা হানা মারামারি না করে অল্প যে কয়টা দিন বাচি একটু সবাইকে নিয়ে ভালোভাবে বাচা ?

ধর্ম ছাড়া মানুষের এই আসা ও যাওয়ার প্রশ্নের উত্তর আর কিছু দিতে পারে কি ? আর যে মানুষ মনে করে এই প্রশ্নের কোন উত্তর নাই সে কি বুঝে প্রশ্ন করার যার ক্ষমতা আছে তার উত্তর পাওয়ারও সম্ভাবনা আছে ? আর যে এ প্রশ্ন নিয়ে মাথা ঘামায়না তার সাথে পশুর কি পার্থক্য আছে কি ? দেহটা ছাড়া ? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29329299 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29329299 2011-02-18 17:44:30
কাদের কারণে সন্ত্রাসের এত বিস্তার এবং কেন শান্তির ধর্ম ইসলাম আজ বিশ্বে অশান্তির প্রতীক ?

কে সন্ত্রাসের সূচনা করল ? কাদের কারণে সন্ত্রাসের এত বিস্তার এবং কেন শান্তির ধর্ম ইসলাম আজ বিশ্বে অশান্তির প্রতীক ? এর অর্ন্তনিহিত রহস্য কয় জনে উপলব্ধি করতে পারে ?

আজকের ইত্তেফাকের খবর ...খনিজ সম্পদের উপর ভাসছে আফগানিস্তান । এক ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যের সোনা, তামা, লিথিয়াম, নিকেল ও লোহা পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে আফগানিস্তানে ।

কিছু কি আন্দাজ করতে পারছেন এর থেকে ??

আমার আগের পোষ্টটি যারা মিস করেছেন তাদের জন্য ...

"মনুষ্যবিহীন বিমান হামলা । শতাব্দীর সবচেয়ে বড় সন্ত্রাস ।"

Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29271357 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29271357 2010-11-13 16:17:30
মনুষ্যবিহীন বিমান হামলা !! শতাব্দীর সবচেয়ে বড় সন্ত্রাস


কল্পণা করেন হঠাত করে মনুষ্যবিহীন একটি বিমান আপনার বাড়ীর উপর দিয়ে উড়ে গেল এবং মিসাঈল দিয়ে আপনার বাড়িটিকে টুকরো টুকরো ধ্বংস্তুপে পরিণত করে দিয়ে গেল ।এরূপ প্লেনের কোন পাইলট নেই , যা ১১০০০ কি.মি. এর মত দূর থেকে ভিডিও গেমস এর মত জয় ষ্টিক দ্বারা পরিচালিত ।

মনে করেন মার্কিন সেনাবাহিনী আপনার একমাত্র আবাসস্হল বাপ দাদার ভিটাকে ধ্বংস করার জন্য এই বিমান প্রেরণ করেছিল । এরূপ মিসাঈলের আঘাতে একটি এলাকার এক সাথে কয়েকটি বাড়ী ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয় । প্লেনের মিসাঈলের আঘাতে আপনার পরিবারের সকল সদস্য ও প্রতিবেশীর সদস্য সহ অনেকে জীবন্ত পূড়ে কয়লায় পরিণত হয় ।



আপনি ঘরে না থাকায় ভাগ্যগুণে বেচে যান । কি কারণে তারা আপনাকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করল এবং আপনাকে হত্যা করতে গিয়ে এত বাড়ী ধ্বংস এবং এতগুলো নিরীহ নারী পুরুষ ও শিশুকে হত্যা করল, তারা এর কোন কারণ বা ব্যাখ্যা দিল না কারো কাছে ।



কেউ কিছূ বলতেও অস্বীকার করল। এমনকি মার্কিন সেনাবাহিনী এটাও স্বীকার করল না যে এটা তাদের-ই পাঠানো বিমান । সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর থেকে খবর পেয়ে বা যে কোন উতস থেকে সংবাদ পেয়ে মার্কিন সংবাদ পত্রে এই খবর প্রকাশিত হলো যে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে একজন সন্দেহবাদী সন্ত্রাসীকে হত্যা করার জন্য পার্শ্ববর্তী একটি দেশের ঘাটি থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আক্রমণ করা হয়েছে । বাংলাদেশ সরকারের এত বড় বুকের পাটা নেই যে মার্কিন সরকারের কাছে এর জবাবদিহি চাইবে ।

আপনাদের কাছে মনে হতে পারে যে এটা একটা ছবির কাহিনী । বাস্তবে আধুনিক বিশ্বে এও কি সম্ভব ?? কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও এটাই সত্য । পাকিস্তানে ও গাজায় এরূপ আক্রমণ এখন নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা । ২০০৯ সালে এরূপ মনুষ্যবিহীন বিমানের আক্রমণে পাকিস্তানে ৭০০ নিরীহ সিভিল নারী, পুরুষ ও শিশু হত্যা করা হয় । এমনকি গত বন্যার সময় এই আক্রমণ বাড়িয়ে দেয়া হয় । যদিও মিডিয়ায় ফলাও করে আমেরিকার সাহায্য পাঠানোর হেলিকাপ্টার দেখানো হয় আর বলা হয় তালেবানরা আমেরিকার সাহায্য নিতে নিষেধ করেছে , আর এ অভাবের সুযোগ নিয়ে রিক্রুট করছে । হায় ! দিনকে রাত ও রাতকে দিন বানিয়ে দেয়া হয়েছে । এই বিমান আক্রমণে বৈমানিকের মৃত্যুর ঝুকি না থাকায় এর উতপাদন বর্তমানে পূর্বের তুলনায় বহুগুন বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে । যা পরিণাম হবে আরো নিরীহ মানুষের মৃত্যু ।

এই প্রযুক্তি প্রথমে ইসরাঈল উদ্ভাবন করে । যা দিয়ে তারা নিয়মিত গাজায় আক্রমণ চালায় । গাজা অধিবাসী অনেকে ই চোখের সামনে মা, বোন , বাবা ও ভাই এর বীভতস লাশ দেখে প্রতিশোধ র্স্পৃহাহ গুমরে মরে আর মৃত্যু ভয় ভুলে জিহাদের খাতায় নাম লেখায় ।



এই জিহাদ-ই হল পশ্চিমাদের চোখে সন্ত্রাস । প্রতিদিন এভাবে পুতুলের মত মানুষ হত্যা মিডিয়ায় আসে না । কিন্তু তালেবান কোথায় কোন মেয়েকে বেত মারল, নাক কেটে দিল, ইরান কাকে পাথর ছুড়ে হত্যা করল এবং কোথায় বোমা পাওয়া গেল তা নিয়ে সমস্ত পশ্চিমা মিডিয়ায় হইচই পড়ে যায় । সবাই ধিক্কার জানায় । যদিও প্রকৃত অপরাধী <img src=" style="border:0;" /> এভাবে অট্টহাসি হাসে আর আড়ালে থেকে যায় ।

কে সন্ত্রাসের সূচনা করল ? কাদের কারণে সন্ত্রাসের এত বিস্তার এবং কেন শান্তির ধর্ম আজ বিশ্বে অশান্তির প্রতীক ----এর অর্ন্তনিহিত রহস্য কয় জনে উপলব্ধি করতে পারে ?



...........এর শেষ কি কোন দিন হবে ? কিভাবে হবে ?

সুত্র: দি আষ্ট্রেলিয়ান উইক এন্ড নিউজ, ৩০-৩১ অক্টোবর - ২০১০]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29270878 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29270878 2010-11-12 18:10:04
আমার একটি প্রশ্ন ? প্রত্যেক ধর্মের স্রষ্টা কি আলাদা না এক স্রষ্টাকেই বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বিভিন্ন নাম নিয়ে ডাকে ?
......হিন্দুদের ঈশ্বর, ইহুদীর প্রভূ, খ্রীষ্টানদের গড আর ইসলাম ধর্মের আল্লাহ কি এক স্রষ্টা নন ? নাকি চার ধর্মের চার জন খোদার অস্তিত্ব আছে ?












মানুষ কি এটা নিয়ে চিন্তা করে ? সব ধর্ম মিলে এক স্রষ্টাকে মানতে আপত্তি কোথায় ?

পবিত্র কুরআন বলে,

"এসো, আমাদের এবং তোমাদের মাঝে একটি সাধারণ বিষয়ে ঐক্যমতে পৌছি । সাধারণ ঐক্যমতের বিষয় এই যে, আমরা আল্লাহ ছাড়া আর কারো ইবাদত করি না । " (৩ঃ৬৪)


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29260621 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29260621 2010-10-24 17:50:15
সনাতন বা হিন্দু ধর্মে একত্ববাদ !

আর্য ধর্মসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বড় ও বেশি জনসংখ্যা বিশিষ্ট ধর্ম হচ্ছে হিন্দু ধর্ম । প্রকৃত পক্ষে "হিন্দু" একটি পারস্য শব্দ এবং হিন্দু শব্দ দ্বারা সিন্ধু উপত্যাকা এলাকার অধিবাসীদের বুঝানো হত । বর্তমানে প্রচলিত অর্থে হিন্দু একটি সাধারণ ধর্মের নাম যার আওতায় অনেক শ্রেনীর ও অনেক বর্ণের বিভিন্ন বিশ্বাস আছে , যাদের অধিকাংশের ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিত্তি হচ্ছে বেদ, উপনিষদ এবং ভগবত গীতা ।

হিন্দু ধর্মে ঈশ্বরের সাধারণ ধারণাঃ
হিন্দু ধর্ম সাধারণভাবে বহু ঈশ্বরবাদী ধর্ম হিসেবে পরিচিত ।অধিকাংশ হিন্দুই এ কথার সত্যতা স্বীকার করেন এবং অসংখ্য দেবতার অস্তিত্বের বিশ্বাসের মাধ্যমে এ স্বীকৃতি প্রকাশ প্রকাশ করেন । কোন কোন হিন্দু ত্রয়ী ঈশ্বর তত্ত্বে বিশ্বাস করেন । তবে শিক্ষিত হিন্দু যারা তাদের ধর্মগ্রন্হ ভালোভাবে অধ্যয়ন করেছেন তারা জোর দিয়ে বলেন যে, একজন হিন্দুর উচিত একজনমাত্র ঈশ্বরে বিশ্বাস করা এবং তাঁর উপাসনা করা ।

পবিত্র কুরআন বলে,

"এসো, আমাদের এবং তোমাদের মাঝে একটি সাধারণ বিষয়ে ঐক্যমতে পৌছি । সাধারণ ঐক্যমতের বিষয় এই যে, আমরা আল্লাহ ছাড়া আর কারো ইবাদত করি না । " (৩ঃ৬৪)

এখানে সাধারণ ঐক্যমতের কথা হয়েছে যে, আমরা আল্লাহ (একমাত্র ঈশ্বর/স্রষ্টা) ছাড়া আর কারো ইবাদত করি না ।

ভগবত গীতা

হিন্দুদের সকল ধর্ম গ্রন্হের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত ও জনপ্রিয় ভগবতগীতা । গীতার নিম্নলিখিত শ্লোকটি বিবেচনা করে দেখুনঃ

" তারা, যাদের জ্ঞান-বুদ্ধি বস্তুগত আকাংখার দ্বারা বিলুপ্ত হয়েছে, বিভিন্ন উপদেবতার কাছে আত্নমর্পণ করে এবং নিজেদের প্রবৃত্তির দ্বারা চালিত হয়ে উপাসনার বিশেষ নিয়মনীতি অনুসরণ করে । "

এখানে গীতা বস্তবাদী লোকদের সম্পর্কে উল্লেখ করেছে যারা বস্তুবাদী এবং প্রকৃত ঈশ্বর বাদ দিয়ে অন্য উপ-দেবতার উপাসনা করে ।

উপনিষদসমূহঃ

১. "একমেবা দ্বিতীয়াম"
"তিনি এক একক, যাঁর কোন দ্বিতীয় নাই ।" [চান্দোগ্য উপনিষদ ৬ঃ২ঃ১]

২. উপনিষদের নিম্নের শ্লোকটিও দেখুনঃ
"ন-কস্য কাসুজ জানিতা ন কাধিপাহ"
"তাঁর কোন পিতা-মাতা নাই, কোন প্রভুও নাই ।"
[সেভতাসাভাতারা উপনিষদ ৬,৯, দ্বিতীয় ভাগ, পৃষ্ঠা ২৬৩]

৩.উপনিষদের আরো শ্লোক দেখুনঃ
"ন তস্য প্রতিমা আসাতি"
"তার সমতুল্য কেহ নাই"
[সেভতাসাভাতারা উপনিষদ, অধ্যায় ৪ঃ১৯]

"নৈনম উরধভাম ন তিরানকাম ন মাধ্য ন পারিজাগ্রাভাত না তাসি প্রতিমে আস্তি যস্যনামা মাহাদ যাসাহ"

"তার সমতুল্য কেউ নাই, যার নাম মহা গৌরবের ।"
(এস. রাধা কৃষ্ঞান The principal Upanishad, কৃত পৃ.৭৩৬ এবং ৭৩৭)

উপনিষদের উপরোল্লিখিত শ্লোকসমূহ কুরআনের নিম্নোক্ত আয়াতসমুহের সাথে তুলনা করে দেখুন ।
" এবং তার সমকক্ষ আর কেউ নাই ।" [আল-কুরআন-১১২ঃ৪]
"তার সমতুল্য আর কেউ নেই ।" [আল-কুরআন-৪২ঃ১১]

৪. ঈশ্বরকে কোন বিশেষ আকারে কল্পনা করার বিষয়ে উপনিষদের নিম্নোক্ত শ্লোকসমূহে মানুষের অক্ষমতা তুলে ধরা হয়েছেঃ

" না সমুদ্রসে তিস্হাতি রুপম অ্যাস্যা, ন কাকসুসা পাস্যতি কাস ক্যানাইয়াম । হ্রদা হ্নদিস্হাম মানাসা য়া এনাম, এভাম ভিদুর আমর্তাস তে ভবন্তি ।"

"তার আকার বা রুপ দেখা যায় না; কেউ তাকে চোখ দিয়ে দেখতে পারেনা । যারা হৃদয় এবং মন দিয়ে তাকে হৃদয়ে উপলব্ধি করে, তারাই অমর হয় ।" [সেভতাসাভাতারা উপনিষদ, অধ্যায় ৪ঃ২০]

পবিত্র কুরআনে এই রুপ বিষয় নিম্নোক্ত আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছেঃ
"কোন দৃষ্টি তাকে দেখতে পারেনা , কিন্তু তাঁর দৃষ্টি সবার উপরে । তিনি সকল উপলব্ধির উপরে, অথচ তিনি সকল জিনিসের বিষয়ে অবগত ।" [আল-কুরআন-৬ঃ১০৩]

বেদঃ

হিন্দু ধর্ম গ্রন্হসমূহের মধ্যে বেদকে সর্বাপক্ষো পবিত্র ধর্মগ্রন্হ বিবেচনা করা হয় । প্রধান বেদ ৪টি । যথা- ঋগ বেদ, যজুর্বেদ, সাম বেদ এবং অথর্ব বেদ ।

১. যর্জুবেদঃ
" ন তস্য প্রতিমা আস্তি"
"তার কোন আকার নাই " [যজুর্বেদ,৩২ঃ৩]

এতে আরো বলা হয়েছে" তিনি অজাত, তাই তিনি আমাদের উপাসনার অধিকারী ।"

"তার কোন আকার নেই, নিশ্চয়ই তার গৌরব বিরাট । তিনি তার ভিতর ধারণ করেন সকল উজ্জ্বল বস্তু । আমার প্রার্থনা তিনি যেন আমার ক্ষতি না করেন । তিনি অজাত, তিনি আমাদের উপাসনার অধিকারী ।" [যর্জুবেদ,by Devi Chand পৃ.৩৭৭]

"তার কোন অংশীদার নেই এবং তিনি পবিত্র ।" [যর্জুবেদ,৪০ঃ৮]

"তিনি উজ্জ্বলতায় সমাসীন । তিনি অমূর্ত নিরাকার, শরীর-বিহিন এক পবিত্র সত্তা, যাকে কোন অশুভ ভেদ করে নাই । তিনি সুদূরদর্শী, প্রজ্ঞাময়, সর্বব্যাপী সয়ম্ভু, যিনি যথার্থভাবে অনন্ত সময়ের জন্য লক্ষ্য সুনির্দিষ্ট করেছেন ।" [যর্জুবেদ-৪০ঃ৮]

" আন্ধাতামা প্রাভিশান্তি ইয়ে অসম্ভূতি মুপাসতে" ।
"তারা অন্ধকারে প্রবেশ করে, যারা প্রাকৃতিক বস্তুসমূহের (আগুন,পানি ইত্যাদি) পূজা করে, তারা মহাঅন্ধকারে প্রবেশ করে যারা সৃষ্টি বস্তু (যেমন-পাথর বা মাটি দ্বারা তৈরী) পূজা করে " [৪০ঃ৯]

২. অথর্ব বেদঃ
"দেব মাহা ওসি"
"ঈশ্বর নিশ্চয়ই মহান " (অথর্ব বেদ-২০/৫৮ঃ৩)

" তুমি যেমন মহান, তেমনই তোমার মহত্ব প্রশংসার দাবীদার; নিশ্চয়ই তুমি মহান হে ঈশ্বর ।" (অথর্ব বেদ, সংহতি ভলিউম-২, উইলিয়াম ডিমাইট হুইটনি, পৃ.৯১০)

পবিত্র কুরআনের সূরা রাদ -এ অনূরূপ অর্থের একটি আয়াত আছেঃ
'তিনিই মহান, তিনিই শ্রেষ্ঠ ।' (আল-কুরআন-১৩ঃ৯)

৩. ঋগ বেদঃ
সকল বেদের মধ্যে ঋগ বেদ প্রাচীনতম । হিন্দু ধর্মাবলম্বীগণ ঋগ বেদকে সবচেয়ে পবিত্র বিবেচনা করেন । ঋগ বেদে উল্লেখ আছে,
"বিজ্ঞ পুরোহিতগণ এক ঈশ্বরকে বহু নামে ডাকেন " [ঋগ বেদ-১ঃ১৬৪ঃ৪৬]

"মা চিদান্যাদভি শাংসাতা "
"হে বন্ধুগণ, সেই একমাত্র ঐশী সত্তা ছাড়া আর কারো উপাসনা করো না ।"
[ঋগ বেদ সংহিতি, ভলিউম-১১, পৃষ্ঠা ১ও ২ । স্বামী সত্য প্রকাশ স্বরস্বতি এবং সত্যকাম বিদ্যালংকার ।]

" জ্ঞানী যোগিরা তাদের হৃদয় ও মন দিয়ে সে সর্বোচ্চ সত্তার ধ্যান করেন যিনি সর্বত্র বিরাজিত, মহান এবং সর্বজ্ঞ । একমাত্র তিনি তাদের কাজ সম্পর্কে অবহিত বিধায় সকল ইন্দ্রিয় অঙ্গ-প্রতঙ্গকে তাদের নিজ নিজ কাজের দায়িত্ব অর্পণ করেন । নিশ্চয়ই , শ্রেষ্ঠ গৌরব সে মহান স্রষ্টার ।" [ঋগ বেদ-৫ঃ৮১]



হিন্দু বেদান্ত সুত্র এর ব্রক্ষা সুত্রাঃ

" একাম ব্রহাম, দ্ভিতিয়া নাস্তে নেহ না নাসতে কিনচান "
"ঈশ্বর, কেবলমাত্র একজন, দ্বিতীয় কেউ নেই; কেউ নেই, কেউ নেই, মোটেই কেউ নেই ।"
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29258394 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29258394 2010-10-20 17:54:37
পবিত্র বেদের বাণী সূমহ- পূজায় হিন্দু ভাইদের প্রতি উতসর্গ
বেদের আস্তিকতা সহজ সরল নির্ভেজাল একেশ্বরবাদে বিশ্বাস । প্রভূ একক, অদ্বিতীয় এবং সর্ব শক্তিমান । দৃশ্যমান সকল শক্তির পেছনে রয়েছে তারই মহাশক্তি । সকল আলোর নেপথ্যে রয়েছে তার-ই মহাজ্যোতি । অঙ্গের নড়াচড়ায় মানবদেহে আত্নার উপস্হিতি যেমন স্বীকৃত হয়, তেমনি স্রষ্টার সৃষ্টির সুপরিকল্পিত গতিশীলতার দিকে তাকালেই মহাশক্তিমান প্রভূকে আমরা উপলব্ধি করতে পারি । ---স্বামী সত্যপ্রকাশ সরস্বতী ।

১. সদা-সর্বত্র বিরাজমান তন্দ্রা-নিদ্রাহীন সদা সজাগ প্রতিনিয়ত করূণা বর্ষণকারী সর্বশক্তিমান হে প্রভূ ! আমরা শূধু তোমারই মহিমা স্বরণ করি, তোমারই জয়গান গাই । প্রভূ হে ! আমাদের সর্বোত্তম আত্নিক পথে, আলোকিত পথে পরিচালনা করো । আমরা যেন সব-সময় সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকে অনূধাবন করতে পারি । [ঋগবেদঃ ৩.৬২.১০]

২. সত্যজ্ঞানী তিনিই, যিনি জানেন প্রভূ এক এবং অদ্বিতীয় । তিনি সর্বশক্তিমান এবং সর্ব বিষয়ে একক ক্ষমতার অধিকারী । প্রাণ এবং নিষ্প্রাণের সব-কিছুই তার নখদর্পণে । সকল ক্ষমতার কেন্দ্র তিনি একক অনন্য । [অথর্ব বেদঃ ১৩.৫.১৪-২১]

৩. স্বর্গীয় জ্যোতি ও আনন্দ উপলব্ধির প্রতীক 'ওম' স্পাপিত হোক তোমার হৃদয়ে অনন্তকালের জন্য । [যর্জুবেদঃ ২.১৩ ]

৪. মহাপ্রভূর দৃষ্টিতে কেউই বড় নয়, কেউই ছোট নয়, সবাই সমান । প্রভূর আর্শীবাদ সবারই জন্য । [ঋগবেদঃ ৫.৬০.৫]

৫. হে নেতা ! হে পুরোধা ! ঈশ্বরের গুণাবলীতে গূণান্বিত হও । [যর্জূবেদঃ ১.১৮]

৬. বিশ্বাসীর হৃদয়েই প্রভূ বসবাস করেন । আমাদের দেহই হোক প্রভূর মন্দির । আমরা যেন চিরদিন তাঁর সত্যিকারের দাস হিসেবে থাকতে পারি । আমাদের জীবনের সকল অর্জন তার চরণে সমর্পণ করতে পারি । [ঋগবেদঃ ১.৯১.১৩]

৭. অলস মস্তিস্ক কু-চিন্তার সহজ শিকার । [ঋগবেদঃ ১০.২২.৮]

৮. মন চলে যায় আকাশে, পাতালে, পাহাড়ে, সাগরে । মনকে নিয়ে আসো নিজেরই অন্তরে, যেন তা থাকে তোমারই নিয়ন্ত্রণে । [ঋগবেদঃ ১০.৫৮.২]

৯. স্রষ্টা প্রেমের অমিয়ধারা প্রবাহিত হোক আমাদের অন্তরে, আমাদের শিরায় শিরায় । তাহলেই আমরা সকল প্রতিকূলতার মুখোমুখি দাড়াতে পারব প্রশান্ত হৃদয়ে । [ঋগবেদঃ ৮.৩২.১২]

১০. হে নেতা ! হে পুরোধা ! পাহাড়ের মত দৃঢ় ও অজেয় হও । কর্তব্য পালনে সব-সময় অবিচল থাকো । [যজূর্বেদঃ ১২.১৭]

১১. যারা সৎপথে কঠোর পরিশ্রম করেন এবং পরস্পরকে সহযোগিতা করে তাদেরকেই প্রভূ সাহায্য করেন । [ঋগবেদঃ ৪.২৩.৭]

১২. সৎকর্ম মানুষকে দৃঢ় ও সাহসী করে । দেহ মনকে রোগ ও পাপ থেকে মুক্ত রাখে । সকল প্রতিকূলতার ওপর বিজয়ী করে । [ঋগবেদঃ ৫.১৫.৩]

১৩. হে মানুষ স্বনির্ভর হও ! বাইরের সাহয্যের দাসে পরিণত হয়ো না । [যর্জুবেদঃ ৬.১২]

১৪. হে মানুষ ! উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে আন্তরিকতার সাথে পরিশ্রম করো । দারিদ্রতা ও অসুস্হতা তোমার কাছ থেকে পালিয়ে যাবে । [অথর্ববেদঃ ৬.৮১.১]

১৫. কখনো জুয়া খেলবে না । পরিশ্রমলব্ধ সম্পদ ভোগ কর ও পরিতৃপ্ত থাকো । পরিশ্রমলব্ধ সম্পদই সত্যিকারের সুখ দিতে পারে । [ঋগবেদঃ ১০.৩৪.১৩]

১৬. জীবনের প্রতিটি স্তরে সব ধরনের ঋণ থেকে মুক্ত থাকো । [অথর্ববেদঃ ৬.১১৭.৩]

১৭. হে নেতা ! হে পুরোধা ! নির্ভীকভাবে সত্য ভাষণের নৈতিক শক্তিতে তোমাকে বলীয়ান হতে হবে । [ঋগবেদঃ ৮.৪৮.১৪ ]

১৮. হে প্রভূ ! আমাদের সর্বোত্তম সম্পদ দান করো; দান করো কালজয়ী মন, আত্নিক সুষমা, অনন্ত যৈাবন, আলোকজ্জ্বল রূপ আর মধুর বচন । [ঋগবেদঃ ২.২১.৬]

১৯. স্বনির্মিত সহস্র শৃংখলে মানুষ-ই নিজেকে বন্দী করে রেখেছে । [ঋগবেদঃ ৫.২.৭]

২০. হে মানুষ ! ওঠো! দাড়াও ! পতিত হওয়া তোমার স্বভাবজাত নয় । জ্ঞানের আলোকবর্তিকা শুধুমাত্র তোমাকেই দেওয়া হয়েছে যা দিয়ে তুমি সকল অন্ধকূপ এড়িয়ে যেতে পার । [অথর্ববেদঃ ৮.১.৬]

২১.আদিতে তিনি-ই ছিলেন । সৃষ্টির সবকিছুর উৎসও তিনি-ই । সমগ্র অস্তিত্বের তিনি-ই প্রভূ । আকাশ ও ভূ-মন্ডলে বিরাজমান সবকিছূর তিনি-ই লালনকারী । অন্য কারো কাছে নয়, শুধুমাত্র সেই মহাপ্রভূর কাছেই আমাদের সবকিছূ সমর্পন করছি । [অথর্ববেদ- ৪.২.৭]

উৎসঃ পন্ডিত সত্যকাম বিদ্যলংকার -এর ইংরেজী অনুবাদ The Holy Vedas থেকে কিছু বাণীর সরল বাংলা মমার্থ । প্রকাশিত হয় -কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন দ্বারা ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29255882 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29255882 2010-10-16 09:41:04
বিবর্তন বাদ !! আর কত মানুষকে বোকা বানাবে ???

১. প্রথমে দেখি বিবর্তনবাদ নিয়ে স্বয়ং ডারউইন কী বলেছেন। যারা ডারউইনের অরিজিন অব স্পিসিস বইটা পড়েছেন তারা জানেন এ বইয়ের ৬ষ্ঠ অধ্যায়ের নাম ’ ডিফিকালটিস অন থিওরী’। অর্থাৎ বিবর্তনবাদ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কী কী ব্যাখ্যাতীত সমস্যা রয়েছে তা আলোচনা করেছেন। ডারউইনের আশা ছিল ভবিষ্যতে হয়তো এসব ব্যাপারের ব্যাখ্যা মিলবে, কিন্তু যতই দিন গেল এসব সমস্যা আসলে ততই প্রকট হল,সেসব সমস্যার সমাধান আজ পর্যন্ত হয় নি। ডারউইন পরবর্তীতে নিজেই উপলব্ধি করলেন তার থিওরীতে এত বিভ্রান্তি রয়েছে যে সেসব থেকে বের হয়া যাবে না, তিনি তার বন্ধুদের কাছে বিভিন্ন চিঠিতে লেখেন- তিনি দিন দিন তার থিওরীর উপর আস্থা হারাচ্ছেন

ডারউইনের ছেলে ফ্রান্সিস ডারউইন ডারউইনের চিঠিপত্র সংকলন করে বই প্রকাশ করেন -লাইফ অ্যান্ড লেটারস অব চার্লস ডারউইন- সেখানে দেখা যায় অধিকাংশ নিকট বন্ধু ও বিজ্ঞানীদের কাছে লেখা চিঠিতে ডারউইন তার থিওরী নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন । তিনি হার্ভাড ইউনিভার্সিটির বায়োলজির প্রফেসর অ্যসা গ্রে কে এক চিঠিতে লেখেন-আমি চিন্তিত যে আমার কাজ গুলো সত্যিকারের বিজ্ঞান থেকে অনেক দূরে চলে যাচ্ছে। (তথ্যসূত্র ২,৩)



২. ফ্রেঞ্চ একাডেমী অব সায়েন্স এর একসময়কার প্রেসিডেন্ট পি পি গ্রাসে বিবর্তনবাদ নিয়ে লেখা-ইভলিউশন অব লিভিং অরগানিজমস-বইয়ের লেখক,

তিনি বলেছেন- আজ আমাদের কর্তব্য বিবর্তনবাদের রূপকথাকে ধ্বংস করে ফেলা..বিবর্তনবাদের এ প্রতারণা কখনো অজান্তেই হচ্ছে আবার কিছু দল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এর অবাস্তবতা অস্বীকার করছে।(তথ্যসূত্র ৪)



৩. এটা তাৎপর্যপূর্ণ যে ছাত্রাবস্থায় আমি যত বিবর্তনবাদের ব্যাপারে জেনেছি..এখন তার সবই তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছি।-বলেছেন প্রফেসর ডেরেক অ্যাজের , সাবেক প্রেসিডেন্ট অব ব্রিটিশ অ্যাসেসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্চমেন্ট অব সায়েন্স এবং সোয়নসী ইউনির্ভাসিটির জিওলজি ও ওশানোগ্রাফি বিভাগের প্রধান। (তথ্যসূত্র ৫)


৪. পল লেমোনি, প্যারিসের ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিষ্ট্রি এর সাবেক ডিরেক্টর বলেছেন-
ইভোলিউশন থিওরী আজ পুরো পৃথিবীতে ছাত্রদের শেখানো হচ্ছে অথচ জুলজি, বোটানি প্রভৃতি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ গণ এ বিষয়ে একমত যে বিবর্তনবাদের কারও কাছে কোন সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই।...এর ফলাফল বলে যে ইভোলিউশন থিওরী সম্পূর্ন অসম্ভব।(তথ্যসূত্র ৬)

৫. কোষ জেনেটিকসের অধ্যাপক ফ্রান্সিস জ্যাকব,১৯৬৫ সালে যিনি মেডিসিনের গবেষণার জন্য নোবেল প্রাইজ পেয়েছিলেন তিনি বলেছেন- বিবর্তনের ক্রিয়ার মাধ্যমে কোন বিশেষ বিষয়ের সিদ্ধান্তে আসতে আমরা অসমর্থ।(তথ্যসূত্র ৭)


৫. ডা. কলিন প্যার্টাসন একজন বিবর্তনবিদ এবং প্যালিয়নটোলজিস্ট ( জীবাশ্মবিদ), তিনি লন্ডন ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের কিউরেটর এবং মিউজিয়ম জার্নালের সম্পাদক, বিবর্তন নিয়ে তার লেখা একাধিক বই আছে, তার বিখ্যাত বই -ইভলিউশন।

১৯৮১ সালে তিনি তার Evolution and Creationism: Can You Tell Me Anything About Evolution?

বইতে লেখেন-গত বছর আমার হঠাৎ উপলব্ধি হল গত বিশ বছর ধরে আমি বিবর্তন নিয়ে কাজ করেছি,অথচ এ নিয়ে আমার কাছে একটাও প্রমাণ নেই। এটা আমাকে হতবিহ্বল করে দিল যে কী করে মানুষ এতটা দিন ভুল পথ ধরে এগিয়েছে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29232475 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29232475 2010-08-30 18:19:00
সকল মানব জাতি এক মানুষ এর বংশধর
Spencer Wells এর দলের গবেষণা যা National Geographic Society এবং IBM যৌথ সহায়তায় পরিচালিত হচ্ছে । উনারা ২০০৫ সাল থেকে ৫২,০০০ ডি.এন.এ স্যাম্পল সংগ্রহ করেছেন পৃথিবীর বিভিন্ন আদিবাসী থেকে । এছাড়াও পৃথিবীর ৩,৩০,০০০ লোক যারা নিজেরা অংশগ্রহণ করেছেন এ গবেষণায় ।

Wells started university at age 16 and wound up in the forefront of population genetics.

He worked with leading teams at Harvard, Stanford and Oxford universities in the 1990s, as population genetics was starting to have a big influence on the study of human evolution.

The famous "Mitochondrial Eve" paper, in which a University of California, Berkeley team claimed to trace the genetic heritage of humanity back to a single African mother, had been published in Nature in 1987.




Wells গবেষণায় মূল উদ্দেশ্য হলো মানব জাতির বিবর্তনের সত্যতা খুজে বের করা । এছাড়াও মানব জাতির অভিগমনের রাস্তা এবং সময় বের করা , যারা ৬০,০০০ বছর আগে আফ্রিকা থেকে বের হয়ে গিয়েছিল ।

Wells এর মতে অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীরা এ গবেষণার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু- কারণ তাদের পূর্বপূরুষ হলো ৫০,০০০ বছর আগে আফ্রিকা থেকে আগত মানুষের প্রথম দিক কার দল এর বংশধর ।

সবশেষে Wells এর মতে ' আমরা আমাদের শিশুদের স্কুলে পড়াচ্ছি যে, আমরা বিবর্তনের মাধ্যমে আমাদের আর্বিভাব । কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এতে বিজ্ঞানের সত্যতা খুব কমই আছে ।
বরং এটা আমাদের বেশী প্রয়োজন তাদেরকে মানব জাতির বৈচিত্রতা বোঝানো , তাদের পিতামাতার কাছ থেকে বির্বতনের কুংসস্কার শিখার আগে ।
প্রকৃতপক্ষে আমরা সবাই একই মানব পরিবারের অংশ'

উতস- The Australian - Dec-9-2009
আরো জানতে দেখুন-

Click This Link

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29056176 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29056176 2009-12-09 20:20:28
বিজ্ঞানীদের দ্বারা প্রমাণিত স্রষ্টার অস্তিত্ব - ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইন ...বর্তমান কালে জৈব-বিজ্ঞানীরা ডারউইনের তত্ত্ব দিয়ে জীবনের উত্স বা উতপত্তি ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হওয়ায় , বিশেষ করে জীবকোষের গঠন , প্রোটিন,এমিনো এসিড এবং ডিএনএ এর উপর গবেষণা করে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, আর যাই হোক ডারউ্ইনের ন্যাচারাল সিলেকশন দিয়ে তা ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয় ।

গবেষণার মূল কথা হলো, প্রতিটি জীবকোষের গঠন খুবই জটিল । প্রতিটি জীবকোষ মেশিনের মত জটিল । কোন মেশিন তৈরী করতে যেমন ডিজাইন ছাড়া তৈরী করা সম্ভব নয়। তেমনি জীবকোষ তৈরী হয়েছে কারো না কারো ডিজাইন এর মাধ্যমে ।

ডিএন এর মধ্যে রয়েছে জীবকোষ গঠনের সূত্র, এই সূত্র ছাড়া কোন জীবকোষ গঠন সম্ভব নয় । প্রশ্ন হলো এই চার অক্ষরের লেখা সূত্র কে লিখে দিয়েছে ? ন্যাচার বলে কোন বিশেষ কারো কথা স্বীকার না করে তা আর অগ্রাহ্য করা যাচ্ছে না । এত সুন্দর জিজাইন আর এত জটিল ! তা এমনি এমনি হয়ে গেল ?

এর উপর ইউটিউবে সুন্দর ভিডিও আছে যা থেকে ধারণাটা পরিস্কার হবে । এর জন্য সার্চ করতে হবে Unlocking the Mystery of Life দিয়ে ।
এখানে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো, আগ্রহীদের সবটা দেখার জন্য অনুরোধ রইল , যা সত্যি খুব আকর্ষণীয় এবং সহজবোধ্য ।





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29028375 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29028375 2009-10-19 11:53:45
সুখ / সুখী মানুস সহজে সফল হয় ! - অষ্ট্রেলিয়ার সংবাদ পত্রের খবর

আপনি যদি কাজে কর্মে বা জীবনে সফল হতে চান তাহলে আপনাকে আপনাকে সূখী হতে হবে বা মানসিক হতাশা, দু:শ্চিন্তা কাটিয়ে ঠান্ডাভাবে পরিস্হিতি মোকাবেলা করতে হবে । গত তিন যুগের গবেষণার ফসল হল - এই তথ্য ।

মানসিক অবস্হা দক্ষতার সাথে মোকাবেলা করার মাধ্যমেই আমাদের স্বাস্হ্য, সম্পদ এবং উন্নতি নির্ভর করে ।

অন্যভাবে বলা যায় - মানুষ ষখন ভালো অনুভব করে, তখন সে কাজে -কর্মে , জীবন-যাপনে ভালো করে ।

মানুষের বাহিরের অবস্হার উন্নতি সব সময় মানুষকে সুখী করেনা । যেমন- টাকা পয়সা বেশী হলেই মানুষ বেশী সুখী হয়না, যখন মানুষের বেসিক নিডস বা একান্ত প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোর চাহিদা মিটে যায় তখন , অতিরিক্ত টাকা মানুষকে বেশী সুখ কিনে দিতে পারে না ।

গবেষণা প্রমাণিত খুব বেশী পড়ালেখা বা বুদ্ধিমান হলেও মানুষ বেশী সুখী হয় না ।

আবার, বয়স অল্প হলেও মানুষ সুখী না বরং বয়স্ক মানুষের জীবনের প্রতি চাহিদা কম এবং তারা হতাশায় কম ভোগে অল্প বয়সীদের তূলনায় ।

কোন সম্পর্কে জড়ালে কি সুখী হওয়া যায় ? এটা একটা জটিল বিষয়- কারো জন্য হতে পারে আবার কারো জন্য নয় ।

জেনেটিক্যালি কি কোন কারণ আছে সূখের পিছনে ? কেউ কেউ যে এমনি এমনি হাসি-খূশী ? ৪০০০ জমজের পিছনে গবেষণা করে প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, সুথী হওয়ার পিছনে ৫০% জেনেটিক্যাল প্রোগ্রামিং দায়ী ।

এরিষ্টটল বলেছেন- "সুখ হল কর্মের ফসল । এটা কোন হঠাত পাওয়া বিষয় নয় বা স্রষ্টার এমনি এমনি কোন দান নয় । বরং যে যত তার সূযোগগুলোর চূড়ান্ত সদ্ব্যবহার করতে পারে, সে তত সূখী হয় "

অন্যভাবে বলা যায়, আমাদের মানসিক অবস্হা প্রকৃতপক্ষে আমাদের ধারণারও বাইরে আমাদের আয়ত্ত্বাধীন ।

গবেষণায় প্রমাণিত যে, আমরা আমাদের সূখ বা অসূখী অবস্হাকে প্রভাবিত করতে পারি আমাদের চিন্তা , কর্ম, আমরা আমাদের জীবনকে কিভাবে দেখি এবং কিভাবে বিভিন্ন অবস্হার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা জীবনের প্রতি সাড়া দেই - এসবের মাধ্যমে ।

সম্প্রতি আমাদের মস্তিস্কের গবেষণায় দেখা গেছে যে, আমাদের মস্তিস্কের নির্দিষ্ট স্হান বা সার্কিট আছে যা আনন্দ, উত্তেজনা বা ভালো অবস্হায় সাড়া দেয় । আমাদের মস্তিস্কের পজিটিভ এবং নেগেটিভ আবেগ একে অপরকে সব সময় ঠেলতে থাকে । আমরা আমাদের নেগেটিভ আবেগকে দমিয়ে পজিটিভ আবেগকে ঠেলে উপরে তুলতে পারি । অন্যভাবে বলা যায়, আমরা আমাদের মনের অবস্হাকে নিজেদের চেষ্টার মাধ্যমে পরিবর্তন করার অনেক ক্ষমতা রাখি , যদিও প্রকৃত অবস্হা বা ঘটনাকে পরিবর্তন করতে না পারি ।

অন্য একটা আশ্চর্যজনক আবিস্কার হল পরিণত মস্তিস্ক ক্রমাগত উন্নত এবং পরিবর্তিত হতে থাকে চিন্তা এবং মানসিক আবগের প্রতিফলনে । সুতরাং আমরা যেমন কোন খেলা ক্রমান্বয়ে শিখতে পারি অনুরুপভাবে মানসিক আবেগকে নিয়ন্ত্রণ এবং পিজিটিভ চিন্তা করার ক্ষমতা আস্তে আস্তে বাড়াতে পারি ।

আত্নবিশ্বাস এবং আত্ননির্ভরতার মাধ্যমে আমরা তা করতে পারি । হতাশা ঝেড়ে ফেলে আশাবাদী হতে হবে । লক্ষ্য ঠিক করে তা অর্জন করার চেষ্টা করতে হবে , যা ব্রেনকে স্হির হতে সহায়তা করে ।

সূতরাং চলেন আমরা সবাই সূখী হই এবং সফল হই ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29013116 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29013116 2009-09-19 19:15:49
ইমাম মাহদী (আ) এর কথা প্রাচীন পারসিক জরাথুষ্ট্রীয় ধর্মে
উনার আগমনের কথা এবং ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠার কথা প্রাচীন জরাথুষ্ট্রীয় ধর্মে বলা হয়েছে ।

পাঠকদের দয়া করে নিম্নের লিংক থেকে পড়ে নেয়ার জন্য অনুরোধ করছি...যা সহজ ইংরেজীতে এবং সুন্দর ভাবে বর্ণনা করা হয়েছে । সময়ের অভাবে না পারায় আমি আন্তরিকভাবে দুখিত ।

....Zoroastrianism, which was widespread in ancient Persia and which became a pagan belief in Indo-European culture, dates back some 3500 years...

...According to Zoroastrian belief, someone called the Saoshyant (The Savior of the World) [Hazrat Mahdi (as)] will appear and save the world from the influence of Ahriman, namely satan by defeating him on the intellectual plane. The person described as the Saoshyant is Hazrat Mahdi (as) and in the End Times he will save the world from satan and his influence, that is to say irreligious philosophies and ideologies. The influence of Hazrat Mahdi (as) will spread across the world, and everywhere will be full of people who believe in Allah. This belief is openly expressed in Zoroastrian texts.

Click This Link



আমি আমার পূর্বের পোষ্টে এই ধর্ম সম্পর্কে আলোচনা করেছি..আগ্রহী পাঠকেরা পড়ে দেখতে পারেন..যা থেকে বুঝা যায় এই ধর্মের সাথে ইসলামের অনেকটাই মিল আছে ।

Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29004156 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29004156 2009-09-03 16:43:42
ভারতবর্ষে মুসলমানদের চেপে রাখা ইতিহাস !! - ১০ (ব্রাক্ষণদের অনাচার)
শ্রী মজুমদার আরো লেখেন - "সে যুগের স্মার্ত পন্ডিতগণ প্রামাণিক গ্রন্হে অকুন্ঠিত চিত্তে লিখিয়াছেন শুদ্রাকে বিবাহ করা অসঙ্গত কিন্তু তাহার সহিত অবৈধ সহবাস করা তাদৃশ নিন্দনীয় নয় । " [পৃষ্ঠা-১৯৩]

তিনি আরো লিখেছেন, "কঠোর জাতিভেদ প্রথা তখন ব্রাক্ষণ ও অন্যান্য জাতির মধ্যে একটি সুদৃঢ় ব্যবধানের সৃষ্টি করিয়াছিল । " [ঐ পৃষ্ঠা-২৩৮]

নিজেদের দোষ ঢাকার জন্য অপরের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দেওয়া নিঃসন্দেহে ঐতিহাসিক ভ্রান্তি । ভারতের মুসলিম অন্চলগুলোর মধ্যে কেরালায় আজ এত মুসলমান কেন ? সেখানে অস্ত্র দিয়ে বলপূর্বক ধর্মান্তর ঘটানো হয়েছে - এটা যে নিছক বাজে কথা তা আগের আলোচনায় দেখানো হয়েছে । তবুও কেরালা ও রাজস্হানের সামাজিক আলেখ্য আরো দু একটি নিয়ে আসছি ।

"কেরালার নিম্নবর্ণের প্রতি উচ্চবর্ণের অমানুষিক ব্যবহার অকল্পনীয় । রাজস্হানে এই বর্ণভেদ প্রথা যে বাংলার চাইতে কত সহস্র গুণ ভয়াবহ তা আমার স্বচক্ষে দেখা- সাধারণত নিম্নবর্ণের লোকদের বর্ণ অনুসারে পৃথক পৃথক পোশাক ও গহনা আছে এবং নিম্নবর্ণ লোকের পক্ষে এমন সাজ পোশাক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ যা উচ্চবর্ণের লোকের উপযুক্ত সাজপোশাক - ১৯৭৪ এর ডিসেম্বরে লক্ষ্য করেছি যে, শহরান্চলে কিংবা যোধপুর জেলার অর্ন্তগত বোরুন্দার মতো গ্রামে এসব বিধি বিচার শিথিল হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু ১৯৬৫তে ঐসব নিয়ম অনেক কঠোর দেখেছিলাম । ১৯৭২-এর ২৭ নভেঃ আনন্দবাজার পত্রিকাতে ব্রাক্ষণদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য উত্তর প্রদেশের এক হাজার হরিজনের বৌদ্ধধর্ম গ্রহণের খবর প্রকাশিত হয় , এর কিছুদিন পরে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উত্তর প্রদেশের বান্দাতে ধনবান ব্রাক্ষণদের সশস্ত্র আক্রমণে গ্রামসুদ্ধ হরিজনরা ঘরবাড়ি ছেড়ে শহরে এসে জেলা সমাহর্তার কাছে আশ্রয় ভিক্ষা করে - সেই সময় দিল্লি যাওয়ার পথে এলাহাবাদ থেকে যাত্রীদের মুখে শুনি । রাঁচি-চক্রধরপুর রোডে অবস্হিত বাগধাঁওয়ের মিশনারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাইকেল ভোদ্রা আমায় বলেছিলেন, তাঁর বাবা একবার উচ্চবর্ণের লোকদের মতো করে হাটুর নিচে ধুতি পরেছিলেন এবং তাঁর ঐ স্পর্ধার জন্য তাঁকে জমিদার বাড়িতে ডেকে প্রচন্ড প্রহার করা হয় এবং তারপরে তিনি খ্রিষ্টান হয়ে যান ।" [পৃষ্ঠা-৯৪-৯৫]

এসব অত্যাচারিত , উপেক্ষিত ও লান্হিত মানুষেরা যখন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতেন তখন তাঁদের আচার-ব্যবহার পোশাক পরিচ্ছদ এবং নাম পর্যন্ত পাল্টে যেত অর্থাৎ পরিবর্তন লক্ষ্য করা যেত ।

"আগেই বলা হয়েছে যে, নিম্নবর্ণের লোকদের ঊর্ধাঙ্গ অনাবৃত রাখতে হতো । এককালে কেরালাতে অমুকের স্ত্রী বা মেয়ে ইসলাম নিয়েছে বলার দরকারই হতো না, তার বদলে শুধু 'কুপপায়ামিডুক' শব্দটি ব্যবহার করা হতো - যার অর্থ হলো 'গায়ে জামা চড়িয়েছে ' । অপমানসূচক বা হীনতাদ্যোতক এ রকম বহু আচার প্রথা ইসলামের প্রভাবে কেরালায় সমাজ থেকে দূরীভূত হয় । নিম্নবর্ণের হিন্দুদের ইসলাম গ্রহনের ফলে দাস প্রথাও বহূল পরিমানে নিয়ন্ত্রিত হয় । " [দ্রঃ এ পুস্তকের ১৩০,১৩১ পৃষ্ঠা]

'কুলীন' ব্রাক্ষণ নামে যে গোষ্ঠী সেন আমল হতে শক্তিশালী হয়েছিল তাদের আচার-ব্যবহার জানা থাকলে এ যুগের মানুষের অবাক হওয়ার অবকাশ আছে ।

মূল্যবান উদ্ধৃতি দিয়ে বলা যায় - "কুলীন ব্রাক্ষণ হিসাবও রাখতেন না তাঁরা ক'টি মেয়েকে বিবাহ করছেন । তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ অবশ্য একটি ছোট খাতায় বিয়ের ও বিয়ের পাওয়া যৌতুকের তালিকা লিখে নিজেদের কাছে রেখে দিতেন । পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন শ্বশুরালয়ে গেলে শ্বশুররা তাদের কি কি জিনিস দিতেন তারও একটা তালিকা রাখতেন ।" [অধ্যাপক শ্রীবিনয় ঘোষের 'ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ১২০ পৃষ্ঠা , ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে ছাপা]

ঐতিহাসিক অধ্যাপক শ্রীবিনয় ঘোষ লিখেছেন - "কুলীন জামাতারা যখনই শ্বশুরালয়ে যান তখনই তাদের সম্মানার্থে শ্বশুরকে কিছু অর্থ বা কোন উপহার দিতে হয় । এই প্রথার ফলে বিবাহ বেশ লাভজনক পেশা হয়ে উঠেছে ।

একটি ব্রাক্ষণের যদি ত্রিশটি স্ত্রী থাকে তবে প্রতি মাসে কয়েক দিনের জন্য শ্বশুরালয়ে গিয়ে থাকলেই ভালো খেয়ে ও উপহার পেয়ে এবং জীবিকা অর্জনের কোন চেষ্টা না করে তার সারা বছর কেটে যেতে পারে । বহুবিবাহ প্রথার ফলে কুলীন ব্রাক্ষণেরা এক নিষ্কর্মা, পরাভৃত শ্রেনী হয়ে উঠেছে এবং বিবাহের মতো একটি সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে নীতিহীনতার উৎস করে তুলেছে ।"

শ্রী-ঘোষ আরো লিখেছেন, "অতএব কুলীন ব্রাক্ষণের জীবনধারণের একমাত্র অবলম্বন বহুবিবাহ করা । কুলীনরা বৃদ্ধ বয়সেও বিবাহ করে । অনেক সময় স্ত্রীদের সঙ্গে তাদের সাক্ষাৎই হয় না বা অথবা বড়জোর ৩/৪ বছর পরে একবারের জন্য দেখা হয় । এমন কথা শোনা যায় যে একজন কুলীন ব্রাক্ষণ একদিনে ৩/৪ টি বিবাহ করেছেন । কোন কোন সময় একজনের সব কয়টি কন্যার ও অবিবাহিতা ভগিণীদের একই ব্যাক্তির সঙ্গে বিবাহ দেওয়া হয় । কুলীন কন্যাদের জন্য পাত্র পাওয়ার খুব অসুবিধা থাকায় বহু কুলীন কন্যাকে অবিবাহিত থাকতে হতো । কুলীনদের বহু বিবাহের ফলে - ব্যভিচার, গর্ভপাত, শিশুহত্যা ও বেশ্যাবৃত্তির মতো জঘন্য সব অপরাধ সংঘটিত হয় । ৮০,৭২,৬৫,৬০ ও ৪২টি করে স্ত্রী আছে এমন ব্যাক্তিদের কথা জানা গেছে তাদের ১৮,৩২,৪১,২৫ ও ৩২ টি পুত্র সন্তান ও ২৬,২৭,২৫,১৫,১৬ টি কন্যা সন্তান আছে । বর্ধমান ও হুগলী জেলা থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এক এক ব্যাক্তির এতগুলো করে স্ত্রীর অস্তিত্ব জানা গেছে । " [ এই উদ্ধৃতি গুলো 'ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর' পুস্তকের ১১৬ এবং ১১৭ পাতা থেকে নেওয়া হয়েছে ]

কেউ যেন মনে না করেন এসব কাহিনী শুধু আদিম যুগের , বরং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবদ্দশাতেই এসব ঘটনা ঘটেছিল বলে ১৮৬৭ সালে দেশের লেফটেন্যান্ট গভর্ণরকে দরখাস্ত করা হয় যাতে আইন করে বহুবিবাহ তুলে দেওয়া যায় । সেই দরখাস্তে ঐ রকম সব তথ্যের প্রমান ছিল সেই সঙ্গে একথাও লেখা ছিল যে এইসব রীতি নীতি হিন্দুধর্মে লেখা নাই বরং এগুলো মনগড়া আইন ।

[চলবে]

সূত্রঃ চেপে রাখা ইতিহাস, গোলাম আহমদ মোর্তজা , মদীনা পাবলিকেশন্স ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/28956900 http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/28956900 2009-05-28 11:48:25