somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

COGNITIVE RADIO NETWORK:তারবিহীন যোগাযোগে এক নতুন দিগন্ত

২০ শে মার্চ, ২০১১ বিকাল ৩:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যাদের জন্যে প্রযোজ্যঃতড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক্স প্রকৌশলী,টেলিকমুনিকেশন প্রকৌশলী,ছাত্র ও গবেষকদের জন্যে।এছাড়া যারা এই লাইনে পড়ালেখা করছে এবং ভবিষ্যতে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক এ কাজ করতে চায়।এছাড়া জানতে চাইলে যে কেউ ঢুকতে পারেন।

Wire-less অর্থাৎ তারবিহীন যোগাযোগের ক্ষেত্রে information signal কে electro-magnetic signal এ রুপান্তর করা হয়।তার পরে নির্দিষ্ট একটা frequency তে সেটাকে transmit করা হয়।

বহুমুখি সীমাবদ্বতার কারনে এই transmission frequency একটা রেঞ্জের ভিতরে থাকতে বাধ্য হয়।যে কেউ ইচ্ছামত কোন একটা frequency নিয়ে তাতে transmission শুরু করে দিতে পারেনা।আমরা সাধারনত যে সব কথা বলি বা শুনে থাকি তা 20-20000 Hz এর মধ্যে সীমাবদ্ব থাকে।বিভিন্ন রেডিও চ্যানেল অথবা টেলিফোন কোম্পানি গুলো তাদের transmission 300-3400 KHz এর ভিতরে রাখে।


Fig:electro-magnetic spectrum
যেহেতু ব্যবহারযোগ্য frequency সীমাবদ্ব সে কারনে এই frequency band মোটামুটি দুস্প্রাপ্য।কারন একই স্থানে একই frequency দুইজন একই সাথে transmission করতে পারেনা।এর ফলে সিগনাল interference ঘটে।ফলে data reception ভাল হবেনা।
তাই frequency কে মুল্যবান রাষ্ট্রীয় সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।frequency ব্যবহার নিয়ন্ত্রন করার জন্যে প্রত্যেক দেশেই প্রতিষ্ঠান থাকে।বাংলাদেশে এই কাজ করে BTRC।USA তে FCC।
এই প্রতিষ্ঠান গুলো যে কাজ করে তা হল ব্যবহার যোগ্য spectrum অনেক গুলো ব্লকে ভাগ করা হয়।তার পরে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে তা বিভিন্ন কোম্পানির কাছে নির্দিষ্ট অঞ্চলের জন্যে ভাড়া দেয়া হয়।BTRC প্রতি মেগাহার্টজ ব্যান্ডকে একবছরের জন্যে ভাড়া দেয়।বিনিময়ে পায় ১১২ কোটি টাকা।যারা এই ব্লক গুলো ভাড়া নেয় তারা ঐ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহারের নিরংকুশ অধিকার পায়।তাদেরকে বলা হয় প্রাইমারি ইউজার।
বাংলাদেশে গ্রামীন,বাংলালিংক এবং রবি যথাক্রমে 7MHz,5.1MHz এবং 5 MHz ব্যবহার করে থাকে।

এই ছাড়া কিছু পরিমান ফ্রিকোয়েন্সি ব্যন্ড কাউকে ভাড়া দেয়া হয়না।যে কেউ ঐ ব্যান্ড ইউজ করতে পারে।যেমন ISM ব্যান্ড।২.৪ ghz এই ব্যান্ডটাকে আন্তর্জাতিক ভাবে ইন্ডাস্ট্রিয়াল,সায়েন্টিফিক এবং মেডিক্যাল কাজের জন্যে সংরক্ষিত রাখা হয়।এই ব্যান্ড এ কোন ধরনের যোগাযোগের কাজ করা যায়না।

এই ব্যান্ডে যে সব জিনিস কাজ করে তারা হল ব্লুটুথ,WPAN,IEEE 802.11 WLAN,CORDLESS PHONE এবং MICROWAVE OVEN.




দিন দিন যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির কারনে BW চাহিদা উত্তরোত্তর বেড়েই চলছে।বর্তমানে 3G মোবাইল টেকনোলজী ব্যবহার হচ্ছে।ডাটা ট্রান্সমিশন বেড়ে গিয়েছে অনেক গুন।ফলে BW লিমিটেশন এক বিশাল মাথা ব্যাথার কারন হয়ে দেখা দিয়েছে।এজন্যে সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার কিভাবে করা যায় তা নিয়ে চলছে জোর গবেষনা।আর সেই পথ ধরেই এসেছে CRN মানে বুদ্বিমান রেডিও।
অধিকাংশ জরিপে দেখা গিয়েছে যে লাইসেন্সকৃত ব্যান্ডগুলো আসলে বেশির ভাগ সময়ই অব্যবহ্রৃত থাকে।এই হার এরকমঃ
3-300MHz------------------5.2%
>3 GHz-----------------------------------15 %
বাকি অংশ অব্যবহৃত থাকে মানে নষ্ট হয়।এই অব্যবহৃত অংশ যদি অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেয়া যায় তাহলেই এই সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হয়।এই অন্য কেউ হচ্ছে এমন বডি যারা ঐ ব্যান্ড ইউজের অনুমতি প্রাপ্ত নয়।তাদেরকে ঐ ব্যান্ডের সেকেন্ডারি ইউজার বলে।


CRN এমন একটা সিস্টেম যেই সিষ্টেমে প্রাইমারি ইউজার এর অনুপস্থিতিতে সেকেন্ডারি ইউজাররা যে কোন ব্যান্ড ব্যবহার করতে পারে।
এই বুদ্বিমান রেডিও রিসিভার হবে বুদ্বিমান।সে অবিরত ভাবে খোজ করে যাবে খালি ব্যান্ডের আসায়।যখনই কোণ খালি ব্যান্ড পাওয়া যাবে সাথে সাথে সে সেই ব্যান্ডে ট্রান্সমিশন্ শুরু করে দেবে।আবার যখন প্রাইমারি ইউজার চলে আসবে সাথে সাথে সে সেই ব্যান্ড খালি করে দেবে এবং নতুন ব্যান্ড খুজতে শুরু করবে।এই সম্পুর্ন কাজ হবে স্বয়ংক্রিয়।
ফলে কার্যত কোন ব্যান্ডই আর অব্যবহৃত থাকবে না।


CRN নিয়ে বর্তমানে অনেক গবেষনা হচ্ছে।যে সব বিষয় নিয়ে একজন ছাত্র কিংবা গবেষক কাজ করতে পারেন তা হলঃ
1.CRN architecture and implementation
2.Hardware for spectrum sensing
3.Algorithm for spectrum sensing
4.Resource management
5.Fairness in resource allocation
6.Policy fixing


সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জুলাই, ২০১১ রাত ২:১৪
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×