আমার প্রিয় পোস্ট

ডঃ ইউনুস ও নোবেল বিজয়ী কিছু কথা। ও সুদের হার সম্পকে

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ২:২০

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমরা আনন্দের সহিত ধন্যবাদ জানাই সদ্য বিজয়ী ডঃ ইউনুস সাহেব কে । সে সাথে তাহার দরিদ্রবিমোচনের সুদের হার কমানো যায় কি?
বর্তমান একজন মহিলা ঋণ গ্রহন করিলে তাহাকে নিম্ম লিখিত হারে ঋণ পরিষদ করিতে হয় তা একটু ভেবে দেখবেন কি? 5000 টাকা ঋণ গ্রহন করিলে ঋণ গ্রহীতা পরের সাপ্তাহ থেকে 120 টাকা হারে হারে 52 সাপ্তাহ পরিষদ করে 6240টাকা যাহা চক্রব্রদ্ধি হারে গ্রহীতা তেমন লাভবান হয় না। তাহার প্রত্যেক সাপ্তহ থেকে মূলধন নষ্ট হয়ে যায়। সুতারং একটু ভেবে দেখলে মনে হয় আরো ভাল হত। দ্্বিতীয় গ্রামীন মহিলাদের গ্রামীন মোবাইল ফোন নিতে হলে কমপক্ষে 20000/00 টাকা জামানাত লাগে। এবং ঐ মোবাইলের নিম্নলিখিত ভাবে বিল পরিষদ করিতে হয় তাহা কেউ না যাননে কিনা তার পর কিছু অংশ লিখে যায়। আপনাকে প্রথম 2 মাসে যাহা বিল আসে বা ইনকাম করে তাহা সস্পর্নদিতে হবে। এর পর থেকে প্রতিমাসে লাইন রেট 100টাকা আদার ও অনন্য খরচ সহ 150টাকা এবং সব বিল থেকে 15%সরকারী ভ্যাট এবং 15% গ্রামীন ফোন ভ্যাট যেমন 5000টাকা বিল আসালে তাহাকে পরিষদ সরকারী েক 333 টাকা গ্রামীন ফোন কে 333 এবং লাইন রেইট সহ অন্যনা খরচ সহ অতিরিক্ত 300টাকা তাই একজন মহিলা যদি প্রতি মাসে 5000 টাকা ফোন করে তাহলে তাহার বিল ও ভ্যাট সহ প্রতি মাসে 3000/ টাকা এর মধ্যে প্রতি সাপ্তহের কিস্তী মিলে 400শত টাকা মাসে চার সাপ্তহ হলে গনতে হয় 1600টাকা এর মধ্যে গ্রামে দোকান বাড়া বাবত 500/ তাহা হলে কতটুকু আয় হয় দরিদ্র মহিলার তাহা একটু ভেবে দেখবেন আপনারা এর মধ্যে গ্রামে ফোনের বিল অধিকাংশ কাষ্টমার বাকী সব মিলেয়ে এমন কোন লাভ হয় না বরং লাভ হয় ডঃ ইউনুস সাহেব কোম্পানী । আর মহিলারা শুধু কাজ করে যায়। যদি শতকরা 5% লোকে লাভ হয় বাকী 95% মহিলা ঋণ ভোজা মাথায় নিয়ে ঘুরতে থাকে। যে সব মহিলারা লাভবান হয় ঐ গুলি পএ পএিকায় টিভি মিডিয়া প্রচার করে কিন্তু যাহারা ক্ষতি হয় তাহাদের গুলি প্রচার করেনা। ইতি মধ্যে অনেক শুধু প্রংশাশা করছেন আমরা করি। এই স্যামওয়ার ওয়েব সাইটের মাধ্যমে তাহেদর কে যানানো উচিৎ আরো কিছু কম হারে সুদ নিয়া মহিলাদের সাহায্য করার জন্য। কারন উক্ত কোম্পানী ডঃ ইউনুস সাহেব এখন আর গরীব নয় নামকরা প্রতিষ্ঠান 97 সাল থেকে এখন সং সম্পর্ন কোম্পানী। আপনাদের মাধ্যমে তাহর প্রতিনিধিদের জানিয়ে দেওয়া দরকার বলে আমার অনেকে মনে করি।
পরিশেষে সবাই দির্ঘুআয়ু কামনা করে লেখা শেষ করলাম। বাংলাদেশ দির্ঘ্যজিবী হইক একান্ত কামনা করি। এবং এরমতন আরো ডঃ ইউনুস জম্ম হইক সে কামনা করি। আমিন , আমিন, আমিন। খোদা সকলের মঙ্গল করুক।
বিশেষ করে লেখা ভুল হলে ক্ষমা করবেন বলে আসা করি।
ইতি

জানাঅজানা


 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে ।

 

  • ১২ টি মন্তব্য
  • ২৮৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:০৮
comment by: হাসিব বলেছেন: খামোখা ইনিয়ে বিনিয়ে গালাগালি না করে এধরনের তথ্যবহুল পোস্টই আশা করি । মাথা ব্যাথার জন্য পুরো মাথা কেটে না ফেলে সেটা কিভাবে সারানো যায় সেটা নিয়ে প্রস্তাবনাই আবশ্যক । মাইক্রোক্রেডিট নিয়ে অনেক সমস্যা আছে সেটা স্বীকার করেই সেটা সমাধানের জন্য আগাতে হবে ।
২. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:২৯
comment by: অতিথি বলেছেন: দরকারি একটি পোস্ট। এতে দাদন ব্যবসায়ী ডঃইউনুসের আসল চেহারা প্রকাশিত হয়েছে।
৩. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:৩৯
comment by: অতিথি বলেছেন: নিরাপদ, আমার মনে কয় আপনি মোটেই নিরাপদ না। বাগ ভাল্লুক কিছু ঝাঁপাইয়া পড়বো আপনার উপর। রেডি থাইকেন। তয় কতা কয়ডা ভেজাল কন নাই কিন্তুক।
৪. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:৫৩
comment by: অতিথি বলেছেন: নিরাপদ, সমস্যা যখন তুলে ধরেছেন তখন সমাধানে আপনার চিন্তা ভাবনা কি সেটা বললেও ভালো লাগবে। আরেকটা কথা, গত পনের বছরে জিনিসটা নিয়ে একটা কথাও বলেন নাই। নোবেল পাওয়ার পর ভালই আলাপ আলোচনা হইতেছে। ভালো একটা ধাক্কা কি বলেন?
৫. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ১০:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: এসএম মাহবুব মুর্শেদ,
আপনার পেপার পত্রিকা পড়ার অভ্যাস জরূরী প্রয়োজন। আন্দাজে রচনা লিখার মানে হয় না।
৬. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ১:১৩
comment by: বকলম বলেছেন: ওই কে আছো?!!! এন্ডু ঠিক কইছে। তারেও একখানা নোবেল পুরিষ্কার দেও। বেচারা প্রতিদিন পেপার মুখস্ত করে।

আমাদের সনাতন ব্যাংকগুলো ঋন ব্যাবস্থা যাতে গরীবের দুয়ার পর্যন্ত যেতে পারে তার জন্য কি কিছু করতে পারেন।

"দুধ দেয় গুরু লাথি মারলেও ভাল লাগে"। বলদদের ফোঁসফাসে কিচ্ছু আসে যায় না।
৭. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ১:৩০
comment by: অতিথি বলেছেন: এজন্য চোর তুমি বকলম। তোমাদের মত রাজাকার পশ্চিমা প্রভূভক্তদের জন্য দেশে গরীব আরো গরীব হচ্ছে।

দুধেল গরূ বেজাল দুধ দিলে সচেতন নাগরিক হিসাবে নিজের মনুষ্যত্বদালালি করে বিক্রি করে দিব না কখনো।
৮. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৫:৪০
comment by: অতিথি বলেছেন: এন্ডু মিয়া, তুমি ম্যানহাটানে কোন বাল ছিড়তেছো? পশ্চিমাগো বয়কট কইরা তারপর বড় বড় কথা...
৯. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:১১
comment by: অতিথি বলেছেন: ঐতিহাসিক আমল থেকে প্রচলিত জমিদারী, মহাজনী, জোতদারী শোষণের থেকে উত্তরণের জন্য এটা কখনই ভাল একটা ব্যবস্থা হতে পারে না যদি পেছনে একজন ডঃ ইউনুস থাকেন। সিস্টেমটার সততা, স্পষ্টতা ও উদ্দেশ্য বিষয়টিকে মহৎ করেছে তা না হলে প্রথা তো আর নতুন নয় এ তো গ্রামে গঞ্জে ছিলই। গ্রামীনের এত এত মূলধনের কত অংশ ইউনুস ব্যবহার করে সেটাও ইচ্ছে করলে আপনারা জানতে পারেন, কিন্তু এ উদ্বৃত্তি যে আরো বিশাল জনগোষ্ঠীর হাতে পৌছানোর সুযোগ হচ্ছে সে বিষয়টা কি খেয়াল করেছেন?

নিরাপদ - সুদের হার কমানো, কিছু অব্যবস্থাপনা নিরসন, সঠিক ইনকাম জেনারেটিং একটিভিটি মনিটরিং ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়ে এখন গবেষণার সুযোগ রয়েছে - যা আপনি যথার্থভাবে পয়েন্ট আউট করেছেন। একটা ভাল লেখার জন্য ধন্যবাদ।
১০. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:১২
comment by: অতিথি বলেছেন: ঐতিহাসিক আমল থেকে প্রচলিত জমিদারী, মহাজনী, জোতদারী শোষণের থেকে উত্তরণের জন্য এটা কখনই ভাল একটা ব্যবস্থা হতে পারে না যদি পেছনে একজন ডঃ ইউনুস না থাকতেন। সিস্টেমটার সততা, স্পষ্টতা ও উদ্দেশ্য বিষয়টিকে মহৎ করেছে তা না হলে প্রথা তো আর নতুন নয় এ তো গ্রামে গঞ্জে ছিলই। গ্রামীনের এত এত মূলধনের কত অংশ ইউনুস ব্যবহার করে সেটাও ইচ্ছে করলে আপনারা জানতে পারেন, কিন্তু এ উদ্বৃত্তি যে আরো বিশাল জনগোষ্ঠীর হাতে পৌছানোর সুযোগ হচ্ছে সে বিষয়টা কি খেয়াল করেছেন?

নিরাপদ - সুদের হার কমানো, কিছু অব্যবস্থাপনা নিরসন, সঠিক ইনকাম জেনারেটিং একটিভিটি মনিটরিং ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়ে এখন গবেষণার সুযোগ রয়েছে - যা আপনি যথার্থভাবে পয়েন্ট আউট করেছেন। একটা ভাল লেখার জন্য ধন্যবাদ।
১১. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:১২
comment by: অতিথি বলেছেন: প্রথম মন্তব্যটাসহ এটা মুছে দেবেন দয়া করে।
১২. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৮:১৭
comment by: (চামহাসি) বলেছেন: এই লেখাটি ব্লগে ডঃ ইউনুসকে নিয়ে লেখাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সেরা এবং বাস্তব তথ্য সম্বলিত।

নিরাপদ আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।

 

 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১০৪৫