আজ অফিস থেকে আসার সময় মানিক মিয়া এভিনিউতে জ্যামে আটকে ছিলাম। সামনে পেছনে অসংখ্য গাড়ি। হঠাত করেই মাথায় আইডিয়াটা খেলে গেল.....
জ্বালানী তেলের দাম এখন নিকট অতীতের মধ্যে সবচেয়ে কমে নেমে এসেছে। ভেবে দেখুন কিছু দিন আগেও ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ছিল ১৪০ ডলার, মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে এখন তা নেমে এসেছে ৪০ ডলারেও নীচে। বিশ্বব্যাপি অর্থনীতির যে মহামন্দার যে আভাষ পাওয়া যাচ্ছে তাতে করে আগামী অন্ততঃ ২ বছর তেলের দাম মোটামুটি এই রকমই থাকবে ধরে নেয়া যায়।
এবার আমার দেশের দিকে তাকানো যাক। দেশে যত গাড়ি চলে তার প্রায় ৭০ শতাংশই সি এন জি তে কনভার্ট হয়ে গেছে। বাকী গুলো হতেও খুব বেশী সময় লাগবেনা। এভাবে পুরো দেশ যদি গ্যাসে চলতে থাকে তবে আমাদের গ্যাস সম্পদ নিঃশেষ হতে বেশী সময় লাগবেনা। অথচ এই গ্যাসের ওপর কত কিছুই না নির্ভর করে। বিদ্যুত, সার, শিল্প কারখানা, রান্না বান্না সবকিছুতেই গ্যাস ছাড়া আমরা অচল।
এবার আসি মূল কথায়। যেহেতু সস্তায় তেল পাওয়া যাচ্ছে (যেটা একটা সীমিত সময়ের জন্য থাকবে) এটাকে কাজে লাগিয়ে আমরা আমাদের গ্যাস সম্পদকে আরো কিছু সময়ের জন্য সংরকক্ষণ করতে পারি। তেলের দাম যদি এই মুহুর্তে আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সমন্বয় করা হয় তাহলে তার মূল্য অনেক নীচে নেমে আসবে। সেই সাথে সি এন জির মূল্য আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে মিলিয়ে কিছুটা বাড়িয়ে দেয়া হয় তবে অনেক গাড়ীর মালিকই তেলে গাড়ী চালাতে আগ্রহী হয়ে উঠবেন। তখন একদিকে সস্তা তেলের সুফল সারা দেশবাসী পেতে শুরু করবে, অন্যদিকে আমাদের মূল্যবান গ্যাস সম্পদ অকালে নিঃশেষ হওয়ার হাত থেকে রেহাই পাবে।
আমাদের দেশের জ্বালানী বিশেষজ্ঞরা আশা করি বিষয়টা ভেবে দেখবেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



