ইনফ্লেশনে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হন তারা যাদের হাতে নগদ টাকা থাকে। কারণ একই পরিমাণ টাকা দিয়ে আগের মত জিনিসপত্র কেনা যায় না। ব্যাংকে টাকা থাকলে অবশ্য সুদের কারণে ক্ষতির পরিমাণটা কম হয়। কিন্তু বড় ইনফ্লেশন (যেমন ডাবল ডিজিট ১০% বা তার বেশী) হলে ব্যাংকে আমানতকারীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাছাড়া ব্যাংকে সুদও এখন আর আগের মত দেয়না, খুব বেশী হলে ১০%। বিভিন্ন রকম চার্জের নাম করে সেখান থেকেও বেশ কিছু টাকা কেটে রাখে।
কি করণীয়
হাতে মোটা অংকের নগদ টাকা থাকলে এমন কিছুতে বিনিয়োগ করা উচিৎ যার মূল্য ইনফ্লেশনের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়বে, যেমন- জমি, সোনা, শেয়ার ইত্যাদি। চিন্তা করে দেখেন আগের পে স্কেল ঘোষণার সময়, মানে ২০০৫ সালে সোনার দাম কত ছিলো? (একই কথা জমি বা শেয়ারের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য)
ডেডলাইন
সেই মাহেন্দ্র ক্ষণটি আসবে মনে হয় ১লা জানুয়ারী, ২০১০। নতুন স্কেলে বেতন প্রাপ্তির প্রথম দিন। জানুয়ারী মাস থেকেই মূল্যস্ফীতির ধাক্কা লাগতে শুরু করবে। বেসরকারী প্রতিষ্ঠান গুলো হয়ত বেতন বাড়াবে মার্চ-এপ্রিলের দিকে।
শেষকথা
মোটকথা, ২০১০ এর জুনের মধ্যেই সবকিছুর দাম 'অন্য এক পর্যায়ে' চলে যাবে। এই মুহুর্তে যদি আপনার কাছে ৫ লাখ টাকা থাকে তখন সেই টাকার দাম তখন অর্ধেকও হবে কিনা সন্দেহ। কাজেই বিনিয়োগ যদি করতেই হয় (অবশ্য যদি সেই সামর্থ্য থাকে) তাহলে এই বেলা।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


