আমার প্রিয় পোস্ট

……ভাঙ্গতে চাইলে… ভাঙ্গারও অনেক আইন আছে-

বাচ্চারা টি ভি দেখো না,

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:৫৬

শেয়ার করুন:                   Facebook


আকাশ সংষ্কৃতি আমরা রোধ করতে পারবো কিনা জানি না, তবে হিন্দি চ্যানেল কে আমদের কড়া ভাবে ‘না’ বলতেই হবে--বিশেষ করে ঘরে যদি বাচ্চা থাকে। যে বাচ্চা আছে তার খেলনার জগৎ নিয়ে, তার কল্পনার জগৎ নিয়ে, তাকে আপনি কিছুতেই এই স্থুলতার রাজত্বে এনে ফেলতে পারেন না।

কয়েক বছর আগে সনি চ্যনেলে একটা শো হতো- বাচ্চাদের নাচের অনুষ্ঠান, বাচ্চাদের এক একটা গ্রুপ আসতো, আর নাচত। কি নাচ-?বলিউডি ফ্লিমের নাচ। তাদের পোষাক, নাচের মুদ্রা সবই বয়স্কদের মতো। বাচ্চারা থাকবে বাচ্চাদের মতো, তার শৈশবটা আমি আমার পারভারশন দিয়ে দুষিত করতে পারি? চ্যনেলে বিচরনের সময় আমি দেখতে পেলেই স্কিপ করে অন্য চ্যনেলে চলে যেতাম। ভাবতাম যাক আমরা অন্ততঃ ভাল আছি।

কিন্ত গত কয়েক মাস ধরে একুশে টিভিতে ধুম তানা নানা নামে যে প্রোগাম টা চলছে- এটা সনির সেই প্রোগামের আইডিয়া থেকে উৎসারিত, কোন সন্দেহ নাই। এত বিভৎস শো বাচ্চাদের নিয়ে কিভাবে হতে পারে?

নাচ কি শিল্পের সুক্ষতা, আর মননের অনুশীলন নাকি মনোরঞ্জনের তালিম? এটা কি ধরনের নাচ,বাচ্চারা এই নাচের মধ্যে দিয়ে শিল্পের সুক্ষতা রপ্ত করবে, নাকি মনোরঞ্জনের তালিম নেবে? অথচ কেনা জানে সুস্থ কিছু শেখার সেরা সময়ই হলো এই শৈশব।

বাবা-মায়েরা প্লিজ-- যতদিন বাচ্চা আরও বড় না হচ্ছে-এই আত্মত্যাগ টুকু করেন, নির্মম ভাবে হিন্দি চ্যনেল গুলাকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করেন।পারলে টিভি কেও। তার বদলে বাচ্চাকে বই পড়তে দেন, চেষ্টা করেন কমিকস এ্যভয়েড করতে।

বিশেষজ্ঞদের ধারনা চোখের সামনে কোন কিছুর ভিজ্যুয়ালাইজেশন (টেলিভিশনের দৃশ্যপট/ কমিকস) বাচ্চাদের ইমাজিন করার ক্ষমতাকে ব্যহত করে। সে যখন বই পড়ে গল্পটার চিত্রকল্প তার কল্পনার রাজ্যে তৈরী করে নেয়, কিন্ত মুভির গল্প তাকে এই কাজ থেকে বিরত রাখে- ইমাজিসনের ক্ষমতার কোন চর্চাই আর হয় না।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): শিশুদের শিশু থাকতে দেন...।। ;

 

  • ২৮ টি মন্তব্য
  • ২৫২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৩ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:০৮
comment by: কঁাকন বলেছেন: ভালো বলছেন ভাই
ছোটবেলায় টিভি দেখে দেখেই শিওর আমার ইমাজিনেসন পাওয়ার কমে গেছে


একুশে টিভির নতুন জীবন লাভের পর খুব খুশি হয়ে ছিলাম
কিন্তু হায় সেই রাম ও নেই সেই অযোধ্যাও নেই

ভালো থাকুন
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: ডেফিনিটলি, আপনি যখন সিন্ডারেলা পড়ছেন- তার নাচের জুতা কিংবা দুখিনি সিন্ডারেলার অপরুপ সাজে সবাইকে মুগ্ধ করার যে চিত্রকল্প তা একান্তই আপনার। আপনার নিজস্ব সিন্ডারেলার সাথে ডিজনীর এ্যনিমেশন নাও মিলতে পারে। আপনার চিন্তা করার কাজটা তো ডিজনীর করার দরকার নাই।

আমার ধারনা বাচ্চাদের গল্প শোনানোটা খুব জরুরী- প্রথমে কাহিনিটা সে শুনবে কান দিয়ে, তারপর ছাপার অক্ষরে- আট/ দশ বছরের আগে কিছুতেই ভিডিও নয়।

২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:১৪
comment by: আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: একমত।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আশরাফ, ভাল থাকুন।

৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:১৯
comment by: না বলা কথা বলেছেন: ১০০% একমত।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ভাল থাকুন।

৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:২১
comment by: আসিফ আহমেদ বলেছেন: কিন্তু আজকের এই সামাজিক প্রেক্ষাপটে সেটা করা অতোটা সোজা নয়।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৯

লেখক বলেছেন: বেশ তো যতটা অর্জন করা যায়- আমরা চেষ্টা করি। এটা তো সত্যি আজকাল কয়টা বাচ্চা দাদা-দাদী বা নানা নানীর সঙ্গ পায়- আমাদের ব্যস্ত জীবনের অনুসঙ্গে টিভি বাচ্চাদের জন্য একটা কম্পানিয়ন।

তবুও নেক্সট টাইম আসিফ ভাই- রিমোট টা হাতে নেওয়ার আগে ভাবুন না- বাচ্চাদের প্রেজেন্সে কত কম টিভি দেখে আমরা থাকতে পারি।

৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৫১
comment by: রামন বলেছেন: বাচ্চাদের টেলিভিশন দেখতে না দেয়াই উত্তম। অনুষ্ঠানের বিরতিতে যে বিজ্ঞাপন ছিরি! প্রচার করা হয়,সেটি দেখে কি ভাবে মিথ্যা বলতে হবে, ধোঁকা দেয়া যাবে এমকি চুরিবিদ্যাটা শিক্ষা নিতে পারবে বাচ্চারা ।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রামন, ভাল বলেছেন।

৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৪
comment by: বিবিধ বলেছেন: সহমত।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিবিধ, ভাল থাকুন।

৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৫
comment by: মাহিরাহি বলেছেন: ১০০% সহমত
কোমলমতি বাচ্চাদের মনে বিষ ঢোকানো থেকে আমাদের বিরত থাকা উচিত (অবশ্যই)।
নাহলে আমাদের জাতির ভবিষত অন্ধকার। বেনিয়া সংস্কৃতির ধারন করে একটি জাতি কখনোই উন্নত হতে পারেনা।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১০

লেখক বলেছেন: সুন্দর বলেছেন- আমরা একটা জিনিশ মনে রাখি না, বাচ্চাদের নিজস্ব জগতটা কিন্ত অলরেডী ভীষন রঙ্গীন, তার কল্পলোকের দৌড়- আপনি- আমি ধারনাও করতে পারবো না-
বাচ্চারা যখন নিজেরা খেলাধুলায় মগ্ন- খুব কাছ থেকে তাদের অবর্জাভ করুন- দেখবেন তাদের খেলনা সংসারে প্রত্যেকটা খেলনা এক একটা আলাদা চরিত্র। তাদের আলাদা নাম আছে, আলাদা বেশিষ্ট্য আছে, কেউ গুড বয়, কেউ ঝামেলাবাজ, কেউ ছিচকাদুনে। তাকে একটা কাহিনী বলতে বলুন- সে কিন্ত দিব্বি গড়গড়িয়ে আপনাকে বলে যাবে খেলনাগুলোর নানান কীর্তিকলাপ, তাদের কল্পনার দৌড়ের নাগাল পাওয়া আপনার/ আমার কম্মো নয়।

সমস্যাটা কোথায় জানেন? বাচ্চাদের এই কাহিনীগুলা শোনার আমাদেরই সময় নাই।

৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪১
comment by: নামহীনা বলেছেন: টিভি না দেখিয়ে হয়তো পারা যাবেনা, তার চেয়ে ঐসব অপ-সংস্কৃতি থেকে কিভাবে আমাদের কোমলমতি বাচ্চাদের বিরত রাখা যায় সেটাই দেখা উচিৎ।

একুশে টিভি-র প্রতি আমার করুনা হয়, আর ঐ প্রযোযক শালা কি গাধার বাচ্চা নাকি? ওর কি ছেলে-মেয়ে নাই, না তারাও ঐ ক্যাটাগরির? আর মৌসুমি ভোটকাটা এই জাতীয় অনুষ্ঠান বাদ দেবার লোভ সামলাতে পারলোনা!!!!
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৯

লেখক বলেছেন: কি করবেন বলেন, এ ব্যর্থতা তো আমাদেরই-
ভালো থাকবেন।

৯. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৩
comment by: সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: জঘন্য এক কথায় .....................
একুশে টিভির কাছ থেকে এর চে ভাল আর কি ই বা আশা করা যায় ..................!!
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪০

লেখক বলেছেন: কেন, আশা করতে দোষ কি? তাদের বিরুদ্ধে আমাদের লাগাতার সমালোচনা নিশ্চয়ই তাদের বাধ্য করবে এসব বন্ধ করতে।

বিশেষ করে মৌশুমীকে এই মেসেজটা পরিস্কার ভাবে দিতে হবে-বাংলাদেশের রুগ্ন চলচিত্রে আপনার অবদান অনেক, আপনি প্রযোজকদের ইনভেষ্টমেন্ট দ্বিগুন-চতুর্গুন ফিরিয়ে দিয়েছেন ফলে চলচিত্র শিল্প চাঙ্গা হয়েছে, কয়েক হাজার লোকের রুজির ব্যবস্থা হয়েছে- আমরা আপনার এই কন্ট্রিবিউশন এ্যকনলেজ করি, কিন্ত মৌসুমী আপনাকে শিখতে হবে এফ ডি সি আর ফ্যমিলি মিডিয়া হিসাবে টিভির মধ্যে একটা গুনগত পার্থ্যক্য আছে। এফ ডি সিতে আপনারা যা করেন তা সেখানকার চার দেয়ালের মধ্যেই রাখেন। এটা কিছুতেই পারিবারিক মাধ্যমে আনবেন না।

আর বাচ্চাদের নিয়ে অনুষ্ঠান করার আগে আপনাদের বিশেষজ্ঞ প্যনেলের সাহায্য নেন-অনেক বোদ্ধাদেরই তো সেখানে থাকার কথা। এই মেসেজটা একুশে কর্তৃপক্ষের জন্য। ধন্যবাদ

১০. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৬
comment by: নাঈম বলেছেন: নামহীনার মন্তব্যের সাথে একমত।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাঈম, ভাল থাকুন।

১১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৮
comment by: আমি সাবের বলেছেন: আপনার সথে আমি ও একমত ।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাবের, ভাল থাকুন।

১২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৭
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: একুশে টিভির অনুষ্ঠানটা একদইন ৫ মিনিট দেখসিলাম,বীভৎস বললে কম বলা হয়। বাপ-মা নিজেরাই নিয়ে যায়,কি আর বলবেন?
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: গুড অবর্জারভেশন- মধ্যবিত্ত মা-বাবাদের পরিতৃপ্ত চোখমুখ আমারও নজরে পড়েছে।

১৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩১
comment by: সোনালীডানা বলেছেন: আপনার সাথে ১০০% একমত!!! শিশুদেরকে সুস্থ ভাবে বাড়তে দিতে হবে........
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সোনালীডানা, ভাল থাকুন।

১৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৫
comment by: চাঙ্কু বলেছেন: পুরা হাচা কথা
১৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫১
comment by: জাতেমাতাল বলেছেন: ভাল্লাগছে, এক্কান হাচা কথা কইতে পারছি বলে। ধন্যবাদ, ভাল থাকবেন।

 

 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ১০২৮৮