আমার প্রিয় পোস্ট

জীবন্ত মানব সত্তার অস্তিত্বই নিঃসন্দেহে মানবের সকল ইতিহাসের প্রথম আরম্ভ...

জামায়াতের কাছে জনগন স্বার্বভৌম নয়ঃ ফলে তাদের অগনতান্ত্রিক গঠনতন্ত্র অনুমোদন না দিয়ে নির্বাচন কমিশন তা প্রত্যাখান করেছে ...

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫০

শেয়ারঃ
0 0 0

জনগনের স্বার্বভৌমত্ব অস্বীকার করে, জামায়াত শিবির গং বাংলাদেশে মওদুদীর স্বার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চায়...!!!

বাংলাদেশের রাজনীতি কি জামাত শিবিবের রাহুর গ্রাস থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছে? এতটা ভাবা যদি খুব উচ্চাকাঙ্খী স্বপ্ন হয়ে যায়... অন্ততঃ ৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনীর সাক্ষাত দোসর এই দলটি এই মুহুর্তে যে কিছুটা বিপদে আছে- এতে কোন সন্দেহ নাই। আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশে জামাতের রাজনীতি করা সম্ভবতঃ কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

এই মুহুর্তে গনপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশএর আওতায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন করার প্রক্রিয়া চলছে। রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া বাধ্যতামুলক, এটা না করলে- তারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পারবে না। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মতো জামায়াতে ইসলামীও তাদের গঠনতন্ত্র অনুমোদনের জন্য পেশ করেছিল নির্বাচন কমিশনে। খবরে প্রকাশ জামায়াতের বর্তমান গঠনতন্ত্র নির্বাচন কমিশন আমলে না নিয়ে তা সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছে।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে সক্রিয় অবস্থান নেওয়া জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশে আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিয়োজিত সংগঠন হিসাবে নিজেদের দাবী করে। আল্লার নির্দেশিত বিধি বিধান ছাড়া অন্য কোন কিছুর প্রতি তাদের কোন আনুগত্য নাই, মানুষ রচিত যে কোন আইন বিধানের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান। আর ঠিক এই কারনেই নির্বাচন কমিশন জামায়াতের গঠনতন্ত্রে উল্লেখিত ধারাসমুহ বিবেচনায় নিয়ে জামায়াতের গঠনতন্ত্র অনুমোদন না করে ফিরিয়ে দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানাচ্ছে, জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্র সুস্পষ্ট ভাবে এমন কিছু বক্তব্যের উপর দাঁড়িয়ে আছে, যা বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করতে গেলে তা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মুল ভিত্তির সাথে সাংঘর্ষিক হয়ে উঠবে।

জামায়াতের গঠনতন্ত্রের মৌলিক আকিদার ধারা ২এর ৫এ বলা হয়েছেঃ
আল্লাহ ব্যতীত অপর কাহাকেও বাদশাহ, রাজাধিরাজ ও সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক মানিয়া লইবে না, কাহাকেও নিজস্বভাবে আদেশ ও নিষেধ করিবার অধিকারী মনে করিবে না, কাহাকেও স্বয়ংসম্পুর্ণ বিধানদাতা ও আইন প্রণেতা মানিয়া লইবে না এবং আল্লাহর আনুগত্য ও তাহার দেওয়া আইন পালনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত নয় এমন সকল আনুগত্য মানিয়া লইতে অস্বীকার করিবে।

জামায়াতের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তাদের গঠনতন্ত্র ঘেঁটে এ কথা পরিস্কার, আল্লাহর নির্দেশিত বিধি বিধানের বাইরে তাদের কোন অবস্থান নাই। শরীয়া এবং সুন্নাহ যা অনুমোদন করে না, তারা তা গ্রহন করতে পারে না। আমরা এটা পরিস্কার ভাবে জানি যে বাংলাদেশে শরীয়া আইন এখনও চালু নয়। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিচারালয় নিশ্চয় আল্লাহর আনুগত্য ও তাহার দেওয়া আইন পালনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত নয়। তা হলে এ অবস্থায় আমাদের সর্বোচ্চ বিচারালয় নিয়ে জামায়াতের আনুগত্য আমরা কি আশা করতে পারি?

জামায়াতের কথিত আল্লাহর নির্দেশিত বিধি বিধানের মধ্যেও বিস্তর ফাঁকফোকর আছে, এটাও এ সুযোগে আমাদের মাথায় রাখা উচিত। আমরা জানি, আখেরি নবুয়তের জমানার পর মানবজাতির জন্য আল্লাহর তরফ থেকে আর কোন বাণী নির্দেশ আকারে নাজিল হবে না। আমাদের পথ খুঁজে নিতে হবে এ যাবত নাজেলকৃত ঐশী গ্রন্থের নির্দেশাবলীর ব্যাখার ভেতর থেকে। এখন জামায়াত যদি রাষ্ট্র ক্ষমতায় (আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুক) অধিষ্টিত হয়, তবে আমরা নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি, জামায়াতের নিজস্ব বিধি বিধানই হবে আল্লাহর নির্দেশিত বিধি বিধান, এ যাবত নাজেলকৃত ঐশী গ্রন্থের নির্দেশাবলীর ব্যাখা মানেই হবে তাদের নেতা মওদুদীর প্রদত্ত ব্যাখা, বাংলাদেশের ইসলাম হবে গোলাম আযম-নিযামি গংএর তথাকথিত ইসলাম।

নির্বাচন কমিশন কর্তৃক জামায়াতের গঠনতন্ত্র প্রত্যাখানের ভিতর দিয়ে আরও কিছু জ্বলন্ত প্রশ্ন আমাদের কাছে উঠে এসেছে। বাংলাদেশে রাজনীতি করা, নির্বাচনে সামিল হওয়ার প্রশ্ন দূরে থাক- আমাদের সাংবিধানিক ভিত্তি তথা গনতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান সমুহের প্রতি নুন্যতম
আনুগত্য না রেখে, দিনের পর দিন জামায়াত কিভাবে তার কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে — এ প্রশ্নের উত্তর পাওয়াও সমভাবে জরুরী হয়ে উঠেছে।

আমাদের গনতান্ত্রিক রাষ্ট্র কাঠামোর ভিতরে গনতান্ত্রিক আদর্শের বাইরে কোন কিছুর চর্চা আমরা কি ভাবে করতে দিতে পারি? গনতান্ত্রিক আন্দোলনের দোহাই দিয়ে এ যাবৎ জামায়াত তাদের কার্যক্রম যে ভাবে চালিয়ে এসেছে, তা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। নিশ্চিত ভাবেই জনগনের সার্বভৌমত্ব অস্বীকার করার আড়ালে জামায়াতের আমীরদের স্বার্বভৌমত্ব আমরা মেনে নিতে পারি না।

আমরা বিশ্বাস করি সমাজে এমন কোন কার্যক্রমের অনুশীলন করা গনতন্ত্র অনুমোদন করতে পারে না, যা গনতন্ত্রের মুল সুর, যার উপর গনতন্ত্র দাঁড়িয়ে থাকে, সেই জনগনের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করে, তাকে অস্বীকার করতে চায়। গনতন্ত্র মানে স্বাধীন ভাবে মুক্ত চিন্তার অধিকার, গনতান্ত্রিক মত প্রকাশের অধিকার প্রতিষ্ঠার অজুহাত দিয়েও গনতন্ত্র এই আত্মধ্বংশী ভুমিকা নিতে পারে না। গনতন্ত্রে সকল ক্ষমতার উৎস জনগনের সার্বভৌম ইচ্ছা, অন্য কোন গোষ্ঠীর মনগড়া ব্যাখার কোন স্থান, গনতন্ত্রে নাই।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): জনগনের সার্বভৌমত্ব/ গনতন্ত্র/ জামায়াতে ইসলাম/ নির্বাচন কমিশন/ ;
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫২
বিপরীত স্রোত বলেছেন: জামাতের ইসলাম নিয়ে ব্যবসা করাকে যেকোন মূল্যে প্রতিহত করা দরকার
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: অবশ্যই প্রতিহত করা দরকার...

২. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৪
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: জামায়াতের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তাদের গঠনতন্ত্র ঘেঁটে এ কথা পরিস্কার, আল্লাহর নির্দেশিত বিধি বিধানের বাইরে তাদের কোন অবস্থান নাই। শরীয়া এবং সুন্নাহ যা অনুমোদন করে না, তারা তা গ্রহন করতে পারে না।

এই সত্যি কথা টা বলার জন্য ধন্যবাদ
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ...

৩. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৯
রিফাত হাসান বলেছেন: জাতেমাতালের লেখায় বরাবরই আগ্রহ পাই, বিষয়ের বৈচিত্রের কারণে। পরে সুযোগমতো আলোচনায় অংশগ্রহণের ইচ্ছে পোষণ করি। তবে, জনগনের স্বার্বভৌমত্ব অস্বীকার করে, জামায়াত শিবির গং বাংলাদেশে মওদুদীর স্বার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চায়...!!! জাতীয় বাক্য সুস্থ আলোচনার আগ্রহ কমাবে বলে মনে করি।
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: আগ্রহ দেখানোর জন্য অনেক ধন্যবাদ, রিফাত ভাই।

বাংলাদেশের গনতন্ত্রায়নের আন্দোলনে জামায়াত কার স্বার্বভৌমত্বের প্রতি তার পক্ষপাতিত্ব দেখাতে চায়, সেটা নিয়ে একটা সুস্থ্য আলোচনার আগ্রহ তো দেখা যেতেই পারে।

আলা মওদুদীর স্বার্বভৌমত্বের ব্যাখা যে ইসলামে সর্বজনগ্রাহ্য, এমন কোন আলামত তো আমরা এখনও পাই নাই!!

৪. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪২
নীল বেদনা বলেছেন: বিপরীত স্রোত বলেছেন: জামাতের ইসলাম নিয়ে ব্যবসা করাকে যেকোন মূল্যে প্রতিহত করা দরকার

আর জামাত নিয়া ব্যবসাডাও গুডানো উচিৎ। দুই পক্ষই মানুষরে ভোদাই বানাইয়া মজাছে বানিজ্য করতাছে।
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২১

লেখক বলেছেন: আপনার ব্যাবসাটা অবশ্য ঠিক বোঝা গেল না...

৫. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫৫
সবাক িনর্বাক বলেছেন: বিপরীত স্রোত বলেছেন, জামায়াতের ইসলাম নিয়ে ব্যবসা করাকে যেকোন মূল্যে প্রতিহত করা দরকার,,করেন, ভালো কথা। আর যাদের দলীয় আদর্শ ধর্মনিরপেক্ষতা কিন্তু ভোটের আগে তসবী নেসাব মোনাজাতের ছবি ছাপাইয়া ধার্মিক সাইজা বাংলাদেশের ধর্মপ্রান মুসলমানগো ধোকা দেন তাদের কি করা দরকার, একটু বলেননা।
৬. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৩
তাজা কলম বলেছেন: যৌক্তিক পোষ্ট। +
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তাজা কলম...

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৯

লেখক বলেছেন: চলবে...

৮. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৬
পাভেল করচাগিন বলেছেন: নির্বচন কমিশনের এই পদক্ষেপকে আমি যা বুঝেছি তা হোল - ক্ষমতা দখলের রাজনীতিতে ধর্ম ব্যাবহার করা যাবে কি না। সেটাই মূল প্রশ্ন।

ধর্মকে ব্যাবহার করতে হলে আমাদের সংবিধানের অনেক মৌলিক বিষয় বাদ দিতে হবে।

আর সংবিধানকে মানতে গেলে ধর্মের অনেক মৌলিক নির্দেশনা বাদ দিতে হবে।

শুধু জামাতেরই না, ধর্ম ভিত্তিক অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সংবিধানেও এই কন্ট্রাডিকশানটা দেখা যাবে।

সাংবাধানিক রাজনীতি করতে গেলে ধর্ম ভিত্তিক দল গুলোকে এর ফয়সালা করেই এগুতে হবে। সাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা নিতে গেলে গোজামিল রেখে তা পারবেনা।

দলীয় সংবিধান অক্ষত রেখে যদি তারা ক্ষমতা নিতে চায় তবে অন্য পথ ধরতে হবে, সেই পথ অবশ্যই দেশের প্রচলিত সাংবিধানিক পথ নয়।

এরপরের প্রশ্ন- বাংলাদেশের মানুষ আদৌ সেই পথে কাউকে ক্ষমতায় যেতে দিবে কিনা?
২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:০২

লেখক বলেছেন: নির্বাচন কমিশনের মেসেজটা খুব পরিস্কার ভাবে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য।

তবে আমার মনে হয়, ইসলামী দলগুলো তাদের ধর্মতাত্বিক কট্টর অবস্থান থেকে সরে আসবে। জামায়াতে ইসলামী তো বটেই। বাংলাদেশে রাজনীতি করতে হলে এ ছাড়া তাদের সামনে অন্য কন পথ খোলা নাই।

৯. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৬
ঘোর-কলিযুগ বলেছেন: লেখাটা পড়লাম, তার পর আবার পড়লাম বক্তব্যটা পুনরায় হৃদয়ঙ্গম করার জন্য। তথাপি আবার পড়লাম, কারণ সাধারণত জাতেমাতাল যে ধরণের বিশ্লেষণাত্মক লেখালেখি ব্লগপোস্টে হাজির করে সেখান থেকে এটা ১৮০ আশি ডিগ্রি ব্যতিক্রম কেন, সেই সুতাটা ধরার জন্য। এবং আগ্রহের সাথে বুঝতে চেষ্টা করলাম তিনি পুরা শ্লোগান নির্ভর একটা পোস্টের মইধ্যে হান্দাইলেন কি জরুরতে। তিনি কি শ্লোগান এবং পাল্টা শ্লোগান জাতীয় মিসিল সমাবেশ করতে চাইতেছেন কিনা। বলা বাহুল্য এইসব, পরখ করতে আমি আরো একবার লেখাটা পড়ি। আমার বহুত ধৈর্য... নিজেই আশ্চর্য হইলাম আরকি!

এখন আমার অবস্থা হইল বেগতিক। মেলা কথা কইতে হয়, মেলা কিছুর থন নিজের তফাতও আবার জারি রাখন লাগে। নইলে ব্যবহারে ব্যবহারে জীবনান্দের উপমার শুয়রের মাংসের মতো দাত বসানো অসম্ভব বস্তুতে পরণিত হইবার ঝুকি থাকে। দুই দিক থেকেই। বাংলাদেশে এইসব বিষয়ে কথা বলার শুরুতে বাইনারি খাপে পুরে চিনবার প্রায় ধর্মীয় বিশ্বাসবৎ আমলের বেশ প্রাদুর্ভার আছে। তারা সবাই অন্তত এ বিষয়ে পাক্কা সালেহিন।

দুইটা স্বতন্ত্র প্রসঙ্গের খিচুড়ি এখানে পরিবেশন করা হইছে। (তবে স্বীকার করি আলবৎ রসালো হইসে, আমি নিজেই তো বার কয়েকবার খাইলাম।)

এক. যুদ্ধাপরাধ ও জামাতে ইসলাম
দুই. ধর্ম ও রাজনীতি

তারপরে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বিদ্যমান অবস্থায় শতভাগ ইমান ও সহি আকিদা পোষণ কইরা এইটারে হাজির নাজির মাইনা অটুট এবং বহাল তবিয়তে রাখনের লায় জিলাপির প্যাচের মতো ''গণতন্ত্র'' নামক অবিধায় ঘুরপাক খাইছেন। মনে হয় উনার কাছে এই দেশে গণতন্ত্র কায়েম মোকাম হইবার একমাত্র সমস্যা বইলা বিবেচিত হইল জামাত। গণতন্ত্রের এই হেন মৌরসি পাট্টায় আমি বেশ আমুদ পাইলাম। ধরা যাক কাইলকা জামাত নিবন্ধন না পাইয়া বা পাইবার লায় গঠনতন্ত্র দিন বদলাইয়া সাফসুরুত হইয়া গেলে এই দেশে গণতন্ত্রের ফল্গুধারা বহিতে থাকিবে। পদ্মা মেঘনা যমুনার দুইকূল ছাপিয়ে...

আহারে গণতন্ত্র আসেনা কেন? এত সহজে মধ্যবিত্তের কোলে আইবার দাওয়াতটাও কবুল করতারলোনা।....

আর কইতে ইচাছা করতাছেনা, আপাতত...। কইতে গলে আবার পোস্ট হইয়া যাইবো, থাউক কমেন্টাইতে থাহি...
১০. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১১
মগ্নতা বলেছেন: ঘোর-কলিযুগ, মন্তব্যে ++++
১১. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫১
কিছু আবেশ বলেছেন: হাম.......ঘোর-কলিযুগ.....ভাই আপনি খুবই ভাল কমেন্ট দিয়েছেন।



যাই হোক,মূল বিষয়ে আসি..আমি আসলে খুবই নতুন এই ব্লগে,তাই আজই প্রথম পড়লাম জাতে মাতালের লিখা.......
দেখুন,আমি মন্তব্য করার জন্যই নিচে নামছিলাম,কিন্তু কলি যুগের কথা দেখে আবার পড়তে যেয়ে পড়িনি বা পড়া লাগেনি।
কেন লাগবে বলুন......আপনার লেখায় অনেক গুলো বিষয়ে আপনি গোজামিলের আশ্রয় নিয়েছেন ভাই,এটা বলছি কারন.......আপনার অনেক গুলো ব্যপার পরিষ্কার করা দরকার ছিল,যেমন

১।আপনি জানেন জামায়াতে ইসলামী ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতিক দল ,তাই তারা মহান আল্লার সার্বভেীমত্বের কথা বলবে এটাই স্বাভাবিক।এখন আসেন ,আপনি যে গনর্ত্রন্তে জনগনের সার্বভেীমত্বের কথা বলছেন তা ত ইসলাম মানে আপনার ধর্ম (আপনার ধর্ম কি আমি যদিও জানি না,তবুও ধরে নিছ্চি আপনি মসুলমান কারন আপনি বার কয়েক আল্লার নাম নিয়েছেন) মেনে নিবে না।
আর এখানে জামায়াত ,সেই গনত্রন্তের কথাই বলছে, যে গনত্রন্তে মানুষ আল্লার সার্বভেীমত্ব স্বীকার ও একত্ববাদের ঘোষনা দিয়ে রাষ্ট সহ সকল অফিস আদালত একই মূল মন্তে দীক্ষিত হয়ে রাষ্টের উন্নয়নে একই সংগে মানব উন্নয়ন মূলক কাজ করবে।আর মানব উন্নয়ন মানেই সমাজ ও রাষ্ট অগ্রগতি।
তাই আমরা এই কথায় আসতে পারি যে,জামায়াত ,ইসলাম নিয়ে রাজনীতি নয় বরং আমি আর আপনার মত যারা ইসলামের মূল বিশ্বাস থেকে দূরে সরে গেছে তাদের কে ইসলাম বুঝানোর মহান কাজ করছে।
২। একটা ব্যাপারে আমি বুঝিনি যে,আপনি বার বার মাওলানা মওদূদীর কথা কেন এই ভাবে বললেন।আমি জানি না । আপনি কি এটাও বলবেন কিনা যে জামায়াত ,মাওলানা মওদূদী কে মানদন্ড করে পথ চলে কিংবা আপনার কথা শুনে মনে হল জামায়াত মনে হয় মাওলানা মওদূদীকে নবী মনে করে (নাওজুবিল্লাহ) ।দেখুন, ব্যাপার টা হছ্চে এমন ,জাতির মধ্যে সবাই যেমন নেতা হতে পারে না, আবার সবাই সমান বুদ্ধীমানও নয়।তাই কিছু মানুষ যারা আল্লাহর বিধান অনুযায়ী চলতে চান মাওলানা মওদূদীও তাদের মত একজন, আর মাওলানা সাহেবের বুদ্ধী ,আলোচনা, লেখনী ,কিংবা বক্তৃতা সবই এমন যেরকম তারা স্বপ্ন দেখেন বা চান।
দেখুন,আমরা কিংবা আপনি নিশ্চয় সপ্তাহে একদিন হলেও মসজিদে যান অথবা ইদের দিন যাই হোক,আপনি বা আমরা ইমাম সাহেবের পিছনে নামাজ পড়ি কেন? কারন ,আমরা মেনে নিই যে,ইমাম সাহেব ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালনে আমাদের চেয়ে অগ্রগামী সে জন্য,তাই নয় কি?
আর জামায়াতে ইসলামীর সর্মথক বা সাধারন মসুলমান গন মাওলানা মওদূদী সাহেবের লেখনী অধ্যয়ন করেন শুধু এই কারনে যে,মাওলানা সাহেব যেভাবে রাষ্ট ক্ষমতা,মানব উন্নয়ন,অর্থনেতিক উন্নয়ন,নারীর মূল্যায়ন এবং রাজনেতিক বিশ্লেষন কুরআন, হাদিস,ইজমার ভিত্তিতে দিয়েছেন তা গত শতাব্দীতে কেউ দিতে পারেনি।তাই এখন কথা হছ্চে আপনি যদি এর চেয়ে ভাল পথ দেখাতে পারেন যা মওদূদী দেখিয়েছেন তবে জামায়াত আপনার সে কথা অবশ্যই শুনবে।
১২. ১৩ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:২৫
নগর-বাউল বলেছেন: জামাতে ইসলামের কথা শুনলে একটা কথাই মনে হয়, তা হল "৭১ এ এরা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে, আমাদের মা বোনদের ইজ্জত লুন্ঠনে সহায়তা করেছে।" আর তাই তাদের গঠনতন্ত্রে কি আছে না আছে তা নিয়ে কোন কথাবার্তা বলার মানেই হয় না। ওদের প্রতি কেবলই ঘৃণা।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০১১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
jatematal@googlemail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই