আমার প্রিয় পোস্ট

আর মাত্র ছয়মাস, তারপরই মুক্তি...

ভাইভা উপাখ্যান

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৩৬

শেয়ার করুন:                   Facebook

ঈদের আগে আমার ৪র্থ সেমিস্টার ফাইনালের ভাইভা হলো। প্রত্যেক সেমিস্টারে ভাইভা দিচ্ছি, তারপরও কেনো জানি খুব ভয় লাগে, তলপেটে খুব চাপ অনুভব করি (মানে, টয়লেট ধরে)।

প্রথমেই একাউন্টিং এর কি জানি একটা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলো যেটা জীবনেও শুনিনি। আ করে সারের দিকে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কোনো উত্তর ছিলো না আমার কাছে!

এক্সটার্নাল এর সামনে আমার এই অবস্থা দেখে চেয়ারম্যান স্যার আমাকে বললেন, আমার প্রিয় যে কোনো সাবজেক্ট নিয়ে এক মিনিট লেকচার দিতে। Banking & Hedging Tools নিয়ে অনেক কিছু বললাম, মানে বলতে চেষ্টা করলাম। থামার পর স্যার বললেন, এতো মাত্র ২৫ সেকেন্ড গেল, আরো কিছু বলো। আমি পুরো চুপ মেরে গেলাম।

এরপর শুরু হল সংগা জিজ্ঞেস করার পালা। DFI, Repo, ইত্যাদি ইত্যাদি কতো প্রশ্ন যে জিজ্ঞেস করলো মনে করতে পারছি না। শুধু স্যারদের হতাশ মুখ আর এক্সটার্নাল এর কুটিল (আমার তাই মনে হচ্ছিল) হাঁসিটুকুই মনে আছে। যতটুকু পারি, স্যাররা তাও কনফিউজ করে দেন, ফলে সবকিছু ভজঘট লেগে যায়!

অবশেষে আমার প্রিয় স্যার (মানুষ হিসেবে, টিচার হিসেবে নয়) মায়া করে আমাকে বের হওয়ার রাস্তা দেখিয়ে দিলেন মানে আমাকে রেপ (আমার ওরকমই অনুভুতি হচ্ছিল! ) করে ছেড়ে দিলেন! বাকি সেমিস্টারগুলো কিভাবে যে কাটাবো তা আল্লাহতায়ালা ছাড়া কেও জানে না!:((

 

 

  • ৫ টি মন্তব্য
  • ১৮১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:১৭
comment by: প্রকৃতি প্রেমিক বলেছেন: আমার কবি বন্ধু মঈনের মতে ভাইভা হল DNA, অর্থাৎ ডেকে নিয়ে অপমান। মনে খারাপ করবেন না।
২. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:২৯
comment by: আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: @
প্রকৃতি প্রেমিক

দারুণ বলেছেন।
@ কাল্পনিক

সহানুভূতি রইল।
৩. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৫
comment by: ত/ত বলেছেন: আপনি কি ফাইনান্স এ পড়েন
৪. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৫১
comment by: ধুসর গোধূলি বলেছেন: ঝাইড়া চাপা মারবেন।
নেক্সট টাইম ভাইভা দিতে গেলে যেকোন একটা টপিকের খানিকটা অংশ ঝাড়া মুখস্ত কইরা যাইবেন। হেরপর যা-ই জিগাক, সব টাইনা টুইনা নিয়া খালি নদীতে কোনমতে ফালাইয়া দিবেন। ব্যস কেল্লাফতে।

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, শতকরা পঁচানব্বই ভাগ সফল।

ভাইভার পরে অবশ্য শুনছিলাম, 'আইদার হি নোজ নাথিং অর হি নোজ এভরিথিং!' - ঘটনা হৈলো এইটা ব্যাপার না। গোল হইলেই হৈলো, কেমনে হৈলো সেইটা বড় কথা না!

এইবার টিপসের লাইগ্যা পয়সা ঢালেন মধু ঢালী।
৫. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫৯
comment by: কাল্পনিক বলেছেন: ভালো বলেছেন। পরের সেমিস্টারে এইটা ট্রাই করে দেখব। (কিন্তু গোল টা কার বারে হইলো, এইটা জানা দরকার।)

না রে ভাই, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসায়ে প্রশাসনে পড়ি। আমাদের এখানে মেজর নেয়ার সিস্টেম নাই, তাই যাহা ফিন্যান্স, তাহাই একাউন্টিং!

 

 


ভালবাসি রাত জাগতে, হেড়ে গলায় গান গাইতে। আড্ডা ছাড়া দুনিয়া কল্পনা করতে পারিনা, ভাল লাগে স্বপ্ন দেখতে...ব্যাস, এই তো জীবন!
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ২৮৪৮