আমার প্রিয় পোস্ট
- বাঙ্গালী নেটে কি করে (১৮+ পোস্ট)
- নাফিস ইফতেখার
- কানাডায় উচ্চশিক্ষা- কিছু তথ্য - _তানজীর_
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -১(GMAT)। - কুম্ভকর্ণ
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৩৪ (দোতলার ল্যন্ডিং,মুখোমুখি দু'জন--আহসান হাবীব)] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- মাসুদ রানার অরিজিনাল বইসমূহ - কাকতারু্য়া
- মিলগ্রামের পরীক্ষা - কোথায় রয়েছে আদেশ, আনুগত্য, বিবেক, আর নৈতিকতার সীমারেখা? - রাগিব
- আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজারের পতন ও ফাইনান্সিয়ালাইজেশানের সংকট - দিনমজুর
- পুরনো দিনের বাংলা সিনেমার গান
- জটিল
- ছবিতে কম্পোজিশনের গুরুত্ব : একটি উদাহরণ ও কয়েকটি টিপস - হাসান বিপুল
- অর্থনীতির সহজ পাঠঃ বিষয়- বিদেশি বিনিয়োগ - দিনমজুর
- ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এবং ভিন্ন ভাবনা - কাল্পনিক
- ভাইভা উপাখ্যান - কাল্পনিক
ভাইভা উপাখ্যান
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৩৬
ঈদের আগে আমার ৪র্থ সেমিস্টার ফাইনালের ভাইভা হলো। প্রত্যেক সেমিস্টারে ভাইভা দিচ্ছি, তারপরও কেনো জানি খুব ভয় লাগে, তলপেটে খুব চাপ অনুভব করি (মানে, টয়লেট ধরে)।
প্রথমেই একাউন্টিং এর কি জানি একটা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলো যেটা জীবনেও শুনিনি। আ করে সারের দিকে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কোনো উত্তর ছিলো না আমার কাছে!
এক্সটার্নাল এর সামনে আমার এই অবস্থা দেখে চেয়ারম্যান স্যার আমাকে বললেন, আমার প্রিয় যে কোনো সাবজেক্ট নিয়ে এক মিনিট লেকচার দিতে। Banking & Hedging Tools নিয়ে অনেক কিছু বললাম, মানে বলতে চেষ্টা করলাম। থামার পর স্যার বললেন, এতো মাত্র ২৫ সেকেন্ড গেল, আরো কিছু বলো। আমি পুরো চুপ মেরে গেলাম।
এরপর শুরু হল সংগা জিজ্ঞেস করার পালা। DFI, Repo, ইত্যাদি ইত্যাদি কতো প্রশ্ন যে জিজ্ঞেস করলো মনে করতে পারছি না। শুধু স্যারদের হতাশ মুখ আর এক্সটার্নাল এর কুটিল (আমার তাই মনে হচ্ছিল) হাঁসিটুকুই মনে আছে। যতটুকু পারি, স্যাররা তাও কনফিউজ করে দেন, ফলে সবকিছু ভজঘট লেগে যায়!
অবশেষে আমার প্রিয় স্যার (মানুষ হিসেবে, টিচার হিসেবে নয়) মায়া করে আমাকে বের হওয়ার রাস্তা দেখিয়ে দিলেন মানে আমাকে রেপ (আমার ওরকমই অনুভুতি হচ্ছিল! ) করে ছেড়ে দিলেন! বাকি সেমিস্টারগুলো কিভাবে যে কাটাবো তা আল্লাহতায়ালা ছাড়া কেও জানে না!
প্রকৃতি প্রেমিক বলেছেন:
আমার কবি বন্ধু মঈনের মতে ভাইভা হল DNA, অর্থাৎ ডেকে নিয়ে অপমান। মনে খারাপ করবেন না।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
ঝাইড়া চাপা মারবেন।নেক্সট টাইম ভাইভা দিতে গেলে যেকোন একটা টপিকের খানিকটা অংশ ঝাড়া মুখস্ত কইরা যাইবেন। হেরপর যা-ই জিগাক, সব টাইনা টুইনা নিয়া খালি নদীতে কোনমতে ফালাইয়া দিবেন। ব্যস কেল্লাফতে।
ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, শতকরা পঁচানব্বই ভাগ সফল।
ভাইভার পরে অবশ্য শুনছিলাম, 'আইদার হি নোজ নাথিং অর হি নোজ এভরিথিং!' - ঘটনা হৈলো এইটা ব্যাপার না। গোল হইলেই হৈলো, কেমনে হৈলো সেইটা বড় কথা না!
এইবার টিপসের লাইগ্যা পয়সা ঢালেন মধু ঢালী।
কাল্পনিক বলেছেন:
ভালো বলেছেন। পরের সেমিস্টারে এইটা ট্রাই করে দেখব। (কিন্তু গোল টা কার বারে হইলো, এইটা জানা দরকার।)না রে ভাই, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসায়ে প্রশাসনে পড়ি। আমাদের এখানে মেজর নেয়ার সিস্টেম নাই, তাই যাহা ফিন্যান্স, তাহাই একাউন্টিং!


















