আমার প্রিয় পোস্ট

©Jewel, All Rights Reserved.

ডার্ক নাইট ও হিথ লেজারের গল্প।

২১ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:২৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

একের পর এক রেকর্ড গড়ে চলেছে ‘দ্য ডার্ক নাইট’। নানা কারণ এর পেছনে থাকলেও কেবল একজনই পেতে পারেন এর সিংহভাগ কৃতিত্ব। তিনি হিথ লেজার। এই ছবি এবং তার প্রসঙ্গে আমার লেখা।

মন্দের বিরুদ্ধে ভালোর যে সংগ্রাম, মিথ্যার বিপক্ষে সত্যের যে যুদ্ধ সেটা সিনেমার পর্দায় ফুটে উঠলেই আমদর্শক আরাম বোধ করেন। ফলে কমিক সিরিজের নায়ক সুপারম্যান, স্পাইডারম্যান কিংবা ব্যাটম্যান’রা রঙচঙে কাগজ আর শিশুদের মনোজগত ছেড়ে নেমে পড়ে কোটি টাকা বাজেটে সারা পৃথিবী কাঁপাতে। আর কী আশ্চর্য, সব শ্রেণীর মানুষের ভালোবাসা কুড়িয়ে এই অতিমানবেরা বক্স অফিসে সাড়া ফেলে, প্রযোজক-পরিচালকের সৌভাগ্যের বরপুত্র হয়ে ওঠে। নতুন করে এই সত্য প্রমাণ করল অতি জনপ্রিয় ব্যাটম্যান সিরিজের নতুন সিক্যুয়াল ‘দ্য ডার্ক নাইট’।

কমিক সিরিজের ব্যাটম্যান চরিত্র নিয়ে এর আগেও অনেক ছবি হয়েছে। তবে ২০০৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ব্যাটম্যান রিটার্নস’ ছবির ব্যাবসায়িক সাফল্য ও জনপ্রিয়তা ছবির পরিচালককে এর আরো সিকুয়েল তৈরি করার ব্যাপারে আগ্রহী করে তোলে। তার ফলাফল, ’০৮ সালের ১৮ জুলাই মুক্তি পায় ব্যাটম্যান সিরিজের তৃতীয় ছবি ‘দ্য ডার্ক নাইট’।

দ্য ডার্ক নাইট’-এ ক্রিশ্চিয়ান বেল ‘ব্যাটম্যান’, হিথ লেজার ‘জোকার’ (ভিলেন), অ্যারন একহোট ‘হারভি ডেন্ট’ (জেলা প্রশাসক), ম্যাগি গিলেনহাল ‘ডি এ র‌াযাচেল ডয়েসে’র চরিত্রে অভিনয় করেছেন।


এই ছবির অ্যাকশন দৃশ্য ফুটিয়ে তুলতে নায়ক ক্রিশ্চিয়ান বেল ‘কেয়েসি
ফাইটিং’ পদ্ধতিতে মারামারি প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। শুধু তাই নয় নিজের অধিকাংশ দৃশ্যে কোন স্টান্ট নেননি। ছবির অধিকাংশ দৃশ্য চিত্রায়িত হয়েছে শিকাগোয়। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং হংকংয়েও নানা দৃশ্য চিত্রায়িত হয়েছে।

‘ওয়ার্নার ব্রাদার্স’ নামের বিখ্যাত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘দি ডার্ক নাইট’ সিনেমার প্রযোজক।

এসব কথা একারণেই বলা যে, কমিককে বাস্তবে রূপদানে টাকার কোনোই সংকট রাখেনি প্রতিষ্ঠানটি। আর ছবিটি নিয়েও যে তাদের বিশেষ পরিকল্পনা ছিল তাদের কার্যক্রম দেখলেই সেটা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। ছবি মুক্তির আগেই তারা গেল বছরের মে মাসে ‘হোয়াই সো সিরিয়াস’ নামে সিনেমা ক্যাম্পেইন এবং ‘হোয়াইসোসোসিরিয়াসডটকম’ নামে ওয়েবসাইটও চালু করে। এসব কাজের মাধ্যমেই ওয়ার্নার এই সিকুয়েলের অন্ধ ভক্ত আর সাধারণ দর্শকদের ছবির ব্যাপারে পছন্দ ও চাওয়া-পাওয়া জানার চেষ্টা করে। ছবির প্রচারণার জন্য তারা খুব যত্ন আর কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা ঢেলে ট্রেলারও তৈরি করে।

তবে ওয়ার্নার ব্রাদার্সের সবচেয়ে বড় চালটি চালা হয় জোকার চরিত্রের অভিনেত