somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... জানার আছে অনেক কিছ...

১।আমাদের ত্বকের প্রতি বর্গইঞ্চিতে প্রায় ৬২৫টি ঘামগ্রন্থি আছে। ওগুলো এতো সূক্ষ্ম যে তুমি গুনে দেখতে চাইলেও পারবে না।

২।পৃথিবীর সব সাগরে যে পরিমাণ লবণ আছে তা দিয়ে পৃথিবীকে ৫০০ ফুট পুরু লবণের স্তুপ দিয়ে ঢেকে ফেলা যাবে।

৩।গ্যালিলিও দূরবীন আবিষ্কার করার আগে মানুষ খালি চোখে আকাশে মাত্র পাঁচটি গ্রহ দেখতে পেতো!

৪।জলের হাতি বা জলহস্তি পানির নিচে ৩০ মিনিট দম বন্ধ করে থাকতে পারে।

৫।ফড়িংয়ের কান মলে দিতে চাইলে কিন্তু একটু সমস্যা হবে। কারণ ফড়িংয়ের কান হাঁটুতে।

৬।কাঠঠোকরা এতো যে কাঠ ঠোকড়ায় তাতে ওর মাথা ব্যথা হয় না? না, হয় না। কারণ কাঠঠোকরার খুলির চারপাশে অনেকগুলো বায়ু প্রকোষ্ঠ আছে, যা নরম কুশনের কাজ করে।

৭।ভালুক অলস হলে কি হবে, সে প্রতি ঘণ্টায় ৪৮ কিলোমিটার (৩০ মাইল) গতিতে দৌড়াতে পারে।

৮।তুমি তো গাছ থেকে সহজেই খাবার পাও। কিন্তু জানো কি এক পাউন্ড খাবার তৈরি করতে গাছের প্রায় ১০০ পাউন্ড বৃষ্টির পানি খরচ করতে হয়।

৯।পৃথিবীর ওজন কতো জানো? ৬৬-এর ডানপাশে ২০টি শূন্য বসালে যে সংখ্যাটি হয় সেটাই পৃথিবীর ওজন। এবার নিজেই হিসেব করে দেখো।

১০।গিরগিটির জিহ্বার আকার তার শরীরের চেয়েও বড়। যতো বড়ো
মোবাইল নয় তত বড় সীম, আর কি!

১১।একজন মানুষ প্রতিদিন যে পরিমাণ বাতাস শ্বাস হিসাবে গ্রহণ করে তা দিয়ে একটি নয় ১০০০টি বেলুন ফোলানো সম্ভব।

১২।২০০৪ সাল পর্যন্ত মোট ২২৪৯ জন অভিযাত্রী এভারেস্ট জয় করার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। এদের মধ্যে নিহত হয়েছেন প্রায় ১৮৬ জন।

১৩।প্রথম এভারেস্ট জয়ী ‘শেরপা’ শুধু শেরপা তেনজিং নোরগের একার নামের মধ্যে আছে এমন নয়। বরং শেরপা হলো একটা পুরো গোত্রের নাম।

১৪।একটা কথা কি জানো হিমালয় পর্বতের যে উচ্চতা রয়েছে তা কিন্তু বাড়ছে প্রতিনিয়ত। প্রতিবছর প্রায় ৪ মিলিমিটার করে বাড়ছে হিমালয়ের উচ্চতা!

১৫।সমুদ্র সমতল থেকে হিসেব করলে পৃথিবীর দ্বিতীয় সবোর্চ্চ শৃঙ্গ পাকিস্তান ও চীন সীমান্তের কে-টু পাহাড়। এর উচ্চতা ২৮ হাজার ২৫১ ফুট (৮ হাজার ৬১১ মিটার)।

১৬।আপেল খেতে যতই স্বাদ লাগুক, জেনে নিও আপেলের ৮৪ ভাগই পানি।

১৭।প্রতি মিনিটে তোমার শরীর থেকে প্রায় ৩০০টি মৃত দেহ কোষ ঝরে পড়ছে।

১৮।প্রতি চার মিনিটে মায়েরা একবার তার সন্তানের কথা ভাবেন। এই হিসেবে প্রতিদিন গড়ে ২১০ বার সন্তানের কথা চিন্তা করেন একজন মা।

১৯।সবচেয়ে ছোট ডাকটিকেটটি ছিলো ৯.৫ x ৮ মিমি। ১৮৬৩ সালে এই টিকেটটি প্রকাশ করেছিলো বলিভারের কলাম্বিয়ান স্টেট।

২০।এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে চীন। বিংশ শতাব্দির প্রথম দিকে তারা ২১০ x ৬৫ মিমি মাপের ডাকটিকেটটি প্রকাশ করে।

২১।ডাকটিকেটের পেছনে প্রথম আঁঠা লাগানোর পদ্ধতি চালু করে সিয়েরা লিয়ন নামের আফ্রিকা মহাদেশের দেশটি। সালটা ছিলো ১৯৬৪।

২২।মানুষের নখ প্রতিদিন ০.০১৭১৫ ইঞ্চি করে বাড়ে।

২৩।মানুষের শরীরের রক্ত শরীরের ভেতর প্রতিদিন ১৬ লাখ ৮০ হাজার মাইল সমান পথ অতিক্রম করে।

২৪।মানুষ প্রতিদিন ৪৩৮ ঘনফুট বাতাস শ্বাস প্রশ্বাসের কাজে ব্যবহার করে।

২৫।মানুষের কান প্রতি বছর এক ইঞ্চির প্রায় ০.০০৮৭ অংশ করে বাড়ে।

ভাগ্যিশ! বেশি বাড়লে শেষে একেবারে গাধার কানের মতো লম্বা হয়ে যেতো!

২৬।দাড়িপাল্লায় যদি ওজন করা সম্ভব হতো তাহলে পৃথিবীর ওজন ৮১টি চাঁদের ওজনের সমান হতো।

২৭।অংকে এক মিলিয়ন লিখতে ৭টি সংখ্যা লাগে। তেমনি ইংরেজিতে মিলিয়ন শব্দটি লিখতে ৭টি অক্ষর লাগে।

২৮।নাকের বদলে পা দিয়ে নিঃশ্বাস নিলে কেমন হবে বলো তো? স্যান্ড বারলার ক্র্যাব (এক প্রকার কাঁকড়া) তার পা দিয়েই বিশেষভাবে নিঃশ্বাস নেয়। কারণ ওর নাক নেই।

২৯।কোয়েলা ঘুম কাতুরে। ওরা দিনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮ ঘন্টাই ঘুমিয়ে কাটায়।

৩০।পৃথিবীতে একমাত্র মানুষই হাসতে পারে। এই তুমি কি হাসতে পারো? না পারলে মানুষের খাতা থেকে তোমার নাম কাটা।

৩১।কেঁচোর কোন চোখ না থাকায় সে অন্য প্রাণীদের মতো দেখতে পায় না। তবে সমস্যা নেই, ত্বকের বিশেষ ধরনের কোষের সাহায্য চারিপাশের অবস্থা সে ঠিকই বুঝতে পারে।

৩২।তোমার পুরো শরীরের মাংসপেশী আছে মোট ৬৫০টি। গুনে দেখবে একটু?

৩৩।কেঁচোকে সারাজীবনে কখনোই চশমা পরতে হয় না। কেন জানো? কারণ ওর শরীরে কোন চোখই নেই।

৩৪।মানুষের শরীর থেকে প্রতিদিন গড়ে এক চা কাপের সমান ঘাম ঝরে।

৩৫।মাত্র ৫ লিটার মধু খেয়ে এক একটি মৌমাছির ঝাঁক ৪০ হাজার মাইল পথ পাড়ি দিতে পারে।

৩৬।একটি কলার শতকরা পঁচাত্তর ভাগই পানি। তুমি যদি ছোট্ট এক গ্লাস পানির বদলে এক গ্লাস কলা খাবো বলো, তাহলে কিন্তু খুব একটা ভুল হবে না!

৩৭।জানোই তো একজন মানুষের আঙুলের ছাপ আরেকজন মানুষের চেয়ে ভিন্নতর। তেমনি ঠোঁটের ছাপ ও একজনের চেয়ে আরেকজনেরটা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।

৩৮।মাশরুমে প্রোটিনের পরিমান আলুর চেয়ে দ্বিগুন, টমেটোর চারগুন এবং কমলা লেবুর ছয় গুন বেশি। তাই বলে মাশরুম কাঁচা খেয়ে ফেলাটা কিন্তু বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।

৩৯।মুরগি পাখি বলে ধরা হয়। তো এ পর্যন্ত একটি মুরগি শূন্যে ডানা ঝাপ্টে সবচেয়ে বেশি পথ পাড়ি দেওয়ার রেকর্ড হচ্ছে ৩০২ ফুট। হায়রে মুরগি!

৪০।বাংলাভাষায় লেখা প্রথম ব্যাকরণ রচিত হয় ১৭৩৪ থেকে ১৭৪২ সালের মধ্যে। এর লেখক ছিলেন মানোএল দা আসসুম্পসাঁউ নামের এক পুর্তগিজ পাদ্রি।

৪১।বাংলা ভাষায় ছাপা প্রথম সম্পুর্ন গদ্যগ্রন্থ ছাপা হয় ১৭৮৫ সালে। বইটি ছিল জোনাথান ডানকানের লেখা ‘ইম্পে কোড’ নামের একটি আইনের বইয়ের বাংলা অনুবাদ।

৪২।ইংরেজিতে ছাপা প্রথম বইয়ের নাম ছিল ‘দি রেকুইয়েল অব দি হিস্টোরিয়েস অব ট্রয়’ (The Recuyell of the Historyes of Troye)।
এই বইটি ছাপা হয় ১৪৭৫ সালে আর লেখক ছিলেন উইলিয়াম ক্যাক্সটন।

৪৩।পৃথিবীতে যত লিপস্টিক আছে, তার বেশিররভাগই তৈরি হয় মাছের আঁশ দিয়ে। (তাইতো বলি এত মাছ খাই, তার আঁশগুলো যায় কোথায়!)

৪৪।বিজ্ঞানি টমাস আলভা এডিসন অনেক আগে একটি হেলিকপ্টার বানানোর বুদ্ধি করেছিলেন যেটা চলবে বন্দুকের বারূদ দিয়ে। কিন' তার এই বুদ্ধিটা খুব একটা বুদ্ধিমানের মত ছিল না, কারণ এটা বানাতে যেয়ে সে তার পুরো ল্যবরেটরি উড়িয়ে দিয়েছিলেন।

৪৫।হাসাহাসি করা কিন্তু সোজা না। সে তুমি মুচকি হাসো আর হো হো করে হাসো, প্রতিবার হাসার সময় মুখের কমপক্ষে ৫ জোড়া মাংশপেশী তোমাকে ব্যবহার করতে হয়। আর বেশী হাসি পেলে তো মোট ৫৩টা পেশী লাগবে।

৪৬।কোন কথা না বলেই মানুষ তার তার মুখ দিয়ে হাজার রকম ভাব প্রকাশ করতে পারে। রাগ, অভিমান, মেজাজ এইসব আরকি। কিন্তু এগুলোর ভেতরে আমরা সবচেয়ে বেশী কি করি জানো? হাসি! হি হি হি!

৪৭।গোল্ড ফিস ছোট্ট হলে কি হবে, ওদের কেউ কেউ ৪০বছর পর্যন্তও বাঁচতে পারে।

৪৮।দুনিয়া জুড়ে হিসাব করলে প্রতি বছর প্লেন ক্রাশে যত মানুষ মারা যায়, তার চেয়ে বেশি মানুষ মারা যায় গাঁধার পিঠ থেকে পড়ে। এ জন্যই বোধহয় মানুষ গাধার পিঠে না, প্লেনে করেই বিদেশ বেশি যায়।

৪৯।বসে বসে টিভি দেখার চেয়ে শুয়ে শুয়ে ঘুমালে শরীরের অনেক বেশি ক্যালরি পোড়ে। অবশ্য যদি লাফাতে লাফাতে টিভি দেখ তাহলে অন্য হিসাব।

৫০।ডানহাতি মানুষেরা সাধারণত বাঁহাতি মানুষের চেয়ে অল্প কিছুদিন বেশী বাঁচে। অবশ্য যারা দুই হাতেই সমান তালে কাজ করতে জানে তাদের ব্যাপারে নিশ্চিত করে বলতে পারছি না।

৫১।একজন মানুষ তার জীবনের অন্তত দুই সপ্তাহ কাটায় ট্রাফিক সিগনালের লাল বাতিতে। আর জ্যাম লাগলে তো কথাই নেই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/29244287 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/29244287 2010-09-24 02:17:56
বর্বরতা শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি আমরা মানব জাতি।
আদিকাল হতে বর্বরতার গন্ধ পাওয়া যায় সমীরণে
দানব,মানব,জীবজন্তু ও প্রাণীকূল হ'তে।
কালের পরিক্রমায় এই মন্দ বিশেষণের চক্র হয়নি
আজও নিঃশেষ।
প্রাচীন,সামন্ত,মধ্য আধুনিক যুগ ও কালের প্রবাহ
পায়নি এ থেকে পরিত্রাণ।
স্রষ্টার সেরা সৃষ্টি অন্তরে গুপ্তভাবে ব্যাপ্ত রয়েছে ----
নফস্ আম্মারার এ'কু-স্বভাব অবিরত।
সুরমা বৃহৎ প্রাসাদ,প্রভাব প্রতিপত্তি ও বিশাল বৈভবের আস্বাদ
পেয়েও আমরা লাঞ্ছিত করেছি মানবতা।
জ্ঞানে-বিজ্ঞানে আধুনিক সভ্যতা গড়েও মুছে ফেলতে পারিনি
আমরা বারংবার এ' কদর্য জঘন্য স্বভাব।
তথাপি নিজেদেরকে সুসভ্য, কুলীন, সর্বোত্তম সৃষ্টি বলে ভাবি
শোন হে মহাজ্ঞানী, আহা ,কি চমৎকার বোকামী!
যুগে যুগে বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনী ফললাভে আমরা নিজেদেরকে
অতি উন্নত সৃষ্টি বলে অত্যন্ত ধন্য মনে করি।
অত্যাধুনিকতায়, অঢেল অর্থের অহমিকায় ও মেকী অভিজাত
বংশের মিথ্যা দোহাই দিয়ে গর্ববোধ করি।
গর্ব করা কেবল স্রষ্টারই সাজে, সকল কাজের মাঝে
হে ভ্রান্তবিলাস মানব, নহে তাহা সৃষ্টির।
মূল্যবোধের অবক্ষয়ে, হীনকাজে, পাশবিক অত্যাচারে ও
নৃশংস হত্যাযজ্ঞে অদ্যাবধি আমাদের বর্বরতার কলঙ্ক বহন করে।
বুদ্ধিজীবী, মসিজীবী ও ধরিত্রীর অমৃতের সন্তান আমরা সকলে
এ কলঙ্কের মনিহার আর নাহি শোভা পাক মোদের গলে।
অসি দিয়ে, মসি দিয়ে, প্রজ্ঞা দিয়ে শ্রম দিয়ে ও দৃঢ় আত্মপ্রত্যয়ে
আজই বর্বরতাকে নিশ্চিহ্ন করব মোরা।
গেয়ে যাই বিশ্বব্যপী জয়গান, হোক চির অবসান ধরা ধাম থেকে
চিরতরে আদিম রিপু, পাশববৃত্তি বর্বরতার।।


লেখকঃ মরহুম আবদুল মান্নান প্রকাশিত নাটোর বার্তায় ১১ই মার্চ,১৯৯৬ ইং।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28995464 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28995464 2009-08-17 19:01:19
গানটি কোথায় পাবো? " style="border:0;" />খুব শুনতে ইচ্ছা হচ্ছে। কেউ আপলোড করে দেন প্লিজ।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28935553 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28935553 2009-04-09 01:37:30 জানতে চাই..? কেউ জানালে উপকৃত হব।......]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28908688 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28908688 2009-02-09 12:27:30 জটিল আবর্তে নির্বাচনী প্রক্রিয়া। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ৪ দলীয় জোট যে কোনো দিন নির্বাচন বর্জনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে পারে বলে ইতিমধ্যে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন উঠেছে। এই জোটের অন্যতম শরিক জামাতে ইসলামী গতকাল শুক্রবার থেকে নির্বাচনী প্রচারণা অনানুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ রেখেছে বলেও শোনা যাচ্ছে। এই জোটের বিরোধী শিবিরসহ অনেক মহল থেকে এমন কথাও শোনা যাচ্ছে যে, মাঠ পর্যায়ের তথ্যে নির্বাচনে পরাজয় আঁচ করতে পেরে বিএনপি-জামাত জোট নানা অজুহাত ও ঘোলাটে পরিস্থিতি সৃষ্টি করে নির্বাচন বয়কট ও বানচালের পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
তবে নির্বাচন বয়কট বা প্রতিরোধ সম্পর্কিত তথ্যের সত্যতা সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কোনো সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কিন্তু চলমান ঘটনাবলী, বিএনপির সর্বশেষ অবস্থান ও যাবতীয় পারিপার্শ্বিকতা নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের অনিশ্চয়তার আশঙ্কাকে ক্রমশ ঘনীভূত করে তুলছে বলে পর্যবেক্ষক মহলের ধারণা।
বিশেষ করে গত ২/৩ দিন যাবৎ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুখে নির্বাচন কমিশন, সরকার ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণ, গণমাধ্যমের ওপর অদৃশ্য শক্তির নিয়ন্ত্রণ, পাতানো নির্বাচন অনুষ্ঠানের পাঁয়তারা ও নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এবং ওই দলের এক সংবাদ সম্মেলনে দুর্নীতি দমন কমিশনের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক তথ্য প্রকাশ ও ভোটগ্রহণের ১০ দিন আগে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়ায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে দুরভিসন্ধির অভিযোগ বিদ্যমান পরিস্থিতিকে বেশ ঘোলাটে করে তুলেছে।
১৯৭১ সালের অপকর্মের তথ্য প্রকাশ করায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষ বিরোধিতাকারী একটি দলের বিষোদগার এবং এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়েরের ঘটনাও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। নির্বাচনী প্রচারণায় আচরণবিধি সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন করে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচারণা ও পরস্পর বিরোধী তীব্র আক্রমণাত্মক বক্তব্য প্রদানের ঘটনাবলীও এই অনিশ্চয়তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের ধারণা।
এছাড়া নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও ব্যালট পেপার ছাপার কাজ শুরুর পর মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রায় তিন ডজন প্রার্থী রিটার্নিং অফিসার (আরও) এবং কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালত থেকে বৈধতা ফিরে পাওয়ায় সৃষ্ট জটিলতা ও এ ব্যাপারে খোদ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) অসহায়ত্ব ও ক্ষোভ প্রকাশের ঘটনা উদ্ভূত পরিস্থিতিকে বেশ জটিল করেছে। চলমান নির্বাচনী প্রক্রিয়ার শেষ মুহূর্তে উচ্চ আদালতের এই রায় নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বহুল আলোচিত বেসরকারি সংগঠন ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক’ (সুজন) গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ।
উল্লেখ্য, স¤প্রতি উত্তরাঞ্চল সফরকালে বিভিন্ন নির্বাচনী জনসভায় ভাষণদানকালে ৪ দল নেত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গত ২/৩ দিন যাবৎ অভিযোগ করছেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ নয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি বিশেষ দল ও গোষ্ঠীকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য প্রশাসন সাজিয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাজশাহীর জনসভায় তিনি বলেছেন, জরুরি অবস্থা তুলে নেয়া হলেও গণমাধ্যমের ওপর কোনো অদৃশ্য শক্তির নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এ কারণে তারা ৪ দল প্রার্থীদের প্রচারণা ও তার (খালেদা) জনসভার তথ্যচিত্র সংগ্রহ করলেও সঠিকভাবে প্রচার করতে পারছেন না।
এর আগে সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুরের বিভিন্ন জনসভায় খালেদা জিয়া বলেছেন, নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে। আবার একটি পাতানো নির্বাচনের পাঁয়তারা চলছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে বিএনপি মেনে নেবে, কিন্তু সাজানো-পাতানো কোনো নির্বাচনের ফলাফল বিএনপি বা এ দেশের জনগণ মেনে নেবে না উল্লেখ করে তিনি এমন হুঁশিয়ারিও উচ্চারণ করেছেন যে, কোনো কারণে নির্বাচন বানচাল হলে এবার জনগণ তার সমুচিত জবাব দেবে।
বিএনপি নেত্রীর এ ধরনের বক্তব্য সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক নির্বাচনের পরিবেশকে শুধু ব্যাহতই করছে না, রীতিমতো উদ্দেশ্যমূলক ও নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তোলারই অপকৌশল বলে পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত। অনেকের মতে, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও রাজশাহী বিশেষ করে বিএনপির দুর্গ বলে পরিচিত বগুড়ায় ৪ দলের জনসভায় জনসমাগম হতাশাব্যঞ্জক হওয়ায় খালেদা জিয়া হতাশ হয়েছেন। এ কারণে তিনি এ ধরনের উগ্র ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে বেড়াচ্ছেন।
সিঙ্গাপুর সরকার খালেদা জিয়ার ছোটো পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর অবৈধ ১২ কোটি টাকা জব্দ করার পর দুর্নীতি দমন কমিশন তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করায় গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব দুদককে অভিযুক্ত করে বলেছেন, নির্বাচনের আগ মুহূর্তে দুদকের এই পদক্ষেপ উদ্দেশ্যমূলক। কোনো মহল বিশেষের স্বার্থে কিংবা বিশেষ উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের তদন্ত ছাড়াই দুদক এই তথ্য প্রকাশ করেছে। সংবাদ সম্মেলনে ২০ ডিসেম্বর (আজ শনিবার) থেকে সারা দেশে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সমালোচনা করে বলা হয়, ভোটগ্রহণের ১০ দিন আগে নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়।
বিএনপির মতো তাদের ঘনিষ্ঠ মিত্র জামাতে ইসলামীও নির্বাচন কমিশনের সমালোচনার পাশাপাশি গণমাধ্যমের বিরুদ্ধেও বিষোদগার করছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা ও গণধর্ষণসহ এই দলটির নানা অপকীর্তির কাহিনী এবং বিগত বিএনপি-জামাত জোট সরকারের ৫ বছর সারা দেশে সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন, দুর্নীতি ও লুটপাটের কাহিনী এই বিজয়ের মাসে বিভিন্ন পত্রিকা ও টেলিভিশন চ্যানেলে নিয়মিত প্রকাশিত হওয়ায় চরম বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে জামাত।
সূত্র মতে, সাধারণ মানুষ বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের ভোটাররা জামাতের এসব কুকীর্তি সম্পর্কে অবহিত হওয়ায় নির্বাচনী মাঠে দৌড়ে দলটি অনেক পিছিয়ে পড়েছে। এ কারণে তারা গত ১৮ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের কাছে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘন ও উদ্দেশ্যমূলক প্রচারণার অভিযোগ দায়ের করে। জানা গেছে, ইতিমধ্যে তারা অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণাও বন্ধ করে দিয়েছে।
উচ্চ আদালতের রায়ে অনেকের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়াও নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলেছে। আদালতের নির্দেশে নির্বাচন কমিশন ইতিপূর্বে বাতিল হওয়া কয়েকজন প্রার্থীর প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও জটিলতার অবসান হচ্ছে না। আদালতের চূড়ান্ত রায়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল থাকলে ওই সকল আসনের নির্বাচন বাতিল করে উপনির্বাচন করতে হবে বলে ইসি সূত্র জানায়।
সূত্র মতে, আদালতের নির্দেশ মতো চাঁদপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেয়ায় ওই আসনে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা মীর ইকবাল হোসেনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এক্ষেত্রে তিনি (ইকবাল) উচ্চ আদালতের আশ্রয় নিতে পারবেন এবং সে ক্ষেত্রে আদালতের রায় তার পক্ষে এলে ওই আসনে নতুন সংকট সৃষ্টি হবে বলে আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
সূত্র মতে, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গতকাল পর্যন্ত ঋণ ও বিলখেলাপি এবং দণ্ডপ্রাপ্তসহ মোট ১৭ জন প্রার্থীকে নির্বাচন করার সুযোগ দেয়ার জন্য আদালত রায় দিয়েছে। এদের মধ্যে বিএনপির ৬ জন, আওয়ামী লীগের ৩ জন, জাতীয় পার্টি (এ) ও বিকল্পধারার ১ জন এবং ৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। আদালতের রায় অনুযায়ী, রিটার্নিং অফিসাররা গতকাল বিএনপির মেজর (অব.) মঞ্জুর কাদের (সিরাজগঞ্জ-৫) ও আব্দুস সোবহান (বরিশাল-১), আওয়ামী লীগের মহীউদ্দীন খান আলমগীর (চাঁদপুর-১), হাবিবুর রহমান মোল্লা (ঢাকা-৫), বিকল্পধারার বি এম সেলিম রেজা (যশোর-২) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সিদ্দিকুর রহমান মান্নার (ভোলা-৩) প্রার্থিতা বৈধ করে প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে।
সূত্র মতে, মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেয়ায় ওই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মীর ইকবাল হোসেনের প্রার্থিতা বাতিল হয়ে গেছে। কারণ দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার দেয়া মনোনয়ন তালিকা অনুযায়ী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের নাম ১ নম্বরে ছিল। কিন্তু তার মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় ইকবাল হোসেনের প্রার্থিতা বৈধ করে তাকে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। এরপর তিনি নির্বাচনী প্রচারণাও শুরু করেন। এখন তার মনোনয়ন বাতিলের ক্ষমতা রিটার্নিং অফিসারের আছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই অবস্থায় তিনি প্রার্থিতা বহাল রাখতে আদালতে যেতে পারেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কৌঁসুলি ড. শাহদীন মালিক সাংবাদিকদের বলেন, মীর ইকবাল হোসেন নিজেকে ক্ষতিগ্রস্ত মনে করলে উচ্চ আদালতের আশ্রয় নিতে কোনো আইনি বাধা নেই। কমিশন তাকে নৌকা প্রতীক বাদ দিয়ে নতুন প্রতীকও বরাদ্দ দিতে পারে। গত কয়েক দিনে উচ্চ আদালত বেশ কয়েকজন প্রার্থীর প্রার্থিতা গ্রহণের জন্য অন্তবর্তীকালীন আদেশ দিয়েছেন। আদালতের এই আদেশ চূড়ান্ত রায় নয়।
ড. শাহদীন মালিক বলেন, মনোনয়নপত্র বাতিলে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনো হয়নি। এবারের নির্বাচনের পরে ওই মামলাগুলোর চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হতে পারে। কমিশনও মনে করে তাদের সিদ্ধান্ত সঠিক। প্রার্থিতা বাতিলে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্তÑ উচ্চ আদালতের রায়ে এই সঠিক ঘোষণাটি দেয়া হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী বিজয়ী হলেও তার প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যাবে। এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট আসনে উপ-নির্বাচন অনু্িঠত হবে। ফলে কমিশনের আদেশ বাস্তবায়ন করলেও ভবিষ্যতে আইন জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
এদিকে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক উচ্চ আদালতের রায়ে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় নতুন করে প্রতীক বরাদ্দ দিয়ে ও ব্যালট পেপার ছাপিয়ে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ কতোটা সম্ভব হবে তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। গতকালই প্রতীক বরাদ্দ দেয়া শুরু হলেও ব্যালট পেপার ছাপা নিয়ে জটিলতা দেখা দেবে। কারণ প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করার পরই ৩টি সরকারি প্রেসে ব্যালট পেপার ছাপার কার্যাদেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
সূত্র মতে, ইতিমধ্যে অনেক আসনের ব্যালট পেপার ছাপা সম্পন্ন হয়েছে এবং অন্যান্য আসনের ছাপার কাজও পুরোদমে চলছে। কিন্তু চূড়ান্ত তালিকায় অনেক প্রার্থীর নাম নতুন করে যুক্ত হওয়ায় এখন সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর জন্য নতুন করেই ব্যালট পেপার ছাপাতে হবে। এর মধ্যে গতকাল পর্যন্ত প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় ৫০ লাখ ব্যালট পুড়িয়ে ফেলতে হবে বলে কমিশন জানিয়েছে।
ইসি সূত্র জানায়, সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আগামী কয়েকদিনে আরো অনেক ব্যালট পেপার পুড়িয়ে ফেলতে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে জটিলতা আরো বাড়বে। সব মিলিয়ে পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া একটি জটিলতার আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে বলেই পর্যবেক্ষক মহলের ধারণা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28885156 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28885156 2008-12-20 10:54:32
যদি একটি সাইটে সব হয়। http://www.bdinfo.synthasite.com/
ধন্যবাদ সকলকে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28873462 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28873462 2008-11-24 12:16:24
চাঁদ ওঠেনি........ http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28849793 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28849793 2008-09-30 19:04:26 শামসুর রাহমান এর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা দুটি ছড়া ছড়ায় এক ইতিহাস
বাসরে সে কী একাত্তরে
ফুলবাগানে, খেলাঘরে

রাত-দুপুরে অন্ধকারে
খটখটা খট পড়ল হাড়ে

জেনারেলের বুট।

মরল মানুষ মাছির মতো
দিনরাত্তির অবিরত,

মরল মানুষ পথে ঘাটে,
বন্ধ ঘরে, খোলা মাঠে

হাজার হাজার মুক্তিসেনা,
কেউ-বা চেনা, কেউ অচেনা-

পড়ল ছেয়ে সারাদেশে
রকমারি ছদ্মবেশে।

রইল মিশে খালের পাশে,
গাছের পাতায় ঘাসে ঘাসে

তাদের দেখে শত্রু যত
ভয়-পাওয়া সব হুলোর মত
দিল বেজায় ছুট।

---------------------------------

যা রাজাকার
যা রাজাকার ভেগে যা,
এদেশ ছেড়ে ভেগে যা,

খোকার সাহস দেখে যা,
মারের মজা চেখে যা।

তোদের হাতে খুনের দাগ
ভাগরে তোরা জোরসে ভাগ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28834600 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28834600 2008-08-25 05:44:20
<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" />জেগে থাকেলে হাত তোলেন.... " style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28834590 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28834590 2008-08-25 04:39:59 মনপুরা এর গান(লিংক ঠিক করে দিলাম)....
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28832766 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28832766 2008-08-20 13:54:47
Black এর একটা গান।
http://www.mediafire.com/?jjabcnjhyt3]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28830296 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28830296 2008-08-13 01:01:35
মেরি হ্যাড এ লিটল ল্যাম্ব।
সে সময় মেরি সয়্যার নামে এক বালিকার একটি পোষা মেষ বা ভেড়া ছিলো। সে তার ভাইয়ের কথাতে একদিন সেটাকে স্কুলে নিয়ে যায়। মেষ দেখে স্কুলে ছোট খাট হৈচৈ শুরু হয়ে গেল। অবস্থা দেখে স্কুল অফিসে মেরিকে ডেকে পাঠানো হয়।

সে সময় একটা নিয়ম ছিল যে কলেজের ছাত্ররা ধর্মযাজকের সঙ্গে থেকে পড়ালেখা করত।

মেরি যেদিন ভেড়াটিকে স্কুলে নিয়ে যায় সেদিনই জন রোলস্টোন নামে ওরকম এক কলেজ ছাত্র স্কুল পরিদর্শনে এসেছিল। স্কুলে মেরির ভেড়া আনার বিষয়টি তাকে মুগ্ধ করে।

পরদিন ঘোড়ার পিঠে চড়ে স্কুলে এসে মেরির হাতে এক টুকরো কাগজ ধরিয়ে দেয় যেখানে এই রাইমের প্রথম তিন লাইন লেখা ছিল।

অনেকে মনে করেন, পুরো কবিতাটিই কাল্পনিক। এটি যীশুকে কল্পনা করে লেখা হয়েছে। এখানে মেরির ভেড়া হচ্ছে যীশু। এর সাদা পশম দ্বারা যিশুর পবিত্রতাকে বোঝানো হয়েছে।

কবিতাটির উৎস সম্পর্কে দুধরনের মত প্রচলিত আছে। কেউ কেউ বলেন সারাহই প্রথম এ কবিতাটি রচনা করেন। আবার অনেকের ধারণা, রোলস্টোন কবিতাটির প্রথম চার লাইন ও শেষ বার লাইন রচনা করেন।

টমাস আলভা এডিসন তার আবিস্কৃত ফনোগ্রাফে যে কথাগুলো প্রথম রেকর্ড করেন সেটা হলো এই ছড়ার কয়েকটি লাইন।

পুরো ঘটনাটি যে স্কুলে ঘটেছে সে স্কুলটির নাম রেডষ্টোন স্কুল। এটি ১৭৯৮ সালে নির্মিত হয়। আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস রাজ্যের ষ্টার্লিং এ স্কুলটি প্রথম স্থাপিত হয়। তবে তা স্থানান্তর করে সানবারিতে নেওয়া হয়।


নিচে পুরো কবিতাটি আপনাদের জন্য দেওয়া হল।

Mary had a little lamb,
Little lamb, little lamb,
Mary had a little lamb,
Its fleece was white as snow

And everywhere that Mary went,
Mary went, Mary went,
Everywhere that Mary went
The lamb was sure to go

It followed her to school one day
School one day, school one day
It followed her to school one day
Which was against the rules.

It made the children laugh and play,
Laugh and play, laugh and play,
It made the children laugh and play
To see a lamb at school

And so the teacher turned it out,
Turned it out, turned it out,
And so the teacher turned it out,
But still it lingered near

And waited patiently about,
Patiently about, patiently about,
And waited patiently about
Till Mary did appear

"Why does the lamb love Mary so?"
Love Mary so? Love Mary so?
"Why does the lamb love Mary so?"
The eager children cry

"Why, Mary loves the lamb, you know."
Loves the lamb, you know, loves the lamb, you know
"Why, Mary loves the lamb, you know."
The teacher did reply .]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28829528 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28829528 2008-08-10 23:52:52
ভূমিকম্প!!!!!!!!!! http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28824515 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28824515 2008-07-27 01:05:11 টুইংকল টুইংকল লিটল স্টার।
ইংরেজি ছড়াটির জন্মভুমি হচ্ছে ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডের অ্যান টেইলর এবং তার বোন জেন টেইলর দুজন মিলে এই ছড়াটি লেখেন। ১৮০৬ সালে ছড়াটি প্রথম প্রকাশিত হয়।

তবে ইংরেজি ছড়াটি প্রকাশিত হবার পর পরই এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তাই পরবর্তীতে এই ছড়াটির অনুকরণে আরও অনেক ছড়া লেখেন অন্য ছড়াকাররা। মুল ছড়াটিতে ২০ লাইনের মোট পাঁচটি পংক্তি থাকলেও প্রথম চার লাইনই সবার কাছে বেশি পরিচিত এবং পঠিত। মুল ইংরেজি ছড়াটির শিরোনাম ছিল ‘দি স্টার’। পুরো ছড়াটি আপনাদের জন্য দেওয়া হল।



The Star


Twinkle, twinkle, little star,

How I wonder what you are!

Up above the world so high,

Like a diamond in the sky!


When the blazing sun is gone,

When he nothing shines upon,

Then you show your little light,

Twinkle, twinkle, all the night.


Then the traveler in the dark,

Thanks you for your tiny spark,

He could not see which way to go,

If you did not twinkle so.


In the dark blue sky you keep,

And often through my curtains peep,

For you never shut your eye,

Till the sun is in the sky.


As your bright and tiny spark,

Lights the traveller in the dark,—

Though I know not what you are,

Twinkle, twinkle, little star. ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28819635 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28819635 2008-07-12 23:25:36
বাবা দিবসের কিছু অজানা তথ্য। সোনোরা লুইস ডডের মা সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে যখন মারা যান, তখন ডডের বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। আর ডডের বাবা উইলিয়াম জ্যাকসন সবে যুদ্ধ থেকে ফিরেছেন। তারপর থেকেই সে দেখেছে তার বাবা তাদের ছয় ভাই-বোনকে মানুষ করার জন্য রাত-দিন কি কঠিন পরিশ্রমই না করছেন। তারা তাদের মায়ের অভাব বুঝতেই পারেনি বলতে গেলে। যেনো বাবাই তাদের মা। বাবাই ছিলো তাদের সব কিছু।

১৯০৯ সালে ডডের বয়স যখন ২৭ তখন সে অবাক হয়েই দেখলো মায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের জন্য একটি দিন আছে যে দিনটি বিশ্বের প্রায় সবাই পালন করে। অথচ বাবার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের কোনো দিন নেই, যেন বাবাকে কেউ ভালোই বাসে না।

ডড ভাবলো মা দিবসের মতো বাবা দিবস থাকলে কেমন হয়! কিন' তার এ ভাবনা যখন অন্যরা শোনে তখন হেসেই বাঁচে না। এমনকি তাকে নিয়ে এজন্য রঙ্গ-রসিকতা করতেও কেউ বাদ রাখেনি। কিন্তু ডড এতে ভীষণ কষ্ট পেলেও দমলো না একদম, বরং তার মধ্যে জেদ আরো প্রবল হয়ে উঠলো। কারণ সে তার বাবাকে প্রচন্ড ভালোবাসে। তাই সে আন্তরিকভাবে বাবা দিবস পালনের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করতে লাগলো। আন-রিক প্রচেষ্টা আর কঠোর পরিশ্রম যে সফলতার মূল চাবিকাঠি সেটা আরেকবার প্রমাণিত হলো। কারণ তার পরের বছর মানে ১৯১০ সালে ওয়াশিংটনের স্পোকান নামে ছোট্ট শহরে (ডডের নিজ শহর) কয়েকটি সংগঠনের উদ্যোগে পালিত হলো বাবা দিবস।

তারপর ১৯১৬ সালে আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন এ দিবসকে সমর্থন করেন। এক সময় এটা তাদের জাতীয় আইনসভাতেও স্বীকৃতি পায়। সেই থেকে জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বিশ্ব বাবা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।

বাবা দিবস দেশে দেশে
বাবা দিবসের পালনের ইতিহাস খুব বেশি দিনের না হলেও বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৮৭টি দেশ দিবসটি পালন করে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, সব দেশ একই দিনে বাবা দিবস পালন করে না। বরং বেশির ভাগ দেশের ভিন্ন ভিন্ন দিন রয়েছে বাবাকে ভালোবাসা জানানোর জন্য। এমনকি দেশভেদে বাবা দিবসের রীতিতেও রয়েছে ব্যাপক পার্থক্য।

প্রতিবছর জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বাবা দিবস পালন করে বেশ কিছু দেশ। এগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ, অ্যান্টিগুয়া, বাহামা, বুলগেরিয়া, কানাডা, চিলি, কলাম্বিয়া, কোস্টা রিকা, কিউবা, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ফ্রান্স, গ্রিস, গায়ানা, হংকং, ভারত, আয়ারল্যান্ড, জ্যামাইকা, জাপান, মালয়েশিয়া, মাল্টা, মরিশাস, মেক্সিকো, নেদারল্যান্ড, পাকিস্তান, পানামা, প্যারাগুয়ে, পেরু, ফিলিপাইন, পুয়ের্টো রিকো, সিঙ্গাপুর, স্লোভাকিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলংকা, সুইজারল্যান্ড, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো, তুরস্ক, ইংল্যান্ড, আমেরিকা, ভেনিজুয়েলা ও জিম্বাবুয়ে।

এদিকে ইরান বাবা দিবস পালন করে ১৪ মার্চ। আবার মার্চ মাসের ১৯ তারিখে বাবা দিবস পালন করে বলিভিয়া, ইটালি, হন্ডুরাস, পর্তুগাল ও স্পেন।

প্রতিবছর মে মাসের ৮ তারিখে বাবা দিবস পালন করে দক্ষিণ কোরিয়া। অন্যদিকে জুন মাসের প্রথম রবিবার বাবা দিবস পালন করে লিথুনিয়া, ৫ জুনে ডেনমার্ক এবং জুনের দ্বিতীয় রবিবার বাবা দিবস পালন করে অস্ট্রিয়া, ইকুয়েডর ও বেলজিয়াম। এল সালভেদর ও গুয়েতেমালা বাবা দিবস পালন করে ১৭ জুন। নিকারাগুয়া, পোল্যান্ড ও উগান্ডা ২৩ জুন পালন করে বাবা দিবস।

দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের উরুগুয়ে জুলাই মাসের দ্বিতীয় রবিবার পালন করে বাবা দিবস। ডমিনিকান রিপাবলিক জুলাই মাসের শেষ রবিবার দিবসটি পালন করে। ফুটবলের জন্য জনপ্রিয় দেশ দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের ব্রাজিল বাবা দিবস পালন করে আগস্ট মাসের দ্বিতীয় রবিবার। আগস্টের ৮ তারিখে বাবা দিবস পালন করে তাইওয়ান ও চিন। ফুলবল প্রিয় আরেক দেশ আর্জেটিনা বাবা দিবস পালন করে ২৪ আগস্ট।

সেপ্টেম্বরের প্রথম রবিবার বাবা দিবস পালন করে অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড। আবার একই মাসের পূর্ণিমায় বাবা দিবস পালন করে হিমালয় কন্যা নেপাল।

পশ্চিম ইউরোপের দেশ লুক্সেমবার্গ বাবা দিবস পালন করে ৫ অক্টোবর এবং একই মাসের দ্বিতীয় রবিবার বাবা দিবস পালন করে এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে এবং সুইডেন।

আর এশিয়ার আরেক দেশ থাইল্যান্ড ৫ ডিসেম্বর বাবা দিবস পালন করে।

বাবা দিবস : ভিন্ন দেশের ভিন্ন রীত

বিশ্বের প্রায় ৮৭টি দেশে বাবা দিবস পালিত হয়। কিন্তু এসব দেশের বাবা দিবস পালনের তারিখ যেমন ভিন্ন তেমনি তাদের রীতিও আলাদা আলাদা। সেটাই জেনে নিই চলো।

অস্ট্রেলিয়া
সেপ্টেম্বরের প্রথম রোববার অস্ট্রেলিয়ার বাবা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। এদিন বাবাকে শুভেচ্ছা জানাতে সন্তানরা বেছে নেয় ফুল, নেকটাই, চকোলেট বা বাবার প্রিয় কোন কিছু। শুধু তাই নয়, এদিন বাবার সন্মানে পরিবারের সবাই একত্রে সকালের নাস্তা করে। এছাড়া সারাদিন বাবার সাথে কাটায় অস্ট্রেলিয়ার অধিবাসীরা। তাদের বিশ্বাস এতে সন্তানদের সাথে বাবার ভালবাসার বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।

ভারত
ভারতে বাবা দিবস পালনের রীতি খুব বেশি দিনের নয়। মূলতঃ পশ্চিমা দেশগুলোর অনুকরণে ভারতে বাবা দিবস পালিত হয়। সামপ্রতিক কালের হলেও ভারতে ক্রমেই এই দিবসটি প্রসার পাচ্ছে। তবে তা এখনো শহরগুলোতেই সীমাবদ্ধ। ভারতে জুনের তৃতীয় রবিবার বাবা দিবস পালিত হয়। এই দিন বাবার সাথে কাটায় ভারতের পরিবারের সদস্যরা। বাবাকে শুভেচ্ছা জানাতে কার্ড, ফুল বা অন্যকিছু বেছে নেয়া হয়। তাছাড়া পরিবারের সবাই মিলে দূরে কোথাও পিকনিক বা সিনেমা দেখাটাও বেশ প্রচলিত।

এছাড়া ভারতের অনেক স্কুলে বাবা দিবসে সামনে রেখে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে।


আমেরিকা
১৯৭২ সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নিক্সন বাবা দিবসকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। সেই থেকে প্রতিবছর জুনের তৃতীয় রবিবার আমেরিকায় বাবা দিবস পালিত হচ্ছে। এই দিনটি আমেরিকার পরিবারের সদস্যদের পূণর্মিলনীর মতো। তাই যারা বাড়ি থেকে দূরে থাকে তারা এদিন বাড়ি আসার চেষ্টা করে, যাতে সবাই মিলে একসাথে বাবা দিবস পালন করা যায়। বাবাকে শুভেচ্ছা জানাতে আমেরিকানদের পছন্দের তালিকায় আছে ফুল, কার্ড, চকোলেট, নেকটাই।

দক্ষিণ আফ্রিকা
অন্যান্য দেশের মতো দক্ষিণ আফ্রিকার অধিবাসীরা তাদের বাবাকে ভালোবাসা প্রকাশের সুযোগ থেকে নিজেদের বঞ্চিত করে না। তাই তারা প্রতি বছর জুনের তৃতীয় রবিবার বেশ ঘটা করেই বাবা দিবস পালন করে। বাবাকে শুভেচ্ছা জানাতে তারা কার্ড, ফুল, নেকটাই বা হাতে বানানো কিছু উপহার দেয়। তাছাড়া এদিন পরিবারের সবাই একসাথে সময় কাটায়। অনেকেই এদিন বাবার সাথে পিকনিক, মাছ শিকারে বা রেস্টুরেন্টে খেতে যায়।

পৃথিবীর সকল বাবার জন্য আমার পক্ষ থেকে রইল শুভেচ্ছা ... বাবা, তোমার জন্য ভালোবাসা। বাবা, তুমি ভালো থেকো।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28817133 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28817133 2008-07-05 22:12:09
হামটি ডামটি স্যাট অন এ ওয়াল এর ইতিহাস। http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28817087 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28817087 2008-07-05 20:09:17 ``জানার আছে অনেক কিছু``
২।পৃথিবীর সব সাগরে যে পরিমাণ লবণ আছে তা দিয়ে পৃথিবীকে ৫০০ ফুট পুরু লবণের স্তুপ দিয়ে ঢেকে ফেলা যাবে।

৩।গ্যালিলিও দূরবীন আবিষ্কার করার আগে মানুষ খালি চোখে আকাশে মাত্র পাঁচটি গ্রহ দেখতে পেতো!

৪।জলের হাতি বা জলহস্তি পানির নিচে ৩০ মিনিট দম বন্ধ করে থাকতে পারে।

৫।ফড়িংয়ের কান মলে দিতে চাইলে কিন্তু একটু সমস্যা হবে। কারণ ফড়িংয়ের কান হাঁটুতে।

৬।কাঠঠোকরা এতো যে কাঠ ঠোকড়ায় তাতে ওর মাথা ব্যথা হয় না? না, হয় না। কারণ কাঠঠোকরার খুলির চারপাশে অনেকগুলো বায়ু প্রকোষ্ঠ আছে, যা নরম কুশনের কাজ করে।

৭।ভালুক অলস হলে কি হবে, সে প্রতি ঘণ্টায় ৪৮ কিলোমিটার (৩০ মাইল) গতিতে দৌড়াতে পারে।

৮।তুমি তো গাছ থেকে সহজেই খাবার পাও। কিন্তু জানো কি এক পাউন্ড খাবার তৈরি করতে গাছের প্রায় ১০০ পাউন্ড বৃষ্টির পানি খরচ করতে হয়।

৯।পৃথিবীর ওজন কতো জানো? ৬৬-এর ডানপাশে ২০টি শূন্য বসালে যে সংখ্যাটি হয় সেটাই পৃথিবীর ওজন। এবার নিজেই হিসেব করে দেখো।

১০।গিরগিটির জিহ্বার আকার তার শরীরের চেয়েও বড়। যতো বড়ো
মোবাইল নয় তত বড় সীম, আর কি!

১১।একজন মানুষ প্রতিদিন যে পরিমাণ বাতাস শ্বাস হিসাবে গ্রহণ করে তা দিয়ে একটি নয় ১০০০টি বেলুন ফোলানো সম্ভব।

১২।২০০৪ সাল পর্যন্ত মোট ২২৪৯ জন অভিযাত্রী এভারেস্ট জয় করার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। এদের মধ্যে নিহত হয়েছেন প্রায় ১৮৬ জন।

১৩।প্রথম এভারেস্ট জয়ী ‘শেরপা’ শুধু শেরপা তেনজিং নোরগের একার নামের মধ্যে আছে এমন নয়। বরং শেরপা হলো একটা পুরো গোত্রের নাম।

১৪।একটা কথা কি জানো হিমালয় পর্বতের যে উচ্চতা রয়েছে তা কিন্তু বাড়ছে প্রতিনিয়ত। প্রতিবছর প্রায় ৪ মিলিমিটার করে বাড়ছে হিমালয়ের উচ্চতা!

১৫।সমুদ্র সমতল থেকে হিসেব করলে পৃথিবীর দ্বিতীয় সবোর্চ্চ শৃঙ্গ পাকিস্তান ও চীন সীমান্তের কে-টু পাহাড়। এর উচ্চতা ২৮ হাজার ২৫১ ফুট (৮ হাজার ৬১১ মিটার)।

১৬।আপেল খেতে যতই স্বাদ লাগুক, জেনে নিও আপেলের ৮৪ ভাগই পানি।

১৭।প্রতি মিনিটে তোমার শরীর থেকে প্রায় ৩০০টি মৃত দেহ কোষ ঝরে পড়ছে।

১৮।প্রতি চার মিনিটে মায়েরা একবার তার সন্তানের কথা ভাবেন। এই হিসেবে প্রতিদিন গড়ে ২১০ বার সন্তানের কথা চিন্তা করেন একজন মা।

১৯।সবচেয়ে ছোট ডাকটিকেটটি ছিলো ৯.৫ x ৮ মিমি। ১৮৬৩ সালে এই টিকেটটি প্রকাশ করেছিলো বলিভারের কলাম্বিয়ান স্টেট।

২০।এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে চীন। বিংশ শতাব্দির প্রথম দিকে তারা ২১০ x ৬৫ মিমি মাপের ডাকটিকেটটি প্রকাশ করে।

২১।ডাকটিকেটের পেছনে প্রথম আঁঠা লাগানোর পদ্ধতি চালু করে সিয়েরা লিয়ন নামের আফ্রিকা মহাদেশের দেশটি। সালটা ছিলো ১৯৬৪।

২২।মানুষের নখ প্রতিদিন ০.০১৭১৫ ইঞ্চি করে বাড়ে।

২৩।মানুষের শরীরের রক্ত শরীরের ভেতর প্রতিদিন ১৬ লাখ ৮০ হাজার মাইল সমান পথ অতিক্রম করে।

২৪।মানুষ প্রতিদিন ৪৩৮ ঘনফুট বাতাস শ্বাস প্রশ্বাসের কাজে ব্যবহার করে।

২৫।মানুষের কান প্রতি বছর এক ইঞ্চির প্রায় ০.০০৮৭ অংশ করে বাড়ে।

ভাগ্যিশ! বেশি বাড়লে শেষে একেবারে গাধার কানের মতো লম্বা হয়ে যেতো!

২৬।দাড়িপাল্লায় যদি ওজন করা সম্ভব হতো তাহলে পৃথিবীর ওজন ৮১টি চাঁদের ওজনের সমান হতো।

২৭।অংকে এক মিলিয়ন লিখতে ৭টি সংখ্যা লাগে। তেমনি ইংরেজিতে মিলিয়ন শব্দটি লিখতে ৭টি অক্ষর লাগে।

২৮।নাকের বদলে পা দিয়ে নিঃশ্বাস নিলে কেমন হবে বলো তো? স্যান্ড বারলার ক্র্যাব (এক প্রকার কাঁকড়া) তার পা দিয়েই বিশেষভাবে নিঃশ্বাস নেয়। কারণ ওর নাক নেই।

২৯।কোয়েলা ঘুম কাতুরে। ওরা দিনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮ ঘন্টাই ঘুমিয়ে কাটায়।

৩০।পৃথিবীতে একমাত্র মানুষই হাসতে পারে। এই তুমি কি হাসতে পারো? না পারলে মানুষের খাতা থেকে তোমার নাম কাটা।

৩১।কেঁচোর কোন চোখ না থাকায় সে অন্য প্রাণীদের মতো দেখতে পায় না। তবে সমস্যা নেই, ত্বকের বিশেষ ধরনের কোষের সাহায্য চারিপাশের অবস্থা সে ঠিকই বুঝতে পারে।

৩২।তোমার পুরো শরীরের মাংসপেশী আছে মোট ৬৫০টি। গুনে দেখবে একটু?

৩৩।কেঁচোকে সারাজীবনে কখনোই চশমা পরতে হয় না। কেন জানো? কারণ ওর শরীরে কোন চোখই নেই।

৩৪।মানুষের শরীর থেকে প্রতিদিন গড়ে এক চা কাপের সমান ঘাম ঝরে।

৩৫।মাত্র ৫ লিটার মধু খেয়ে এক একটি মৌমাছির ঝাঁক ৪০ হাজার মাইল পথ পাড়ি দিতে পারে।

৩৬।একটি কলার শতকরা পঁচাত্তর ভাগই পানি। তুমি যদি ছোট্ট এক গ্লাস পানির বদলে এক গ্লাস কলা খাবো বলো, তাহলে কিন্তু খুব একটা ভুল হবে না!

৩৭।জানোই তো একজন মানুষের আঙুলের ছাপ আরেকজন মানুষের চেয়ে ভিন্নতর। তেমনি ঠোঁটের ছাপ ও একজনের চেয়ে আরেকজনেরটা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।

৩৮।মাশরুমে প্রোটিনের পরিমান আলুর চেয়ে দ্বিগুন, টমেটোর চারগুন এবং কমলা লেবুর ছয় গুন বেশি। তাই বলে মাশরুম কাঁচা খেয়ে ফেলাটা কিন্তু বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।

৩৯।মুরগি পাখি বলে ধরা হয়। তো এ পর্যন্ত একটি মুরগি শূন্যে ডানা ঝাপ্টে সবচেয়ে বেশি পথ পাড়ি দেওয়ার রেকর্ড হচ্ছে ৩০২ ফুট। হায়রে মুরগি!

৪০।বাংলাভাষায় লেখা প্রথম ব্যাকরণ রচিত হয় ১৭৩৪ থেকে ১৭৪২ সালের মধ্যে। এর লেখক ছিলেন মানোএল দা আসসুম্পসাঁউ নামের এক পুর্তগিজ পাদ্রি।

৪১।বাংলা ভাষায় ছাপা প্রথম সম্পুর্ন গদ্যগ্রন্থ ছাপা হয় ১৭৮৫ সালে। বইটি ছিল জোনাথান ডানকানের লেখা ‘ইম্পে কোড’ নামের একটি আইনের বইয়ের বাংলা অনুবাদ।

৪২।ইংরেজিতে ছাপা প্রথম বইয়ের নাম ছিল ‘দি রেকুইয়েল অব দি হিস্টোরিয়েস অব ট্রয়’ (The Recuyell of the Historyes of Troye)।
এই বইটি ছাপা হয় ১৪৭৫ সালে আর লেখক ছিলেন উইলিয়াম ক্যাক্সটন।

৪৩।পৃথিবীতে যত লিপস্টিক আছে, তার বেশিররভাগই তৈরি হয় মাছের আঁশ দিয়ে। (তাইতো বলি এত মাছ খাই, তার আঁশগুলো যায় কোথায়!)

৪৪।বিজ্ঞানি টমাস আলভা এডিসন অনেক আগে একটি হেলিকপ্টার বানানোর বুদ্ধি করেছিলেন যেটা চলবে বন্দুকের বারূদ দিয়ে। কিন' তার এই বুদ্ধিটা খুব একটা বুদ্ধিমানের মত ছিল না, কারণ এটা বানাতে যেয়ে সে তার পুরো ল্যবরেটরি উড়িয়ে দিয়েছিলেন।

৪৫।হাসাহাসি করা কিন্তু সোজা না। সে তুমি মুচকি হাসো আর হো হো করে হাসো, প্রতিবার হাসার সময় মুখের কমপক্ষে ৫ জোড়া মাংশপেশী তোমাকে ব্যবহার করতে হয়। আর বেশী হাসি পেলে তো মোট ৫৩টা পেশী লাগবে।

৪৬।কোন কথা না বলেই মানুষ তার তার মুখ দিয়ে হাজার রকম ভাব প্রকাশ করতে পারে। রাগ, অভিমান, মেজাজ এইসব আরকি। কিন্তু এগুলোর ভেতরে আমরা সবচেয়ে বেশী কি করি জানো? হাসি! হি হি হি!

৪৭।গোল্ড ফিস ছোট্ট হলে কি হবে, ওদের কেউ কেউ ৪০বছর পর্যন্তও বাঁচতে পারে।

৪৮।দুনিয়া জুড়ে হিসাব করলে প্রতি বছর প্লেন ক্রাশে যত মানুষ মারা যায়, তার চেয়ে বেশি মানুষ মারা যায় গাঁধার পিঠ থেকে পড়ে। এ জন্যই বোধহয় মানুষ গাধার পিঠে না, প্লেনে করেই বিদেশ বেশি যায়।

৪৯।বসে বসে টিভি দেখার চেয়ে শুয়ে শুয়ে ঘুমালে শরীরের অনেক বেশি ক্যালরি পোড়ে। অবশ্য যদি লাফাতে লাফাতে টিভি দেখ তাহলে অন্য হিসাব।

৫০।ডানহাতি মানুষেরা সাধারণত বাঁহাতি মানুষের চেয়ে অল্প কিছুদিন বেশী বাঁচে। অবশ্য যারা দুই হাতেই সমান তালে কাজ করতে জানে তাদের ব্যাপারে নিশ্চিত করে বলতে পারছি না।

৫১।একজন মানুষ তার জীবনের অন্তত দুই সপ্তাহ কাটায় ট্রাফিক সিগনালের লাল বাতিতে। আর জ্যাম লাগলে তো কথাই নেই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28816269 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28816269 2008-07-03 01:52:32
...মজারু...
মজার খাবারটা ভালোমতো খেয়াল করো নৌকার দাঁড় বাইছে কে যেনো!


একটা কুকুর শুয়ে আছে খাবারটার মধ্যে। আজব তাই না!


চুপ চুপ কেউ কথা বলো না, এখানে একটা খরগোশ ঘুমুচ্ছে!


মিষ্টি একটা মেয়ে মাথায় ফুল গুজেছে দেখো!


এই বিড়ালটা বেশ ফ্যাশন সচেতন। দেখছো না চোখে সানগ্লাস পড়েছে।


এইটা রূপকথার সেই ব্যাঙ রাজপুত্র।


এই খরেগাশ ছানাগুলো গান গাইছে। বলো তো কী গান?


দেখো তো ওরা দুই বন্ধুতে কী করছে?


জ্বল জ্বলচোখে তাকিয়ে আছে কে ও?


এই প্রাণীটির নাম কিন্তু আমি জানি না। তোমরা কেউ বলতে পারবে?


এই বিড়ালটি চোখ উল্টে মজা করছে দেখো।


এই বিড়ালটা ভীষণ রেগে আছে। সাবধান আচঁড়ে দেবে!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28816249 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28816249 2008-07-03 00:36:02
ইয়াম ইয়াম চুইংগাম।
আছে। অনেক আছে। কিন্তু এর মধ্যে কোনটা তোমাদের সবচেয়ে বেশি পছন্দের। সবাই নিশ্চয়ই এক শব্দে উত্তর দেবে: চুইংগাম। হ্যাঁ, চুইংগাম আজ সারা বিশ্বের শিশু-কিশোরদের প্রিয় একটি খাবার। শুধু শিশু-কিশোরদের বলি কেন বয়স্করাও পিছিয়ে নেই চুইংগাম খাওয়ায়। দেখো না খেলার মাঠে ক্রিকেটাররা খেলতে খেলতেও কেমন চুইংগাম চিবোয়!

সবার প্রিয় চুইংগাম বর্তমানের রূপ পেতে অনেক পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। সেটাও এক মজার গল্প। সেই গল্পই শুনি চলো।

কেমন করে কোথা থেকে এলো চুইংগাম
প্রাচীন গ্রীক জাতি ম্যাসটিক গাছ (mastic tree) এর আঁঠালো উপাদান (কষের মতো) ম্যাসটিচ (Mastiche) খুব পছন্দ করতো। সম্ভবত মানুষের ইতিহাসে সেটাই প্রথম চুইংগাম।

খ্রিস্ট্রিয় প্রথম শতাব্দিতে এক গ্রীক চিকিৎসক ও উদ্ভিদবিদ ম্যাসটিক গাছের আরোগ্য সহায়ক ক্ষমতা বর্ণনা করেন। তবে বর্তমানে কেবল গ্রিকরা নয় মধ্যপ্রাচ্যেও ম্যাসটিক গাছের রস ও মৌমাছির মোম একসাথে মিশিয়ে তৈরি চুইংগাম খাওয়ার ব্যাপক চল রয়েছে।

গ্রিক ভাষায় ম্যাসটিচ শব্দের অর্থ হলো ‘চিবানো’।

এদিকে মধ্য আমেরিকান মায়া জাতির মধ্যেও চুইংগাম চিবানোর প্রথা প্রচলিত ছিল। গবেষণায় দেখা যায়, তারা স্যাপোডিলা (Sapodilla) গাছের রস থেকে তৈরি চুইংগাম চিবাতো। অবশ্য তাদের ভাষায় এটার নাম ছিলো ‘চিকল’ (Chickle)। একসময় এই শিকল চিবানো তাদের ঐতিহ্যের অংশ হয়ে যায়।

৮০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে মায়া সভ্যতার উপাসনালয়, নির্মিত রাস্তা, ক্যালেন্ডার, বিশাল বিশাল শহরগুলো অজ্ঞাত কারণে ইতিহাস থেকে হারিয়ে যায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও উনবিংশ শতাব্দি পর্যন্ত মায়া জাতির উত্তরসূরিদের মধ্যে একমাত্র ঐতিহ্য হিসেবে এই চুইংগাম খাওয়ার প্রবণতা টিকে ছিলো।

নিউ ইংল্যান্ডে বসবাসকারী আমেরিকান ইনডিয়ানরা স্প্রুস (Spruce) গাছের রস থেকে তৈরি চুইংগাম খেত। আমেরিকার জন্মলগ্ন থেকেই চুইংগাম চিবানোর প্রথা বৃদ্ধি পেতে থাকে। উনবিংশ শতকের শুরু পর্যন্ত স্প্রুসগাম-ই ছিল প্রথম গাম প্রডাক্ট যা বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি হতো।

এরপর স্প্রুসগামের স্থান দখল করে প্যারফিন মোম গাম। প্যারফিন মোম গাম মুখের উষ্ণতা ও আর্দ্রতাকে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ব্যবহার করে। একে চিবানোর ক্ষেত্রে মানানসই করে বলেই অন্যান্য গামের পরিবর্তে এ গামই বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানেও মিষ্টি ও সুগন্ধযুক্ত প্যারাফিন মোম চুইংগাম তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

বর্তমান সময়ের চুইংগামের ব্যবহার শুরু হয় ১৮৬৯ সালে। মেক্সিকান জেনারেল অ্যান্তেনিও লোপেজ ও ডি সান্তা আনরা রাবারের বিকল্প খুঁজছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন চিকল হতে পারে রাবার-এর বিকল্প।। তাই এ বিষয়ে তিনি আমেরিকান বিজ্ঞানী টমাস এডামস এর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিন্তু এডামস দেখেন যে চিকল রবারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহারযোগ্য নয়। তাহলে? চিকল রাবারের বিকল্প না হোক অন্য কাজে কি একে ব্যবহার করা যায় না? এডামস সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেলেন অচিরেই।

একদিন এডামস এক মেয়েকে প্যারাফিন বেইজড গাম চিবাতে দেখেন। তখনই তার মাথায় আসে যে চিকল হতে গাম উৎপন্ন করা যায়। এরপর চিকল হতে গাম উৎপন্ন শুরু হয়। পরে বানিজ্যিকভাবে চুইংগাম তৈরি করতে এই চিকল ব্যবহার শুরু হয়।

সুতরাং বুঝতেই পারছো, বর্তমানের চুইংগাম আসলে মায়া জাতির সেই চিকল চিবানোর কথাই মনে করিয়ে দেয়। তাই অন্য কথায় বলা যায়, চুইংগাম মায়া জাতির চিকলের পুনঃআবিষ্কার।

হরেক রকম চুইংগাম
চুইংগাম বানিজ্যিকভাবে উৎপাদনের পর ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে নানান রকম ও নানা স্বাদের চুইংগাম তৈরি করতে শুরু করে বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য নামগুলো হচ্ছে-

বল গাম : এটা দেখতে অনেকটা বলের মতো তাই এরকম নাম। সাধারণত বিভিন্ন দেশের ভেন্ডিং মেশিনে এই বল গাম পাওয়া যায়। আমেরিকায় একে গাম বল এবং ইংল্যান্ডে একে স্ক্রু বল বলে।

বাবল গাম : এই গামকে চিবাতে চিবাতে একসময় কায়দা করে ফুলিয়ে বেলুনের মতো করে ফেলা যায়, তাই এরকম নাম।

ক্যান্ডি গাম : আসলে এটা চুইংগাম এবং ক্যান্ডির সংমিশ্রণ।

চিকলেট গাম : এই চুইংগামের চারিদিকে ক্যান্ডির প্রলেপ দেয়া থাকে।

এছাড়া আরও কিছু চুইংগামের নাম শোনা যায়। সেগুলো হলো ফাংশনাল গাম, মেডিকেটেড গাম, পাউডার্ড গাম, স্টিক গাম, রিবন গাম, টিউব গাম বা স্প্যাগেটি গাম ইত্যাদি।

কেমন করে বানানো হয় চুইংগাম
চুইংগাম এর ইতিহাস তো জেনেই গেছো। এখন তোমাদের নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে করছে, চুইংগাম কীভাবে তৈরি করে। ঠিক আছে, এবার সেটাই বলছি।

শুধু যে ম্যাসটিক গাছ, স্যাপোডিলা গাছ কিংবা স্প্রুস গাছের রস থেকেই যে চুইংগাম তৈরি করা হয় তা কিন্তু নয়। আমাজান উপত্যকার লিচ (Leche) কাসপি (Caspi) ও সর্ভা (Sorva), মধ্য আমেরিকার নিসপেরো (Nispero) ও টুনু (Tunu), ইন্দোনেশিয়া মালয় ও ব্রিটিশ বোর্ণিও এর জেলুতং (Jelutong) চুইংগাম উৎপাদনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর পাইগাছের রসও চুইংগাম তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। এর সঙ্গে মানুষের তৈরি রেসিন ও মোম-এর ব্যবহারও লক্ষ্য করা যায় উপাদেয় চুইংগাম তৈরিতে। এছাড়া গাম-বেইজের সঙ্গে মেশানো হয় শস্যের সিরাপ তথা তরল, মিষ্টি ও সুগন্ধি উপাদান।
এ উপাদানগুলো গাম-বেইজের সঙ্গে মিশানোর জন্য গাম-বেইজকে প্রথমে বাষ্প-জ্যাকেটযুক্ত কেটলিতে ২৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় গলানো হয়। এসময় এটা তরল মেপল সিরাপের মতো হয়ে যায়। এরপর ছাঁকনির সাহায্যে সিরাপকে ছেঁকে নিয়ে মিক্সার যন্ত্রে অন্যান্য উপাদান মেশানো হয়। এ পুরো পদ্ধতিতে গাম-বেইজকে উত্তপ্ত রাখা হয়। শস্য সিরাপ কিংবা গ্লুকোজ গামকে আর্দ্র ও চিবানোর জন্য আনন্দদায়ক করে তোলে এবং একই সঙ্গে নমনীয়তা ও স্থিতিস্থাপকতার নিশ্চয়তা দিয়ে থাকে।

এরপর এ উত্তপ্ত তরল মিশ্রণকে যন্ত্রের সাহায্যে ঠাণ্ডা করা হয়। তারপর বিভিন্ন প্রকার ছাঁচের মাধ্যমে চুইংগামের বিভিন্ন রূপ দেয়া হয। শিট-রোলিং মেশিনে কেটে কোনো চুইংগামকে পাতলা শিটের রূপ দেয়া হয়, আবার অন্য মেশিনে কোনটার রূপ দেয়া হয় কিউব কিংবা বলের আকৃতির। তারপর চমৎকার প্যাকেটে ভরে বাজারজাত করা হয় তোমাদের জন্য।

কী, কত সহজেই চুইগাংম বানানো শিখে ফেললে। হাতের কাছে সবগুলো প্রয়োজনীয় জিনিস থাকলে এখনই বানিয়ে ফেলতে, তাই না? যাক তা যখন নেই, তখন কী আর করা, রেসিপিটা জেনে ফেলার মধ্যেই আগ্রহটা সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

ভালো-মন্দের চুইংগাম
চুইংগাম সম্বন্ধে তো এর আগে অনেক কিছুই জেনে ফেলেছো। এবার একটু এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্বন্ধেও জেনে নাও।
মানুষ হাজার হাজার বছর হলো চুইংগাম চিবোচ্ছে। তারপরও কুসংস্কার আছে যে, চুইংগাম গিলে ফেললে তা ৭ বছর পর্যন্ত হজম না হয়েই নাড়িভুঁড়ির মধ্যে থেকে যায়।

কিন্তু এ সম্পর্কে বেশ কিছু গবেষণা হয়েছে। গবেষকরা জানাচ্ছেন ভিন্ন কথা। তাদের মতে, চুইংগাম বেইজের সাথে নরম কারক উপাদান, সুগন্ধ, মিষ্টিকারক উপাদান এবং শস্য সিরাপ মিশিয়ে চুইংগাম তৈরি করা হয়। গাম অর্থাৎ চুইগাম- বেইজ ছাড়া এর অন্যান্য সব উপাদানই মুখলালার সাথে দ্রবীভূত হয়ে যায়। তাই ৭ বছর ধরে গাম পেটের নাড়িভুঁড়ির মধ্য থাকার গল্প শুধুই কুসংস্কার ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না। যদি ভুল করে গ্রাম চিবানোর পর গিলেও ফেল তা অন্যান্য বর্জ্যের মতোই জায়গা খুঁজে নেবে তোমার টয়লেটে।

তবে চুইংগাম সম্পর্কে এই ধারণা মিথ্যে প্রমাণিত হলেও এটাও সত্যি যে, বেশি পরিমাণ চুইংগাম খেলে তা শরীরের জন্য ক্ষতি বয়ে আনে। পরিমিত চুইংগাম খাওয়ার উপকারিতা হলো, এটা মুখের লালা উৎপাদনের হার বাড়ায়, যা মুখের স্বাস্থ্য ও সতেজ নিঃশ্বাসের নিশ্চয়তা দেয়।

আর এদিকে এর ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো হলো, মিষ্টিহীন চুইংগামে ব্যবহৃত সর্বিটল, সিনামন ইত্যাদি সুগন্ধি ব্যবহারের কারণে মুখের ঘা হয়। আবার অতিরিক্ত চুইংগাম চিবানোর কারণে রক্তে পারদের উচ্চ হার, দাঁতের নানা রোগ প্রভৃতি সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই একটু কুঝে শুনে চুইংগাম খাওয়া ভালো। কারণ চুইংগামের প্রতি অতিরিক্ত আকর্ষণ তোমার দেহের ক্ষতিই ডেকে আনে।

মনে রাখবে, মাত্রাতিরিক্ত কোন কিছুই ভাল নয়। তবে অল্প স্বল্প চুইংগাম খেলে ক্ষতির কিছু নেই।


বিঃদ্রঃ- একটি বিদেশী আর্টিকেল অবলম্বনে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28816241 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28816241 2008-07-03 00:14:27
আরো কিছু ভৌতিক এনিমেটেড GIF.. " style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28815920 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28815920 2008-07-02 00:52:50 আপনার মতামত দিন। http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28814094 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28814094 2008-06-27 00:37:34 ছবি দুটির পার্থক্য বের করুন।(পুনঃ পোষ্ট যারা দেখেননি তাদের জন্য) http://members.home.nl/saen/Special/Zoeken.swf কপি করে নিয়ে এ্যাড্রেস বারে পেস্ট করে দেখুন। লিংকে গেলে দেখবেন দুটি ছবি আছে। ছবি দুটির মধ্যে মিনিমাম ৩টি পার্থক্য আছে। আমি একটিও পাচ্ছি না। আপনারা কি দেখে বলবেন ছবি দুটির মধ্যে আসলেই কোন পার্থক্য আছে কি নাই!!??

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28811809 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28811809 2008-06-20 23:01:07
আমার Google AdSense Account Disabled করা হয়েছে!!!!!
Hello Manzur Mannan,

While going through our records recently, we found that your AdSense
account has posed a significant risk to our AdWords advertisers. Since
keeping your account in our publisher network may financially damage
our advertisers in the future, we have decided to disable your account.

Please understand that we consider this a necessary step to protect the
interests of both our advertisers and our other AdSense publishers. We
realise the inconvenience that this may cause you and we thank you in
advance for your understanding and cooperation.

If you have any questions about your account or the actions that we
have taken, please do not reply to this email. You can find more
information by visiting
Click This Link.

Yours sincerely,

The Google AdSense Team
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28811123 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28811123 2008-06-19 00:05:37
ছবি দুটির পার্থক্য বের করুন। http://members.home.nl/saen/Special/Zoeken.swf কপি করে নিয়ে এ্যাড্রেস বারে পেস্ট করে দেখুন। লিংকে গেলে দেখবেন দুটি ছবি আছে। ছবি দুটির মধ্যে মিনিমাম ৩টি পার্থক্য আছে। আমি একটিও পাচ্ছি না। আপনারা কি দেখে বলবেন ছবি দুটির মধ্যে আসলেই কোন পার্থক্য আছে কি নাই!!?? ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28799129 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28799129 2008-05-17 22:54:18 Download এর জন্য সবচেয়ে ভাল Software কোনটি? জানালে সবারই উপকার হবে।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28798795 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28798795 2008-05-17 03:21:20 Google Adesense এ কি Tax pay করতে হয়? http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28798737 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28798737 2008-05-16 23:42:39 ঈদ মোবারক ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28737211 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28737211 2007-10-12 21:02:06 সাহায্য চাই। উপায় থাকলে কেউ কি জানাবেন আমাকে দয়া করে...]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28715628 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28715628 2007-06-11 23:23:07 প্রার্থনা আব্বুর জন্য। ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28715338 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28715338 2007-06-10 00:24:55 ছবি দুটির পার্থক্য বের করুনতো?(পুন:পোষ্ট যারা দেখেননি তাদের জন্য).. http://members.home.nl/saen/Special/Zoeken.swf কপি করে নিয়ে এ্যাড্রেস বারে পেস্ট করে দেখুন। লিংকে গেলে দেখবেন দুটি ছবি আছে। ছবি দুটির মধ্যে মিনিমাম ৩টি পার্থক্য আছে। আমি একটিও পাচ্ছি না। আপনারা কি দেখে বলবেন ছবি দুটির মধ্যে আসলেই কোন পার্থক্য আছে কি নাই!!??

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28714652 http://www.somewhereinblog.net/blog/jewelmanzurblog/28714652 2007-06-05 03:30:14