আমার প্রিয় পোস্ট

যদি নির্বাসন দাও.................................................................. আমি ওষ্ঠে অঙ্গুরী ছোঁয়াবো আমি বিষ পান করে মরে যাবো! বিষণ্ন আলোয় এই বাংলাদেশ নদীর শিয়রে ঝুঁকে পড়া মেঘ, প্রান্তরে দিগন্ত নির্নিমেষ- এ আমারই সাড়ে তিন হাত তুমি।

[is=green] wc

২৪ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ৯:১০

শেয়ার করুন:                   Facebook

[সাইজ=3]
তারপর?

তারপর একদিন আমি এক বুক ধুকপুকানি নিয়ে পৌরুষের সকল অহংকার বিসর্জন দিয়ে হৃদয় লুটালাম সেই আরাধ্য মৃত্তিকা মানবীর চরণে। ভালোবাসার সাজানো ডালি নিয়ে দাঁড়ালাম তার সামনে, বললাম- সুচিত্রা, আমি তোমাকে ভালোবাসি। তুমি কি আমার হবে? ক্ষণিক চুপ করে রইলো সে। তারপর কটাক্ষ ভরা দৃষ্টি নিয়ে ঘৃণার আগুনে জ্বলতে জ্বলতে বলল, ভালোবাস? এর আগে তোমারই মতো আরো অনেক প্রেমিক হৃদয় আমাকে একই কথাই শুনিয়েছে বার বার। পরখ করে দেখলাম- তারা কেউ আমায় ভালোবাসেনি, ভালোবেসেছে আমার শরীরটাকে। তুমিও তার ব্যতিক্রম হতে পার না।

আমি কাতর কন্ঠে বললাম, না না সুচিত্রা। আমি তোমাকে সমস্ত অন্তর দিয়ে ভালোবাসি। তোমার সমস্ত অস্তিত্ব-তর্জন, সম্পূর্ণ তুমিকেই ভালোবাসি। আমার ভালোবাসায় কোন খাদ নেই, বিশ্বাস করো। সে উচ্চস্বরে হেসে উঠলো। যেন ছোটখাট একটা প্রলয় ঘটে গেল নিমিষে কোথাও। সে কি! বোধহয়, আমার বুকের ভিতরেই। সুচিত্রা বললো, বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে- তুমি সেই পুরুষ যে কখনো কোন নারীর দিকে ইতর চোখে তাকায়নি? বাসের ভিড়ের মধ্যে ইচ্ছে করে কৌশলে হাত দেয়নি কোন যুবতীর খোলা পিঠে-বুকে? কোন চঞ্চলা কিশোরীকে দেখে রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে সিটি বাজায়নি, বাজে মন্তব্য ছুঁড়েনি? কামুক চোখে পরিমাপ করেনি মেয়েদের স্তন, কোমর আর উরুর মাপ? প্রতিরাতে কামার্ত হয়ে ধর্ষণ করেনি হাজার মেয়েকে, এমনকি পরিচিত জনদেরও?

আমি চিৎকার করে বলে উঠি, প্লিজ, প্লিজ, তুমি থামো। আমি এসবের কিছুই করিনি। তখন সে অবিশ্বাসের হাসি হেসে ভ্রুকুটি করে বললো, তবে তুমি তো পুরুষ নও, তুমি মহাপুরুষ। দু:খিত, আমার কোন মহাপুরুষের দরকার নেই। আমার একজন রক্ত মাংসের সাধারণ পুরুষেরই দরকার। আমি এবার টানটান হয়ে দাঁড়ালাম। তারপর শীতল চোখ মেলে গভীরভাবে তাকালাম তার দু'চোখে। শুষে নিলাম তার চোখের উত্তাপ। তারপর আরো বেশি শান্তভাবে বললাম, সুচিত্রা, আমি ফের তোমার কাছেই আসব সাধারণ মানুষদের লাম্পট্য শিক্ষা শেষে। তুমি অপেক্ষা করো . . . . ।
[/সাইজ]

 

প্রকাশ করা হয়েছে: প্রিয়তমাসু. . .  বিভাগে ।

 

  • ১০ টি মন্তব্য
  • ২৭১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৪ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৩:২২
comment by: অতিথি বলেছেন: সুচিত্রার বুকে হাত দিয়ে কথা বললেই সব মিটে যায়। তা না...ঝরুটার আর বয়স বাড়লো না।
২. ২৪ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৩:২৪
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: হা হা হা। ওই জন্যই তো আবার যামু। আরো কিছু টিপস দেন বড় ভাই অভিজ্ঞতার আলোকে।
৩. ২৪ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৩:২৭
comment by: অতিথি বলেছেন: অরকাছে আর যাইও না। দেখবা অয় নিজেই আইবো। তয় তখন আবার পাত্তা দিও না। Once gone, gone forever. অনেক কষ্ট পাওয়ার পরে শিখেছি।
৪. ২৪ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৩:৩৩
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: হা হা হা। জব্বর কইছেন। ঠিকাছে।
৫. ২৪ শে জুলাই, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৩০
comment by: অতিথি বলেছেন: হা হা হা , দারুন বলেছেন দাদা; এক্কেবারে দশে দশ। হা হা হা । ঝরা আসলেই ওর কাছে ফেরা তোমার ঠিক হবে না!
৬. ২৪ শে জুলাই, ২০০৬ রাত ৮:৫১
comment by: অতিথি বলেছেন: এক্কেবারেই মিনি সাইজ..একটু ছোটোগল্প সাইজ হ'লে আরও ভালো লাগতো।
৭. ২৪ শে জুলাই, ২০০৬ রাত ৮:৫৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ঝড়া ভাইয়া,
আপনার লগে একটু বেহুদা প্যাচাল পারতাম...........ফ্রি থাকলে মেসেনজ্ঞারে চলে আসেন............আমি আছি..........সারারাত মনে হয়.............
৮. ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ রাত ১২:১৮
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: জলিল ভাই,
আসলে ছোট গল্প লেখা আমার কর্ম নয়। যেটা লিখেছি সেটা একধরনের উপলব্ধি যার মূল প্রেরণা শীর্ষেন্দুর ঘুণপোকা কবিতাটি। ওটা শোনার পর থেকে মনের মধ্যে এই ধরনের কিছূ ভাবনার উদয় আর সেজন্য এই লেখাটা। দেখি যদি মাথায় আবার কিছু আসলে তবে সুচিত্রাকে আবার নিয়ে আসবো।
৯. ২৬ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ১১:৩৩
comment by: অতিথি বলেছেন: শিরোনামটা ভালো লেগেছে বেশী। লেখাটাও।
১০. ২৬ শে জুলাই, ২০০৬ রাত ১০:১১
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: কিছু কিছু জিনিস তো মনকে আলাদাভাবে নাড়া দেয়, তাই না? এই যেমন প্রজাপতির ডানার সাত রং।

 

 


[ইটালিক]

পাঠকের উপর আস্থা শতভাগ। ফুলে সুরভি থাকলে কদরদানের অভাব হয় না, ভ্রমর আপনিই ছুটে আসবে!!!

নিজেকে আবিষ্কারের চেষ্টা করছি।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ২৭৫৮৫