আমার প্রিয় পোস্ট

যদি নির্বাসন দাও.................................................................. আমি ওষ্ঠে অঙ্গুরী ছোঁয়াবো আমি বিষ পান করে মরে যাবো! বিষণ্ন আলোয় এই বাংলাদেশ নদীর শিয়রে ঝুঁকে পড়া মেঘ, প্রান্তরে দিগন্ত নির্নিমেষ- এ আমারই সাড়ে তিন হাত তুমি।

আমি রুমির কথা বলছি

১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৯:৫০

শেয়ার করুন:                   Facebook




আমার মেয়ে রুমি। বয়স আট বছর। খুবই দুরন্ত আর ছটফটে। সকাল বেলা ওর চেঁচামেচিতে ঘর খুব সরগরম হয়ে ওঠে। এই যেমন আজো মায়ের সাথে বায়না ধরেছে- এটা খাবোনা, ওটা বানাওনি কেন, মামার বাসায় কখন যাবে বলো...। এর মাঝে দু'বার এসে আমার বিরুদ্ধেঅভিযোগ পেশ করে গেছে- 'বাপি, তোমার জন্য আমার স্কুলের দেরী হয়ে যাবে। তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নাও। ' আমি হেসে সম্মতি জানাই। সকালবেলার চোটপাট শেষে ওকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ি। প্রতিদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পথে ওকে স্কুলে পৌঁছে দিই। স্কুটার থেকে নেমে ও বিশাল ওজনের ব্যাগটা কাঁধে নিয়ে সহপাঠীদের সাথে হাসতে হাসতে ক্লাশে ঢুকে পড়ে। শেষমুহুর্তে পেছনে ফিরে আমার দিকে ছোট্ট হাতটি নেড়ে বাই জানাতে কখনো ভুল করে না। আমি ওর এই বিদায়ী সম্ভাষণটা খুব উপভোগ করি।

আজ হঠাৎ কেন জানি ফেলে আসা দিনগুলির কথা মনে পড়ছে। আমার দুরন্ত শৈশবের পাঁচমিশালী দিনগুলো কেটেছে চিরসবুজ এক গ্রামে। যেখানে আকাশের অসীম নীল হাতছানি দিয়ে ডাকত সারাটা দুপুর, নদীর শীতল জল গভীর মমতায় ধুয়ে দিতো সারা শরীরের কান্তি, সবুজ ধান-খেতের আল ধরে হাঁটতে হাঁটতে ঠিক পৌঁছে যাওয়া যেত দূর পাহাড়ের পাদদেশে, মন খারাপ করা কোন এক পড়ন্ত বিকেলে সাগর পাড়ে বসে কষ্টগুলোকে উড়িয়ে দেয়া যেত বিষন্ন সীগালের ডানার পালকে মেখে। স্কুল থেকে এসেই চলে যেতাম খেলার মাঠে। ফুটবল, ক্রিকেট হাডুডু, ডাংগুলি, বউচি কোনকিছুই বাদ রাখিনি। কখনো বা নদীর তীরে জমজমাট ফুটবল খেলার আসর বসাতাম। মাঝে মাঝে স্কুলে যেতে ভালো লাগতো না। তখন খুব করে চাইতাম, একটু অসুখ করুক। জ্বর হওয়ার অজুহাতে কয়েকদিন স্কুল যাওয়ার যন্ত্রণা হতে রক্ষা পেতে কতবার ইচ্ছে করেই বৃষ্টিতে ভিজেছি! কিন্তু জ্বর আসেনি। সম্ভবত প্রকৃতি তার সন্তানদের এভাবেই আগলে রাখে। শীতের মৌসুমে পড়শীর গাছ থেকে রস চুরি করে খাওয়ার মজা ভুলতে পারিনি আজো।

বছরের শেষের দিকে মেলা বসত গ্রামে। আমরা সারাবছর ধরে সঞ্চয় করতাম সেই মেলার জন্য। উপরন্তু বাবা-মার কাছ থেকে কিছু বোনাস আদায়ের চেষ্টা। আহ! কি বর্ণিল ছিল সেই দিনগুলি। জ্যোৎস্নাভরা রাতে মায়ের কোলে শুয়ে রূপকথার গল্প শুনতাম। শুনতে শুনেতে কখন যে গভীর ঘুমে তলিয়ে যেতাম টেরই পেতাম না। স্বপ্নের রাজ্যে ডালিমকুমার হয়ে কতো রাজকন্যাকে যে উদ্ধার করেছি তার কোন ইয়ত্তা নেই। মাঝে মাঝে ভাবি- সেই সোনালি দিনগুলো যদি আবার ফিরে পেতাম!

গাড়ির হর্নে সম্বিত ফিরে পাই। ছুটে চলি অফিসে। বেশ কিছুক্ষণ ফাইল নিয়ে ঘাঁটাঘাটি করি। না, আজ কিছুতেই কাজে মন বসাতে পারছি না। কেমন জানি নস্টালজিক হয়ে উঠেছে মনটা। দুপুর হলে ছুটি নিয়ে বাসায় ফিরে আসি। ঘরে ঢুকতেই দেখি- রুমি পা ছড়িয়ে দিয়ে কোলের উপর বই রেখে পড়া মুখস্থ করছে। আমাকে দেখে ও উল্লসিত হয়ে ওঠে আর শমর্ী একটু চিন্তাগ্রস্থ হয় অসময়ে আমার প্রত্যাবর্তনে। 'কি, শরীর খারাপ করেনি তো তোমার?' না, আমি ঠিক আছি বলে রুমির পাশে গিয়ে বসি। ওকে জিজ্ঞেস করি। মামণি, আজ স্কুলে কি পড়াল? রুমি এক বিশাল বর্ণনা দিতে থাকে আর আমি খুব আগ্রহভরে শুনতে থাকি। আমি বলি- মামণি স্কুল থেকে এসেই তো পড়ছো- চলো একটু বাইরে থেকে ঘুরে আসি। শমর্ী বাধা দিয়ে বলে- 'ও পড়ছে না। এই রোদের মধ্যে বাইরে যাবে কি? বাইরে থেকেই তো এলো।' আমি দীর্ঘশ্বাস চেপে রেখে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ি। একটু হাঁটব- ঘন সবুজ কোন রাস্তা দিয়ে এক চিলতে নীল আকাশ দেখতে দেখতে অনেকটা পথ একলা হেঁটে যাব। তেমন রাস্তা কি আছে কোথাও এই ব্যস্ত শহরে? হয়তো আছে, হয়তো নেই!!!

ঘন্টাখানেক পরে ফিরে আসি। রুমি তখন ওর মায়ের সাথে গানের ক্লাশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই সময় ওর প্রতিদিন নাচ, গান, আবৃত্তি, ড্রয়িং এসবরের কোন না কোন ক্লাশ থাকে। সেখান থেকে ফিরলেই ওকে বসতে হবে টিউটরের কাছে। তারপর গানের রেওয়াজ, নাচের প্র্যাকটিস, হোম টাস্ক, স্কুলের পড়া এসব শেষ করে ঘুমোতে যেতে যেতে প্রায় বারোটা বাজে। আমি আমার মেয়ের এই যান্ত্রিক জীবনটাকে শুধুই অবলোকন করতে পারি আর কিছুই না। আমি জানি- আকাশের নীল রং ওর মনে কোন ছায়া ফেলে না, সবুজের স্নিগ্ধতা কখনো আলোড়ন জাগায় না, পাখির গান বা ফুলের সমারোহ ওকে খুব একটা পুলকিত করে না । ওর জীবনের সবটাই যান্ত্রিকতা- এমনকি স্বপ্নগুলোও। ওর স্বপ্নে কখনো ডালিমকুমারের পঙ্খীরাজ পাখনা মেলে না, সেখানে যতসব সায়েনস ফিকশন আর জেমস বন্ডের রোমহর্ষক, দুধর্ষ কাহিনির ঘনঘটা।

আমি আর ভাবতে পারছি না। আমি আমার মেয়ের এই কষ্টকর জীবন আর সহ্য করতে পারছি না। আমি ওকে সবুজের কাছে নিয়ে যাবো- মাটির সোঁদা গন্ধের অনুভূতি শেখাব, নদীর কলকল রবে সত্যের স্বরূপ উপলব্ধি করতে শেখাব, আমি ওকে ফুল-পাখি-প্রকৃতির কাছে নিয়ে যাব। খুব কাছে, খুব।

আমি বলি- মামণি, চলো আজ সবাই মিলে তোমার দাদা বাড়ি থেকে ঘুরে আসি। শমর্ী বাধা দিয়ে বলে- 'কি যে বল তুমি? ওর গানের ক্লাশ আছে না?' আমি রুমিকে আবার বলি- মামণি যাবে? রুমি বলে- না বাপি, ওখানে কারেন্ট নেই, নোংরা মাটিতে হাঁটতে আমার বিচ্ছিরি লাগে!

একটা বিরাট দীর্ঘশ্বাস গোপন করে বেরিয়ে আসি। ব্যর্থতার হাহাকার। আমার মেয়ে তার আধুনিক মায়ের সব বৈশিষ্ট্যই আস্তে আস্তে রপ্ত করছে। আমার শুধু সুমনের একটা গানই মনে পড়ছে -

ইস্কুলের পড়ার সঙ্গে আছে পাড়ার গানের স্কুল
নিয়ম করে শিখতে হবে রবীন্দ্র নজরুল।



 

প্রকাশ করা হয়েছে: হাল ছাড়িনি বন্ধু  বিভাগে ।

 

  • ৭৪ টি মন্তব্য
  • ৪৮৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:০১
comment by: অতিথি বলেছেন: ঝরা পাতা
কেমন আছেন???
ইদানিং আপনাকে চোখে দেখিনা।
চোখের ডাক্তার দেখাতে হবে মনে হচ্ছে.......
এইবার পোস্ট পড়ি।
২. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: প্রোফাইলে লেখা বয়স 24
পোস্টে মেয়ের বয়স 8

আপনি কি 16 বছরে বাবা হয়েছিলেন?
কিশোর-পিতা?
৩. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:০৭
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: মুক্তধারা,
আমি ভালো আছি।
আপনি কেমন আছেন?
আসলে ঝরা পাতা তো। তাই উড়ে চলি পথ থেকে পথে। ভেসে চলি দূর অজানায়। অজান্তে মানুষ মাড়িয়ে চলে যাই। তবুও তো কেউ খোঁজ নিলো ঝরা পাতার। সেও কম কি?

ও হ্যাঁআপনার মুক্তো নিয়ে একটা পোস্ট দেখেছিলাম। খুব ভালো লেগেছে। অফলাইনে ছিলাম বলে বলা হয়নি।
৪. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:১০
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: হা হা হা! কঠিন প্রশ্ন। বাবা হতে না পারলেও অনেক বাবার যন্ত্রণা উপলব্ধি করতে পারি। তাই পৃথিবীর সেইসব বাবার প্রতিনিধি হিসেবে না হয় 16 বছরেই কাল্পনিক বাবা হলেম। শোমচৌ আপনাকে ধন্যবাদ।
৫. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:২১
comment by: অতিথি বলেছেন: আমি আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
ঠিক এই কথাটাই বলতে চাচ্ছিলাম শোমচৌ বলে দিল ঃ(
যাক....
আপনার থিমটা কিন্তু সত্যিই ভাবনার বিষয়।দিনে দিনে আমরা রোবট বনে যাচ্ছি।বিশেষ করে এখনকার বাচ্চারা....।
আমার কাজিনগুলোর এই দৌড়ের উপর দৌড় দেখলে আমার যে কি মায়া লাগে......।
৬. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:২২
comment by: জলদীপ বলেছেন: ঠিক করেছিলাম কাউকে উৎসর্গ করে আর কোনদিন কোন পোস্ট দেব না। তোমার চমৎকার পোস্টটা পড়ে খুব ইচ্ছে হচ্ছে কিছু লিখতে। লিখে ফেলি কি বলো...?
৭. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:২৪
comment by: অতিথি বলেছেন: ঝড়া পাতা.....
এত বড় লেখা.....................কোথায় যাই.............???
কখন পড়ি.................................

আমাগো বাচ্চা মানুষ দের জন্য একটু সারাংশ সাইজে লেখা গুলো আরেক বার যদি পোস্ট দিতেন ....তাহলে কত ভালো হতো............

10 এর মধ্যে 7 নাম্বার দিবো সিউর.............
৮. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:২৬
comment by: অতিথি বলেছেন: সবাই দেখি দৌড়ের উপর আছে..................ভালোই তো
৯. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:২৭
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: মুক্তধারা,
আহা আপনি জিজ্ঞেস করতেন? আমি না হয় একটু রসালো করে উত্তর দিতাম। সে যাকগে। আপনার মুক্তো নিয়ে পোস্টটার উত্তর জানাননি। আমিও জানতে চাই ওটা কার লেখা।

জলদীপ,
অবশ্যই লিখবেন। সে তো আমার সৌভাগ্য হবে- একজন প্রিয় মানুষের কাছ থেকে পাওয়া উপহার। কিন্তু আমি আপনার উপর খুব রাগ করেছি। আপনি আবার আমাকে তুমি করে বলেছেন। আমি তো স্নেহের তুই ডাক শুনতে চাই সবসময়।
১০. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:২৯
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: সাকিব,
তোমারে নিয়া ভালাই যন্ত্রণা দেখতাছি। বড় হইলে মিয়া পড়বা না। লেখা ছোট কইরা লিখতে গেলে মূল ভাব ফুটাইয়া তোলন যায় না। যাগো বড় লেখা পড়নের অভ্যেস নাই হেরা পড়বো না। আমি তো কাউরে পড়নের লাইগা দিব্যি দিতাছি না। যাউকগা- মাইন্ড খাইয়ো না। বিজি আছি। দোয় কইরো।
১১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:৩২
comment by: অতিথি বলেছেন: প্রশ্নটা বুঝলামনা ঃ(
ওয়াও!!!
আপনিও কানমলা পাওয়ানিদের দলে।
উত্তরটা আমার পোস্টেই দেই।
১২. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:৩৩
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: না না, আমি সেই দলে নই। সেজন্যই তো সেখানে বলিনি। এখানে বললাম। হা হা হা!!!
১৩. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:৩৫
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: তবে মনে হয় আপনার হাতে কানমলা খেতে খুব একটা খারাপ লাগবে না। আশা করছি খুব কোমল একটা হাত হবে (জাস্ট ফান)।
১৪. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:৪৩
comment by: অতিথি বলেছেন: ঢাকায় বসে আমার হাত চট্টগ্রাম বা সুইডেন পৌছবেনা(ভেংচি)
অতএব টা টা
নিজেই নিজের কান মলেন ঃ)
১৫. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:৪৩
comment by: অতিথি বলেছেন: ঝড়া পাতা,
আমার রোমান্টিক কবিতা কোথায়? আর কত দিন অপেক্ষা করবো
মাত্র 4 লাইন তো...........রাগ উঠতাছে

কিন্তু পরে আমারে নিয়া সমস্যায় পড়বেন..............আরো জা্বলাবো.........মাথায় তুলছেন আপনে আমারে.......এখন নামান....পাড়লে .............

একসপ্তাহ ধরে অপেক্ষা করছি।
১৬. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:৪৫
comment by: হাসান বলেছেন: খুব ভাল লাগলো, তাই মন্তব্য করতেই লগিন করা।
১৭. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:৪৫
comment by: অতিথি বলেছেন: ঝরা
আপনার কাছে একটা প্রশ্ন আছে........প্রশ্নে উত্তর চাই তা না হলে ব্লগে আপনার ব্লগ নিক নাম নিয়া ফ্লাডিং শুরু করমু.....................সিউর............100%
১৮. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:৪৮
comment by: অতিথি বলেছেন:
১৯. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:৫০
comment by: অতিথি বলেছেন: যেমন
ঝরা ছেলে
ঝরা মেয়ে
ঝরা মা
ঝরা বাপ
ঝরা শালী
ঝরা ফুল ঃ)
২০. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৫:১০
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: ধন্যবাদ হাসান ভাই।

সাকিব,
প্রশ্নটা কি?

ঝরা মুক্ত (দানা)।
২১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৫:৩৬
comment by: অতিথি বলেছেন: দোস্ত
তুমি তো গেঞ্জাম লাগাইয়া দিসিলা আরেক টু হইলে. আমি ভাবলাম মাইয়ার লগে দোস্তি না কইরা কেন বাপের লগে দোস্তি করলাম.

আমি দোস্ত শহরে বড় হয়েছি. গ্রাম আমারে টানেনা.পুরা বছরে অল্প কয়েকবার যাওয়া হয় তাই ভাল লাগে.বাসাই বইলা রাখসি যদি মইরা যাই কবর যেন শহরে দেয়. টানাটানির দরকার নাই.

তোমার লিখা টা পইরা আব্বার কষ্ট টা বুঝলাম.প্রতি শুক্রবার গ্রামে যাইব আর আমাগো রে গাইল দেয় কেন গ্রামে যাই না.
২২. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৫:৫২
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: দোস্ত, সত্যি গেঞ্জাম লাগাই দিছিলা। গ্রাম টানেনা কেন? ভালো কইরা গ্রাম দেখো গ্রামের মানুষদের দেখো। ঠিকই টানবো।
২৩. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: আসলে আমরা যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছি........বিশেষ করে বর্তমান ছেলেমেয়েরা ....

মাঝে মাঝে আমি ভেবে যাই
কোথায় পাবো আমি সেই নিশীথ পূণিৃমার রাত...

সবুজের সমারোহ আর সবুজ মাঠ-ঘাঠ
কোমল সেই মাটির সি্নগ্ধ প পরশ .....

সেই দিনগুলো আমি ফিরে পেতে চাই....
২৪. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:১২
comment by: অতিথি বলেছেন: ফলিং লীভস, আপনে কৈশোরে বাপ হইছেন কি হন নাই এটা নিয়া মাথা ঘামামু না, কিন্তু কথা হইলো, আপনে তো মিয়া শিশু নির্যাতন আইনে দোষী!

7 বছরের সশ্রম কারাদন্ড ভোগ করিতে প্রস্তুত হও শায়তান... মুহাহাহাহা
২৫. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:১৩
comment by: অতিথি বলেছেন: তুমি দোস্ত কামটা ভালা করলা নাকি এত বড় কইরা লিখলাম মন্তব্য না করনের লাইগা.এখন দোস্তের মন্তব্য মুছি কেমনে.
২৬. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:১৭
comment by: অতিথি বলেছেন: সচ্ছন্দ ও সুন্দর। শো:ম:চৌ: এর প্রশ্ন আমারো।
২৭. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৭
comment by: অতিথি বলেছেন: দোস্ত..................সাবি্বর খবর আছে। আমি তোর স্যার.............আর আমারে বাদ দিয়া বিলা চলতাছে ঝরা পাতার সাথে।...............................খবর আছে।
২৮. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৫১
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: ধন্যবাদ অবু সালেহ, ধুসর গোধূলি , অন্যমনস্ক শরৎ -কে মন্তব্যের জন্য।

যদি নির্বাসন দাও ওষ্ঠে অঙ্গুরি ছোঁয়াবো,
বিষ পান করে মরে যাবো।
২৯. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬
comment by: শাহানা বলেছেন: এই মেয়ে যখন বড় হবে, তার মেয়ের কাছে গল্প করবে, তোমরা আর কি করো, মজা তো করেছি আমরা, স্কুল, নাচের ক্লাস, গানের কাস আরো কত কি? কত মজা?
ছোটরা সব জায়গাতেই আনন্দ খুজে নিতে পারে, আমরা বড়রা শুধু হায় হায় করে দিন কাঁটাই।
৩০. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১০:৩৮
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: ঝরা, মারাত্মক সুন্দর একটা মন্তব্য লিখেছিলাম, দেখি যে নাই।
এত অভিমান যা আমার মন্তব্য ও গ্রহন করবে না?
বড় বোনের ভালবাসাকে এই ভাবে কষ্ট দিতে নাই।
দারুন সুন্দর লেখা। আমার ভাগনাভাগনি নিয়েও আমারও একই দুঃখ।প্রকৃতির স্পর্শ ছাড়া মানুষ কখনো পরিপূর্ন হয় না। কোথায় জানি ফাক থেকে যায়। এদের আমরা ইটকাঠে বন্দি করে , অস্বাভাবিক বানিয়ে ফেলছি!!
৩১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১২:২০
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: শাহানা আপা,
শিশুরা নিজেদের মতো করে আনন্দ তৈরি করে নিতে পারে এটা ঠিক। কিন্তু বর্তমানে এমন এক অসুস্থ প্রতিযোগিতা চলছে যেখানে আমরা তাদের মননের যথাযথ বিকাশ ঘটাতে পারছি না। ভালো করে খেয়াল করলে আপনি এই চিত্রই দেখতে পাবেন।

ইমন আপু,
কে বলেছে আমি তোমার উপর অভিমান করেছি। তোমাকে বলেছিলাম না আমি ভালোবাসাগুলি জাপটে ধরে রাখি। গ্রহণে নেই অপারগতা, সে বিষ হোক অমৃত হোক। উপরেই তো লিখেছি-

যদি নির্বাসন দাও, আমি ওষ্ঠে অঙ্গুরী ছোঁয়াবো
আমি বিষ পান করে মরে যাবো!
বিষণ্ন আলোয় এই বাংলাদেশ
নদীর শিয়রে ঝুঁকে পড়া মেঘ
প্রান্তরে দিগন্ত নির্নিমেষ-
এ আমারই সাড়ে তিন হাত তুমি
যদি নির্বাসন দাও, আমি ওষ্ঠে অঙ্গুরী ছোঁয়াবো
আমি বিষ পান করে মরে যাবো!
৩২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১২:৫৭
comment by: অতিথি বলেছেন: রুমির বাবা,
বিয়ে করলেন কেন রুমির মার মত এমন একটা মেয়েকে? যদি মায়ের কথা অগ্রাহ্য করে মেয়েকে জিজ্ঞাসা করতেই চান দাদুবাড়ি যাবে কি না, তাহলে তো ওর মেন্টাল হেলথে আরও খারাপ প্রভাব পড়বে।

লেখায় ফুটিয়ে তোলা বেদনা, আকুতি, ভাবনাগুলো খুব ছুঁয়ে গেল। আপনার শৈশব কি সত্যি ওরকম কেটেছে? প্রকৃতির সাথে, মায়ের কোলে মাথা রেখে রূপকথা শুনে?
৩৩. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৪:১৭
comment by: ফজল বলেছেন: মনটা ভারী করে দিলেন, খুবই স্পর্শী লিখেছেন।

ভাল-মন্দ মিলিয়ে বোঝাতে পারছি না কেমন যে লেগেছে। এ প্রসঙ্গ নিয়ে আরো লেখার জন্য বলছি আপনাকে।
৩৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৪:২৪
comment by: অতিথি বলেছেন: সম্ভবতঃ লেখাটির বাস্তবধমর্ী আঙ্গিকের কারণেই কেউ বুঝতে পারেনি যে এটা ঝরা পাতার বাস্তবজীবনের কাহিনী নয়, শুধুই কাল্পনিক একটি লেখা। Am I correct Jhara Pata?

এতো সুন্দর একটি লেখায়- লেখাটির বিষয়ে না বলে অন্য বিষয়ে মন্তব্য চালাচালি দেখলে কেন জানি আমার খুব খারাপ লাগে ।

সারাক্ষণ মনে হতে থাকে- এতো গভীর অনুভূতি আর সূক্ষ বেদনাবোধ মেশানো- কঠিন এক সমস্যার মুখ উন্মোচণ করে দেওয়া একটি ব্যতিক্রমধমর্ী লেখার বিষয়ে আগে কিছু না বলে কিভাবে সম্ভব মন্তব্যে অন্য বিষয়ে বলা?

অবশ্য, এও বুঝি, আপনার লেখা নিয়ে সবার আবেগ আর অনুভূতি- অবিকল আমার মতোই হবে- এটি আশা করাও বোধহয় ঠিক নয়।

ঝরা পাতার সুন্দর লেখা আর লেখায় সংযোজিত সুন্দর ছবিগুলো লেখাপাগল আর সৃষ্টিশীল মানুষের মন জুড়ে দীর্ঘকাল অনিন্দ্য অনুভূতি জাগাতে সক্ষম হোক, এই শুভ কামনায়,

সুনীল সমুদ্র।
৩৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৪:২৯
comment by: অতিথি বলেছেন: আমি কিন্তু বুঝেছি। কিন্তু রুমির বাবারা জীবনের একটা পর্যায়ে গিয়ে ওভাবে উপলব্ধি করে, সেটাও ভাল লাগে না। শীর্ষেন্দুর পার্থিব পড়া থাকলে ওই মানুষগুলোর জন্য বেশি খারাপ লাগে! মূল ফোকাসটা শিশুদের উপর ছিল, তবে সুষ্ঠু সুন্দর ভবিষ্যত প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য কম্পেটিবল লাইফ পার্টনারও দরকার, যেটা আগে মনে থাকে না রুমির বাবাদের!
৩৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৪:৩৩
comment by: অতিথি বলেছেন: রুমির বাবা!!!
ঝরা পাতাতো আমার দুলাভাই বনে গেল।
৩৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৪:৪১
comment by: অতিথি বলেছেন: আমার খালাতো বোনের ছেলের নাম রুমি।
৩৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৪:৪৬
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: কবিতাটি চমৎকার
৩৯. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ১১:২২
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: আস্তমেয়ে,
1. রুমির বাবার বিয়েটা নিজের ইচ্ছেতে হয়নি। টিপিক্যাল মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির ছেলে তো তাই জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে গিয়ে প্রেম ভালোবাসার দিকে নজর দেয়া কেন জানি তার হয়ে ওঠেনি। আর দেখেশুনে বিয়ে করলেও অনেক পরিবর্তন ঠেকানো যেত না কারণ সময় এবং পারিপাশ্বর্িকতা একটা বিরাট ফ্যাক্টর।

2. আশা করি মেয়ের মেন্টাল হেলথে প্রভাব ফেলবে না। যদি রুমির বাবা মার সাথে এ নিয়ে কথা কাটাকাটি করত তবে তা ফেলত।বরং এটাও হতে পারে তার মনে একটা ইমপ্রেশন তৈরি হতে পারে যে বাবা তাকে যথেষ্ঠ গুরুত্ব দিচ্ছে। আর গল্পের খাতিরে না হয় এটুকু মেনে নিলেন।

3. আমি এখানে কাউকে দোষ দিতে চায়নি। একটা সত্যকে দাঁড় করানোর জন্য আমার দরকার ছিলো যে কোন চরিত্রে কিছুটা দোষ আরোপিত করা। এক্ষেত্রে রুমির মা সেটা হওয়াতে যদি নারীসমাজ কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে আন্তরিকভাবে দু:খিত। রুমির বাবাদের দোষগুলো নিয়ে আপনার লিখুন। আমি নিশ্চিত অনেকক্ষেত্রে রুমির মা'র চেয়ে রুমির বাবাদের দোষই বেশি পাওয়া যাবে।

4. হ্যাঁআমার শৈশবের বড় অংশ কেটেছে গ্রামে বাবার চাকুরীর সুবাদে। শৈশবটা গল্পের মতো না হলেও বেশ কাছাকাছি হবে।

মন্তব্যের জন্য এবং সূক্ষ বিশ্লেষণের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
৪০. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ১১:২৮
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: সুনীল সমুদ্র,
সবাই লেখাটা পড়েছে। এবং কষ্টটা তাদের মন ছুঁয়ে গেছে বলেই মনে হয় একটু রসিকতা করে সেটাকে হালকা করতে চেয়েছে। আমার লেখার পাঠক খুব নির্দিষ্ট কজন যারা নিয়মিত আমার লেখা পড়ে আমাকে উৎসাহ দেন। কিন্তু বেশ কয়েকজন নতুন ব্লগারও মন্তব্য করেছেন যার অর্থ লেখাটা উনাদের অনুভূতিকে নাড়া দিতে সক্ষম হয়েছে।

তবে আপনাকে স্পেশাল থ্যানক্স না দিলে অন্যায় হবে। আপনি যে খুব বেশি আবেগ দিয়ে মন্তব্য করলেন, সেটার প্রতিদান কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ছাড়া আর কিভাবে দিই। আমিও আপনার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামণা করি সবসময়।
৪১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ১১:৩৩
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: মুক্তধারা,
এখানে মেয়ের নাম রুমি। আমি 2003-এ কলেজ পুনর্মিলনী ম্যাগাজিনের জন্য লেখাটা লিখি। তখন ফটিকছড়ির একটা স্কুল পড়ুয়া মেয়ে আত্মহত্যা করেন বখাটেদের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে। আমি সেই মেয়েটাকে নিয়ে একটা গল্প লিখতে চেয়েছিলাম কিন্তু সত্যি কথা হলো আমি গল্প লিখতে পারি না। তাই শেষে পরিচিত এই ঘটনাটাকে লিখলাম কিন্তু মূল চরিত্রের নামটা সেই রুমিই রেখে দিলাম। তবে সে যাই হোক, আমি আপনার দুলাভাই হয়ে গেলে তো আপনারই বিপদ। কারণ সম্পর্কের দিক থেকে -- আপনি হবেন আমার শালী আর শালী মানেই নাকি আধা-ঘরওয়ালী। ভেবে দেখেন ।

পথিক,
এতো বড় লেখাটা পড়ার ধৈর্য্য যে আপনার নেই সে আমি ভালো জানি। তবুও সুমনের গানটা যে পড়লেন সেটাই ভালো লাগল।
৪২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ১১:৩৭
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: ঝরা, দৌড়ানি কমেছে?
৪৩. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ১১:৩৮
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: না আপু, এই মাত্র ব্লগে ঢুকলাম। দু একটা লেখা পড়বো, কমেন্ট দিব তারপর পালাব। 25 তারিখের আগে মনে হয় আর লেখা হবে না।
৪৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ১১:৫১
comment by: অতিথি বলেছেন: ঝরা পাতা
আপনার মন্তব্য দেখে লগইন করলাম।
ভালো পয়েন্ট ধরেছেন।
আমাদের সমাজের এই দিকটাকে আমি ভীষন ভীষন ঘৃনা করি।শুধু এই ফালতু সম্পর্কের কারনে কত বোনের সংসার ভেঙ্গে যায়।শুধু মুখে আধা ঘরওয়ালী হলেও হতো।আশা করি বুঝবেন।
আমার কাছে দুলাভাই স্রেফ ভাই। আমার রক্তের ভাইয়ের চেয়ে কোন অংশে কমনা।আমার বোনের অর্ধেক অংশ।
তাকে আমি ভাই ডাকি আমার বোন থেকে সৃষ্ট অধিকারেই।
৪৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ১১:৫৪
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: মুক্তধারা,
নিজের জ্বালায় বাঁচি না। আবার শালীর জ্বালা। আপনি এতো সিরিয়াস হচ্ছেন কেন? আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন আমি জিন্দেগিতে আপনার দুলাভাই হবো না। জনগনের মন থেকে রসবোধ কি উঠে যাচ্ছে নাকি!!!! কে যে কিসে মাইন্ড খায়।

আম্মো, আমাল কুন দুষ নেই।
৪৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: হি হি হি
সত্যি জনগনের মন থেকে রসবোধ উঠে যাচ্ছে। আমিও জিন্দেগীতে আপনার মত বেরসিকরে দুলাভাই করতে যাবোনা।
চামে একখান মতামত জানাইলাম.....।
তাতেই শালীর জ্বালান জ্বালাইয়া ফালাইলাম।
৪৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:০৯
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: একি বললেন? বেশ সমস্যা হয়ে গেলো। তাহলে কি আমাকেই আপনাকে .......................... হা হা হা। দেখি জনতার রসবোধ কতটুকু?
৪৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:১৪
comment by: অতিথি বলেছেন: একি শুনি!

তা কবে দাওয়াত খাচ্ছি
৪৯. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:১৬
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: হোক , হোক , হোক।
তিনবার বলছি, আস্ত , হইবো না? কি কও?
৫০. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:১৭
comment by: অতিথি বলেছেন: ইশ, আমার মন্তব্যের এত্ত বিরাট পয়েন্ট ওয়াইজ জবাব দিলেন ঝরা পাতা! আমি ধন্য!

না রে ভাই, নারীসমাজের অংশ বলে কষ্ট পাই নি এমন না। আসলে সমস্যাটা বাস্তব। দুইজনে তেলে জলের মত থাকা। দোষ আরোপনটা ঠিক আছে, বইয়ের ফ্ল্যাপ পড়ার মত পড়ি নি বুঝানোর জন্যই না অত বিস্তারিত মন্তব্য করলাম
৫১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:১৭
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: (ক্লোজআপহাসি)
৫২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:১৭
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: ঠিকই শুনছেন। মেঘে মেঘে বেলা তো আর কম হলো না।

সবুর করেন। সবুরে ..........................
৫৩. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:১৮
comment by: অতিথি বলেছেন: হ্যা হইব, হইব, হইব! মিয়া বিবি খালি ডেইট ফালাইলেই হবে!
৫৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:১৯
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: এই ব্লগ আমার বারোটা বাজাবে। আর খেলুম না। বহুত কাম বাকি আছে।
৫৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:১৯
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: ঝরা, কফি তাইলে তিন কাপ
৫৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:১৯
comment by: অতিথি বলেছেন: হে হে, চবি্বশ বছর বয়সেই মেঘ জমছে! রাগ ইমন আপু!!! আপনাকে কেমনে অপমান করল দেখলেন???
৫৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১০:০১
comment by: অতিথি বলেছেন: আপনার সাথে মিল খুঁজে পেলাম।
আচ্ছা শমর্ী নামটা কোথায় খুঁজে পেলেন বলেন তো।
তারপর মন্তব্যে দেখলাম 'আর খেলুম না' কথা। কলেজে থাকতে দিনে যে কতবার বলা হতো!!!
আর গ্রামের কথা কী বলবো! গ্রাম আমার বেশ ভালো লাগে। কিন্তু গ্রামে বিদু্যৎ থাকা টা আমার ঠিক ভালো লাগেনা। অমবস্যা রাতে বাইরে বসে থাকতে আমার কী যে ভালো লাগতো! গ্রামে যাই না দেড়মাস হলো। আশা করছি আগামী মাসে যাবো।
আপনার লেখার প্রশংসা করতে হবে নাকি!!
৫৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১০:৪৩
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: ইমন আপু,
তিন কাপে হবে? ততদিনে মনে হয় চার কাপ লাগবে। ঠিক বলিনি?

আস্ত,
আপনি তো মহা ক্যাড়কিবাজ। এভাবে আপুর সাথে আমার সাথে প্যাচকি লাগিয়ে দিতে চান নাকি? হুম, আপনাকে দিয়েই হবে .........

মৃন্ময়,
আপনার অনুভূতি জেনে ভালো লাগলো। প্রশংসা নয় সমালোচনা করুন। ওটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। প্রশংসা ক্ষতিকারক।
৫৯. ২০ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১১:৩৮
comment by: অতিথি বলেছেন: [সাইজ=3]ঝরা পাতা, আপনি কিন্তু বলেননি শমর্ী নামটা কেন ব্যবহার করলেন।[/সাইজ]
৬০. ২১ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৫:০৭
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: মৃন্ময়,
সরি, আপনার প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়নি। আমার এক কলেজ ফ্রেন্ড- নাম শর্মিষ্ঠা .....পরে ঢাকা ভার্সিটিতে ফার্মেসিতে এডমিশন নেয়, সম্ভবত কমপ্লিট হয়ে গেছে। অনেকদিন যোগাযোগ নেই। আমরা ওর নামটাকে মিনি সাইজ করে শমর্ী ডাকতাম। তো কলেজ রি-ইউনিয়নে লেখাটা যখন লিখি তখন চোখের সামনে বখাটেদের নোংরা মন্তব্য সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করা ফটিকছড়ির সেই ছোট্ট বোনটির মায়াবী মুখটা মনে পড়ছিল যার নাম রুমি। আর রুমীর মায়ের চরিত্রে কেন জানি শমর্ীর (খুব ছটফটে ছিল আর মেয়েসুলভ কোন ন্যাকামি ছিল না ওর মধ্যে) নামটাই মনে আসলো। অদ্ভুত ব্যাপার কি জানেন? আমার সবচেয়ে নিকট বন্ধু ছিলো শ্যামলী, সেকেন্ড ইয়ারে ও মারা যায় ব্রেইন টিউমারে। ওকে নিয়ে আমার একটা পোস্ট ও আছে "কেন ভালোবাসার মানুষগুলি এভাবে অকালেই হারিয়ে যায়"। কিন্তু তার নামটি মনে আসেনি। মানুষ খুব সহজেই কি মৃতদের ভুলে যায়? বেঁচে থাকলে নিশ্চয় তার নামটা মনে আসতো সবার আগে। ক্ষমা করো বন্ধু শ্যামলী।
৬১. ২১ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৫:২৫
comment by: অতিথি বলেছেন:
দেখলেন ঝরা পাতা পাবলিকের রসবোধও কেমন তুঙ্গে।তবে রস-কষ আপডাউন হতেও সময় লাগেনা। আধা ঘরওয়ালী শব্দটা শুনে ফুলডাউন রসবোধ আপনার ঐ বাংলা পাঁচ চেহারা দেখে কেমন ফুলআপ হয়ে গেলো।
যাক সবাই অনেক মজা পেলো আর খেললো।
সো ফাইনালি
"গেম ইজ ওভার"
৬২. ২১ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৫:৩১
comment by: অতিথি বলেছেন: আগে খেয়াল করিনি
সুনীল সমুদ্্রের মন্তব্যের কিছু অংশ কি আমাকে উদ্দেশ্য করে??
হয়তো অনেকের চেয়ে বড় কিন্তু আমি আপনাদের অনেকের চেয়ে অনেক ছোট।
এখনও অনেক কিছু শিখছি।
খেয়াল না করার কারনে এমন মন্তব্যের পরও কতো আজাইরা কথা বল্লাম।
৬৩. ২১ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:৫০
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: হ্যাঁ, মুক্তধারা। যা বলেছেন এ ব্যাপারে পাবলিকদের জবাব নেই। ঠিক আছে আপনি যখন বিচলিত হচ্ছেন ব্যাপারটা ফান এখানেই অফ। নাহলে আবার আপনার চেহারাটা যদি বাংলা পাঁচ হয়ে যায়!!!! সুনীল সমুদ্র মন্তব্যটা সবার উদ্দেশ্যে বলেছেন। আপনি আহত হবেন না। সবাই তো প্রতিদিন শিখছে। আমিও শিখছি নিত্যনতুন।

বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর সবার আমি ছাত্র।
নানাভাবের নানা জিনিস শিখছি দিবা-রাত্র।
৬৪. ২১ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:০৯
comment by: অতিথি বলেছেন: মন্তব্য করলেও চোখে পড়বে কিনা বুঝছি না, আমার ওপরে আরো 63 টা!

এনিওয়ে, খুব ভালো লাগলো লেখাটা।
৬৫. ২১ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৫:২১
comment by: অতিথি বলেছেন: ঝরা,
লিখে যা। ভীষণ ব্যস্ততায় থাকবো কাল থেকে। ক'দিন পর আবার ফ্রি। তোর ওখানে ঢু দিতে পারি তারপর। আসবো নাকি? জানাস! ভালো থাকিস।
৬৬. ২১ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ৯:১১
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: প্রজাপতি,
চোখে পড়বে না মানে? ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্যে।

অন্ধকার,
আমার এখানে মানে কি সুইডেনে? সে তো আমার সৌভাগ্য। তবে আমি কিন্তু স্টকহোম থাকি না, কার্লসক্রোনা। স্টকহোম থেমে বাসে আসতে হবে। প্রায় 11 ঘন্টা লাগে। আপনি আরেকটা কাজ করতে পারেন আরলান্ডা না নেমে রনেবিতে নামতে পারেন। রনেবি থেকে খুব কাছে, 30 মিনিটের পথ। আমার এখানে স্বাগতম, এনি টাইম, এনি মোমেন্ট।
৬৭. ২১ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ৯:২১
comment by: অতিথি বলেছেন: দোস্ত তোমার তো দেখা পাওয়া যাই না.পোস্ট ও কর না দেখি .ব্যাস্ত হইয়া পরস মনে হয়.ভাল থাইক.
৬৮. ২১ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ৯:২৫
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: হুম দোস্ত, 25 তারিখ ফ্রি হমু. নতুন পোস্ট দিমু. তার আগ পর্যন্ত পুরানা পোস্টগুলান পড়তে থাক।
৬৯. ২২ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১:০৪
comment by: আপন তারিক বলেছেন: পড়লাম। ভালই তো গল্প ফাদলেন..... চাকা সচল রাখুন...
৭০. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ৩:৫৯
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: ধন্যবাদ আপন ভাই। চাকা একটু রেস্ট নিচ্ছে 24 তারিখ পর্যন্ত। আবার সচল হবে 25 তারিখ থেকে।
৭১. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৪:০০
comment by: অতিথি বলেছেন: আমারটাও...
৭২. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৪:০৮
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: হুম বুঝছি!
৭৩. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ১১:৩০
comment by: জলদীপ বলেছেন: অন্ধকারের স্বপ্ন পোস্টটা ঝরা পাতাকে উৎসর্গ করা, সব উৎসর্গ ঘটা করে প্রচার করে হয়না। কিছু জিনিস থাকে বুকের ভেতর, অন্তরে!
৭৪. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:৫৯
comment by: ঝরা পাতা বলেছেন: আপনি ওই আইডিতে লিখছেন জানতাম না। আজ সবগুলো পড়লাম। খুব ভালো লাগল। খুব সুন্দর একটা কমেন্ট দিতে হবে। 25 তারিখ দেবো।

 

 


[ইটালিক]

পাঠকের উপর আস্থা শতভাগ। ফুলে সুরভি থাকলে কদরদানের অভাব হয় না, ভ্রমর আপনিই ছুটে আসবে!!!

নিজেকে আবিষ্কারের চেষ্টা করছি।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ