কবিতা তুমি বেঁধেছ আষ্টেপৃষ্টে
দিবানিশি করছি তোমায় স্নান,
স্বপ্নগুলো ফিকে হয়ে আসে
পাচ্ছি তবু কবিতা তোমার ঘ্রাণ।
জানি জলে ভেজে আজো বাংলার মাঠ-ঘাট, পরাণ কথার আসর,
জানি মাহীনের ঘোড়াগুলি তুলছে এখনো বুকে ওলট পালট ঝড়,
শুধু সুরঞ্জনাই ভালো আছে খুব- ওই যুবকের সাথে বেঁধেছে সুখের ঘর।
মাঝ রাত্রির পেরিয়ে গেছে কবে
তবু ফুরোচ্ছে না জং ধরা সময়,
সোডিয়াম বাতি একলা জেগে আছে
জ্বলে জ্বলে বুঝি করবে জীবন ক্ষয়।
জানি বাংলার ঘাস ভেঙ্গে ছুটে যায় আজো রায় বাবুদের ঘোড়া,
জানি গাঙুড়ে ভাসে বেহুলার ভেলা, নক্ষত্রের রূপোলী আগুন মোড়া,
শুধু বনলতা সেন ঘুমিয়ে পড়েছে, মেলে নাকো পাখির নীড়ের মত চোখ জোড়া।
ভাবিছ এবার দেবো তোমায় ছুটি
হবো সেই সোনালি ডানার চিল,
কাঁদবো নাকো ধানসিঁড়ি নদী তীরে
শুধু দেখবো ছুঁয়ে আকাশ ভরা নীল।
জানি হিজলের বনে আজো ঘুঘু ডাকে বসে ঘুমে ঢুলুঢুল চোখ,
জানি ভাসানের গানে ঘর ভাসে আর মাথুরের পালা ভেজায় বুক,
শুধু ভুলে গেছে সবে সেই কবেকার দেখা অরুনিমা স্যানালের মুখ।
*** না হইলো কবিতা না হইলো গান, তাতে কে? জীবন বাবু তো আরেকবার টোকা দিয়া গেলো মনের ভেতরে। আরেকবার জানায়া গেলো- বাংলার রূপ আমি দেখিয়াছি.....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

