সন্ধ্যা তখন সাতটা হবে। আমি মতিঝিলের ফুটপাতে দাড়িয়ে রিক্সার অপেক্ষায় আছি। এমন সময় ময়লা জামা-কাপড় পরা এক ছেলের আগমন ঘটলো। উনিই যে গু বাবা এটা আমার জানা ছিল না। উনার সাথে আমার যে কথা-বার্তা হয়েছে তা বলছি।
[গু বাবা ] ঃ ১০/- টাকা দেন।
[আমি] ঃ কেন ? কি হইছে?
গু বাবা নিচু স্বরে কি যেন বললেন। আমি বুঝতে পারলাম না।
আমি আবার বললাম ঃ কি হইছে?
[গু বাবা ] ঃ ১০/- টাকা দেন, আমার হাতে গু আছে গায়ে মাখাইয়া দিমু ... ...
[আমি] ঃ দিতেছি ... দিতেছি ...
আমি তাড়াতাড়ি বিভিন্ন পকেটে টাকা খুজছি, মনে মনে দোয়া ইউনুস পড়ছি। শালার টাকা গুলা কি হাওয়ায় উইড়া গেলো। অবশেষে শার্টের পকেট থকে ১০/- টাকার একটা নোট পাওয়া গেলো। আমি তা দ্রুত ছেলেটির হাতে দিয়ে দিলাম। গু বাবা টাকা নিয়ে দৌড়ে চলে গেলো। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করলাম।
পরের দিন সকালের ঘটনা।
বাস থেকে নেমে ২ মিনিটের হাটা পথ তারপর অফিস। হাটতে হাটতে হঠাৎ দুরে গু বাবা’কে দেখতে পেলাম। সে আমার দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হাসছে। আমি পালাবার চেষ্টার করা মাত্রই সে দৌড়ে আমার সামনে দাড়িয়ে পরলো। এবার তার সারা শরীরে বর্জ মাখা। আমি তাড়াতাড়ি পকেট থেকে একটা ২০/- টাকার নোট বের করে দিলাম। মনে মনে ভাবলাম কপাল কি পরিমান খারাপ না হলে গু বাবা’র সাথে পর পর দুই দিন দেখা হয়।
স্মৃতি : এই ধরনের বদ স্মৃতির দিনক্ষন সাধারনত মনে রাখি না।
বিঃদ্রঃ পোষ্টের শিরোনাম নিয়ে আমি সমস্যায় ভুগছিলাম। মনে হচ্ছিল এই নাম দেওয়া ঠিক হবে নাকি? অসভ্যতা হবে নাকি? একবার শিরোনাম চেঞ্জ করে রাখলাম ’ময়লা বাবা’র সাক্ষাৎ’ দেখলাম ঠিক মত যাচ্ছে না, তাই আগের নামে ফিরে গেলাম। আপনার ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টি দিয়েন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


