somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ব্লগ কে দিলাম ৫ বছর - ঝড়ো হাওয়া
নতুন ও পুরানো সকল ব্লগারদের শুভ ব্লগিং কামনা করছি।


স্মৃতি : সামহোয়্যারইন ব্লগে ০৫ বছর পুর্তি, ১৯ জানুয়ারী ২০১০ইং।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29310304 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29310304 2011-01-19 15:21:45
বৌ কে নিয়ে সোনারগাঁও ভ্রমন
মেইন গেট দিয়ে ঢুকে হাতের ডানে বিশাল এক পুকুর, পাশে লোকশিল্প যাদুঘর। এই যাদুঘরটা আমার আগেও ভালো লাগেনি, এবারো লাগলো না। একগাদা থালা-বাটি, হাড়ি-পাতিল শোকেজের ভিতর রেখে যাদুঘর বানানো হয়েছে। দম বন্ধ হওয়া টাইপ যাদুঘর থেকে দ্রুত বের হয়ে বড় মাঠের পাশে পুকুর পাড়ে বসলাম বুক ভরা নিঃশ্বাস নেয়ার জন্যে।

সোনারগাঁ যাদুঘর কমপ্লেক্সের যে অংশটায় মেলা হচ্ছিল এবার সে দিকে গেলাম। যাওয়ার পথে ওয়াল পেইন্টিং খুব ভালো লেগেছে। মেলার সব স্টলই কুটির শিল্প আর লোকজ শিল্প পন্যের। আমরা কয়েক ধরনের মুরলি কিনলাম। পুরা এরিয়াটা একবার চক্কর দিলাম। পিকনিট পার্টির খাবারের গন্ধে আমাদের খিদে পেয়ে গেছে। ভিতরে খাবারের কোন ব্যবস্থা চোখে পড়েনি তাই যাদুঘরের বাইরে রাস্তার পাশে যে হোটেল গুলো আছে তার একটাতে ঢুকলাম। আউটলুক ভালোই। খাবার অর্ডার দিয়ে বসে আছি।

জঘন্য টাইপ খাবার খেয়ে রওয়া দিলাম পানাম সিটি। পানাম সিটির বর্ননা তো শুরুতেই দিয়েছি। নির্জন এই নগরীর রাস্তার এক প্রান্ত দিয়ে আরেক প্রান্ত হেটে বেড়ালাম।

[কয়েক মাস পর ব্লগে পোষ্ট করলাম। বছরের শেষ পোষ্ট। সবাই কে নতুন বছরের শুভেচ্ছ।]


স্মৃতি ঃ আমি আর আমার বউএর সোনারগাঁও ভ্রমন।
২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১০ইং, শনিবার।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29298845 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29298845 2010-12-30 15:54:27
ফেস বুকে খুজে পেলাম ছোট বেলার হারিয়ে যাওয়া বন্ধু কে !
কেটে গেলো কয়েক মাস। আগষ্টের শেষে ফেস বুকের আমার স্কুলের গ্রুপ থেকে ম্যাসেজ পেলাম, গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে কে কোন সালে এস.এস.সি / এইচ.এস.সি দিয়েছে তা জানানোর জন্য আহবান। আমি গ্রুপ ডিসকাশন বোর্ডে গিয়ে আমার এস.এস.সি / এইচ.এস.সি সাল লিখে দিয়ে আসলাম। একজন কে পেয়ে গেলাম লিখেছে ”দেশে থাকলে আমার এস.এস.সি এর সাল হতো ১৯৯৫”। কিন্তু ওর চেহারা দেখে অপরিচিত লাগছে। কিন্তু সেই সময় তো একই ক্লাশের প্রায় সব সেকশনের ছাত্রদের কে চিনতাম। ওকে না চিনতে পেরে ম্যাসেজ পাঠালাম যে ”আমিও ওই একই সময়ে এই স্কুলেই পড়তাম”। পরের দিন ওর কাছ থেকে ফেস বুক ওয়ালে একটা ম্যাসেজ আসলো অনেকটা এই রকম ”আমার ধারনা যদি ঠিক হয় তোমার বাসা ছিল অমুক জায়গায়, আর তোরা আমাকে জানতি আমার মিডেল নাম ইশতিয়াক হিসাবে” আমার আর চিনতে বাকি রইলো না সে কে। দোস্ত তোকে আমি অনেক খুজেছি। এক পর্যায়ে আশাই ছেড়ে দিয়েছিলাম। তোকে ফিরে পাবার অনুভুতি বনর্না লিখে বুঝানো যাবে না। সাথে সাথে ফোন দিলাম আমার আরেক ছোট বেলার বন্ধু রিয়াজ কে, ঘটনা শুনে সে নিজেও হতবাক! আসলে ’ইশতিয়াক’ আমাদের খুব ছোট বেলার ঘনিষ্ট বন্ধু ছিল, যাকে সময়ের স্রোতে একবার হারিয়ে আবার ফিরে পেয়েছি।

ভালো থাকিস বন্ধু, লেখাটা শুধু তোকে নিয়ে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29121433 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29121433 2010-03-22 16:50:55
দিনাজপুর ভ্রমন : কান্তজী মন্দরি, রাজ বাড়ি, রাম সাগর এবং ... (শেষ পর্ব)
মন্দিরের পেছন দিকে এক বি-শা-ল দীঘি নাম ’সুখ সাগর’। সুখ সাগরের পাড়ে দাড়িয়ে বুক ভরা নিশ্বাস নিলাম। কিন্তু এতো রোদ! তাই বেশীন থাকতে পারলাম না, সেখানে আরো একটা বিশাল দীঘি আছে নাম ’মাতা সাগর’, সময়ের সল্পতার কারনে সেখানে যেতে পারলাম না।

এরপর আমরা রিক্সা দিয়ে গেলাম গোর-এ-শহীদ মাঠে। মেইন রাস্তার পাশে বিশাল এই মাঠের একপাশে ঢাকার শহীদ মিনারের আদনে নির্মিত একটি শহীদ মিনার। আর রাস্তার অপর পাশে সরকারী অফিস পাড়া। এখানে আছে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত স্মৃতি সৌধ।

রামসাগরে যাওয়ার জন্য আমরা এখান থেকে ট্যাক্সি ভাড়া করলাম। দিনাজপুর শহর থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দক্ষিনে আউলিয়াপুর ইউনিয়নে বিখ্যাত রামসাগর দীঘি অবস্থিত। রাজা রামনাথ এই দীঘি খনন করেন প্রজাদের সেচ সুবিধা ও পানির সমস্যা দূরীকরণের জন্য। আমরা গাড়ী নিয়ে মেইর গেট খেকে টিকেট কেটে ভিতরে প্রবেশ করলাম। দীঘির সামনে এসে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি। এতো বড় দীঘি ! দীঘির কিনার দিয়ে পাকা রাস্তা। এ রাস্তা ধরে পায়ে হেটে দীঘিটা চক্কর দিলে বিশ্রামসহ ২ ঘন্টা লাগবে। আমরা গাড়ী নিয়েই রওনা দিলাম, মাঝে মাঝে নেমে দীঘির সৌন্দর্য উপভোগ করলাম।

দীঘির চারপাশে হাজার ধরনের গাছ। আর নাম না জানা পাখির কলোরব। দূর দুরান্ত থেকে কত মানুষ এসেছে রাম সাগরের সামনে দাঁড়িয়ে একটা সুন্দর সময় কাটানোর জন্য। দীঘিটা একটা চক্কর দিয়ে সোজা গেলাম মালদাহ পট্টি’র হোলেট ডায়মন্ডে। হোটেল থেকে ব্যাগ নিয়ে গেলাম কালিতলা বাস স্ট্যান্ডে। দুপুর সোয়া একটা। রাজশাহী যাওয়ার টিকেট কিনলাম, জনপ্রতি ভাড়া টাকা ২৫০/-, বাসের নাম ’এ্যামি’।

বাস ছাড়লো দুপুর ১:৩৫ মিনিটে। আমাদের নতুন গন্তব্য রাজশাহী।
বিদায় দিনাজপুর।


স্মৃতি: ১৪ নভেম্বর ২০০৮, শুক্রবার।

১ম পর্বের লিংক :
যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ/নষড়ম/লযড়ৎড়যড়ধি/২৯০৪৮৩৯৭
২য় পর্বের লিংক :
যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ/নষড়ম/লযড়ৎড়যড়ধি/২৯০৬০৫৪৫]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29105192 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29105192 2010-02-25 12:19:23
ব্লগ কে দিলাম ৪ বছর - ঝড়ো হাওয়া
এই ব্লগে ০৪ বছর পুর্তিতে পুরানো কিছু সহব্লগার কথা স্বরন করছি। যাদের কে খুব মিস করি যেমন- শুভ ভাই, সাদিক মোঃ আলম, সাব্বির, মাহবুব সুমন, অন্ধকার, জ্বীনের বাদশাহ, মাশা, কালপুরুষ, পথিক, আরিফ জেবতকি, কাশফুল, মিলটন, ধানসিড়ি, আস্ত মেয়ে (সন্ধ্যাবাতি), চোর, ধুসর গোধুলি, আরাফাত রহমান, শাওন, রোবট রাজকন্যা, শাহানা সহ আরো অনেকে যাদের নাম এই মুহুত্বে মনে পড়ছে না।

নতুন ব্লগারদের জন্য রইলো শুভ কামনা।

স্মৃতি : সামহোয়্যারইন ব্লগে ০৪ বছর পুর্তি, ১৭ জানুয়ারী ২০১০ইং।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29081107 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29081107 2010-01-18 15:15:00
দিনাজপুর ভ্রমন : কান্তজী মন্দির, রাজ বাড়ি, রাম সাগর এবং ... (২)
দিনাজপুরের জমিদার মহারাজা প্রান নাথ ও তার পুত্র রামনাথ কর্তৃক এই মন্দিরের নির্মান কাজ শুরু হয় ১৭০৪ইং সালে শেষ হয় ১৭৫২ইং সালে। টেরাকটার নিপুন কাজ করা অসাধারন সুন্দর এই মন্দিরটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রন্ততাত্তিত নিদর্শন।

পুরো মন্দিরটা ঘুরে দেখলাম। শত শত লোকের সমাগম মন্দিরকে ঘিরে। মেলা বসেছে মন্দিরের বাউন্ডারি ওয়ালের ভেতরে আর বাইরের মাঠে। ভিতরের দোকানগুলোতে ধর্মীয় বই, পুজা সামগ্রী বিক্রি হচেছ আর বাইরে খাবার, খেলনা ইত্যাদির দোকান। মিষ্টির দোকান থেকে আমরা ০৩ জন বিশাল সাইজের মিষ্টি স্থানীয় নাম নেংচা খেলাম।

এবার যাওয়ার পালা। পেছনের মেঠো পথ ধরে হাটতে লাগলাম। ২০/২৫ মিনিট হাটার পর চড় পরা একটা নদীর সামনে আসলাম। বাঁশ দিয়ে নদীর উপর ব্রীজ করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে সেটার উপর দিয়ে মানুষ ভ্যান গাড়ী, রিক্সা পারাপার হয়। আমরা ধীর গতিতে নদীর স্বচ্ছ পানি আর হালকা স্রোত দেখতে দেখতে ব্রীজ পার হোলাম। সামনেই কান্তনগর বাস স্ট্যান্ড।

বাসে উঠে পরলাম। আমাদের এবারের গন্তব্য দিনাজপুর রাজরাড়ি।

স্মৃতি: ১৪ নভেম্বর ২০০৮, শুক্রবার।
তথ্য: http://en.wikipedia.org/wiki/Kantajew_Templ

প্রথম পর্বের লিংক :
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29060545 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29060545 2009-12-17 15:04:34
দিনাজপুর ভ্রমন : কান্তজী মন্দির, রাজ বাড়ি, রাম সাগর এবং ...
ওকে বলা হলো আমাদের ভোর ৫টার দিকে ফোন দিয়ে ঘুম ভাঙ্গাতে আর সকাল ৬:৩০টার সময় হোটেলে হাজির থাকতে।

১৪ নভেম্বর ২০০৮, শুক্রবার।
ভোর ৫:৩০মিঃ এ ঘুম ভেঙ্গে গেলো। গোছল করে রেডি হয়ে গেলাম দুজন। খাইরুলের খবর নাই, ফোনও নাই, অথচ ওর আমাদের ফোন করে ঘুম ভাঙ্গানোর কথা ছিল। আমরা যা সন্দেহ করেছিলাম তাই হয়েছে, খাইরুল মনে করেছিল আমরা ঢাকার পাবলিক দেরী করে ঘুম থেকে উঠবো, হোটেল থেকে বের হতে কমপক্ষে ১০টা বাজবে।

সকাল ৬:৪০টার দিকে আমি আর হাসান ভাই হোটেল থেকে নেমে, নীচে হাটাহাটি করছি। খাইরুলের খবর নাই। মেজাজ খারাপ লাগছে, ওরে ফালায় চলে যাবো কি না ভাবছি। সময় নষ্ট না করে পাশের হোটেলে নাস্তা করতে বসলাম। খাইরুল কে ফোনে পাওয়া গেলো, সে আসছে।

বাস স্ট্যান্ড বাসে করে রওনা দিলাম প্রথমে গেলাম হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। ঘড়ির কাটায় সকাল ৮টা। সারা ক্যম্পাসে ৩-৪ জন মানুষ দেখলাম। সবাই মনে হয় ঘুমাচ্ছে। পরিচ্ছন্ন ছিমছাম ক্যম্পাস। ঢাকা থেকে আসার সময় একটা অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে আসছি সেটা হলো, এখানকার এক স্টুডেন্ট এর হাতে একটা গিফট প্যাক পৌছিয়ে দেয়া। দায়িত্ব শেষ করে আবার বাসে উঠলাম ... গন্তব্য কান্তজী মন্দির।

--- (আশা করি চলবে)---]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29048397 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29048397 2009-11-23 13:29:25
নর্থ বেঙ্গল ট্যুরের পূর্ব প্রস্তুতি
ঠিক করা হলো আমরা ১৩ নভেম্বর বৃহষ্পতিবার অফিস থেকে তাড়াতাড়ি বের হয়ে সোজা চলে যাবো কলেজগেট বাস স্টান্ডে। তারপর সেখান থেকে ভালো কোন চেয়ারকোচ করে রওনা দিবো দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে। আর ঢাকায় ফিরবো ১৬ নভেম্বর রবিবার রাতে। পরের দিন সোমবার অফিস।

সারা আফিস জানে আমরা দুই দিনের জন্য ঘুরতে যাচ্ছি। আমাদের আটকানোর আর কোন উপায় নেই। ফাইনাল কর্নফারমেশন নিলাম এডভাইজার স্যারের কাছ থেকে। আমি আর আমার পার্টনার হাসান ভাই স্যারের রুমে ঢুকে বললাম, স্যার একটা আবদার নিয়ে আসছি।
- কি আবদার ? তোমরা দুইজন একসাথে ! বিয়ে সাদী নাকি ?
- না স্যার, বিয়ে না। আমরা নিয়ত করছি দিনাজপুর, রাজশাহী আর চাপাই নবাবগঞ্জ যাবো, আগামী শনিবার অফিসে আসবো না।
- কোথায় দিনাজপুর ? কোথায় রাজশাহী ? কত দুরুত্ব জানো ?
- স্যার, নিয়ত করে ফেলছি। কোন উপায় নাই।
- নিয়ত যখন করছো, যাও ঘুরে আসো।

স্যারের রুম থেকে হাসি মুখে বের হোলাম। বিশ্বাস ছিল স্যার মানা করবেন না। কারন, আমরা দুজনই ফাকি-ঝুকি ছাড়া কাজ করি, ছুটি কাটাই না। আমার স্যারের কাছে এসে খবরটা জানালাম- স্যার এডভাইজার স্যার আমাদের যেতে বলেছে। বলছেন ৭/৮ দিন ঘুরে আসো, আমরা অবশ্য এতোদিন থাকবো না সোমবার ইনশাআল্লাহ অফিস করবো।

স্মৃতি : নভেম্বর/২০০৮।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29033505 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29033505 2009-10-28 16:40:20
ঈদ শপিং ও আইসক্রীম ইফতারি
এরপর রওনা দিলাম এ্যালিফেন্ট রোডে। আমি সবসময় যে দোকান থেকে কিনি সেইখানে গেলাম। পুরা দোকান একটা চক্কর দিয়ে শাট-প্যান্ট পিস কেনা শেষ। এদিকে ইফতারির সময় হয়ে গেছে। ভালো কোন রেস্ট্রুরেন্টে ইফতারি করবো ভেবেছিলাম। কিন্তু কোথাও কোন জায়গা নাই। শত শত মানুষ রাস্তায় চেয়ার পেতে, কেউ দাঁড়িয়ে, কেউবা মার্কেটের সিড়িতে বসে ইফতারির জন্য অপেক্ষা করছে। আমরা আলপনা প্লাজার পাশে রাস্তার উপরে দাড়িয়ে পরলাম। আর সময় নাই এখনি আযান দিয়ে দিবে। পানি দিয়ে ইফতারি শুরু করালাম। এরপর, ঈগলু আইসক্রীমের গাড়ী থেকে দুটো কোন নিলাম। আইসক্রীমের গায়ে কামড় বসাচ্ছি আর ভাবছি এই প্রথম আইসক্রীম দিয়ে ইফতারী করলাম।

এবার, হাটা শুরু করলাম গাউছিয়া মার্কেটের দিকে। পথে লাটিমি থেকে দুটো শর্মা খেয়ে নিলাম আর বউ-কে গাউছিয়া মার্কেটের না যাওয়ার জন্য উৎসাহ দিতে লাগলাম। <img src=" style="border:0;" />

ঈদ শপিং স্মৃতি : ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৯ইং, শুক্রবার।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29011395 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29011395 2009-09-16 12:12:56
শ্রীমঙ্গলের সাত রং এর চা
আমরা ১৭ কাপ সাত রং এর চা এর অর্ডার দিয়ে পাশের ফিনলে চা বাগানে ঘুরতে গেলাম। ঘন্টাখানেক পরে ঘুরে এসে বসলাম চা দোকানের টেবিলে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর বিশেষ কায়দায় আমাদের সামনে আনা হলো সাত রং এর চা! গ্লাশ আকৃতির কাপের বাইরে থেকে আমরা সবাই মিলে সাত রং গুনে মিলালাম। আসলে ৭ রং বললে ভুল হবে ৭ টা লেয়ার ছিল কাপে। ৭০ টাকা মুল্যের এক কাপ সাত লেয়ার চা এর স্বাধ আমার কাছে আহামরি টাইপ কিছু মনে হয় নি।


স্মৃতি : ২৬ মার্চ ২০০৯ইং, শ্রীমঙ্গল।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29001860 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/29001860 2009-08-30 12:33:09
দ্বীপের নাম পেদা টিং টিং ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28986117 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28986117 2009-07-30 12:17:13 ভ্রমন : হাট হাজারী

নোট : ব্লগ লেখা মনে হয় ভুলেই গেছি। খুব পুরানো একটা লেখা স্টকে ছিল, সামান্য এডিট করে পোষ্ট করে দিলাম।

স্মৃতি : বেশ কয়েক বছর আগের ঘটনা। দিনক্ষন মনে নাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28968817 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28968817 2009-06-24 12:55:15
জীবনের প্রথম এক্স-রে করার অনুভুতি অবশেষে এক্সরে করার জন্য মিডফোর্ট হাসপাতালে গেলাম। এক্সরে রুমের ভিতরে গিয়ে আমার পা শক্ত হয়ে গেছে। শরীর ঠান্ডা। বিশাল ভয়ংকর যন্ত্রের সামনে দাড়িয়ে আমার চোখ দিয়ে পানি টপ টপ করে পড়ছে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28952345 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28952345 2009-05-18 15:21:56
ঝড়ো’র বৈশাখিয় আমলনামা


সকালে ভুনা খিচুরি আর ডিম ভাজা দিয়ে আহার পর্ব শেষে কর্মেক্ষেত্রে গেলাম অপকর্ম (আড্ডা বাজি) করতে। যাওয়ার পথে দেখলাম পাবলিকের উৎসব মাখা চেহারা। আজ একটু দেরীতে অফিসে ঢুকলাম। অফিসের কলিগদের সাথে দুষ্টামি ফাইজলামি করলাম। তাদের অনেকে ভোরে রমনা থেকে পান্তা-ইলিশ খেয়ে এসে আমাদের কর্পোরেট আড্ডায় ঢেকুর তুলছে। আমি টাকা খরচ করে পান্তা-ইলিশ খাওয়ানের পাবলিক না ! কাচ্চি বিরিয়ানি-বোরহানী তেই আমার তৃপ্তি।

আমাদের ফ্লোরে যারা আছে তাদের জন্য একটা সিসটেম করে দুপুরের খাওয়ার ব্যবস্থা করলাম। ছুটলাম বংশালের আল-রাজ্জাক হোটেলে। কাচ্চি বিরিয়ানি আর ফিন্নির অর্ডার দিলাম ৪২ প্যাকেট। খাবার প্যাকেট হইতে হইতে আমরা এক লিটার লাবং সাবার করলাম। পরে অফিসে এসে সবাই কে নিয়ে কাচ্চি বিরিয়ানি খাইলাম। তারপর ফিন্নি খাইতে খাইতে ব্লগে চোখ বুলালাম।

প্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজ এর কনসার্ট দেখতে গেলাম বনানী মাঠে। আমি যখন যাই তখন মাইলস মাত্র স্টেজে উঠেছে। হিট কিছু গান শুনলাম মাইলসের। সন্ধ্যার পর আসলো ওয়ারফেজ। প্রায় ৭/৮ বছর পর ওয়ারফেজ এর স্টেজ প্রোগাম দেখছিলাম, তখন সঞ্জয় ছিল ভোকাল। এখন গাইছে মিজান। প্রত্যেকটা মেম্বারের অসাধারন পারফরমেন্স। ওরা ৭/৮টা গান গেয়ে অনুষ্ঠান শেষ করলো।

আমি বাসার দিকে চলছি। রাতে খাইলাম মুরগি বিরিয়ানি !
জম্পেশ পহেলা বৈশাখি পার করলাম।


স্মৃতি : পহেলা বৈশাখ ১৪১৬ (১৪ এপ্রিল ২০০৯ইং, মঙ্গলবার)।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28938417 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28938417 2009-04-15 14:30:45
দেখে আসলাম বীরশ্রেষ্ট মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর এর সমাধি
রাজশাহী বিভাগে একটা বিশাল ট্যুর দেওয়ার পরিকল্পনা করছিলাম কয়েক মাস আগ থেকে। সেই ট্যুরের একট অংশ ছিল চাঁপাই নবাবগঞ্জ এ সোনা মসজিদ আর বীরশ্রেষ্ট মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর এর সমাধিত্রে দেখা। অবশেষে ১৫ নভেম্বর ২০০৮ইং দিনাজপুর, রাজশাহী ঘুরে গেলাম সিমান্ত নিকটবর্তী জেলা চাঁপাই নবাবগঞ্জে। ঐতিহাসিক ছোট সোনা মসজিদ প্রাঙ্গনে চির নিদ্রায় শায়িত আছেন বীরশ্রেষ্ট মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর। পাশের কবরে শয়িত আছেন আরেক মহান বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর নাজমুল হক।

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর :
মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর (১৯৪৮- ডিসেম্বর ১৪, ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

সংক্ষিপ্ত জীবনী :
মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর ১৯৪৮ সালে বাবুগঞ্জ থানার রহিমগঞ্জ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আবদুল মোতালেব হাওলাদার। জাহাঙ্গীর ১৯৬৪ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন এবং ১৯৬৬ তে আই.এস.সি পাশ করার পর বিমান বাহিনীতে যোগদানের চেষ্টা করেন, কিন্তু চোখের অসুবিধা থাকায় ব্যর্থ হন। ১৯৬৭ সালে তিনি পাকিস্তান সামরিক একাডেমীতে ক্যাডেট হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৬৮-র ২ জুন তিনি ইঞ্জিনিয়ার্স কোরে কমিশন লাভ করেন। ১৯৭১-এ স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় তিনি পাকিস্তানে ১৭৩ নম্বর ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটেলিয়ানে কর্তব্যরত ছিলেন। মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য তিনি ছুটে এসেছিলেন পাকিস্তানের দুর্গম এলাকা অতিক্রম করে, প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে। ৩ জুলাই পাকিস্তানে আটকে পড়া আরো তিনজন অফিসারসহ তিনি পালিয়ে যান ও পরে পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার মেহেদীপুরে মুক্তিবাহিনীর ৭নং সেক্টরে সাব সেক্টর কমান্ডার হিসাবে যোগ দেন। বিভিন্ন রণাঙ্গনে অসাধারণ কৃতিত্ব দেখানোর কারণে তাঁকে রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ দখলের দ্বায়িত্ব দেয়া হয়। স্বাধীনতার ঊষালগ্নে বিজয় সুনিশ্চিত করেই তিনি শহীদ হয়েছিলেন। ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীরকে চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার ঐতিহাসিক সোনা মসজিদ আঙিনায় সমাহিত করা হয়।

যেভাবে শহীদ হলেন :
১০ ডিসেম্বর ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর, লেফটেন্যান্ট কাইয়ুম, লেফটেন্যান্ট আউয়াল ও ৫০ জনের মতো মুক্তিযোদ্ধা চাঁপাইনবাবগঞ্জের পশ্চিমে বারঘরিয়া এলাকায় অবস্থান গ্রহন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ভোরে মাত্র ২০ জন মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে বারঘরিয়া এলাকা থেকে ৩/৪ টি দেশী নৌকায় করে রেহাইচর এলাকা থেকে মহানন্দা নদী অতিক্রম করেন। নদী অতিক্রম করার পর উত্তর দিক থেকে একটি একটি করে প্রত্যেকটি শত্রু অবস্থানের দখল নিয়ে দক্ষিণে এগোতে থাকেন। তিনি এমনভাবে আক্রমণ পরিকল্পনা করেছিলেন যেন উত্তর দিক থেকে শত্রু নিপাত করার সময় দক্ষিণ দিক থেকে শত্রু কোনকিছু আঁচ করতে না পারে। এভাবে এগুতে থাকার সময় জয় যখন প্রায় সুনিশ্চিত তখন ঘটে বিপর্যয়। হঠাৎ বাঁধের উপর থেকে ইস্ট পাকিস্তান সিভিল আর্মড ফোর্সের ৮/১০ জন সৈনিক দৌড়ে চর এলাকায় এসে যোগ দেয়। এরপরই শুরু হয় পাকিস্তান বাহিনীর অবিরাম ধারায় গুলিবর্ষন। ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর জীবনের পরোয়া না করে সামনে এগিয়ে যান। ঠিক সেই সময়ে শত্রুর একটি গুলি এসে বিদ্ধ হয় জাহাঙ্গীরের কপালে। শহীদ হন তিনি।

লিংক
বীরশ্রেষ্ট সিপাহী মোঃ মোস্তফা কামাল :
Click This Link
বীরশ্রেষ্ট রুহুল আমীন :
Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28928287 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28928287 2009-03-23 12:01:45
নৌকায় শুয়েছেন কখনো ? " style="border:0;" />

হঠাৎ দেখলাম বড়ভাই নৌকা বসে তার পা দুটো নদীর পানিতে নামিয়ে দিলো। আমাকে বললো- আমরা ছোটবেলায় এইভাবে নৌকার চড়তাম, খুব মজা ! প্রানটা ঠান্ডা হয়ে যায়। আমিও ওনার দেখাদেখি আমার পা দুটো নদীর পানিতে নামিয়ে দিলাম। অসাধারন অনুভুতি! আসলেই প্রানটা ঠান্ডা হয়ে গেছে। <img src=" style="border:0;" />

নৌকা দিয়ে চলছি শান্ত নদীর উপর দিয়ে। আমি মুগ্ধ চোখে প্রকৃতি দেখছি আর মুহুর্ত্ব গুলো ক্যামেরা বন্দি করছি। নৌকার পাটাতনে শীতল পাটি বিছানো, আমি শুয়ে পড়লাম। এ আরেক অনুভুতি ! আমার চোখের উপর শুধু সীমাহীন নীল আকাশ ডানে-বামে দুলছে। কিছুন এভাবে দুলতে দুলতে মনে হলো আমার মাথা ঘুরাচ্ছে। চোখ বন্ধ করলাম, তবুও ঘুরছে।
<img src=" style="border:0;" />

স্মৃতি : ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৮ইং, শুক্রবার।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28909616 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28909616 2009-02-11 13:52:35
ব্লগে ০৩ বছর, ৩০০ পোষ্ট ... আর কি ?
সেই অনেকদিন আগের কথা, তখন ব্লগ এখনকার মতো এতো কালারফুল ছিল না, এতো সদস্যও ছিল না। সাদামাটা একটা হোম পেইজে শুধু পোষ্টকৃত লেখাগুলোই দেখাতো। সাম্প্রতিক মন্তব্য, মোট মন্তব্য সংখ্যা, কে কে অনলাইনে আছে এগুলো কিছুই ছিল না। ধীরে ধীরে ডেভোলপার এবং ব্লগারদের সম্মিলিত পরামর্শে অনেক অপশন যোগ হলো। যেমন, লাষ্ট ১০/১৫ টা পোষ্ট টাইটেল লিংক, মোট মন্তব্য সংখ্যা, টোটাল ভিউ ইত্যাদি। প্রথম প্রথম তো লগ-ইন করার পর কোন মন্তব্য লিখতে হলে ব্লগার আই.ডি / নেম, ইমেইল এড্রেস প্রতিবারই লিখতে হতো। সে ছিল বিরাট এক যন্ত্রনা। আর এখন তো কিক করেই সরাসরি মন্তব্য লিখা যায় আবার নিদিষ্ট মন্তব্যের জবাবও দেওয়া যায়। আরো কতোগুলো ইভেন্ট ছিল যেমন, সপ্তাহের সেরা ব্লগার, বিষয় ভিত্তিক পল আরো কি কি যেন ঠিক মনে পড়ছে না। তখন বিজয় ছাড়া অন্য কোন কি-বোর্ড ছিল না। ইংরেজী লেখা যেত না, মজার মজার ইমটিকন তো ছিলই না, লিংক দেওয়া যেত না। তখন দেখেছি ব্লগ মডারেটর কে কমেন্ট করতে। এখন তো তাকে দেখাই যায় না।

পুরানো কিছু সহব্লগার যাদের কে এখন খুব একটা দেখা যায় না, তাদের খুম মিস করি যেমন- ধানসিড়ি, কাশফুল, সাদিক মোঃ আলম, শুভ ভাই, আস্ত মেয়ে (সন্ধ্যাবাতি), চোর, ধুসর গোধুলি, আরাফাত রহমান সহ আরো অনেকে যাদের নাম এই মুহুত্বে মনে পড়ছে না।

ব্লগে আমার প্রথম পোষ্ট :
Click This Link

আমার ব্লগ প্রোফাইলে এখনো ২ বছর ১১ মাস দেখাচ্ছে ! কেন, বুঝলাম না !!

স্মৃতি : সামহোয়্যারইন ব্লগে ০৩ বছর পুর্তি, ১৭ জানুয়ারী ২০০৯ইং।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28898571 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28898571 2009-01-17 12:06:00
আজ ইনজেকশন খাইতে হইব ! ভয়ে আছি !!
এখন আসেন হেপাটাইটিস-বি সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেই।

হেপাটাইটিস-বি :
হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস মুলত লিভারকে আক্রমন করে এবং কোষগুলোকে ধ্বংস করে লিভার কে অকেজো করে দেয়। এটা ঘতক ব্যাঘি এইডস থেকে ১০০ গুন বেশী সংক্রামক। পৃথিবীতে এইডস এর কারনে যত লোকের মৃত্যু হয় হেপাটাইটিস-বি এর কারনে তার চেয়ে বেশী মানুষ মৃত্যুবরন করে। একে তামাকের পর ২য় ক্যান্সার সৃষ্টিকারী হিসাবে গন্য করা হয়।

রোগটির ভয়াবহতা :
বিশ্বে প্রায় প্রতি ০৩ জনের মধ্যে একজন হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস আক্রান্ত।
বিশ্বের ৯ম ঘাতক রোগ।
প্রায় ৮০ কোটি লোক হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের দীর্ঘমেয়াদী বাহক।
এদের মধ্যে প্রতি বছর প্রায় ১০ ল লোক লিভার এবং লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরন করে।

প্রতিরোধের উপায় :
শরীরে প্রতিষেধক টিকা নেওয়াই প্রতিরোধের উপায়। এজন্য প্রথমে একটা ব্লাড টেষ্ট করতে হবে যার নাম HBsAg (এইচ.বি.এস.এ.জি) রেজাল্ট নেগেটিভ হলেই টিকা নেওয়া যাবে।
ডোজ : প্রথমবার দেওয়ার এক মাস পর ২য় বার, তার এক মাস পর ৩য় ডোজ পরবর্তী ০১ বছর পর শেষ ডোজ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28896466 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28896466 2009-01-12 15:25:15
আমার হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয় ভ্রমন আর কুরিয়ার সার্ভিসের কাজ
বাস স্ট্যান্ড থেকে বাসে করে রওনা দিলাম হাজী দানেশ কৃষি ও বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ে। ঘড়ির কাটায় সকাল ৮টা ছুই ছুই। বাস থেকে নেমে ঐ স্টুডেন্ট কে ফোন দিলাম- আমরা এসে গেছি আপনি কই ? এতো সকালে ফোন করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করলাম, আরো জানালাম এটাছাড়া আমার আর কোন উপায় ছিল না, আমার হাতে সময় খুব কম। সে আমাদের ’এস.এম’ এর সামনে বসতে বললো।

ক্যাম্পাসের ভিতর যেয়ে গার্ড তে জিজ্ঞাস করলাম ভাই ’এস.এম’ কোন দিকে ?
- ’এস.এম’ কি জিনিস ভাই। আগে শুনি নাই !
উত্তর শুনে আমার মাথায় হাত ! ঐ স্টুডেন্ট কে আবার ফোন দিলাম। বললাম, আপনাদের গার্ড তো ’এস.এম’ চিনতে পারছে না ! তখন সে বলল ’শহীদ মিনারের’ সামনে আসেন। এখন ’এস.এম’ এর অর্থ বুঝে আসলো।

পরিচ্ছন্ন ছিমছাম ক্যম্পাস। সবাই মনে হয় ঘুমাচ্ছে। সারা ক্যম্পাসে ৩-৪ জন মানুষের দেখা পেলাম। আমরা অপেক্ষা করছি প্রায় ২০ মিনিট হতে চললো। অথচ ঐ স্টুডেন্ট এর জন্য সময় বরাদ্দ করেছিলাম ১৫ মিনিট ! সে আসতে এতো দেরী করছে কেন বুঝছি না ! মনে হয় সাজুগুজু করে সময় শেষ করছে। আমি বললাম, হাসান ভাই ! আমার ফাও বইসা সময় নষ্ট ভালো লাগছে না, চলেন ক্যাম্পাসটা ঘুরে দেখি, সে সাইজা-গুইজা আসুক !

পুরা ক্যম্পাস এক চক্কর দিয়ে আবার ’এস.এম’ এর সামনে দাড়ালাম। অথচ তার কোন দেখা নাই ! আরো কিছু সময় অপেক্ষার পর পশ্চিম দিক থেকে তার আগমন হলো। আমি দ্রুত তার হাতে ঐ গিফট প্যাকটা পৌছিয়ে দিয়ে বললাম আমার দায়িত্ব শেষ, আমি এখন যাই।
- যাবেন মানে ! আমাদের ক্যাম্পাসে আসছেন, চলেন আপনাদের ঘুরিয়ে দেখাই।
- আপনার দেরী দেখে আমরা অলরেডি দুই চক্কর দিয়ে ফেলেছি।
- দেখলেও, কোনটার কি নাম সেটা তো জানেন না।
- কিছু কিছু জানি যেমন- এইটা এডমিন বিল্ডিং, ঐটা ছেলেদের হোস্টেল, ঐটা মেয়েদের হোস্টেল, ঐপাশে মসজিদ, মাঠ, গরু রাখার জায়গা <img src=" style="border:0;" />
- তবুও আসেন, আপনাদের ঘুরে দেখাই।

কিছুক্ষন হাটার পর বললাম, ঐদিকে ঘুরেছি নতুন কোন জায়গা থাকলে চলেন।
আমাদের ক্যান্টিনে গেছেন ? - না। তাহলে চলেন। রাস্তা পার হয়ে ক্যান্টানে গেলাম। এবার শুরু হলো খাওয়ানোর জন্য পীড়াপিড়ি। বহু কষ্টে মুক্তি পেলাম। আমরা তাকে বোঝাতেই পারলাম না যে, আমাদের হাতে সময় খুব কম। মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যে আমাদের দিনাজপুরের উল্লেখযোগ্য স্থানগুলো ঘুরে দেখে আজই রাজশাহীতে পৌছাতে হবে। বহু কষ্টে দ্রুত বিদায় নিয়ে চলে গেলাম আমাদের পরবর্তী মিশনে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28893210 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28893210 2009-01-05 13:14:39
পথে পথে মুক্তিযুদ্ধের টুকরো স্মৃতি চিহ্ন (ছবি ব্লগ)
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজরিত যে কোন ধরনের ধরনের ছবি সংগ্রহের প্রতি আমার বিশেষ দুর্বলতা আছে। আমি যেখানেই যাই লোকজন কে জিজ্ঞেস করে খুজে খুজে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি চিহ্ন বের করি। মুলত ছবিগুলো তুলি আমার ফ্লিকার আর বাংলা উইকিপিডিয়ার জন্যে। উইকিপিডিয়ার রাগিব ভাই আর বেলায়েত ভাইয়ের বদৌলতে আমার তোলা কিছু ছবি উইকিপিডিয়ার স্খান পেয়েছে। সময়ের অভাবে উইকিপিডিয়ায় এখনো নিজের একাউন্ট চালু করতে পারিনি।

বিভিন্ন সময়ে চলার পথে তোলা মুক্তিযুদ্ধের টুকরো কিছু স্মৃতি চিহ্নের ১৫টি ছবি দেয়া হলো।

০১। স্মৃতি সৌধ, সিরাজদিখান সদর, মুন্সিগঞ্জ।
০২। বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন এর সমাধি, রূপসা নদীর তীর, খুলনা।
০৩। বীর শ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল এর সমাধি, ব্রাক্ষনবাড়িয়া জেলার দরুইন, গঙ্গাসাগর নামক স্থানে।
০৪। বীর শ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাংঙ্গীর সমাধী সংলগ্ন স্মৃতি সৌধ, (ঐতিহাসিক ছোট সোনা মসজিদ এর পাশে) চাপাঁই নবাবগঞ্জ।
০৫। গন কবর (সিমান্ত এলাকা) চাপাঁই নবাবগঞ্জ।
০৬। স্মৃতি সৌধ, দিনাজপুর সদর।
০৭। স্মৃতি সৌধ, হাজী দানেশ কৃষি ও বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর।
০৮। স্মৃতি সৌধ, রাজশাহী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
০৯। স্মৃতি সৌধ, রাজশাহী কলেজ।
১০। পদ্মা নদীর তীরে স্মৃতি সৌধ, রাজশাহী।
১১। মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত গাড়ী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
১২। শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩। বধ্যভুমি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪। স্মৃতি সৌধ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫। সাবাশ বাংলাদেশ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28882639 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28882639 2008-12-15 11:26:15
জিনিসটার নাম ’বাংলার তাজ মহল’ না দিয়ে ’মদন মহল’ দেওয়া উচিৎ বাংলার তাজ মহল নিয়ে সারা দেশে বিশাল হৈচৈ। আমিও বুক ভরা আসা নিয়ে তাজমহল দেখার জন্য আগ্রা না গিয়ে কম খরচে মদনপুর রওনা দিলাম। মনে মনে মুল তাজ মহলের ছবি দেখছি আর ভাবছি, আহা ! আমাদের তাজ মহল কতই না সুন্দর হবে। সম্রাট মনি’র কত বড় কলিজা ৪০০ কোটি টাকা খরচ করে জিনিস একখান বানাইয়া দেশজুরে কেরফা লাগায় দিছে।

মদনপুর বাসস্টান্ড নেমে দেখি টে¤পুওয়ালারা ’তাজমহল’ বলে চিল্লাইতেছে। কেউ ভাড়া চাচ্ছে ৩০/- টাকা, কেউ ৪০/- টাকা। আধঘন্টা টেম্পু দিয়ে চলার পর একগ্রামে এসে থামলাম। সামনে বিশাল জ্যাম আর হাজার হাজার মানুষ। সবাই তাজমহল দেখতে আসছে। অপেক্ষা না করে নেমে হাটা দিলাম। প্রায় দুই কিলো হাটার পর তাজমহল কম্পাউন্ডে আসলাম, প্রবেশ মুল্য ৫০/- টাকা। কোন ব্যাপার না, আগ্রা গেলে আরো খরচ হইতো। তাড়াতাড়ি টিকেট কেটে ভিড় ঠেলে ভিতরে প্রবেশ করলাম।

তাজমহলের চেহারা দেইখা মুখটা অটোমেটিক হা হয়ে ’শালা’ শব্দটা যে কেমনে বের হয়ে আসলো বুঝবার পারি নাই। আমার ঢাকাইয়া বন্ধুটি মুখ আর আটকাইয়া রাখা গেলো না। সে গাইল শুরু করলো- (গালি)রা টয়লেটের টাইলস লাগাইছে, মালিক পক্ষের সব (গালি)’রা ভাগছে, একটারে ডাইকা আইনা যে পাবলিক গাইলাইবো সেই উপায় নাই, (গালি)রা এই ঈদের দিনে পাবলিকরে ’বাকরা’ টুপি লাগায় দিলো ... ইত্যাদি ইত্যাদি।


বাকরা স্মৃতি : ১১ ডিসেম্বর ২০০৮ইং। মদনপুর, সোনারগাঁও]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28881738 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28881738 2008-12-13 11:30:26
গরুর পিছে দৌড়
ঈদের দিন ভোরে গরু আনতে আমার মামা, মামার এক বন্ধু সহ অন্য আরেক জন লোক গেলো স্কুলে। সাথে আমিও ছিলাম দুধ ভাত হিসাবে। পিলারে শক্ত করে বাধা দড়ির গিট্টু খোলা হলো। গরুর মধ্যে তেমন কোন ভাব-ভঙ্গী খুজে পাওয়া গেলো না। গরুর গলার দড়ি, নাকের দড়ি ধরে যেই স্কুলের মেইন গেট পার হলো তখনই গরুটা সর্বশক্তি দিয়ে দিল ছুট। আমার মামা রাস্তায় ছিটকে পড়লো, আমরা ৩ জন ধর ধর বলে গরুর পিছন পিছন ছুটলাম। সঙ্গে ছুটলো আরো অনেকেই।

স্মৃতি ঃ ছোটবেলার স্মৃতি, দিন-তারিখ মনে নাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28879160 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28879160 2008-12-06 14:45:29
ঝড়ো’র প্রথম কনে দেখা " style="border:0;" />। কেমন কেমন যেন লাগতেছিল, কিছুটা অসস্থিকর, কিছুটা বিব্রতকর। আবার মজাও পাইতেছিলাম। আমার সাথে ছিল আমার মা, বোন, মামী আর পিচ্চি মামাতো ভাই, আমার এক সিনিয়র ফ্রেন্ড। আর মেয়ের সাথে ছিল ওর মা-বাবা, খালা আর মামা। মিডিল ম্যান হিসাবে ছিল আমার খালু আর ওনার এক বন্ধু। রেস্ট্রুরেন্টের খাবার টেবিলে আলাপ হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ে, মাঝে মাঝে আমার প্রসঙ্গ আসছে, আমি হাসি মুখে রিপ্লাই দিচ্ছি। <img src=" style="border:0;" />

আমি আর মেয়ে দুইজন টেবিলের দুই প্রান্তে বসেছি। মুরুব্বিদের দৃষ্টির ফাঁক ফোকর পেরিয়ে একঝলক দেখে নিলাম মেয়েকে। সেও দেখলাম একই পদ্ধতি অনুসরন করছে। দুই জনের দৃষ্টিই কৌতুহলপূর্ন। মেয়ের সাথে আমার পরিবারের সদস্যদের আলাপ হচ্ছে, আমার বোনের সাথে মনে হয় বেশ খাতির হয়ে গেছে !

মেয়ের সাথে আলাদা কথা বলার ইচ্ছা ছিল। সুযোগ করে দিল খালুর বন্ধু। ছোট একটা টেবিলের দুই প্রান্তে মুখোমুখি বসলাম। দুই/চার কথার পর কোন এক কথার সুত্র ধরে দুষ্টমির লাইনে চলে গেলাম। যেমন, আমি প্রথম মেয়ে দেখতে গিয়েছিলাম আমার মামা’র জন্য এবার আসলাম নিজের জন্য। আপনি এ পর্যন্ত কয়জন ছেলে দেখেছেন ? আমার মাত্র দেখা শুরু হয়েছে। আপনার কি ধরনের ছেলে পছন্দ বলেন, আমিও ছেলে খুজি আপনার জন্য ......। <img src=" style="border:0;" />

আমার সিনিয়র বন্ধুটি এবার আমাদের সাথে যোগ দিলেন। আমাদের আড্ডা জমে উঠেছে। কে বলবে আমি মেয়ে দেখতে এসেছি না আড্ডা দিতে এসেছি ? দরজার পাশে দুই পরে অভিভাবগদের আনাগোনা লক্ষ্য করলাম। বুঝলাম আমরা মনে হয় একটু বেশী সময় ধরে আলাপ করছি।

নিজে জন্য প্রথম কনে দেখা আনন্দের সাথে শেষ হলো। এখন আর চিন্তা নাই, বিষয়টা বুঝে আসছে। মজাও পেয়েছি অনেক। আরো কনে দেখবো কি না ভাবছি ! <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />


প্রথম কনে দেখার স্মৃতি : ২১ নভেম্বর ২০০৮ইং, শুক্রবার, বিকাল-৪:০৫।
স্খান : ধানমন্ডি, ঢাকা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28873473 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28873473 2008-11-24 12:35:39
প্রথম শাড়ী কেনার অভিজ্ঞতা
দিনাজপুর, চাঁপাই নবাবগঞ্জ ঘুরে বিকালে আসলাম রাজশাহী শহরে। রিক্সা ভাড়া করে শহর দেখতে বের হোলাম। ঘুরেতে ঘুরেতে রাতে হাজির হোলাম সপুরা সিল্ক মিলস লিঃ এর ফ্যাক্টরি আর শোরুমে। মিলের প্রোডাকশন প্রসেস দেখে গেলাম শে-রুমে। বিশাল বড় শো-রুম, আমি শাড়ীর ব্লকে ঢুকলাম। হাজাম হাজার রং-বেরং এর শাড়ী। একটার সাথে আরেকটার তেমন কোন মিল নাই। দেখেই মাথা আউলা হয়ে যায়। কোন শাড়ীটা নিব বুঝতে পারছি না। বুঝতে পারলাম দোকানে ঢুকে কেমনে মেয়েদের মাথা খারাপ হয়।

শাড়ী মনে হয় কিনতেই পারবো না। এবার অন্য ব্লকে গেলাম যেখানে পাঞ্জাবি, সালোয়ার-কামিজ, শাল, ফতুয়া, থান কাপড় ইত্যাদি। একটা শাল পছন্দ করলাম। আবার গেলাম শাড়ীর ব্লকে, কেনান শাড়ী না কিনে ঢাকায় ফেরা ঠিক হবে না। বেশী ঘাটাঘাটি না করে দ্রুত একটা শাড়ী পছন্দ করলাম, আল্লাহ বাচাইছে, দামাদামীর ভেজাল নাই, ফিক্সড প্রাইস। বিল পেমেন্ট করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করলাম।

এইসব ভেজাইলা জায়গায় যত কম যাওয়া যায় ততই উত্তম।

স্মুতি : ১৫ নভেম্বর ২০০৮, শনিবার, রাত।
স্খান : সপুরা সিল্ক মিলস লিঃ, উপশহর, রাজশাহী।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28872604 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28872604 2008-11-22 15:55:38
মাথায় হাত ! ৫০০ টাকা জাল নোট !!
আমার মাথায় হাত ! মন মেজাজ খারাপ। <img src=(" style="border:0;" />
জীবনের প্রথম জাল টাকা নিয়ে ধরা খাইলাম।
এই দুঃখ কই রাখি ? <img src=(" style="border:0;" />

জাল নোট স্মৃতি : ১১ নভেম্বর ২০০৮ইং। সকাল ৯:৩০।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28867600 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28867600 2008-11-11 10:16:31
Google Adsense সম্পর্কে জানতে চাই ০২। ব্লগারস ডট কম / ব্লগ স্পট ছাড়া আমাদের সা.ইন.ব্লগ বা প্র.আলো ব্লগে কি গুগল এডসেন্স এড করা যায় ?
০৩। একজন নতুন ইউজার হিসাবে গুগল এডসেন্স কিভাবে শুরু করবো ?



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28864206 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28864206 2008-11-03 22:12:12
পরামর্শ চাচ্ছি : ডিজিট্যাল ক্যামেরার জন্য কোন ব্যাটারী কিনবো ? আমার এস ৭৫০ মডেলের স্যামসাং ৭.২ মেগা প্রিক্সেল ক্যামেরার জন্য কোন রিচার্জেবল ব্যাটারী ভালো হবে ?
আমি এমন এক জোড়া ব্যাটারী চাচ্ছি যা দিয়ে কয়েকশত ছবি তোলা যাবে। অফুরন্ত চার্জ থাকবে।
ব্যাটারীর দাম, কোন মার্কেট থেকে কিনলে আসল ব্যাটারী পাওয়া যাবে জানা প্রয়োজন।
জরুরী ভিত্তিতে, পরামর্শ চাচ্ছি সহ ব্লগারদের কাছ থেকে।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28860695 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28860695 2008-10-27 21:52:58
মেলামাইনের ভিতরে দুধ পাওয়া গেছে !! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />
মেলামাইন কইতে আমি শুধু বুঝি ”মেলামাইন ভাংগে না, রং নষ্ট হবে না” <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />
আপনারা কি বোঝেন ?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28856426 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28856426 2008-10-18 15:18:48
কর্পোরেট ঈদ উইশ এস.এম.এস


স্মৃতি : ঈদের এস.এম.এস, ০২ অক্টোবর ২০০৮, পবিত্র ঈদুল ফিতর।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28850489 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28850489 2008-10-02 22:45:09
ঢাকাইয়া হিট ইফতারী : লাবাং :
লালবাগের রয়েল হোটেল, চক এর ইফতারী বাজারে এই জিনিসখান পাইবেন। আর কত গল্প শুনবনে এই বার পরখ করে দেখেন।

শুভ ইফতার উইথ লাবাং। <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28844785 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhorohowa/28844785 2008-09-18 13:44:52