somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... যদি নির্বাসিত হন, সাথে কি নিবেন?
আজ আমার ছোটবোন হঠাৎ প্রশ্নটা করে বসলো, "যদি নির্বাসিত হও, সাথে কি নিবে?" সাথে শর্তও দিলো বাবা-মা, ভাই-বোন ছাড়া বলতে হবে।<img src=" style="border:0;" />
আমি তো মহাচিন্তায় পড়ে গেলাম! কি নেই সাথে! ওর শর্ত অনুযায়ী বাবা-মা'কেও তো নেয়া যাবে না! হুমম্...B:-)
অবশেষে মাথায় বুদ্ধি এলো!<img src=" style="border:0;" />
বললাম, "আমাদের বাসার বুয়াকে সাথে নিয়ে যাবো! ফলে যেখানেই যাই, খানাদানা'র কোনো চিন্তা থাকবে না! শাক, লতা, পাতা, কচু, ঘেচু অন্তত কিছু তো রেঁধে খাওয়াবে!"<img src=" style="border:0;" />
আমার কথা শুনে বুয়া বললো, "আফা আফনে আমারে এত বালাবাসেন!":``>>
হিঃ হিঃ অবুঝ বুয়া কিছুই বুঝে না!!!<img src=" style="border:0;" />

আপনাদের'কেও একই প্রশ্ন করছি, যদি নির্বাসিত হন, সাথে কি নিবেন? একটু ভেবে বলুন! <img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28881571 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28881571 2008-12-12 22:53:27
রম্য: জাদু<img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />
ছোটোবেলা থেকেই জাদুর প্রতি আলাদা একটা টান ছিল। জাদুর অনুষ্ঠানগুলো তাই খুব মনোযোগ দিয়ে দেখতাম। দেখতে দেখতে একসময় মনে হলো এসব জাদু আমিও পারবো! <img src=" style="border:0;" />
একদিন ছোটোবোনটাকে জাদু দেখাবো বলে ওর ২টা মিষ্টিকে রুমাল দিয়ে ঢেকে একটা করে ফেললাম (আরেকটা আমি গলাধকরণ করলাম!)। যা ভ্যানিশ করা হয় তা আনা সম্ভব নয় এই-নীতি আউড়ে এর ওর কাছ থেকে এটা সেটা খেয়ে বেড়াচ্ছি। আর নাম দিচ্ছি জাদু।<img src=" style="border:0;" />

মাস কয়েক পর ছোট ভাইবোন দুটো বলল, "এই ভ্যানিশ করার জাদু আর দেখবো না। এবার কিছু এনে দেখাও। তাহলে বুঝবো তুমি জাদু জানো!" /<img src=" style="border:0;" />
বুঝলাম দুর্দিন এসে গেছে। এখন নিজের গাঁটের টাকা খরচ করে জাদুবিদ্যা দেখাতে হবে। ওকে নো প্রবলেম। জাদুর জন্য আমি সব পারি। খেতেও পারি খাওয়াতেও পারি!<img src=" style="border:0;" />
প্রায়দিনই সন্দেশ, চকলেট,মিমি ইত্যাদি কিনে এনে লুকিয়ে রাখতাম। পরে ওদের সামনে রুমালের নিচ থেকে বের করে দেখাতাম। কিন্তু তবু ওদের পুরোপুরি বিশ্বাস হয় না যে আমি জাদু জানি। শেষ পর্যন্ত অন্য পথ ধরলাম। রাতে ডিমলাইটের আলোয় বই, খাতা-কলম, পেন্সিল, বিছানার চাদর হতে শুরু করে বস্তার মতো ভারী কোলবালিশ পর্যন্ত শূণ্যে তুলে দেখাতে লাগলাম। তাই দেখে একবার তো ছোট ভাইটা বলেই ফেললো,"এবার আমাকে শূণ্যে তুলে দেখাও!" <img src=" style="border:0;" />
একদিন গ্লাস ভর্তি পানির উপর একটা কাগজ রেখে গ্লাসটা উপুর করতেই সমস্ত পানি বিছানায় পড়ে একাকার। ফলস্বরূপ মার বকা খেলাম। কিন্তু তবু জাদুর ভুত মাথা থেকে গেল না! বরং আরো ভালো ভাবে পেয়ে বসলো।<img src=)" style="border:0;" />

আজকাল চান্স পেলেই জাদুর বই নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করি। সেদিন বিকালে জাদুর বই নিয়ে বসেছি। এমন সময় ছোটবোনটা এসে বললো, "ছোটআপা দেখো, মা এই বেলুনটা কিনে দিয়েছে। কি সুন্দর! তাই না?"<img src=" style="border:0;" />
"হ্যাঁ, খুব সুন্দর! কোত্থেকে কিনেছে রে?"<img src=" style="border:0;" />
"আমাদের গেটের সামনে বেলুনওয়ালা আছে।তার কাছ থেকে কিনেছে।"<img src=" style="border:0;" />
বলেই বেলুনটা নিয়ে একা একা খেলতে লাগলো। তাই দেকে হঠাৎ মাথায় ভুত চাপলো। ওকে বললাম, "চল, তোকে একটা জাদু দেখাই। এই বেলুনে আমি একটা সুচ ঢুকাবো, কিন্তু বেলুন ফুটবে না।"<img src=" style="border:0;" />
"সত্যিই ফুটবে না?"<img src=" style="border:0;" />
"একদম না।" বলেই একটা সুচ ঢুকাতেই ঠাস শব্দ করে বেলুনটা ফুটে গেল।B:-)
"এটা কি হলো! <img src=" style="border:0;" /> তবে যে তুমি বললে বেলুনটা ফুটবে না!<img src=(" style="border:0;" /> মিথ্যুক কোথাকার!<img src=" style="border:0;" /> অ্যাঁ অ্যাঁ অ্যাঁ....!!!"<img src=(" style="border:0;" /> ও গলা ফাটিয়ে কাঁদতে লাগলো।
আমিও তো অবাক! জাদুর বই খুলে ভুলটা বুঝতে পারলাম। ওকেও বুঝালাম। কিন্তু ও বুঝলো না! উল্টা কান্নার মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিলো। সেই শব্দে টিকতে না পেরে গেটের কাছে ছুটে গেলাম বেলুনওয়ালার খোঁজে। কিন্তু কোথাও কেউ নেই! রাস্তা ফাঁকা! বেলুনওয়ালা গায়েব! বাসার ভিতর থেকে তখনো ছোটবোনটার কান্না শোনা যাচ্ছে। আর আমি? দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভাবছি, তারপরের জাদুটা কোথায় প্রদর্শন করা যায়!!!!!<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28866948 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28866948 2008-11-09 23:44:07
রম্যঃ ভোকাল টোন<img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" />
ভোকাল টোন বাড়ানোর জন্য কতজন কত কিছুই না করে! কেউ সারগাম করে, কেউ বা খোলা মাঠে চিল্লাচিল্লি করে। কিন্তু আমাকে এসব কিছুই করতে হয়নি। জন্মসূত্রে পাওয়া আমার এই ভোকাল টোন মাশাল্লাহ্ ছিল গর্ব করার মতো! জ্ঞান হওয়ার পর থেকে এই টোনের রাইট ব্যবহার করতে লাগলা। ভাইবোনদের কারো সাথে একটু ঝগড়া হলেই এক চিল্লানি! ফলস্বরূপ মার উপস্হিতি , ব্যস্ কাজ হয়ে যায়। বাইরে বের হচ্ছেন মা, সঙ্গে কিছুতেই নিবে না। ভোকাল টোনের ক্ষমতা দেখিয়ে দেই! আমার চিল্লানি বন্ধ করতে শেষে মা রাজি হন।<img src=" style="border:0;" />
বাইরেও একই অবস্হা! চাওয়ার কি কোনো ফিনিশ আছে! একগাদা খেলনা থাকা সত্ত্বেও eye গিয়ে পড়ে বেবি ডলটির ওপর। তারপর বাবাকে লিটল অনুরোধ এবং কাজ না হলে চিল্লানি!<img src=" style="border:0;" />

কিন্তু কৈশোর জীবনে এসে বুঝলাম এই ভোকাল টোনের আসল মাহাত্ম্য! গর্ব করা তো দূরের কথা, কথা বলাটাই প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। বন্ধুমহলে পারতপক্ষে কেউ আমার সঙ্গে কথা বলে না। আড়ালে আবডালে ফাটা বাঁশ বলে! একবার এক বন্ধু বলেই ফেললো, "প্লিজ দোস্ত, কথা বলিস না। তোর যা বলার একটা কাগজে লিখে দে। আর কিছু না হোক, অন্তত আমাদের কানের কথা ভেবে...! বন্ধুর জন্য এতটুকু পারবি না?"
"গুষ্টি কিলাই এমন বন্ধুত্বের। আমার টোন নিয়ে ফাজলামি!" রেগে গিয়ে বললাম।/<img src=" style="border:0;" />
বাসায় কোনো মেহমান এলে আগে থেকে ওয়ার্নিং দেওয়া হয়, "এ্যাই ঝুমী, মা তোকে কথা বলতে বারণ করেছে!" আপনারাই বলুন কথা ছাড়া কি ওয়ান মিনিট থাকা যায়? ফোনে হ্যালো বললে অপর প্রান্ত থেকে রিসিভার রেখে দেয়। কি ইনসাল্ট একবার ভাবুন!<img src=" style="border:0;" />
একবার এক আত্মীয়ের বিয়েতে রোদ প্লাস বৃষ্টি হচ্ছে দেখে ছোটবোনকে ফিসফিস করে বললাম, "জানিস, আজ খেঁকশেয়ালের বিয়ে!" কিন্তু কে জানতো আমার এই ফিসফিসানি (স্বয়ং ভোকাল টোনের কল্যাণে!) বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত সবার কান অবধি পৌঁছবে। পাগড়ী পরা বরটা আমার দিকে এমনভাবে তাকালো যেন আমি তাকেই খেঁকশেয়াল বলেছি!<img src=" style="border:0;" />

একদিন ঠিক করলাম যে করেই হোক এই কুফা দূর করতেই হবে। শুরু করলাম আস্তে কথা বলার প্র্যাকটিস্। কাজও হলো, কিন্তু সমস্যা সেই রয়েই গেল। এখন এত আস্তে কথা বলি যে, আমার কথা কেউ শুনতে পায় না! বন্ধুদের আড্ডায় এত কথা বলি তবু আড্ডা শেষে বন্ধুদের অভিযোগ, "তুই তো কোনো কথাই বললি না! কি ব্যাপার মুড অফ নাকি???!!!!" B:-)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28855755 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28855755 2008-10-17 00:40:31
ভাল থাকুন সবাই <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />
ব্ন্ধুরা, সম্প্রতি একটু ব্যস্ত থাকায় ব্লগে আর সময় দেয়া হবে না। অতএব বিদায়। সবাই ভাল থাকুন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28830995 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28830995 2008-08-15 00:18:12
বন্ধুত্বের এক অঙ্গীকারনামা!!! বিস্মিত কন্ঠে প্রশ্ন করলো ছেলেটি, "তুমি জানো না বুঝি?"
"না!" মেয়েটি প্রতিউত্তর দিলো।
ভীষণ মায়া ভরা কন্ঠে ছেলেটি বললো, "বেশ শুনো...
এই যে তোমার নিঃসঙ্গতা দূর হয় আমি এলে,
তোমার কষ্টগুলো অবলীলায় মিশে যায় আমার মনে, একেই বন্ধুত্ব বলে।
বন্ধুত্ব একটি বিশ্বাসের নাম।
একটি স্বার্থহীন সম্পর্কের নাম।
বন্ধুত্ব একটি দৃঢ় বন্ধনের নাম।"

এবার মেয়েটি বেশ অভিমানের কন্ঠে বললো, "তবে যে সেদিন তুমি আমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলে! বলেছিলে, আজ থেকে আমি তোমার কেউ নই!!!"
ছেলেটি সম্মতির ভঙ্গিতে মাথা নাড়ে। "হ্যাঁ, বলেছিলাম। কিন্তু তারপরও তো ফিরে এসেছি। এই যে ফিরে আসা, একেই বন্ধুত্ব বলে।
তোমার মনে আছে, যেদিন প্রথম শাড়ি পড়েছিলে! তুমি সেদিন ঠিকমতো হাঁটতেই পারছিলে না। এক সময় পায়ে শাড়ি জড়িয়ে পড়ে যাচ্ছিলে, আমি তোমার হাত ধরেছিলাম। তা নিয়ে নিন্দুকেরা অনেক কথাই বলেছিল!
কিন্তু তুমি জানো, আমি জানি, এ শুধুই এক বন্ধুর সাহায্যের হাত ছিল তোমার দিকে।
প্রিয় বন্ধু আমার, তোমার ডাকে আমি সব কাজ ফেলে ছুটে আসি। তোমার আনন্দের মাঝেই আমি সব আনন্দ খুঁজে পাই, তা কি তুমি জানো?
হাত বাড়ালেই সবাই বন্ধু হতে পারে হয়তো, তবে প্রকৃত বন্ধু হতে হলে একটা সুন্দর মনের প্রয়োজন হয়। বন্ধুত্বের মাঝে কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই, নেই কোনো লাভ-লোকসানের হিসাব। হিসাব কষে হয়তো একটা সম্পর্ক গড়া যায়, বন্ধুত্ব নয়!"

ছেলেটির ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠলো। মেয়েটি উৎসুক দৃষ্টিতে তাকালো। "হাসছো কেন?" রহস্যময় কন্ঠে ছেলেটি জবাব দিলো, "একটা কথা মনে পড়লো, তাই!"
"কি কথা?"
ছেলেটি শীতল কন্ঠে বললো, "তোমার মনে আছে, এক সময় আমি চেইন স্মোকার ছিলাম। অথচ আজ আমি অন্য এক মানুষ! আমার এই পরিবর্তন শুধুই তোমার জন্য। তুমিই আমাকে অন্ধকার জগৎ থেকে আলোতে ফিরিয়ে এনেছো। সেই আলোয় আলোকিত আজ আমার জীবন। সত্যিকারের বন্ধু আসলে কখনো বিপথে যেতে দেয় না।তুমিই আমার যোগ্য বন্ধু!!!" ছেলেটি কৃতজ্ঞ দৃষ্টিতে মেয়েটির দিকে তাকায়।

মেয়েটি উচ্ছ্বাসিত কন্ঠে বললো, "জানো আজ বন্ধুত্ব দিবস। তুমি আমাকে কি দিবে?"
ছেলেটি স্নিগ্ধ হেসে মেয়েটির দিকে এক হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললো, "আজীবন বন্ধুত্বের এক অঙ্গীকারনামা। নেবে???!!!!"

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28827078 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28827078 2008-08-03 22:49:54
এ বরষায় সে নেই!!! বললাম, "না। আজ বৃষ্টিতে ভিজেই বাসায় যাবো। তুই বাড়ি যা!"
কিন্তু ওর একটাই কথা...বৃষ্টিতে ভিজলে জ্বর হয়, তাই সে আমাকে ভিজতে দিবে না। কি আর করা! উপায়ন্তর না দেখে দিলাম দৌড়। পিছনে ফিরে দেখি ছাতা হাতে পায়েলও ছুটে আসছে! একটা বাসার সামনে এসে থামলাম। ও কাছে এসে জিজ্ঞেস করলে, "এটা তোদের বাসা?"
"হ্যাঁ।"
"আমি তাহলে আসি।"

পায়েল কিছুদূর যাবার পর চিৎকার করে বললাম, "পায়েল, এটা আমার মামার বাসা। আমার বাসা আরো সামনে!"
বলেই এক দৌড়ে গলি পার হয়ে আমাদের বাসার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। পায়েলও ছুটে এসে হাজির! কিন্তু ততোক্ষণে আমার পোশাক ভিজে একাকার!!!
আমার চুল বেয়ে টপ টপ করে পানি পড়তে দেখে ও অভিমানী কণ্ঠে বললো, "শেষ পর্যন্ত তুই ভিজলিই!!"

০২. এখনো বৃষ্টি নামে, অঝোর বৃষ্টি। আমি চুল খুলে পথে নামি। শুধু একজন বন্ধু আর ছাতা হাতে বলে না, "তোকে ভিজতে দেবো না!!!"
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28819631 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28819631 2008-07-12 23:19:51
মা আমার প্রিয় বন্ধু।
মা আমার প্রিয় বন্ধু। আমার ভালোবাসা। আমার প্রথম শিক্ষিকা, যার কাছে আমি কলম ধরা শিখেছি। মা আমার সব। মা'কে আমি প্রচন্ড ভালোবাসি, হয়তো বা নিজের চেয়েও বেশি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28796747 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28796747 2008-05-11 23:55:10
রম্যঃ প্রলাপোক্তি!!! <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> " style="border:0;" />
স্যার দৃঢ় কন্ঠে বললেন, "না। কারণ তোমার এসব পাগলামী প্রথম থেকেই দেখে আসছি। আমার এখনো মনে পড়ে, প্রথম তোমাকে পড়াতে এসে দেখি দিন দুপুরে জানালার পর্দা টানা! কারণ দর্শালে পড়ার সময় তোমার চোখ বাইরে যায়। প্রকৃতিপ্রেমিক যাকে বলে! আর দ্বিতীয় দিন; তোমাকে বললাম, আমাকে নাস্তা দিও না, খেয়ে এসেছি। তুমি নাকি তোমার মা'কে গিয়ে বলেছো, আমি বলেছি নাস্তাগুলো পলিথিনের প্যাকেটে ভরে ফ্রিজে রাখতে , তিনদিন পর এসে খাবো! আশ্চর্য! আর তৃতীয় দিন...।" <img src=" style="border:0;" />

"স্যার, ওগুলো তো ফান ছিল। কিন্তু এটা সত্যি! আমি শুনেছি মরার আগে যদি বলি আবার জন্মাতে চাই। তাহলে ঠিকই জন্মাবো। তবে ভুত হয়ে এই আর কি!" <img src=" style="border:0;" />
"তুমি সত্যিই এই কথা বলবে? " স্যার জানতে চাইলেন। B:-)
বললাম, "অবশ্যই! মরার সময় আর কিছু না হোক, এটা অবশ্যই বলবো! স্যার আপনিও বলবেন। ট্রাই করতে তো দোষ নেই, কি বলেন?"
স্যার হেসে জবাব দিলেন, "তুমি নিজে তো পাগল! উল্টা এখন আমাকে পাগল বানানোর চেষ্টা করছো!" /<img src=" style="border:0;" />
"এতো ভালো একটা পরার্মশ দিলাম। আর আমাকে পাগল বললেন!!" <img src=" style="border:0;" />

"আমার কোনো পরার্মশের দরকার নেই! আচ্ছা টেবিলের উপর এই গোলাপের পাপড়ি গুলো কে রেখেছে?" :-*
"আমি। আপনি চলে যাবার পর এগুলো নিজের মাথায় নিজে ছিটাবো। একে বলে প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্ট খেলা! নামটা আমারই দেয়া। আপনি খেলবেন স্যার?"<img src=)" style="border:0;" />
স্যার জবাব দিলেন না। শুধু নিচের দিকে তাকিয়ে কি যেন বিড়বিড় করে বললেন ঠিক বুঝলাম না!!!! <img src=(" style="border:0;" />

(স্কুল লাইফে আমি শুধু ভাই-বোন-বন্ধুদের সাথেই নয়, স্যারদের সাথেও রাজ্যের ফান করতাম।) <img src=" style="border:0;" />



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28796224 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28796224 2008-05-10 16:40:59
মুখোশের আড়ালে পাশবিক মুখ!!! <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" /> "মোটেই না।" হাত নেড়ে প্রতিবাদ জানালাম। "উনি খুব ভাল মানুষ।"
শুনে তাচ্ছিল্যের সুরে সমীর বললো, "তা তো মনে হবেই। উনি যে তোমার সামনে ভালো মানুষের মুখোশ পড়ে থাকে!"
ব্যস্, শুরু হলো দুই বন্ধুর মধ্যে তর্কের তুমুল ঝড়...!!!

২. ভিতরে ঢুকতেই কানে ভেসে এলো কান্নার শব্দ! পূজার ছোটবোনকে জিজ্ঞেস করলাম, "কে কাঁদছে?"
"দিদি।"
"কেন?"
এদিক ওদিক তাকিয়ে মেয়েটি জবাব দিলো, "দুপুরে ভাত রান্না করতে গিয়ে পুড়িয়ে ফেলেছে। তাই মা ওকে ভীষণ মেরেছে! এমনকি দুপুরে খেতেও দেয়নি।"
"বলো কি!" চমকে উঠলাম। উনি কি মানুষ!

"আরে তুমি! বসো।" আমাকে দেথে ভদ্রমহিলা উচ্ছ্বসিত কন্ঠে বললেন।
আড়চোখে পূজার রুমের দিকে তাকালাম। পর্দার ফাঁকে ওকে দেখা যাচ্ছে। একটা চেয়ারে বসে আছে। মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছে! আমার চোখে চোখ পড়তেই আচমকা সরে গেল!
এই প্রথম মহিলাটির প্রতি প্রচন্ড ঘৃণা অনুভব করলাম। সেই সাথে পূজার জন্য এক অব্যক্ত কষ্ট!
নোটগুলো টেবিলের ওপর রেখে চলে যাওয়ার জন্য দরজার দিকে পা বাড়ালাম। সমীরের কথা মনে পড়লো। ও ঠিকই বলেছিল, মহিলাটি ভালো মানুষের মুখোশ পরে থাকে, যার ভিতরে লুকিয়ে রয়েছে একটি পাশবিক মুখ!!!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28793938 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28793938 2008-05-04 00:52:29
রম্য: কিংকর্তব্য বিমূঢ়!!!<img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> )" style="border:0;" />

এই দেখুন কেমন বিটকেলের মতো হাসছে। ইচ্ছে করছে সাঁড়াশী দিয়ে কোদাইল্ল্যা দাঁতগুলো তুলে ফেলি। বাবাকে উদ্দেশ্য করে বললাম, "চায়ের চেয়ে ঠ্যাং থুড়ি ট্যাং-এর শরবত ভালো হবে!" <img src=" style="border:0;" />
"ছেলেটা যখন চা খেতে চাচ্ছে, তুই চা নিয়ে আয়!" <img src=" style="border:0;" />

রাগে গজ গজ করতে করতে রান্না ঘরে গেলাম। ওফ্ মা বাসায় নেই! গেটের সামনে এক চাওয়ালা বসে থাকে, আজ সেও নেই। কাজের সময় স-অ-ব গায়েব!ভাবতে লাগলাম...চা যেন কিভাবে বানায়? চা পাতা গরম করে তারপর পানি, নাকি পানি গরম করে তারপর...? চা কি ভাতের চামচের এক চামচ দিবো, নাকি তরকারির চামচের...? ধ্যাত্, হেড়ে গলায় চেচাঁলাম, "বাবা, ও বাবা।" /<img src=" style="border:0;" />
বাবা এলেন। নিচুস্বরে বললাম, "আমি চা বানাতে পারি না!"<img src=" style="border:0;" />
গুণধর মেয়ের কথা শুনে বাবা অভিভূত হলেন কিনা বুঝলাম না! তবে এক কাপ চা বানিয়ে দিয়ে বললেন, "আমি যাচ্ছি। তুই চা টা নিয়ে আয়।"<img src=" style="border:0;" />

চা টা কাজিনের হাতে দিতেই শুরু হলো আরেক নাটক। মুখটাকে বাংলা পাঁচের মতো করে বললেন, "এই চা তুই বানিয়েছিস? ছিঃ এটা তো মুখেই দেয়া যায় না! হ্যারে, চা টাও ঠিক মতো...।"<img src=" style="border:0;" />
"এটা আমি...!":-*
"জানি কি বলবি। এই প্রথম বানিয়েছিস! আরে ফালতু কথা রাখ। খালুজান আপনিই দেখুন চা তো নয়, যেন শরবত! মনে হয় পটের সব চিনি এতে ঢেলে দিয়েছে। ঝুমীরে...তোর চা খেয়ে আমার বমি আসছে!!"<img src=" style="border:0;" />
ওনার ন্যাকামী দেখে এবার সজোরে চেঁচিয়ে বললাম, "ভাইয়া, এই চা বাবা বানিয়েছে।"<img src=" style="border:0;" />

কথাটা শুনে বেচারা স্তম্ভিত হয়ে গেল। কেনা গরুর মতো বাবার দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকলো!B:-)
"খালুজান...মানে...আমি ভেবেছিলাম...ঝুমী...ইয়ে...মানে তাই...ফাজলামো...!!" :``>>
"চা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে। খাও!" বাবা নির্লিপ্তভাবে বললেন।<img src=(" style="border:0;" />

(পরে শুনেছি চা টা নাকি খুব ভালো হয়েছিল। কিন্তু আমাকে রাগানোর জন্য বেচারা...!!!) <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28792920 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28792920 2008-04-30 18:18:44
"যাওয়া" বলে কিছু নেই! "যাওয়া" বলে কিছু নেই,
সবই ঘুরে ফিরে আসা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28785697 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28785697 2008-04-06 19:30:55
কবিতা: নেশা - মোফাজ্জল করিম পরসমাচার এই যে,
সেদিন আপনি যে কান্ডটা করিলেন
তার জন্য এই পত্রটি না লিখিয়া পারিতেছিনা
দেখিতেছি যতই বয়স বাড়িতেছে, ততই আপনার কান্ড
একেবারেই লোপ পাইতেছে!

আপনি কি করিয়া সেদিন আমার ড্রইংরুমে,
অর্থাৎ বৈঠকখানায় বেমোক্কা ঢুকিয়া পড়িলেন,
বুঝিলাম না
সারাগায়ে ঘামের গন্ধ, ময়লা তেল চিপচিপে পান্ঞ্জাবী,
বগলে ছেঁড়া ছাতা, মাথায় চিতিপড়া কিস্তি টুপি,
যেনো আকবর বাদশার উর্নিশ আর কি!
হাতে মাটির হাড়ি, সর্বোপরি দু'পায়ের চামড়ার
কুচ কুচে কালো রং, বোধহয় লজ্জায় ঢাকিয়া ফেলিবার
আশায়, রাস্তার সবটুকু ধুলি মাখাইয়া
পা দু'টিকে মনে হইতেছিল চুনকাম করাইয়াছেন।
কি লজ্জা, আপনার ঐমূর্তি দেখিয়া আমার বন্ধুগন
এবং তাদের সুন্দরী স্ত্রীরা, বজ্রাহতের মতো তাকাইয়া রহিলো।
যেনো তাহারা চাক্ষুস ভুত দেখিতেছে
আর আমার অবস্হাটা একবার ভাবিয়া দেখুন,
মান, সম্মান, মর্যাদা সব জাহান্নামে গেল,
তাও-না হয়, আপনি যদি দয়া করিয়া একটু চুপ থাকিতেন
তবু একটা কথা ছিল!
তা-না আপনার আবার আহল্লাদে মুখ দিয়া
কথার ফোয়ারা ছুটিতে লাগিলোঃ
"বাবা কেমন আছো? বৌমা কোথায়?"
বলিহারে ভাগ্যিস সেই মুহুর্তে ও সেখানে ছিল না!
থাকিলে সে বেচারির হার্ট এটাক হইয়া যাইতো,
সে তো আবার হঠাৎ কোনো খারাপ দৃশ্য
মোটেই সহ্য করিতে পারেনা,
বড় কোমল হৃদয়ের মানুষ কিনা!
বাপজান তোমাকে সাবধান করিয়া দিতেছি
আর যাই করো, এইভাবে আমাকে ডুবাইয়ো না
টাকা-পয়সা লাগিলে চিঠি দিও পারিলে পাঠাইবো,
আর অতো টাকা পয়সাও যে কেন লাগে তোমাদের তাও বুঝিনা
তোমাদের আবার অতো খরচ কিসের
ক্লাবে যাওনা, পার্টি দাওনা
ইসুবগুল, আর চিরতার পানি ছাড়া
আরতো কোনো নেশাও করো না।

এইটুকু পড়িয়া দরিদ্র স্কুল মাস্টার
পিতা আনমনে বলিয়া উঠিলেনঃ
না, না ভুল বললিরে বাবা
নেশা একটা আছে, বড় পুরানো নেশা
কিছুতেই ছাড়িতে পারিনা সেই নেশা
তোর জন্মের পর থেকে সারাক্ষণ তোকে দেখার নেশা
কিছুতেই ছাড়িতে পারিনা বাপ, কিছুতেই ছাড়িতে পারিনা।।

(এই কবিতাটা আমার অতীব ভালো লাগা কবিতাগুলোর মধ্যে একটি। আজ ব্লগার বন্ধুদের সাথে কবিতাটা শেয়ার করলাম। )

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28785087 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28785087 2008-04-04 00:30:10
স্বপ্নবিধ্বংসী অমানুষের অট্টহাসি!!! অন্যত্র হয়তো নেমে আসে অন্ধকার। আবছা আলোয় অমানুষগুলো কি সব কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। রাত যতই বাড়তে থাকে, ততই চলে তাদের ফিসফিসানি, বাকবিতন্ডা।

২.ভোরের স্নিগ্ধ আলোয় মানুষগুলো খাবার আর কাপড় ভর্তি বস্তা নিয়ে ছুটে যায় অসহায় মানুষের কাছে।
অন্যত্র হয়তো ভোর হবার আগেই অমানুষগুলো রওনা হয়...কোথায়? কে জানে!

৩.সাহায্য পেয়ে হাজারো অসহায় মানুষের আশীর্বাদ ছুঁয়ে যায় স্বপ্নবিলাসী মানুষগুলোকে। মেঘের ফাকেঁ স্রষ্টার হাসি মিষ্টি রোদ্দুরে দৃশমান হয়।
অন্যত্র রক্তের স্রোতে ভেসে যায় রাজপথ। মানুষের লাশের স্তূপ পড়ে থাকে রাজপথে। স্বজনহারার কান্নায় বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। আর দূরে কোথাও শোনা যায় অমানুষের অট্টহাসি....!

এভাবেই বয়ে চলে সময়। আমরা বাচাঁই অসহায় মানুষের প্রাণ, বুক ভরা স্বপ্ন। আর স্বপ্নবিধ্বংসী অমানুষগুলো কেড়ে নেয় স_অ_ব কিছু...!
কিসের আশায়? কে জানে!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28785052 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28785052 2008-04-03 21:14:00
বন্ধু, ভুলে যাওয়া নয় সহজ!!! http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28776612 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28776612 2008-03-05 15:17:29 ব্লগার বন্ধু লাইট হাউজকে বলছি....! http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28775000 http://www.somewhereinblog.net/blog/jhumiblog/28775000 2008-02-29 01:03:12