আমার প্রিয় পোস্ট

শিবিরের নোংরা লোকগুলো

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২০

শেয়ারঃ
0 0 0

শিবিরের লোকজন এই ব্লগে নিয়মিত দাবি করে তাদের মত ফেরেস্তা সারা দেশ খুজলেও পাওয়া যাবে না। আচ্ছা তাহলে দুই-একটা উদাহরন দেখি তো তাদের কীর্তির-





রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: বাইরে লিখে উত্তরপত্র জমা দিত শিবির ক্যাডাররা!

আনু মোস্তফা ও আসাদুর রহমান


শিবির ক্যাডাররা দলীয় প্রশাসনের আনুকূল্য পেয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব অপকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে, তার অন্যতম হলো পরীক্ষার খাতা বাইরে লিখে পরে জমা দেওয়া। নিজেদের কর্মী-সমর্থকদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ভর্তি পরীক্ষায়ও শিবির নানা অপকৌশল ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছে। এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পাচ্ছে হলগুলোর শিবির-নিয়ন্ত্রিত কক্ষ তল্লাশির সময় উদ্ধার হওয়া কাগজপত্র থেকে।
গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ২৩৫ ও ২৬৬ নম্বর কক্ষ তল্লাশি করে শিবিরের নানা অপতৎপরতার বহু প্রামাণ্য দলিল উদ্ধার করে পুলিশ। পাশাপাশি শিবির-নিয়ন্ত্রিত ১১৪ নম্বর কক্ষ থেকে পাওয়া গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন ও রাসায়নিক প্রযুক্তিবিদ্যা বিভাগের সিলমারা বেশ কিছু ফাঁকা উত্তরপত্র বা পরীক্ষার খাতা। বেশ কিছু ভর্তি পরীক্ষার ফাঁকা উত্তরপত্রও এ কক্ষ থেকে উদ্ধার করেছে হল প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এম সোবহান বলেছেন, 'এসব ঘটনা আমাদের ধারণার অতীত ছিল। এখন দেখছি, শিবির ফাঁকা উত্তরপত্রও পরীক্ষা হলের বাইরে নিতে সক্ষম হয়েছে। আমরা তদন্ত কমিটিকে এসব বিষয় দেখার জন্য অনুরোধ করেছি।'
গতকাল বৃহস্পতিবার ভোররাতে ১১৪ কক্ষের আবাসিক ছাত্র শিবির ক্যাডার আতাউর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মতিহার থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন খান জানিয়েছেন, আতাউরের বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে। তার বাবার নাম মোহাম্মদ আলী। সে রসায়ন ও রাসায়নিক প্রযুক্তিবিদ্যা বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র। গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে হলে তাণ্ডবের পর অন্য শিবির ক্যাডারদের সঙ্গে সেও পালিয়ে যায়। পরে ফিরে এসে ১১৪ নম্বর কক্ষেই ওঠে।
আতাউরকে ৮ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত পুলিশের ওপর হামলার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকালই আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত থেকে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
মতিহার থানার ওসি বলেন, 'আপাতত আতাউরকে একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যদি তার বিরুদ্ধে একাডেমিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মামলা করে, তখন সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।'
সোহরাওয়ার্দী হলের প্রাধ্যক্ষ ড. আখতার ফারুক আরো বলেন, উত্তরপত্র জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত শিবির ক্যাডার আতাউর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে হল প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কমিটির সিদ্ধান্ত পেলে তার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আইনে মামলা করা হতে পারে। উত্তরপত্র বাইরে আনার বিষয়টি প্রমাণিত হলে তার ছাত্রত্ব বাতিল হতে পারে বলেও প্রাধ্যক্ষ জানান।
সোহরাওয়ার্দী হল কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ১১৪ নম্বর কক্ষ থেকে পাওয়া যায় রসায়ন ও রাসায়নিক প্রযুক্তিবিদ্যা বিভাগের ২০০৫ সালে অনুষ্ঠিত মাস্টার্স শেষ বর্ষের পাঁচটি ফাঁকা খাতা বা উত্তরপত্র। খাতাগুলোর সিরিয়াল নম্বর ০২৮২০৫, ০২৫৯১৫, ০২৫১৫৮, ৪০৮৭১ ও ০২৫১৪২। এসব খাতা পরীক্ষা হলের বাইরে কীভাবে গেল, এই প্রশ্নের কোনো উত্তর এখনো খুঁজে পাচ্ছেন না হল প্রাধ্যক্ষ ড. আখতার ফারুক। তিনি আরো জানান, ২৬৬ নম্বর কক্ষ থেকে ২০০৫-০৬ সেশনের ভর্তি পরীক্ষার ফাঁকা খাতাও পাওয়া গেছে বেশ কয়েকটি। প্রাধ্যক্ষের আশঙ্কা, রসায়ন ও রাসায়নিক প্রযুক্তিবিদ্যা বিভাগেরই কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী পরীক্ষায় অবতীর্ণ কোনো শিবির ক্যাডারকে ভালো ফল করিয়ে দিতে এ অবৈধ সুযোগ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, 'যেহেতু আতাউর রসায়ন ও রাসায়নিক প্রযুক্তিবিদ্যা বিভাগেরই ছাত্র আর খাতাও পাওয়া গেছে তার বিভাগেরই, তাই তাকেই আমরা সন্দেহ করছি উত্তরপত্র সংগ্রহের সঙ্গে জড়িত বলে।'
এদিকে ১১৪ নম্বর কক্ষ থেকে ২০০৫-০৬ সেশনের ভর্তি পরীক্ষার ফাঁকা উত্তরপত্রও পাওয়া গেছে। এসব উত্তরপত্র পদার্থবিজ্ঞান, লোকপ্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও গণিত বিভাগের। প্রাধ্যক্ষ আরো বলেন, 'শিবিরের এসব অপতৎপরতায় আমরা ক্রমাগত বিস্মিত হচ্ছি।' তিনি আরো বলেন, বিদ্যমান পদ্ধতিতে দলীয় শিক্ষকদের সহায়তা ছাড়া পরীক্ষার খাতা পরীক্ষা হলের বাইরে আনা এবং পরে উত্তর লিখে জমা দেওয়ারও কোনো সুযোগ নেই।
ফাঁকা উত্তরপত্র কীভাবে বাইরে গেল সে প্রসঙ্গে উপাচার্য ড. এম সোবহান বলেন, 'এসব কাজ বিভাগের কারো সংশ্লিষ্টতা ছাড়া সম্ভব নয়, আপাতত এমনই মনে হয়। আমরা ৮ ফেব্রুয়ারির ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটিকে এসব বিষয় দেখার অনুরোধ করেছি। রসায়ন ও রাসায়নিক প্রযুক্তিবিদ্যা বিভাগকেও আমরা বিষয়টি দেখার জন্য বলব। আশা করি, কারা এসবের সঙ্গে যুক্ত তা পরিষ্কার হবে।' তিনি বলেন, এসব যারা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ সাপেক্ষে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






> মঙ্গলবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবির কর্মীরা হাত ও পায়ের রগ কেটে দেওয়ার পর হাবিবুর রহমান হলের মেঝেতে পড়ে আছে ছাত্রলীগ কর্মী বাদশা। ছবি: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/ রাজশাহী, ফেব্র"য়ারি ০৯, ২০১০

মন্তব্য নিস্প্রয়োজন



১. স্কুলছাত্রী উত্যাক্তের দায়ে আটক হল তিন শিবির



২. ইত্তেফাক ২৪শে সেপ্টেম্বর,২০০৮: চট্টগ্রামে অস্ত্র মামলায় শিবির ক্যাডার মুন্নার ২৪ বছর কারাদণ্ড


চট্টগ্রামে অত্যাধুনিক একে-৪৭ রাইফেলসহ গ্রেফতার হওয়া শিবির ক্যাডার দুলাল উদ্দিন ওরফে মুন্নাকে ২৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। জেলা ও দায়রা জজ মজনুল আহসান মঙ্গলবার এই রায় প্রদান করেন। দণ্ডিত আসামি মুন্না পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

২০০৫ সালের ১০ জুন ফটিকছড়ি এলাকায় অভিযান চালানোর সময় সন্ত্রাসীদের সাথে বন্দুক যুদ্ধের পর শিবির ক্যাডার মুন্নাকে গ্রেফতার করে পুলিশ । পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হাটহাজারী থানার মন্দাকিনীর গ্রামের বাড়ির মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয় একটি একে-৪৭ রাইফেল ও ১২২ রাউন্ড গুলি। এ ব্যাপারে হাটহাজারী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।


এ নিয়ে দৈনিক সমকাল এর খবর

এ নিয়ে দৈনিক প্রথম আলোর খবর





3.
কুমিল্লায় মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে প্রকাশ্যে জবাই করলেন জামায়াত নেতা
নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা ও লাকসাম প্রতিনিধি

তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার শমসপুর গ্রামে এক মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে প্রকাশ্যে জবাই করে হত্যা করেছেন লাকসাম উপজেলার রেলওয়ে জংশনের জামায়াতের আমির আবদুল কাহার। নিহত শিক্ষার্থীর নাম ফাইজুল কবির। সে ফয়েজগঞ্জ সিনিয়র মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী। গতকাল শনিবার দুপুর দেড়টায় ওই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় জনতা কাহারের সহোদর জাহাঙ্গীর আলমকে আটকের পর পুলিশে সোপর্দ করে। এ ব্যাপারে সদর দক্ষিণ থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার শমসপুর গ্রামের বাসিন্দা ও আলিম পরীক্ষার্থী ফাইজুল কবির গতকাল শনিবার দুপুর দেড়টার সময় পরীক্ষা দিয়ে বাড়িতে ফেরে। ওই সময় সে দেখতে পায়, তাদের জমির সীমানার কাছের তালগাছ থেকে তাল পাড়ছেন একই বাড়ির পাশের ঘরের বাসিন্দা লাকসাম উপজেলার রেলওয়ে জংশনের জামায়াতের আমির আবদুল কাহার, তাঁর ভাই জাহাঙ্গীর আলম ও ভাতিজা ফারুক আহমেদ। ওই সময়ে ফাইজুল তাল পাড়ার কারণ জানতে চাইলে তিনজন মিলে তাকে ধাওয়া করে। ফাইজুল দৌড়ে ঘরে ঢোকার পর তারাও ঘরে ঢোকে এবং তিনজন মিলে ছেনি দিয়ে তাকে জবাই করে হত্যা করে। ঘরের দরজা খোলা থাকায় বাড়ির সবাই এ ঘটনা প্রত্যক্ষ করে। এরপর কাহার ও তাঁর ভাতিজা ফারুক পালিয়ে যান। তবে উপস্িথত জনতা জাহাঙ্গীর আলমকে আটকের পর পুলিশে সোপর্দ করে। ফাইজুল কবিরের বাবা ফয়েজগঞ্জ সিনিয়র মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা জয়নাল আবেদীন।
অভিযুক্ত আবদুল কাহারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি ধরেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদাৎ হোসেন বলেন, জমিজমা নিয়ে পূর্বশত্রুতার জের ধরে ওই হত্যাকান্ড ঘটে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

৪. অস্ত্র রাখার দায়ে চট্টগ্রামে ৫ শিবির কর্মীর ১৭ বছর কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম, আগস্ট ০৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- অস্ত্র ও গুলি রাখার দায়ে চট্টগ্রামে ৫ জনের ১৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড হয়েছে। এরা সবাই শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান।

এরা হলেন- এয়াকুব আলী ওরফে বাবুল, নাসির উদ্দিন ওরফে বাদশা, মোহাম্মদ ফোরকান, আইমাদুল করিম ও মো. জাহাঙ্গীর। তারা সবাই বর্তমানে কারাগারে আটক আছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ইনামুল হক ভূইঁয়া এ রায় দেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সহকারী পিপি নোমান চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, একে-৪৭ রাইফেল ও তিন রাউণ্ড গুলি রাখার অভিযোগ সুষ্পষ্টভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক পাঁচজনকে ১৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।

দণ্ডপ্রপ্তরা সবাই ছাত্র শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত জানিয়ে নোমান চৌধুরী বলেন, প্রত্যেককে অস্ত্র মামলায় ১০ বছর ও গুলি রাখার দায়ে ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। উভয় সাজা একসঙ্গে চলবে।

২০০৪ সালের ৪ আগস্ট মাসে নগরীর বাকলিয়া এলাকার বাসা থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল রাইফেল ও গুলিসহ জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার সঙ্গে অপর চারজনের জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে মামলার রায় দেওয়া হয়।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এমসি/এএনএস/ডিডি/০০২৫ ঘ.

৫. রাবি স্কুলে জামায়াত নেতাদের কাণ্ড !


রাজশাহী, ১৩ মে সাইফুর রহমান আকন্দ এসএনএনবিড ডটকম :-<br /> রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বার্ডের (এনসিটিবি) বাইরে জামায়াত নেতাদের লেখা বই বাধ্যতামূলকভাবে পড়ানো হচ্ছে। স্কুলের পরিচালনা পর্যদের সভাপতি এবং অধ্যক্ষ স্কুলকে জামায়াতীকরণের পাশাপাশি মৌলবাদী শক্তিকে প্রতিষ্ঠা করতে উঠেপড়ে লেগেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাবি স্কুলে তৃতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত জামায়াত নেতা আবুল কালাম আজাদ ও মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর লেখা বই ব্যাধতামূলকভাবে পড়ানো হয়। এনসিটিবি'র সিলেবাসে এসব ক্লাশে এক শ' নম্বরের ধর্ম শিক্ষা বাধতামূলক করা আছে। কিন' স্কুল কর্তৃপক্ষ বিশেষ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ক্লাশে ধর্ম শিক্ষা এক শ' নম্বর থেকে কমিয়ে বাকী পঞ্চাশ নম্বর 'আরবী' শিক্ষার জন্য ব্যাধ্যতামূলক করেছেন। আর সনাতন ধর্মের শিক্ষার্থীদের পড়ানো হয় পঞ্চাশ নম্বরের সংস্কৃত। বেশির ভাগ শিক্ষার্থীর আরবী ও সংস্কৃততে দক্ষতা না থাকায় তারা চরম ভোগানি-র সম্মূখীন হচ্ছেন বলে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা অভিযোগ করেন।

সূত্র জানায়, ২০০৭ সালে স্কুলের ১২ জন সিনিয়র শিক্ষককের বয়স ৬৫ পার হলে তারা পাঁচ বছরের এক্সটেনশন চেয়ে আবেদন করেন। এর আগে শিক্ষকদের বিভিন্ন মেয়াদে এক্সটেনশন দেয়া হলেও শুধুমাত্র দলীয় স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যে ১২ শিক্ষককের কাউকেই এক্সটেশন করা হয়নি। ফলে একযোগে স্কুলের সিনিয়র ১২ জন শিক্ষক অবসরে যান। মূলতঃ এর পর থেকেই স্কুলের পরিচালনা পর্যদের সভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে জামায়াত নেতারা স্কুলকে জামায়াতীকরণ ও মৌলবাদী আস্তানা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন।

সূত্র মতে, ১২ জন শিক্ষক একযোগে অবসরে যাওয়ার পর স্কুলের পরিচালনা পর্যদের সভাপতি, জামায়াত নেতা এবং রাবির শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউট'র পরিচালক অধ্যাপক নজরুল ইসলাম; স্কুলের বর্তমান অধ্যক্ষ এবিএম কমরুদ্দৌলা এবং উপাধ্যক্ষ আব্দুল্লা-আল-মাহমুদ দলীয় বিচেনায় পাঁচজন জামায়ত-শিবির কর্মীকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন। এছাড়া আরও তিন শিবিরকর্মীকে পার্ট-টাইম হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। স্কুলে শিক্ষার্থীদের আরবী পড়ানোর জন্য আকতারুজ্জামান আনসারী এবং মোঃ ইসরাফিল নামের দুজনকে পার্ট টাইম হিসেবে নিয়োগ করা আছে। পাঁচজন শিক্ষকের নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাবীদের বাদ দিয়ে দলীয় বিবেচনা এমনকি জীব বিজ্ঞান শিক্ষকের শূন্য পদের বিপরীতে গনিতের শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়। বর্তমানে স্কুলে জীব বিজ্ঞানের কোন শিক্ষক নেই। প্রথম শ্রেনীতে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলেও রাবির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এম আলতাফ হোসেনের নাতীকে স্কুলে অবৈধভাবে ভর্তি করানো হয়। এছাড়া বর্তমান অধ্যক্ষ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত পূরন না করে শুধু দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ পান বলেও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ২০০৭ সালের ২৮ জুন স্কুলের অধ্যক্ষ অবসরে যাওয়ার পর কোন সিনিয়র শিক্ষককে অধ্যক্ষের দায়িত্ব না দিয়ে স্কুল সভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম দলীয় স্বার্থ কায়েম করতে নিজেই দুই মাস অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। যদিও ২০০৮ সালের মে মাসে বর্তমান পরিচালন পর্যদের মেয়াদ শেষ হয়েছে। শুধুমাত্র স্কুলের বিভিন্ন ক্ষেত্রে জামায়াতীকরণ এবং মৌলবাদী শক্তিকে প্রতিষ্ঠিত করতেই পরিচালনা পর্যদের নির্বাচন দেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

এসব বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে স্কুলের অধ্যক্ষ এবিএম কমরুদ্দৌলা দাবি করেন, এনসিটিবি'র বাইরে স্কুলে বাধতামূলকভাবে আরবি বিষয় পড়ানো হলেও বর্তমানে তা পড়ানো হচ্ছে না। তিনি বলেন, স্কুলের পরিচালনা পর্যদের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের ধর্ম শিক্ষার পাশাপশি আরবি ও সংস্কৃত পড়ানো হতো। পরিচালনা পর্যদের সভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম জানান, স্কুলে এসসিটিবি সিলেবাসের ধর্ম শিক্ষার বাইরে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত আরবী ও সংস্কৃত পড়ানো হচ্ছে বলে তিনি অবগত নন

৬. চট্টগ্রাম কলেজে ১৫ আগস্টের কর্মসূচির প্রচারে শিবিরের বাধা

বিডিনিউজ - আগস্ট ১০

প্রথম আলো - আগস্ট ১০ - সারা দেশ

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
চট্টগ্রাম, আগস্ট ০৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- চট্টগ্রাম কলেজে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচির প্রচারপত্র বিলি করতে দেয়নি ইসলামী ছাত্র শিবির কর্মীরা।

রোববার সকালে কর্মসূচির প্রচারপত্র এবং বোর্ডে টাঙানো নোটিশ তারা ছিঁড়ে ফেলে।

নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, সকাল ১০টার দিকে আজিজ আহমেদ নামে কলেজের একজন পিওনরে মাধ্যমে অধ্যক্ষের স্বাক্ষরিত প্রচারপত্র বিলি করার সময় শিবির কর্মীরা কেড়ে নেয়। পরে দুপুর ১২টায় আরেক পিওন মহিউদ্দিনকে দিয়ে বিলি করার উদ্যোগ নিলেও একই ঘটনা ঘটে।

এ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ আবু জাফর চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "শিবিরের নেতারা শোক দিবসের অনুষ্ঠান তিনদিনে সীমাবদ্ধ রাখার জন্য বলেছিল। কিন্তু আমরা তা মানিনি।"

প্রচারপত্র বিলি করার সময় বাধা দেওয়ার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, ওরা কিছু প্রচারপত্র কেড়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয় কলেজ কর্তৃপক্ষ।

এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন অনুষদ ও আবাসিক হলে মুক্ত আলোচনা, কবিতা পাঠ, স্বেচ্ছায় রক্তাদান, কালো ব্যাজ ধারণ, আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
চট্টগ্রাম কলেজের জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচিতে শিবিরের বাধা
নিজস্ব প্রতিবেদক (প্রথম আলো), চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ কর্তৃপক্ষের জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচির প্রচারপত্র বিতরণের সময় ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মীরা বাধা দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল রোববার প্রচারপত্র বিলি করার সময় তাঁরা কলেজের পিয়নের কাছ থেকে তা কেড়ে নেন এবং নোটিশ বোর্ড থেকেও প্রচারপত্র ছিঁড়ে ফেলেন।

কলেজ সুত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ বছর জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচি নেয়। আজ সোমবার থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত ছয় দিন ধরে এই কর্মসুচি চলার কথা। অনুষ্ঠানসুচির মধ্যে মুক্ত আলোচনা, কবিতা পাঠ, স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসুচি, কালো ব্যাজ ধারণ, আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

জানা যায়, এ কলেজে দীর্ঘ সময় ধরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের আধিপত্য আছে। ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা অনুষ্ঠানসুচি ছয় দিনের পরিবর্তে তিন দিনে সীমাবদ্ধ রাখার জন্য কলেজ প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। শিবিরের নেতা-কর্মীরা কলেজের চারটি ছাত্রাবাসেও শোক দিবসের কর্মসুচি বাতিলের জন্য নানামুখী তৎপরতা চালান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গতকাল সকালে কলেজের বিভিন্ন বিভাগে শোক দিবসের কর্মসুচির প্রচারপত্র বিলি করার সময় পিয়ন মোহাম্মদ আজিজ আহমেদের কাছ থেকে শিবিরের কর্মীরা তা কেড়ে নেন। পরে অধ্যক্ষ কলেজের তিন শিক্ষক মাহবুব হাসান, শাহ মোহাম্মদ আলমগীর, ইদ্রিস আলী ও পিয়ন মোহাম্মদ মহিউদ্দিনকে আবার প্রচারপত্র বিলি করার দায়িত্ব দেন। কিন্তু মহিউদ্দিনের কাছ থেকে শিবিরের কর্মীরা তা আবার কেড়ে নেন।

অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আবু জাফর চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘শিবিরের ছেলেরা অনুষ্ঠান তিন দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে বলেছিল। কিন্তু আমরা তা মানিনি।’

প্রচারপত্র বিলির সময় বাধা দেওয়ার কথা উল্লেখ করে আবু জাফর চৌধুরী বলেন, ‘ওরা কিছু প্রচারপত্র কেড়ে ছিঁড়ে ফেলে। পরে তাদের ডেকে ধমক দিয়েছি।’

প্রচারপত্র বিলি করতে বাধা দেওয়া প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘অনুষ্ঠানের বিষয়টা আমাদের আগে জানানো হয়নি। তা নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল। পরে সব ঠিক হয়ে গেছে।’

 

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৪ ই নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৭
নাভদ বলেছেন:
ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার


নীলফামারী, নভেম্বর ১৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম) - ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে জামায়াতের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে নীলফামারী পুলিশ।

রোববার আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, জলঢাকা উপজেলা জামায়াতের রোকন জয়নাল আবেদীনকে (৪০) শনিবার রাতে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

তার বাড়ি উপজেলার বালাগ্রাম এলাকায়।

জলঢাকা থানার ওসি শেখ লেলিন আলমগীর সাংবাদিকদের জানান, জয়নাল শনিবার রাতে একই এলাকার সংখ্যালঘু এক ব্যক্তির বাড়ি গিয়ে ওঁৎ পেতে থাকেন। পরে স্বামীর অনুপস্থিতিতে গৃহবধূকে টেনে হিঁচড়ে পাশের বাঁশঝাড়ে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান।

গৃহবধূর চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে জয়নালকে আটক করে।

ওসি জানান, এ ঘটনায় গৃহবধূ বাদি হয়ে থানায় নারী নির্যাতন আইনে একটি মামলা করেছেন।

তিনি জানান, জয়নালকে রোববার সকালে জেলার বিচার বিভাগীয় হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে হাকিম আব্দুল কুদ্দুস তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

২. ২৫ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১০:৩৯
নাভদ বলেছেন:
চবি'র শিবির নিয়ন্ত্রিত হল থেকে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার


চট্টগ্রাম, নভেম্বর ২৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিবির নিয়ন্ত্রিত একটি হল থেকে বৃহস্পতিবার রাতে বেশ কয়েকটি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উদ্ধার অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে তিনটি বন্দুক, একটি পাইপগান, একটি এলজি, একটি দেশি রিভলবার, ৩৮ রাউন্ড কার্তুজ, ৭৬ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ৯ এমএম পিস্তলের ২৩ রাউন্ড বুলেট।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এফ রহমান হলের ৪৩৭ নম্বর কক্ষ থেকে এগুলি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের হাটহাজারী সার্কেল এএসপি বাবুল আখতার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, রাত সোয়া ৯টার দিকে এসব অস্ত্র-গুলি উদ্ধার করা হয়।

রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের এম ফিল পর্যায়ের শিক্ষার্থী মতিনুর রহমানের নামে কক্ষটি বরাদ্দ ছিলো বলে জানান হলের প্রভোস্ট ড. জহুরুল হক। গত অগাস্ট মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে বেতন-ফি বাড়ানোর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় কক্ষটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।

হলটি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের কাছে ছাত্রশিবির নিয়ন্ত্রিত হিসেবে পরিচিত।

চবি'র ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আখতার হোসেন পিয়ারু জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে ওই কক্ষে অভিযান চালায় পুলিশ।

গত কয়েকবছরে এটিই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বড় ধরনের অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এমসি/পিডি/২২১৮ ঘ.
৩. ১৬ ই মার্চ, ২০১১ বিকাল ৫:০০
নাভদ বলেছেন: রাঙামাটিতে জামায়াতের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৫ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বান্দরবান: পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে সোমবার সন্ধ্যায় জামায়াতে ইসলামীর বিবদমান দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়েছেন।

রাঙামাটি কোতয়ালি থানা পুলিশ এবং প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, সম্প্রতি জেলা জামায়াতের নতুন আমির নির্বাচিত করার পর থেকেই সাবেক আমির এসএস শহীদুল্লাহ এবং বর্তমান আমির আব্দুল আলীমের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতনিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ চরমে ওঠে।

সোমবার সন্ধ্যায় শহরের বনরূপায় অবস্থিত ইসলামী সেন্টারে অবস্থিত ছাত্র শিবিরের জেলা কার্যালয়ে সংগঠনের সভা চলাকালে বহিরাগতরা সভায় হামলা চালায়। এ সময় জেলা ছাত্র শিবিরের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, শহর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, স্কুলছাত্র বিভাগের সম্পাদক নূর জামান মারাত্মক আহত হয়। তাদের রাঙামাটি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরা ছাড়াও আহত হয়েছেন শিবির নেতা হেলাল এবং রহমতউল্লাহ।

সংঘর্ষের পরপরই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে জামাত নিয়ন্ত্রিত ইসলামী সেন্টারে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে জামায়াত এবং ছাত্র শিবিরের একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

তবে হামলাকারীরা জেলা জামায়াতের নেতাকর্মী এবং সাবেক আমিরের সমর্থক বলে জানায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র।

উল্লেখ্য, রাঙামাটি শহরের বনরূপায় জামায়াতের নিয়ন্ত্রণেই পরিচালিত হয় ইসলামী সেন্টারের ভেতরে মাদ্রাসা, স্কুল, এতিমখানা, হাসপাতাল ও মার্কেটসহ প্রায় ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি।
৪. ০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:১৯
নাভদ বলেছেন:

Jamaat men clash with cops in city25 injured




Jamaat-Shibir activists pelt police with brickbats from Baitul Mukarram mosque in the capital during a clash yesterday. Photo: Rashed SumonStaff Correspondent

Around 1,000 activists of Jamaat-e-Islami and Islami Chhatra Shibir clashed with police at Paltan area in Dhaka yesterday.

At least 25 people, including 10 policemen, were injured in the half-an-hour clash.

Police used rubber bullets, 40 teargas canisters, water canons and truncheons to disperse the Jamaat-Shibir activists, said Syed Nurul Islam, Ramna division additional deputy commissioner of police, adding that the activists first attacked them with bamboo sticks and brickbats.

Police rounded up 15 Jamaat-Shibir members from the spot and in front of Jamaat-e-Islami office.

The clash started around 5:20pm when police barred a Jamaat-Shibir procession at Paltan intersection. The procession was heading towards Muktangon to hold a rally demanding release of top Jamaat leaders arrested in connection with war crimes during the Liberation War in 1971.

Dispersed and chased, the activists took shelter in Baitul Mukarram mosque and started pelting police with brick chips.

According to party insiders, Jamaat leaders took the rally as a challenge as police earlier in the day barred supporters of Fazlul Huq Aminee, chief of Islamic Oikya Jote, from holding a rally at the same venue.

Around 6:30pm, police again confronted Jamaat-Shibir activists in front of the Jamaat office. They shot rubber bullets and hurled teargas canisters as the activists tried to gather and hold a rally there.

Vehicular movement in Baitul Mukarram and Paltan areas came to a total halt during the clashes. Panicked pedestrians were seen running for safety.

A huge number of police was deployed in Muktangon, Baitul Mukarram and Paltan areas since yesterday afternoon.

AMINEE'S RALLY FOILED >
Earlier in the afternoon, police foiled a rally at Muktangon called by Aminee in protest of the Women Development Policy.

Police charged truncheons to disperse Aminee's supporters when they tried to gather there.

Deputy Commissioner Krishna Pada Roy of Dhaka Metropolitan Police (Ramna Zone) said they barred the followers as Aminee took no permission for the rally.

In an immediate press briefing Aminee claimed that police beat up his party leaders and activists when they went to hold the rally. He threatened to forge an anti-government movement if the government did not punish people responsible for the harassment of the leaders and activists of Islamic Law Implementation Committee
৫. ০৬ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:২১
নাভদ বলেছেন:

ঢাকায় জামায়াতের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ

লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে মঙ্গলবার রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর মিছিল পণ্ড করে দিয়েছে পুলিশ। ফলে জামায়াতের পূর্বনির্ধারিত বিক্ষোভ সমাবেশ পালিত হয়নি। এ ঘটনায় পুলিশ সদস্যসহ প্রায় ২০ জন আহত হন। পুলিশ অন্তত ১৫ জনকে আটক করেছে। এ সময় জিরো পয়েন্ট, দৈনিক বাংলা মোড়, বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর দিক, বিজয়নগর সড়কসহ আশপাশের সড়কগুলো রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
জামায়াতে ইসলামী মহানগর শাখার ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান আজাদ জানান, মতিউর রহমান নিজামীসহ বন্দি নেতাদের মুক্তির দাবিতে মহানগর জামায়াতের মুক্তাঙ্গনে বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি ছিল।
হাবিবুর রহমান জানান, সে অনুযায়ী তাঁর এবং জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল হালিমের নেতৃত্বে নেতা-কর্মীরা বায়তুল মোকাররম মসজিদে আসরের নামাজ আদায় করে মিছিল
নিয়ে মুক্তাঙ্গনে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশের হামলায় তাঁদের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হন।
পল্টন থানার অপারেশন অফিসার উপপরিদর্শক গোলাম সারোয়ার জানান, মুক্তাঙ্গনে সমাবেশের অনুমতি ছিল না জামায়াতে ইসলামীর। এ ব্যাপারে তাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তারা পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাদের ইটপাটকেল ও লাঠির আঘাতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে বাধ্য হয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে।
হামলায় আহত পুলিশ সদস্যদের রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রায় এক ঘণ্টার সংঘর্ষে ৮-১০টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
৭. ২৮ শে মে, ২০১১ রাত ১:১৬
নাভদ বলেছেন: জনকন্ঠ ২৭/৫/১১ (শেষের পাতা)
রাজশাহীতে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে শিবির কর্মী গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ছাত্রশিবিরের এক কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে ভিকটিম শিশুর মা বাদী হয়ে গোদাগাড়ী থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই শিবির কর্মীকে গ্রেফতার করে। ওই শিবির কর্মীর নাম মইদুল ইসলাম (১৯)। সে উপজেলার পাহাড়পুর নামাজগ্রাম জামে মসজিদের মোয়াজ্জিন বলে জানা গেছে।
গোদাগাড়ী থানার পুলিশ জানায়, শিশুর মা বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা রুজুর পর রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত রবিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার পাহাড়পুর নামাজগ্রাম জামে মসজিদে আরবী পড়তে যাওয়া শিশুকে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় ছাত্রশিবির কর্মী মইদুল। এ সময় শিশুটি চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এসে তাকে হাতে-নাতে আটক করে। তবে স্থানীয় মাতবর ও জামায়াত নেতারা শিশুটির মাকে ম্যানেজ করে আপোষ-মীমাংসার চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়। অবশেষে বৃহস্পতিবার থানায় মামলা দায়ের হলে পুলিশ রাতেই ছাত্রশিবিরের ওই কর্মীকে গ্রেফতার করে।

এলাকাবাসী জানায়, পাহাড়পুর গ্রামের এনত্মাজ আলীর ছেলে মইদুল ইসলাম মাদ্রাসায় লেখাপড়ার পাশাপাশি মসজিদের মোয়াজ্জিন হিসেবে কর্মরত। সে ছাত্রশিবিরের কর্মী বলে স্থানীয়রা নিশ্চিত করেছে।
৮. ০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ১০:৩৬
নাভদ বলেছেন:
কারমাইকেল কলেজের ছাত্রাবাসে তল্লাশী: বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

জেলা প্রতিনিধি
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

রংপুর: ইসলামী ছাত্র শিবিরের ঘাটি হিসেবে পরিচিত কারমাইকেল কলেজের ওসমানী ছাত্রাবাসে শুক্রবার অভিযান চালিয়ে পুলিশ বিপুল পরিমাণ লাঠি, লোহার রড, সাইকেলের চেইন, নিষিদ্ধ ঘোষিত বই, জামায়াতের পোস্টার, পাথরসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কারমাইকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার দুপুর পৌনে ৩টা থেকে বিকেল সোয়া ৪টা পর্যন্ত শিবির নিয়ন্ত্রিত কারমাইকেল কলেজের ওসমানী ছাত্রবাসের ১১৩, ১১৮, ২০২, ২০৩ সহ ছয়টি কক্ষে অভিযান চালানো হয়। এসময় প্রায় সাড়ে ৩শ লাঠি , বিপুল পরিমাণ লোহার রড, সাইকেলের চেইন, নিষিদ্ধ বই, জামায়াতের পোস্টার ও দেশীয় অস্ত্র, চাঁদা আদায়ের রশিদ, লিফলেট উদ্ধার করা হয়।

কক্ষগুলো শিবির নেতাদের বলে পুলিশ জানিয়েছেন।

যে সব পোস্টার উদ্ধার করা হয়েছে, তাতে নিজামী-মুজাহিদের মুক্তির দাবি করা হয়। এ ছাড়াও বিপুল সংখ্যক নিষিদ্ধ বইও রয়েছে।

কারমাইকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক দীপকেন্দ্র নাথ দাস বাংলানিউজকে জানান, গত ১৫ মার্চ ইসলামী ছাত্রশিবির ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ চারটি ছাত্রাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়। এ ঘটনার পর থেকে শিবির ক্যাডারা ওসমানী ছাত্রবাসসহ অন্যান্য ছাত্রাবাসগুলো খুলে দেওয়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছিলো ।

শিবির ক্যাডাররা বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতির জন্য এই দেশীয় অস্ত্রগুলো ওসমানী ছাত্রাবাসে রাতের আধারে মজুদ করে রেখেছিল বলে দাবি করেন তিনি।

কোতয়ালী থানার ওসি হায়দার আলী মোল্লা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বাংলানিউজকে জানান, উদ্ধারকৃত মালামালগুলো শিক্ষকদের উপস্থিতিতে তালিকা তৈরি করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

বাংলাদেশ সময়: ১৮৩৫ ঘণ্টা, জুন ০৩, ২০১১
১১. ১০ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৪:২৯
নাভদ বলেছেন: কুমিল্লায় জামায়াত নেতার বাড়িতে ১০ আগ্নেয়াস্ত্র


কুমিল্লা, জুন ১০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার বাড়ি থেকে ১০টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার ভোর পৌনে ৬ টার দিকে চৌদ্দগ্রামের পশ্চিম ডেকরা গ্রামে জামায়াতে ইসলামীর আলকরা ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারি ও সাবেক ছাত্রশিবির নেতা নজরুল ইসলাম মামুনের (২৮) বাড়িতে অভিযান চালিয়ে র‌্যাব এসব অস্ত্র উদ্ধার করে। মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি বিদেশি কাটা রাইফেল, ছয়টি পাইপগান ও একটি শাটার গান।

এ ছাড়া শটগানের ৫ রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করা হয়েছে।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতা এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এসব অস্ত্র মজুদ করা হয়েছিলো বলে র‌্যাব প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে।

শুক্রবার দুপুরে কুমিল্লা র‌্যাব-১১ কার্যালয়ে র‌্যাবের এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মলনে র‌্যাব কর্মকর্তা মেজর মো. এরশাদুল হক জানান, ঢাকা র‌্যাব-২ সদস্যরা ভোর পৌনে ৬টার দিকে ডেকরা গ্রামে মামুনের বাসায় অভিযান চালায়। অস্ত্র ও গুলি ছাড়াও সেখান থেকে বেশ কিছু জেহাদি বই ও লিফলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি জানান, মামুনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলাসহ তিনটি মামলা রয়েছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/সিএস/কেএমএস/১৫৪৪ ঘ.

==================================

চৌদ্দগ্রামে অস্ত্রসহ জামায়াত নেতা গ্রেফতার

কুমিল্লা, ১০ জুন (শীর্ষ নিউজ ডটকম): কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. নজরুল ইসলাম মামুনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। তার কাছ থেকে ১০টি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলে র‌্যাব জানায়।
আজ শুক্রবার সকালে চৌদ্দগ্রামের ডেকরা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাব-২ এর ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানি-২ এর সদস্যরা এ অভিযান চালায়।
র‌্যাব জানায়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঢাকার আগারগাঁয়ের র‌্যাব-২ এর ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানি-২ এর মেজর মো. এরশাদুল হক ও ক্যাপ্টেন মো. ইমরুল কায়েসের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল শুক্রবার সকাল পৌনে ৬টায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের ডেকরা গ্রাম থেকে মামুনকে অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেফতার করে। উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৪ রাউন্ড গুলি ভর্তি ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ভারতীয় তৈরি কাটা রাইফেল, ৪টি দেশীয় পাইপগান, ১টি শ্যুটার গান ও ৫ রাউন্ড শট গানের কার্তুজ। এ সময় জামায়াত ও শিবিরের বেশকিছু প্রচারপত্রও উদ্ধার করা হয়।
আগামী ১৫ জুন আলকরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীকে প্রভাব খাটিয়ে বিজয়ী করার জন্য এ অস্ত্র ব্যবহার করতো বলে র‌্যাব জানায়। স্থানীয় জামায়াত নেতা ইকরামুল কুসুম ও আলাউদ্দিন এ কাজে পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছিল বলে র‌্যাব জানায়। নজরুলের বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায় ১টি হত্যা মামলাসহ ৪টি মামলা রয়েছে। এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা হয়েছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/প্রতিনিধি/সুম/টিএইচ/১৪.৩৫ঘ.)
১২. ১০ ই জুন, ২০১১ বিকাল ৪:৩০
নাভদ বলেছেন: চৌদ্দগ্রামে ১০টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ জামায়াত নেতা আটক
জেলা প্রতিনিধি
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

কুমিল্লা: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে শুক্রবার ১০টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ জামায়াত নেতা নজরুল ইসলাম (২৮) আটক করেছে র‌্যাব।

এ সময় তার কাছ থেকে ৪ রাউন্ড গুলি, ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি কাটা রাইফেল (ভারতীয়), ৬টি পাইপগান, ওয়ান শ্যুটার ১টি, শটগানের কার্তুজ ৫টি ও ৩১টি পুস্তিকাসহ প্রচারপত্র উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার ভোর পৌনে ৫টায় উপজেলার পশ্চিম দেকা গ্রামে র‌্যাব-২ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

নজরুল ইসলাম বর্তমানে চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি। এর আগে তিনি চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শিবিরের সাবেক সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি পশ্চিম দেকাগ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে।

শুক্রবার দুপুরে র‌্যাব কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, নজরুল ইসলাম একটি হত্যাসহ ৩টি মামলার আসামি। র‌্যাবের এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‌্যাব-২ এর এরশাদুল হক ও ক্যাপ্টেন ইমরুল।

আগামী ১৪ জুন চৌদ্দগ্রামের ইউপি নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীকে প্রভাব খাটিয়ে বিজয়ী করার এ জন্য এ অস্ত্র ব্যবহার করা হতো বলে র‌্যাব জানায়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরো জানানো হয়, স্থানীয় জামায়াত নেতা ইকরামুল কুসুম, আলাউদ্দিন এ কাজে পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছিলেন।

বাংলাদেশ সময়: ১৩১০ ঘণ্টা, জুন ১০, ২০১১
১৩. ২৭ শে জুন, ২০১১ রাত ৯:০২
নাভদ বলেছেন:
সাতক্ষীরায় পর স্ত্রীকে উত্ত্যক্ত করায় জামায়াত নেতা আটক

সাতক্ষীরা, ২৫ জুন (শীর্ষ নিউজ ডটকম): সাতক্ষীরায় এক ড্রাইভারের স্ত্রীকে মোবাইল ফোনে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে জামায়াতের এক রোকনকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে শহরের পোস্ট অফিস মোড়ের হালিমা হোটেল থেকে আটকের পর জনতা তাকে পুলিশে সোপর্দ করে। আটককৃত জামায়াত নেতার নাম জালাল উদ্দিন (৪৫)। সে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার রেউই মির্জানগর দাখিল মাদ্রাসার সুপার। তার বাবার নাম মৃত আব্দুল লতিফ।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি শাহজাহান আলী খান শীর্ষ নিউজ ডটকমকে জানান, মাদ্রাসা সুপার জালাল উদ্দিন সাতক্ষীরার এক বিচারকের ড্রাইভারের স্ত্রীর মোবাইলে ফোন ও ম্যাসেজ দিয়ে বিভিন্ন ধরনের যৌন উত্তেজক কথাবার্তা বলে। বিষয়টি ওই মহিলা তার স্বামীকে জানায়। এরপর ফাঁদ পেতে শুক্রবার দেখা করার জন্য শহরের পোস্ট অফিস মোড়ের হালিমা হোটেলে আসতে বলা হয় জালাল উদ্দিনকে। শুক্রবার সন্ধ্যায় সে সেখানে আসলে স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে সদর থানায় সোপর্দ করে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুপার জালাল উদ্দিন তার দোষ স্বীকার করেছে।
জামাল উদ্দিনের বাড়ি সদর উপজেলার কাউনডাঙ্গা গ্রামে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ প্রতিনিধি/ এস/ ০৮.৩৭ ঘ.)
১৪. ০৬ ই জুলাই, ২০১১ বিকাল ৪:২০
নাভদ বলেছেন:

চট্টগ্রামে এইট মার্ডার: একে-৪৭সহ সাজ্জাদ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড গ্রেফতার

চট্টগ্রাম, ৬ জুলাই,২০১১ (শীর্ষ নিউজ ডটকম): চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর এইট মার্ডার মামলার অন্যতম আসামি শিবির ক্যাডার সাজ্জাদ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড মোহাম্মদ সারোয়ারসহ তিন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একে-৪৭ রাইফেলসহ ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র। মঙ্গলবার ভোরে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, বায়েজিদ থানার ওসি মহিউদ্দিন সেলিমের নেতৃত্বে একটি দল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার সহযোগিতায় মঙ্গলবার ভোরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিঙ্গার বিল এলাকায় মোহাম্মদ সারোয়ার ও নুরুন্নবী ওরফে ম্যাঙ্নকে তার শ্বশুরবাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল, একটি বিদেশি পিস্তল, বিদেশি বন্দুক, দেশীয় অস্ত্র এবং একটি এলজি উদ্ধার করে। পরে তাদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক বায়েজিদ থানার চালিতাতলিতে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় আরেক সহযোগী ওসমানকে।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের ২০০০ সালের ১২ জুলাই নগরীর বহদ্দারহাটে ব্রাশ ফায়ার করে ছাত্রলীগের ৮ নেতাকর্মীকে হত্যা করে সাজ্জাদ বাহিনী। এর আগে ৯৯ সালের ২ জুন এই বাহিনীর হাতে খুন হয় পাঁচলাইশ ওয়ার্ডের তৎকালীন কমিশনার ও আওয়ামীলীগ নেতা লিয়াকত আলী। পরে সাজ্জাদ বিদেশে পালিয়ে গেলেও তার বাহিনী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখে। কিছু দিন আগেও গ্রেফতার হওয়া সন্ত্রাসীরা পাঁচলাইশ থানাধীন প্রবর্তক মোড়ের স্যাভরন নামে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে লুটপাট চালায়। শিবির ক্যাডার সাজ্জাদ দীর্ঘদিন ধরে দুবাইয়ে অবস্থান করলেও কিছুদিন আগে সে সিঙ্গাপুর চলে যায় বলে জানা গেছে।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/ এসআই/ এআই/ ১১.৫২ঘ)
১৫. ০৬ ই জুলাই, ২০১১ বিকাল ৪:৪৩
নাভদ বলেছেন:

চট্টগ্রামে একে-৪৭সহ ৩ শিবিরকর্মী গ্রেপ্তার

Click This Link

চট্টগ্রাম, জুলাই ০৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- চট্টগ্রামে একটি একে-৪৭ রাইফেলসহ ইসলামী ছাত্র শিবিরের তিন কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার বিকাল থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত নগরীর বায়েজীদ থানা এলাকা এবং ব্রাক্ষণবাড়িয়ার সিঙ্গার বিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোট পাঁচটি অস্ত্র এবং ৩০ রাউন্ড গুলিসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) পাঁচলাইশ অঞ্চলের সহকারী কমিশনার (এসি) আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো সরোয়ার ওরফে বাবলা, নুরন্নবী ওরফে ম্যাক্সন ও মানিক ওরফে গিট্টু মানিক।

পুলিশ কর্মকর্তা মান্নান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এরা প্রত্যেকে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার আসামি। আলোচিত 'এইট মার্ডার' মামলার আসামি শিবিরকর্মী সাজ্জাদের সহযোগীও তারা।

ব্রাক্ষণবাড়িয়ার সিঙ্গার বিল এলাকা থেকে নুরন্নবীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যে বায়েজীদ থানার চালিতাতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে সরোয়ার ও মানিককে গ্রেপ্তার করা হয় বলে মান্নান জানান।

বায়েজীদ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বেলায়েত হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি থ্রি কোয়ার্টার পিস্তল, একটি ওয়ানশুটার রাইফেল ও একটি দেশীয় এলজি উদ্ধার করা হয়েছে।

একে- ৪৭ রাইফেলের দুটি ম্যাগজিন ও ২৭ রাউন্ড গুলি এবং বিদেশি পিস্তলের একটি ম্যাগজিন ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয় বলেও বেলায়েত জানান।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/সিএম/আরএম/এমআই/১২৩৩ ঘ.
১৭. ০৬ ই জুলাই, ২০১১ রাত ৯:৩০
নাভদ বলেছেন: আপলোডেড টু দিস সামু সার্ভার >

১৯. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:২৭
নাভদ বলেছেন: প্রথম আলো (২২-০১-২০১২- প্রথম পৃষ্ঠা)
শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়আতঙ্ক ছড়াচ্ছে শিবির, মুঠোফোনে হুমকি

শরিফুল হাসান ও মিসবাহ উদ্দিন, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে |



‘শিবিরের ধর্মঘট চলছে। কেউ ক্লাসে যাবেন না। এমনকি পরীক্ষাতেও না। কেউ ক্লাসে গেলেই কোপানো হবে। দরকার হলে চিনে রাখা হবে, পরে অ্যাকশন নেওয়া হবে।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মুঠোফোনে কয়েক দিন ধরে এ ধরনের খুদেবার্তা পাঠানো হচ্ছে। অনেককে আবার দেওয়া হচ্ছে সরাসরি হুমকি। ক্লাস ও পরীক্ষা না নিতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে শিক্ষকদের। জনপ্রিয় লেখক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের প্রধান মুহম্মদ জাফর ইকবালকেও মুঠোফোনে হুমকি দেওয়া হয়েছে।
শিবিরের এসব হুমকিতে ছড়িয়ে পড়ছে আতঙ্ক। তবে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক আনোয়ারুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের একটি কমিটি করেছে। এ ছাড়া ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত রাখলেও আজ রোববার থেকে ক্লাস করতে চায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয় গত পাঁচ বছরে এক দিনও বন্ধ ছিল না। ফলে সেশনজটও ছিল না। কিন্তু এখন শিবিরের ধর্মঘটের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমন সেশনজট ফিরে আসার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।

অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজট দূর করেছিলাম। এখন যখন দেখি ক্লাস হচ্ছে না, আমার কষ্ট হয়। ক্লাস ও পরীক্ষা না নেওয়ার জন্য আমাকে এখন মুঠোফোনে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমি এসবকে গুরুত্ব দিচ্ছি না। এর আগেও আমাকে এমন হুমকি দেওয়া হয়েছে। এখন আমি বললে হয়তো আমার ছাত্রছাত্রীরা ক্লাসে আসবে। কিন্তু কোনো একটা অঘটন ঘটলে কে দায় নেবে? এক ছাত্রকে কোপানো হয়েছে। সে আবার হাঁটতে পারবে কি না চিকিৎসকেরা সন্দেহ করছেন। তারা তো নিয়মতান্ত্রিকভাবে কিছু করছে না। তবে আমি চাই, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরে আসুক। আবার ক্লাস ও পরীক্ষা শুরু হোক।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিমাদ্রী শেখর রায় বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে আমরাও জেনেছি। যেসব নম্বর থেকে এসব হুমকি দেওয়া হচ্ছে, আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাচ্ছি। কিন্তু অধিকাংশ নম্বরের কোনো নিবন্ধন নেই। আমরা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি, কারা এসব হুমকি দিচ্ছে।’

গত ১১ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ ও শিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার পর থেকে শিবির হলছাড়া। ওই ঘটনার পর তিন দফা দাবিতে ১৫ জানুয়ারি থেকে ক্যাম্পাসে ধর্মঘট ডেকেছে ছাত্রশিবির।

তবে হুমকি উপেক্ষা করে অনেক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে এলে গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলোতে ছাত্রশিবির চোরাগোপ্তা হামলা চালায়। এতে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র হোসাইন জামিল আহত হয়ে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ছাড়া নগরের টুকেরবাজারের জাঙ্গালিয়া এলাকায় অর্থনীতি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র বদরুল আলমকে কোপায় শিবির। তাঁকেও ওসমানী মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ছাড়া আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য কয়েক দিন আগে রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে একটি গুলি ছুড়ে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায় শিবিরের ক্যাডার গাজী নাসির। সার্বিক পরিস্থিতিতে গত বৃহস্পতিবার একাডেমিক কাউন্সিল বৈঠক করে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে আজ রোববার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস চলবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়নসহ প্রগতিশীল বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের অভিযোগ, হলগুলোতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ চায় শিবির। আর সেটি করতে পারছে না বলেই তারা ধর্মঘট করছে, নানাজনকে হুমকি দিচ্ছে।

হুমকি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে শিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মুজাহিদ রুমী বলেন, ‘আমরা ক্ষতিপূরণ, হামলাকারীদের শাস্তি এবং হলে সহাবস্থানের তিন দফা দাবি জানিয়েছি। এই দাবি মানা না হলে ধর্মঘট চলবে।’

ধর্মঘট নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আফজাল হোসেন বলেন, ‘সেশনজটমুক্ত ক্যাম্পাস দেখে ভর্তি হয়েছিলাম। কিন্তু এখন ধর্মঘটের কারণে পরীক্ষা হচ্ছে না। সেশনজটের আশঙ্কায় আছি আমরা।’


শিবিরের প্রতিবাদ: গতকাল শনিবার প্রথম আলোয় প্রকাশিত ‘শিক্ষক-কর্মকর্তারা নিয়মিত চাঁদা দেন শিবিরকে’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের প্রচার সম্পাদক। সংক্ষিপ্ত এই প্রতিবাদে বলা হয়,
পরিকল্পিতভাবে কিছু খালি রসিদে নাম ব্যবহার ও ভুয়া দলিল তৈরির মাধ্যমে সম্মানিত ও দায়িত্বশীল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ফোরামের নাম বসানো হয়েছে, যা খুবই হতাশাজনক ও বিস্ময়কর।

প্রতিবেদকের বক্তব্য:

শিবিরের বিভিন্ন কক্ষ থেকে উদ্ধার করা চাঁদা আদায়ের শত শত রসিদ ও মুড়ি প্রথম আলোর কাছে আছে। এসব মুড়িতে শিবিরের নেতাদের স্বাক্ষরও আছে। আর অনেক শিক্ষক চাঁদা দেওয়ার কথা স্বীকারও করেছেন।
২০. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:২৮
নাভদ বলেছেন: প্রথম আলো (২২-০১-২০১২- প্রথম পৃষ্ঠা)



২১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:২৯
নাভদ বলেছেন: শাবিতে শিবিরের এসএমএস সন্ত্রাস: ‘সন্তানকে এতিম করবা?’

বাংলাদেশ সময়: ২১০৯ ঘণ্টা, ২৪ জানুয়ারি, ২০১২

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম




ঢাকা: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবি) এসএমএস সন্ত্রাস শুরু করেছে শিবির। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যে আতংক ছড়াতে মোবাইল ফোনে এসএমএস-এর মাধ্যমে তারা নানা হুমকি ধমকি দিচ্ছে। এমন সব কথা লিখে তারা ছাত্র-শিক্ষকদের মোবাইলে মেসেজ পাঠাচ্ছে, যাতে করে আতংকের সৃষ্টি হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে ক্যাম্পাসে। ক্লাস চালু থাকলেও তাতে অংশ নিতে আসছে না শিক্ষার্থীরা। একই কারণে ক্লাসমুখি হতে সাহস পাচ্ছেন না অনেক শিক্ষকও।

গত ১১ জানুয়ারি ছাত্রলীগের সঙ্গে সংঘর্ষের পর হল ও ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত হয় ছাত্র শিবির। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেয় তারা। কিন্তু ধর্মঘট উপেক্ষা করে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা ক্লাসে আসলে শিবির ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।

ক্যম্পাস সূত্র জানায়, শিক্ষার্থীরা যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে না আসতে পারে সেজন্য নেতিবাচক নানা কৌশল বেছে নেয় তারা। ক্যাম্পাসের বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের যানবাহনে ইটপাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি ছাত্রদের ওপর চোরাগুপ্তা হামলা চালাতে থাকে। তাতেও অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পেরে এসএমএস সন্ত্রাসের পথ বেছে নেয় শিবির।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারীদের আতংকজাগানিয়া মেসেজ পাঠাতে শুরু করে তারা। অনুসন্ধানে নিশ্চিত হওয়া গেছে, গত ১৫ জানুয়ারি থেকে এই অপতৎপরতা শুরু করে শিবির। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, একেক সময় একেক ধরনের মোবাইল নাম্বার থেকে মেসেজ পাঠাচ্ছে জামাতের ছাত্র সংগঠনের দুর্বৃত্তরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার ইশফাকুল হোসেন, কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের প্রধান লেখক ড. জাফর ইকবাল, রসায়ন বিভাগের প্রধান প্রফেসর এসএম সাইফুল ইসলামকে এসএমএস এর মাধ্যমে হুমকি প্রদানের বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তাদেরকে ‘তোমার সন্তানকে এতিম করবা, বউকে করবা বিধবা?’ কথাটি লিখে হুমকি দেওয়া হয়েছে।
শাবির পরিবহন পুল সহকারী খায়রুল আলম চৌধুরী রনিকে ‘জীবনের মায়া থাকলে গাড়ি বের করিস না। বোমা, গুলি করা হতে পারে’ এমন হুমকি দেওয়া হয়। বাস ড্রাইভার রুফিয়ান, মনির ও ধীরেন দাশকেও অভিন্ন কথা লিখে হুমকি দিয়েছে শিবির।

শুধু শিক্ষক এবং পরিবহন সংশ্লিষ্টদেরকেই নয়, ছাত্র-ছাত্রীদেরকেও মোবাইল বার্তা পাঠাচ্ছে তারা। ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে যেসব কথা লিখে এসএমএস পাঠাচ্ছে শিবির তাও ভীতিজাগানিয়া। সেইসাথে বলে দেওয়া হচ্ছে, হুমকির বিষয়টি যেন পুরোপুরি গোপন রাখা হয়। ছাত্র-ছাত্রীরা যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে যায় তাহলে আজ নয়তো, কাল এর বদলা তারা নেবে। তাদেরকে যেখানেই পাবে শিবির সেখানেই ‘প্রতিশোধ’ নেবে।

এ ব্যাপারে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড.সালেহ উদ্দিন বলেন, ‘যেসব মোবাইল থেকে তারা এ ধরনের এসএমএস পাঠাচ্ছে তা রেজিষ্ট্রেশনবিহীন। মেসেজ পাঠানোর সঙ্গে সঙ্গে সিমকার্ড বন্ধ করে রাখে দুর্বৃত্তরা। নানান ধরনের মোবাইল থেকে মেসেজ পাঠাচ্ছে তারা।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বাংলানিউজকে জানায়, মেসেজগুলোতে পর্যায়ক্রমে কখনওবা প্রাণনাশের আবার কখনওবা হাত-পা ভেঙে দেয়ার হুমকি আসছে। মেসেজ এমন সব ভাষা ব্যবহার করছে দৃর্বৃত্তরা যাতে করে অনেকেই ভড়কে যাচ্ছেন। পুলিশ প্রশাসনকে এব্যাপারে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত একজন হুমকিদাতাকেও তারা গ্রেফতার করতে পারেনি। যার ফলে নির্দ্বিধায় মেসেজ সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে শিবির।

২২. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৯
নাভদ বলেছেন:
29 Jan 2012 05:20:36 PM Sunday BdST E-mail this

শহীদ মিনারের দেয়াল ভেঙে দিয়েছে শিবির কর্মীরা
জেলা প্রতিনিধি
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

রংপুর : রংপুর কারমাইকেল কলেজের শহীদ মিনার রক্ষার জন্য নবনির্মিত একটি দেয়াল ভেঙে দিয়েছে ছাত্রশিবির কর্মীরা। এ ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষ বাদী হয়ে শিবিরের জেলা সভাপতি রাজিবুর রহমান পলাশসহ ২২ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

কলেজের অধ্যক্ষ দীপকেন্দ্র নাথ বাংলানিউজকে জানান, কলেজের শহীদ মিনারটি সুরক্ষায় একটি দেয়াল নির্মাণের কাজ চলছিল। শহীদ মিনারের পাশেই ইসলামী ছাত্রশিবিরের টেন্ড (বসার স্থান)।

তিনি জানান, সেখানে যাতে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ না করা হয় সে ব্যাপারে কয়েকদিন ধরে তাকে মোবাইল ফোনে হুমকি দিয়ে আসছিল শিবির কর্মীরা। রোববার ভোরে ৪০ থেকে ৫০ জনের সশস্ত্র শিবিরকর্মী ২০০ ফিট দেয়াল ভেঙে দেয়।

তিনি আরো জানান, পরিকল্পিতভাবে এ কাজটি করা হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন কলেজে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলকারীরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত শিবির কর্মীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

বাংলাদেশ সময় : ১৭১৪ ঘণ্টা, জানুয়ারি ২৯, ২০১২
২৪. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৪৭
নাভদ বলেছেন:

রংপুর কারমাইকেল কলেজে শিবিরকর্মীদের ভেঙে দেওয়া সীমানাপ্রাচীর।
ছবি : কালের কণ্ঠ


কারমাইকেল কলেজশহীদ মিনারে শিবিরের থাবা নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

রংপুর কারমাইকেল কলেজের শহীদ মিনারের নির্মাণাধীন সীমানাপ্রাচীরের ভিত্তি রাতের আঁধারে ভেঙে ফেলা হয়েছে। ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মীরা এটি ভেঙেছে বলে জানা গেছে। শিবিরের কলেজ শাখার সভাপতি কয়েক দিন ধরে ওই কাজ শুরু না করার জন্য মোবাইল ফোনে হুমকি দিচ্ছিলেন বলে জানিয়েছেন কলেজ অধ্যক্ষ ড. দীপকেন্দ্র নাথ দাস। তার পরও কাজ শুরু করায় শনিবার রাতে তারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় অধ্যক্ষ শিবির সভাপতি রাজিবুর রহমান পলাশ এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো ২০-২২ জনকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে মিছিল করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে।

কলেজ অধ্যক্ষ জানান, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শহীদ মিনারগুলোর যথাযথ সংরক্ষণ ও সৌন্দর্য বর্ধনে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের প্রতি সরকারিভাবে এক নির্দেশনা জারি করা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ একমাত্র ইসলামী ছাত্রশিবির ছাড়া সব ছাত্র সংগঠনের মতামত নিয়ে একটি রেজুলেশন করে। পরে কলেজের একাডেমিক কাউন্সিল সভা করে শহীদ মিনারের চতুর্দিকে সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য একটি নকশা অনুমোদন করে শনিবার কাজ শুরু করা হয়। প্রায় ৬২০ মিটার সীমানাপ্রাচীরের মধ্যে শনিবার পশ্চিম দিকের মাত্র ২২০ মিটার নির্মাণাধীন সীমানার ভিত্তি দেওয়া হয়। এ দিন রাতে তারা সেটির পুরোটাই ভেঙে ফেলে। অধ্যক্ষ জানান, শহীদ মিনারের পাশেই লিচুতলায় রয়েছে শিবিরের নিজস্ব টেন্ট। এই সৌন্দর্য বর্ধনের সীমানা দেওয়া হলে তাদের সেই টেন্ট আর সেখানে রাখা সম্ভব হবে না বলে তারা অনেক দিন থেকে ওই কাজ না করার জন্য অধ্যক্ষকে হুমকি দিয়ে আসছিল। এ ব্যাপারে শিবিরের কোনো নেতা-কর্মীকে না পাওয়ায় তাদের মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি।

রোকেয়া হলে প্রতিকৃতি উন্মোচন :

আজ সোমবার কলেজের মহীয়সী বেগম রোকেয়া ছাত্রী নিবাসে এই প্রথম রোকেয়ার নবনির্মিত প্রতিকৃতি উন্মোচন করবেন অধ্যক্ষ ড. দীপকেন্দ্র নাথ দাস। এতে বিশেষ অতিথি থাকবেন উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহফুজা আনোয়ার ও শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক। একই সঙ্গে পালিত হবে ছাত্রী নিবাসের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
২৫. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ২:১২
নাভদ বলেছেন:

Members of Rapid Action Battalion (Rab) arrest four present and former Islami Chhatra Shibir leaders from Dhaka and Gazipur yesterday. From Left are Alamgir Hossain alias Raju, Mohammad Imran alias Masum, Abdullah Jayed Bin Sabid and Sultan Mahmud alias Ripon. Photo: STARStaff Correspondent

=============

Thursday, August 5, 2010

Rab claims Shibir link with outlaws4 Shibir men held with arms, explosives

The Rapid Action Battalion yesterday claimed to have found link between Islami Chhatra Shibir and banned Islamist outfits.

The elite force claimed that Shibir operatives are collecting arms and explosives from the outlawed organisations to carry out subversive activities in the country.

Rab yesterday arrested four current and former Shibir leaders from Dhaka and Gazipur and recovered a homemade gun, five shotgun bullets, six locally made bombs, five packets of Sulphur and Potassium, Tk 1.10 lakh, nine mobile phone sets and some books on Shibir moral.

The arrestees are Mohammadpur unit Shibir president Abdullah Jayed Bin Sabid, Mirpur Bangla College unit president Sultan Mahmud alias Ripon, former president of Shibir Motijheel unit Alamgir Hossain alias Raju and Mohammadpur Ward-42 unit president Mohammad Imran alias Masum.

"Their [the arrestees] task was to collect arms and ammunition from different sources and to carry out violence in processions and rallies in Dhaka and other places," said Commander Mohammad Sohail, director of Rab Legal and Media Wing, at a briefing at Rab headquarters in Uttara.

The commander said Golam Mortuza, social welfare and cultural secretary of Shibir, guides and arranges them funds.

Alamgir contacted one of the banned groups in Pabna as Mortuza gave him Tk 30,000 for purchasing arms, said the commander.

Alamgir Hossain, who claimed himself as a real estate businessman, said he met one outlaw Jakir, also a rickshaw puller, to buy ammunition as per Mortuza's instructions.

Claiming that he is no longer with Shibir or Jamaat, Alamgir said he was just carrying out Mortuza's instructions.

On their plan, Alamgir said, "We have no plan and I do not know about Mortuza's intentions either." He added that he does not have any expertise on making bombs.

Rab officials suspect that the arrestees might have a connection with Hizb ut-Tahrir as a book of the banned outfit has been recovered from their possession during the raid. The Shibir men were arrested during a Rab drive launched on Tuesday night.

Sohail said they have information that some quarters are trying to carry out subversive activities in the country after the arrests of the top Jamaat leaders.

He claimed that Shibir has divided Dhaka into four zones for the operation.

Acting on a tip off, Rab arrested Sabid from Ratanpur village under Kaliakoir Police Station in Gazipur Tuesday around 8:00pm.

Sabid told Rab that some handmade bombs and ammunition were hidden under the ground behind Square Hospital in the capital as per Mortuza's direction.

Based on the information Rab raided the place but found nothing.

Commander Sohail said Mortuza also gave some homemade explosives to Ripon to keep those in his house and later asked him to throw them into a pond.

On the other hand, Ripon told the media that Mehedi Hasan Tarek, secretary of the city Chhatra Andolan, asked him to keep a packet of handmade bombs and Ripon hid those on his roof. He also threw the explosives into a pond following Mortuza's direction.

Ripon also said Shibir members hold secret meetings at a few messes in Kalyanpur.

Commander Sohail said on Sabid's information, they conducted raids at different student messes in Kalyanpur and Mohammadpur areas and arrested Imran. The major portion of yesterday's recovery was made from there.

Ripon was arrested at Mirpur-1 while Raju at Paltan area Tuesday night, added Sohail.

Rab officials said they would investigate the funding for the purchase of arms and ammunition.

Meanwhile, in a press release, Islami Chhatra Shibir yesterday alleged that Rab personnel planted the firearms and ammunition at the residences of its activists and made the arrests when the activists were in sleep.

In a joint statement, Shibir president Muhammad Rezaul Karim and its Secretary General Mohammad Fakhruddin Manik termed the arrests fabricated, ill motivated, unacceptable and ridiculous. They said it is a part of the conspiracy to create an anti-Shibir sentiment among students.


২৬. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ ভোর ৫:৫১
নাভদ বলেছেন: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কর্মী ফারুক হত্যাকাণ্ডদুই বছরেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েনি
কুদরাত-ই-খুদা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় | তারিখ: ০৮-০২-২০১২

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কর্মী ফারুক হত্যার দুই বছর হলেও পুলিশ আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা দ্রুত বিচার দাবি করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে ছাত্রশিবিরের হামলায় গণিত বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ফারুক হোসেন নিহত হন। ওই হামলায় পুলিশসহ ছাত্রলীগের অর্ধশত নেতা-কর্মী আহত হন। তারা ওই রাতে ছাত্রলীগের অনেক নেতা-কর্মীর কক্ষে ভাঙচুর চালায় ও অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় তারা ছাত্রলীগের তিন কর্মীর হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয়।

এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো নিয়ে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে নগরের মতিহার থানায় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ১৪টি মামলা করা হয়। এর মধ্যে পাঁচ নম্বর মামলাটি হচ্ছে ফারুক হত্যাসংক্রান্ত।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ পর্যন্ত তিনবার ফারুক হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বদল করা হয়েছে। প্রথমে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয় মতিহার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শহীদুল ইসলামকে। এরপর তাঁকে বাদ দিয়ে এসআই আরিফুজ্জামানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে তাঁকেও বাদ দিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয় এসআই সোহেল রানাকে।

২০১০ সালের নভেম্বর মাসে মামলাটি গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেন খান মামলাটি বর্তমানে তদন্ত করছেন। তবে তিনি আদালতে অভিযোগপত্র দিতে পারেননি।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, এ মামলার এজাহারে ৩৫ জনকে আসামি করা হয়। এঁদের মধ্যে ২৫ জন সম্প্রতি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন। একজন মারা গেছেন এবং চারজন পলাতক রয়েছেন।

ফারুকের পরিবারের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

ফারুক হোসেনের বাবা ফজলুর রহমান ও মা হাছনা বানু জানান, একমাত্র সন্তান ফারুককে হারিয়ে তাঁরা বহু কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁরা ফারুক হত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার দাবি করেন।

গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেন খান জানান, এ মামলার তদন্তকাজ শেষ হয়েছে। খুব দ্রুত আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

উপাচার্য এম আবদুস সোবহান বলেন, ‘ছাত্রশিবিরের বর্বরতার কাছে হার মানা ফারুকের অসহায় পরিবারকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করা আমাদের সবারই নৈতিক দায়িত্ব।’
২৮. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:১৬
নাভদ বলেছেন: গাইবান্ধায় জামাত নেতার বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার

গাইবান্ধায় জামাত নেতার বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার

গাইবান্ধা, ০৮ ফেব্র“য়ারি,২০১২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার বিকালে নাছিরাবাদ গ্রামের জামে মস্জিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মওলানা সাইদুর রহমানের বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়।

তবে সাইদুর কোন পর্যায়ের নেতা পুলিশ জানাতে পারেনি। এ ঘটনায় পুলিশ কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি আবু আক্কাস বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, জামে মসজিদের নামে ১১ একর ৪৯ শতক জমি রয়েছে ওয়াক্ফ সম্পত্তি, যার মধ্যে আবাদী জমির পরিমাণ আট একর।

আট বছর ধরে জামে মস্জিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল করিম এবং সাধারণ সম্পাদক মওলানা সাইদুর রহমান দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

সম্প্রতি গ্রামবাসী তাদের কাছে ওই মসজিদের আয়-ব্যয়ের হিসাব চাইলে তারা নানা তালবাহানা করেন।

পরে গ্রামবাসী এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করে এবং নতুন মস্জিদ কমিটি গঠন করে।

এতে আব্দুল করিম ও মওলানা সাইদুর রহমান তাদের লোকজন নিয়ে মঙ্গলবার বিকালে শামীম আকতার, আজাদ হোসেন চৌধুরী, আব্দুর রহিম ও ভুট্টু মিয়ার বাড়িঘরে হামলা করে, বলেন ওসি।

এ ঘটনায় মামলা হলে বুধবার বিকালে পুলিশ সাইদুরের বাড়িতে অভিযান চালায়। তার শয়নকক্ষ থেকে একটি হাসুয়া, এক রাউন্ড গুলি এবং ম্যাগজিনসহ একটি চীনের তৈরি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।

তবে মওলানা সাইদুর জামাতের কোন পর্যায়ের নেতা তা জানাতে পারেননি ওসি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/এমএইচপি/ডিডি/২১১৮ ঘ.
২৯. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ ভোর ৪:৫৬
নাভদ বলেছেন: ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২, ২৭ মাঘ ১৪১৮, ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৩

http://www.prothom-alo.com/detail/news/223342



চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৪ বছরে খুন ১৭ শিক্ষার্থী


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আধিপত্যের রাজনীতির জের ধরে গত ২৪ বছরে খুন হয়েছেন কমপক্ষে ১৭ জন ছাত্র। ক্যাম্পাসে রক্তপাতের এই রাজনীতি কোনোভাবে বন্ধ করা যাচ্ছে না।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ১৯৮৬ সালে জাতীয় ছাত্র সমাজের নেতা আবদুল হামিদের হাত কেটে উল্লাস করার মধ্য দিয়ে ক্যাম্পাসে সহিংস রাজনীতির শুরু করে ইসলামী ছাত্রশিবির। এর পর থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত সহিংস রাজনীতির বলি হয় ১২ শিক্ষার্থী, যার মধ্যে আটজনের মৃত্যু হয় ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মী পরিচয়দানকারী সন্ত্রাসীদের হাতে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, প্রায় সব কটি হত্যাকাণ্ডের পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গঠন করে একাধিক তদন্ত কমিটি। বেশির ভাগ তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আলোর মুখ দেখেনি। এমনকি এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় কেউ সাজাও পায়নি। নিহত শিক্ষার্থীদের পরিবার ও সহপাঠীরা বারবার এসব হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের দাবি করে আসছেন। কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে হত্যাকারীরা পার পেয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল মান্নান প্রথম আলোকে বলেন, পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করতে সব মহলের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়। বিভিন্ন মহল থেকে সহযোগিতা পাওয়া যায়নি বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন খণ্ডিত প্রতিবেদন পেয়েছে, যা দিয়ে কারও বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। তবে দু-একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। এর ভিত্তিতে ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবিরের একাধিক নেতা-কর্মীকে ক্যাম্পাস থেকে বহিষ্কার করা হয়।

অধ্যাপক মান্নান বলেন, ১৯৯০ সালের ২২ ডিসেম্বরের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির প্রতিবেদনও ছিল খণ্ডিত, যে কারণে ঘটনার খলনায়কেরা পার পেয়ে যায়। আর প্রতিবেদনে সিনেটে নির্বাচিত একজন উপাচার্যকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এতে ক্যাম্পাসে অশান্তির সৃষ্টি হয়।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক আরেক উপাচার্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। ওই কমিটির খণ্ডিত প্রতিবেদনের কারণে ক্যাম্পাসে হানাহানি বেড়ে যায়, যার খেসারত এখনো দিতে হচ্ছে।
ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, শিবিরের হাতে ১৯৯৮ সালে নিহত ছাত্র ইউনিয়নের কর্মী ও চারুকলা বিভাগের ছাত্র সঞ্জয় তলাপাত্রের প্রত্যেক মৃত্যুবার্ষিকীতে ছাত্র ইউনিয়ন সঞ্জয়সহ সব হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি করে আসছে। সঞ্জয়ের হত্যাকারীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, ছাত্রশিবির ও তৎকালীন ছাত্র ঐক্যের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের জের ধরে নিহত হন পরিসংখ্যান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আমিনুল হক। ১৯৮৮ সালের ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে তিনি ছুরিকাঘাতে নিহত হন। এরপর ১৯৯০ সালের ২২ ডিসেম্বর সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের মিছিলে শিবির হামলা চালায়। এতে নিহত হন ছাত্র মৈত্রীর নেতা ফারুকুজ্জামান। এরপর শিবিরের হাতে নিহত হন বিভিন্ন সংগঠনের একাধিক নেতা-কর্মী।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৪ সালে নিহত হন ছাত্রদলের নেতা নুরুল হুদা। তিনি কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. ইমানুল হকের ছেলে ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ফটকের সামনে নির্জন এলাকায় তাঁকে শিবিরের কর্মীরা পিটিয়ে আহত করেন। এক সপ্তাহ পর ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তিনি মারা যান।

ক্যাম্পাসে ১৯৯৭ সালে শিবিরের হামলায় নিহত হন ছাত্রলীগের কর্মী বকুল। ১৯৯৮ সালে শিবিরের গুলিতে নিহত হন বরিশাল থেকে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্র আইয়ুব আলী। ওই বছরেই ১৮ মে শহরতলির বটতল এলাকায় শহরগামী শিক্ষকবাসে শিবিরের সন্ত্রাসীরা গুলিবর্ষণ করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কাজী আহমদ নবীর ছেলে ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) ছাত্র মুসফিকুর সালেহীন নিহত হন। একই বছরের আগস্টে ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত হন ছাত্র ইউনিয়নের কর্মী ও চারুকলা বিভাগের ছাত্র সঞ্জয় তলাপাত্র।

২০০১ সালে শিবিরের হাতে নিহত হন ছাত্রলীগের নেতা আলী মর্তুজা। ওই বছরের ২৯ ডিসেম্বর ক্যাম্পাসের বাইরে ফতেয়াবাদ এলাকায় ছাত্রশিবিরের ব্রাশফায়ারে তিনি মারা যান। এর আগে ১৯৯৯ সালে ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ ও শিবিরের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত হন তিন ছাত্র। এই তিনজন শিবিরের কর্মী-সমর্থক ছিলেন বলে জানা গেছে। গতকাল দুজন নিহত হওয়ার আগে এ সরকারের মেয়াদে ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের বাইরে আরও তিনটি হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত তিনজনের মধ্যে দুজন ছিলেন ছাত্রলীগের কর্মী ও সমর্থক। অন্যজনের রাজনৈতিক পরিচয় জানা যায়নি।
৩১. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ ভোর ৬:৪৮
নাভদ বলেছেন: পিআলো ০৯/০২/২০১২ - পৃষ্ঠা ২

৩২. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৪৪
নাভদ বলেছেন: কালের কন্ঠ (বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১০)

শিবিরের জবাই রগ কাটার রাজনীতি শুরু চট্টগ্রামে
রফিকুল বাহার, চট্টগ্রাম

বর্বরোচিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য সর্বস্তরে নিন্দিত ছাত্র সংগঠন শিবিরের প্রতিষ্ঠা ১৯৭৭ সালে। একাত্তরে যুদ্ধাপরাধের জন্য বিতর্কিত দল জামায়াতে ইসলামীর এই ছাত্র সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার তিন বছরের মাথায় জবাই করে হত্যার রাজনীতি শুরু করে চট্টগ্রাম থেকে। মূলত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আধিপত্য বিস্তারের জন্যই তারা এখানকার মেধাবী ছাত্র ও প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের নেতাদের হত্যার কৌশল নেয়।
শিবিরের হত্যার রাজনীতির প্রথম শিকার চট্টগ্রাম সিটি কলেজের ছাত্র সংসদের নির্বাচিত এজিএস ও ছাত্রলীগ নেতা তবারক হোসেন। ১৯৮১ সালের মার্চে চট্টগ্রাম কলেজ ক্যাম্পাসে কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় তাকে। এর তিন বছর পর চট্টগ্রাম কলেজের সোহ্রাওয়ার্দী হলের ১৫ নম্বর কক্ষে শিবিরেরকর্মীরা ছাত্র ইউনিয়ন নেতা ও মেধাবী ছাত্র শাহাদাত হোসেনকে জবাই করে হত্যা করে।
শিবিরের নৃশংসতায় চট্টগ্রামে আরো যাঁরা প্রাণ হারান তাঁদের মধ্যে আছেন ছাত্রমৈত্রী নেতা ফারুক ও ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ মুছা। এ ছাড়া শিবির ডান হাতের কবজি কেটে দেয় জাতীয় ছাত্রসমাজের নেতা আবদুল হামিদের। পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয় ছাত্রনেতা ফরিদের।

'ধর্মের নামে তারা যে রাজনীতি করছে সেটি কোনো মুসলমান করতে পারে না। সহপাঠীরা আমাকে খারাপ ভাবতে পারে, গুনাহগার হতে পারি আমি, কিন্তু কোনো মুসলমান বিনা কারণে আরেক মুসলমান ভাইয়ের হাত কেটে ফেলতে পারে না।' গতকাল সন্ধ্যায় কালের কণ্ঠকে বলেন শিবিরের নৃশংসতার শিকার হয়ে এক হাত হারানো আবদুল হামিদ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় ছাত্রসমাজের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হামিদ বর্তমানে ব্যবসায়ী।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) সাবেক ভিপি নাজিমউদ্দিন গতকাল মঙ্গলবার কালের কণ্ঠকে ২৯ বছর আগের তবারক হত্যাকাণ্ডের বীভৎস বিবরণ দেন। তিনি বলেন, 'কিরিচের এলোপাতাড়ি কোপে মুমূর্ষু তবারক যখন পানি পানি করে কাতরাচ্ছিল তখন এক শিবিরকর্মী তার মুখে প্রস্রাব করে দেয়।' তবারকের সহপাঠী ও সিটি কলেজ ছাত্র সংসদের তৎকালীন বিতর্ক ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী কালের কণ্ঠকে জানান, সাক্ষীর অভাবে নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে সবাই বেকসুর খালাস পেয়ে যায়। কারণ রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ভয়ে অনেকে সাক্ষ্য দেয়নি।

১৯৮৪ সালের ২৮ মে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা মহব্বত আলীর ছেলে শাহাদাত হোসেন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার শেষ ব্যবহারিক পরীক্ষা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে ঘুমাতে যান। তাঁর রুমমেটরা ঘুমন্ত অবস্থায় তাঁকে ধারালো ছুরি দিয়ে জবাই করে নির্মমভাবে হত্যা করে। শাহাদাতের সহপাঠী ও বর্তমানে গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আতিক জানান, শিবিরকর্মী হারুন রেয়াজউদ্দিন বাজার থেকে নতুন ছুরি কিনে এনেছিল শাহাদাতকে জবাই করার জন্য। এ কথা হারুন আদালতে স্বীকার করেছে। তার যাবজ্জীবন এবং আরেক আসামি ইউসুফের ১০ বছরের কারাদণ্ড হয়। কিন্তু উচ্চ আদালতে আপিল করে দুই বছর পর ইউসুফ খালাস পেয়ে যায়।

শাহাদাতের বড় ভাই নির্মাণ ঠিকাদার সাখাওয়াত হোসেন সাক্কু গতকাল সন্ধ্যায় কালের কণ্ঠকে বলেন, 'শাহাদাতের হত্যার পর আমরা যাতে মামলা না চালাই সে জন্য শিবিরের তরফ থেকে পরিবারের সবাইকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল।'
১৯৮৬ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহ্রাওয়ার্দী হলের চত্বর থেকে ভাত খেয়ে রিকশাযোগে আলাওল হলে ফেরার সময় জঙ্গল থেকে প্রথমে গুলি করা হয় জাতীয় ছাত্রসমাজের তৎকালীন সভাপতি আবদুল হামিদকে। তারপর ডান হাতের কবজি কেটে দেয় শিবিরকর্মীরা। বিনা দোষে হাতের কর্মক্ষমতা হারানোর সে গ্লানি তিনি এখনো বয়ে চলেছেন।

চট্টগ্রাম কলেজ এখন শিবিরের দখলে। পাশের চট্টগ্রাম সরকারি মুহাম্মদ মহসিন কলেজও তাদের নিয়ন্ত্রণে। শুধু এই দুই কলেজ নয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েও শিবিরের আধিপত্য। ১৮ হাজার ছাত্রছাত্রীর দেশের অন্যতম এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দখলদারিত্ব বজায় রাখার জন্য ১৯৯০ সালের ২২ ডিসেম্বর শান্তিপূর্ণ এক মিছিলে হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয় ছাত্রমৈত্রী নেতা ফারুককে। ১৯৯৩ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. এনামুল হকের ছেলে ও ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ মুছাকে শিবিরকর্মীরা নৃশংসভাবে হত্যা করে।

১৯৯৭ সালে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট দখল করার জন্য শিবির ক্যাডাররা ছাত্র সংসদের ভিপি মোহাম্মদ জমির ও কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফরিদউদ্দিন আহমদকে গুলি করার পর পায়ের রগ কেটে হত্যা করে। এ প্রসঙ্গে ছাত্রদল মহানগর কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী কালের কণ্ঠকে বলেন, 'শিবিরের আক্রমণে যারা মারা যায় তাদের অধিকাংশের হাত-পায়ের রগ কেটে দেয় তারা।'

এসব অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রামের আমির শামসুল ইসলাম এমপি কালের কণ্ঠকে বলেন, 'রাজনৈতিক মহলে শিবিরকে হেয় করার জন্য এসব অভিযোগ তোলা হয়। বরং শিবিরই বিভিন্ন সময় প্রতিপক্ষের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে।' 'শাহাদাতকে জবাই করে হত্যা ও হামিদের হাতের কবজি কেটে ফেলার অভিযোগ কি তাহলে মিথ্যা?' এ প্রশ্নের জবাবে জামায়াত নেতা বলেন, 'কারা দায়ী সেই খবর আপনারা (সাংবাদিকরা) নেন। শিবিরকে দায়ী করা যাবে না!'
৩৬. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:০৫
নাভদ বলেছেন:
ডেইলী ষ্টার

Armed with sticks and sharp weapons, activists of the pro-ruling party student body Bangladesh Chhatra League clash with Islami Chhatra Shibir men on the Chittagong University campus yesterday.



Armed Chhatra Shibir activists attack Bangladesh Chhatra League men on the Chittagong University campus yesterday. The activist marked in the photo is carrying an iron rod covered with red tape. He was killed later on during the clash.


৩৭. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:২১
নাভদ বলেছেন:




শিবিরের ডিজিটাল সন্ত্রাস, বাংলানিউজ কর্মী উজ্জ্বলের জিডি



[বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম] চট্টগ্রাম: পেশাগত দায়িত্ব পালনের পর শিবির কর্মীদের রোষানলে পড়েছেন বাংলানিউজের স্টাফ ফটো জার্নালিস্ট উজ্জ্বল ধর।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তাকে এবং বাংলানিউজকে নিয়ে সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক, নেতিবাচক বিভিন্ন প্রচারণা চালাচ্ছে শিবির সমর্থকরা।

এমনকি ফেসবুকের বিভিন্ন মন্তব্যে তাকে প্রকাশ্য হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।

শিবির কর্মী-সমর্থকদের অব্যাহত নেতিবাচক প্রচারণা এবং হুমকি-ধমকির মুখে উজ্জ্বল ধর রোববার রাতে নগরীর কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। ডায়েরি নম্বর-৮৪২।

ডায়েরির সঙ্গে হুমকিধমকি ও অশালীন উক্তি সম্বলিত ফেসবুকে ৯৩ জনের মন্তব্যের কপি থানায় জমা দেওয়া হয়েছে।

কোতোয়ালী থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বাংলানিউজকে বলেন, ‘ফেসবুকে শিবির সমর্থকদের বিভিন্ন পোস্ট ও কমেন্টস পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এরপর তদন্ত করে হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গত শনিবার দুপুরে অফিসের অ্যাসাইনমেন্টে উজ্জ্বল ধর চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন কাভার করতে যান।

সংবাদ সম্মেলনটির আয়োজক ছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সংঘর্ষে নিহত শিবির কর্মী মুজাহিদের বাবা মো. হুমায়ন কবির।

সংবাদ সম্মেলনে পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে উজ্জ্বল ধর নিহতের বাবার কাছে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় তার ছেলের লাঠি, রড হাতে ছবি প্রকাশিত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে এ ব্যাপারে মন্তব্য জানতে চান।

ঘটনার সঙ্গে প্রাসঙ্গিক এ প্রশ্ন শুনে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন জামায়াত ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হুমায়ন কবির।

এরপর শনিবার রাতেই মওদুদ ইবনে হাবিব নামে এক শিবির সমর্থক ফেসবুক থেকে সংবাদ সম্মেলন এবং উজ্জ্বল ধরের দুটি ছবি সংযুক্ত করে ‘বাংলানিউজ২৪.কমের হলুদ সাংবাদিকতা এবং শিবির’ লিখে একটি স্ট্যাটাস পোস্ট করেন।

এতে উজ্জ্বল ধরকে কটাক্ষ করে তাকে হিন্দু-মুসলিম বিভেদ সৃষ্টিকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

এ স্ট্যাটাস দিয়ে মওদুদ ইবনে হাবিব একাই পোস্টটি ৪৫ জনের সঙ্গে শেয়ার করেন। এরপর থেকে শুরু হয় শিবির সমর্থকদের একের পর এক নেতিবাচক, অশালীন, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও হুমকি-ধমকি।

সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে তাতে সাংবাদিকের কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে এমন উত্তেজিত হয়ে পড়া কোনোভাবে কাম্য নয় বলে মনে করেন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা।

বাংলাদেশ সময় : ১৪ ০৭ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১২

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৮৭০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি সেই দিন হব শান্ত...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই