আমার প্রিয় পোস্ট

শিবির ধোলাই সমগ্র (সংগৃহিত)

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৮

শেয়ারঃ
0 1 0



সোর্স

১৯৭৭ সালের দৈনিক ইত্তেফাকের এই পেপার কাটিং। সে সময় ধর্মান্ধরা অপরাজেয় বাংলা ফেঙ্গে ফেলার একটা চেষ্টা চালিয়ে ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলে মেয়েরা সেই সব অকালকুষ্মন্ডদের মাথা মুড়িয়ে সেদিন ঘোল ঢেলে দিয়ে ছিল।

আরো সোর্স








 

সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৪
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: জটিল সব জিনিস।+
এটা কি প্রথম পাতায় যায়নি?
২০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৭

লেখক বলেছেন: :) :)

৮. ১৪ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:১২
অনির্বান বলেছেন: মাইরের উপরে রাখতে হবে এই আবাল গুলারে.....

+++
৯. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০২
নিভৃত পথচারী বলেছেন: +++++++++

প্রাণ জুড়িয়ে গেল....
১০. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫২
সাদাকালোরঙিন বলেছেন: সংগ্রহে রাখলাম । প্লাস ।
১১. ১২ ই মে, ২০১০ দুপুর ১২:০০
যোগী বলেছেন:
++++++++
আহা কি চমৎকার দৃশ্য
১৩. ২৩ শে মে, ২০১১ রাত ১০:৩৭
নাভদ বলেছেন: ঢাবির হল থেকে ইসলামী ছাত্রী সংস্থার আট নেত্রী বহিষ্কার


ঢাবি: গোপন জঙ্গি তৎপরতায় জড়িত থাকার অভিযোগে শিবিরের সহযোগী সংগঠন ইসলামী ছাত্রী সংস্থার আট নেত্রীর আবাসিক বৈধতা বাতিল করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রশাসন।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার তাদের আবাসিক বৈধতা বাতিল করা হয়।

পরে তাদের অভিভাবকদের কাছে সোপর্দ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয়ে সোমবার বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রক্টর কেএম সাইফুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, এদের বিরুদ্ধে গোপন জঙ্গি তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে। তাদের কাছে থাকা ডাইরিতে লিখিত বিভিন্ন তথ্য থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে তারা জামায়াত-শিবিরের অঙ্গসংগঠন।

এরা হলো- ইসলামী ছাত্রী সংস্থার ঢাবি শাখার সভাপতি রোকেয়া হলের ৪৪ নম্বর কক্ষের ছাত্রী রেজিনা সুরভী (মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, মাস্টার্স), সাধারণ সম্পাদক রোকেয়া হলের ৫৪ নম্বর কক্ষের ছাত্রী শামীমা ইয়াসমীন শোভা (পরিসংখ্যান, মাস্টার্স), শামসুন নাহার হল শাখার সভাপতি হাবিবাতুস সাদিয়া (ভাষা বিজ্ঞান, ৫ম সিমেস্টার), সাধারণ সম্পাদক মমতাজ খানম বৈশাখী (কক্ষ নম্বর ৩২৩), রোকেয়া হল শাখার সভাপতি সুরাইয়া ইসলাম (বোটানি বিভাগ, কক্ষ নম্বর ২১), সাধারণ সম্পাদক জুলফাতুন নেছা (আরবি, ৪র্থ বর্ষ) এবং কুয়েত মৈত্রী হলের সভাপতি সোনিয়া ও সাধারণ সম্পাদক তাহিরা।

উল্লেখ্য, রোববার রাত ৯টায় শামসুন নাহার হলের মাঠে ছাত্রী সংস্থার কয়েক ছাত্রী গোপন সভায় বসে। এসময় ছাত্রলীগ কর্মীদের সন্দেহ হল বিষয়টি হল প্রভোস্ট অধ্যাপক সাজেদা বানুকে জানায়।

পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরের কাছে বিষয়টি জানালে প্রক্টোরিয়াল টিম মাঝরাতে তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

আটককৃতদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বিশ^বিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে তাদের প্রায় ২০০ সমর্থক রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর কেএম সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গোপন তৎপরতা চালানো যে কোনো পরিস্থিতির জন্যই হুমকি। তাই তাদের হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

বাংলাদেশ সময়: ২১৫৫ ঘণ্টা, মে ২৩, ২০১১
১৪. ২৪ শে মে, ২০১১ দুপুর ২:৪১
নাভদ বলেছেন:

প্রথম আলো ২৪/০৫/২০১১, ২য় পাতা
১৫. ২৪ শে মে, ২০১১ দুপুর ২:৫৭
নাভদ বলেছেন: জনকন্ঠ

রোকেয়া ও শামসুন নাহার হলের ৯ শিবির কর্মী বহিষ্কার, সিট বাতিল

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার ॥ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলে গোপনে কার্যক্রম চালাতে গিয়ে ধরা পড়ছে ক্যাম্পাস নিষিদ্ধ শিবিরের ছাত্রী উইং এর ৯ নেতাকর্মী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম রোকেয়া ও শামসুননাহার হল থেকে এই ৯ শিবির কর্মীকে বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে সোমবার দুপুরে ওই ৯ ছাত্রীর সিট বাতিল করে হল থেকে বের করে দিয়েছে কর্তৃপৰ। তবে কর্তৃপৰ এই শিবির কর্মীদের ঢাকার স্থানীয় অভিভাবকের হেফাজতে দিয়েছেন বলে জানা গেছে

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কেএম সাইফুল ইসলাম খান বলেন, অভিযুক্ত ছাত্রীরা ইসলামী ছাত্রী সংস্থার কর্মী বলে স্বীকার করেছে। ক্যাম্পাসে সহিংসতার আশঙ্কায় এদের হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। জানা গেছে, ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ শিবিরের ছাত্রী উইংয়ের কর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল। ক্যাম্পাসে ছাত্র কর্মীদের চেয়ে শিবিরের ছাত্রী কর্মীরা সংগঠনের জন্য বেশি ভূমিকা রাখছিল গোপনে।

শামসুননাহার হলের শিৰার্থীদের সূত্রে জানা গেছে, অনেক দিন ধরে গোপনে শিবির তাদের কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। বর্তমান সময়ে শিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি মেয়ে হলে গোপনে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে এটি কারও ধারণার মধ্যে ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপৰ, ক্যাম্পাসে ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠন ও সাধারণ ছাত্রীদের চোখে ধুলো দিয়ে শিবির বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে গেছে। সংগঠনটি ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ হওয়ার পরেও তারা নির্দ্বিধায় সংগঠনের সদস্য বলে দাবি করেছে। এমনকি অনেকে সংগঠনের নেত্রী। শামসুননাহার হল ও রোকেয়া হলে তাদের কমিটি রয়েছে।



রবিবার সন্ধ্যায় শামসুননাহার হলের মাঠে শিবিরের সাংগঠনিক তৎপরতা ধরা পড়ে ছাত্রলীগের আফরিন নুসরাতের চোখে। মাঠে তারা নতুন কয়েকজনকে শিবিরের রাজনীতির ফাঁদে আটকানোর চেষ্টা করছিল। তারা বর্তমান সরকারের বিরম্নদ্ধে নানান রকম কুরম্নচিপূর্ণ মনত্মব্য করছিল। ছাত্রলীগের কয়েকজন সরাসরি তাদের উদ্দেশ্য ও আদর্শ জিজ্ঞেস করে। এতে শিবিরের একজন নেত্রী বলেন, ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করাই আমাদের উদ্দেশ্য আর শিবিরের আদর্শই আমাদের আদর্শ। পরে বিষয়টি হল কর্তৃপৰকে জানায় ছাত্রলীগের আফরিন নুসরাত। হলের প্রভোস্ট ড. সাজেদা বানু শিবির কর্মীদের অফিসে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলামও শিবির কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে শামসুননাহার হলের সাত ছাত্রী শিবিরের একনিষ্ঠ কর্মী বলে স্বীকারোক্তি দেয়। স্বীকারোক্তি দেয়া শিবির কর্মীরা হলো, হলের ১০০১ কৰের শারমিন সুলতানা (বাংলা ২য় বর্ষ), ৩০০৫ নং কৰের মনিরা খাতুন (রাষ্ট্রবিজ্ঞান ৩য় বর্ষ), হাবিবাতুস সাদিয়া (ভাষাবিজ্ঞান ৩য় বর্ষ), ৩৩০ নং কৰের বাঁধন মনি (ইংরেজী এমএ), সম্তাজ খানম (ইসলামিক স্টাডিজ ২য় বর্ষ), ৪০০৫ নং কৰের সুমাইয়া ওয়ালিউলস্নাহ (অনুজীব বিজ্ঞান এমএসসি), ৩০৫ নং কৰের মেহের আফরোজ লুৎফা (বিশ্বধর্মতত্ত্ব এমএ)। পরে তাদের কৰে তলস্নাশি করলে শিবিরের বই, ডায়েরি, জিহাদী বই পাওয়া যায়। তারা জানায়, রোকেয়া হলেও শিবিরের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পরে রোকেয়া হলে অভিযান চালিয়ে দু'শিবির কর্মীকে ধরা হয়। এরা হলো রোকেয়া হল ৫৪ নং কৰের শামিমা ইয়াসমিন শোভা (পরিসংখ্যান), ৪৪ নং কৰের জুলফাতুনন্নেসা (আরবি, ৪র্থ বর্ষ)। জুলফাতুনন্নেসা পারিবারিকভাবেই জামায়াতের আদর্শে উজ্জীবিত। এই দুই কর্মীর সিট দুপুরে বাতিল করে দেয় হল প্রশাসন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৬৫৭৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি সেই দিন হব শান্ত...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই