ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ওয়াকিল আহমদ ১৯৯১ সালের ২৭ মে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদলীয় সভা আহবান করে। উপাচার্য এই সভায় নিজামীকেও দাওয়াত দেয়। ১৯৭১ সালে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকদের নিজামী হত্যা করেছিলো, সে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দাওয়াত পেয়ে সে এক ধরণের পুলক অনুভব করে। এই ভেবে আরও স্বস্তিবোধ করে যে- বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিই নিজামীর অতীত ভুলে গেছে, তার ছাত্রদের পক্ষে তো তা জানা সম্ভবই নয়।
নিজামী ধোপ দুরস্ত হয়ে চোখে সুরমা ও গায়ে আতর লাগিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্ত্বরে প্রবেশ করে। বিদ্যুতের গতিতে খবর ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ শিক্ষাথূীদের মাঝে। নিজামীর বিরুদ্ধে মুহুর্মুহু স্লোগানে প্রকম্পিত হয় চারদিক, ঘিরে ফেলে উপাচার্যের অফিস।
২৮ মে ১৯৯১ সালে ‘দৈনিক আজকের কাগজ’-এর রিপোর্টে বলা হয়- ছাত্ররা মাওলানা নিজামীকে বেদম প্রহার, কিল, ঘুষি ও লাথি মারতে শুরু করে। এক পর্যায়ে নিজামীকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখা যায়। এ সময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের হাতে ভিসির অফিস সম্পূর্ণ তছনছ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে পুলিশ এসে নিজামীকে উদ্ধার করে এবং স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করে দেয়।
![]()
সোর্স
১৯৭৭ সালের দৈনিক ইত্তেফাকের এই পেপার কাটিং। সে সময় ধর্মান্ধরা অপরাজেয় বাংলা ফেঙ্গে ফেলার একটা চেষ্টা চালিয়ে ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলে মেয়েরা সেই সব অকালকুষ্মন্ডদের মাথা মুড়িয়ে সেদিন ঘোল ঢেলে দিয়ে ছিল।
আরো সোর্স
![]()
![]()
![]()
![]()
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


