প্রথম আলো - জানু ৩০, ২০০৯
জীবন থেকে নেওয়া
শিখ্তী সানী
‘কী লিখব? আমাকে অকারণে কিছু লিখতে বলে অপ্রস্তুত করার কোনো মানে হয় না। আমার জ্ঞান অত্যন্ত সীমিত। অভিজ্ঞতা অপ্রতুল। সঞ্চয় অতি সামান্য। আকাঙ্ক্ষা অনেক। অনেক। অনেক। সাগরের ঢেউয়ের মতো। আকাশের তারার মতো। শ্রাবণের ধারার মতো। এর কোনো ইতি নেই। যতি নেই। শেষ নেই।...স্বপ্ন দেখি না। কারণ, স্বপ্নের সঙ্গে বাস্তবের সাপে-নেউলে সম্পর্ক। অকারণ হতাশার বোঝা বাড়িয়ে জীবনকে ভারাক্রান্ত করতে চাই নে। আমি আমার আবেগের ক্রীতদাস। আমার আবেগ আমাকে যখন যেখানে নিয়ে যেতে চায়, আমি সুবোধ বালকের মতো তাকে সেখানে অনুসরণ করি। আবেগ যদি বলে আগুনে ঝাঁপ দাও। দিই। দগ্ধ হই। পুড়ি। পোড়াই। আবেগ যদি বলে, মরো। মরি। সে মরণেও সুখ।’ অনেক বছর আগে মাসিক ঝিনুক পত্রিকায় আত্মবিশ্লেষণমূলক এ লেখাখানা জহির রায়হানের।
বর্ণাঢ্য তাঁর জীবন। অসাধারণ তাঁর সৃষ্টি। ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি বড় ভাই সাংবাদিক-ঔপন্যাসিক শহীদুল্লা কায়সারের খোঁজে মিরপুর যাওয়ার পর নিখোঁজ হন তিনি। ২৮ বছরের বিতর্কের পর ১৯৯৯ সালে মিরপুর যুদ্ধের এক বেঁচে যাওয়া সৈনিক আমির হোসেন জানান, অবাঙালি বিহারিদের ছোড়া বুলেটে ঝাঁজরা হয়ে যায় জহির রায়হানের বুক। পরে তাঁর গুলিবিদ্ধ রক্তাক্ত দেহ অজ্ঞাত স্থানে টেনে নিয়ে যায় বিহারিরা। আজ তাঁর অন্তর্ধান দিবস। জহির রায়হানের মৃত্যু রহস্য নয়। আমাদের প্রয়াস তাঁর প্রাচুর্যময় চলচ্চিত্রশিল্পের বন্দনা।
কখনো আসেনি (১৯৬১), সোনার কাজল (১৯৬২), কাঁচের দেয়াল (১৯৬৩), বেহুলা (১৯৬৬), আনোয়ারা (১৯৬৭), জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০) ও লেট দেওয়ার বি লাইট (অসম্পুর্ণ) চলচ্চিত্রগুলো জহির রায়হানের অনবদ্য নির্মাণ। আর ছিল উর্দু ছবি সঙ্গম (১৯৬৪), বাহানা (১৯৬৫), জ্বলতে সুরজকে নীচে (১৯৭০)। জহির রায়হান প্রযোজিত ছবি জুলেখা, দুই ভাই, সংসার, সুয়োরানী দুয়োরানী, কুঁচবরণ কন্যা, মনের মতো বৌ, শেষ পর্যন্ত ও প্রতিশোধ।
১৯৫৯ সাল থেকে ১৯৬১। সে সময়ের মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলা ছবিগুলোর ব্যবসায়িক সাফল্য ছিল একেবারে শুন্য। কারণটা ছিল হিন্দি আর উর্দু ছবির প্রতি টান। ১৯৬১ সালে জহির রায়হান নির্মাণ করেন কখনো আসেনি। ’৬২তে কলিম শরাফীর সঙ্গে তৈরি করেন সোনার কাজল। নায়ক খলিল, নায়িকা সুমিতা দেবী, সহ-অভিনেত্রী ছিলেন সুলতানা জামান। এরপর ১৯৬৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কাঁচের দেয়াল জহির রায়হানকে এনে দেয় পরিচিতি, খ্যাতি এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কার। ষাটের দশকের একটি মধ্যবিত্ত একান্নবর্তী এবং তাদের আশ্রিত মেয়ের কাহিনীকে ঘিরে নির্মিত ছবিটিতে ক্যামেরার কাজ ও উপস্থাপন নিঃসন্দেহে ছিল অসাধারণ। মাত্র সাড়ে উনিশ দিনের রেকর্ড সময়ে পাট চুকিয়ে ফেলা হয়েছিল এ ছবিটির কাজ। ১৯৬৬-র উল্লেখযোগ্য ছবিগুলোর মধ্যে ছিল বেহুলা একটি। হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী ‘মনসামঙ্গল’র কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত বেহুলা তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজব্যবস্থায় কী ধরনের সাহসিক কাজ ছিল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু নির্মাতার নৈপুণ্য, বুদ্ধিমত্তা ও উপস্থাপনার সার্থকতায় বেহুলা অর্জন করে জনপ্রিয়তা ও আর্থিক সাফল্য। বেহুলার সংগীত পরিচালক ছিলেন আলতাফ মাহমুদ।
গণ-আন্দোলনভিত্তিক সে সময়ের প্রথম ছবি জীবন থেকে নেয়ার তুলনা যেন ছবিটি নিজেই। একুশে ফেব্রুয়ারি রাতে শোভাযাত্রা ও ভোরে প্রভাতফেরির জীবন্ত শুটিং করা হয়েছিল। এ ছবিটির পর পরই ব্যাপক সাফল্য দেখে নির্মাতারা ঝুঁকে পড়লেন রাজনৈতিক বক্তব্যপূর্ণ ছবি নির্মাণে। জহির রায়হানের আরেকটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রচেষ্টা ছিল লেট দেয়ার বি লাইট। প্রতীকনির্ভর সেট, ক্যামেরার কাজ আর আলোকবিন্যাসের ব্যবহার ছবিটিকে ভিন্নমাত্রা এনে দেয়, যদিও ছবিটি তিনি শেষ করতে পারেননি।
উর্দু ছবিগুলোর মধ্যে সঙ্গম ছিল তৎকালীন সময়ে দেশের প্রথম রঙিন ছবি আর বাহানা ছিল প্রথম সিনেমাস্কোপ ছবি। সংগীতনির্ভর ছবিটিতে জহির রায়হান সংযোজন করেছিলেন তারুণ্যের জয়গানকে। ছবির থিম গান ছিল ‘হাজারো সালকা বুড্ডা মর গিয়া।’ সঙ্গম ব্যবসা-সফল হলেও বাহানা অতটা সফল হয়নি।
জহির রায়হানের অমর সৃষ্টি তাঁর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্রগুলো স্টপ জেনোসাইড ও এ স্টেট ইজ বর্ন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অসংখ্য ফুটেজ নিয়ে তিনি রেখেছিলেন আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে। চরম হতভাগ্য আমরা। যার বেশির ভাগই হারিয়ে গেছে। স্টপ জেনোসাইড বাংলাদেশের গণহত্যার একটি জ্বলন্ত দলিল। শরণার্থী শিবিরের অসহায় জীবনপট আর গণহত্যার বর্বর চিত্রকে তুলে ধরেন জহির রায়হান। একই সমান্তরালে দেখিয়েছেন গণহত্যার স্বরূপকে। ঢেঁকির ধাপধুপ শব্দ থেকে যুদ্ধপট, শরণার্থী শিবিরের মানুষের নিদারুণ কষ্টের জীবন, সেই বৃষ্টিভেজা কর্দমাক্ত পথ ধরে লাঠি হাতে আশি বছরের বুড়ির খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে পথ যাওয়া, তাঁর কথাগুলো−সব গেছে, কেউ নেই, কিছু নেই। মুক্তিকামী যোদ্ধারা, এগারো বছর বয়সী সেই নির্বাক মেয়েটির মুখ সবকিছু ছাপিয়ে ১৮ মিনিটের প্রামাণ্যচিত্রের শেষে ‘গণহত্যা বন্ধ কর’, ‘স্টপ জেনোসাইড’ সেই প্রতিধ্বনিটা এখনো বাজতে থাকে। জহির রায়হানের অনবদ্য নির্মাণশৈলী আমাদের অবাক করে। তাঁর প্রামাণচিত্রের কাহিনীরূপ আমাদের প্রতিনিধিত্ব করেছে একাত্তরে।
জহির রায়হানের নির্মাণশৈলী, উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রচেষ্টা ও নিপুণ উপস্থাপনা আমাদের চলচ্চিত্রশিল্পে একটি আশীর্বাদ। কিন্তু চর্চা তো চাই। অনেক অবহেলিত শহীদ বুদ্ধিজীবী জহির রায়হান। তাঁর চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্রের তুলনামূলক নিরীক্ষা আমাদের একটি কথা জানিয়ে দেয় বারবার−জহির রায়হানের অনুপস্িথতি কত বড় অবর্ণনীয় ক্ষতি ও শুন্যতা আমাদের জন্য। আজ জহির রায়হানের অন্তর্ধান দিবস। আজকের এই দিনে কোটি সালাম রইল তাঁর প্রতি।প
জীবন থেকে নেওয়া
শিখ্তী সানী
‘কী লিখব? আমাকে অকারণে কিছু লিখতে বলে অপ্রস্তুত করার কোনো মানে হয় না। আমার জ্ঞান অত্যন্ত সীমিত। অভিজ্ঞতা অপ্রতুল। সঞ্চয় অতি সামান্য। আকাঙ্ক্ষা অনেক। অনেক। অনেক। সাগরের ঢেউয়ের মতো। আকাশের তারার মতো। শ্রাবণের ধারার মতো। এর কোনো ইতি নেই। যতি নেই। শেষ নেই।...স্বপ্ন দেখি না। কারণ, স্বপ্নের সঙ্গে বাস্তবের সাপে-নেউলে সম্পর্ক। অকারণ হতাশার বোঝা বাড়িয়ে জীবনকে ভারাক্রান্ত করতে চাই নে। আমি আমার আবেগের ক্রীতদাস। আমার আবেগ আমাকে যখন যেখানে নিয়ে যেতে চায়, আমি সুবোধ বালকের মতো তাকে সেখানে অনুসরণ করি। আবেগ যদি বলে আগুনে ঝাঁপ দাও। দিই। দগ্ধ হই। পুড়ি। পোড়াই। আবেগ যদি বলে, মরো। মরি। সে মরণেও সুখ।’ অনেক বছর আগে মাসিক ঝিনুক পত্রিকায় আত্মবিশ্লেষণমূলক এ লেখাখানা জহির রায়হানের।
বর্ণাঢ্য তাঁর জীবন। অসাধারণ তাঁর সৃষ্টি। ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি বড় ভাই সাংবাদিক-ঔপন্যাসিক শহীদুল্লা কায়সারের খোঁজে মিরপুর যাওয়ার পর নিখোঁজ হন তিনি। ২৮ বছরের বিতর্কের পর ১৯৯৯ সালে মিরপুর যুদ্ধের এক বেঁচে যাওয়া সৈনিক আমির হোসেন জানান, অবাঙালি বিহারিদের ছোড়া বুলেটে ঝাঁজরা হয়ে যায় জহির রায়হানের বুক। পরে তাঁর গুলিবিদ্ধ রক্তাক্ত দেহ অজ্ঞাত স্থানে টেনে নিয়ে যায় বিহারিরা। আজ তাঁর অন্তর্ধান দিবস। জহির রায়হানের মৃত্যু রহস্য নয়। আমাদের প্রয়াস তাঁর প্রাচুর্যময় চলচ্চিত্রশিল্পের বন্দনা।
কখনো আসেনি (১৯৬১), সোনার কাজল (১৯৬২), কাঁচের দেয়াল (১৯৬৩), বেহুলা (১৯৬৬), আনোয়ারা (১৯৬৭), জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০) ও লেট দেওয়ার বি লাইট (অসম্পুর্ণ) চলচ্চিত্রগুলো জহির রায়হানের অনবদ্য নির্মাণ। আর ছিল উর্দু ছবি সঙ্গম (১৯৬৪), বাহানা (১৯৬৫), জ্বলতে সুরজকে নীচে (১৯৭০)। জহির রায়হান প্রযোজিত ছবি জুলেখা, দুই ভাই, সংসার, সুয়োরানী দুয়োরানী, কুঁচবরণ কন্যা, মনের মতো বৌ, শেষ পর্যন্ত ও প্রতিশোধ।
১৯৫৯ সাল থেকে ১৯৬১। সে সময়ের মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলা ছবিগুলোর ব্যবসায়িক সাফল্য ছিল একেবারে শুন্য। কারণটা ছিল হিন্দি আর উর্দু ছবির প্রতি টান। ১৯৬১ সালে জহির রায়হান নির্মাণ করেন কখনো আসেনি। ’৬২তে কলিম শরাফীর সঙ্গে তৈরি করেন সোনার কাজল। নায়ক খলিল, নায়িকা সুমিতা দেবী, সহ-অভিনেত্রী ছিলেন সুলতানা জামান। এরপর ১৯৬৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কাঁচের দেয়াল জহির রায়হানকে এনে দেয় পরিচিতি, খ্যাতি এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কার। ষাটের দশকের একটি মধ্যবিত্ত একান্নবর্তী এবং তাদের আশ্রিত মেয়ের কাহিনীকে ঘিরে নির্মিত ছবিটিতে ক্যামেরার কাজ ও উপস্থাপন নিঃসন্দেহে ছিল অসাধারণ। মাত্র সাড়ে উনিশ দিনের রেকর্ড সময়ে পাট চুকিয়ে ফেলা হয়েছিল এ ছবিটির কাজ। ১৯৬৬-র উল্লেখযোগ্য ছবিগুলোর মধ্যে ছিল বেহুলা একটি। হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী ‘মনসামঙ্গল’র কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত বেহুলা তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজব্যবস্থায় কী ধরনের সাহসিক কাজ ছিল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু নির্মাতার নৈপুণ্য, বুদ্ধিমত্তা ও উপস্থাপনার সার্থকতায় বেহুলা অর্জন করে জনপ্রিয়তা ও আর্থিক সাফল্য। বেহুলার সংগীত পরিচালক ছিলেন আলতাফ মাহমুদ।
গণ-আন্দোলনভিত্তিক সে সময়ের প্রথম ছবি জীবন থেকে নেয়ার তুলনা যেন ছবিটি নিজেই। একুশে ফেব্রুয়ারি রাতে শোভাযাত্রা ও ভোরে প্রভাতফেরির জীবন্ত শুটিং করা হয়েছিল। এ ছবিটির পর পরই ব্যাপক সাফল্য দেখে নির্মাতারা ঝুঁকে পড়লেন রাজনৈতিক বক্তব্যপূর্ণ ছবি নির্মাণে। জহির রায়হানের আরেকটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রচেষ্টা ছিল লেট দেয়ার বি লাইট। প্রতীকনির্ভর সেট, ক্যামেরার কাজ আর আলোকবিন্যাসের ব্যবহার ছবিটিকে ভিন্নমাত্রা এনে দেয়, যদিও ছবিটি তিনি শেষ করতে পারেননি।
উর্দু ছবিগুলোর মধ্যে সঙ্গম ছিল তৎকালীন সময়ে দেশের প্রথম রঙিন ছবি আর বাহানা ছিল প্রথম সিনেমাস্কোপ ছবি। সংগীতনির্ভর ছবিটিতে জহির রায়হান সংযোজন করেছিলেন তারুণ্যের জয়গানকে। ছবির থিম গান ছিল ‘হাজারো সালকা বুড্ডা মর গিয়া।’ সঙ্গম ব্যবসা-সফল হলেও বাহানা অতটা সফল হয়নি।
জহির রায়হানের অমর সৃষ্টি তাঁর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্রগুলো স্টপ জেনোসাইড ও এ স্টেট ইজ বর্ন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অসংখ্য ফুটেজ নিয়ে তিনি রেখেছিলেন আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে। চরম হতভাগ্য আমরা। যার বেশির ভাগই হারিয়ে গেছে। স্টপ জেনোসাইড বাংলাদেশের গণহত্যার একটি জ্বলন্ত দলিল। শরণার্থী শিবিরের অসহায় জীবনপট আর গণহত্যার বর্বর চিত্রকে তুলে ধরেন জহির রায়হান। একই সমান্তরালে দেখিয়েছেন গণহত্যার স্বরূপকে। ঢেঁকির ধাপধুপ শব্দ থেকে যুদ্ধপট, শরণার্থী শিবিরের মানুষের নিদারুণ কষ্টের জীবন, সেই বৃষ্টিভেজা কর্দমাক্ত পথ ধরে লাঠি হাতে আশি বছরের বুড়ির খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে পথ যাওয়া, তাঁর কথাগুলো−সব গেছে, কেউ নেই, কিছু নেই। মুক্তিকামী যোদ্ধারা, এগারো বছর বয়সী সেই নির্বাক মেয়েটির মুখ সবকিছু ছাপিয়ে ১৮ মিনিটের প্রামাণ্যচিত্রের শেষে ‘গণহত্যা বন্ধ কর’, ‘স্টপ জেনোসাইড’ সেই প্রতিধ্বনিটা এখনো বাজতে থাকে। জহির রায়হানের অনবদ্য নির্মাণশৈলী আমাদের অবাক করে। তাঁর প্রামাণচিত্রের কাহিনীরূপ আমাদের প্রতিনিধিত্ব করেছে একাত্তরে।
জহির রায়হানের নির্মাণশৈলী, উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রচেষ্টা ও নিপুণ উপস্থাপনা আমাদের চলচ্চিত্রশিল্পে একটি আশীর্বাদ। কিন্তু চর্চা তো চাই। অনেক অবহেলিত শহীদ বুদ্ধিজীবী জহির রায়হান। তাঁর চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্রের তুলনামূলক নিরীক্ষা আমাদের একটি কথা জানিয়ে দেয় বারবার−জহির রায়হানের অনুপস্িথতি কত বড় অবর্ণনীয় ক্ষতি ও শুন্যতা আমাদের জন্য। আজ জহির রায়হানের অন্তর্ধান দিবস। আজকের এই দিনে কোটি সালাম রইল তাঁর প্রতি।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



