somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... একটা লম্বা কমেন্ট
Click This Link

@নভদ...আপনি যে প্রস্তাবনা পেশ করেছেন তা একধরনের কট্টরতা। এটা কোনো কাজের কাজ নয়।
=================================

ভালো।

আপনাকে আপনাদের ইউনির একটা টিচার পরিবারের কথা বলি। যতদূর ধারনা করি আপনিও তাদের চেনেন। ১৯৭১ সালে সেই টিচার কে রাজাকার বাহিনীর সদস্যদের কাছে ধরিয়ে দেয় আরেক জামাতপন্থী টিচার --- এই দুই পরিবারই থাকত টিচার্স কোয়ার্টার এর একই বিল্ডিং এ। প্রথমজনকে তার পরিবারের সদস্যরা আর কোনদিন দেখতে পান নাই - এমনকি তার মৃতদেহও খুজে পাওয়া যায়নি। যে টিচার ধরিয়ে দিয়েছিল সে মুজিব আমলে ভয়ে ভয়ে থাকলেও পরে (জিয়া-এরশাদের সময়) সে অনেক বড় বড় পোস্ট হোল্ড করেছিল। শহীদ পরিবারের সদস্যরা ক্ষমতার আস্ফালন দেখত সেই খুনির - কিন্তু কিছুই করার ছিল না। আর আজ মানুষ জানেও না সেই খুনির পরিচয়।

এরকম অনেক ঘটনা রয়েছে সারা বাংলাদেশ জুড়ে। তো এই ধরনের লোকেরা কিন্তু আজ আমার- আপনার আশেপাশই থাকতে পারে ভদ্রবেশে। আমরা যতই সভ্য-ভব্য আচরন করিনা কেন, এরা কিন্তু কোন সুযোগ ছাড়বে না জামাতী প্রভাব বিস্তারের। সেটা যেভাবে হোক। আর তাই সাইদুর স্যারের মত বিশিস্ট পদার্থবিদ -সজ্জনকেও পুলিশ নিগৃহীত করার সাহস পায়।

আমার মত আরও অনেকে এরকম একটা লিস্টের পক্ষে এজন্য যে একটা লিস্ট থাকলে অন্তত: চিনে তো রাখা যাবে কারা এই সেই ভয়ংকর লোক। শত্রু প্রকাশ্যে থাকলে তাকে মোকাবেলা করা সহজতর হয়, নয়কি?

আর আপনি পক্ষে নন। ভিন্নমত থাকতেই পারে। সেটাও আমি সন্মান করি। যাই হোক ভাল থাকবেন।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28857834 http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28857834 2008-10-21 18:48:14
শিবির ধোলাই সমগ্র (সংগৃহিত)

সোর্স

১৯৭৭ সালের দৈনিক ইত্তেফাকের এই পেপার কাটিং। সে সময় ধর্মান্ধরা অপরাজেয় বাংলা ফেঙ্গে ফেলার একটা চেষ্টা চালিয়ে ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলে মেয়েরা সেই সব অকালকুষ্মন্ডদের মাথা মুড়িয়ে সেদিন ঘোল ঢেলে দিয়ে ছিল।

আরো সোর্স








]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28855617 http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28855617 2008-10-16 18:38:12
আল মাহমুদকে কি মুক্তিযোদ্ধা কবি বলা যায় ? - আরিফ জেবতিক আল মাহমুদকে কি মুক্তিযোদ্ধা কবি বলা যায় ? - আরিফ জেবতিক


কারো চরিত্র চিত্রন আমার উদ্দেশ্য নয় । আল মাহমুদকে আমি খুবই শক্তিমান কবি হিসেবে মানি , তার রাজনৈতিক দূ:খজনক বিবর্তন সত্ত্বেও যে কয়জন কবি আমাদের সময়কে প্রতিনিধিত্ব করবেন , তাদের মাঝে আল মাহমুদের নাম প্রথম সারিতেই রাখতে হবে । যদিও তার ইদানিংকার মোনাজাত জাতীয় কবিতা পাঠক হিসেবে আমার পছন্দের তালিকায় নেই , তারা সাম্প্রতিক কবিতার বইটি আমি ফেলে দিয়েছি , তবু তার আগের লেখাগুলোর কারনেই তার অবস্থান আমার মনে অনেক উচ্চ আসনে রয়েছে ।

আল মাহমুদের কাব্য বিচারের সাধ বা সাধ্য কোনটাই আমার নেই । আমি শুধু তার মুগ্ধ পাঠক ।

কিন্তু জটিলতা সৃষ্ঠি হয় যখন তার রাজনৈতিক অবস্থানটি আলাদা ভাবে আমাদের বিচার্য হয়ে ওঠে । সেই জায়গায় আল মাহমুদ আমার প্রতিপক্ষ দলে অবস্থান করেন ।
তাই যখন আমার প্রতিপক্ষ দল গর্বের সাথে বলে - দেশের একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা কবি তাদের শিবিরে অবস্থান করেন , তখন আমি হতাশ হয়ে পড়ি । শামসুর রাহমান কেন নিজের গ্রামে বসে ''স্বাধীনতা তুমি '' কবিতাটি ছদ্মনামে লিখে সেটা স্বাধীন বাংলা বেতারে পাঠিয়ে দায় সারলেন , তিনি কেন আল মাহমুদের মতো সশস্ত্র হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিলেন না , সেটা নিয়ে আফসোস করতে থাকি ।
কিন্তু বহুদিন ধরেই আমি কোথাও খুঁজে পাচ্ছিলাম না আল মাহমুদ কোন সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করেছেন । হাসান মোরশেদের '' ঘাটানো দরকার'' মন্তব্যটি আবার আমাকে খুঁচিয়ে তুলে ।
গত কয়দিন ধরে কিছু বই ঘাটাঘাটি করছিলাম ।কিন্তু কোথাও এই বিষয়ে কিছু পেলাম না ।

আজ এক কাজিনের বই আলমারিতে অন্য একটি বই খুঁজতে গিয়ে পেয়ে গেলাম স্বয়ং আলমাহমুদের আত্মজীবনী । বইটির নাম ''বিচূর্ণ আয়নায় কবির মুখ ।" প্রকাশক : একুশে বাংলা ।

আসুন , সেখান থেকে কিছু অংশ পড়া যাক :

৭১ সালে ভারত পাড়ি দেয়ার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে কবি জানাচ্ছেন :

'' আমার ভগ্নিপতি পার্বত্য চট্টগ্রামের ডিসি হোসেন তৌফিক ইমাম সেখান থেকে সপরিবারে আরগতালায় পৌছেছেন । ....জেনে আমি স্বস্তি পেয়েছিলাম । এ পরিস্থিতিতে নারায়ণপুরে আমি নিরাপদ ছিলাম না । মনে মনে দেশত্যাগ করে চলে যাওয়ার একটা আকাঙ্খাও জেগে উঠেছিল ।''

যাক , না না বিপর্যয় পেরিয়ে আল মাহমুদ অবশেষে কলকাতা পৌছান ।

তিনি সেখানে তৌফিক ইমামের বাসাতেই আশ্রয় নেন ।
তবে মুক্ত পরিবেশেও কবিকে বেশি সাহসী বলে মনে হচ্ছে না , কারন তিনি বলছেন :

"এখানে এসে উডস্ট্রিট থেকে আমি একদম বেরুতাম না । কারন অতি কৈশোরে আমার খানিকটা জানা থাকলেও ওই সময়ে তা আগের মতো থাকার কথা নয় । আমি ভয় পেতাম ঠিকমতো বাসায় এসে পৌছতে পারব না । "

অর্থাৎ কবি আসলে নিজের বাসায় ফেরার ব্যাপারেই বেশি কাতর ছিলেন দেখা যাচ্ছে ।

যদিও পরের প্যারায় উনি জানাচ্ছেন :
"আমি নয়মাস কলকাতায় অবস্থানকালে আমার প্রধান নেশাই ছিল কলকাতাকে জানা । এ ব্যাপারে যারা আমাকে সাহায করেছিলেন কলকাতার ওপর বই লিখেছেন সেই পুর্ণেন্দু পত্রী এবং কবিতা সিংঞের মেয়ে রাজেশ্বরী রায় চৌধুরী ।"

অর্থাৎ , কবি নয়মাস কলকাতাতেই ছিলেন এবং পূর্ণেন্দু পত্রী আর রাজেশ্বরী রায়ের সাথে কলকাতাকে জানতেই তার সময়টি ব্যয় হয়েছে । দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কলকাতাকে জানাটা যদি কবির কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় , তাহলে তাকে আর যাই হোক মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মিলিয়ে ফেলাটা মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননা ছাড়া আর কিছুই নয় ।

তারপর কবি বিভিন্ন বর্ণনায় জানাচ্ছেন , তাকে পেয়ে কলকাতার কবিকূল কেমন খুশী হয়েছিলেন । এই পর্যায়ে আমাদের গৌরবান্বিত হওয়ার অনেক তথ্যই আছে ।

কিন্তু যে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এতো কথা ,সেখানে কবির ভুমিকা কী ?

"ততদিনে আমার ভগ্নীপতি প্রবাসে বাংলাদেশ সরকারের সচিব হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহন করেছেন । আমি তখনো তার সঙ্গেই আছি । এর মধ্যে আমার দায়িত্ব বেড়ে গেল । "

কী সেই দায়িত্ব , সেটা জানতে হলে পড়তে হবে পরের লাইনটি ।

" বিভিন্ন পত্রিকায় আমার সমর্থন একটু -আধটু সমর্থনসূচক প্রতিবেদন ছাপা হতে শুরু হয়েছে ।"

অর্থাৎ , কবি তখন আত্মপ্রেমে মগ্ন হয়ে সেই পত্রিকার কাটিং জোগাড় করে চলছেন ।
তাহলে মুক্তিযুদ্ধের সাথে তার সংযুক্তি কোথায় ?

আছে এর পরের লাইনে ।
উনি জানাচ্ছেন ,
" তা ছাড়া আট নম্বর থিয়েটার রোডে মুক্তিযুদ্ধের মূল অফিসের স্টাফ হিসেবে আমার নাম থাকায় আমি একটি পরিচয়পত্র পেয়ে গেলাম । এটা ছিল আমার জন্য একান্ত জরুরী । কারন তখন কলকাতায় চলাফেরা করার জন্য এই পরিচয়পত্রটি থাকা দরকার ছিল । "

এই পরিচয়পত্রটি নিয়ে উনি কী করেছেন ?
" আমাকে কেউ কোন নির্দিষ্ট দায়িত্ব না দিলেও আমি কলকাতার লেখক , শিল্পী , ও সাহিত্যিকদের মধ্য আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সমর্থন যোগানোর কাজ করে চলছিলাম ।"

কলকাতার লেখক , শিল্পী , ও সাহিত্যিকগন মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে কেউ ছিলেন বলে জানা যায় নি কোনদিনই , তখনকার সময় বিবেচনা করলে ভারতবাসী কারো পক্ষেই এই বিরোধিতা করার কোন কারনই নেই । তাছাড়া কোথাও সেই ধরনের মটিভেশনে আল মাহমুদ কিছু করেছেন বলে নিজেও দাবী করেন নি , বরং বিভিন্ন জায়গায় কবি সাহিত্যিকদের সাথে ঘুরে বেড়ানোর অনেক বর্ণনা আছে । বলা বাহুল্য সেগুলো নিছকই কবি সাহিত্যিকদের চিরন্তন আড্ডাবাজী , সেখানে মুক্তিযুদ্ধের কোন বিষয়ই নেই ।

শামসুর রাহমান যখন অবরুদ্ধ দেশে থেকেও ছদ্মনামে স্বাধীনতার কবিতা লিখে স্বাধীন বাংলা বেতারে পাঠাচ্ছেন , অসংখ্য সাহিত্য সাংস্কৃতিক কর্মী যখন স্বাধীন বাংলা বেতারকে মুখর করে রেখেছেন , কবি আলমাহমুদ তখন স্বাধীন বাংলা বেতারে কী করছেন , দেখা যাক :

"এ সময় আমি মাঝে মধ্যে বালুহাককাক লেনের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অফিসে হাজিরা দিতে যেতাম । কিন্তু রেডিওতে অংশগহন করিনি । কারন আমার পরিবার-পরিজন তখনো বাংলাদেশে অনিশ্চিত অবস্থঅয় কাল কাটাচ্ছিল এবং পরিবার পরিজনের কোন খবরই আমার জানা ছিল না । "

কবি আল মাহমুদের সাহস বোঝা যায় এখানে ।

কবি কি তখন কিছু লিখছেন না ? লিখছেন ।
তিনি জানাচ্ছেন , আনন্দবাজার রবিবাসরীয় বিভাগে তখন তিনি ''প্রকৃতি '' কবিতাটি লিখেছেন । প্রকৃতি কবিতাটি আমার পঠিত বলে স্মরণ আসছে না , তাই মন্তব্য করছি না , তবে কবিতার নাম দেখে সেটিকে যুদ্ধের সাথে সংশ্রব আছে , এমন কোন কবিতা বলে মনে হচ্ছে না ।

এসময় কবি কলকাতা থেকে তার কাব্যগ্রন্থ বের করার চেষ্টা করেন এবং সফল হোন । সেটি '' আল মাহমুদের কবিতা '' শিরোনামে অরুণা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয় । সেখানে যুদ্ধের কোন কবিতা ছিল বলে কবি দাবী করেন নি ।

বরং তিনি এক বস্তিবাসী যুবতীর ঘরে নিরীহ রাত যাপন করেছেন বলেও স্বীকারোক্তি দিয়েছেন , তাছাড়া পূর্বে উল্লেখিত রাজেশ্বরী রায় চৌধুরীর সাথে তার ঘনিষ্ট ঘুরাফেরা কানাঘুষার জন্ম দেয় বলেও ইঙিত পাই আমরা ।

কবি তখন নিজেকে নিয়েই মগন ছিলেন ।

"এ সময় আমার মানসিকতায় একটু শৈথিল্য দেখা দিয়েছিল ,কেমন যেন গা ছাড়া ভাব । আমি মনে প্রানে আল্লাহর কাছে যৌন সংযম প্রার্থনা করতাম ।"

কারন , কবির সনেটন নিয়ে একটি মিনিবুক প্রকাশিত হয়েছিল , সোনালি কাবিনের সেই কবিতাগুলো কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছাত্রী তাদের ব্লাউজের ভেতর রাখত বলে কবি খুবই আনন্দিত হয়েছিলেন ।

কবির এই ঘুরাফেরা যে অনেকেরই পছন্দ হয় নি , সেটা বুঝা যায় যখন কবি আরো জানান :

" এর মধ্য একদিন হঠাৎ একটি পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে একটি প্রবন্ধ ছাপা হলো । তারা লিখেছেন , আমি নাকি ভিআইপিদের মতো পোশাক পরে কফি হাউসে ঘুরে বেড়াই ।"

কবি অবশ্য এগুলোকে নকশালপন্থী লেখকদের ষড়যন্ত্র বলে দাবী করেছেন তার বইয়ে ।

শেষ কথা :

কবির আত্মজীবনী পড়ার পরে আর অন্যান্য বইয়ের রেফারেন্স টানার দরকার মনে করছি না ।
৭১ সালে কবি কী করেছেন , কী করেন নি , সেটা উনার ব্যক্তিগত ব্যাপার ।

কিন্তু সার্বিক বিচার করে মনে হচ্ছে কবি আল মাহমুদ আসলে প্রভাবশালী ভগ্নীপতির ছত্রছায়ায় কলকাতার জীবনে খুবই আরামে ছিলেন । ভগ্নিপতি তাকে একটি আইডি কার্ড ধরিয়ে দিয়েছিলেন , মুক্তিযুদ্ধের সাথে এটাই কবির প্রত্যক্ষ যোগাযোগের বড় পরিচয় ।
দেখা যাচ্ছে , আত্মীয় স্বজন মামা চাচার জোরের বিষয়টা বাংলাদেশ সরকার গঠিত হওয়ার সাথে একই সময়েই জন্ম নিয়েছিল ।

কবি আল মাহমুদকে যদি মুক্তিযোদ্ধা কবি বলা হয় , তাহলে জামাতিদের " মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ"কেও মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠন হিসেবে মেনে নিতে হবে , এটাই আমার মনে হচ্ছে ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28851204 http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28851204 2008-10-05 16:12:50
ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ভেলকিবাজি- ব দ রু দ্দী ন উ ম র
Click This Link


বাংলাদেশে ইসলামী মৌলবাদী নামে পরিচিত জামায়াতে ইসলামী সংগঠন ও এর নেতাদের সঙ্গে আফগানিস্তানের তালেবান ও মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামী মৌলবাদীদের একটা বড় পার্থক্য এই যে, শোষোক্তরা ধর্মীয় মৌলবাদী হিসেবে প্রতিক্রিয়াশীল হলেও তারা একটা দৃঢ় আদর্শগত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে এবং এদিক দিয়ে তারা সৎ। কিন্তু বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী এবং এদের মতো ধর্মীয় সংগঠনগুলোর সেরকম কোন দৃঢ় আদর্শ নেই। ঘোষিত আদর্শ অবশ্যই আছে, কিন্তু বাস্তবত সেরকম কিছু নেই। এরা সুবিধাবাদী এবং সে কারণে এদের দ্বারা অনেক কিছুই সম্ভব এবং অনেক কিছুই হয়ে থাকে যার ফলে বোঝা যায় যে, এরা সুবিধাবাদী এবং অসৎ। নিজেদের স্বার্থের কারণে এরা এমন সব কাজ করে থাকে যার সঙ্গে এদের ঘোষিত আদর্শগত অবস্খানের সম্পর্ক সামান্য অথবা নেই বললেই চলে।

এরা মিথ্যাবাদী। এদের মিথ্যাবাদিতা ও প্রতারক চরিত্র এরা নিজেরাই জনগণের কাছে এখন তুলে ধরছে ভাষা আন্দোলন এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় এদের নিজেদের ভূমিকা নিয়ে যে প্রচারণা এরা শুরু করেছে তার মধ্যে। বিষয়টি চরিত্রের দিক দিয়ে এত কদর্য যে এর উল্লেখ করা এক বড় সামাজিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব।

নব্বই দশকের প্রথমদিকে যখন যুদ্ধাপরাধী হিসেবে গোলাম আযমের শাস্তির দাবিতে জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে আন্দোলন চলছিল, তখন ঢাকার দেয়ালে দেয়ালে গোলাম আযমকে ‘ভাষাসৈনিক’ হিসেবে আখ্যায়িত করে চিকা মারা হয়েছিল। সে সময় আমরা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে এর মিথ্যা চরিত্র জনগণের কাছে তুলে ধরেছিলাম। আমরা বলেছিলাম, শুধু ইসলামের নাম নিয়ে এখন নিজেদের রাজনৈতিকভাবে রক্ষা করা সম্ভব না হওয়ার কারণে তারা ভাষা আন্দোলনের মতো একটি গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ আন্দোলনে তাদের নিজেদের সম্পর্ক জাহির করে বাঁচার চেষ্টা করছে।
এ কাজ তারা এখন আবার নতুন করে শুরু করেছে। সম্প্রতি তারা ‘ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস’ নামে একটি ভিডিও ক্যাসেট প্রকাশ করেছে। এতে সিডির কভারে লেখা আছে ‘মাতৃভাষা বাংলা ভাষা খোদার সেরা দান’। সবকিছু ছেড়ে দিয়ে এরা এখন মাতৃভাষাকে খোদার ‘সেরা দান’ হিসেবে জনগণের কাছে উপস্খিত করার চেষ্টা করছে। এদের নেতাদের বক্তৃতায় এবং এদের সমগোত্রীর লোকদের ওয়াজের মধ্যে খোদার ‘সেরা দান’ বলে যেসব বিষয়ের উল্লেখ করা হয় তার সঙ্গে বাংলা ভাষার কোন সম্পর্ক থাকে না। এর কোন উল্লেখ করা হয় না।

যাই হোক, ক্যাসেটটিতে ভাষা আন্দোলনের ওপর কিছু কথাবার্তা থাকলেও বিশেষভাবে লক্ষণীয় হল জামায়াতে ইসলামীর নেতা গোলাম আযমের দু’দফা সাক্ষাৎকার, যাতে তিনি নিজেকে ভাষা আন্দোলনের একজন সক্রিয় নেতা হিসেবে জাহির করার চেষ্টা করেছেন। এই প্রচেষ্টা যে কত অসৎ ও হীন এর একটা প্রমাণ হচ্ছে, এ ক্যাসেট তৈরির সময় তথ্য সহায়তা যারা করেছেন তাদের মধ্যে আমার নাম উল্লেখ। এ কাজ করার উদ্দেশ্য যে এই প্রতারণাপূর্ণ ব্যাপারটির প্রামাণ্যতা নিশ্চিত করা এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু আমার তথ্য সরবরাহ করার বিষয়টি সর্বৈব মিথ্যা ছাড়া আর কিছুই নয়। এক বন্ধু ক্যাসেটটি দেখার জন্য আমাকে দেয়ার আগে এ বিষয়ে আমি কিছুই জানতাম না। ভাষা আন্দোলনে গোলাম আযমের ভূমিকা সম্পর্কে প্রচার কাজে আমি তথ্য দিয়ে জামায়াতে ইসলামীকে সহায়তা করেছি এটা প্রচার করা থেকে বড় ধৃষ্টতা আর কি হতে পারে? কতখানি নৈতিক অধ:পতন ঘটলে এ কাজ কোন ব্যক্তির পক্ষে সম্ভব, সেটা বলাই বাহুল্য।

আমি আমার ভাষা আন্দোলনের বইটির প্রথম খণ্ডে একবারই মাত্র গোলাম আযমের উল্লেখ করেছি। ১৯৪৮ সালের নভেম্বর মাসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান পূর্ব পাকিস্তান সফরে আসেন। ২৭ নভেম্বর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের এক সমাবেশে ভাষণ দেন। সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়নের পক্ষ থেকে তাকে একটি মানপত্র দিয়ে তাতে বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানানো হয়। এ মানপত্রটি পাঠ করেন ইউনিয়নের তৎকালীন সেক্রেটারি গোলাম আযম। আসলে এটি পাঠ করার কথা ছিল ইউনিয়নের ভাইস প্রেসিডেন্ট অরবিন্দ বোসের। কিন্তু লিয়াকত আলীকে ভাষা আন্দোলনের দাবি সংবলিত মানপত্র পাঠ একজন হিন্দু ছাত্রকে দিয়ে করালে তার মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হবে এবং মুসলিম লীগ সরকার এ নিয়ে নানা প্রকার বিরূপ প্রচার শুরু করবে­ এ আশংকা থেকেই একজন মুসলমান ছাত্র হিসেবে সেক্রেটারি গোলাম আযমকে সেটা পাঠ করতে দেয়া হয়েছিল। এই হল ভাষা আন্দোলনে গোলাম আযমের ‘বিরাট’ ভূমিকা।

যাই হোক, এ বিষয়টি আমি আমার ভাষা আন্দোলনের ওপর লেখা বইটিতে স্বাভাবিকভাবেই উল্লেখ করেছি। বইটি থেকে অন্যান্য তথ্যের মতো এ তথ্যও যে কোন লোক ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, আমি গোলাম আযমকে ভাষা আন্দোলনের একজন নায়ক হিসেবে উপস্খিত করার জন্য জামায়াতে ইসলামীর এই প্রতারণাপূর্ণ প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে কোন তথ্য সহায়তা প্রদান করেছি। মানুষ হিসেবে এদের চরিত্র কত কলুষিত­ এই প্রতারণা তার এক প্রামাণ্য দৃষ্টান্ত।

এ তো গেল বিষয়টির একটি দিক। এর অন্যদিক হল, মহামান্য গোলাম আযম সাহেব ভাষা আন্দোলনে বীরত্বপূর্ণ ও নায়কোচিত ভূমিকা পালন করা সত্ত্বেও তাতে নিজের এই অংশগ্রহণকে সুবিধাবাদী কারণে অস্বীকার করতেও দ্বিধাবোধ করেননি। আজ নয়, পাকিস্তানি আমলে ১৯৭০ সালের জুন মাসে, পশ্চিম পাকিস্তানের শুক্কুর শহরে এক বক্তৃতা প্রসঙ্গে এই জামায়াত নেতা ‘খোদার সেরা দান’ বাংলা ভাষা ও ভাষা আন্দোলনের বিরোধিতা করতে গিয়ে বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এক মারাত্মক রাজনৈতিক ভুল এবং তিনি নিজে এই আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার জন্য দু:খিত। গোলাম আযম ভাষা আন্দোলনের বিরুদ্ধে বিষোদগার করতে গিয়ে বলেন, উর্দু হচ্ছে এমন একটা ভাষা যার মাধ্যমে ইসলামী শিক্ষার উপযুক্ত প্রচার ও প্রসার সম্ভব। কারণ ‘উর্দু পাক-ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের সাধারণ ভাষা এবং এতে তাদের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সম্পদ সংরক্ষিত রয়েছে।’ নিজের ভ্রান্ত ভূমিকা সম্পর্কে খেদোক্তি করতে গিয়ে গোলাম আযম আরও বলেন, বাংলা ভাষা আন্দোলন পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার দৃষ্টিকোণ থেকে মোটেই সঠিক কাজ হয়নি। (দৈনিক আজাদ, ২০ জুন, ১৯৭০) শুক্কুরে দেয়া গোলাম আযমের এই বক্তৃতা পত্রিকায় প্রকাশের পর আমি আমার সম্পাদিত সাপ্তাহিক ‘গণশক্তি’ পত্রিকায় এর ওপর লিখেছিলাম। (২১.৬.১৯৭০) গোলাম আযম এসব কথা বলছিলেন এমন এক সময়ে যার অনেক আগে ভাষা আন্দোলনের দাবি অনুযায়ী ১৯৫৬ সালের পাকিস্তান সংবিধানে বাংলা অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃত হয়েছিল।

দেখা যাচ্ছে, জামায়াত নেতা গোলাম আযম সাহেবের কথাবার্তার ভেল্কিবাজি ও নৈতিক অধ:পতনের তুলনা নেই। ভাষা আন্দোলনে তার অংশগ্রহণের কাহিনী, তারপর ১৯৭০ সালে তাতে অংশগ্রহণে দু:খ প্রকাশ ও ভাষা আন্দোলনকে বেঠিক কাজ হিসেবে আখ্যায়িত করা, ১৯৯২ সালে নিজেকে ‘ভাষাসৈনিক’ হিসেবে প্রচার করা এবং এখন আবার বাংলা ভাষাকে ‘খোদার সেরা দান’ হিসেবে গৌরবান্বিত করার জন্য মিথ্যায় পরিপূর্ণ ক্যাসেট বের করা­ সবই হল জামায়াতে ইসলামীর জাদুর খেলা। এর সঙ্গে যে প্রকৃত ইসলামী নৈতিকতার কোন সম্পর্ক নেই একথা বলাই বাহুল্য।

শুধু ভাষা আন্দোলনই নয়, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ নিয়েও জামায়াতে ইসলামী এখন একটা জাদুর খেলা দেখাচ্ছে। ১৯৭১ সালে তারা স্বাধীনতা যুদ্ধের সম্পূর্ণ বিরোধিতা করে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর সঙ্গে নানা চক্রান্তে লিপ্ত ছিল। তারা সামরিক বাহিনীর সহায়ক শক্তি হিসেবে এমন ক্রিমিনাল কাজ নেই যা করেনি, ডিসেম্বর মাসে তারা এদেশের অনেক গুণী বুদ্ধিজীবীকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। সে সময়ে এদের অপকীর্তি ও গণশত্রুতার শেষ নেই। অথচ এরাই এখন মাঠে নেমেছে নিজেদের একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের সৈনিক হিসেবে প্রমাণ করার জন্য। এ উদ্দেশ্যে এরা কিছুসংখ্যক বেইমানকে দিয়ে গঠন করেছে এক মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।

এই সংক্ষিপ্ত লেখা শেষ করার আগে এটা অবশ্যই বলা দরকার, জামায়াতে ইসলামী এখন ‘বিশুদ্ধ ইসলামী লাইনের’ বাইরে এসে ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা আন্দোলনে নিজেদের ভূমিকা প্রমাণ করার চেষ্টার মূল কারণ, ইসলাম দিয়ে এখন আর তাদের বড় বেশি সুবিধা হচ্ছে না। এজন্য এ দেশের প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক, মিথ্যার ভিত্তিতে হলেও প্রচার করে, এরা নিজেদের পায়ের নিচে মাটি খোঁজার চেষ্টা করছে। কিন্তু যে মাটি তাদের পায়ের তলায় নেই, সেটা খোঁজ করে কোন লাভ নেই। জামায়াতে ইসলামীর মতো প্রতিক্রিয়াশীল ধর্মীয় রাজনৈতিক দলের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে অনেক আগেই ঐতিহাসিকভাবে নির্ধারিত হয়ে গেছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28847925 http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28847925 2008-09-25 22:56:06
শিবিরের নোংরা লোকগুলো
১. স্কুলছাত্রী উত্যাক্তের দায়ে আটক হল তিন শিবির



২. ইত্তেফাক ২৪শে সেপ্টেম্বর,২০০৮: চট্টগ্রামে অস্ত্র মামলায় শিবির ক্যাডার মুন্নার ২৪ বছর কারাদণ্ড


চট্টগ্রামে অত্যাধুনিক একে-৪৭ রাইফেলসহ গ্রেফতার হওয়া শিবির ক্যাডার দুলাল উদ্দিন ওরফে মুন্নাকে ২৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। জেলা ও দায়রা জজ মজনুল আহসান মঙ্গলবার এই রায় প্রদান করেন। দণ্ডিত আসামি মুন্না পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

২০০৫ সালের ১০ জুন ফটিকছড়ি এলাকায় অভিযান চালানোর সময় সন্ত্রাসীদের সাথে বন্দুক যুদ্ধের পর শিবির ক্যাডার মুন্নাকে গ্রেফতার করে পুলিশ । পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হাটহাজারী থানার মন্দাকিনীর গ্রামের বাড়ির মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয় একটি একে-৪৭ রাইফেল ও ১২২ রাউন্ড গুলি। এ ব্যাপারে হাটহাজারী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।


এ নিয়ে দৈনিক সমকাল এর খবর

এ নিয়ে দৈনিক প্রথম আলোর খবর

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28847873 http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28847873 2008-09-25 20:20:48
আইকন

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28846636 http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28846636 2008-09-22 21:46:51
প্রাপক শিবির নেতা আওরঙ্গজেব Click This Link
ব্যাকআপ: যদি যুকরুফা ০৭ কমেন্ট মুছে দেয়!

comment by: নাভদ বলেছেন:
আওরঙ্গজেব বলেছেন: সুন্দর লেখার জন্য লেখিকা কে ধন্যবাদ।

লেখিকা উনার সময়ের বুয়েটের ছাত্র রাজনীতির কথা লিখেছেন। পুরোপুরি না হলেও বুয়েটের সে সময়ের অবস্হা আমাদের সময়ের সাথে অনেক জায়গায় মিলে যায়।
===========================================

@আওরঙ্গজেব,
বুয়েটে আপনার (ব্যাচ ১৯৯৫, কম্পিউটার) অবস্থান ছিল ১৯৯৬ সালে ১৭ ডিসেম্বর থেকে ২০০২ সালের প্রথম কয়েকমাস। এর মধ্যে শিবির সন্দেহে সাধারন ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে আপনারা (শিবির) কম হেনস্তা হয়েছেন? হলে-ক্যম্পাসে-ক্লাসে? হেনস্তা শুধু শারীরিক নয়, সামাজিক-পরিচিত পরিমন্ডলে হয়েছেন।

বুয়েটে ঐ সময় শিবির প্রথম প্রকাশ্যে আসে ২০০১ এর জাতীয় ইলেকশনের পর যখন লীগ হেরে গেল। তার আগে তো শুধুই ফেরারী জীবন ছিল শিবিরের নেতা-কর্মীদের। এরপর যে বুয়েট ইলেকশন (ইউকসু) হল তাতে আপনি ভিপি পদে দাড়িয়েছিলেন শিবির থেকে। মনে পড়ে চট্টগ্রাম সমিতিতে (যেটার আপনি সদস্য ছিলে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে ১৯৯৫ এ ইন্টার পাসের জন্য) শিবিরের লোকদের অবস্থান নিয়ে কি অবস্থা হয়েছিল? আজ সবকিছুই অস্বীকার করবেন কি? করেন, যারা সেইসময় সেখানে ছিল তারা আজ এই ব্লগেও আছে, তাদের কাছে এগুলো কি মনে হবে?

তারপর সিংগাপুর হয়ে এখন অস্ট্রেলিয়ার মোনাশে আছেন। আবার বলতে বইসেন না যে আপনার সময়ে বুয়েটের ছাত্ররা আপনার মত শিবিরদের প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ করার জন্য ছটফট করছিল। একটু সাহস করে বলেন তো শুনি আপনাদের সময়ের শিবিরের ধাওয়া খাওয়ার গল্পগুলি। বলেন না....
========================================

comment by: নাভদ বলেছেন:
@নির্বাক সুশীল

আপনি বেশ কিছুদিন আগের কথা মনে করিয়ে দিলেন।

তখন বুয়েটে শিবির বিরোধী ছিল বামপন্থীরা, ছাত্রলীগ, ছাত্রদলের লায়ন অংশের ছাত্ররা। দলের মুকি (সনি হত্যার সাথে জড়িত) অংশ ছিল সাকা আর লালবাগের পিন্টু সমর্থিত। এই অংশ ছিল শিবিরের বি-টিম। মূলত এদের ব্যকিং এর জন্যই শিবির সেই সময় প্রকাশ্যে আসার সাহস পেয়েছিল।

২০০১ এর জাতীয় ইলেকশনের আগে বেশ কয়েকবার অনেকগুলো শিবিরকেই ধাওয়া দেয়া হয়েছিল বিভিন্ন হলে। এদের গোপন কার্যকলাপের অনেক দলিল পাওয়া গিয়েছিল যতদূর মনে পড়ে নানা সময়। অনেক কিছুর মধ্যে একটা রিপোর্ট ফরম পাওয়া গিয়েছিল যেটা আমার কাছে একটু বেশী ইন্টারেস্টিং মনে হয়েছিল। কি ছিল সেটাতে? এদের নিয়মিত রিপোর্ট দিতে হত তাদের হাইকমান্ডের কাছে। হলে এবং ক্লাসে কে কে প্রগতিশীল, কার কার ধর্মের প্রতি সফট কর্নার আছে, কার আর্থিক অবস্থা কি ইত্যাদি। আর সংখ্যালঘু ছাত্রদের জন্য আলাদা কলাম। তাদের ব্যপারে বিস্তারিত। ছাত্র সংগঠন না তো যেন কোন যুদ্ধের প্ল্যানিং করার টিম।

এই ব্লগেও দেখি শিবির মানসিকতার লোকের সাথে অনেক তথাকথিত প্রগতিশীল ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজনদের খাতির। এদের সবার নামেই রিপোর্টিং হচ্ছে শিবিরের উচ্চ পর্যায়ে- এ ব্যপারে কোন সন্দেহ থাকতে পারে না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28842087 http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28842087 2008-09-12 12:43:11
এই আমাদের দেশ? ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28835265 http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28835265 2008-08-26 18:04:42 মানুষ নামধারী জামাত শিবির কুকুরদের কর্মকান্ড ---



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28819638 http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28819638 2008-07-12 23:32:45
গোলাম আযমের পাকিস্তান রক্ষার চাঁদার রসিদ ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28814981 http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28814981 2008-06-29 16:09:37 সাইদী, ২৮শে অক্টোবরে শিবিরের প্রিপারেশন

২৮শে অক্টোবরে শিবিরের প্রিপারেশন: গন্ডগোল বাধানোর জন্য একদম বাড় থেকে হেলমেট পড়ে এসেছে!


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28813172 http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28813172 2008-06-24 14:23:33
ঢা বি: শিবির


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28810659 http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28810659 2008-06-17 20:05:17
সহি ট্রিটমেন্ট ফর গোলাম আযম ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28809661 http://www.somewhereinblog.net/blog/jiboneblog/28809661 2008-06-15 04:30:12