আমার প্রিয় পোস্ট
- দুনিয়ার জটিল ২ খান ছবি। ( ফানপুস্ট) - অনীয়ম
- Loveology - রানা
- আপনাদের কবিতা নিয়ে একুশে বইমেলায় কবিতা সংকলন রিপোস্ট চলছে প্রতিদিন - ফারিহান মাহমুদ
- অনলাইন এর মাধ্যমে আয় - মনিং_ষ্টার
- অনলাইন এ সরাসরি কনভার্ট করে ইউটিউব ভিডিও ডাওনলোড করুন...... - গিফার
- ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করুন
- মুয়ীয মাহফুজ
- আমার আঁকা কিছু ছবি ...........নিঃসঙ্গ, আপনাকে - নিহন
- এটা কি জিনিস দেখলাম! - বাংলার দাদা
- আয় করুন Google Adsense এর মাধ্যমে - গাজী মো: সাইফুল ইসলাম
- জনপ্রিয় কিছু ওয়েব সাইট এর ঠিকানা.......... - গিফার
- ভালোবাসার জানা অজানা - হ-য-ব-র-ল নং ২
- ক্রিকেট-অদ্ভূত কিছু শট (অনেকগুলো ছবি, লোড হতে একটু সময় নিতে পারে) - নাফিস ইফতেখার
স্বপ্নের পদ্মা সেতু
০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩৬
![]()
পদ্মা সেতু প্রকল্পের দিকে তাকিয়ে আছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ৷ এ প্রকল্পের সফল বাসত্মবায়নের উপর নির্ভর করছে মংলা বন্দর, শিল্পনগরী খুলনাসহ এ অঞ্চলের উন্নয়ন ভবিষ্যত্৷ পদ্মা সেতু নির্মাণ এবং পাইপ লাইনে গ্যাস সরবরাহের ব্যবস্থা হলে কেবল মংলা বন্দরই নয়, গোটা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আর্থ-সামাজিক দৃশ্যপটই বদলে যাবে ৷ এ সেতু নির্মাণের জন্য প্রাথমিক প্রসত্মুতি চলছে। মাওয়া-জাজিরা পয়েন্টে পদ্মা সেতুটি নির্মিত হবে বলে ইতিমধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে৷ ৫ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং ২৫ মিটার প্রস্থ এ সেতুর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ১৬১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা৷ নকশা প্রণয়ন কাজ শেষ হতে সময় লাগবে প্রায় ২ বছর৷ এর পরই শুরু হবে সেতুর নির্মাণ কাজ৷ নির্মাণ কাজ শেষ হতে ২০১২-১৩ অর্থবছর পর্যন্ত সময় লাগবে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে৷
পদ্মায় মওয়া নির্মিত সেতু হলে ঢাকার সাথে মংলা বন্দরের দূরত্ব অনেক কমে আসবে৷ ঢাকার সাথে সড়ক পথে চট্টগ্রামের এখন দূরত্ব ২৬৪ কিলোমিটার৷ মাওয়া সেতু নির্মিত হওয়ার পর মংলা থেকে ঢাকার সড়ক পথে দূরত্ব দাঁড়াবে মাত্র ১৭০ কিলোমিটার৷ অর্থাত্ চট্টগ্রামের চেয়ে ঢাকার সঙ্গে মংলার দূরত্ব কমে যাবে ৯৪ কিলোমিটার৷ এতে চট্টগ্রামের চেয়ে মংলা বন্দর দিয়ে ঢাকা ও তার আশপাশ এলাকায় পণ্য পরিবহনের ৰেড়ে সময় এবং পরিবহন খরচ কমে যাবে৷ তখন ব্যবসায়ীরা মংলা বন্দর ব্যবহারে বেশি আগ্রহী হবে৷ পদ্মা সেতুর পাশাপাশি পাইপ লাইনের মাধ্যমে এঅঞ্চলে গ্যাস সরবরাহের ব্যবস্থা নেয়া হলে মংলা বন্দরের জন্য সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে৷ খুলনা নগরী ও তার আশপাশে নতুন নতুন শিল্প-কারখানা গড়ে উঠবে৷ এক সময়ের শিল্পসমৃদ্ধ খুলনা ফিরে পাবে তার হারান গৌরব৷ হাজারো মানুষের জন্য সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থানের নানা সুযোগ৷
অন্যদিকে নেপাল, ভুটানসহ কয়েকটি দেশের মংলা বন্দরকে ট্রানজিট হিসাবে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে৷ ১৯৯৭-৯৮ সালে একবার নেপাল মংলা বন্দরের মাধ্যমে ৬০ হাজার টন পণ্য হ্যান্ডলিং করেছিল৷ সরকার উদ্যোগ নিয়ে উলেস্নখিত দেশকে ট্রানজিট সুবিধা দিতে পারলে মংলা বন্দরের গতিপ্রবাহ অনেক বেশি বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে৷
Click This Link
রাস্তার ছেলে বলেছেন:
আশার কথা বলার জন্য প্লাস!
লেখক বলেছেন: ঠিক তবে আমাদের শুধু বলার আছে, দেখি কি হয়। ধন্যবাদ



















মংলা পোর্ট বা খুলনার ইন্ডাসট্রিগুলোর ডাওনফল পদ্মা সেতুর সাথে সম্পর্কিত নয় মোটেই। এর জন্য সরকারের পলিসি দায়ী। কাজেই পদ্মা সেতু হলেও দেখার ব্যাপার আছে অনেক কিছু। যমুনা সেতু উত্তরাঞ্চলে খুব বেশি কি পরিবর্তন আনতে পেরেছে? বরং বহু বছরের পুরোনো সমস্যা মঙ্গাকে আমরা চিনেছি এই সেতু হবার পর!