somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আসুন একটা গানের কথা পড়ি ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28891057 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28891057 2008-12-31 17:11:51 বিভাগ সমুহের নির্বাচনী ফলাফল চালচিত্র



চট্রগ্রাম বিভাগ




খুলনা বিভাগ



রাজশাহী বিভাগ




বরিশাল বিভাগ



সিলেট বিভাগ

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28890473 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28890473 2008-12-30 16:35:53
বিগত ৪ নির্বাচন এর সাথে এই নির্বাচন এর ফলাফল চিএ।


১৯৯৬




২০০১



২০০৮

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28890446 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28890446 2008-12-30 15:29:09
এক নজরে চূড়ান্ত ফলাফল চিত্র


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28890438 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28890438 2008-12-30 15:13:20
এক নজরে পূর্বের নির্বাচন

General Election, 1970

National Council Election, 1970

The election was held on 07 December, 1970. The total number of voter were 2,94,79,386. The number of casting votes was 1,70,05,163 (57.68%), the valid casting votes was 1,64,54,278.[4]
The summary of the National Council Election, 1970
Serial Political Party Total Candidates Seats Votes Percentage Symbol
1 Awami League 162 160 1,23,38,921 74.9% Boat
2 PDP 79 1 4,83,571 2.9%
3 Nijame Islami 49 0 0 0%
4 Jamaat-e-Islami 70 0 9,91,908 6%
5 Pakistan Muslim League (Convention) 93 0 4,64,185 2.8%
6 Pakistan Muslim League (Kou) 50 0 2,74,453 1.6%
7 Pakistan Muslim League (Kayum) 65 0 1,75,822 1%
8 National Awami Party (Wali) 39 0 3,10,986 1.8%
9 Independant 114 1 5,61,083 3.4%

[edit] Provincial Council Election, 1970

The election was held on 17 December, 1970. The percentage of casting votes was (57.69%), and the number of reserved women seat was 10 [5].
The summary of the Provincial Council Election, 1970
Serial Political Party Total Candidates Seats Votes Percentage Symbol
1 Awami League 300 288 89% Boat
2 PDP 2 1%
3 Nijame Islami 1
4 Jamaat-e-Islami 1 3%
5 Pakistan Muslim League (Convention) 0 1%
6 Pakistan Muslim League (Kou) 0 0.05%
7 Pakistan Muslim League (Kayum) 0 0.05%
8 National Awami Party (Wali) 1 0.9%
9 Independant 7 5%

General Election, 1973

The election was held on 07 March, 1973. Total number of voter=3,52,05,642; Cast votes=1,93,29,683 (54.9%); Valid casting votes=1,88,51,808 (53.54%); Reserved Women Seat=15[6].
The summary of the General Election, 1973
Serial Political Party Total Candidates Seats Votes Percentage Symbol
1 Awami League 300 293 1,37,93,717 73.2% Boat
2 Jatiyo Samajtantrik Dal 237 1 12,29,110 6.52% Torch
3 National Awami Party (Mozaffar) 224 0 15,69,299 8.33% Hut
4 National Awami Party (Bhasani) 169 0 10,02,771 3% Sheaf of Paddy
5 Communist Party of Bangladesh 4 0 47,211 0.25% Key
6 Communist Party of Bangladesh (L) 2 0 18,619 0.1% Bullock Cart
7 Bangladesh Jatiyo League 8 1 62,354 0.33% Plough
8 Banglar Communist Party 3 0 11,911 0.06% Axe

General Election, 1979

The election was held on 18 March, 1979. Total number of voter=3,87,89,239; Cast votes=1,96,76,124 (50.94%); Valid casting votes=1,92,68,437 (49.67%); Reserved Women Seats=30[7].
The summary of the General Election, 1979
Serial Political Party Total Candidates Seats Votes Percentage Symbol
1 Bangladesh Nationalist Party 298 207 79,34,236 41.16% Sheaf of Paddy
2 Awami League (Malek) 295 39 47,34,277 24.55% Boat
3 Awami League (Mizan) 184 2 5,35,426 2.72% Ladder
4 Jatiyo Samajtantrik Dal 240 8 9,31,851 4.84% Torch
5 National Awami Party (Mozaffar) 89 1 4,32,514 2.25% Hut
6 National Awami Party (Naser) 28 0 25,336 0.14% Rose
7 Muslim Democratic League 266 20 19,41,394 10.08% Lamp

General Election, 1986

The election was held on 07 May, 1986. Total number of voter=4,78,76,979; Cast votes=2,89,03,889 (60.31%); Valid casting votes=-----; Reserved Women Seats=30[8].
The summary of the General Election, 1986
Serial Political Party Total Candidates Seats Votes Percentage Symbol
1 Jatiya Party 300 153 1,20,79,259 42.34% Plough
2 Bangladesh Awami League 256 76 74,62,157 26.15% Boat
3 Jamaat-e-Islami Bangladesh 76 10 13,14,057 4.60% Balance Scale
4 Communist Party of Bangladesh 9 5 2,59,728 0.91%
5 National Awami Party (Mozaffar) 10 2 3,68,979 1.29%
6 National Awami Party 5 3,68,979 1.29%
7 Bangladesh Krishok Shromik Awami League 6 3 1,91,107 0.67%
8 Jatiyo Samajtantrik Dal (Rob) 4 7,25,303 2.54%
9 Jatiyo Samajtantrik Dal (Siraj) 14 3 2,48,705 2.54%
10 Muslim League 4 4,12,765 1.45%
11 Bangladesh Workers Party 3 1,51,828 0.53%
11 Independent 453 32 46,19,025 16.19%
12 Others 4,90,389 1.73%

General Election, 1988

The election was held on 03 March, 1988. Total number of voter=4,98,63,829; Cast votes=2,88,73,540 (54.93%); Valid casting votes=2,85,26,650; Reserved Women Seats=30[9].
The summary of the General Election, 1988
Serial Political Party Total Candidates Seats Votes Percentage Symbol
1 Jatiya Party 299 251 1,76,80,133 68.44% Plough
2 Combined Opposition Party 269 19 32,63,340 12.63%
3 Jatiyo Samajtantrik Dal (Siraj) 25 3 3,09,666 1.20%
4 Freedom Party 112 2 8,50,284 0.94%
5 Others 0 2,42,571 0.94%
6 Independent 214 25 34,87,457 13.5%


General Election, 2001

Summary of the 1 October 2001 Bangladesh Jatiyo Sangshad election results Parties Votes % Seats
Bangladesh Nationalist Party (Bangladesh Jatiyatabadi Dal) 23,074,714 41.40 193
Bangladesh Awami League 22,310,276 40.02 62
Jatiya Party (Ershad)

* Includes candidates of the Islamic National Unity Front (Islami Jatiya Oikya Front)

4,023,962 7.22 14
Jamaat-e-Islami Bangladesh 2,385,361 4.28 17
Jatiya Party (Naziur) 521,472 0.94 4
Islami Oikya Jote 312,868 0.56 2
Krishak Shramik Janata League 261,344 0.47 2
Jatiya Party (Manju) 243,617 0.44 1
Non-partisan and others 2,262,045 4.06 6
vacant - 2
Total (turnout 74.9 %) 55,728,162 100.0 300
Rejected votes 441,871
Total votes 56,169,233
Registered voters 74,951,319



Source: Bangladesh Election Commission ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28889667 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28889667 2008-12-29 11:34:07
নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন: প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর তালিকা

প্রার্থী সংখ্যা (দল ভিত্তিক)
নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন: প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর তালিকা
ক্রম
দলের নাম
আসন সংখ্যা
প্রতীক


ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ

চেয়ার


ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
১৬৬
হাতপাখা


ইসলামী ঐক্য জোট

মিনার-২, ধানের শীষ-২


ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন
১১
চাবি


কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ
৪৬
গামছা


গণতন্ত্রী পার্টি

কবুতর


গণফ্রন্ট
১৪
মাছ


গণফোরাম
৪৫
উদীয়মান সূর্য


জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ

খেজুর গাছ-৫, ধানের শীষ-২

১০
জাকের পার্টি
৩৭
গোলাপ ফুল

১১
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি

হুক্কা-১, ধানের শীষ-১

১২
জাতীয় পার্টি
৪৬
লাঙ্গল

১৩
জাতীয় পার্টি-জেপি

বাই-সাইকেল

১৪
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ

মশাল-২, নৌকা-৪

১৫
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি
৪৪
তারা

১৬
ন্যাশনাল পিপলস পার্টি
২৯
আম

১৭
প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল
২১
বাঘ-১, কুলা-২০

১৮
ফ্রীডম পার্টি

কুড়াল

১৯
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
২৫৯
নৌকা

২০
বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট
১৮
মোমবাতি

২১
বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
৩৯
হাতঘড়ি

২২
বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন
৩২
বটগাছ-৩১, হাতপাখা-১

২৩
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

রিক্সা

২৪
বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি
১০
কাঁঠাল

২৫
বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি

ধানের শীষ

২৬
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
২৫৬
ধানের শীষ

২৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
৩৯
দাঁড়িপাল্লা

২৮
বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন
৩১
ফুলের মালা

২৯
বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
১৪
কুঁড়েঘর

৩০
বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ

গাভী

৩১
বাংলাদেশ মুসলিম লীগ

হারিকেন

৩২
বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল
৫৭
মই

৩৩
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি

হাতুড়ী-২, নৌকা-৩

৩৪
বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টি
৩৭
কাস্তে

৩৫
বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি

কোদাল

৩৬
বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এম.এল)

চাকা

৩৭
বিকল্পধারা বাংলাদেশ
৬২
কুলা

৩৮
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি - এল.ডি.পি
১৮
ছাতা

৩৯
স্বতন্ত্র
১৪১
বিভিন্ন প্রতীক
মোট
১৫৩৮]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28889657 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28889657 2008-12-29 11:08:41
খুলনা শহরের কয়েকটি ছবি-২

ময়লপতার মোড়ের মসজিদ,এ মসজিদের চার পাশেই রাস্তা।



নতুন কোট।



রাতের বেলার ষাট গুম্বুজ।



রাতের বেলার রূপসা সেতু।



কে,ডি,এ ভবন।



শিল্প ব্যাংক ভবন।

Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28885838 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28885838 2008-12-21 20:20:13
খুলনা শহরের কয়েকটি ছবি-১

শিববাড়ীর মোড়।



তারের পুকুরের মোড়।



এটা কিন্তু ষাট গুম্বুজ মসজিদ না।
ময়লপতার মোড়ের সামনের একটেলের সৌজন্যে ষাট গুম্বুজ মসজিদের রিপ্লেসিকা।



ময়লপতার মোড়ের ফোয়ার।



সাত রাস্তার মোড়।



খুলনা শহরের প্রবেশ পথ নতুন রাস্তার মোড়।

Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28884808 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28884808 2008-12-19 16:08:37
পদ্মার অচেনা পাখি






















কাল ফেরি পার হওয়ার সময় ছবি গুলো তোলা পাখিটার নাম জানিনা (আমার মনে হয় শঙ্খচিল) আপনারা কি কেউ জানেন পাখিটার নাম?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28884745 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28884745 2008-12-19 10:38:31
খুলনা প্রথম আলো বন্ধুসভার বিজয় দিবস উৎযাপন।












১৬ ডিসেম্বর ছবি গুলো বল্গ এ দিতে চেয়ে ছিলাম কিন্তু নেট স্লো থাকার কারনে আপলোড হয়নি তাই আজ দিচ্ছি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28884732 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28884732 2008-12-19 09:36:50
কাল ‍থেকে শুরু হচ্ছে বিজয়ের মাস মনে হ‍ল ব্যাপার টা আপনাদের ো জানাই তাই লেখকের লেখাটি এখানে পোষ্ঠ করলাম

বিজয় দিবস নিয়ে সবাই লিখছে বলে ভারতীয় হিসাবে আমারো কিছু লিখতে ইচ্ছা করছে। স্বাধীনতা সংগ্রামে, কিছু ভারতীয়র অবদান বাংলাদেশের আপামর জনগণের জানা উচিত বলেই আমি মনে করি। বিজয় দিবসে বাংলাদেশের মত ভারতেও বেশ কিছু শহিদের কথা স্মরণ করা হয় - বিশেষত যারা ১৯৭১এর যুদ্ধে প্রাণ দিয়েছিলেন। ১৯৭১ এর যুদ্ধ শুধু বাংলাদেশ প্রান্তরেই হয়নি, হয়েছিল কাশ্মীর আর পাঞ্জাব সীমান্তেও। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পাশাপাশি কাশ্মীরেও অনেক অংশ হস্তান্তরিত হয়ে ভারতের নিয়ন্ত্রণে এসেছিল। তারই মধ্যে একটি শহর হল কারগিল - যা নিয়ে পাকিস্তানের সাথে ১৯৯৯ সালে আবার একটি যুদ্ধ হয়।

যাহোক, আসা যাক প্রথম শহিদ এলবার্ট এক্কার কথায়। এক্কা রাঁচির আদিবাসী খ্রীষ্টান পরিবারের সন্তান। ২০ বছর বয়সে উনি যোগদান করেন ভারতীয় সেনার বিহার রেজিমেন্টে ১৪ গার্ডস সেকশনে। ১৯৭১ এর যুদ্ধের সময়ে উনি গঙ্গাসাগর (আগরতলা থেকে সাড়ে ৬ কিমি দূরে) সীমান্তে প্রহরারত ছিলেন। চৌথা ডিসেম্বর অর্ডার আসে শত্রুবাহিনীর বাংকার দখল করতে হবে। ভোর চারটের সময় শুরু হয় যুদ্ধ। উলটো দিকে পাকিস্তানী সৈন্যরা গুলিগোলা চালাতে শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুসারে, সাথে বন্দুক থাকলেও বন্দুকের ব্যবহার ছিল সীমিত, কারণ বন্দুক চালালে সব বাংকারের লোক একসাথে জেনে যাবে কোথা থাকে শত্রু আক্রমণ করছে। বুকে ভর দিয়ে মাটিতে ঘষটে ঘষটে দেড় কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে একের পর এক বাংকারে শত্রুকে উনি বেয়নেটবিদ্ধ করেন। শেষে, যখন অধিকাংশ বাংকার করায়ত্ত, তখন পাশের একটি বড় বিল্ডিং থেকে শুরু হয় লাইট মেশিন-গানের বোমাবর্ষণ। গুরুতর রক্ম আহত হন এক্কা। উনি বাধ্য হয়ে গ্রেনেড ছুঁড়ে শত্রুকে ঘায়েল করেন এবং অসীম সাহসের সাথে দেওয়াল ডিঙিয়ে বিল্ডিং-এ ঢুকে তার মেশিন-গান চুপ করিয়ে দেন। আর তার কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রাণ হারা এক্কা।

গঙ্গাসাগরের পতনের ফলে ভারতীয় সেনারা ওই পথে দ্রুত ঢুকে পড়ে যা বিজয় ত্বরাণ্বিত করেছে। পরে, মরণোত্তর পরম বীর চক্র দিয়ে এক্কাকে সম্মান দেওয়া হয়। রাঁচী শহরের কেন্দ্রস্থলের নাম রাখা হয় এক্কা চৌক।

পরম বীর চক্র ভারতের সৈনিকদের সর্বোচ্চ সম্মান। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে চারজন এই সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন, তাদের মধ্যে এক্কা একজন। বাকি দুজন পাঞ্জাবে (অরুণ ক্ষেত্রপাল আর হুঁশিয়ার সিং) আর একজন (নির্মলজিত সিং শেখোঁ) কাশ্মীরে যুদ্ধের সময় বীরত্ব প্রদর্শন করেছিলেন।

এতো গেল সাহসিকতার কথা, এরপরে আসা যাক যুদ্ধের পরিকল্পনা ও কৌশলের কথায়। মুক্তিযোদ্ধাদের গরিলা কায়দায় যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণ দেবার কৌশল যার - তিনি হলেন জেনারেল জ্যাকব। কোলকাতার ইহুদী পরিবারে জন্ম এই সেনানায়কের। ভারতীয়রা তখন গেরিলা কায়দায় যুদ্ধের কৌশলের সাথে পরিচিত ছিল না। ইনিই ভারত সরকার আর সেনাপ্রধানকে বুঝিয়ে রাজী করিয়েছিলেন ট্রেনিং ক্যাম্প বানাতে। যুদ্ধোত্তর ভারতে ১৯৭১ এর বিজয়ের জন্য একেই সবথেকে বেশী কৃতিত্ব দেওয়া হয়। ইনি পরবর্তীকালে বিজেপি তে যোগদান করেন ও ইজরায়েল-ভারত সম্পর্ক স্থাপনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।

আর ছিলেন ফিল্ড মার্শাল স্যাম মানেকশ। পাঞ্জাবী পার্সী পরিবারে জন্ম নেওয়া এই সেনানায়কও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্তন সেনানী। যুদ্ধের সঠিক দিনক্ষণ নির্ধারণে মানেকশর জুড়ি মেলা ভার ছিল। যুদ্ধের স্থায়ীত্ব কমিয়ে আনার জন্য এবং পাকিস্তানী বাহিনীর দ্রুত আত্মসমর্পণের কৃতিত্ব অনেকটাই এর প্রাপ্য।

আর যার কথা না বললেই নয়, তিনি হলেন জেনারেল অরোরা, সেনাপ্রধান। এর ছবি দেখে অনেকেই অভ্যস্ত, আত্মসমর্পণরত নিয়াজীর সাথে। মজার কথা হল, এই জগজিত সিং অরোরার জন্ম হল অধুনা পাকিস্তানের ঝীলমে - এক ধার্মিক শিখ পরিবারে। ১৯৭১ এর যুদ্ধশেষে এঁকেও বাংলাদেশ সরকার বীরপ্রতিক উপাধীতে ভূষিত করেন। অরোরা ছিলেন কম কথার কিন্তু ক্ষুরধার বুদ্ধির ধর্মভীরু মানুষ। পরবর্তীকালে অমৃতসরে স্বর্ণমন্দিরে সেনা হামলার পরে তিনি ইন্দিরা গান্ধীর সমালোচনা করতেও দ্বিধাগ্রস্ত হননি। অরোরা অকালি দলের হয়ে ভারতে রাজ্যসভায় প্রতিনিধিও ছিলেন। গত ২০০৫ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। বাংলাদেশ ও ভারত - উভয়েই তার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876443 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876443 2008-11-30 21:36:57
কুয়াকাটায় ইলিশ মাছ ধরা বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ। সাগর থেকেই ইলিশ মাছ অন্যান্য নদীতে আসে। বর্ষার সময়টাই মাছ ধরার আসল মৌসুম। এ সময়ে জেলেরা সাগরে প্রচুর ইলিশ ধরে। শুধু ইলিশ মাছই নয় অন্যান্য মাছও ধরা পরে প্রচুর। ওদের রোজগারের আদর্শ সময় বর্ষাকাল। জেলেদের মুখে হাসি ফুটে উঠে মাছ ধরার মধ্যে দিয়ে।

ট্রলারে ফাতরা বনে ভ্রমণ
ফাতরার বন কুয়াকাটা থেকে কাছেই। এই বনে যেতে হলে ট্রলারে সাগর পাড়ি দিয়ে শাখা নদীতে ঢুকে বনে যাওয়া যায়। বনটি সুন্দবনেরই লেজের একটি অংশ বিশেষ। এখানে সুন্দরী গাছ ছাড়াও হাজারও রকমের উদ্ভিদ আছে। বিভিন্ন ধরণের উদ্ভিদ ছাড়াও রয়েছে বানর, শিয়াল, বাগদাস ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের প্রাণী। বনে প্রবেশ করলে মনে হয় সুন্দরবনে চলে এসেছি। তবে বেশি ভেতরে যাওয়াটা উচিৎ হবে না। শোনা যায় বেশ কিছু দাস বাঘের আনাগোনা রয়েছে ফাতরার চরে।
ফাতরার চরের চেয়েও সবচেয়ে বেশি উপভোগ্য সময় যখন সাগরের বুক চিরে ট্রলারটি দৌড়াবে। মাঝ পথ দিয়ে চলার পথে হঠাৎ করে ৩০ ফুট উঁচু ঢেউ দেখলে হয়ত আঁতকে উঠবেন, মনে হবে ট্রলারের উপর ঢেউ আছড়ে পড়ছে। কিন' না, মাঝি এমনভাবে ঢেউ কাটিয়ে ট্রলার চালাবেন আপনি স্বচোখে ঢেউয়ের উচ্চতাই উপভোগ করতে পারবেন। ফাতরাচরকে আরও আকর্ষনীয় করে তোলার জন্য সরকারী উদ্যেগে সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে একটি ইকোপার্ক। এ পার্কে রয়েছে লেক, পাকা টয়লেট, সিমেন্ট দিয়ে তৈরী করা বসার সিট ও ফাতরারচরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে বেড়ানোর জন্য ইট দিয়ে সড়ক তৈরি করা হয়েছে। ট্রলার, নৌকা ও জাহাজ ভিড়ানোর জন্য দেয়া হয়েছে জেটি গ্যাংওয়ে। গড়ে তোলা হয়েছে ৫/৭ টি স্টল।

পিকনিক পার্টি ফাতরাচরে গিয়ে যাতে রান্না করে খেতে পারে তার জন্য ব্যবস্থা রয়েছে। এজন্য বন বিভাগের ধার্যকৃত টাকা দিতে হবে। তা হচ্ছে ৫০০/- টাকা হতে ১০০০/- টাকার মধ্যে। ফাতরারচর যেতে হবে সবার ব্যক্তিগত উদ্যেগে এক্ষেত্রে বন বিভাগের পক্ষ থেকে কোন যান নেই সাগরে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876432 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876432 2008-11-30 21:10:10
যার জন্য কুয়াকাটা ঝাউবন সরকারী উদ্যেগে তৈরী করা হয়েছে। গাছগুলো দেখতে খুবই সুন্দর। বনের পরিবেশ ঝাউ গাছের কারণে বেশ মনোরম দৃশ্যের সৃষ্টি করেছে। এখানে অনেক দূর থকে পর্যটক ঘুরতে আসেন। একটু সামনে এগিয়ে গেলেই সকালের লোভনীয় সূর্যোদয়ের দৃশ্য দেখা যায় এ বন থেকে। ঝাউবনটি বেশ বড় এলাকা নিয়ে তৈরী করা হয়েছে।

গঙ্গামতি
ঝাউবন থেকে পূর্ব দিকে অবসি'ত গঙ্গামতি। এখানে যেতে পথে পড়ে খুব সুন্দর সুন্দর বন, বিশাল বিশাল গাছ, অনেক বড় বড় চর। চরে বিভিন্ন রকমের পাখি দেখতে পাওয়া যায়, যা গঙ্গামতিকে আরও মোহনীয় করে তুলেছে। তবে পর্যটক, গঙ্গামতি বনাঞ্চল ভ্রমন না করলে আপনার ভ্রমনটি হয়ত অস্পূর্ণই থেকে যেতে পারে।

সুর্যোদয়
কুয়াকাটা বীচের পূর্ব দিকে গঙ্গমতির চরে কাউয়ারচর এলাকা থেকে সূর্যোদয় স্পষ্টভাবে দেখা সম্ভব। এজন্য ভোররাত ৫টায় উঠে আসতে হবে ওই স'ানে। তবে তাতে কোন ভয় নেই, স'ানীয় লোকজন এ ব্যাপারে খুবই আন্তরিক ও আতিথিয়তাপরায়ণ। এছাড়াও ওই সময়ে বীচে থাকবে শত শত পর্যটক। সূর্য যখন উঠবে তার অন্তত ১০/১৫ মিনিটি পূর্ব থেকে সাগরের তলদেশে দেখা যাবে লাল আভা। এ লাল আভাটি আস্তে আস্তে আগুনের ন্যায় রূপ ধারণ করবে। তার মধ্যে থেকে সূর্য বেরিয়ে আসবে। আসলে এ দৃশ্য দেখলেই শুধু বর্ণনা করা সম্ভব। আপনি যদি কোনদিন এ সুর্যোদয় দেখার সৌভাগ্য হয় তাহলে এর আসল রূপটা বুঝতে পারবেন।

সূর্যাস্ত
সুর্যাস্ত ভালভাবে উপভোগ করতে হলে আপনাকে শুটকি পল্লিতে যেতে হবে। ১০/২০ মিনিট স'ায়ী সূর্যটি ডুবতে ডুবতে এক পর্যায়ে সে সাগরে হারিয়ে যাবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876417 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876417 2008-11-30 20:39:34
নারিকেল বাগান আর সুটকী পল্লী কয়েক যুগ পুরানো এই নারিকেল বাগান কুয়াকাটার পূর্বপার্শ্বেই অবসি'ত। বহুকাল আগে বরিশালের ফয়েজ মিয়া নামে একলোক সরকারের কাছ থেকে জমি লিজ নিয়ে এই নারিকেল বাগান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাগানের ভিতরে বেশ কিছু পিকনিক স্পট আছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পিকনিক করার জন্য মানুষ এখানে আসে। এই বাগানের ভিতরের পরিবেশ খুব সুন্দর, বাগানটিতে অনেক নারিকেল ফলন হয়। একসময় এখানে প্রায় লক্ষাধিক নারিকেল গাছ ছিল।

সুটকী পল্লী
কুয়াকাটা থেকে ২ কিলোমিটার পশ্চিমে শুটকী পল্লী। এখানে বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছের শুটকী তৈরী করে দেশ বিদেশে রপ্তানী করা হয়। অনেক সময় ৫ থেকে ৬ মণ ওজনের সামুদ্রিক মাছ দেখা যায় এখানে। তাছাড়াও শাপলা পাতা, হাঙ্গর, লইটকা সহ আরও জানা অজানা মাছ দেখা যায়। সেই সাথে কিভাবে প্রাকৃতিকভাবে শুটকী তৈরী হয় তাও দেখতে পাবেন। পছন্দ হলে শুটকি ক্রয় করাও সম্ভব।

মহীপুর
কুয়াকাটা যাওয়ার আগের ফেরীঘাট। অর্থাৎ কুয়াকাটা থেকে দেড় কিলোমিটার। কেউ যদি ফিশিং এবং মাছের আড়ৎ দেখতে চায়, তাহলে খুব ভোরবেলা যেতে হবে। এখানে প্রতিদিন প্রায় ২ থেকে ৩ কোটি টাকার সামুদ্রিক মাছ ক্রয় বিক্রয় হয়। তাছাড়া জেলেদের জীবন যাপন ও মাছ ধরার কৌশল সম্পর্কে জানা যাবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876400 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876400 2008-11-30 19:28:15
কুয়াকাটায় কিভাবে জাবেন, কোথায় খাবেন দাবেন রাজধানী ঢাকা থেকে সরাসরি কুয়াকাটা যেতে গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে বিভিন্ন কোম্পানির ৫/৬ টি গাড়ি প্রতিদিন বিকেলে ছেড়ে যায়। ইচ্ছে করলে ওই বাসের যে কোন একটিকে বেছে নিতে পারেন ও পরদিন প্রত্যুষে কুয়াকাটায় পৌঁছে যাবেন। তবে সেদিন আপনার ভাগ্যে সূর্যোদয় দেখা সম্ভব নাও হতে পারে।

নৌ রুটে বরিশালে আসার জন্য ঢাকা হতে বরিশাল, খুলনা রুটে চলাচলকারী বিআইডব্লিউটিসির জাহাজ পি.এস. মাহমুদ, অস্ট্রিচ, লেপচা, কিংবা শেলা ছাড়াও দ্বীপরাজ, সুন্দরবন ও সৈকতকে নিতে পারেন আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য। এছাড়া বরিশাল পর্যন্ত পৌঁছার জন্য রয়েছে একাধিক বিলাসবহুল লঞ্চ। তারপর বরিশাল থেকে আরামদায়ক যাত্রার জন্য আপনি মাইক্রোবাস বেছে নিতে পারেন অথবা সেখান থেকে কুয়াকাটায় যাওয়ার জন্য রয়েছে বিআরটিসি ও বেসরকারি সংস্থার বাস।

এক্ষেত্রে আপনার পথ আরও ছোট করার একটা সুযোগ রয়েছে। আপনি লঞ্চযোগে পটুয়াখালী হয়েও বাসে কুয়াকাটা যেতে পারবেন। সেক্ষেত্রে বরিশালের চেয়ে ৩ ঘন্টা সময় সময় কম লাগবে। তবে সবচেয়ে আরামদায়ক ভ্রমণ করতে হলে আপনি সরাসরি গাবতলী দিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশে রওনা হওয়াটাই ভাল। সেক্ষেত্রে বাড়তি কোন ঝুট ঝামেলায় পড়তে হবে না। খুলনা ও পাবনা থেকেও প্রতিদিন বিআরটিসির বাস ছেড়ে আসে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে।

শীতকালে অল্প সময়ে ভেঙ্গে ভেঙ্গে কুয়াকাটা যেত পারেন, তা হচ্ছে- ঢাকা হতে মাওয়া হয়ে বরিশাল (সেক্ষেত্রে মাওয়া ফেরী স্পিডবোডে পার হতে হবে। অথবা ঢাকার নয়াবাজার থেকে এসি ও নন এসি দুধরণের বাসে ৪০ মিনিটে মাওয়া ঘাটে, সেখান থেকে স্পিট বোডে ১৫ থেকে ২০ মিনিটে নদী পাড় হয়ে মাইক্রেবাস বা পাবলিক বাসে করে বরিশাল। বরিশাল হতে দপদবিয়া ঘাট, সেখান থেকে যে কোন বাসে আমতলী। আমতলী হতে ১৫ থেকে ২০ মিনিটে মোটর সাইকেলে কলাপাড়া। কলাপাড়া থেকে মটর সাইকেলে ১ ঘন্টায় কুয়াকাটা। এভাবে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা কম সময়ে আপনি কুয়াকাটা পৌছতে পারবেন। অথার্ৎ সময় ৭ ঘন্টা।

কোথায় থাকবেন ও খাবেনঃ
কুয়াকাটাতে ৩০-৪০ টি ব্যক্তি মালিকাধিন হোটেল, পর্যটন মটেল ও গেষ্ট হাউজ রয়েছে। এর মধ্যে ৮ থেকে ১০ টি হোটেল থাকার জন্য বেশ মানসম্মত। এসব হোটেলগুলোর ভালমানের নিজস্ব রেষ্টুরেন্ট আছে। তবে যারা হোটেলে বাইরে কোন রেষ্টুরেন্টে খেতে চান তাহলে সেগুলো হলো- খাবার ঘর, হোটেল বরিশাল, হোটেল রাজধানী, হোটেল জয় উল্লেখযোগ্য। তবে আপনি ইচ্ছা করলে এসব হোটেলে আপনার পছন্দমত খাবার অর্ডার করলে তা তারা তৈরী করে দিতে পারবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876381 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876381 2008-11-30 18:22:22
কুয়াকাটা ভ্রমনের উপযুক্ত ও সঠিক সময়
এ সময় কুয়াকাটার রুদ্রমূর্তি থেকে শুরু করে টেউয়ের তালে তালে শোঁ শোঁ শব্দ যা আসলেই অপূর্ব। শীতকালীন সময় কুয়াকাটায় গিয়ে শুধুমাত্র সূর্যোদয় ও সূযাস্ত দেখা গেলেও সাগরের রুদ্রমূর্তি দেখা সম্ভব হবে না। ওই সময় সাগর তার রাগ ভূলে কোমলমতি রূপ ধারন করে।

গ্রীস্মকালে প্রতিটি ঢেউ আছড়ে পড়ে সাগর পাড়ে। ঢেউয়ের সঙ্গে মুক্তার রং মেশানো ফেনা আসলেই উপভোগ করার মত। পড়ন্ত বিকেলে দেখবেন পূর্ব আকাশে সূর্যাস্তের নৈসর্গিক দৃশ্য। এক্ষেত্রে আকাশ মেঘলা থাকলে সূর্যাস্তের দেখা সম্ভব নাও হতে পারে। এজন্য কুয়াকাটা গিয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগ করতে হলে ২/১ দিন সময় হাতে নিয়ে যাওয়াই ভাল। কুয়াকাটায় সবচেয়ে বেশি ভাল লাগবে রাতেরবেলা সাগর পাড়ে ইজি চেয়ারে বসে সাগরের রুদ্ররূপ প্রত্যক্ষের সঙ্গে সঙ্গে ঢেউয়ের শোঁ শোঁ শব্দ শোনা। সাগরে পর্যটকদের জন্য রয়েছে ইজি চেয়ার ও রোদ থেকে পরিত্রাণ পেতে বড় বড় ছাতা থেকে শুরু করে খেলাধূলার জন্য ফুটবল ও সাগরে সাঁতার কাটার জন্য রয়েছে বয়া। ওইসব জিনিসের সুবিধা ভোগ করতে হলে ঘন্টা হিসেবে ভাড়া দিতে হয়।

৩০ কিলোমিটার বিস্তৃত বীচের এ মাথা থেকে ও মাথা পর্যন্ত চষে বেড়নোর জন্য সাগর পাড়ে রয়েছে ভাড়া মটর সাইকেল। তবে এ ৩৬ কিলোমিটার বীচ একসঙ্গে উপভোগ করা যাবে না। এর মধ্যে সাগরের পশ্চিমে খাজুরিয়া রিজার্ভ ফরেস্ট থেকে পূর্বে গঙ্গামতির খাল পর্যন্ত রয়েছে ১৬ কিলোমিটার বীচ।

গঙ্গমতির ছোট একটি খাল কুয়াকাটার বীচটিকে দুটি ভাগে ভাগ করে দিয়েছে। খালটি পার হলেই বাকি ২০ কিলোমিটার বীচ। ওই বীচে যেতে হলে খালটি পাড়ি দিয়ে অথবা সড়কপথে ঘুরেও তা ভ্রমণ করতে পারেন। ২০ কিলোমিটার বীচ ভ্রমণের সময় সাগরের দিকে চেয়ে থাকলে দেখতে পাবেন ছোট ছোট দ্বীপ। ওই দ্বীপের মধ্যে ১০/১৫ পরিবার বাস করে। তাদের প্রধান পেশা হচ্ছে মাছ ধরা। শীতের মৌসুমে ট্রলারযোগে ওই স'ানে যেতে পারবেন। সেক্ষেত্রে কিছুটা হলেও সেন্টমার্টিন দ্বীপের সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে। বীচে ঘুরে বেড়ানোর জন্য রয়েছে মোটর সাইকেল। মোটর সাইকেলে চড়ে বীচের সৌন্দর্য উপভোগের সঙ্গে সঙ্গে দেখে আসতে পারেন নারিকেল বাগান, এক পায়ে দাড়িয়ে থাকা তালগাছের বাগান, শুটকি পাড়া, ঝাউবন ও ইকোপার্ক। সাগার পাড় ঘেঁষে বিশাল একটি এলাকা নিয়ে বন বিভাগের উদ্যেগে গড়ে তোলা হয়েছে ঝাউবন। ঝাউবন সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে ইকোপার্ক। ইকোপার্কের মধ্যে রয়েছে ফুলের বাগান। ভবিষ্যৎ এ সেখানে পর্যায়ক্রমে স'াপন করা হবে স্পিডবোড, সূযোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার জন্য উঁচু টাওয়ার এবং ইকোপার্কের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ব্রীজ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876368 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876368 2008-11-30 17:45:14
দিত্বীয় বিশ্ব যুদ্ধে বাংলাদেশ http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876332 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876332 2008-11-30 16:21:28 কুয়াকাটা নামকরণের ইতিহাস ও সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
ইতিহাস থেকে জানা যায় যে, রাখাইনদের মাতৃভূমি হিসেবে খ্যাত বার্মার আরাকান রাজ্য এক সময়ে বর্মী রাজা দখল করে নেয়। রাজার সৈনিকদের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে রাখাইরা দল বেঁধে বড় বড় নৌকায় করে সাগরে ভাসতে থাকে। ভাসতে ভাসতে এক সময় একটি দ্বীপে নৌকা আটকে গেলে তারা সেখানে নেমে পড়ে। ওই দ্বীপটি ছিল পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী দ্বীপ। এরপর তারা সেখানে বসবাস শুরু করে। এর মধ্যে কিছু রাখাইন পরিবার ওই স'ানে বসবাস না করে তারা বনাঞ্চলের মধ্যে ঢুকে বনের গাছপালা কেটে সেখানে বসবাস শুরু করে। বনাঞ্চলে বসবাস করার উদ্দেশ্যে ছিল সহজভাবে খাবার সংগ্রহ করা। যে বনাঞ্চল কেটে তারা বসবাস শুরু করে সেটিই হচ্ছে বর্তমান কুয়াকাটা।

তখন ওই বনের কোন নাম ছিল না। থাকলেও রাখাইন সমপ্রদায়ের লোকজন তার নাম জানত না। যার ফলে সাগর পাড়ি দিয়ে ওই স্থানে বসবাস শুরু করায় রাখাইন ভাষায় তারা নামকরণ করে কানশাই। কানশাই শব্দের বাংলা অর্থ হচ্ছে ভাগ্যকুল। কিন্তু রাখাইন লোকজন এখানে বসবাস করলেও তাদের প্রধান প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়ায় পানি। সাগরের পানি লবণাক্ত হওয়াই তা খাওয়া সম্ভবপর ছিল না। এজন্য তারা নিজ উদ্যেগে একটি কুয়া খনন করে তা থেকে মিঠা পানি পান করত। মিঠা পানির কুয়ার নামানুসারে নামকরণ হয় কুয়াকাটা। রাখাইন সমপ্রদায়ের লোকজন কুয়ার মিঠা পানি শুধুমাত্র পান করত। বাকি কাজ হতো সাগরের পানিতেই।

কুয়ার সন্নিকটেই তারা স্থাপন করে ৩৭ মণ ওজনের ধ্যানমগ্ন অষ্টধাতুর বৌদ্ধ মূর্তি। মন্দিরের নির্মাণ সৌন্দর্যে ইন্দ্র চীনের স্থাপত্য অনুসরণ করা হয়। দেখলে মনে হবে থাইল্যান্ড, লাওস বা মিয়ানমারের কোন মন্দির। প্রায় সাড়ে তিন ফুট উঁচু বেদির উপর মূর্তিটি স্থাপন করা হয়েছে। বৌদ্ধ ধর্মের আড়াই হাজার বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ৮৩ বছর পূর্বে অষ্টধাতুর ওই মূর্তিটি ওই স্থানে স্থাপন করা হয় বলে রাখাইন সমপ্রদায়ের ইতিহাস থেকে জানা যায়। প্রায় ৭ ফুট উচ্চতার এ বৌদ্ধ মূর্তিটি স্থাপন করেন উপেংইয়া ভিক্ষু। তখন মন্দিরের দায়ক (পরিচালক) ছিলেন বাচিন তালুকদার। এ অঞ্চলের রাখাইন সমপ্রদায়ের তেজস্বী নেতা হিসেবে পরিচিত বাচিন তালুকাদার ১৯৯৯ সালে মারা যান। তার ছেলে অং সুমিং তালুকদার মন্দিরের দায়িত্ব পান। তিনিই এখন মন্দির ও কেরানীপাড়ার দায়িত্বে আছেন। মন্দিরের পাশেই ইন্দ্র চীন স্থাপত্যের অনুকরণে নির্মাণ করা হয়েছে শ্রী মঙ্গল বৌদ্ধ বিহার। সেখানে বসে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা ধর্ম সভা করতেন। মন্দিরের নীচেই হচ্ছে ঐতিহাসিক কুয়াটি। বর্তমানে সেই কুয়ার পানি খাওয়ার অনুপোযোগী অর্থাৎ পরিত্যক্ত। তারপরও কুয়াকাটার ঐতিহ্য ধরে রাখতে কুয়াটিকে নতুনভাবে সংস্কার করা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক সহায়তায় অপূর্ব স্থাপত্যকলার সমন্বয়ে মন্দিরটি পুনঃ নির্মাণ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এর চারদিক পাকা ও উপরে ছাদ দেয়া হয়েছে। কায়াকাটায় আসা পর্যটকরা যাতে মনোমুগ্ধকর পরিবেশে ওই কুয়ার দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন সেজন্য সেখানে প্লাষ্টিক টিন দিয়ে একটি লন তৈরি করা হয়েছে।

পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা সী-বিচের অপার নৈসর্গিক সৌন্দর্য নিজের চোখে না দেখলে বোঝানো কঠিন যা শুধু দেখলেই উপভোগ করা যায়। তখন মনে হবে বিরাট এক অগ্নিকুন্ড আস্তে আস্তে সাগর ভেদ করে আসমানের উপরে দিকে উঠে যাচ্ছে আবার সূর্যাস্তের সময় সাগরের ঢেউয়ের মধ্যে আস্তে আস্তে হারিয়ে যায় সূর্যটা। মনে হয় সাগরের মধ্যেই সূর্যের বাড়ি ঘর।

পূর্ণিমার রাতে সী বিচ হয় দেখা মত। চাঁদের আলোয় বিশাল বিশাল ঢেউগুলো যেন কাছে ডাকে। আর আমাবশ্যায় অন্ধকার রাতে দেখা যায় আরেক দৃশ্য ফসফরাসের মিশ্রণে সাগরের ঢেউগুলো থেকে আলোর বিচ্ছুরণ ছড়ায়। কুয়াকাটার সী বিচের সৌন্দর্য লিখে শেষ করা সিত্যই খুব কঠিন ব্যাপার।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876319 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876319 2008-11-30 16:03:31
কুয়াকাটা টিপস
শীতকালের আকাশে কুয়াশা থাকে যার দরুন সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উভয়ই দেখা থেকে পর্যটক বঞ্চিত হতে পারে। গ্রীস্মকালে কুয়াকাটা ভ্রমন করলে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উভয়ই উপভোগ করা যেতে পারে।

শীতকালে সাগর শান্ত থাকে যার ফলে সাগরের রূপ হতে বঞ্চিত হতে হয়। তখন শুধু গ্রামীণ পরিবেশ বিরাজ করে। গ্রীস্মকালে কুয়াকাটার সাগর খুবই উত্তাল থাকে, যা পর্যটকদের জন্য সময়টি খুবই উপভোগ্য হয়।

কুয়াকাটা ভ্রমনটি পূর্নিমা অথবা পূর্নিমার পরবর্তি সময়ে হওয়া উচিৎ, তাহলে পর্যটকরা জোস্না রাতটি ভালভাবে উপভোগ করতে পারে। কুয়াশার জন্য তা থেকেও পর্যটক বঞ্চিত হতে পারে। গ্রীস্মকালে তা ভালভাবেই উপভোগ করা যায়।

জানামতে এখন পর্যন্ত কেউ কুয়াকাটার সমুদ্রে গোছল করতে গিয়ে হারিয়ে যায়নি। শীতকালে সাগর শান্ত থাকার কারনে সেটি ঠিকমত উপভোগ করা যায় না। উত্তাল সাগরে গোছলের আনন্দই আলাদা, তা গ্রীস্মকালে সম্ভব।

শীতকালে ইলিশ মাছ ধরার দৃশ্য উপভোগ সম্ভব হয়না। গ্রীস্মকালে ইলিশ মাছ ধরার দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

শীতকালে শুটকি পল্লীতে শুটকি শুকানোর দৃশ্য চোখে পরবে গ্রীস্মকালে তা সম্ভব নয়।

শীতকালে ঝড় বৃষ্টির ঝামেলা কম থাকে গ্রীস্মকালে ঝড় বৃষ্টির ঝামেলা থেকে যায়।

শীতকালে সমুদ্র সৈকত ও সুন্দরবন উভয়ই দেখা সম্ভব গ্রীস্মকালেও সম্ভব তবে সাগর উত্তাল থাকার কারনে পর্যটক ভয় পেতে পারে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876301 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876301 2008-11-30 15:14:30
লো ফ্রিকুয়েন্সি রেডিও শুনুন আর বল্গ লিখুন
ভালো লাগলে + দিয়েন। আর কেমন লাগলে জানিয়েন।

http://nbmotasim.listen2myradio.com/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876191 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876191 2008-11-30 11:19:36
চল এই শীতে সব সিলেট যাই - ৪ জাফলং হতে অর্ধেক কিলোমিটার দূরে হচ্ছে তামাবিল যা ভারত সীমান্তের নিকটে অবস্হিত। যদি আপনি ভারতের শিলং ভ্রমণ করতে চান তাহলে কাষ্টমস-এর নিয়মকানুন সেরে সীমানা পাড় হয়ে সেখানে যেতে পারেন। ভারতে যেতে হলে আপনাকে সেখানকার ভিসার মেয়াদ থাকতে হবে। সিলেট শহর হতে তামাবিল সীমানা ৫৫ কিলোমিটার দূরে অবস্হিত। এ এলাকার দর্শনীয় স্হান ও ঝর্ণার উৎস দেখতে হলে তামাবিল দিয়ে বর্ডার পার হতে হবে ।

সুরমা ভেলী
সুরমা ভেলীর দুই দিকে পাহাড় পর্বতের মধ্যে বিস্তীর্ণ এলাকার মাঝখানে চা রোপণের দৃশ্য ও সবুজ বন সত্যিই মনকে মুগ্ধ করবে। বাংলাদেশের পর্যটন স্হানগুলোর মধ্যে অন্যতম আকর্ষণ খাসিয়া, জৈন্তা ও ত্রিপুরা পাহাড় এখানেই অবস্হিত। ঘন বন, মুণিপুরী উপজাতিদের বন্যজীবনের অনেক নিদর্শন এখানে দেখতে পাওয়া যায়। নীচু পাহাড়ে মাইলের পর মাইলের চা বাগানের বিস্তার একটি সবুজ কার্পেটের মত দেখা যায়। এটি পর্যটকদের একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হতে পারে। সিলেট হচ্ছে চা বাগানের একটি শস্যভান্ডার, এখানে ১৫০ টির উপরে চা বাগান আছে যার মধ্যে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় তিনটি চা বাগান এখানে অবস্হিত। সিলেটের আরেকটি দর্শনীয় স্হান হচ্ছে সুরমা ও কুশিয়ারা নদী যা উত্তর দক্ষিণে অবস্হিত। এখানে অনেক হাওড় আছে যা শীতের সময় সবুজ ভূমিকে আর প্রসারিত করে কিন্তু বর্ষার সময় অশান্ত সাগরে রূপ নেয়। শীতের সময় সাইবেরিয়া হতে এইসব হাওড়ে লক্ষ লক্ষ অতিথি পাখি আসে। যা সত্যিই দেখার মত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876177 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876177 2008-11-30 10:40:06
চল এই শীতে সব সিলেট যাই - ৩ শ্রীপুর হচ্ছে অন্য একটি পর্যটন স্হান যেখানে আপনি পাহাড়ী ঝর্ণা থেকে পানি পড়ার শব্দ শুনতে পাবেন। এ এলাকার বর্ধিত অংশে ভারতীয় সীমানার ঝর্ণাটি আপনার দৃষ্টিতে
আসবে। মাঝেমাঝে বড় বড় পাথর এ ঝর্ণার সাথে শ্রীপুরে আসে। জাফলং এবং তামাবিল ভ্রমণের পর সিলেটে ফেরার পথে শ্রীপুর ভ্রমণ করতে পারেন। জাফলং থেকে শ্রীপুরের দূরত্ব ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার।

লাউয়াছড়া বন
“লাউয়াছড়া রেইন ফরেস্ট” বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন। পর্যটকরা এখানে বানরের গাছে চড়ার দৃশ্য, পাখি যেমন- পেঁচা, টিয়া ইত্যাদি দেখতে পাবেন। এখানে হরিণের ঘোরাফেরা, চিতাবাঘ, বন্যমোরগ, কাঠবিড়ালী এবং অজগর সাপ দেখতে পাবেন। যারা পাখি দেখতে ভালোবাসে তারা কোনভাবে এটা দেখতে ভুলবেননা।

এশিয়ার মধ্যে বিরল ক্লোরোফোর্মের গাছ রয়েছে এখানে যা সত্যিই আকর্ষণীয়। এখানে খাসিয়া ও মুণিপুরী দু’জাতির উপজাতিদের বসবাস । মুণিপুরীদের আকর্ষণীয় নাচ ও গান এখানকার আকর্ষণ অনেকটা বৃদ্ধি করেছে। তাদের একটি ঐতিহ্য হচ্ছে কাপড় বোনা। আপনি এখান থেকে হস্তশিল্প, উলের তৈরি শাল, শাড়ী, নেপকিন, বিছানার চাদর এবং কিছু ব্যাগও কিনতে পারেন। খাসিয়া উপজাতিদের গ্রামগুলো পাহাড়ের উঁচুতে ও গভীর বনের মধ্যে যা শহর থেকে অনেক দূরে। লাউয়াছড়া বনকে বলা হয়ে থাকে স্বর্গের রাজ্য যা আপনাকে এক ধরণের প্রশান্তি এনে দিবে।

জাফলং
জাফলং সিলেট বিভাগের অন্যতম আকর্ষণীয় স্হান। সিলেট শহর হতে এটি ৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্হিত ও সিলেট শহর হতে দেড়ঘন্টা সময় নিবে এখানে পৌঁছাতে। জাফলং-এর দর্শনীয় দিক হচ্ছে চা বাগান ও পাহাড় থেকে পাথর আহরণ। মারি নদী ও কাশিয়া পাহাড়ের পাদদেশে জাফলং অবস্হিত। মারি নদীর উৎপত্তি হিমালয় থেকে। এর স্রোতে লক্ষ লক্ষ টন পাথর চলে আসে। মারি নদীতে ভ্রমণের মাধ্যমে পাথর সংগ্রহের দৃশ্য আপনাকে সত্যিই আনন্দ দিবে। জাফলং হচ্ছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য সমৃদ্ধ সম্পূর্ণ পাহাড়ী এলাকা যা সবুজ পাহাড়ের অরণ্যে ঘেরা। এখানে প্রচুর বন্য প্রাণীর বসবাস। বনের কাছাকাছি আসলে আপনাকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। আপনি জাফলং- এ আসলে খাসিয়া উপজাতিদের জীবন ও জীবিকা চোখে পড়বে। জাফলং- এ আসতে হলে সিলেট থেকে আপনাকে সকাল সকাল যাত্রা করতে হবে যাতে ভ্রমণ শেষে সন্ধ্যার আগে সিলেট ফিরতে পারেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876171 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876171 2008-11-30 10:22:49
চল এই শীতে সব সিলেট যাই - ২ শ্রী চৈতন্য দেবের মন্দির সিলেট শহর হতে ৪৫ কিলোমিটার উত্তর পূর্ব দিকে অবস্হিত। প্রায় ৫০০ বছরের পুরাতন এ শ্রী চৈতন্যের মন্দিরটি। প্রতি বছর বাংলা ফাল্গুন মাসে পূর্ণিমা রাতে এখানে একটি মেলার আয়োজন হয়ে থাকে যেখানে হাজার হাজার দেশী বিদেশী ভক্ত মেলাটি উপভোগ করেন।

শাহী ঈদগাঁহ
১৭ শতাব্দীতে মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব একটি পাহাড়ের উপরে সার্কিট হাউজের দক্ষিণ পূর্বে তিন কিলোমিটার দূরে শাহী ঈদগাঁহ নির্মাণ করেছিলেন। এটি দেখতে দূর্গের মত মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে মুসলিম সম্প্রদায়ের দুটি বড় ঈদের জামাত এখানে আয়োজন করা হয়ে থাকে।

গৌর গোবিন্দের দূর্গ
একটি সৌন্দর্যময় পাহাড়ের চূড়ায় মুরারিরচাঁদ সরকারী কলেজটি অবস্হিত যার দক্ষিণ পশ্চিম দিকে রাজা গৌর গোবিন্দ দূগর্টি রয়েছে। এটিও একটি দর্শণীয় স্হান।

জৈন্তাপুর রাজবাড়ি
জন্তাপুর সিলেট শহর হতে ৪৩ কিলোমিটার দূরে সিলেট শিলং রোডের পাশে অবস্হিত। প্রাচীন রাজার রাজধানী নামে খ্যাত এ জৈন্তাপুর। এখানে খাশিয়া ও জৈন্তা পাহাড় ও জৈন্তা ভূমি আছে। জৈন্তাপুরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এ রাজার রাজত্বের নিদর্শনগুলো । জৈন্তাপুর বন এবং জাফলং এলাকার আশেপাশে, শ্রীপুর এবং তামাবিল এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে প্রচুর লোকজন এখানে আসে ।

যদি আপনি জাফলং-এ ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন তাহলে জাফলং-এ সারাদিন বেড়িয়ে সন্ধ্যায় সিলেট শহরে ফিরে যেতে হবে। সাধারণত: শীতকালে জাফলং ভ্রমণের উপযুক্ত সময় তবে পাহাড়ী ঝর্ণা উপভোগ করতে চাঁদনী রাতে আসা উচিত। জৈন্তাপুর রাজবাড়ি জাফলং হতে ৫ কিলোমিটার দূরে, এখানে একটি সুন্দর চা বাগান আছে। সিলেট শহরের দক্ষিণ পশ্চিমে ৩৫ কিলোমিটার দূরে এটি অবস্হিত। শ্রীপুর ভ্রমণের পর জৈন্তাপুরের জৈন্তা রাজপ্রাসাদ পরিদর্শন করতে ভুলবেন না। ১৮ শতকে জৈন্তা রাজার রাজধানী ছিল এ জৈন্তাপুর। জৈন্তা রাজাবাড়ি হচ্ছে জৈন্তা রাজার রাজপ্রাসাদ। এটি জৈন্তাপুর বাজারের কাছে। এ রাজপ্রাসাদটি বর্তমানে ধ্বংসের পথে তবুও অনেক পর্যটক জৈন্তা রাজার অস্তিত্বতের নিদর্শন দেখতে আসে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876164 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876164 2008-11-30 10:09:04
চল এই শীতে সব সিলেট যাই - ১ হজরত শাহজালাল (রঃ) এর মাযার সিলেট শহরে খ্যাতনামা স্হান। আজ থেকে ৬০০ বছরের বেশি আগে তিনি মারা গিয়েছেন। তবুও মাযার জিয়ারত করার জন্য অনেক দূর থেকে অসংখ্য ভক্ত বিভিন্ন স্হান থেকে এখানে আসেন । ইতিহাসবিদগণের মতে তিনি ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে দিল্লী হতে এখানে এসেছিলেন ও হিন্দু রাজা গৌর গোবিন্দকে পরাজিত করে সিলেট-এ স্হায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।

মাধবকুন্ড জলপ্রপাত
মাধবকুন্ড দক্ষিণবাগ রেল ষ্টেশন হতে ৩ কিলোমিটার দুরে মাধবকুন্ড জলপ্রপাত যেখানে প্রতি বছর অনেক দর্শনার্থী আসেন। মাধবকুন্ডের ঝর্ণা হচ্ছে পর্যটকদের জন্য সিলেট বিভাগের মধ্যে একমাত্র আকর্ষণীয় স্হান। অসংখ্য পর্যটক ও বনভোজনকারীরা এখানকার সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে প্রতি দিন আসেন।

আসবেন যেভাবে:
বাস যোগে কুলাউড়া রেলষ্টেশন হতে মাধবকুন্ডে আসতে হলে ১ ঘন্টায় আসা যায়। ভ্রমণের সময় আশপাশে সবুজ চা বাগানের দৃশ্য চোখে পড়বে। পাহাড়ের ঝিকঝাক রোড আপনার ভ্রমণকে আরও আনন্দদায়ক করবে। মাধবকুন্ডে একটি বড় পাহাড়ী প্রাকৃতিক ঝর্ণা আছে। ২০০ ফুট হতে লক্ষ লক্ষ টন পানি নীচের দিকে পড়তে থাকে। পাথরের বড় বড় স্তুপ ও কালো পাথরগুলো মাধবকুন্ডকে সুন্দর আকৃতি দিয়েছে। এখানে পর্যটন মোটেলের সাথে থাকা ও খাওয়ার সুবিধা দেয়ার জন্য একটি রেস্টুরেন্ট আছে। রাতকাটানোর জন্য একটি জেলা বাংলোও আছে । জঙ্গলের মধ্যে অবস্হান আপনাকে অতিরিক্ত আনন্দ দিতে পারে। জেলা বাংলো বুকিং দেয়ার জন্য আপনাকে মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ অফিসে যোগযোগ করতে হবে।

শ্রীমঙ্গল
শ্রীমঙ্গল বাংলাদেশের "চা রাজধানী" নামে খ্যাত।

যা দেখবেন:
শ্রীমঙ্গলে বিশ্বের সর্ববৃহৎ চা বাগান আছে যা সবুজ কার্পেট নামে খ্যাত। এখানে চা গবেষণা কেন্দ্র ও একটি চা উৎপাদনের কারখানা আছে। প্রতি বছর বাংলাদেশের উৎপাদিত মানসম্মত চায়ের একটি বিরাট অংশ বিদেশে রপ্তানী হয়ে থাকে। শ্রীমঙ্গলে অধিকাংশ জায়গা জুড়েই চা বাগান চোখে পড়বে। যদি আপনি চা বাগানে থাকার ব্যবস্হা করতে পারেন তাহলে সে ভ্রমণটি আপনার স্মৃতিময় হয়ে থাকবে। শ্রীমঙ্গলের রেস্ট হাউজ অথবা অন্যান্য অনেক জায়গা আছে থাকার জন্য। তবে এখানে থাকার জন্য আগে থেকে বাগানের মালিক কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876146 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876146 2008-11-30 09:16:05
সম্রাটের মৃত্যু http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876144 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28876144 2008-11-30 08:42:33 ফেইস বুকে জাবি ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28875945 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28875945 2008-11-29 22:27:24 ‍েত‍েলর দাম কমল অতপর সরকার ভাড়া বাড়াল। ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28870687 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28870687 2008-11-18 15:06:56 ‘লিলিপুটরা বড় হবে’ ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28870682 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28870682 2008-11-18 14:54:41 মরনের পর ১০ মাস পৃ‍র্থিবীতে ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28870295 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28870295 2008-11-17 16:38:33 আর কত কাল ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28870290 http://www.somewhereinblog.net/blog/jitubdblog/28870290 2008-11-17 16:25:17