রোহান ভাই চাকুরীজীবি ভাবীও,উনি একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভারসিটির টিচার। রোহান ভাইয়ের ড্রাইভার বয়ষ্ক, ড্রাইভার ওনাকে নামিয়ে দিয়ে ভাবীকে নিয়ে যায়, আয়মান থাকে তার দাদা দাদীর কাছে।
প্রতিদিনের মত আজকেও ওনাকে পৌছে দিয়ে ভাবীকে নিয়ে যাচ্ছিল, হঠাৎ এক ট্রাক পিছনের চাকা উঠিয়ে দিল ওনার গাড়ির উপর, ভাবী ফোন দিল রোহান ভাইকে, ওনার প্রথম প্রশ্ন ছিল-"তুমি ড্রাইভার ঠিক আছতো?" রোহান ভাইয়ের এই কথাটায় আমি মুগ্ধ না হয়ে পারি না, গাড়ির কথা উনি একবারও বলেননি, ঘটনা স্থলে যেয়ে গাড়ির মালিককে ফোন দেন, ট্রাক মালিক জানান ২০-২৫টা ট্রাক আরও আরও কি সব আছে ওনার, তার নিজেস্ব একটা গেরেজও আছে।রোহান ভাই আরও জানতে পারেন তার ট্রাকগুলা প্রায় প্রতিদিনই এরকম দুই একটা ঘটনা ঘটায়, আর ট্রাক মালিকও ঠিক করে দেয়।
কিন্তু প্রশ্ন হলঃ এই সব আজেবাজে ড্রাইভারকে কেন গাড়ি চালাতে দেয়া হয়,কিভাবে তারা লাইসেন্স পায়,যদিও আমরা জানি,কিন্তু জেনে কি আর করতে পারি বলেন।আজকে আল্লাহ না করুক ক্ষতিটা যদি যারা গাড়িতে ছিল তাদের হত??তো।কে রিপেয়ার করে দিত। কেউ না।ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার আজীবন বয়ে বেড়াত সেই ক্ষত।
রোহান ভাইকে গাড়ি নিয়ে চিন্তিত দেখছি না, কারণ উনি জানেন অনেক বড় ক্ষতির হাত থেকে বেঁচে গেছে আয়মান।রোহান ভাইও। আমরা আশা করবো রোহান ভাইয়ের গাড়ি তাড়াতাড়ি ভাল হয়ে যাবে এবং তা আর এমন খারাপ পরিস্থিতিতে পরবে না। নিরাপদ সড়কের আশায় এবং বাংলাদেশ সড়ক ও পরিবহন সংস্থার সুমতি কামনায় দোয়া করি।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



