স্কন্ধ বিশিষ্ট বৃষ,বলদ,মুষিক ও বিধবাদিগের মনস্তত্ব।। উতসর্গ শ্রী ত্রিভুজ
২১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:০৭
শিশুদিগ যখন যাহা হাতের কাছে পায় তাহাই মুখের মধ্যে চালান করিয়া দেয়। ললিপপ থেকে শুরু করিয়া গু তক তাহারা যত্রতত্র একবার মুখে আরেকবার পাছার মধ্যে। আরবার শরীরের বিবিধ এলাকায় ঢলিয়া এক কান্ড করিয়া বসে। বাংলাদেশীরা যেহেতু অদ্যবদি শিশুজাতি তাই তাহাদের চরিত্রেও তাহা পরিলক্ষিত হইতেছে। ইহাই একমাত্র বাংলা বলগ। ইহাকে তাহারা একবার পাছার মধ্যে দিয়া দেখিতেছে। একবার মুখে পুরিয়া দেখিতেছে। কিছুদিন নীরবে পরিলক্ষন করিলেই ইহা পরিস্কার হইয়া যায়। তাহাদের ভিতর অসহনীয় পর্যায়ে আমাদিগকে নিয়া যাইতেছে কয়েকটি বৃষ বলদ ও বিধবা। কৌশিক নামদেয় বৃষটি বুঝা যায় কেচো জাতীয় প্রাণী। টাট্টিতেই ওহার বাস। হাগীতে যাইবারকালে এককান পোষ্ট। হাত ধুইবারকালে এককান পোষ্ট। কাপড় পরিয়া আরেককানি পোষ্ট। তাহার আচরণ মানসীক রোগীদিগের ন্যায়। এক্ষণে আবার তাহার কিছু চামচ ও সৃষ্ঠি হইয়াছে। তাহাদের কোনো লেখাপড়া নাই। কথা বলিতে পারেনা। লিখিতে জানেনা। শুধু তাহাদের উত্তরাধিকার সুত্রে পাওয়া গালাগালি করিয়া যাইতেছে হরদম।এই বৃষের একমাত্র চাওয়া হরদম যেন তাহার পোষ্টে লোকজন মন্তব্য করিতে থাকে। ধাড়ি ইন্দুর ছাড়া এরকম স্বপ্ন আর কে দেখিতে পারে। আর রহিয়াছে রাগ ইমন নামদেয় এক বিধবা। মনীষী রাজা রামমোহন রায় আর মহাত্বা বিদ্যাসাগর মহাশয়েরা বিধবাদিগের সব সমস্যার দিকে নজর দিতে পারেন নাই। এই বিধবা একটা মানসীক রোগী। হঠাত করিয়া লম্প দিয়া উঠিয়া একবার নিজেকে ইশ্বর বলিয়া ঘোষনা করিতেছে। আরেকবার বাতসায়নের কাছে কামকলা শিখিতে চাহিতেছে। আরেকবার কহিতেছে মরিয়া যাইতেছে।ক্ষণে ক্ষণে আজে বাজে লেখা দিয়া একধরনের যৌন সুখ খুজিতেছে। বলদের দল উহার বলগে হামলে পড়িতেছে। বিধবা বুঝি এক্ষণে সকল বস্ত্র খুলীয়া দিয়াছে। আহা যৌন উপোসী মুষিকদিগ। এই বিধবাও শত শত মুষিকদিগের চুলকানিতে যৌন আনন্দ অনুভব করিতে করিতে নাচিয়া বেড়াইতেছে। ইহা দেখিয়া আর কতকগুলো বালপাকনা বুড়া বলদ হাততালি দিয়া যাইতেছে। ইহাই এই বলগের চরিত্র। সব যৌনরোগীতে ভরা। ইহাই আমার শেষ লেখা। এই বলগের আবহাওয়া দুষিত বঙ্গদেশের মতই। বিদায় বন্ধুদিগ।
জলদাস পাঠক বলেছেন:
উহারা যাহা লেখিতেছে তাহা অশ্লীল। জীবনে দুইটা ভাল লেকা পড়িয়াছে কিনা সন্দেহ। ইহাদের অভ্যাশ মনুষ্যদিগের মধ্যে নাই ইহা আমি বলিতেছি না। কিন্তু তাহা ব্যক্তিগত বিষয়। সেই নিতান্ত বিষয়সমুহকে উহার এই জনগণবলগে প্রকাশ করিয়া অশ্লিল করিয়া ফেলিতেছে।
কৌশিক বলেছেন:
চুদির ভাই তুমি ভাল আছো! সোগা কি এখনও ভার্জিন?
জলদাস পাঠক বলেছেন:
এই যে উহার চুদি আর সোগা ছাড়া আর কিছু কহিতে শিখেনাই। আহা জ্বিন বড় খারাপ জিনিস।
জলদাস পাঠক বলেছেন:
শ্রী অমনিবাস কি কহিতেছেন?
জলদাস পাঠক বলেছেন:
শ্রী কৌশিকনিজেরটা কি ইতমধ্যে ভাড়া হইয়া গিয়াছে। এখন কি ভাড়াটের কম্ম চলিতেছে। নাকি নিজে নিজেই চলাচল করিতেছেন।
অমনিবাস বলেছেন:
আমি হাসিতেছি। আমার বিধবাপ্রীতি প্রবল
জলদাস পাঠক বলেছেন:
অদ্যকার বিধবাদিগ বড় অসহ্য প্রভূ। শুধো খাই খাই
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
এই না হইলে বলগ! কৌশিকদা এইটারে স্পোর্টলী নেন! মজা লাগতাছে!!
কৌশিক বলেছেন:
জলদাস পাঠক, তোমার, থুরি, আপনার পোস্টখানা না পড়িয়া মন্তব্য করার জন্য দুঃখিত। প্রচলিত ভাষার থেকে নতুন ব্যঞ্জনা দেখে পুনরায় পড়লাম। এখন ক্রমশ অপ্রচলিত হয়ে গেলেও আপনার এরূপ লেখা আমাকে আকর্ষন করেছে। এবং অবাক হয়ে দেখলাম, আপনার লেখা আমি পছন্দ করে ফেলেছি। আপনার আগের লেখা এবং এ লেখায় যদিও আমার চরিত্র নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ বর্ণিত হয়েছে যাহা আমার জন্য আপাতদৃষ্টিতে অন্যদের কাছে তীর্যক মনে হলেও আমার কাছে তদ্রুপ মনে হলো না। আমি আপনার লেখায় আমার সমালোচনাকে সঠিক মনে করিতেছি।
বস্তুত: আমার চরিত্র এমনই। এবং আপনি সঠিকভাবে তাহা উপলব্ধি করতে পেরেছেন। সেজন্য ধন্যবাদ।
তবে শেষবাক্যে আপনি প্রস্থানের কথা বলায় এখন নিজেকে ধিক্কার দিতে ইচ্ছে হচ্ছে। মনে হচ্ছে আপনি বোধহয় আমার জন্যই ব্লগ ছাড়ছেন।
আমি কি আপনাকে ব্লগ মেইনটেইন করার জন্য অনুরোধ করতে পারি?
কৌশিক বলেছেন:
১৮০ ডিগ্রি বস!
নজমুল আলবাব বলেছেন:
হু
শমশেরআলম বলেছেন:
এইটা আসলে ক্যঠা? রাইসু না সাইমুম?
কৌশিক বলেছেন:
রাইসু এমন হতেই পারে না !
শমশেরআলম বলেছেন:
তাইলে মাহবুব মোর্শেদ নাইলে আপনেগো আজিজের কেউ। পাঠায় খালি আপনেগো চ্যাতায়
ইস্ ছাত্রী সংস্থা বলেছেন:
শ্রীমান জলদাস মহাশয়,আপনি কবে বায়াত নিয়া মুসলিম হবেন মহোদয়?আসুন এক ষাতে ইসলামের কর্মে নিয়োজিত হই জনাব।
জলদাস পাঠক বলেছেন:
ছাত্রীদিগ এইখানে কি করিতেছে। তাহাদের বলদ বৃষ ও মুষিক প্রয়োজন দেখা দিলে শ্রীমান কৌশিকের সহিত মোলাকাত করাইবেন।
জলদাস পাঠক বলেছেন:
শ্রী কৌশিক তাহা হইলে উহারা কি আপনার ভাড়াটিয়া?
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন:
হুদাই
ইস্ ছাত্রী সংস্থা বলেছেন:
তাহারা বিধবাদের পক্ষে উকালতি করিতেচে জনাব।
জলদাস পাঠক বলেছেন:
শ্রীমান এস এম প্রভু কি কহিতেচেন?
জলদাস পাঠক বলেছেন:
শ্রীমান কৌশিক আপনি নিজের লোভলালসা বুঝিতে পারিয়াছেন। কিন্তক ছদ্মনামে ইহা সব কি করিতেছেন।
কৌশিক বলেছেন:
আমার কোন ছদ্ম নাম নেই জলদাস।
ইস্ ছাত্রী সংস্থা বলেছেন:
তাহারা বিধবাদের পক্ষে উকালতি করিতেচে জনাব।
জলদাস পাঠক বলেছেন:
ছাত্রীদিগ কি অবিবাহ অবস্থায় রহিয়াছেন।
কাঠুরিয়া. বলেছেন:
জরদাষ বাবুতোমাকে মেছভুতে ধরিয়াছে বলিয়া আমার বোধ হইতেছে। গত কল্য কোন জলাশয়ে রাত্রিযাপন করিয়াছো? তোমার কি উপদেশবানী স্মরণে নাই.. যত্রতত্র জলাশয়ে রাত্রি যাপন করিতে নাই। যদি নিতান্তই করিতে হয় . . . যথাযত প্রতিরােধ ব্যাবস্থা লইয়া যাইবা।
এখন আর কান্না করিয় লাভ কি?
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন:
কইলাম খালি বিভিন্ন দল-উপদল দেখি। তো এইটা হইল এক উপদলের পক্ষ থেকে খামাখাই জল ঘোলা করা আরকি। যাউগ্যা, হাত খুইল্যা চালায় যান।
অমনিবাস বলেছেন:
৫

















