আবার একদিন দেখা হবে ! সেদিন আর কোথাও বৃষ্টি নাববে না; কেবল কোনো চালাক-শহরে অসহায় এক বোকা-ছেলের চোখের পাতায় একটুখানি বেবুঝ শ্রাবন! আবার একদিন দেখা হবে ! যেদিন এই যান্ত্রিক সভ্যতাকে অস্বীকার মতো কেউ আর থাকবে না কোথাও! কেউ অতি সাধারন বৃষ্টিতে কারো জন্য দাড়িয়ে থেকে থেকে ক্লান্ত হয়ে ফিরবে না ঘর! তবুও দেখা হয়ে যাবে! অপ্রস্তুত কোন শহুরে রাস্তায়;আনমনে । অনেক যতনে যা কিছু অভিমান পুষে রেখেছিলাম বুকের বারান্দায়; হুটহাট করে তা জ্বলে উঠবে চোখের তারায়! তোমাকে বুকে জড়িয়ে এক এক করে বলে যাব না-বলা সব কথা;খুলে দেখাবো বুকের গহিনে লুকানো সব ক্ষত; চোখের কোনে জমানো নোনতা শিশির;হৃদয়ের যতসব শব্দহীন তুষারপাত।
জানো-রাতগুলো এখন আর আঁধার কিছু বলে মনে হয় না। তুমি যে সেই কবে একবার ছুয়ে দিয়েছিলে রাতগুলো আমার; সেই থেকে রাত মানে জোতির্ময় কিছু, যেন মাধবীর বনে জ্বলে থাকা একরত্তি আলো! যে হাতে ছুয়েছিলে এলাচুল; তারা এখন বৃষ্টিভেজা শিউলি। পা টিপে টিপে ভেজা উঠোন জুড়ে তোমার হেঁটে যাওয়া সেইসব ক্ষনগুলো এখন একঝাক কবুতর হয়ে ঘুরে বেড়ায় আমার বারান্দায়।
ইস্, কতদিন পড়ে দেখা তোমার সাথে। ভেবেছিলাম চোখ ফিরিয়ে নেব। বলবো না কথা একটাও। চলে যাব তোমার সামনে দিয়ে; যেমনি করে বিকেলের মেঘ হারিয়ে যায় রাতের গভিরতর আধাঁরে। না ,বলবো না কথা একটিও! কেন তুমি এমন করলে? সেদিন পারতে তো বলতে একটি কথা-তোমাকে চাই! কবিতা যেমন করে বুকে পুষে রাখে অজস্র কান্না; তেমনি তুমিও বললে না একটি কথা ,ছুতে দিলে না তোমার কবিতাগুলোকে। কবিতার ভেতরে পুষে রাখা কান্নাগুলোকে ।
তোমার চোখদুটো যে একদম আগের মতই আছে।এখনও বুঝি সবুজ ভালোবাসো ? সবুজ তো ছিলো প্রিয় রং তোমার। আমি ভেবেছিলাম একটা সবুজ আকাশ গড়ে দেবো তোমায়। হ্যা,একটা আকাশ গড়েছি আমি। অনেক সবুজ আর অনেক আলোর মিশেলে গড়া সে আকাশের সবটা জুড়ে তোমার না-থাকা। অথচ তোমার না-থাকাটাই আমার জীবনের একমাত্র থাকা।একমাত্র আলো। ভেজা চুলে দাড়ানো সেই আলোকিত তুমি এখনও নীল জোছনায় বসে বুকের বারান্দায় বেহালা বাজাও। যখন মনটা খুব খারাপ থাকে, কিছু নীল-কান্না নিয়ে এসে দাড়াই ভেজা চুলের তোমার কাছে। (অসমাপ্ত)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


