প্রিয় সুন্দর-বিদ্রোহী আমার;
তোমাকে লিখবো বলে কলম ধরেছি কতদিন;
হয়নি লেখা কিছু!
তোমাকে স্বপ্নে দেখবো বলে কতোদিন বুকপকেটে জোনাকিপোকা জ্বেলে বসে ছিলাম অপেক্ষায়! "ফলের গন্ধে ঘুম আসে না " দু' হাতে জড়িয়ে
ঘুমিয়ে থেকেছি কতো অলস দুপুর!
তোমার থমকে থাকা কিছু ছবি কেবল দেখেছি আমি বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায়!সে ছবি আমাকে সুখি করতে পারে নি একটুও!
তুমি তো জন্মেছিলো রাড়িখালে:সবুজের ভিড়ে! কতোদিন আমার ইচ্ছা হয়েছে একটু রাড়িখাল যাই!যাওয়া হয়নি কখেনো!
আমি জানি-রাড়িখাল আমাকে কিছু কান্না ছাড়া আর কিছুই দিতে পারবে না!
জানো;আমার আর এই দেশটা ভালো লাগে না! তুমি যতটুকো দেখেছো;তার চেয়েও বেশি ময়লা হয়ে গেছে তোমার প্রিয় বাংলাদেশ!তোমার রাড়িখাল!
যে দেশটা তেমাকে জায়গা দিতে পারেনি; সে দেশটার মুখে তাকাতে বড় ঘেন্না লাগে আমার!
যে দেশের রাজনীতিক-আইনজীবি-রাষ্ট্রপ্রধানেরা তোমাকে হত্যার বিচার করতে পারে নি;তাদের মুখে মুতি আমি!
আমি ছোট মানুষ;বলো এ ছাড়া আর কিইবা করতে পারি আমি;আমার মতো যারা !
তুমি বুঝি বড্ডো সুখে আছো এখন!
ঘাসফুলদের সাথে;প্রজাপতিদের সাথে এখন বুঝি অনেক আড্ডা হয় তোমার! বাঙালি মুসলমানদের মুখ দেখার চেয়ে প্রজাপতির মুখ দেখা ঢেড় সুন্দর; সে আমিও জানি!
তোমাকে ভালোবাসি!
এই একমাত্র যোগ্যতা আমার!
তাই এই চিঠি লেখার সাহস করছি আমি!
তুমি আমার এই নোংড়া ময়লা জঘন্য বাংলাদেশকে ক্ষমা কোরো না!
তোমাকে হত্যার জন্য আমি এই বাংলাদেশের মৃত্যুদন্ড দাবি করছি !বাংলাদেশের প্রতিটি নপুংসক রাজনীতিক-আমলা-আইনজীবির পদত্যাগ কামনা করছি!
এই সমাজের ;
রাষ্ট্রযন্ত্রের আর
ধর্মগ্রন্থের
ভন্ড ধার্মিকদের গলায় ফাসির রশি দেখতে পাই আমি!
আমি জানি তুমি ভালো আছো!
তোমাকে ভালো থাকার জন্য বেহেশত-এর দরকার হবে না জানি!
তোমার সুস্থ থাকার জন্য কোনো সৃষ্টিকর্তার দরকার হবে না জানি!
তুমি ভালো আছো!তুমি ভালো থেকো!
আমার ছোট্ট তুলতুলে হৃদয়ের ভেতর ভালো থেকো তুমি!
রাড়িখালের দইকুলি পাখিদের অন্তরে ভালো থেকো তুমি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

