সব কিছু চুরি হয়ে যায়; সব স্বপ্ন; বিশ্বাস...

সঙ্গম ও গর্ভধারন সম্পর্কিত কয়েকটি প্রস্তাবনা

২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:০৭

শেয়ারঃ
0 4 0

এক.

যারা সঙ্গম করেন ,দয়া করে আজ থেকে তারা আর সঙ্গম করবেন না। কেননা আপনার সঙ্গমে জম্ম হতে পারে কোন বিপ্লবীর। যে অস্বীকার করতে চাইবে আপনাদের স্বৈরশাসককে;স্বৈরশাসকের মুখোশি মানবতা, মৌলিক অধিকারের গালগপ্পোকে।যে ছুড়ে ফেলে দিতে পারে আপনাদের নপুংশক ধর্মের মিথ্যা বাকোয়াজিকে।যে বঙ্গভবনের সামনে উলঙ্গ হয়ে প্রকাশ করবে তার তার বস্ত্রহীনতার লজ্জা।যাকে জনগনের শাসন,বাক-স্বাধীনতা,ধর্ম নিরপেক্ষতা জাতীয় রসগোল্লা মার্কা বুলিকে বিশ্বাস করানোর তাগাদায় প্রচারযন্ত্র,পাঠ্যপুস্তক,সংবিধান জুড়ে মূল্যবান কলমের মূল্যহীন বিষ্ঠা ছড়াবে রাষ্ট্রীয় অধিপতিরা। খুচিয়ে খুচিয়ে রক্তাত্ত করবে বিপ্লবীর মুক্তিকামী মস্তিষ্ককে। হিজড়া রাষ্ট্র শিশু-বিপ্লবীর ভয়ে ক্যান্টনমেন্ট থেকে লেলিয়ে দেবে বুট-রাইফেল-সানগ্লাসময় প্রজাতন্ত্রের রক্ষাকর্তাদের(!)।শহর-গ্রাম-মাছবাজার-গণিকালয়-শহীদ মিনার-সংসদ ভবন-বিশ্ববিদ্যালয়-গণ শৌচাগার-তরকারীর হাট জুড়ে জাড়ি করবে ওয়ান-ফোরটি-ফোর।

দুই.
যে মা আজ চুড়ান্ত পোয়াতি; সে হয়তো একটু পরেই প্রসব করবে ফুটফুটে শিশু। প্রিয় মা; তোমার পা-এ পড়ি। তোমার সন্তান জন্ম নিয়ে চোখ ফোটার আগেই ওকে কিছু একটা খাইয়ে মেরে ফেলো! আর যদি তা না পারো তাহলে তোমাকে দেখতে হবে প্রবল শীতে কাপড়ের অভাবে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসা খোকামনির করুন চাহনি ! অথচ তুমি তার গায়ে তুলে দিতে পারবে না এক টুকরো গরম কাপড়। চিকিৎসার অভাবে তোমার নবজাতকের শ্বাসরোধ হয়ে আসবে; আর তখন তোমার রাষ্ট্র আর তার খাদেমসকল মিলে শিশু স্বাস্থ্য, চিকিৎসাসেবা,মানবাধিকার জাতীয় প্রলাপের ছেবড়ি তুলবেন লাল-কালো হরফের নামী-দামী সংবাদপত্রে;টেলিভিশনের রঙিন পর্দায়। গনতন্ত্রের যাদুকরী সংগা-না-বোঝা তোমার অবুঝ শিশুটির দেহ ব্যাথায় কুঁকড়ে যাবে। তুমি কিছুতেই সইতে পারবে না সে সব যন্ত্রনা অথচ কিছুই করার নেই তোমার। প্রিয় মা; এসবের চেয়ে এই ভালো,মেরে ফেলো শিশুটিকে! কিছু কিছু মরে যাওয়া বেঁচে থাকার চেয়েও বেশি স্বস্তিদায়ক। মা পারবে না এতটুকু হিংস্র হতে?যে মা পেটে চার...পাঁচ...ছ্রয়... মাস বয়সি ভ্র“ন-শিশু নিয়ে যাচ্ছেন হাট-বাজারে;ভাঙছেন ইট;কাজ করছেন কোন গার্মেন্টেসে-তার কাছে একটা অনুরোধ। আজ রাতে আপনার ভালোবাসার মানুষটি সারা দিনের ব্যাস্ততা সেরে যখন বাসায় ফিরবে; ওকে আপনার পেটে জোড়ছে একটা লাথি মারতে বলবেন। যেন আপনার উরূসন্ধি চুইয়ে পড়ে ভবিষ্যতের ‘মানুষ’ ভ্র“ন-শিশুটি। তাহলে ওকে আর সইতে হবে না বেচেঁ থাকার বিড়ম্বনা। সইতে হবে না বস্ত্রহীনতার লজ্জা। সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হবে না শিক্ষাহীন অনালোকিত জীবনের জোয়াল। তাকে দেখতে হবে না স্বৈরশাসকের কুৎসিত-ভয়াল মূর্তি। তার বুকের উপর বুট আর রাইফেল বসিয়ে কেউ আরোহন করতে পারবে না গন -স্বৈরতান্ত্রিক পাওয়ার হাউসে;লুই আই কানের লাল দালানে।

তিন.

খুব সম্ভবত সামরিক বাহিনীর কিছু সংখ্যক সদস্য ছাড়া বাংলাদেশের আর কোন নাগরিক স্বপ্নেও ভাবেননি তাদের জীবনে নেমে আসবে কারফিউর খড়গ। কোন সন্তান তার গুরুতর অসুস্থ মাকে নিয়ে যেতে পারবে না হাসপাতালে। ছোট শিশু কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে যেতে পারবে না ইশ্কুলে। গ্রামের সহজ-সরল বাবার স্বপ্নের দায়ভার মাথায় নিয়ে যে তরুন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে ;সে করতে পারবে না তার ক্লাস। যারা দিনএনে দিন খায়,তাদের খাবারের সময় এখন তিনবেলা থেকে এক বেলা করে নিয়েছে। কারো কারো ঘরে তোউনুন ই জ্বলে না! এক বে লা না খেতে পেয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে কত শিশুর মুখ। অথচ আমাদের জেনারেলদেও ঘরে অগাধ খাদ্য। তাদের ফ্যাশনাবল কন্যারা জলপাই রঙা গাড়ি করে ছুটছে ফ্যাশন হাউসে। তাদের অতিশিক্ষিত সন্তানেরা হেঁটে বেড়াচ্ছেন বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের বারান্দা। এক ফকরুদ্দিন;এক মইনের নিরাপত্তার জন্য কত শত নিরাপত্তা কর্মী। অথচ তুলতুলে মেঘের মতো অবুঝ কিশোরীরা হচ্ছে ধর্ষিত। ”আমরা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলাম?” আমরা কি চেয়েছিলাম স্বাধীনতা অর্জনের মাত্র ৩৭ বছরের মধ্যেই আমাদের রাষ্ট্রটির ঘিলুর পচন ঘটবে; আর প্রধান হয়ে উঠবে তার হাত-পা; চুল-বাল। মানুষের যখন মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটেতখন তার হাত-পা-মুখ যেমন তার নিজের জন্য তেমনি আর পাঁচ জনের জন্য হয়ে ওঠে ক্ষতিকর। বিকৃত মস্তিষ্কের এই রাষ্ট্রে তার লোভী রাষ্ট্রযন্ত্র কেবল সুবিধা আদায় আর সুযোগ বুঝে ক্ষমতারোহন ছাড়া কিছুই বোঝে না। রাষ্ট্রকে নোংড়া নর্দমায় ফেলে তাকে গণধর্ষণ করতে এতটুকু বাঁধে না জলপাই রঙা মানুষগুলোর।এমনি করে আর কতদিন? আমাদের বুকের ক্ষোভ-ঘৃনা একদিন একসাথে জ্বলে উঠবে। আর সেদিন বুকউঁচিয়ে বলবো- উই ফাক্ জেনারেল...উই ফাক্ জেনারেল...উই ফাক্...! সামান্য সাহস আর কিছু স্বপ্নকে সম্বল করে যখন আমরা দাড়াবো সামনে,পালানো ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না জলপাই রঙা জেনারেলদের।

 

সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

৩. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:১৩
প্রচেত্য বলেছেন: সম্প্রসারণশীল লেখা
৪. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:২০
কৌশিক বলেছেন: কোন কথা নাই, সোজা ফেভারিটে।
৬. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৩০
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: আমি চাই নি এ দেশ!


আপনার কথাতেই জবাব দিলাম
৮. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:২৭
নীল জোনাকি বলেছেন:
সাবর জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা....
অনেক অনেক অনেক ভালোবাসা!!!
৯. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৪
রাতমজুর বলেছেন:
জোনাক-দাদা, খুব ব্যাস্ত, তাই মেইল করা হয় নাই। ভালো থাকবেন।
১০. ২৬ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৮
মুকুট বলেছেন: ভালো লিখেছেন, হাটুঁর বুদ্ধির লোকজন এখন ছড়ি ঘুরাচ্ছে!
আমরা কখনই এমন বাংলাদেশ চাই নি ধন্যবাদ বাস্তবতা তুলে ধরার জন্য!
১১. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫১
কাকতারু্য়া বলেছেন: আপনাকে শ্রদ্ধা করতে শুরু করলাম। আগুন লিখসেন।

আর একটা কথা। বাড়ির পাহারাদার কুকুর যদি বাড়ির মালিক হয়, তাহলে বাড়ির কি অবস্থা হয়, তা আমার দেশের দিকে তাকালেই বোঝা যায়।
১২. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:৩০
অিনেকত বলেছেন: এ দেশ কি আমার ? ভাবতেই ক্রোধে জ্বলে ওঠে শরীর, যে বুটের নীচে মোচরায় স্বদেশ
১৩. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:৫৭
নীল জোনাকি বলেছেন:

কাকতাড়ুয়া;
আপনাকেও শ্রদ্ধা করতে শুরু করলাম।

এত সুন্দর ভাবনা ভাবার জন্য!
১৪. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:৫৯
নীল জোনাকি বলেছেন:
অনিকেত;

এ দেশ আমাদের নয়!

এ দেশ টাকশালের গার্ডের !
এ দেশ সানগ্লাসের;বুটের ।

এ দেশ শুয়োরের বচ্চাদের!
১৬. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:২১
মুহিব বলেছেন: কি বলব। অসাধারন। এত সহজভাবে যে যন্ত্রনার কথা বলা যায় জানতাম না। এই লেখা পড়ে আমার নিজের লেখাকে গোবর মনে হয়।
১৮. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:২৯
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য ।

প্রোফাইল পিকটা চেন্জ করা যায় না?
১৯. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:৩০
নীল জোনাকি বলেছেন:

রন্টি দা;
এমন কথা কেন বলছো???

ছবিটা কি খুব অসুন্দর!???


আচ্ছা;
তোমার কথাই থাকলো !!!
২০. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:৩৩
নাসিমূল আহসান বলেছেন:

মুহিব ভাই;

আমি ধন্যবাদ দিতে পছন্দ করি না !
এতো সুন্দর আন্তরিক কমেন্ট দেবার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা !
২২. ০৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:০২
রাফা বলেছেন: এক কথায় অসাধারণ।জলপাই রঙা জেনারেলদের উত্তরশুরীদের কথা থাকলে পূর্ণতা পেত।ধন্যবাদ।
২৩. ০৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৯:০৩
পথিক মানিক বলেছেন: চমৎকার আপনার উপস্হাপনা।
ভালো লাগা রেখে গেলাম।
২৫. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৪৫
রিফাত হোসেন বলেছেন: লেখা ফাটাফাটি, তবে দেশের সার্ব ভৌমের প্রতিক নিয়ে এভাবে কথা বলা ঠিক না ।

রাজনৈতিক অঙ্গনে আর্মির আগমন গ্রহন স্বাপেক্ষ নয় এটা সবাই মানে ।
নীল জোনাকি সাহেব আপনার কি জলপাই এর উপর কোন কারণে অসুন্তষ্ট ?হেহে হেহেহে জলপাইকে থাকতে দেন জলপাই এর উপর ।

এর থেকে ভাল আপনি রাজার নীতি নামক রাজনীতির উপর অসন্তুষ্ট হন ! কারণ রাজনীতির কারণে একটি দেশ সরকার পরিচালনায় আসে আর তারাই জলপাইদের বেতর সুবিধা নিয়ন্ত্রণ করে । বুঝেছেন? নাকি এখনও অবুঝ !!! হেহেহেহ

ফখরুদ্দিন তো খুব কমই খরচ করে ! পৃথিবীর অন্যান্য দেশে তো প্রধানমন্ত্রী বা তার সমমানের লোকদের পিছনে অনেক খরচ করে ।
সুতরাং কিছুই না ।


নীল জোনাকি সাহেব এই বাংলাদেশের মত ধনী দেশে কি নাই `?
!!!!

(অশুদ্ধ ভাষায়) এখন তো কথা কইলেই মাথা গরম হইয়া যাইব ।

এত বড় একটা সমুদ্র পড়ে আছে । তাতে আছে অজানা কত শক্তির সম্পদ । যা চাইলেই আমরা পেতে পারি অনেক কিছু যদি আমরা নিজেদের প্রযুক্তি কাজে লাগাতে পারি, অন্যান্য ধনী দেশদের মত উদ্ভাবন করতে পারি । কিন্তু আমরা পারি না !

গ্যাস আছে ,, উত্তোলন করতে পারি না !!!!

কয়লা আছে, তাও ডাকা লাগে চীনকে !!!

তেল আছে, পরীক্ষাও করতে পারি না !!!

জমি আছে, কাজে লাগাতে পারি না ।

পর্যটন শিল্প কাজে লাগাতে পারি না ।

দেশের নগরী কে গুছাতে পারি না, পরিষ্কার রাখতে পারি না ।

মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না ।

সবাই টাকা ব্যাংকে লেনদেন করতে পারি না ।

আন্তর্জতাকি অংগনে ঠিকমত খেলতেও পারি না ।

জন্ম নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না "" !!!

সরকারকে আমরা সবাই ট্যাক্স দিতে পারি না ।

সার্বজনীন চিকিতসার ব্যবস্থা করতে পারি না ।

নতুন নতুন প্রযুক্তিগত শিল্প করখানা স্থাপন করতে পারিনা, দেশী কারিগরী দ্বারা ।


পারি টা কি আমরা?,
সৌদিতে শ্রম সরবরাহ করতে ???

আমরা চাইলেই দেশেই শ্রমবাজার সৃষ্টি করতে পারি এতে দেশের মুদ্রার মান কিছুটা হলেও বাড়বে ।

চাইলেই তো আমরা পারি , তাই নয় কি !
এখানেএসে আমাদের জলপাইরা লাত্থি ও মারে না কামড়ায়ও না !


কেন সমাজ তন্ত্রে কি সমস্যা আছে ??? এর তো গোড়া ভাল কিন্তু গাছ খারাপ আর এক নায়ক তন্ত্রে গোড়াই খারাপ ।
গণতন্ত্রে আগা গোড়া দুইটাই খারাপ ।

এরশাদকে যেভাবে নামিয়েছ আসুন আমরা এভাবেই খালেদা হাসিনাকে নামাই । দেশকে সমাজ তন্ত্রে নেই । কিন্তু একে সুন্দর ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে । না হলে আগা নষ্ট হয়ে যাবে ।


আসুন আমরা একটা সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করি কিংবা সুষ্ঠ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করি, আর আমরা তাতে শতকরা ২০ ভাগ কর দেই আমাদের আয় এবং ক্রয়কৃত দ্রব্য থেকে তাহলেই একদিন ধীরে ধীরে দারিদ্র বিমোচন হবে, সবাই তখন বস্ত্র অন্ন, বাসস্থান, চিকিতসা পাবে । সবাই যেন কাজ করি, ছোট কাজ কিংবা পার্ট টাইম হলেও কাজ করি, আসুন ।্বেকার কেউ না থাকি । আমাদের নিজস্ব উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগাই, বিদেশী সাহায্য কমিয়ে নিয়ে আসি, স্বাবলম্বী হই ।

আমরা যদি সত থাকি আর তা করি, আল্লাহর কসম দেশ দরিদ্র থাকবে না !
আমাদের আল্লাহরদান প্রাকৃতিকসম্পদ ঠিকমতব্যবহার করতে পারলেই হল । তাহলে জাপান অস্ট্রিয়ার মত দেশকেও আমরা ছাড়িয়ে চলে যাব ।








িিিুুুুু
২৭. ১০ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:২০
কলমবাঁশ বলেছেন: ভাল লাগার সাথে সাথে লজ্জাও লেগেছে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৫৭২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
একটি ধর্ষিত দেশে বসবাস আমার! এখানে প্রতিদিন আমাকে দেখতে হয় ধর্ষনের হাজার উপাখ্যান! আমি চাইনা এ দেশ!আমার পূর্বপুরুষ; যে একাত্তরে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই