somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... নীল জোনাকির মন ভালো নাই!
নীল জোনাকির মন ভালো নাই!
আজ সারাদিন নীল জোনাকির মন ভালো নাই! আজ ভোর হয়নি। প্রজাপতি ওড়েনি। আজ একটাও কবিতা লেখেনি কেউ।

আজ জোনাকির সবচেয়ে প্রিয় মানুষটার মৃত্যুবার্ষিকী ।
আজ হুমান(হুমায়ুন আজাদ) এর চলে যাবার দিন।

আজ সারাদিন নীল জোনাকির মন ভালো নাই!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28830011 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28830011 2008-08-12 10:15:49
বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে একজন... খুব বৃষ্টি হচ্ছে বাইরে। ইচ্ছে করছে
নেমে যাই বৃষ্টিতে । ভেজাই শরীর।
ইচ্ছে করছে হয়ে যাই দোয়েল পাখি ।
আমের ডালে বসে একটানা শুনি বৃষ্টির গান।

ধানক্ষেতে যে সবুজ হাসছে
ইচ্ছে করছে ওর পাশে গিয়ে গিয়ে বসি কিছুক্ষন !
গায়ে মেখে নেই সবুজের মায়া।
ইচ্ছে করছে প্রানখুলে গান ধরি
আলপথে হাঁটি; হেঁটে যাই অনেক দুর...
যেখানে সবুজের শেষ; যেখানে আরও সবুজ!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28821794 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28821794 2008-07-19 09:33:53
সুন্দর ভেজে বৃষ্টিতে...
কদম গাছগুলায় চাঁদ নেমেছে। বৃষ্টিতে কাঁপছে চাদেঁর শরীর। সবুজের সব সুন্দর মাখামাখি করে চড়ুইগুলান হাঁটছে বারান্দায়। এই বর্ষায়; এই সবুজ সবুজ ভেজা ভেজা সুন্দরের ভেতর হেটে যাচ্ছে চাদঁ। চাঁদের গোড়ালি জুড়ে আরও হাজার চাঁদ।
ভেজা চুল ;ভেজা স্তনে ; ভেজা কাঁধে হেটে যায় চাদঁ...
বৃষ্টি পড়ে...পড়ে...পড়ে...
হেটে যায় চাদঁ !হেটে যায় চাদঁ !হেটে যায় চাদঁ !হেটে যায় চাদঁ !



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28809361 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28809361 2008-06-14 10:29:22
আর কি বলার থাকতে পারে???????????
আমি দেখতে চাই না এই পৃথিবী!!!!

আমার
উত্তর
পুরুষের
জন্য
আমি
রেখে
যেতে
চাই
না
এই
শকুন
পৃথিবী!

আমি সব শিশুর মুখে হাসি দেখতে চাই!
হাসি!
নির্মল হাসি!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28799287 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28799287 2008-05-18 10:16:42
আমরা বেঁচে থাকা চাই না; চাই নির্বাচন
আমারা এখন আর খাদ্য চাই না
খাদ্য চাই না
খাদ্য চাই না
আমরা নির্বাচন চাই । নির্বাচন।

৪ কোটি মানুষ না খেয়ে মারা যাক।
তাতে কিছু যায় আসে না আমার কিংবা আপনার।
কেননা; আমরা কেউ খাদ্য চাই না।
আমারা চাই নির্বাচন। নির্বাচন।

মহাকাব্যিক মিথে দেশকে মা বানিয়েছি আমরা।
আর আপনি তো জানেন-বাঙালি মায়েদের জীবন মানেই তো
ধারাবাহিক ধর্ষনের ঘৃন্য শিল্পকলা। নির্যাতনের ময়লা গল্প।
আমাদের দেশকে বলাৎকার করে যাক বিদেশিরা।
আমরা সম্মান চাই না।
সম্মান চাই না
সম্মান চাই না
আমরা চাই নির্বাচন।
আপনাদের বিদেশি প্রভু আর আপনারা সবাই মিলে
বলাৎকার করেন বাংলাদেশকে।
আমাদের তাতে কিছু যায় আসে না।
কেননা; আমরা কেউ সম্মান চাই না।
সম্মান চাই না
সম্মান চাই না
আমার চাই নির্বাচন । নির্বাচন।

রিকসাচালক মরে যাক।
আমরা রিকসাচালকের বেঁচে থাকা চাই না।
আমার চাই নির্বাচন।

কৃষক মরে যাক।
কৃষকের জীবন গুরুত্বপূর্ন কিছু নয়।
আমার চাই নির্বাচন।

ইশ্কুল ভুলে আমাদের শিশুরা আপানাদের ফেলে দেয়া ময়লা কুড়াক
আমরা শিশুদের সুন্দর পৃথিবীতে বিশ্বাস করি না।
আমার চাই নির্বাচন।






























]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28792020 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28792020 2008-04-28 09:32:32
ফেরারী কবির খোঁজে-আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ সহসা বৃষ্টি পড়ে
এখানে ফসল্ ফলে
শিশুরা ক্ষুধায় মরে ।

এখানে অনেক নদী
মেঘেরা রঙিন শাড়ি
এখানে ফুলের পাখি
ফেরারী কবির খোঁজে।

এখানে নবীন সবি
শিশুরা ক্ষুধায় কাঁদে
এখানে শোভন সবি
কবিরা দীপান্তরে ।

১৯৯৯]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28791366 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28791366 2008-04-26 12:30:33
সাধারনের খাদ্য চুরি করে আপনারা অসাধারন সাধারনের স্বপ্ন চুরি করে অসাধারন আপনারা
নিপাট করে চুল আচঁড়ান
টাই বাধেঁন
শপিংমল যান
আপনারা অসাধারন
আপনাদের হাতে সাধারনের জীবন
সাধারনের খাবারের মেনু বানিয়ে দেন আপনারা
সাধারনকে ন্যাংটো রাখেন আপনারা
সাধারনের ঘরের উনুন নেভান আপনারা

সাধারনের স্বপ্ন চুড়ি করে অসাধারন আপনারা
আপনাদের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই সাধারনের
অথবা সাধারনের সাথে সবচেয়ে বেশি সম্পর্ক আপনাদের।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28791314 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28791314 2008-04-26 09:48:54
এখন আর কিছু লিখতে ইচ্ছ করে না! এখন আর লিখতে পারি না!
ভাবতে ইচ্ছা করে না কিংবা ভাবতে পারি না কোনো কবিতা!

রাতমজুর;আকাশচুরি;মুনিয়া;কালপুরুষ;মৃন্ময়....তোমাদের শহর দেখে এসে এখন বড় ক্লান্ত আমি ! তোমাদের ঢাকা।
আমি ঠিক জান না; তোমরা সবাই ঢাকা থাকো কি না।
হয়ত থাকো ;হয়ত থাকো না।
তোমাদের আকাছোয়া দালান; প্রসাধনময় রমনী;তোমাদের প্রধান উপদেষ্টার বসতবাড়ি; শেরাটন হোটেল আমার সব স্বপ্ন চুড়ি করে নিয়ে গেছে!

আমি ভুলে গেছি খেতে না পাওয়া সব মানুষের মুখ !
আমি ভুলে গেছি আমার স্বপ্নের সব কথা! সব গান!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28790730 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28790730 2008-04-24 11:10:04
বাংলাদেশ মরে যাচ্ছে! মৃত্যুর মিছিলে একজন দিনমজুর লেখিয়েছেন তার নাম। কাল মরে যাবে এদেশের একজন অতি সাধারন কৃষক। পড়শু মারা যাবেন একজন রিকশাচালক।
মা বিক্রি করে দেবেন তার আদরের শিশুটিকে। সন্তান বিক্রি করার টাকায় তিনি কিনবেন সামান্য মোটা চাল। আর যে অক্ষম বাবা সন্তানের মুখে তুলে দিতে পারবেন না একমুঠো ভাত ; সে হয়তো ছুরি বসাবেন আদরের পুত্রটির গলায়!
আর মরে যেতে পারবেন না যারা ; তারা বেঁচে থেকে মরবেন আরও অধিক।
রাস্ট্রপরিচালকের দেয়া পরামর্শ মতে তারা ভাতের বদলে আলু খাবেন। আলু ফুড়িয়ে গেলে তাদেরকে পরামর্শ দেয়া হবে পানি খেতে। আলূর বদলে তখন পেট ভরতে হবে পানি খেয়ে! হয়ত পানিও জুটবে না অনেকের ভাগ্যে।
তাদের জন্য একমাত্র দাওয়াই বায়ু সেবন!
হুমম বাঙালি;এবার বোঝো ঠেলা; বাতাস খেয়ে বাচঁতে হবে তোমাকে! বাতাস খাও! বাতাস!

একটা দেশ ক্রমাগত ডুবে যাচ্ছে ক্ষুধার অন্ধকারে। রাস্তার পাশে শুয়ে থাকা কঙ্কালসার মানুষটির মতো রুগ্ন-কঙ্কালসার হয়ে যাচ্ছে দেশটি। অথচ আমাদের রাষ্ট্রপ্রধানেদের মুখ দারুন উজ্জল এখনও! তারা কোটি কোটি টাকার গাড়িতে বসে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ব্যাস্ত। তাদের চোখ-মুখ-চুল-বিষ্ঠা-বীর্য-প্রসাব এখন নির্বাচন নির্বাচন বলে ব্যাস্ত। তারা আমাদের নির্বাচন দেবেন; আমেরিকানাইজ গনতন্ত্র দেবেন; দেশকে তুলে দেবেন নান জাতের গাড়লদের কাছে। আর ভাত না খেয়ে মরবে আমাদের কৃষকেরা। মরবে মধ্যবিত্তেরা।
আমরা কৃষকেরা মরে যাবো। আমরা মধ্যবিত্তেরা মরে যাবো। আমাদের দিনমজুরেরা মরে যাবে। শুধু বেঁচে থাকবে আহমেদ উদ্দিনেরা। বেঁেচ থাকবে ফখরুদ্দিনেরা। বেঁচে থাকবে নির্বাচন! বেচে থাকবে গনতন্ত্র। শুধ বাঁচব না আমরা। যাদের জন্য এই গনতন্ত্র;নির্বাচন;উদ্দিন;ফকরুদ্দিনেরা।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28785580 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28785580 2008-04-06 09:13:17
শিরোনামহীন
রাষ্ট্রপ্রধান
আমাদের ভাত দে ; নইলে মানচিত্র চিবিয়ে খাব!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28784353 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28784353 2008-04-01 10:42:48
আমার ইচ্ছেরা ইচ্ছে করছে নেমে যাই বৃষ্টিতে। ভেজাই শরীর।
ইচ্ছে করছে হয়ে যাই দোয়েল পাখি।
আমের ডালে বসে একটানা শুনি বৃষ্টির গান।

ধানের খেতে যে সবুজ জমেছে
ইচ্ছে করছে ওর পাশে গিয়ে বসি কিছুক্ষন!
গায়ে শেখে নিই সবুজাভ মায়া। চোখে ঘষি শিশির ভেজা কচি শিশ-ধানের!
ইচ্ছে করছে;প্রানখুলে গান ধরি!
ইচ্ছে করছে আল পথে হেঁটে যাই অনেক দূর।
যেখানে সবুজের শেষ। যেখানে আরও সবুজ!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28783380 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28783380 2008-03-29 09:47:06
মানুষের ভেতর থাকে পাখি;আকাশ;আরেক মানুষ! আকাশ;
আরেক মানুষ!


মানুষের ভেতর একটা ছোট্ট পাখি থাকে!
আমরা কজন জানি সেই হলদে পাখিটার খবর!
আমার ভেতর একটা ছোট্ট পাখি গান গায় সারাদিন;কেউ খবর জানে না তার!
কে জানে;হয়ত আমিও জানি না।

মানুষের ভেতর থাকে আকাশ।
মেঘেদের ওড়াউড়ি!
থাকে নীল রং আকাশের !
আমার ভেতরেও নিশ্চই আকাশ আছে একটা ।
আছে নীল রং আছে!
কিন্তু সে আকাশের সন্ধান জানি না আমি!
আমার কষ্ট পায় যখন বুকের ভেতর নীলের খোজ পাই না।
মেঘের ঘুড়ি ওড়ে না এদিক-সেদিক!

মানুষের ভিতর থাকে আরও একটা ছোট্ট অবুঝ মানুষ। খুব ছোট। ১৩ কি ১৪ বয়স।
আমার ভেতরও সে আছে হয়ত।
কিন্তু আমি বৃষ্টিতে ভিজি না কখনো।
লাটাই হাতে নিয়ে বেরই না গন্ত্যব্যহীন।
সবুজ দেখবো বলে বায়না ধরি না বাবার কাছে!

মানুষের ভেতর থাকে পাখি;
আকাশ;
আরেক মানুষ!

আমি তার খবর জানি না!


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28782884 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28782884 2008-03-27 09:43:00
শিরোনামহীন
সবাই একা
মানুষ একা
পাখি একা
প্রজাপতি একা
মাছরাঙা একা
ঘাসফুল একা
আমি একা
আমরা একা
তুমি একা
তোমরা একা
কুমরো ফুল একা
পলাশ একা
দোয়েলটি একা
একা একা একা
মানুষ একা
পাখি একা
আমি একা
আমারা একা
তুমি একা
তোমরা একা
বৃষ্টি একা
শিশির একা
নদী একা
শৈশব একা
রাজার ছেলে একা
রাষ্ট্রপ্রধান একা
শহর একা
গ্রাম একা
শিমফুল একা
কাশবন একা
মাঝি একা
নৌকা একা
মেঘ একা
জোনাকি একা
আমি একা
আমরা একা
তুমি একা
তোমরা একা
একা একা একা
পৃথিবী একা
চাঁদ একা
স্বপ্ন একা
ইচ্ছেরা একা
কোরান একা
বাইবেল একা
মুক্তিযোদ্ধা একা
রজনীগন্ধা একা
ধর্ষিতা একা
শিউলবন একা
জাতিসংঘ একা
মহাসচিব একা
গরিব একা
ইশ্বর একা
রাজা একা
কুকুর একা
ইদুর একা
একা একা একা





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28782880 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28782880 2008-03-27 09:32:32
এ বঙ্গে গনহত্যা-ধর্ষন কোনো অপরাধ নয়! খুব ছোট্ট;
লাল-সবুজের মায়াভারা একটা দেশ জন্ম নিয়েছিল একাত্তরে!

আমি সে দেশেরই সন্তান; যে একাত্তর দেখি নি!
যে দেখতে পারেনি বাঙালির জোত্যির্ময় বছরটিকে!
যে দেখতে পারেনি বাঙালির একমাত্র বিজয়কে!
অথচ আমাকে দেখতে হয়েছে একাত্তর পরবর্তি অজস্র পরাজয়কে! আমাকে প্রতিনিয়ত দেখতে হচ্চে রাজাকার নামক জন্তুদের দানবীয় নোংরা মংলা পচনধরা বমি আসা কুৎসিত মুখকে!

জন্তুরা কখোনো স্বাধীনতা চায় না। প্রভুর পা চাটাই ওদের কাছে শ্রেষ্ঠতম কাজ! ওদের বামা-মা ওদর পা চাটার চেয়ে বেশি কিছু শিখায় নি হয়তো! তাই একাত্তরে স্বাধীনতার থেকে ওদের কাছে মুল্যবান হয়ে পশ্চিমা প্রভুদের পা চাটা! পা চাটতে গিয়ে ওরা ওদের মাকে দুলে দেয় প্রভুদের কাছে! দশ বছরের কিশোরী বোনকে দানবের নিচে শুইয়ে দিয়ে ওরা হাসে জন্তুর হাসি!

আমরা খুব সাধারন মানুষ;আমজনতা;তারা একাত্তরে একটি দেশ পেয়েছি। একটা সীমানা পেয়েছি! হাটাচলার জন্য পেযেছি সামান্য মাটি!
ভাত খেতে না পেয়ে মরে যেতে শিখেছি। বোনকে ধর্ষন করেতে শিখেছি।
আর ওরা;একাত্তরে হেরে গিয়ে এখন জয়ী হয়েছে। ওদের বিচার করতে পারি নি আমরা।
কে জানে ;হয়ত ওরাই একাদিন আমাদের বিচেরের কাঠগড়ায় দাড় করাবে!আমাদের কাছ থেকে জানতে চাওয়া হবে-আমারা কেন ওদের পা-চাটতে অনাগ্রহী? আমার কেন বিচার চাই ওদের!

ওদের তো কোনো অপরাধ নেই।
বাংলাদেশে ধর্ষন কোনো অপরাধ নয়! একাত্তরে ওরা ধর্ষ্ন করে;ধর্ষনে সহযোগিতা তরে কোনো অপরাধ করে নি!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28782292 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28782292 2008-03-25 10:29:39
'সারাদিন ভেবে যাই মৃত্যু আসুক' খুব মরে যেতে ইচ্ছে করছে আমার! খুব ! খুব ! খুব!

মৃত্যু আসুক!
মৃত্যু আসুক !
মৃত্যু আসুক!
মৃত্যু আসুক!...

আমি মরে যেতে চাই!
মৃত্যু আসুক!
আমি মরে যেতে চাই!
মৃত্যু আসুক!

যে দেশে গণহত্যাকারীদের বিচার হয় না;হবে না
সে দেশে বেঁচে থাকতে ইচ্ছে হয় না আমার।
যে দেশের প্রধান প্রতিদিন ধর্ষন করেন আমাদের স্বপ্ন-সম্ভাবনা;সে দেশে বাচঁতে চাই না আমি।

আমি বাচঁতে চাই না। চাই না!

মৃত্যু আসুক! মৃত্যু আসুক! আসুক... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28782281 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28782281 2008-03-25 09:41:24
সঙ্গম ও গর্ভধারন সম্পর্কিত কয়েকটি প্রস্তাবনা
যারা সঙ্গম করেন ,দয়া করে আজ থেকে তারা আর সঙ্গম করবেন না। কেননা আপনার সঙ্গমে জম্ম হতে পারে কোন বিপ্লবীর। যে অস্বীকার করতে চাইবে আপনাদের স্বৈরশাসককে;স্বৈরশাসকের মুখোশি মানবতা, মৌলিক অধিকারের গালগপ্পোকে।যে ছুড়ে ফেলে দিতে পারে আপনাদের নপুংশক ধর্মের মিথ্যা বাকোয়াজিকে।যে বঙ্গভবনের সামনে উলঙ্গ হয়ে প্রকাশ করবে তার তার বস্ত্রহীনতার লজ্জা।যাকে জনগনের শাসন,বাক-স্বাধীনতা,ধর্ম নিরপেক্ষতা জাতীয় রসগোল্লা মার্কা বুলিকে বিশ্বাস করানোর তাগাদায় প্রচারযন্ত্র,পাঠ্যপুস্তক,সংবিধান জুড়ে মূল্যবান কলমের মূল্যহীন বিষ্ঠা ছড়াবে রাষ্ট্রীয় অধিপতিরা। খুচিয়ে খুচিয়ে রক্তাত্ত করবে বিপ্লবীর মুক্তিকামী মস্তিষ্ককে। হিজড়া রাষ্ট্র শিশু-বিপ্লবীর ভয়ে ক্যান্টনমেন্ট থেকে লেলিয়ে দেবে বুট-রাইফেল-সানগ্লাসময় প্রজাতন্ত্রের রক্ষাকর্তাদের(!)।শহর-গ্রাম-মাছবাজার-গণিকালয়-শহীদ মিনার-সংসদ ভবন-বিশ্ববিদ্যালয়-গণ শৌচাগার-তরকারীর হাট জুড়ে জাড়ি করবে ওয়ান-ফোরটি-ফোর।

দুই.
যে মা আজ চুড়ান্ত পোয়াতি; সে হয়তো একটু পরেই প্রসব করবে ফুটফুটে শিশু। প্রিয় মা; তোমার পা-এ পড়ি। তোমার সন্তান জন্ম নিয়ে চোখ ফোটার আগেই ওকে কিছু একটা খাইয়ে মেরে ফেলো! আর যদি তা না পারো তাহলে তোমাকে দেখতে হবে প্রবল শীতে কাপড়ের অভাবে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসা খোকামনির করুন চাহনি ! অথচ তুমি তার গায়ে তুলে দিতে পারবে না এক টুকরো গরম কাপড়। চিকিৎসার অভাবে তোমার নবজাতকের শ্বাসরোধ হয়ে আসবে; আর তখন তোমার রাষ্ট্র আর তার খাদেমসকল মিলে শিশু স্বাস্থ্য, চিকিৎসাসেবা,মানবাধিকার জাতীয় প্রলাপের ছেবড়ি তুলবেন লাল-কালো হরফের নামী-দামী সংবাদপত্রে;টেলিভিশনের রঙিন পর্দায়। গনতন্ত্রের যাদুকরী সংগা-না-বোঝা তোমার অবুঝ শিশুটির দেহ ব্যাথায় কুঁকড়ে যাবে। তুমি কিছুতেই সইতে পারবে না সে সব যন্ত্রনা অথচ কিছুই করার নেই তোমার। প্রিয় মা; এসবের চেয়ে এই ভালো,মেরে ফেলো শিশুটিকে! কিছু কিছু মরে যাওয়া বেঁচে থাকার চেয়েও বেশি স্বস্তিদায়ক। মা পারবে না এতটুকু হিংস্র হতে?যে মা পেটে চার...পাঁচ...ছ্রয়... মাস বয়সি ভ্র“ন-শিশু নিয়ে যাচ্ছেন হাট-বাজারে;ভাঙছেন ইট;কাজ করছেন কোন গার্মেন্টেসে-তার কাছে একটা অনুরোধ। আজ রাতে আপনার ভালোবাসার মানুষটি সারা দিনের ব্যাস্ততা সেরে যখন বাসায় ফিরবে; ওকে আপনার পেটে জোড়ছে একটা লাথি মারতে বলবেন। যেন আপনার উরূসন্ধি চুইয়ে পড়ে ভবিষ্যতের ‘মানুষ’ ভ্র“ন-শিশুটি। তাহলে ওকে আর সইতে হবে না বেচেঁ থাকার বিড়ম্বনা। সইতে হবে না বস্ত্রহীনতার লজ্জা। সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হবে না শিক্ষাহীন অনালোকিত জীবনের জোয়াল। তাকে দেখতে হবে না স্বৈরশাসকের কুৎসিত-ভয়াল মূর্তি। তার বুকের উপর বুট আর রাইফেল বসিয়ে কেউ আরোহন করতে পারবে না গন -স্বৈরতান্ত্রিক পাওয়ার হাউসে;লুই আই কানের লাল দালানে।

তিন.

খুব সম্ভবত সামরিক বাহিনীর কিছু সংখ্যক সদস্য ছাড়া বাংলাদেশের আর কোন নাগরিক স্বপ্নেও ভাবেননি তাদের জীবনে নেমে আসবে কারফিউর খড়গ। কোন সন্তান তার গুরুতর অসুস্থ মাকে নিয়ে যেতে পারবে না হাসপাতালে। ছোট শিশু কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে যেতে পারবে না ইশ্কুলে। গ্রামের সহজ-সরল বাবার স্বপ্নের দায়ভার মাথায় নিয়ে যে তরুন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে ;সে করতে পারবে না তার ক্লাস। যারা দিনএনে দিন খায়,তাদের খাবারের সময় এখন তিনবেলা থেকে এক বেলা করে নিয়েছে। কারো কারো ঘরে তোউনুন ই জ্বলে না! এক বে লা না খেতে পেয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে কত শিশুর মুখ। অথচ আমাদের জেনারেলদেও ঘরে অগাধ খাদ্য। তাদের ফ্যাশনাবল কন্যারা জলপাই রঙা গাড়ি করে ছুটছে ফ্যাশন হাউসে। তাদের অতিশিক্ষিত সন্তানেরা হেঁটে বেড়াচ্ছেন বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের বারান্দা। এক ফকরুদ্দিন;এক মইনের নিরাপত্তার জন্য কত শত নিরাপত্তা কর্মী। অথচ তুলতুলে মেঘের মতো অবুঝ কিশোরীরা হচ্ছে ধর্ষিত। ”আমরা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলাম?” আমরা কি চেয়েছিলাম স্বাধীনতা অর্জনের মাত্র ৩৭ বছরের মধ্যেই আমাদের রাষ্ট্রটির ঘিলুর পচন ঘটবে; আর প্রধান হয়ে উঠবে তার হাত-পা; চুল-বাল। মানুষের যখন মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটেতখন তার হাত-পা-মুখ যেমন তার নিজের জন্য তেমনি আর পাঁচ জনের জন্য হয়ে ওঠে ক্ষতিকর। বিকৃত মস্তিষ্কের এই রাষ্ট্রে তার লোভী রাষ্ট্রযন্ত্র কেবল সুবিধা আদায় আর সুযোগ বুঝে ক্ষমতারোহন ছাড়া কিছুই বোঝে না। রাষ্ট্রকে নোংড়া নর্দমায় ফেলে তাকে গণধর্ষণ করতে এতটুকু বাঁধে না জলপাই রঙা মানুষগুলোর।এমনি করে আর কতদিন? আমাদের বুকের ক্ষোভ-ঘৃনা একদিন একসাথে জ্বলে উঠবে। আর সেদিন বুকউঁচিয়ে বলবো- উই ফাক্ জেনারেল...উই ফাক্ জেনারেল...উই ফাক্...! সামান্য সাহস আর কিছু স্বপ্নকে সম্বল করে যখন আমরা দাড়াবো সামনে,পালানো ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না জলপাই রঙা জেনারেলদের।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28781421 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28781421 2008-03-22 10:07:11
রাহেলার কথা মনে পড়ে যায় ! সে দেশটা আসলে একটা 'ধর্ষনের প্রেক্ষাগার'।
এখানে প্রতিদিন ধর্ষিত হয় তোমার মতো অনেক রাহেলা;বকুল;শিউলিরা।
ধর্ষণই এই দেশের প্রধান বিনোদনের বিষয়! আর সে কারনেই ধর্ষনের রিপোর্ট লিখতে গিয়ে সনামধন্য ছাংবাদিকরা কলম দিয়ে ধর্ষণ করে তোমাদের!
তোমরা চিৎকার করো;কিন্তু সে ধ্বনি পৌছায় না রাষ্ট্র প্রধানের কানে!
কারন তোমার সাথে রাষ্ট্রপ্রধানদের কোনো সম্পর্ক নাই। রাজনীতি-আইনজীবিদের কোনো সম্পর্ক নাই!

তুমি ছিলে গার্মেন্টস কর্মী!তুমি ছিলে শিল্পী। তুমি নির্মান করতে মানুষের সুন্দরকে।তুমি মানুষের শরীর জুড়ে গড়তে মানবিকতা-বাস্তবতাকে!
অথচ তোমোকে প্রতিদিন ধর্ষণ করতো তোমারা মালিক!
তোমার রক্ত চুষে খেতো তোমার মালিক!
আর আমাদের রাষ্ট্রপ্রধানেরা তোমাকে কুকুরের জীবন দিয়ে নিজেরা ভোগ করতো 'মানুষের' জীবন!
তোমর সহকর্মী তোমার স্তন টিপে কুকুরের মতো হাসতো!

রাহেলা; তোমাকে আমার মনে পড়ছে!
তুমি যে ধর্ষিত হয়েছ কিংবা মরে গেছো; সে জন্য আমার কোনো কোন কষ্ট নাই! এ নষ্ট-ভ্রষ্ট দেশ তোমার সাথে এর চেয়ে যে ভালো আচরন করবে না ;তা আমি জানি!
কিন্তু আমার কষ্ট হয় আমার জন্য। ওরা তোমাকে মেরে ফেলতে চেয়েছিলো; কিন্থু তুমি মরতে চাও নি।ওদের সব পাশবিকতার জবাব দিয়েছিলে তুমি জীবনের পক্ষে দাড়িয়ে!
কিন তুমি সম্ভবত জানতে এই বাংলাদেশে তোমার খুনের বিচার হবে না; আর তখনই তুমি তোমার মরে গ্যালে। তোমাকে ওরা মারেনি!
রাস্ট্রপ্রধানদের মুখে থুথু ছিটিয়ে দিয়ে তুমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলে মরে যাবার!
তোমার এই অভিমান আর ঘৃনা নিয়ে চলে যাওয়া আমাকে কষ্ট দেয়!
আমার খূব কষ্ট হয় ;যখন আমি আমার চোখে-মুখে লেগে থাকতে দেখি সেই থুথু।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28780431 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28780431 2008-03-19 09:39:26
মানুষ ভুলে যাবে মানুষের মুখ
মানুষ ভুলে যাবে মানুষের মুখ;
শব্দের মিছিল যাবে না বুকের গহীন কোনে লুকিয়ে থাকা রাস্তায়!
হলুদ শাড়িতে লেগে থাকবে না শর্ষেখেতের ঘ্রান
কেউ আর জোছনাকে এটেঁ দেবে ছোট্ট শব্দের শরীরে...
কাগজের সাদা পাতা ভরে উঠবে না শিউলি ফুলে ।

মুঠোফোন ভেঙে দিয়ে যাচ্ছে সামাজিক শব্দের শরীর
অনেক অপেক্ষার চিঠি এখন আর নিয়ে আসে না হাসিখুশি পিওন
পিওনেরা মরে যাচ্ছে;মরে যাচ্ছে বেঁচে থাকার সব সম্ভাবনা ওদের
মানুষ এখন
ভালোবাসি বলছে যন্ত্রে
স্বপ্ন দেখছে যন্ত্রে
প্রেমিকাকে চুমু খাচচ্ছে যন্ত্রে
মানুষ এখন আর লিখে না চিঠি
মানুষ এখন ভুলে গেছে;
যাচ্ছে শব্দের গান!

চলবে...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28779867 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28779867 2008-03-17 13:10:06
বড় বেমানান হয়ে পড়ছি আমরা মাঠের কৃষক;
সরকারের দশ টাকার পিওন...
আজ তাঁরা বড় বেমানান এই বাংলাদেশে!
হাজার হাজার আকাশচুম্বি দালানের এই দেশের সাথে কোন সম্পর্ক নাই আমাদের! রাস্ট্রযন্ত্র;উপদেষ্টা;ফকরুদ্দিন;কারো সাথে আমাদের কোন যোগ নাই!


আমরা কৃষক
খাদ্য ফলাই আপনাদের জন্য
অথচ আমরা ভুগি খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায়
আমাদের সন্তানকে আমি;আমরা পাঠাতে পারি না বিদ্যালয়ে
টাকার অভাবে দিতে পারি না মেয়ের বিয়ে
অথচ আপনারা...আপনারা টাকা উড়িযে বেড়ান গনিকালয়ে
দেশের টাকা চুড়ি করে বানান স্ত্রীর পেটিকোট;
কন্যাকে কিনে দেন দামি;বিদেশি ব্রান্ডের ব্রেসিয়ার!

বন্যা আর দূর্যোগে
ভাঙা টিনে তৈরি ছোট্ট ঘর ভেসে যায় আমাদের
হালের বলদ মরে থাকে মাঠজুড়ে
ডায়রিয়ায় কাহিল হয়ে পড়ে ছোট ছোট শিশুরা
বুকে জড়িয়ে বুকের মানিকদের নিয়ে যাই কবরে শোয়াতে

না;রাষ্ট্রপ্রধান আপনার সাথে কোন সর্ম্পক নাই আমাদের!
না;দেশ-তোমার সাথে কোন সর্ম্পক নাই আমাদের!

আম কলের শ্রমিক;আমি গার্মেন্টস কর্মি
আমদের বানানো পোষাকে আপনারা 'সভ্য' হন !
আপনাদের নারীরা ঢাকে তাদের মোহনীয় স্তন
অথচ আমাদেরকে মনে করেন সবচেয়ে অসভ্য প্রজাতি এই বাংলাদেশর!
আপনার সরকার;আপনারা
কেউ আমাদেরকে মানুষের জীবন যাপন করতে দেন না
আমাদের জায়গা নোংড়া ময়রা জড়ানো বস্তি।
আমাদের জীবন কুকুরের জীবন


যখন গাড়িতে চেপে বসেন আপনারা; গাড়ির বাইরের ময়লা বস্তিময় পৃথিবী দেখে খুব সুখ পান বুঝি আপনারা?
খুব সুখ লাগে বুঝি ১০তালার ছাদে উঠে তাকিয়ে দেখতে
পিপড়ের মতো বাস্তবাড়িগুলোকে!

আপনাদের বুদ্ধিজীবিরা দামি দামি কথা বলেন
প্রত্রিকার পাতায় রেখেন অজস্র গদ্য-পদ্য
কলাম লিখে কামান হাজার হাজার টাকা
বিদেশে গিয়ে তারা বড় বড় মেডেল নেন....আর আমার সন্তান মরে যায় না-খেয়ে!
আপনাদের নোবেল পাওয়া ইউনুস সাহেব কি জানেন সন্তানের বুকে ভাতে তুলে দিতে না পারা পিতার বুকের হাহাকার কেমন হয়?






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28778494 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28778494 2008-03-12 09:51:15
একটি গ্রামের গল্প সে গল্পের সবটা জুড়ে থাকবে শৈশব চুড়ি-যাওয়া একটা মাতাল কিশোরের মরা-স্মৃতির হাজার কাহন!

ছেলেটা তখন ছোট ছিলো বেশ!
যে গ্রামে থাকতো সে; তার নাম ছিলো শাপলাপুর! কী সুন্দর নাম;তাই না?
এই নামটা শুনলে এখনও ছেলেটার নাকে শাপলার গন্ধ এসে লাগে! বুক জুড়ে ভর করে শাপলার স্বপ্ন!

গ্রামের পথটা ছিল ভারি মায়ামাখানো! এখানে ওখানে ঘাসফুল; পুকর জুড়ে স্বপ্নের মতো কচুরি-ফুল;শাপলার ঠোঁটে জমা ভোরের শিশির!
এমন একটা গ্রামের গল্প শোনাবো তোমাদের!

কেমন কাজল মাখানো চোখ ছিল গ্রামটার !ওকে দেখলেই আমার আলুথালু পরানটা কেমন যেন করে উঠতো !
গ্রামের কোল জুড়ে ছিলো ভরাট বুকের নদী! সে নদীতে যে সাতার কাটেনি সে কখনো বুঝবে না নদী কতোটা আপন হতে পারে মানুষের!

শাপলাপুরে ছিলো একলক্ষ রাজহাস!
শাপলাপুরে ফুঠতো অনেক অনেক অনেক ফুল!
শাপলাপুরে গান গাইতো কত শত কোকিল!
শাপলাপুরে গান গাইতে জানতো টিনের চাল; জানালার পর্দা; কদম গাছের ডাল!
শাপলাপুরে কবিতা লিখতে জানতো ভোরের শিশিরেরা! খুব সকালে ওরা সবুজ পাতা আর ঘাসফুলের শরীর জুড়ে লিখতো হাজার কবিতা!
শাপলাপুরে ছবি আঁকতে জানতো অনাহারী ভিক্ষুকেরা!
ওদের আঁকা ছবি দেখলে পিকাসো সাহেবের চোখটাও হয়তো জ্বালা করতো খানিক ক্ষনের জন্য!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28777958 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28777958 2008-03-10 11:25:52
হুমায়ুন আজাদকে লেখা উড়ো চিঠি

তোমাকে লিখবো বলে কলম ধরেছি কতদিন;
হয়নি লেখা কিছু!
তোমাকে স্বপ্নে দেখবো বলে কতোদিন বুকপকেটে জোনাকিপোকা জ্বেলে বসে ছিলাম অপেক্ষায়! "ফলের গন্ধে ঘুম আসে না " দু' হাতে জড়িয়ে
ঘুমিয়ে থেকেছি কতো অলস দুপুর!

তোমার থমকে থাকা কিছু ছবি কেবল দেখেছি আমি বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায়!সে ছবি আমাকে সুখি করতে পারে নি একটুও!

তুমি তো জন্মেছিলো রাড়িখালে:সবুজের ভিড়ে! কতোদিন আমার ইচ্ছা হয়েছে একটু রাড়িখাল যাই!যাওয়া হয়নি কখেনো!
আমি জানি-রাড়িখাল আমাকে কিছু কান্না ছাড়া আর কিছুই দিতে পারবে না!

জানো;আমার আর এই দেশটা ভালো লাগে না! তুমি যতটুকো দেখেছো;তার চেয়েও বেশি ময়লা হয়ে গেছে তোমার প্রিয় বাংলাদেশ!তোমার রাড়িখাল!
যে দেশটা তেমাকে জায়গা দিতে পারেনি; সে দেশটার মুখে তাকাতে বড় ঘেন্না লাগে আমার!
যে দেশের রাজনীতিক-আইনজীবি-রাষ্ট্রপ্রধানেরা তোমাকে হত্যার বিচার করতে পারে নি;তাদের মুখে মুতি আমি!
আমি ছোট মানুষ;বলো এ ছাড়া আর কিইবা করতে পারি আমি;আমার মতো যারা !

তুমি বুঝি বড্ডো সুখে আছো এখন!
ঘাসফুলদের সাথে;প্রজাপতিদের সাথে এখন বুঝি অনেক আড্ডা হয় তোমার! বাঙালি মুসলমানদের মুখ দেখার চেয়ে প্রজাপতির মুখ দেখা ঢেড় সুন্দর; সে আমিও জানি!

তোমাকে ভালোবাসি!
এই একমাত্র যোগ্যতা আমার!
তাই এই চিঠি লেখার সাহস করছি আমি!

তুমি আমার এই নোংড়া ময়লা জঘন্য বাংলাদেশকে ক্ষমা কোরো না!
তোমাকে হত্যার জন্য আমি এই বাংলাদেশের মৃত্যুদন্ড দাবি করছি !বাংলাদেশের প্রতিটি নপুংসক রাজনীতিক-আমলা-আইনজীবির পদত্যাগ কামনা করছি!
এই সমাজের ;
রাষ্ট্রযন্ত্রের আর
ধর্মগ্রন্থের
ভন্ড ধার্মিকদের গলায় ফাসির রশি দেখতে পাই আমি!



আমি জানি তুমি ভালো আছো!
তোমাকে ভালো থাকার জন্য বেহেশত-এর দরকার হবে না জানি!
তোমার সুস্থ থাকার জন্য কোনো সৃষ্টিকর্তার দরকার হবে না জানি!
তুমি ভালো আছো!তুমি ভালো থেকো!
আমার ছোট্ট তুলতুলে হৃদয়ের ভেতর ভালো থেকো তুমি!
রাড়িখালের দইকুলি পাখিদের অন্তরে ভালো থেকো তুমি।






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28777391 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28777391 2008-03-08 11:08:05
বন্ধুর জন্য বিজ্ঞাপন

শিরোনামটা ধার করা। কিন্তু স্বপ্নটা আমার। একান্তই আমার। হ্যা; একটা বন্ধু চাই আমার।
যার বুকপকেট জুড়ে থাকবে কবিতার ছেড়া পঙ্তি। হৃদয়ের অন্দরে সাজানো থাকবে সবুজ ধানতে;আকাশের নীল রং।

একটা বন্ধু চাই আমার। যে ভালোবসবে আমায়;আলোবাসতে শেখাবে আমায়। যার এলোচুল জুড়ে খেলা করবে শৈশবে হারিয়ে যাওয়া প্রজাপতি। আমার চুরি যাওয়া;রঙ-চটা আম কুড়ানোর দিনগুলোকে যে ফিরিয়ে দেবে আবার। কোন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে যার হাতে হাত রেখে আমি হারিয়ে যাব ফেলে আসা কাশবনের কাছে;নদীর কাছে;মেঘের কাছে।
যার মানিব্যাগে টাকার বদলে থাকবে শিউলি ফুল,গোলাপের কুঁড়ি।


ছেলেবেলায় সখ্য গড়েছিলাম বোশেখের বৃষ্টির সাথে। সে-ই আমার প্রথম জীবনের একমাত্র বন্ধু। কত কথা বলেছি যে বৃষ্টির কানে-কানে ! কত যে ভিজেছি বৃষ্টিতে ! বৃষ্টির সাথে কত ওয়াদার লেনদেন হয়েছিলো যে আমার ! ...সব মিছে ! হায়; বৃষ্টিও বড় ফাঁকিবাজ জানে। তা না হলে আমি কেন আজ একা ! কেন আজ বৃষ্টিতে ভিজতে পারি না। নীল কাগজের নেীকা ভাসাতে পারি না। শৈশবের হারিয়ে যাওয়া বন্ধুকে এত কাছে পেয়েও কেন জড়িয়ে ধরতে পারি না ! কেন এত তাড়াতাড়ি ফেলে আসতে হয় ছেলেবেলাকে। কেন এত সহজেই চুরি যায় বৃষ্টিতে ভেজার শরীর !আর তারপর...তারপর থেকে দেখা পেয়েছি যাদের ;সবাই বৃষ্টির মত মিছে হয়ে গেছে আমার জীবনে!


একটা বন্ধুকে খুজে ফিরছি আমি। বসুন্ধরা সিটির ময়লা-সুন্দরকে দেখে আসার পর যাকে দেখাটা অপরিহার্য হযে উঠবে আমার জন্য। যার ঘাসে ঢাকা সবুজ বুকে নাক ঘষবো আমি।
যে আমাকে নিয়ে যাবে কাশবনের সাদা সমুদ্রে। যার আশীর্বাদে শৈশবের হারিয়ে যাওয়া বৃষ্টি-বন্ধুকে ফিরে পাব আবার । চুরি যাওয়া শৈশব আর লাটাই-ঘুড়িকে যে ফিরিয়ে দেবে আমায়!

আমি জানি কাল সকালে বৃষ্টি হবে! কালকের বৃষ্টিমগ্ন সকালে তোকে চাই বন্ধু !
তোর হাত ধরে ভিজবো বৃষ্টিতে। তোর বুকপকেটে গুজে দেবো লাল ফুল;সবুজ পাতা।
তোকে নিয়ে হাঁটতে চাই আমি নীলেেতর জনারণ্যে।শাহবাগের মোড়ে। লালবাগ কেল্লার লাল ইটের পথে।
আমি একটা বন্ধু খুজছি। একটা বন্ধু চাই আমার !

বিঃ দ্রঃ গদ্যটির শিরোনাম মহাদেব সাহার একটি কবিতা থেকে ধার নেয়া।





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28776840 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28776840 2008-03-06 10:00:07
রাস্ট্রপ্রধানগন; তাতাতাড়ি ছহবত সারেন;পাবলিক খ্যাপলে খবর আছে...
কয়দিন পত্রিকার পাতায় বেশ হুজুগ উঠছিলো খুনি জামাতিগো বিচার লইয়া! আমাগোর কলামিষ্টরা বেশ টাকা কামইছিলেন সেই সুযোগে!
দেশ নিয়া দরদের অন্ত ছিলো না তাগোর!
মা ; মাটি; মাতৃভুমি...এইটার জন্যই তো তারা জন্মাইছেন;এখনও বাঁইচা আছেন!!!

আমাদের উদ্ধারকর্তা রাষ্ট্রপ্রধান (আসলে সে প্রধান না;প্রধানের আজ্ঞাবহ কর্মচারী) মাউথপিচ হাতে পাইলেই বলছেন খুনিগো বিচারের কথা !
আমরা তা শুইনা খুশি হইছি! আমরা বাঙালি; আমাগো পেট তো আমরা বুলিতেই ভরাইছি ইতিহাসের বেশির ভাগটা সময়!
আমেরিকানরা আমাগোর গনতন্ত্রের বুলি খাওয়াই পেট ভরান!
আমরা ভাতের বদলে গনতন্ত্র খাই; জঙ্গিবাদ খাই;দূর্নীতি মুক্ত বাংলাদ্যাশ খাই!!!

আমাদের রাষ্ট্রপধানেরা বড় বড় কথা বলায় চিরকালিন পটু !
পাবলিকরে ভোদাই বানানোর জন্য মিষ্টি মিষ্টি কথা বলেন;আর রাইত অইলে বেশ্যা নিজামিগো লগে ঠিকই ছহবত সাড়েন!
যদি তা নাই অয়;তয় শুয়োরের বাচ্চারা ক্যান আইজো বাংলাদেশের মাটিতে হাটে!
ওরা তো বাংলাদেশের কেউ না; ওগোর লগে তো আমার বাংলাদেশের কেউ না!

চলবে...

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28776581 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28776581 2008-03-05 13:33:08
আমার মায়ের মুখ মায়েল মুখের দিকে তাকালে আমার বৃষ্টিভেজা কদমের কথা মনে পড়ে!

মায়ের আঁচলের এক ফালি শুভ্রতা এসে
যখন লাগে আমার ছোট্ট শরীরে; আমি ঘাসফুল হয়ে যাই;
কাশবন হয়ে যাই!

অনেক দিনের পরে যখন আমি আমার মায়ের মুখ দেখি ; আমার আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর কবিতার কথা মনে পড়ে যায়। মাকে দেখতে না-পারা সব দুক্ষের কথা মনে পড়ে যায়!

আমার মায়ের মুখ দেখার জন্য আমি সারাদিন জেগে থাকি!
আমার মায়ের মুখ দেখার জন্য আমি সারাদিন ঘুমিয়ে থাকি!
মা যদি জাগরনে আসে;
মা যদি দুয়ারে দাড়িয়ে ফিরে যায়!
মা যদি স্বপ্নে আসে;
যদি স্বপ্নে এসে আমাকে না পেয়ে ফিরে যায়!

মা আমার শিউলি ছাওয়া পথ;
যে পথে হেটে হেটে আমার বড় হওয়া;সুন্দর হওয়া !







]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28776553 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28776553 2008-03-05 11:53:50
আনু স্যারকে প্রান নাশের হুমকি : আমরা লজ্জিত,ক্ষমাপ্রার্থী

বাঙালি দালালিপ্রিয় জাতি। বাঙালিদের মধ্যে যে সব মহত্তর পেষা প্রচলিত আছে ;তাদের মধ্যে দালালির অবস্থান এক নম্বরে। বাঙালি দালালি করে যতটা সুখ ও সুবিধা পায়; তা আর কিছুতেই পায় না।
কিছুদিন আমরা ইরান-তুরানের দালালি করেছি;তার পরে কারেছি ফরাসিদের;দালালি করেছি ইংরেজদের,পাকিস্থানিদের।
আজও সেই দালালির জোয়াল বয়ে বেড়াচ্ছি আমরা আমাদের রক্তে;আমাদের স্বপ্নে।

এইসব বাঙালি দালালদের ভিড়ে যারা হারিয়ে যান নি;
যারা প্রতিবাদ আর প্রতিরোধ নিয়ে দাড়িয়েছেন সাধারন মানুষদের কাতারে; তাদের একজন আমাদের আনু স্যার; শ্রদ্ধেয় আনু মুহাম্মদ । গত ২২ ফেব্রুয়ারী রাত সোয়া ১২টায় তাঁর মোবাইলে টেলিফোন করে মাহমুদ হাসান নাম পরিচয়ে এক ব্যক্তি তাকে লেখালেখি ও টিভি প্রোগ্রামে কথা বলা বন্ধ করার হুমকি দেন। ‌‌'মানব-বোমা' মেরে তার মৃত্যু নিশ্চিত করার নিশ্চয়তাও দেয় লোকটি।

প্রিয় স্যার; আপনার সামনে দাড়াবার মত সাহস হারিয়ে ফেলেছি আমরা।
সাহস হারিয়ে ফেলেছে গোটা দেশ !
আপনার একটা জীবন; জীবনের যাবতীর কাজ যে দেশের মানুষের জন্য করেছেন আপনি; যে দেশের মানুষকে ভালোবেসে ; মানুষের মৌলিক অধিকারের দাবিতে রাস্তায় নেমেছেন আপনি; সে দেশের ই একজন মৃত্যুর হুমকি দেয় আপনাকে।
আমরা লজ্জিত;আমাদের ক্ষমা করবেন।

একটা জঘন্য নোংরা প্রতিক্রিয়াশীল প্রানহীন মৃত ময়লা দেশে জন্ম নিয়েছেন আপনি।
যে দেশে আপনি জন্ম নিয়েছেন; সে দেশে স্বপ্ন দেখা নিষিদ্ধ।
অথচ আপনি ই দেখেছেন সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। সাধারন মানুষকে ইউনুস সাহেব ও অন্যান্য সাহেবদের নখর থেকে বাচাঁনোর জন্য কলম তুলেছেন আপনি। আমাদের তেল গ্যাসের মালিক যে আমরাই; অতি সাধারন দরিদ্য বাঙালিরা, তা আমরা বুঝতে পেরেছি আপনার হাত ধরেই। ফুলবাড়ীতে; কানসাটে; পোষাক-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির আন্দোলনে আপনি
দাড়িয়েছেন আমাদের পাশে।
আর সেই আপনাকেই কিনা আমরা;আমাদের একজন মৃত্যুর হুমকি দেয়। আমরা লজ্জিত;আমদের ক্ষমা করবেন।





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28775625 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28775625 2008-03-02 10:12:38
আমার আহত বাংলাদেশ দেশটিকে রবীন্দ্রনাথের সব সুন্দর আর হুমায়ুন আজাদের সব বিদ্রোহের চেয়েও সুন্দর-শুদ্ধ মনে হয় আমার কাছে।
চাঁদ-জাগা রাতে মাঝির ভাঙা গলায় গাওয়া ভাটিয়ালিটি গানই সবচেয়ে শুদ্ধতম শিল্প আমার কাছে।
'বাংলাদেশ ; ভালোবাসি তোকে !'-এর চেয়ে সুন্দরতম বাক্য আজও লিখতে পারি নি আমি।

অথচ এখন আমি আমার সুন্দরের চোখে তাকাতে পারি না। আমার এই ছোট্ট তুলতুলে দেশটির শীর্ণ হাতের কথা মনে আসলে রাতে ঘুম আসে না আমার।

আমার এই দেশকে যারা চালায়;এতদিন যারা চালিয়েছে; তারা কেউ ভালোবাসেনি;ভালোবাসে না আমার আমার এই সুন্দরকে।
ওদের কাছে দেশের মুখের চেয়ে গনিকার প্রসাধন মাখা মুখ অনেক প্রিয়।
দেশের স্বার্থের চেয়ে টাকা ওদের কাছে অনেক বেশি প্রিয়।

বাংলাদেশ কাতরাচ্ছে ডাক্তার বিহীন হাসপাতালের করিডোরে বসে। ওর চোখে-মুখে ধরেছে পচন। রক্তে ভয়াবহ ক্যান্সার। বাংলাদেশ মরে যাচ্ছে।
আমার সুন্দর মলিন হয়ে যাচ্ছে দিন দিন।


শীতের সব কাপড় চুড়ি হয়ে গেছে। সব জমানো খাদ্য চুরি করে নিয়ে গেছে দস্যুর দল । আমার এই ছোট্ট দেশটি ৩৭ বছর ধরে অনাহারে আছে।
ক্ষেদ-খামারে খেটে খাওয়া কৃষকের হাড্ডিসার শরীরের চেয়ে হাড্ডিসার হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের শরীর। রাস্তায় ঘুমিয়ে থাকা পরিচয়হীন শিশুটির মতো এখানে -ওখানে পরিচয়হীন ঘুরছে দেশটি আমার।

আমার খুব কান্না পাচ্ছে। আমি লিখতে পারছি না আর।
আমি আর কিছু চাই না- আমি শুধু আমার দেশটাকে অনাহরী দেখতে চাই না। আমি চাই শীত থেতে বাঁচার জন্য আমার দেশের পর্যাপ্ত গরম কাপড় মজুত থাকুক।
আমি চাই আমার এই দেশটিকে আর যেন কুকুরের মত লালা ফেলতে না হয় বিদেশিদের কাছে।






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28775348 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28775348 2008-03-01 11:04:33
আমরা আর কখনোই একুশের কাছে ফিরতে পারবো না
সারা বছর যে শহীদ মিনারের পাদদেশে কুততা ঘুইরা বেড়ায়; বছরের একটা এবং আরো কয়েকটা দিন বেশ রং-ঢঙ হয় সেখানে!
রাজনীতিবিদ আর রাষ্ট্রপ্রধানদের ফলের ভারে মলিন হয়ে ওঠে আমার প্রিয় শহীদ মিনারটি!

বেশ মরডান হইয়া উঠছে বর্তমান প্রজন্ম। এত মরডান আর মডারেট বাঙালি এরে আগে আর কখনো দেখা যায় নাই।
দিনের বেশির ভাগটা সময় আমর কি সুন্দ কইরা এংরাজি বলি। এর এসবের মাঝেমাঝে বলি বাংলা। তয় বাংলাটা যেভাবে উচ্চারন করি তাতে তা হয়ে ওঠে প্রায়-এংরাজি।

আমাদের ভাষাবিদেরা খুব তাড়াতাড়ি যে নতুন উচ্চারন অভিধান বের করবেন ; তা হলফ করেই বলা যায়।

আমরা সারাদিন এংরাজি বলি। আমাদের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়-টেলিভিশন-রাজনীতিবিদ-আমলা-আমরা সবাই সারাদিন এংরাজি বলি।
আমাদের রেডিও ফুর্তির আফারা এত সুন্দর করে এংরাজির সাথে বাংলা মিশিয়ে তাদের বাংলাপ্রিয়তার পরিচয় দেন;তা শুনে সুখে ভরে যাই প্রতিটি বাঙালি। তারাই আমাদের মনে করিয়ে দেন বাংলা বলে বলে একটা ভাষা আছে । আমাদের একুশ আছে।

একুশ একুশ বলে আমাদের গর্বের অন্ত নাই। আমরাই এমন এক জাতি যারা ভাষার জন্য জীবন দিছি। আর আমরাই একমাত্র জাতি যে তার ভাষাকে ;ভাষার অহংকারকে নিজ হাতে খুন করছি।জিন্না সাহেবের কথা উঠলে আমাদের নতুন প্রজন্ম;রাজনীতিক;বুদ্ধিজীবিরা গালাগালির একশেষ করে ছাড়েন। জিন্নার মুখে থু থু ছিটান।
অথচ আমরা এ এখন হয়ে উঠেছি এক -একটা বড় জিন্না ।
জিন্না যা পারে নাই ; আমরা তা পারছি।
আমার 'আমারে ভাইয়ের রক্তে রাঙানো 'লিখছি ; তারপর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়া বাংলাকে মহান করে তুলছি। কিন্তু 'বাংলাকে রাষ্ট্রের ভাষা ' করে তুলতে পারি নাই । বা তুলি নাই।

১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত সময়ে পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় যে ভাষা কেন্দ্রিক শ্রেণীবৈষম্য ছিল ; আমাদের আজকের বাংলাদেশেও তাই হচ্ছে । শুধু উর্দূর জায়গায় এখন এংরাজির রিপ্লেসমেন্ট।






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28774493 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28774493 2008-02-27 11:33:21
প্রয়োজন আর একটি ৭১-এর
আমরা ভুলে গেছি সব কিছু। যে ছেলেটা বুকের পাজরে ডিনামাইট বেধেঁ ঝাপিয়ে পড়েছিলো পাকিস্থানি যন্ত্রদানবের নীচে; অস্বীকার করেছিলো নিজের সব ভোগ আর প্রাপ্তিকে: আমরা ভুলে গেছি তার কথা ! যে উঠতি কিশোর মায়ের চোখের সব জল আর আকুলতাকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছিলো একটি অতি সাধারন রাইফেল হাতে দানবসদৃশ পিশাচ নিধনে; আমরা ভুলে গেছি তার কথা!তিন মাস বয়সি দুধের বাচ্চাটাকে বাচাঁবার তাগিদে যে মা তার সমস্ত সম্ভ্রম লুটিয়ে দিয়েছিলো হিংস্র দানবের আদিমতার কাছে: আমরা ভুলে গেছি তার কথা! কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে দু:খিনী বোনের দেহছিন্ন স্তনের সমস্ত কাতরতার কথা আমরা ভুলে গেছি! যে বৃদ্ধ বাবা একমাত্র পুত্রকে যুদ্ধে পাঠিয়ে সকাল-সন্ধা জায়নামাজে বসে কাটিয়েছেন অস্থির প্রহর,আমরা যুদ্ধোত্তোর সময়ে ভুলে গেছি সন্তান-না-ফেরা সেই বৃদ্ধের ভঙ্গুর সংসারের কথা! একাত্তরের গনসংগ্রামে যে গ্রাম রেখেছিলো প্রধানতমভূমিকা ;আমরা ভুলে গেছি সে গ্রামের সব কৃতিত্বকে ! স্বাধীনতা পরবর্তি সময়ে আমরা গ্রামকে অবহেলায় ছুরে দিয়েছি আস্তাকুড়ে,হাত ধরেছি শহরের!কৃষকের সব ঘাম আর পরিশ্রমের শস্যকে মজুত করেছি শহুরে দালানে। বিনিময়ে কৃষককে দিয়েছি হাড্ডিসার দেহ আর এক শরীর অপুষ্টি। গ্রামের কঙ্কালসার দেহের উপর নির্মাণ করেছি চাঁদ ঢেকে দেয়া আকাশছোয়া দালান !
ইতিহাসের চিত্রায়ন বুঝি এমনই ! যাদের থাকার কথা ফ্রন্ট পেইজে; তাদেরকে যেতে হয় ব্যাক পেইজে! আর সে কারনেই মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তি সময়ে পঙ্গু-বেকার মুক্তিযোদ্ধাদের বেছে নিতে হয়েছে আতœহননের সহজ (!) পথ! আর যারা শত অবহেলা পেয়েও নিজেদের মূল্যবান(!)জীবনকে অস্বীকার করতে পারেননি,তাদের কেউ কেউ এখনও রিক্সার চাকায় বয়ে বেড়াচ্ছেন জীবনের ক্লান্তি;পঙ্গু শরীরে টেনে চলছেন স্বাধীনতার গৌরবহীন ক্ষত ! দেশের স^াধীনতা নির্মাণে যে কৃষক-মজুর-ছাত্রসমাজ এগিয়ে গিয়েছিলো; যুদ্ধ পরবর্তি সময়ে তারা হয়ে ওঠে অপ্রয়োজনীয়।মাসেল-মানি আর রিলিজিয়নকে পুজি করে দেশের শাসন কাঠামোতে আরোহন করে নতুন মোড়কের একদল পুরানো শাসক! দাড়ি-টুপি পরিহিত ঘাতক-দালালেরা হয়ে উঠেছে দেশের প্রধানতম পুরুষ। ’৭১-এর পরে দেশের শাসকদের মুখোশ বদলিয়েছে সময়ে-অসময়ে।কিন্তু বদলায় নি শাসকদের আদশির্ক অব¯থান।গনতন্ত্রের গর্ভে এই দেশ বার বার জন্ম দিয়েছেএকনায়কতন্ত্র।এদেশের জনগণের জন্য একাত্তর মানে কেবল কিছু মুখোশের অদল-বদল। সমাজতন্ত্র,ধর্ম নিরপেক্ষতা ,গণতন্ত্র জাতীয় কিছু কাগুজে বুলি।ভাতের বদলে এদেশের মানুষেরপেট ভরে গণতন্ত্রের মিথ্যা বুলিতে। সম্প্রচার মাধ্যমে এডুকেশন, ইন্টারটেইনমেন্ট আর ইনিফরমেশনের পরিবর্তে এদেশের সাধারন পাবলিকের মগজ ভরেছে ক্ষমতাসীন রাজনীতিক দলের প্রচারনা আর দলবাজির নানা কান্ড-কীর্তিতে।

যে স্বপ্নকে বুকে পুষে কৃষক ছুটে গিয়েছিলো মুক্তিযুদ্ধে;এতদিন তার সেই সব স্বপ্নকেহাসিনা-খালেদা করে রেখেছিলো রাজণীতিক পণ্য। রাজণীতিক স্বার্থকে হাসিল করারতাগাদায় ওরা ছোট ছোট অবুঝ শিশুদের মস্তিষ্ক ভরে তুলে ছিলো বিকৃত ইতিহাসে।পাচঁ বছরের অদল-বদলে বদলে যেতো মুক্তিযুদ্ধের সমস্ত গৌরবগাথাঁ। অথচ এখন সময় অন্যরকম! বদলে যেতে বসেছে দেশের প্রচলিত রাজণীতিক মানচিত্র।একে একে খসে পড়ছে দেশের সমস্ত ক্ষমতালোভী রাজণীতিকদের মুখোশ। দেশের ভালোমানুষ(!)রাজনীতিকদেরমানবিক মুখোশের আড়ালে লালিত অমানবিক হিংস্র পশুরা কাগজ আর টেলিভিশন পর্দা কাপিঁয়েবের হয়ে আসছে সাধারন জনগনের সামনে।দেশের সামগ্রিক কাঠামোতে হচ্ছে রিফর্মেশন।রাজনৈতিক দলগুলো ঢাকঢোল পিটিয়ে নেমেছেন তাদের রাজনীতিকদেহের পচেঁ যাওয়া মাংসকর্তনের প্রতিযোগিতায়।এখানে একটি কথা বেশ পষ্টাপষ্টি বলতে চাই-বর্তমান সময়ে রাজনৈতিকদলগুলো সংস্কারের যে হুজুগে নেমেছে,তা যেন ক্যাবল কিছু মুখোশের অদল-বদল আর কাগুজে নীতিহীন নীতিমালার ব্যাপার-স্যাপার না হয়ে দাড়ায়।যদি কোন পরিবর্তন; যদি কোন সংস্কারকরতেই হয় আমাদের রাজনৈতিক কালচারে,রাজনৈতিক নেতৃত্বে-তবে তা অবশ্যই হতে হবে মস্তিষ্কজাত;চেতনাজাত। এতো দিনে যে সব মলমূত্র আর আবর্জনা মস্তিষ্কজাত করেছেন আমাদের নেতারা;আগে চাই তার শুদ্ধি। তারপরে অন্য সব সংস্কার,অন্য আলোচনা।আর এ জন্য সমর্থন, বিরোধিতা আর আলোচনা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে সকল স্তরের মানুষকে। যেমন তারা এগিয়ে এসেছিলেন একাত্তরে।উনসত্তুরে। চুয়ান্নোতে। বায়ান্নে। ...।
যারা সাধারন মানুষ, যারা রোজ এনে রোজ খায়- ওদের হাত গুলো বড়ো নরম;ক্ষমতাহীন।ওদের কারো একজোড়া হাত কখোনো ভাঙতে পারে না দলবাজী রাজনীতিকদের অপশাসনের শৃঙ্খল। অথচ ওরা যখন হাতেহাত রাখে;বদলায় নিজেদের চেতনজাত অবস্থানÑঅমনি ঘটে যায় দেশের বড়ো রকমের রিফর্মেশন।যেমন ঘটেছিলো অতীতে ,যেমন ঘটেছে চলমান সময়ে। রোগাক্রান্ত;অসুস্থ আমাদের প্রিয় এই দেশটা ওয়ান-ইলিভেন পরবর্তি সময়ে যে নতুন পথে যাত্রা করেছে,সে পথে সে খুজে পেয়েছে ভালোডাক্তার আর খুজে পেয়েছে প্রয়োজনীয় দাওয়াই। হাজার সীমাবদ্ধতা সত্যেও একটু একটু করে সুস্থ হয়ে উঠছে অসুস্থ এই দেশ।

সুযোগ জিনিসটা বড্ড বেয়ারা। সব সময় ওকে হাতের নাগালে পাওয়া যায় না।যখন সুযোগ এসেছে পঙ্গু এই দেশটাকে কাধেঁ তুলে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার;তখন আমরা যারা এদেশে বসবাস করি;তাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে ।কাধেঁ তুলে নিতে হবে দেশের ভালো-মন্দের সব দায়। গ্রাম থেকে ছুটে আসতে হবে কৃষককে;শহর থেকে ছুটে আসতে হবে পেশাজীবিকে।শহর-গ্রাম,নারী-পুরুষ,রাজনীতিক-কৃষক Ñহাতে হাত মিলিয়ে জন্ম দিতে হবে আর একটি একাত্তরের।আর একটি মুক্তির।একটি জোতির্ময় বাংলাদেশের। যে দেশেতে রাজনীতিক দাড়াবে গণমানুষের পক্ষে। যে দেশের প্রতিটি মানুষ তার সমস্ত অনুভূতি দিয়ে বুনবে উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন। যে দেশের স¤প্রচার মাধ্যমগুলেতে চিত্রায়িত হবে সাধারন মানুষের আশা-আকাঙ্খার সরল কথন। আমরা সবাই অপেক্ষা করে আছি এমন একটি দেশের ।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28774235 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28774235 2008-02-26 13:46:07
তোমার না-থাকার যত আলো
আবার একদিন দেখা হবে ! সেদিন আর কোথাও বৃষ্টি নাববে না; কেবল কোনো চালাক-শহরে অসহায় এক বোকা-ছেলের চোখের পাতায় একটুখানি বেবুঝ শ্রাবন! আবার একদিন দেখা হবে ! যেদিন এই যান্ত্রিক সভ্যতাকে অস্বীকার মতো কেউ আর থাকবে না কোথাও! কেউ অতি সাধারন বৃষ্টিতে কারো জন্য দাড়িয়ে থেকে থেকে ক্লান্ত হয়ে ফিরবে না ঘর! তবুও দেখা হয়ে যাবে! অপ্রস্তুত কোন শহুরে রাস্তায়;আনমনে । অনেক যতনে যা কিছু অভিমান পুষে রেখেছিলাম বুকের বারান্দায়; হুটহাট করে তা জ্বলে উঠবে চোখের তারায়! তোমাকে বুকে জড়িয়ে এক এক করে বলে যাব না-বলা সব কথা;খুলে দেখাবো বুকের গহিনে লুকানো সব ক্ষত; চোখের কোনে জমানো নোনতা শিশির;হৃদয়ের যতসব শব্দহীন তুষারপাত।
জানো-রাতগুলো এখন আর আঁধার কিছু বলে মনে হয় না। তুমি যে সেই কবে একবার ছুয়ে দিয়েছিলে রাতগুলো আমার; সেই থেকে রাত মানে জোতির্ময় কিছু, যেন মাধবীর বনে জ্বলে থাকা একরত্তি আলো! যে হাতে ছুয়েছিলে এলাচুল; তারা এখন বৃষ্টিভেজা শিউলি। পা টিপে টিপে ভেজা উঠোন জুড়ে তোমার হেঁটে যাওয়া সেইসব ক্ষনগুলো এখন একঝাক কবুতর হয়ে ঘুরে বেড়ায় আমার বারান্দায়।
ইস্, কতদিন পড়ে দেখা তোমার সাথে। ভেবেছিলাম চোখ ফিরিয়ে নেব। বলবো না কথা একটাও। চলে যাব তোমার সামনে দিয়ে; যেমনি করে বিকেলের মেঘ হারিয়ে যায় রাতের গভিরতর আধাঁরে। না ,বলবো না কথা একটিও! কেন তুমি এমন করলে? সেদিন পারতে তো বলতে একটি কথা-তোমাকে চাই! কবিতা যেমন করে বুকে পুষে রাখে অজস্র কান্না; তেমনি তুমিও বললে না একটি কথা ,ছুতে দিলে না তোমার কবিতাগুলোকে। কবিতার ভেতরে পুষে রাখা কান্নাগুলোকে ।
তোমার চোখদুটো যে একদম আগের মতই আছে।এখনও বুঝি সবুজ ভালোবাসো ? সবুজ তো ছিলো প্রিয় রং তোমার। আমি ভেবেছিলাম একটা সবুজ আকাশ গড়ে দেবো তোমায়। হ্যা,একটা আকাশ গড়েছি আমি। অনেক সবুজ আর অনেক আলোর মিশেলে গড়া সে আকাশের সবটা জুড়ে তোমার না-থাকা। অথচ তোমার না-থাকাটাই আমার জীবনের একমাত্র থাকা।একমাত্র আলো। ভেজা চুলে দাড়ানো সেই আলোকিত তুমি এখনও নীল জোছনায় বসে বুকের বারান্দায় বেহালা বাজাও। যখন মনটা খুব খারাপ থাকে, কিছু নীল-কান্না নিয়ে এসে দাড়াই ভেজা চুলের তোমার কাছে। (অসমাপ্ত)


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28774234 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28774234 2008-02-26 13:43:47
‌‌রূপকথা' হয়ে যাচ্ছে আমাদের গ্রাম! আমাদের গ্রামগুলো দিন দিন ক্যামোন রোগা হয়ে যাচ্ছে। সবুজ ধানখেত উজার করে বড় বড় ব্যবসায়ীরা গড়ছে ইট বানানোর মিল। দানবের মতো মিলগুলো ঢেকে দিচ্ছে মায়াবি আকাশ। আকাশের নির্মল শূভ্রতা খুন করে চলছে কালো ধোয়ার কুন্ডলি। দম নিতে গেলে নিশ্বাসে ঢোকে কালো আবর্জনা। শিশুদের চোখে জ্বালা ধরানো এই ধোয়া মুছে ফেলছে ঋতু-বদলের সব সমীকরন।

যে নদীরা একদিন শোভা বাড়াতো গ্রামের; উর্বর করতো আবাদি জমি- সে নদীর পাড় জুড়ে এখন ধু ধু বালুচর। শুকিয়ে যাচ্ছে নদী। মলিন হয়ে যাচ্ছে গ্রামের মুখ। বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে ধানখেতের সবুজ পাতারা।
তোমরা যারা শহরে বাস করো; তারা কোনোদিন জানবে না একটা নদীর সাথে কতো স্মৃতি জড়িয়ে থাকে আমাদের;যারা আমরা বাস করি গ্রামে।
কারা;কোন দানবেরা শুষে নিলো আমাদের নদীকে,স্মৃতি জাগানিয়া এই ছোট্ট আশ্রয়টুকোকে?

মেঘের মতো শুভ্র কাশফুল আর কোথায় পাওয়া যায় গ্রাম ছাড়া? আর কোথায় ফোটে এমন বিল ভরা শাপলা?আর কোথায় পাওয়া যায় এমন সহজ-সরল মানুষ?যারা গণতন্ত্রের সংগা বোঝে না; ভন্ড শাসকদের মতো ‘কথা’ বেঁচে খায় না যারা।


একটা সময় ছিলো ভাত ছাড়া আর কিছুই বুঝতো না গ্রামের মানুষগুলো। আর এখন ওদের চাহিদায় যুক্ত হয়েছে ভোগবাদিতার নানা উপকরন। একসময় যে ছোট ছোট কিশোর-কিশোরীরা বুকে জড়িয়ে রাখতো ধানখেতের সবুজ। এখন তারা স্যাটালাইট আর ডিভিডি-সিডির সহজলভ্যতার বদৌলতে হাত বাড়ালেই পাচ্ছে যৌনতার বিকৃত উপকরন।
লাল-নীল রঙের ঘুড়ি নিয়ে গায়ের মেটো পথ জুড়ে এখন আর ছুটে বেড়ায় না দুরন্ত বালক। বালিকা তার হলদে বেণী দুলিয়ে যায় না নদীর পাড়ে ;দু হাত ভরে তোলে না ঢেঁকি শাক।
এসবের চেয়ে ওদের কাছে এখন অনেক বেশি প্রিয় বাংলা মুভি,বি ফোর ইউ চ্যানেল।(অসমাপ্ত)

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28774204 http://www.somewhereinblog.net/blog/jonakiahsanblog/28774204 2008-02-26 11:27:54