সুন্দরী বালিকাদের যত্ন করে কামড়াই

সংভক্ষকদের জন্য বিশেষ ছাড়

৩১ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০৩

শেয়ারঃ
0 7 0


১.
খবরের কাগজ খুলে প্রধান বন সংভক্ষক টারজান গণির চেহারা দেখে প্রকৌশলী মোহাম্মদ গোলাম এ খোদার চোখে তীব্র জলের চাপ অনুভূত হলো। শিক্ষিত একজন মানুষ, নামের গোড়ায় একটা বিচিঅলা ড দেখা যাচ্ছে, মানে ডক্টরেট করেছেন। কিন্তু আজ তার কী হাল! বিধির কী বিচিত্র বামপন্থা, আজ এই মেধাবী মানুষটিকে নিয়ে পুলিশ আর সাংবাদিকরা টানাহ্যাঁচড়া করছে। বিছানার তোষক, চালের ড্রাম, শালির পেটিকোট, কিছুই উল্টে দেখতে বাকি রাখছে না তারা। টাকাই কি সব? ইজ্জত আব্রুর কি কোন মূল্য নাই এই দেশে? মানী লোকের মান থাকছে না, টাকা দিয়ে হবেটা কী?

এমন সময় হন্তদন্ত হয়ে ঘরে ঢোকেন প্রকৌশলী খোদার স্ত্রী মিসেস খোদা। তাঁর চোখেমুখে আতঙ্কের ছাপ।

"শুনছো নাকি? লায়লা আপার বড় ভাইরে নাকি পুলিশে ধরছে! টাকাপয়সা নাকি ঘরদোর থেকে সব নিয়া যাইতেছে! তোষক ফাইড়া বলে টাকাপয়সা বাইর করছে! শুনছো কী হইতাছে?"

প্রকৌশলী খোদা অশ্রুসজল চোখে খবরের কাগজ বাড়িয়ে ধরেন মিসেস খোদার দিকে। লায়লা আপার বড় ভাইয়ের হোগামারাখাওয়া চেহারা দেখে মিসেস খোদা চোখে আঁচল চাপা দেন।

প্রকৌশলী খোদা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে ভাবেন, তাঁর কী হবে?

মিসেস খোদাও একই প্রশ্ন করেন, "আমাগো কী হইবো?"

প্রকৌশলী খোদা দুর্বল গলায় বলেন, "চালের ড্রাম থেকে টাকাগুলা সরাইতে হইব, বুজছো টুম্পার মা?

মিসেস খোদা বলেন, "তোষকটারেও তো ফাইড়া বাইর করতে হইবো!"

প্রকৌশলী খোদা বলেন, "কই রাখন যায় কও তো?"

মিসেস খোদা বলেন, "প্লাস্টিকের ব্যাগে ভইরা পানির টাঙ্কিতে চু্বাইয়া রাখলে কেমন হয়?"

প্রকৌশলী খোদা বলেন, "পাড়া পড়শী দেইখা ফালাইলে আরো বিপদে পড়বা। ঘরের বাইরে রাখন ঝামেলা। ঘরের ভিতরে কই রাখন যায় কও।"

মিসেস খোদা অস্থির হয়ে ওঠেন। "ফুলের টবের ভিতরে?"

প্রকৌশলী খোদা মাথা নাড়েন। "ফুলের টবের ভিতরে এত টাকা কেমনে রাখবা? এইটা কি দশবিশহাজার টাকা? দুই কুটি টাকা তুইলা আনছি ব্যাঙ্ক থিকা। কয়েক কিউবিক ফিট টাকা। ফুলের টবে রাখা যাইবো না।"

মিসেস খোদা ডুকরে ওঠেন, "হারামীর বাচ্চারা যে ক্যান দশ হাজার ট্যাকার নোট বাইর করে না! এহন এত ট্যাকা কই লুকাই?"

ভাবতে ভাবতেই প্রকৌশলী খোদার চোখে পড়ে খবরের কাগজের পেছনের পাতার বিজ্ঞাপন। বড় বড় হরফে লেখা:

সংভক্ষকদের জন্য বিশেষ ছাড়!

তার নিচে একটা মোবাইল নাম্বার দেয়া।


২.

প্রকৌশলী খোদা যতদূর সম্ভব ছদ্মবেশে এসেছেন। ব্যাপারটা ফাঁদ কি না তা চেক করার জন্য আগে নিজের শালাকে পাঠিয়েছিলেন। শালার রিপোর্ট শুনে আশ্বস্ত হয়ে এখন নিজেই এসেছেন, কিন্তু সাবধানের মার নাই। পরচুলাটা মাঝে মাঝে হাত দিয়ে পরখ করে দেখছেন, জিনিসটা খারাপ না।

কিন্তু লোকটা অতীব ধুরন্ধর, তাঁকে দেখেই খিলখিল করে হেসে ওঠে। বলে, "পরচুলা লাগিয়ে আসার কোন দরকার ছিলো? অ্যাঁ? এত অবিশ্বাস নিয়ে কাজ করা যায়?"

প্রকৌশলী খোদা একটু চটে যান মনে মনে, কিন্তু রাগ সামলে বলেন, "সাবধানের মার নাই।"

লোকটা হাসে। "তা ঠিক। চুরিদারি করলে সাবধানে থাকাই ভালো।"

প্রকৌশলী খোদা এবার ভীষণ ক্ষেপে ওঠেন। তাকে এভাবে মুখের ওপর চোর বললো? তিনি বললেন, "দেখুন ...।"

লোকটা গম্ভীর হয়ে যায়। বলে, "দেখাবেন না। কোন কিছু দেখাবেন না। অনেক দেখেছি। আমার কথা শুনলে ঐ গাধার বাচ্চা টারজান গণি আজ নিশ্চিন্তে অফিসে বসে কাজকাম করতে পারতো। কথা শোনেনি বলেই হাজতে বসে লপসি খাচ্ছে। সে-ও আমাকে আপনার মতো দেখাতে এসেছিলো। দেখে শিখুন। ঠেকে শিখবেন না।"

প্রকৌশলী খোদা একটু ঠান্ডা মেরে যান।

লোকটা এবার একটা কটন বাড বার করে বলে, "কত টাকা লুকাতে হবে?"

প্রকৌশলী খোদা এমন সোজাসাপ্টা কথায় একটু বেসামাল হয়ে বলেন, "এই ... ধরেন গিয়া ... দুই কুটি?"

লোকটা বলে, "হুম। পাঁচশো টাকার নোটে দুই কোটি টাকা মানে চল্লিশ হাজার নোট। এক লাখ টাকার বান্ডিল করলে দাঁড়াবে দুইশো বান্ডিল। কম না।"

প্রকৌশলী খোদা বলেন, "ঘরে রাখতে সাহস পাইতাছি না। ব্যাঙ্কেও না। আত্মীয়স্বজনগুলিও সব চুর। অদের কাছে রাখলে মাইরা দিতে পারে। আবার ধরাইয়াও দিতে পারে। বিশ্বাস নাই। সব কাফের।"

লোকটা বলে, "হুমম! কোন সমস্যা না।"

প্রকৌশলী খোদা তাকিয়ে থাকেন।

লোকটা বলে, "আমাদের কাজই হচ্ছে আপনাদের মতো চোরদের বিপদের দিনে সাহায্য করা।"

প্রকৌশলী খোদা বলেন, "কিন্তু কেমনে?"

লোকটা বলে, "দশহাজারী মার্কিন ডলারের নোট দিয়ে।"

প্রকৌশলী খোদা বলেন, "দশহাজারী নোট?"

লোকটা বলে, "হ্যাঁ। পঁচিশটা নোট পাবেন। পরে ভাঙালে পাবেন এক কোটি পঁচাত্তর লাখ টাকা।"

প্রকৌশলী খোদা বলেন, "মানে? বাকি পঁচিশ লাখ যাইবো কই?"

লোকটা এবার নিজের নখ দ্যাখে। বলে, "ওটা আমাদের ফি।"

প্রকৌশলী খোদা বলেন, "এত্ত!"

লোকটা মাথা নাড়ে। "হুঁ!"

প্রকৌশলী খোদার অবশ্য বুদ্ধিটা মনে ধরে। তিনি বলেন, "বেশি হইয়া যায় ভাই। আরেট্টু কম রাখেন।"

লোকটা মাথা নাড়ে। "উঁহু। তাছাড়া সাথে একটা ক্যাপসুল দিচ্ছি আমরা।"

প্রকৌশলী খোদা বলেন, "ক্যাপসুল! কিসের ক্যাপসুল?"

লোকটা বলে, "স্টেইনলেস স্টিলের ক্যাপসুল। ক্যাপসুলের ভেতরে ডলারগুলি গোল করে পাকানো থাকবে।"

প্রকৌশলী খোদা বলেন, "তারপর?"

লোকটা হাসে। বলে, "বিপদ দেখা দিলে ক্যাপসুলটা নিজের পশ্চাদ্দেশ দিয়ে ঢুকিয়ে দেবেন বহুদূর। পুলিশ আপনার তোষক ফাঁড়বে, চালের ড্রাম হাঁটকাবে, শালির পেটিকোট উল্টে দেখবে, কিন্তু আপনার পাছায় আঙ্গুল ঢুকিয়ে নিশ্চয়ই দেখবে না?"

প্রকৌশলী খোদার মনে ধরে পদ্ধতিটা। তাই তো!


৩.

সংভক্ষকদের জন্য বিশেষ ছাড় নিয়ে তিনি ফিরে আসেন। ক্যাপসুল ব্যবহারের জন্য নাকি তাঁকে আর মিসেস খোদাকে বিশেষ নার্স পাঠিয়ে ট্রেনিং দেয়া হবে। কী চমৎকার বুদ্ধি।

প্রকৌশলী খোদার মনটা অবশ্য একটু খচখচ করে। এত কষ্টের চুরিদারি, এত ঘুষ, এত তদবিরের সম্মানী, শেষমেশ কি না তিনি নিজেই নিজের হোগা দিয়ে ঢোকাবেন?

 

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩১ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১১
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: হা হা হা হা হা হা হা হা ...জটিলজ
৩. ৩১ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৬
আশরাফ আশরাফ বলেছেন: নিজেই নিজের হোগা দিয়ে ঢোকাবেন
৫. ৩১ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৮
অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন: ফাটাইয়া দিছেন ।

শালাদের হোগার একটা সদ্ব্যবহারের উপায় বাইর হইলো !
এতোদিন তো খাইস্টা কাম ছাড়া ইউজ হইতো না ।
৬. ৩১ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩১
হিমু বলেছেন: ইদানীং কেউ আমার সাথে চামচামি করে না :(
৭. ৩১ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩২
ফরিদ বলেছেন: ১০ হাজারী ডলার কবে আবিষ্কার হইলঃ(
৮. ৩১ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৩
হিমু বলেছেন: অনুভূতি, এখানে শালা বলতে আপনি কাকে বোঝাচ্ছেন? শালাদের মানে কারা? আপনি কাদের দুলাভাই? খুলে বলুন।
৯. ৩১ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৩
আশরাফ আশরাফ বলেছেন: ৫ দিসি তো, আর আপনি আর কত চামচ লইবেন
১১. ৩১ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৭
দ্রোহী বলেছেন: ওরে চোদন.........................
ফাডাইয়ালাইছে......................
১২. ৩১ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৮
এস্কিমো বলেছেন: দুর মিয়া, এই রকম কইরা কইতে হয় না।
৫ দিলাম।
১৩. ৩১ শে মে, ২০০৭ রাত ৮:১৬
মেন্টাল বলেছেন: ওরে হিমুদা এটা কি লিখলা রে। পুরা হোগামারা।
১৫. ৩১ শে মে, ২০০৭ রাত ৮:৪২
কেমিকেল আলী বলেছেন: প্প্ব্নপ্প্ব্বপ্প্ব্ত্রপ্প্বক্ষ্ম প্প্বনপ্প্ম্কপ্প্ব্বপ্প্ব্য !!!!!!!!!! প্প্বগু
১৬. ৩১ শে মে, ২০০৭ রাত ৯:১২
তারেক রহিম বলেছেন: আপনার জন্য এক ক্যাপসুল ৫। তবে এইটার জন্য যদি দুদক আপনারে ডাকে তাইলে আমি কিছু জানি না।
১৭. ৩১ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:০০
কনফুসিয়াস বলেছেন: হা হা হা! ফাটাফাটি! জটিল হয়েছে!
১৯. ৩১ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:২০
মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ বলেছেন: গনি মিয়ার মত দূর্নীতিবাজ সরকারী কর্মকর্তাদের পাদদেশ দিয়া টাটকা গরম ডিম ঢুকানোর প্রয়োজন।
বাংলাদেশের কত গরীব মেধাবী ছাত্র টাকার অভাবে জ্ঞানচর্চা করতে পারছে না, আর উনারা অসত উপায়ে কোটি টাকা কামিয়ে তাদিয়ে বালিশ বানিয়ে মাথায় দেন।
২০. ৩১ শে মে, ২০০৭ রাত ১১:৩৫
শমশেরআলম বলেছেন: ওহ হিমুভাই লিকছিলেন খিয়াল করি নাই যাউগ্গা আমিও মনের কতাটা কইছি
২২. ০১ লা জুন, ২০০৭ রাত ১২:০৩
ঠুকেমারি বলেছেন: কিন্তু মিসেস খোদার কি হপে। তিনিও কি কেপসুল ঢুকাপেন। কেপসুলটা কত বড়।

আর খোদার পিছনে কেপসুল ঢুকানর এই অছালিন কুফরি কতাবার্তার বিরুদ্দে তিব্র পেতিবাদ জানাই।
২৩. ০১ লা জুন, ২০০৭ রাত ১:১৬
শমশেরআলম বলেছেন: হিমু ভাই পিলিয আরো কয়েক্টা দেন এরম ফাটায়া দিছেন এক্কেরে। রেটাইছি
২৪. ০১ লা জুন, ২০০৭ রাত ১:১৭
দ্রোহী বলেছেন: হিমু ভাই পিলিয আরো কয়েক্টা দেন এরম ফাটায়া দিছেন এক্কেরে। রেটাইছি
২৫. ০১ লা জুন, ২০০৭ রাত ১:২৫
ঠুকেমারি বলেছেন: হিমু ভাই পিলিয আরো কয়েক্টা দেন এরম ফাটায়া দিছেন এক্কেরে। রেটাইছি
২৭. ০১ লা জুন, ২০০৭ রাত ১:৫৫
দ্রোহী বলেছেন: হ ভাই, পাবলিক ডিমান্ড
২৮. ০১ লা জুন, ২০০৭ রাত ২:০২
গোপাল ভাঁড় বলেছেন: কাপানি পোস্ট হিমু ভাই... হাগেন আরও কয়একটা...
৩০. ০১ লা জুন, ২০০৭ রাত ২:০৫
দ্রোহী বলেছেন: হাগবে নাকি হোগামারা দিবে? কি কও ভাতিজা?
৩১. ০১ লা জুন, ২০০৭ ভোর ৪:৩৮
আতরাফ রহমান বলেছেন: গনি মিয়া আর তার পরিবারের লোকজন যারা জড়িত ছিল বা সুবিধাভোগী তাদের ১০০ বছরের কারাদন্ড দেয়া হোক। সমস্ত টাকা উদ্ধার করে রাস্ট্রীয় ফান্ডে জমা দেয়া হোক।
৩২. ০১ লা জুন, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩০
আড্ডাবাজ বলেছেন: যাক, হিমু নিজ ফর্মে ফিরে এলো । গণি মিয়ারা ধরা পড়ে, কিন্তু গণি মিয়ার ভাবীর কি হবে? ঐটার ব্যাপারটা একদম চাইপা গেলেন। ধান্ধা কি?
৩৩. ০১ লা জুন, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৭
গোপাল ভাঁড় বলেছেন: ভাবীদের ব্যাপারটাও ভাইবা দেখা হবে.. আমি নিজেরে নিয়া একটা ১ সদস্যের কমিটি গঠন করছি, এই ব্যাপারে..
৩৪. ০১ লা জুন, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৩
আড্ডাবাজ বলেছেন: গোপাল, ১ সদস্যের কমিটি করেন, অসুবিদা নাই। তবে ২ নম্বর ধান্ধা কইরেন না।
৩৫. ০১ লা জুন, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৪
হনুমানজী বলেছেন: ভাবাভাবির কি আচে। সব গনিমতের মাল। সরকার একটা গনিকালয় খুলবে আর ভাবী সরকারকে টাকা শোধ করবে তার আয় দিয়া
৩৭. ০৭ ই জুন, ২০০৭ ভোর ৫:১২
শমশের আলম বলেছেন: হিমু ভাই কি গেছে গা না আছে?
৩৮. ১০ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৮
স্বপ্নকথক বলেছেন: এইটা একটা ক্লাসিক ছিলো...
৩৯. ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৩
সাধারণমানুষ বলেছেন: সিটি-আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার অর্জনে অভিনন্দন রইল

 

মোট সময় লেগেছে ১.৯২৪৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
পেশায় তড়িৎপ্রকৌশলী, নেশা বই পড়া, গান গাওয়া আর শোনা;একটুআধটু ফোটোগ্রাফির চর্চা করি, অবসরে বন্ধুদের সাথে ট্রেকিঙে বেরোই। নারীলিপ্সু মানুষ, সামান্য...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ