কুন্তলা কে নামহীন কবিতা সমর্পন
০৮ ই জুন, ২০০৬ রাত ১২:১৬
একটা সময়ে প্রেমিকাকে ভিন্ন নামে ডাকার চল ছিলো, আমার মায়ের গোপন তোরঙ্গ খুলে মামার লেখা পুরোনো প্রেমপত্র পড়ে হেসেছিলাম, নীচে সই করা ছিলো গরীবের বন্ধু নামে।
যখন প্রেমে পড়লাম আয়োজন করে তখন সদ্য কৈশোরে, অপ্রকাশিত প্রেম ভয়ংকর প্রদাহের মতো।লুকিয়ে রাখতে হতো গুরুজনের চোখের আড়ালে। এবং এই ভাবেই বুঝলাম ছদ্ম নামের প্রয়োজনীয়তা। আমি কাব্যি করে প্রেমিকার নাম রেখেছিলাম কুন্তলা, এমন কোনো শব্দ নেই বাংলা অভিধানে, কিন্তু এই নামের পিছনে যার অবয়ব লুকানো তার এলোমেলো চুল, সদ্যস্নাত চুলের চুঁড়া, কানের পাশ দিয়ে গড়িয়ে পড়া একটা পানির ফোঁটা, এমন অনেক অনেক দৃশ্য আমার ভেতরটা প্রতিনিয়ত এলোমেলো করে দেয়। এখনও করে.......
হঠাৎ এলোমেলো কাজের ভীড়ে মনে পড়লো তোমাকে
চিঠি দিও। ।
এই অবেলায় হঠাৎ মনে পড়লো তোমাকে
চিঠি দিও-
তুমি ক্যামোন আছো?
চিঠি দিও
তুমি ঠোঁট উলটে বললে ''না মশাই
ওটা হওয়ার নয়, চিঠি ফিঠি আমি দিতে পারবো না
আমার আসে না ওসব, বরং ফোন দিও কথা হবে-
তবু প্রবাসে প্রতিদিন ডাকবাস্ক খুলে প্রতীক্ষা করি তোমার চিঠির, জানি আসবে না তবু এই অপেক্ষা ভালো লাগে আমার।
মাঝে মাঝে অভিমানে
কোনো কোনো রাতে
ঘুম না আসলে লাগোয়া বারান্দায় গিয়ে
আকাশের চালচিত্র দেখি
তোমার সাথে অন্তহীন কথোপকথন চলতে থাকে-
আমার ফোন না করা দিনের সংখ্যা, ফোন করার দিনগুলোর মধ্যের ব্যাবধান বাড়ে, বহুদিন হয়ে গেলো তোমাকে ফোন করা হয় নি।
শেষ বার শুনলাম তোমার বিয়ে হয়েছে-
ভালোই হয়েছে বোধ হয়, নিজস্বনির্মিত ভালোবাসার মুখটা খুঁজতে গিয়ে হয়তো পেতাম না, কষ্ট হতো তখন
তোমার কাছ থেকে দুরে এসে
আরও বেশী তোমাতে নিমজ্জিত
জানি আসবে না তবু অন্তহীন প্রতীক্ষা সেই চিঠির
এ নিজের সাথে নিজের বোঝাপড়া
এই নিত্য জীবনযাপনের কোথায় তোমাকে রাখি?
এর চেয়ে বরং
চলে যাবো
বেশ কিছু স্মৃতি আছে থাক
স্মৃতিভুক কীটেরা পার স্মৃতির প্রসাদ
স্মৃতির প্রাসাদ থেকে আমাকে জীর্ন করুক
জীর্ন করুক
জীর্ন করুক
কি এসে যায়?
এই যে আমি অবহেলা নিয়ে পথ চলি
প্রতীক্ষায় থাকি
দু চোখের আলো সাজিয়ে রাখি
কারো কিছুই যায় আসে না।
আগুন এসেছি তোমার কাছে
নিবিড় আলিঙ্গনে আমাকে জড়াও
হে আগুন আমাকে পোড়াও।
প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা বিভাগে ।
হযবরল বলেছেন:
একি দোদন্ড প্রতাপ ক্ষ্যপা রাসেল এত গলিত কেন? যাক প্রেম শুধু আমাকে না সবাইকেই কৎবেল বানায়।
অতিথি বলেছেন:
কেমনে কোথায় কি যেন পড়েছিলাম কি যেন হওয়ার কথা ছিল কি যেন হয় নাই - ধার করে আবার বলতে হলো।
অতিথি বলেছেন:
না রে ভাই সর্বনাশ বলে হাসাহাসি করি নি। 'হাসাহাসি' ছিল না, আকুতিটা চেনা চেনা লাগল, পড়লাম, ভাল লাগল, তাই একটা চিহ্ন রেখে গেলাম আর কি। কৎবেল সবাই, কিন্তু খোলস দেখে যে বোঝা যায় না!
অতিথি বলেছেন:
হুমম হযবরল সবার ভিতরেই কাদামাটি থাকে, কিন্তু আস্তের এত আনন্দ কেনো?কারো পৌষমাসে কারো সর্বনাশে এমন হাসাহাসি ভালো না।
অতিথি বলেছেন:
এত ভাল একটা পোস্ট আপনার কাছ থেকে আসা করি নি।
অতিথি বলেছেন:
খ্যাপা মরদ ক্ষেপলো ক্যানো এইটা বুঝতে হইবো না আগে?
হযবরল বলেছেন:
তো কার কাছে আশা করছ জয়, হযবরল না ত্রিভূজের কাছে। রাসেল ভাইয়ের '' পুরোনো দিনের কবিতা '' পড়, বুঝবাএইডা কি মাল।
অতিথি বলেছেন:
এই মানুষটা কেন যে এইসব বাদ দিয়া খামাখা প্যাচাল করে বুঝি না, খাইচ্চত ।
অতিথি বলেছেন:
ভালোবাসা খাইলো তারেটের পায় নাই এই বয়সেও
ভালোবাসা মারলো তারে
প্রেম খোঁজে খ্যাপা মরদেও।
কনফুসিয়াস বলেছেন:
হুমম, ঘটনা তাইলে এই?
কালপুরুষ বলেছেন:
রাসেল (8 ডট) ঃকাজটা ভাল করলেন না। খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে দিলেনতো অনিন্দিতা'র কথা মনে করিয়ে। অনেকদিন কোন চিঠি পাইনা। মনটা কেমন জানি এলোমেলো হয়ে গেল। দেখি নিজেই একটা লিখি বসে বসে... কত কথা যে মনে পড়ে....
অতিথি বলেছেন:
চৌধুরী সাব মাঝে মাঝে মানুষকে আশাহত করা খারাপ না কি কন?ভালোবাসা যাকে খায় এইভাবে সবটুকু খায়- হেলাল হাফিজ
আকুতি সব সময় একই রকমই হয় কিন্তু প্রকাশ আলাদা,
অতিথি বলেছেন:
তুমার মনে এত রং আছিল !!!
অতিথি বলেছেন:
সবার দেখি বিগত প্রেমিকার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, সকল বিরহী প্রেমিক গোষ্ঠি বিবাহিত ও জীবিতদের সাথে চ্যারিটি ক্রিকেট ম্যাচ খেলবে।সুমন মিয়া তুমি কোন দলে নাম লিখাইবা কও?
গোধুলী আমার টিমে আছে গোপন খবর পাইছি।
শুভ বলেছেন:
হুম-ম, এমন আরও কিছু জিনিষ প্রসব করলে মন্দ ছিল না!
অতিথি বলেছেন:
আমি জীবিত!!!!!!!
শমিত বলেছেন:
রাসেল (.......), কি যে করেন কাকা বুজি নে , কবিতার চেহারায় গল্প লেকেন আর গদ্যের চেহারায় কবিতা !!
শমিত বলেছেন:
হঠাৎ মনে পড়লো আর কি!
শমিত বলেছেন:
ইয়ে ... মানে ... আমিও!
অতিথি বলেছেন:
শমিত তো রাসেলের দলে...তাইলে জীবিত কে কে...
অতিথি বলেছেন:
সুমন বিরহী প্রেমিক দলে নাম লিখায়া ফেলাও, বিবাহিত আর জীবিতদের দলে গিয়া দেখবা খালি কৌশিক রইছে আর পাবলিক পাইবা না-বিরহী হইতে হইলে হ্যাডম লাগে ভাইটু।শমিত বোধ হয় অভ্যাসটা আবুল হাসানের , সে বেচারার গদ্য কবিতাভারাক্রান্ত, একটানা কবিতার মতো গদ্য লিখে যেতে দেখলাম তাকে, আর লিখতো শক্তি, তার লেখার ধাঁচ ওটা অনুকরনের চেষ্টা থাকেই গোপনে।
শমিত বলেছেন:
আমি তো আমার বিগতা প্রেমিকার সাথেই বিবাহিত , জীবিত ও বিগতা প্রেমিকার শোকে কাতর ।


















